আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দেশের প্রাণিসম্পদ ও খাদ্য নিরাপত্তায় বিপর্যয়ের আশঙ্কা সত্ত্বেও সয়াবিন মিল রপ্তানিতে অনুমতি দিলো সরকার।  

সরবরাহ সংকটে এখন অনেক ফিডমিল বন্ধ হওয়ার উপক্রম। যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, নীতিমালায় নিষেধ না থাকার কারণে সয়াবিন মিল রপ্তানি হচ্ছে। পরবর্তী নীতিমালায় বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস মন্ত্রণালয়ের।

বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মত, পোল্ট্রি ফিডের আমিষের উৎস- সয়বিনমিল রপ্তানি হলো ভারতে। অভিনন্দন জানালো ভারতের প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তরা। 

অথচ পোল্ট্রি খাদ্যের অতি দরকারি উপকরণের চরম অভাব এখন বাংলাদেশে। ৩৫ টাকার কেজির দরের এক কেজি সয়াবিন এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। তবুও মিলছে না। এমন পরিস্থিতিও এর রপ্তানির অনুমতি দিচ্ছে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়। এতে উদ্বিগ্ন ফিড মিল মালিকরা। 



ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আহসানুজ্জামান বলেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দেখা যাবে হয়ত কিছু ফ্যাক্টরি কাঁচামালের অভাবে তার উৎপাদন কমাতে হবে অথবা বন্ধ করে দিতে হবে। এমনটা হলে যখন খাবারের অভাব সৃষ্টি হবে তখন এই সেক্টরের উৎপাদন অনেক কমে যাবে।

সয়াবিন মিলের সরবরাহ সঙ্কট দূর না হলে সামনের দিনগুলোতে দাম বাড়বে ডিম, মুরগি ও মাছের। ঝুঁকিতে পড়বে খাদ্য নিরাপত্তা।  তাই জরুরি এই পণ্য রপ্তানিতে সায় নেই, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের।  

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা: শেখ আজিজুর রহমান বলেন, এই জিনিসটা আসলেই ঠিক হয়নি। এটাতো অনেকটা দেশদ্রোহী কাজের মত হয়ে গেছে। আমার দেশের মুরগি খাবার পাচ্ছে না আর আমাদের খাবার তাদের দেশে দিয়ে আসা হচ্ছে এটা কোনভাবেই কাম্য নয়।

সয়াবিন মিল রপ্তানিতে আপত্তি জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে ফিড মিল অ্যাসোসিয়েশন। পণ্যটির রপ্তানি বন্ধের বিষয়ে বিবেচনার আশ্বাস বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের। 


বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান বলেন, রপ্তানীনীতি করার আগে হয়ত আমরা একটা তদন্ত করতে পারি। আমরা আগে দেখি তাদের ফিডব্যাক কেমন। তারপর এ বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করবো।

এগ্রোবিজ

ফের বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

ফের প্রতি লিটার ভোজ্যতেলের দাম বাড়ল ৪ টাকা। এই সিদ্ধান্ত সোমবার থেকে কার্যকর হবে।

রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ীদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বাজারে সর্বোচ্চ ১২৯ টাকা দরে বিক্রি হবে। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৩ টাকা। পাঁচ লিটার বোতলের সয়াবিনের সর্বোচ্চ খুচরা দাম হবে ৭২৮ টাকা। প্রতি লিটার খোলা পাম সুপারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৬ টাকা।

এদিকে গত মে মাসে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিনের দাম ১২৯ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ ও জনসাধারণের কথা বিবেচনা করে দাম ৪ টাকা কমিয়ে ১২৫ টাকা দরে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজকের বৈঠকে মে মাসের নির্ধারিত দাম প্রতি লিটার ১২৯ টাকাই পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

১৭৯ কোটি টাকার গম আমদানির সিদ্ধান্ত

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে খাদ্য চাহিদা মেটাতে ৫০ হাজার টন গম আমদানি করা হবে। ১২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রোটিন মাত্রার এ পরিমাণ গম আমদানিতে ব্যয় হবে ১৭৯ কোটি ৫০ লাখ ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা। বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ বিষয়ক একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সামসুল আরেফিন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আরেফিন বলেন, সরকার ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানি করবে। এজন্য আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হলে একটি দরপত্র জমা পড়ে যা রেসপনসিভ হয়। দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশকৃত রেসপনসিভ একমাত্র দরদাতা প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরের এগ্রোকরপ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কাছ থেকে গম কেনা হবে।

তিনি বলেন, প্রতি টন গম ৪২১ দশমিক ৩৮ মার্কিন ডলার হিসেবে সর্বমোট ২ কোটি ১০ লাখ ৬৯ হাজার মার্কিন ডলারে কেনা হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ১৭৯ কোটি ৫০ লাখ ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা। খাদ্যের চাহিদা মেটাইতেই গম আমদানির প্রত্যাশামূলক প্রস্তাবটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

যুক্তরাজ্যে ভিয়েতনামের কফি রফতানি কমেছে

চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) যুক্তরাজ্যে ভিয়েতনামের কফি রফতানি কমেছে। ভোক্তাদের পছন্দ ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে না পারায় রফতানিতে এমন মন্দা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি কভিড-১৯ মহামারীর চতুর্থ ঢেউ দেশটির কফি রফতানি খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। খবর ভিএন এক্সপ্রেস ইন্টারন্যাশনাল।

ভিয়েতনাম বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ কফি উৎপাদক। দেশটি বছরের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাজ্যে ১৬ হাজার ৪০০ টন কফি রফতানি করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এদিকে মূল্যমানের দিক থেকে রফতানি কমেছে ৪৯ দশমিক ৯ শতাংশ। এ সময় যুক্তরাজ্যের কফি বাজারে ভিয়েতনামের হিস্যা কমে ২৭ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে ১৬ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমে যায়। জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত ভিয়েতনাম ও হন্ডুরাস ছাড়া সব সরবরাহকারী দেশ থেকেই কফি আমদানি বাড়িয়েছে যুক্তরাজ্য।

ব্রিটিশরা প্রধানত ইন্সট্যান্ট কফি ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু ভিয়েতনাম যুক্তরাজ্যে অপরিশোধিত ও স্বল্প প্রক্রিয়াজাত কফি রফতানি করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের ভোক্তাদের চাহিদা ও অন্যান্য শর্ত মাথায় রেখে ভিয়েতনামকে রফতানি বৃদ্ধিতে জোর প্রচেষ্টা চালানো উচিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বিপর্যয়ে ব্রাজিলের ভুট্টা উৎপাদন খাত

ব্রাজিলে ভুট্টা উৎপাদন হ্রাসের পূর্বাভাস মিলেছে। দেশটিতে ভুট্টার আবাদ বাড়লেও খরা ও তীব্র তুষারপাতের কারণে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ব্রাজিলের ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল এজেন্সি কোনাব এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ব্রাজিল গত মৌসুমে ১০ কোটি ২৬ লাখ টন ভুট্টা উৎপাদন করেছিল। চলতি মৌসুমে উৎপাদন কমে ৮ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টনে নেমে আসার পূর্বাভাস দেয় কোনাব। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে আগস্টে দেয়া এ পূর্বাভাস আরো কমিয়ে সম্প্রতি ৮ কোটি ৫৭ লাখ ৪৯ হাজার টনে নামিয়ে আনা হয়েছে।

মাসভিত্তিক এক সমীক্ষায় কোনাব জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ভুট্টার বিপণন মৌসুম শুরু হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারিতে মৌসুম শেষ হবে। মৌসুম শেষে খাদ্যশস্যটির উৎপাদন আগস্টে দেয়া পূর্বাভাসের তুলনায় কমবে। ব্রাজিলের ভুট্টা উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ রাজ্যগুলোতে খরার কারণে জমির মাটি শুকিয়ে ভুট্টা গাছ মরে গেছে। খরার ধকল সামলে ওঠার আগেই জুনের শেষ দিকে দেখা দেয় তীব্র তুষারপাত। আবহাওয়ার এমন বিরূপ প্রভাবে দেশটির ভুট্টা উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চলতি মৌসুমে ব্রাজিলে প্রায় ১ কোটি ৪৯ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জামিতে ভুট্টা আবাদ করা হয়েছে। গত মৌসুমের তুলনায় আবাদ বেড়েছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে প্রতি হেক্টর জমির উৎপাদন সক্ষমতা কমেছে ২৭ শতাংশ। বর্তমানে প্রতি হেক্টর জমি থেকে ৩ হাজার ৯৮২ কেজি ভুট্টা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় কোনাব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম বেড়েছে

ফিউচার মার্কেটে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম বেড়েছে। সর্বশেষ কার্যদিবসে পণ্যটির দাম ১ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। এ নিয়ে টানা তিন কার্যদিবসে পাম অয়েলের মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎপাদনে মন্দার আশঙ্কা এবং চলতি মাসের প্রথমার্ধে ঊর্ধ্বমুখী রফতানি দাম বাড়াতে সহায়তা করেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার ও রয়টার্স।

বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে বাজার আদর্শ পাম অয়েলের নভেম্বরে সরবরাহ চুক্তিমূল্য ১ দশমিক ৬১ শতাংশ বা ৭০ রিঙ্গিত বেড়েছে। অধিবেশনের মাঝামাঝি বিরতিতে প্রতি টন পাম অয়েলের দাম উঠেছে ১ হাজার ৬০ ডলার ৮৬ সেন্ট পর্যন্ত।

পণ্যবাহী জাহাজের তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অ্যামসপ্যাক এগ্রি জানায়, ১-১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়া ৮ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৫ টন পাম অয়েল রফতানি করে। গত মাসের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ৫৪ শতাংশ বেড়েছে। এদিকে গত মাসে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল উত্তোলন বাড়লেও দীর্ঘস্থায়ী খরার প্রভাবে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com