আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

শাকসবজি

স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন তারা

স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন তারা
স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন তারা

শুধু পুরুষ নয়, নারীরাও সমানতালে ভূমিকা রাখছেন কৃষিতে। স্বপ্ন দেখছেন নিজেরা, দেখাচ্ছেন আশপাশের নারীদেরও। আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সমিতি করে কৃষি খামার প্রতিষ্ঠা করেছেন হবিগঞ্জের ২৫ প্রান্তিক বেকার নারী। খামারে বিভিন্ন জাতের শাক-সবজি চাষ করেছেন তারা। পাচ্ছেন ব্যাপক সফলতাও।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, সদর উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ২৫ জন প্রান্তিক নারী সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থা (আইপিএম) ক্লাব নামে একটি সংগঠন করেন। তারা সেখানে জনপ্রতি প্রতিমাসে ২০০ টাকা করে সঞ্চয় করেন। একই বছর ওই টাকা পুঁজি করে বাড়ির আঙিনা ও খোয়াই নদীর চরে সবজির আবাদ শুরু করেন। শুরু থেকেই ব্যাপক সফলতা পান তারা। আর এতে তাদের উৎসাহও বাড়তে থাকে।

এখন নদীচরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে তারা সবজির আবাদ করছেন। এ বছর আবাদ করেছেন ১০ হেক্টর (৭৫ বিঘা) জমিতে। তাদের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বিঘা প্রতি ৬ মেট্রিকটন ধরা হয়েছে। এ বছর তারা চাষ করেছেন মিষ্টি কুমড়া, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও লালশাক। এসব সবজি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদনের জন্য বিশেষ ধরনের ফেরোমনা ফাঁদ ব্যবহার করছেন তারা। তাদের পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ দিনে দিনে ব্যাপক সফলতা পেয়েছে। এলাকায় যথেষ্ট জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছে।

স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন তারা
স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন তারা

উৎপাদিত এসব সবজি দিয়ে শুধু নিজেদের পরিবারের চাহিদাই নয়, তারা জেলার সবজির চাহিদা পূরণেও রাখছেন অবদান। স্থানীয়ভাবে তাদের এ উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।

সমিতির সদস্য রুবি আক্তার জানান, কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন করছেন। যা নিজেরা খান আবার বাজারেও বিক্রি করেন। উপার্জনও কম হয় না। এ থেকে তাদের সংসারের খরচ যোগান হয়।

তিনি বলেন, আমরা কীটনাশকের পরিবর্তে পোকা দমনে এক ধরনের ফাঁদ পেতে রাখি। সেখানে একটি পাত্রে স্ত্রী পোকার ঘ্রাণযুক্ত কীটনাশক দেয়া থাকে। এ ঘ্রাণ পেয়ে পুরুষ পোকা এসে পানিতে পড়ে মারা যায়। ফলে পোকার আর বিস্তার ঘটে না। এতে পোকাও দমন হয়, ফসলও বিষমুক্ত থাকে।

সমিতির সভাপতি নাহার বেগম জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা সবজির চাষ করছেন। শুরুতে তারা বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতেন। কিন্তু এখন বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনের প্রশিক্ষণ নেয়ার পর থেকে অনেক লাভবান হচ্ছেন।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আসমা আক্তার জানান, এখানে ২৫ জন নারী উদ্যোক্তা বিষমুক্ত সবজি আবাদ করছেন। আমরা তাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি বিনামূল্যে বীজ সরবরাহ করে থাকি।

বাংলাদেশ

নওগাঁয় করলা চাষে সফল জলিল

এক সময় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন আব্দুল জলিল। পরিবার পরিজন ছেড়ে ঢাকায় থাকতে হতো। একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর গ্রামের বাড়িতে আসতেন। আসা-যাওয়ায় কাজে মন টিকতো না। এক প্রকার বাধ্য হয়ে রাজমিস্ত্রীর কাজ ছেড়ে দিয়ে গত জানুয়ারি মাসে নিজ গ্রাম নওগাঁর মান্দা উপজেলার বড়পই চলে আসেন।

এরপর থেকে কৃষি কাজে মনোনিবেশ করেন। জমানো টাকায় পৌনে তিন বিঘা জমি ইজারা (চুক্তি) নিয়ে রানী জাতের করলার আবাদ করে তার ভাগ্য বদলেছে। বাজারে ভালো দাম পেয়ে খুশি তিনি।

চাষি আব্দুল জলিল বলেন, গত ১৩ বছর ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করেছেন। সেখানে স্বল্প পরিসরে খাবার জন্য শাক-সবজির আবাদ করতেন। মাঝে মধ্যে বাড়ি আসা-যাওয়া করতে হতো। এবার আর ঢাকায় কাজ করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জমি বন্ধক নিয়ে গ্রামে তিনি শাক-সবজি চাষ করছেন। দুই দফায় পৌনে তিন বিঘা জমি ইজারা নিয়েছেন। ২২ কাঠা জমি ২ বছরের জন্য নিয়েছেন ৩২ হাজার টাকায়। বাকি জমি ১৪ হাজার এবং ১৬ হাজার টাকা বছর। মোট জমি ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় ইজারা নিয়েছেন। এ বছর এক বিঘা জমির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, জমি প্রস্তুত করে গত ভাদ্র মাসের প্রথম সপ্তাহে জমিতে করলার চারা রোপণ করেন। মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। সুযোগ বুঝে এরই মাঝে মাচা তৈরি করে চারা রোপণ করেন। এক বিঘা জমিতে বাঁশ ও সুতা দিয়ে মাঁচা তৈরিতে এবং শ্রমিকসহ খরচ হয়েছে ২৬-২৭ হাজার টাকা। মোট জমিতে খরচ হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। চারা রোপণের ২০ দিনের মধ্যে ফুল এবং ৩৫-৪০ দিনের মধ্যে ফল ধরা শুরু হয়।

সপ্তাহে ২ দিন ক্ষেত থেকে প্রায় সাড়ে ৭ মণ করলা উঠানো হয়। যেখানে প্রথম দিকে ৩ হাজার টাকা মণ পাইকারী দাম পাওয়া গিয়েছিল। বর্তমান বাজারে করলা বিক্রি হচ্ছে ২৪শ-২৬শ টাকা মণ। সর্বোচ্চ সাড়ে তিনমাস পর্যন্ত এ মাচায় করলা থাকবে। এরপর পটল। সব খরচ বাদ দিয়ে করলা মৌসুমে সাড়ে তিন মাসে তার প্রায় দেড় লাখ টাকা লাভ থাকবে।

ইতোমধ্যে করলার মধ্যে পটলের গাছ লাগানো হয়েছে। করলা শেষ হওয়ার পর পটলের গাছ মাচায় উঠে যাবে। একই মাচায় পটলের আবাদ করা হলে মাচা তৈরির খরচটা লাগবে না। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বন্যার কারণে সবজি আবাদ নষ্ট হয়েছে। এ কারণে দাম কিছুটা ভালো পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি বলেন, পৌত্রিক সূত্রে পাওয়া ২ কাঠা জমিতে বসত বাড়ি। ৫ জন ছেলে এবং বাবা-মা সহ পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৯ জন। বড় দুই ছেলে শ্রমিকের কাজ করে এবং ছোট তিন ছেলে পড়াশুনার পাশাপাশি তাকে সহযোগীতা করে।

তিনি মনে করেন ধানের আবাদের চেয়ে সবজির আবাদ লাভজনক। স্বল্প সময়ে সবজি বাজারজাত করা যায় এবং নিয়মিত টাকা পাওয়া যায়।

মান্দা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ৩৫ হেক্টর জমিতে করলার আবাদ করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

অসময়ের শিম চাষে বদলে যাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য

‘রূপভান’, ‘রানী’- দুটি আগাম জাতের শিমের নাম। চলতি মৌসুমে রূপভান ও রানীর মতো বিস্কুট, অটো, ইপসা-১,২ এবং বারী-১, ২ ও ৪ এ আগাম জাতের শিম চাষ হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি শীতকালীন সবজি হিসেবে শিমের আবাদ করছেন কৃষকরা। মাঠজুড়ে শাদা ও বেগুনি ফুলে ফুলে ভরে গেছে মাচা। এর মাঝে মাঝে
উঁকি দিচ্ছে নতুন শিম।

চোখ জুড়ানো দৃশ্য। আসি আসি করছে শীত। এরই মধ্যে চুয়াডাঙ্গার চার উপজেলায় শীতকালীন সবজি হিসেবে শুরু হয়েছে শিমের আবাদ শিমের মাচা ভরে গেছে শাদা-বেগুনি ফুলে। আসতে শুরু করেছে শিমও। এসব আগাম জাতের শিম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা অনুকূল আবহাওয়ায় শিমের ভালো ফলন ও বাজারে উচ্চমূল্য পাওয়ায় বেশ খুশি চাষিরাও।

ইতোমধ্যেই আগাম জাতের শিম উঠতে শুরু করেছে বাজারে। ভালো দামও মিলছে। পুষ্ট গাছ ও প্রচুর ফুল ফোটায় চলতি মৌসুমে শিমের ভালো ফলন হবে বলে মনে করছেন চাষিরা। ফলে করোনার দুঃসময়েও তাদের মুখে এখন মিষ্টি হাসি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে, এ বছর জেলার চার উপজেলায় মোট ৭১৮ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের শিমের আবাদ হয়েছে। যা গতবছরের তুলনায় ৬৮ হেক্টর বেশি। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ২০৫ হেক্টর, দামুড়হুদা উপজেলায় ৩৭১ হেক্টর, আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৩০ হেক্টর ও জীবননগর উপজেলায় ১১২ হেক্টর জমিতে শিম চাষ করেছেন কৃষকরা।

জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শিম তুলতে ব্যতিব্যস্ত দেখা গেছে চাষিদের। গ্রামীণ সড়কে দাঁড়িয়ে যতো দূর চোখ যায় শুধুই শিমের সবুজ ক্ষেত। সবুজ পাতা আর বেগুনি ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে আদিগন্ত মাঠ।

ক্ষেতের পরিচর্যা ও নতুন শিম তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষিরা। শিম বিকিকিনির জন্য গ্রামে গ্রামে বসেছে অস্থায়ী বাজার। এসব বাজার থেকে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন-করিমন ও ট্রাকবোঝাই করে শিম যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন হাটবাজারে। এখানে বর্তমানে পাইকারিতে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। প্রথম দিকে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা দরেও শিম বিক্রি করেছেন বলে জানান কৃষকরা।

দামুড়হুদা উপজেলার ভগিরথপুর গ্রামের চাষি বাদশা মন্ডল বলেন, তার ২ বিঘা জমিতে শিমের লতায় ও ফুলে ভরে গেছে মাচা। ফুল ভরে গেছে প্রতিটি ডগা। ইতোমধ্যে শিম আসতে শুরু করেছে গাছে। প্রথম দিকে প্রচন্ড রোদ ও পোকার আক্রমণের কারণে ফুলে পঁচা লাগতো।

কৃষি বিভাগের পরামর্শে কঠোর পরিশ্রম, নজরদারি, সার ও বালাইনাশক স্প্রে করার পর ফল দেখা দিয়েছে। এখন আর পঁচা লাগে না। একই উপজেলার কালিয়াবকরী গ্রামের কৃষক আব্দুস সালাম জানান, শিম মূলত শীতকালীন সবজি। বেশি দামের আশায় একটু আগেভাগে শিমের আবাদ করেছেন তিনি।

বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। কিছুদিন আগেও প্রতি কেজি শিম বিক্রি হতো ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা দরে। বর্তমানে উৎপাদন বাড়ায় কিছুটা কমেছে শিমের দাম। নতিপোতা গ্রামের পাইকারি শিম ব্যবসায়ী সোলায়মান হক জানান, স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে শিম কিনে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পাঠানো হয়।

ইতোমধ্যেই নতুন শিম পাঠানো শুরু হয়েছে। খুচরা বাজারেও চাহিদা ও দাম ভালো আছে শিমের। দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, কৃষকরা এখন সচেতন হওয়ায় যেকোনো সমস্যায় সরাসরি স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শ নেন তারা। সাধারণত আগাম সবজি চাষ ঝুঁকিপূর্ণ। তবে, অসময়ে এ আবাদ থেকে চাষিরা বাড়তি আয় করতে পারেন। এসময় পোকা মাকড়, শাদা মাছি, শিম ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ বেশি থাকে।

নিয়মিত পরিচর্যা ও নজরদারিতে রেখে বালাই নাশক স্প্রে করলে ফলন ভালো পাওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, এবার চলতি মৌসুমেরর শুরুতেও শিম ক্ষেতে ছত্রাক ও পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিলেও কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সুষ্ঠু পরিচর্যায় শেষ পর্যন্ত শিমের ফলন ভালো হচ্ছে। অন্য বছরের তুলনায় এবার দামও ভালো। শিমের উৎপাদন বাড়াতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

বীজ আলুরও সংকট রয়েছে’

এ বছর বীজ আলুর সংকট রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মো. মোস্তাক হোসেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে চিঠি দিয়েছি। বীজের দাম স্বাভাবিক রাখতে সরকারকে মনিটরিং করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়া বর্তমানে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দামে আলু বিক্রি হচ্ছে এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এটা অতিরিক্ত। এখন খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি আলু ৩৫ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলু দামের ঊর্ধগতি ও তা কীভাবে ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে আনা যায় সে বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

পর্যাপ্ত আলু মজুদ আছে কিনা ও কৃষি বিপণন অধিদফতরের দাম কেন কার্যকর করা হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মো. মোস্তাক হোসেন বলেন, এ বছর প্রায় ১৫ লাখ টন আলু উৎপাদন কম হয়েছে। ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় কোল্ডস্টোরেজে ১০ লাখ টন আলু কম ঢুকেছে।

অন্যান্য বছর ৫৫ লাখ টন আলু আসে কোল্ডস্টোরেজে আর সেখানে এ বছর এসেছে ৪৫ লাখ টন। আর করোনার কারণে আলুর ব্যবহার বেশি হয়েছে। একই সঙ্গে বন্যায় অন্যান্য সবজির উৎপাদন কম হওয়ায় আলুর চাহিদা বেড়ে গেছে। পাশাপাশি আলু আবাদ এক মাস পিছিয়ে গেছে। অন্যান্য বছর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে নতুন আলুর চাষ হয়। এ বছর সেটা পিছিয়ে গেছে। আলুর বাজারে ঘাটতি রয়েছে।

তিনি বলেন, গত ১৫ দিন আগে হঠাৎ করে আলুর দাম বেড়ে গেছে। কারণ পণ্যের দাম নির্ভর করে চাহিদা ও সরবরাহের ওপর। এখন আলুর শেষ সময় তাই চাহিদা বেশি যোগান কম হওয়ায় এমনটা হয়েছে। কোল্ডস্টোরেজের আলুর ৩০ ভাগ সময় আছে।

এদিকে ব্যবসায়ীরা চাহিদা বেশি সরবরাহ কম তাই তারা দামটা বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। এখন আমরা সকল আলু ব্যবসায়ীদের উৎসাহী করছি কোল্ডস্টোরেজ যে আলু আছে তা বিক্রি করে দেয়ার জন্য। যাতে করে আলুর দাম ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে থাকে আমরা সেই চেষ্টাই করছি।

তিনি বলেন, কৃষি বিপণন অধিদফতর কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে দর নির্ধারণ করেছে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা ও খচরা পর্যায়ে ৩০ টাকা। আমরা এই বিষয়টি আবার পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছি। বর্তমানে কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে আলুর খরচ পড়ে ২২-২৩ টাকা, সেটা যদি ২৩ টাকাই রাখা হয় তাহলে কেউ বিক্রি করবে না। বর্তমানে কোল্ডস্টোরেজে ক্রেতা ও বিক্রেতা নেই। এজন্য বাণিজ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জানিয়েছি।

কত টাকা নির্ধারণ করলে ভালো হয় বলে মনে করেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যবসায়ী, কৃষক ও কোল্ডস্টোরেজসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারিত দামটা পর্যালোচনা করা দাবি জানিয়েছি। বাণিজ্যমন্ত্রী সে প্রস্তাব কিছুটা বিবেচনা করবে বলে আমাদের জানিয়েছে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি ভোক্তাদের সাধ্যের মধ্যে যেন দাম থাকে। এ নিয়ে শিগগিরই তারা বসবে। আমার মনে হয় দুই একদিনের মধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনা করে একটা দাম নির্ধারণ করে দেবে মন্ত্রণালয়। আর দেশের স্বার্থে, ভোক্তাদের স্বার্থে সকল ব্যবসায়ীদের প্রফেশনাল আলু বিক্রির অনুরোধ জানাচ্ছি।

ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়েন না। কোল্ডস্টোরেজে গিয়ে যারা যে পরিমাণ আলু আছে তা বিক্রি করেন। সরকার যে রেট নির্ধারণ করে দিয়েছেন সে দামে বিক্রি করেন ভোক্তাদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আলুর উৎপাদন বেশি হয়েছে কোনো ঘাটতি নেই, আর আপনি বলছেন ১০ লাখ টন ঘাটতি রয়েছে এ বিষয়টি কিভাবে দেখছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী আমি জানি এ বছর আলু কম হয়েছে। আলু যদি বেশি হয়ে থাকে তাহলে আলু গেল কোথায়। আগমী সাতদিন বা এক মাস পর দেখবেন আমরা যেটা বলেছি সেটা সত্য। এ বিষয়েতো আমরা চ্যালেঞ্জ করতে পারি না। তবে আমরা বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানিয়েছি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মোট কোল্ডস্টোরেজ আছে ৪০৭ টা, চালু আছে ৩৯৩টি। এতে ৪৫ লাখ টন আলু মজুদ হয়েছে। গত বছর হয়েছিল ৫৫ লাখ টন। এবছর প্রায় ১০ লাখ টন মজুদ কম হয়েছে।

বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীনের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন- কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ইউসুফ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব (রফতানি) মো. ওবায়দুল আজম, অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) মো. হাফিজুর রহমান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা।

এছাড়া বাংলাদেশ ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর চেয়ারম্যান ব্রি. জে মো. আরিফুল হাসান, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান, ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সদস্য শাহ মো. আবু রায়হান আল-বেরুনি, র্যাব, ডিজিএফআই, এনএসআই-এর প্রতিনিধি, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন এবং পাইকারি আলু ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

মিষ্টি আলুতে বন্যার ক্ষতি পোষানোর চেষ্টা

মিষ্টি আলুতে বন্যার ক্ষতি পোষানোর চেষ্টা

চলতি বছরের ৫ দফা ভয়াবহ বন্যায় জেলার ৭ উপজেলায় কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা কখনো ভাবতেও পারেননি বন্যা এত দীর্ঘমেয়াদী হবে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন আমন চাষিরা। মাঠ ভরা সবুজের সমাহার দেখে মাস দেড়েক পরেই গোলায় নতুন ধান তোলার স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে টানা বর্ষণ ও বন্যার পানি।

যদিও বন্যার ধকল কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো অনেক কষ্টকর। তবু চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন চাষিরা। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে জমিতে চাষ দিয়ে লাগানো হচ্ছে মিষ্টি আলুর চারা। জেলায় এবার প্রথম কাদা মাটিতে মিষ্টি আলুর চারা লাগানোর হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বন্যার পানিতে জেলার ৭ উপজেলায় ৭১ হাজার কৃষকের ৫ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমির রোপা আমন, ৬৫০ হেক্টর শাকসবজি ও মাস কালাই নিমজ্জিত হয়েছে। ফসলের ক্ষতির অর্থিক পরিমাণ ৬৮ কোটি টাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর গাইবান্ধার করতোয়া, কাটাখালি, বাঙ্গালী আলাই নদী বেষ্টিত গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সাঘাটা উপজেলার হাজার হাজার বিঘা জমির আমনের ক্ষেত পচে গেছে। অনেক কৃষক পড়ে থাকা ধানের গাছ পরিষ্কার করছেন আবার অনেকে পারিষ্কার করা জমিতে চাষ দিচ্ছেন। কিছু কিছু কৃষক ঘুরে দাঁড়াতে জমিগুলো পরিত্যাক্ত না রেখে মিষ্টি আলুর ডাল রোপণ করছেন। এই ডাল থেকে চারা উৎপাদন করে জেলার চরাঞ্চলে লাগানো হবে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের মালেক উদ্দিন জানান, বন্যায় তার ৩ বিঘা জমির আমন ধান পচে গেছে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের ফারুক হোসেন জানান, এ বছর বন্যায় তার ৭ বিঘা জমির আমন ধান নষ্ট হয়েছে। এই ধানের আবাদ পচে যাওয়ার কারণে আগামীতে গোখাদ্য সংকট দেখা দেবে।

সাঘাটা উপজেলার মনিকগঞ্জ গ্রামের শহিদুল ইসলাম জানান, বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমরা মিষ্টি আলুর চারা লাগাচ্ছি। আগামী ৪০-৫০ দিন পর এই চারাগুলো বিক্রি করা হবে। এভাবে বন্যার ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।

সাঘাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাদেকুজ্জামান জানান, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের নদীবেষ্টিত এলাকা মিষ্টি আলুর চাষের জন্য উপযোগী। কাদায় মিষ্টি আলুর ডাল রোপণ করার পর কাদা ও পানি শুকিয়ে গেলে মিষ্টি আলুর গাছ বেড়ে উঠবে।

তিনি আরও জানান, পর পর ৫ দফা বন্যায় সাঘাটায় ৮ হাজার ৫শ কৃষকের এক হাজার ৯৯৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির অর্থিক পরিমাণ ১৪ কোটি ৫৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. মাসুদুর রহমান বলেন, বন্যার পানিতে জেলার ৭ উপজেলায় ১৬ হাজার ১২৫ হেক্টর জমির রোপা আমন, ৫৫৫ হেক্টর শাকসবজি ও ১৮০ হেক্টর জমির মাস কালাই নিমজ্জিত হয়েছে। ফসলের ক্ষতির অর্থিক পরিমাণ ৬৮ কোটি টাকা। সাত উপজেলায় ৭১ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সরকারি সহায়তার জন্য তাদের তালিকা দফতরে পাঠানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

১২ মাস সবজি চারা উৎপাদন করবেন যেভাবে

লিপসন আহমেদ

অতিবৃষ্টি, বন্যাসহ সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সবজিচাষি তথা কৃষকদের সুবিধার্থে সুনামগঞ্জে গ্রিনহাউস পদ্ধতিতে মাটিবিহীন উচ্চফলনশীল নানা জাতের সবজি চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। ব্যক্তি পর্যায়ে উচ্চফলনশীল সবজির চারা উৎপাদন করছে ‘গ্রিনহিল সিডলিং ফার্ম’নামের একটি প্রতিষ্ঠান। সিলেট বিভাগের হাওরাঞ্চলে এই পদ্ধতিতে বারো মাস উচ্চফলনশীল সবজির চারা উৎপাদন এটিই প্রথম। এতে স্থানীয় কৃষকরা বাড়ির কাছে উন্নতমানের চারা পাচ্ছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীররগর ইউনিয়নের সীমান্তের গ্রাম আমপাড়ায় দেড় একর জমি ভাড়া নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘গ্রিনহিল সিডলিং ফার্ম। এই ফার্মে একসাথে ৫০ হাজার চারা উৎপাদনের সমক্ষমতা রয়েছে।

মাটিবিহীন পদ্ধতিতে শূন্য মৃত্যুহার ও পোকা-মাকড়ের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন চারা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে আগাম উচ্চফলনশীল কয়েক প্রজাতির টমেটো, লাউ, ফুলকপি ও মরিচের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে।

মাটির বদলে প্লাস্টিকের তৈরি বিশেষ ট্রেতে কোকোপিট ব্যবহার করে শতভাগ শিকড়যুক্ত চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। এখানে প্রতিটি চারা দুই থেকে তিন টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। পলিহাউসের ভেতরে উৎপাদিত চারা ২০ দিন পরে রোপণযোগ্য হয়ে ওঠে। চারাগুলো শতভাগ শিকড়যুক্ত থাকায় রোপণের পর মৃত্যুহার প্রায় শূন্য এবং মাটিবাহিত রোগজীবাণু মুক্ত।

আধুনিক এই পলিহাউসে প্লাস্টিক ট্রেতে মাটির বদলে নারকেলের ছোবড়া থেকে তৈরি কোকোপিট প্রক্রিয়াজাত ও জীবাণুমুক্ত করে বীজ বপন করা হয়। রোদের তাপ থেকে চারার সুরক্ষার জন্য ওপরে শেডনেট জুড়ে দিয়ে তাপ নিয়ন্ত্রণ করা হয় কৃত্রিম উপায়ে। তা ছাড়া গ্রিনহাউসের ভেতরে রয়েছে কৃত্রিম দাঁড়কাক। কোনো ফাঁকফোকর দিয়ে পোকা ঢুকলে তা ওই দাঁড়কাক শুষে নেয় সহজে। আধুনিক পলিহাউসে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সবজির চারা উৎপাদন হওয়ায় এখানের চারা নিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।

সবজিচাষিরা বাড়ির কাছে উন্নতমানের চারা পাওয়ায় সময়মত চাষাবাদের সুযোগ পাচ্ছেন। এখানে নিয়মিত চারা উৎপাদন হলে এলাকায় কৃষি বিপ্লব ঘটবে বলে দাবি স্থানীয় কৃষক, কৃষি বিভাগ ও উদ্যোক্তাদের।

উদ্যোক্তাদের দাবি, হাওরাঞ্চলে ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার অবস্থা বিবেচনা করে কৃষকদের বারো মাস সবজি চাষে উৎসাহিত করে চারার উৎপাদন বাড়ানোর তাদের লক্ষ্য। গ্রিনহিল সিডলিং ফার্মের উদ্যোক্তা হাসান আহমদ জানান, মেঘালয়ের পাশে হওয়ার এখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ খুব বেশি। যে কারণে এই অঞ্চলের কৃষকরা বীজতলা তৈরি করতে নানা রকমের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়। আগাম বীজতলা তৈরি করতে অনেক কষ্ট হয়।

অনেক সময় বৃষ্টিপাতের কারণে বীজতলা নষ্ট হয়ে যায়, কৃষকরা সময় মত চারা উৎপাদন করতে পারেন না এবং আগামী সবজি উৎপাদনে ব্যর্থ হয়। যে কারণে কৃষকরা তাদের পরশ্রিমের ন্যায্যমূল্য পায় না। আমাদের লক্ষ্য কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে উন্নত সবজির চারা প্রদান করা। সেটাকে চিন্তা করেই এখানে আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করে গ্রিনাহাউসের সংস্করণে উন্নতমাণের পলিহাউসের ভেতরে পাইলট প্রকল্প শুরু করেছি। কৃষকদের কাছে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।

কৃষকদের উন্নয়নের জন্য প্রকল্প বৃদ্ধি করব। ভবিষ্যতে ৫ থেকে ১০ লাখ চারা উৎপাদনের সক্ষমতার বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছি। গ্রিনহিল সিডলিং ফার্ম, সুনামগঞ্জের পরিচালক গাজী নুরুল ইসলাম জানান,কৃষকদের উচ্চ ফলনশীল চারা সরবরাহ করতে এই চারার খামার তৈরি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কৃষকসহ পুরো সিলেট বিভাগের সকলকে আমরা চারা দিয়ে সহযোগিতা করতে চাই। অনেক বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

এরমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছ। আমরা সহজমূল্যে কৃষকদের চারা দিচ্ছি। আমরা অনেক চারা বিক্রি করেছি। আরও অনেকেই অগ্রিম টাকা দিচ্ছেন চারা নেওয়ার জন্য। আশা করি সরকার আমাদের এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে আমাদের সহযোগিতা করবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তফা ইকবাল আজাদ জানান, গ্রিনহাউস পদ্ধতিতে উচ্চফলনশীল সবজি চারা উৎপাদন খামার ‘গ্রিনহিল সিডলিং ফার্ম’ সিলেট অঞ্চলে সুনামগঞ্জে প্রথম। এই ফার্ম থেকে ইতোমধ্যে চারা উৎপাদন শুরু হয়েছে। চাষিরা এখান থেকে চারা নিচ্ছেন এবং উপকৃত হচ্ছেন। এই ফার্মের উপকারিতা হলো এখানে সারা বছরই চারা উৎপাদন করা যায়।

বেশি গরম, অতি বৃষ্টি, অতি রোদ থেকে চারা রক্ষা করার জন্য এই ফার্ম সুনামগঞ্জে প্রথম চালু হয়েছে। পর পর চারবারের বন্যার কৃষকদের শাক সবজির অনেক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি পূষিয়ে নেয়ার জন্য এখান বিভিন্ন জাতের সবজি চারা নেওয়া শুরু হয়েছে। এখানে নিয়মিত চারা উৎপাদন করতে পারলে শাক-সবজি উৎপাদনে সুনামগঞ্জে বিশাল পরিবর্তন আনবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com