আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

করোনার এ সময় সবাই এখন বেশ স্বাস্থ্যসচেতন। বাড়ছে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা। পিৎজা, পাস্তার মতো খাবারেও তাই থাকছে স্বাস্থ্যকর উপকরণের ব্যবহার। রেসিপি দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার শেরাটন গ্র্যান্ড সিডনি হোটেলের শেফ ফাহিম ফেরদৌস

সকালের পিৎজা

উপকরণ: পিৎজা বেজ বা রুটির জন্য: ময়দা ২ কাপ, পানি ১ কাপ, গরম পানি সিকি কাপ, চিনি ১ চা–চামচ, ইস্ট (শুকনা) ২ চা–চামচের একটু বেশি, জলপাই তেল ১ চা–চামচ, সুজি ২ চামচ ও লবণ ১ টেবিল চামচ।

নাপোতেলানা সস বা টমেটো সসের জন্য: ক্যানড টমেটো ১ ক্যান (৫০০ গ্রাম), টমেটো পেস্ট ১ চামচ, পেঁয়াজ ১টি, রসুন ১টি, পাপরিকা ১ চা–চামচ (অন্য যেকোনো চিলি পাউডার ব্যবহার করতে পারেন), চিনি ৩ চামচ, অলিভ ওয়েল ১০ চা–চামচ, ভিনেগার ২ চা–চামচ, ওরিগ্যানো ২ চা–চামচ ও তুলসীপাতা ১০টি, লবণ স্বাদমতো।

পিৎজা টপিংয়ের জন্য: ডিম ৩টি, মাশরুম ১ কাপ, বেবি স্পিনাচ ১ কাপ, চেরি টমেটো ৪ থেকে ৬টি ও মোজারেলা চিজ ২ কাপ।

প্রণালি: পিৎজা বেজ বা রুটির জন্য প্রথমেই একটি পাত্রে গরম পানি ও চিনি মিশিয়ে নিন। এরপর ইস্ট মিশিয়ে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। ৫ মিনিট পরে ওপরে বুদ্‌বুদ দেখতে পাবেন। এরপর মিশ্রণের সঙ্গে পানি জলপাই যোগ করুন। একটি পাত্রে সুজি, আটা ও লবণ দিয়ে মিশিয়ে নিন। এরপর ধীরে ধীরে আগের বানানো ইস্টের মিশ্রণটি যোগ করুন এবং ডো তৈরি না হওয়া পর্যন্ত খামির করতে থাকুন। ডো হয়ে গেলে একটি বাটিতে উঠিয়ে ঢেকে রাখুন। খেয়াল রাখবেন ডো যেন মসৃণ হয়। ডোটি হালকা ফুলে উঠলে একটি মসৃণ বাটির চারপাশে তেল মাখিয়ে সেই বাটিতে রেখে ওপরে পেপার দিয়ে ঢেকে দিন। এটি ফুলে দ্বিগুণ ও নরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। ডো রেডি হয়ে গেলে, নিজের পছন্দমতো সাইজে কেটে নিয়ে রুটির মতো করে বেলে পিৎজার জন্য তৈরি করে নিন।

এবার নাপোতেলানা সস বা টমেটো সসের জন্য প্রথমে পেঁয়াজকুচি হালকা ভেজে নিন। এবার রসুন, পাপরিকা, টমেটো পেস্ট দিয়ে তেল না ছাড়া পর্যন্ত রান্না করুন। ক্যানড টমেটো, ভিনেগার, চিনি, ৩ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিয়ে হালকা আঁচে ১ ঘণ্টা রান্না করুন। এবার তুলসীপাতা, ওরিগ্যানো মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।

পিৎজা টপিংয়ের জন্য: সাধারণ পিৎজার চেয়ে ব্রেকফাস্ট পিৎজা বানানোর প্রণালি একটু ভিন্ন। প্রথমে ওভেন ১৮০ ডিগ্রিতে প্রিহিট করে নিন। পিৎজা ডোর রেসিপি অনুযায়ী পিৎজা রুটি বানিয়ে, তাতে সস ও চিজ দিয়ে বেক ৭ থেকে ৮ মিনিট বেক করুন। এবার চিজ মিশে গেলে গরম থাকা অবস্থায় চামচ দিয়ে পিৎজার ডোর মধ্যে ২ থেকে ৩টি স্থান চিহ্নিত (খেয়াল রাখবেন পিৎজার রুটিতে যেন কোনো ছিদ্র না হয়) করে নিন। এতে ডিম ভেঙে দিন এবং চারপাশে পালংশাক, মাশরুম, টমেটো দিয়ে আরও ৫ থেকে ৭ মিনিট বেক করুন।

ফেটুচিনি বসকাইওলা

উপকরণ: ফেটুচিনি পাস্তা ২০০ গ্রাম, মাশরুম আধা কাপ, বিফ বেকন আধা কাপ, মটরশুঁটি পেস্ট ২ চা–চামচ, চেরি টমেটো ৫টি, কুকিং ক্রিম ৩০০ গ্রাম, পেঁয়াজকুচি ১টি (মিহি কুচি), তেল ২ চা–চামচ, পার্সলে ১ কাপের তিন ভাগের এক ভাগ ও লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি: প্রথমে ফেটুচিনি পাস্তা ফুটন্ত গরম পানিতে সেদ্ধ করে তা বরফ পানিতে ডুবিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এবার মাঝারি আঁচে প্যানে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ, বিফ বেকন ও মাশরুম দিয়ে ২ মিনিট রান্না করুন। এরপর কুকিং ক্রিম দিয়ে আরও ৪ থেকে ৫ মিনিট রান্না করুন। ক্রিম ঘন হয়ে এলে তাতে পাস্তা দিন। সস পাস্তার সঙ্গে মিশে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে পার্সলে মিশিয়ে পরিবেশন করুন।

বাঁধাকপি মুরগির লাজানিয়া

উপকরণ: বাঁধাকপি ৫০০ গ্রাম, পালংশাক ১০০ গ্রাম (যেকোনো সবুজ শাক নিতে পারেন), বাদামকুচি এক কাপের তিন ভাগের এক কাপ, মুরগির মাংসের কিমা ৫০০ গ্রাম, তেল ৬ চা–চামচ, পেঁয়াজকুচি ১টি (মিহি কুচি), গাজর ২টি, মটরশুঁটি এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ, রসুন ২ কোয়া, টমেটো সস সিকি, টমেটোকুচি ৪০০ গ্রাম, আলফ্রেডো সস ৫০০ গ্রাম (পিৎজার রেসিপি থেকে দেখুন), মোজারেলা চিজ আধা কাপ ও লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি: ওভেন ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রি হিট করে নিন। এবার প্রথমে সস প্যানে হালকা তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি, গাজরের টুকরা দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেঁয়াজ নরম হলে তাতে মুরগির কিমা দিন। এভাবে ৫ মিনিট নেড়ে টমেটোকুচি ও টমেটো সস দিয়ে আরও ৫ মিনিট রান্না করুন। রান্না শেষ হলে মটরশুঁটি দিন। অন্য একটি পাত্রে হালকা আঁচে অল্প তেল দিয়ে পালংশাক ১ মিনিট ধরে টেলে নিয়ে তাতে বাদামকুচি দিন। এবার বাঁধাকপির পাতাগুলো ছাড়িয়ে এমনভাবে কাটুন যেন পাত্রে তা পেপারের মতো করে বিছিয়ে রাখা যায় (চাইলে হালকা সেদ্ধ করে নিতে পারেন)। একটি ওভেনপ্রুভ পাত্রে প্রথমে কিছুটা তেল লাগিয়ে বাঁধাকপির একটি লেয়ার দিন, তার ওপর টমেটো সসে রান্না করা মুরগির মাংসের ১টি লেয়ার দিন। এবার ওপরে পালংশাক ও বাদামের একটি লেয়ার দিয়ে সবশেষে আলফ্রেডো সসের একটি লেয়ার দিন। এভাবে ২ থেকে ৩টি লেয়ার হবে। সবার ওপরের লেয়ারে মোজারেলা চিজ দিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট বেক করুন। বেক করা হয়ে গেলে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে পরিবেশন করুন মজাদার লাজানিয়া।

পাস্তা সালাদ

উপকরণ: বেসিল পেস্তোর জন্য: তুলসীপাতা ৫০ গ্রাম, পাইন নাটস ৫০ গ্রাম (চাইলে চিনাবাদাম, কাজুবাদাম ব্যবহার করতে পারেন), জলপাই তেল বা ভেজিটেবল অয়েল ৩ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা–চামচ ও পারমিজান চিজ ৫০ গ্রাম (যদি থাকে)।

সালাদের জন্য: সেদ্ধ পেনে পাস্তা ১ কাপ (ম্যাকারনি ব্যবহার করা যেতে পারে), পেস্তো ২ চা–চামচ, ফুলকপি ১টি, তেল ৫ টেবিল চামচ, গরমমসলা ৩ চা–চামচ, হলুদের গুঁড়া ২ চা–চামচ, স্যামন বা যেকোনো মাছের ফিলে ১টি, শসা ১টি, সালাদপাতা আধা কাপ (পালংশাক ও লেটুস), ধনেপাতা ৫টি, লেবু ১টি ও গ্রেটেড চিজ ইচ্ছেমতো।

প্রণালি: বেসিল পেস্তো বানানোর জন্য সব উপকরণ একসঙ্গে হামান দিস্তা বা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এবার সালাদের জন্য প্রথমে ওভেন ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রি হিট করে নিতে হবে। অন্য দিকে একটি পাত্রে কেটে নেওয়া ফুলকপিতে তেল, গরমমসলা আর হলুদের গুঁড়া মাখিয়ে নিন। এবার ওভেনে ৮–১০ মিনিট বেক করুন। ফুলকপির পাত্রে মাছের ফিলে দিয়ে আরও ৫ থেকে ৭ মিনিট রান্না করুন। শসা পাতলা করে কেটে নিন। আগে থেকে সেদ্ধ করে রাখা পেনে পাস্তায় প্রয়োজনমতো বেসিল পেস্তো মিশিয়ে বাকি উপকরণসহ পরিবেশন করুন পাস্তা সালাদ।

ফেটুচিনি বসকাইওলা

উপকরণ: ফেটুচিনি পাস্তা ২০০ গ্রাম, মাশরুম আধা কাপ, বিফ বেকন আধা কাপ, মটরশুঁটি পেস্ট ২ চা–চামচ, চেরি টমেটো ৫টি, কুকিং ক্রিম ৩০০ গ্রাম, পেঁয়াজকুচি ১টি (মিহি কুচি), তেল ২ চা–চামচ, পার্সলে ১ কাপের তিন ভাগের এক ভাগ ও লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি: প্রথমে ফেটুচিনি পাস্তা ফুটন্ত গরম পানিতে সেদ্ধ করে তা বরফ পানিতে ডুবিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এবার মাঝারি আঁচে প্যানে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ, বিফ বেকন ও মাশরুম দিয়ে ২ মিনিট রান্না করুন। এরপর কুকিং ক্রিম দিয়ে আরও ৪ থেকে ৫ মিনিট রান্না করুন। ক্রিম ঘন হয়ে এলে তাতে পাস্তা দিন। সস পাস্তার সঙ্গে মিশে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে পার্সলে মিশিয়ে পরিবেশন করুন।

পাস্তা রান্নার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস

১. পাস্তা সব সময় ফুটন্ত গরম পানিতে সেদ্ধ করুন।

২. পাস্তা সব সময় লবণাক্ত (আপনি পানিতে লবণের স্বাদ পাবেন) পানিতে সেদ্ধ করুন।

৩. পাস্তা সাধারণত ৬ থেকে ৮ মিনিট সেদ্ধ করা প্রয়োজন। সেদ্ধ করার পর সঙ্গে সঙ্গে বরফপানিতে ডুবিয়ে রাখুন। এতে পাস্তা ওভারকুকড হবে না।

৪. সেদ্ধ করা পাস্তা বরফের পানি থেকে তুলে, ৩ চা–চামচ তেল দিয়ে মাখিয়ে নিলে পরে পাস্তা আর স্টিকি হবে না। আপনি চাইলেই এভাবে পাস্তা ২ থেকে ৩ দিন ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করতে পারেন।

  • স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

    স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

  • স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

    স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

  • স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

    স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

  • স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

    স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

  • স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

    স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

  • স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা
  • স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা
  • স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা
  • স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা
  • স্বাস্থ্যকর পিৎজা–পাস্তা

দৈনন্দিন

যেভাবে সুতি কাপড়ের যত্ন নিলে দীর্ঘদিন ভালো থাকবে

আরামদায়ক পোশাক পরতে হলে সুতি কাপড়ের বিকল্প নেই। কারণ সুতি হলো প্রাকৃতিক ফেব্রিক। তুলা থেকে তৈরি হয় সুতা। এরপর ওই সুতা থেকে তৈরি হয় সুতির পোশাক। তাই এই ফেব্রিকের বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।

সুতি কাপড় ধোয়া থেকে শুরু করে ভাঁজ করা পর্যন্ত নিয়ম মানা জরুরি। না হলে কাপড়ের আয়ু কমে যায়। এটির বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক সুতি কাপড়ের যত্ন নেবেন কীভাবে?

সুতি কাপড় ধোয়ার উপায়

>> সুতি কাপড়ের ফেব্রিক খুব সহজেই ছিঁড়ে যায়। তাই ঘঁষে ঘঁষে সুতির পোশাক না ধোয়াই ভালো।

>> প্রচণ্ড গরম পানিতেও কখনো ভেজাবেন না সুতির পোশাক। এতে পোশাকের রং নষ্ট হয়ে যাবে।

>> একটি সুতি কাপড় পরিধান করার একমাস পর ধোবেন না। পরার পরপরই ধুয়ে শুকিয়ে ভালোভাবে রেখে দিন।

>> যদি একবার পরেই কাচতে না চান, তবে তাকে রোদে দিতে হবে অবশ্যই। অন্তত এক ঘণ্টা রোদে দেবেন।

>> যদি সুতির পোশাকে কোনো দাগ হয়ে যায়, তবে আগে তা আলাদা করে তুলে নিন। তারপর সম্পূর্ণ জামাটি পরিষ্কার করুন।

>> সুতির পোশাকে আপনি মাড় দিতেই পারেন। তবে মাড় দেওয়ার পরই পানি ঝরিয়ে নিন।

শুকানোর সময় যা করবেন

>> খুব টানটান করে সুতির পোশাক মেলবেন না।

>> পানি ঝরিয়ে নিয়ে সুতির পোশাক মেলুন।

>> চড়া রোদে সুতির পোশাক দেবেন না। হালকা রোদে বা ছায়ায় সুতির পোশাক মেলবেন।

ইস্ত্রি করার সময় করণীয়

>> প্রথমে পোশাক উল্টে নিয়ে ইস্ত্রি করে তারপর সোজা পিঠে করুন।

আলমারিতে রাখার সময় করণীয়

>> পরিধান করার পর ভালোভাবে রোদে না শুকিয়ে বা ধুয়ে সুতির পোশাক কখনো ভাঁজ করে আলমারিতে রাখবেন না।

>> সুতির কাপড় আলমারিতে রাখার পর ওই স্থানে কিছু কালোজিরা দিয়ে রাখবেন। এতে পোশাক ভালো থাকবে। পোকা-মাকড় কাপড়ের ধারে-কাছে আসবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

টাক মাথায় চুল গজাতে পেয়ারা পাতার ব্যবহার!

অকালে চুল পড়ে যাওয়া ঠেকাতে অনেকেই এটা-সেটা ব্যবহার করেন। এসব করেও মাথায় নতুন চুল গজাচ্ছে না। এমন অবস্থায় অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েন। মাথায় যাদের চুল কম বা টাক পড়ে গেছে; এমন মানুষেরা সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকেন।

চুল পড়ার রয়েছে অনেক কারণ। অনিয়মিত জীবন-যাপন, বংশগতভাবে টাক, কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনীর ব্যবহার ইত্যাদি কারণে চুল পড়তে পারে। কিছু ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের কারণেও চুল পড়ার সমস্যাটি বেড়ে যেতে পারে।

এ ছাড়াও দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন রোগে অতিরিক্ত চুল পড়ায় মাথায় টাক পড়তে পারে। তবে চিন্তিত না হয়ে কার্যকরী উপায়ে চুল গজানোর জন্য প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদানে ভরসা রাখুন।

তেমনই একটি উপাদান হলো পেয়ারা পাতা। নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন! পেয়ারা পাতায় আবার কীভাবে চুল গজাবে? প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায় পেয়ারা পাতা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এগুলোয় ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স রয়েছে। যা চুল পড়া ঠেকাতে পারে। একই সঙ্গে এটি চুল গজাতেও সাহায্য করে।

তাই জেনে নিন পেয়ারা পাতা দিয়ে চুল গজানোর সহজ উপায়-

প্রথমে কিছু পেয়ারা পাতা একটি পাত্রে নিয়ে পানিতে সেদ্ধ করে নিন। চুলা থেকে নামিয়ে পানি ঠান্ডা হতে দিন। এবার আপনার মাথার ত্বকে পেয়ারা পাতা সেদ্ধ পানীয় ম্যাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার এ উপায় অনুসরণ করলে ফলাফল কিছুদিনের মধ্যে টের পাবেন।

যদিও অনেক কারণে চুল পড়ে মাথা টাক হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন ধরে যদি চুল পড়তে থাকে আর মাথা টাক হওয়া শুরু হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পাশাপাশি এ টোটকা মেনে চুলের যত্নে পেয়ারা পাতা ব্যবহার করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কালো চা দূর করবে মুখের কালচে দাগ

শারীরিক সুস্থতায় কালো চা পানের বিকল্প নেই। কালো চা আমরা সাধারণত লিকার হিসেবে (রং চা) অথবা দুধ-চিনি মিশিয়ে পান করে থাকি। তবে রং চায়ে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক কম থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কালো চা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। তা ছাড়া নিয়মিত কালো পান করলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। এমনকি যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান; তাদের জন্যও রং চা অনেক কার্যকরী। শুধু শারীরিক সুস্থতা নয় বরং ত্বকের কালো দাগ দূর করতে পারে চা।

কালো চায়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। চায়ের পলিফেনল হচ্ছে ব্যাকটেরিয়ার যম। যেকোনো জীবাণু ধ্বংসে কাজ করে কালো চায়ে থাকা উপাদানসমূহ। ত্বক ও চুলের যত্নে কালো চা ব্যবহারেই দেখবেন ম্যাজিকের মতো ফলাফল। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক রূপচর্চায় কালো চায়ের ব্যবহার-

>> চোখের নিচের বলিরেখা ও কালচে দাগ দূর করতে ব্ল্যাক টি’র ব্যবহৃত ঠান্ডা ব্যাগ চোখের উপর দিয়ে রাখুন।

>> চুলের ঝলমলে ভাব আনতে শ্যাম্পু শেষে ব্ল্যাক টি লিকার দিয়ে ধুয়ে নিন।

>> মেহেদির সঙ্গে কালো চায়ের লিকার মিশিয়ে চুলে লাগালে রঙিন আভা চলে আসবে।

>> ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে ঠান্ডা টি ব্যাগ চেপে চেপে লাগান।

>> চুল লম্বা করতেও কালো চায়ের বিকল্প নেই! এজন্য কয়েকটি কালো চায়ের টি ব্যাগ এক কাপ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন শ্যাম্পু শেষে চুলের গোড়ায় স্প্রে করুন। ১৫ মিনিট চুলে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখুন। এরপর চুল শুকিয়ে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

তামার পাত্রে পানি পানের উপকারিতা

প্রাচীনকাল থেকে উপমহাদেশের মানুষ তামার তৈজসপত্র ব্যবহার করে আসছে। বিশেষ করে পানি পানের জন্য তামার পাত্র প্রায় সব পরিবারেই ব্যবহার করা হত। তামায় আছে একাধিক গুণ, প্রতিদিন তামার পাত্রে পানি পান কীভাবে সুস্থ রাখে শরীর তা জেনে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কী আছে এই সোনার হোটেলে?

এখন বিশ্বব্যাপী আলোচনা হচ্ছে এই সোনার হোটেলটি নিয়ে। কী আছে এই সোনার হোটেলে? দুবাইয়ের ‘বুর্জ আল আরব’ নামের এ হোটেলটি সম্পর্কে জানা যাক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com