আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

শাকসবজি

স্নায়ুর ক্ষয় ঠেকাতে দাওয়াই সেই ব্রাহ্মী শাক

কোনও জটিল ওষুধ নয়। নয় অস্ত্রোপচারও। একেবারে আটপৌরে বাঙালির পরিচিত ব্রাহ্মী শাক। তাতেই নাকি রুখে দেওয়া যেতে পারে মস্তিষ্কের ‘অবক্ষয়’! ডিমেনশিয়া বা অ্যালঝাইমার্সের উপরে গবেষণা করতে গিয়ে ধানবাদ আইআইটি (ইন্ডিয়ান স্কুল অব মাইনস)-র গবেষকেরা জেনেছেন, ব্রাহ্মী শাকের মধ্যে থাকা ব্যাকোসাইড নামক একটি রাসায়নিক স্নায়ুকোষের অবক্ষয় রুখে দিতে পারে। এই অবক্ষয়ের কারণেই হতে পারে ডিমেনশিয়া বা অ্যালঝাইমার্স। গবেষণাটি ইতিমধ্যেই ‘এসিএস কেমিক্যাল নিউরোসায়েন্স’ এবং ‘বায়োকেমিকা অ্যান্ড বায়োফিজ়িকা অ্যাক্টা’ নামে দু’টি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

ডিমেনশিয়া বা অ্যালঝাইমার্সের রোগী আশপাশে প্রায়ই দেখা যায়। মূলত বয়স্কদের মধ্যেই এর প্রভাব বেশি। অনেক সময়ে দেখা যায় স্ত্রী মৃত্যুশয্যায়, অথচ সেই মুহূর্তে তাঁকে চিনতেই পারলেন না স্বামী। অনেকে আবার বাজার করতে বেরিয়ে বাড়ি ফেরার রাস্তাই ভুলে যান।

ধানবাদ আইআইটি-র সহকারী অধ্যাপক সুখেন্দু নন্দী বলেন, “ডিমেনশিয়ার মতো নিউরো-ডিজেনারেটিভ ডিজ়অর্ডারে (যে রোগে স্নায়ুকোষের ক্ষয় হয়) আজকাল বহু মানুষ আক্রান্ত। কিন্তু এই রোগের এখনও কোনও ওষুধ নেই। ফলে, শুরুতে একে প্রতিরোধ করাই একমাত্র উপায়।’’AdvertisementAdvertisement

স্নায়ুকোষের উপরে ব্রাহ্মী শাকের প্রভাব পরীক্ষা করে দেখেছেন গবেষকেরা। তাঁরা বলছেন, সাধারণত অবক্ষয়ের কারণে স্নায়ুকোষগুলি নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে থাকে। সুখেন্দুবাবু জানাচ্ছেন, ব্রাহ্মী শাকে থাকা ব্যাকোসাইড নামে উপাদানটি স্নায়ুকোষের উপরে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে সেগুলির নষ্ট হয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে পারে।

ব্রাহ্মী শাকের উপকারিতা অবশ্য বাঙালির মুখে-মুখে ফেরে। জনপ্রিয় টনিকের বিজ্ঞাপনেও ব্রাহ্মী শাকের গুণগান লোকের পরিচিত। কিন্তু অ্যালঝাইমার্স রুখতে এই শাক খাবেন কী ভাবে? গবেষকেরা বলছেন, শাকের সব গুণ বজায় রাখতে সেদ্ধ করে খাওয়াই ভাল। সুখেন্দুবাবুর সাবধানবাণী, “ফ্রিজ খুলে কী বার করতে চান, এমন ধরনের রোজকার সাধারণ বিষয় ভুলে যেতে শুরু করলেই কিন্তু ডিমেনশিয়া নিয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।’’

এ বিষয়ে বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেসের নিউরো-বায়োলজির অধ্যাপক সুমন্ত্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ব্যাকোসাইড যে স্নায়ুকোষের অবক্ষয় প্রতিরোধ করতে সক্ষম, তা এই গবেষণা থেকে স্পষ্ট। এই ধরনের রোগ প্রতিরোধে ব্রাহ্মী শাক ব্যবহার করা যেতেই পারে।”

শাকসবজি

জৈষ্ঠ মাসে সবজি চাষীদের করণীয়

লতানো সবজির দৈহিক বৃদ্ধি যত বেশি হবে তার ফুল ফল ধারণ ক্ষমতা তত কমে যায়। সেজন্য বেশি বৃদ্ধি সমৃদ্ধ লতার/গাছের ১৫-২০ শতাংশের পাতা লতা কেটে দিলে তাড়াতাড়ি ফুল ও ফল ধরবে।

কুমড়া জাতীয় সব সবজিতে হাত পরাগায়ন বা কৃত্রিম পরাগায়ন অধিক ফলনে দারুণভাবে সহায়তা করবে। গাছে ফুল ধরা শুরু হলে প্রতিদিন ভোরবেলা হাতপরাগায়ন নিশ্চিত করলে ফলন অনেক বেড়ে যাবে।

এ মাসে কুমড়া জাতীয় ফসলে মাছি পোকা দারুন ভাবে ক্ষতি করে থাকে। এক্ষেত্রে জমিতে খুঁটি বসিয়ে খুঁটির মাথায় ফেরোমোন ফাঁদ দিলে বেশ উপকার হয়।

সবজিতে ফল ছিদ্রকারী পোকা, জাব পোকা, বিভিন্ন বিটল পোকা সবুজ পাতা খেয়ে ফেলতে পারে। হাত বাছাই, পোকা ধরার ফাঁদ, ছাই ব্যবহার করে এসব পোকা দমন করা যায়। তাছাড়া আক্রান্ত অংশ কেটে ফেলে এবং সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

বিষমুক্ত সবজি চাষে দুই যুবকের সাফল্য

মাস্টার্স পাশ করে পৈত্রিক ব্যবসা করতেন ইশাতিয়াক। স্বপ্ন ছিল চাকুরি নয়, কৃষিতে কিছু একটা করার। বাজারের ভেজাল সবজি দেখে চিন্তাটা মাথায় আসে। সিদ্ধান্ত নেন রাসায়নিক সার ও রাসায়নিক কীটনাশকমুক্ত সবজি ও ফল উৎপাদনের। বন্ধু কৃষিবিদ শাহদাতেরও স্বপ্ন ছিল ‘কৃষক মানেই ছেড়া গেঞ্জি আর লুঙ্গি পড়া রুগ্ন মানুষ’ এ ধারণা বদলে দিতে। গত ১ ফেব্রুয়ারি বাড়ির পাশের নিজেদের পতিত প্রায় দেড় বিঘা এবং সামান্য কিছু লীজ নিয়ে স্বপ্ন বাস্তায়নে হাত লাগান দুই বন্ধু।

রমজানের চাহিদার কথা মাথায় রেখে চাষ করেন শসা, বেগুন ও হলুদ তরমুজের। পরবর্তীতে লাগান অনান্য সবজিও। এপ্রিলের মাঝামাঝি ফলন আসা শুরু হয়। ৭ শতাংশ জমিতে লাগানো জমিতে গত সপ্তাহ পর্যন্ত শসা বিক্রি হয়েছে ৩০ হাজার টাকার। প্রতিদিন বেগুন বিক্রি হচ্ছে হাজার টাকার। এখন দুইজন শ্রমিক সার্বক্ষণিক কাজ করে। এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে তিন লাখ টাকার মত। বেড়া, পানির পাম্প, মাচা, বেড তৈরিসহ প্রাথমিক কাজের জন্য খরচ বেড়েছে। আগামীতে এসব খরচ লাগবে না। এ বছরে বিনিয়োগের শতভাগ ফেরত আসবে আশা তার।


তরুণ ওই কৃষক বলেন, ‘যে জমিতে ফার্ম গড়ে তোলা হয়েছে, ফসল হতো না বলে তা বছরের পর বছর ছিল পতিত। তারা দুই বন্ধু জৈব পদ্ধতিতে চাষ শুরু করে স্থানীরা আমাদের পাগল বলত। বাঁকা চোখে দেখে হাসাহাসি করতো, টিপ্পনী কাটতো। এখন তারাই বিস্ময় নিয়ে ফার্ম দেখতে আসেন। উৎসাহ দেয়। নিজেরাও এভাবে ফার্ম করার আগ্রহ দেখায়। শুরুতে বাবা-মা-ও অসন্তুষ্ট ছিলেন। বলেতেন,- এত লেখাপড়া করালাম কৃষি করার জন্য! ফলন আসার পর তারাও অনেক খুশি। আনন্দে পরিণত হয়েছে আমাদের পরিশ্রম।

jagonews24

সবজি বাগানটি ঘুরে দেখা গেছে, শুধু শসা বা বেগুন নয়, লাউ, মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়শ, করলা, চিচিংগা, ঝিংগা, ডাটাসহ সব সবজিতেই ঠাসা ইশতিয়াকদের ফার্মে মাচা। তবে সবচেয়ে তাক লাগানো সাফল্য এসেছে হলুদ তরমুজে। প্রতিটি মাচায় ঝুলছে ‘তৃপ্তি’ জাতের শত শত হলুদ তরমুজ। দেখে মনে হবে হলুদের রাজ্য।


সারি সারি মাচা। কোনটায় দুলছে হলুদ তরমুজ। কোনটায় লাউ, মিষ্টি কুমড়া, শষা, চিচিংগা, করলা, উস্তা, কিংবা ঝিংগা। মাচার ফাঁকে ফাঁকে থরে থরে বেগুন, ঢেঁড়স, ডাটা, পেঁপে, পুই শাকের প্লট। চোখ জুড়ানো এ দৃশ্য দেখা মিলবে গাজীপুর শহর থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট দেওড়া এলাকার কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন ও ইশতিয়াক মুনীমের কৃষি খামারে।

‘বিষমুক্ত সবজি ও ফল’ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রায় দুই একর জমিতে ওই দুই তরুণ উদ্যোক্তা গড়ে তুলেন ফার্মটি। নাম দিয়েছেন ‘বায়ো গ্রিন এগ্রো ফার্ম’। মাত্র আড়াই মাসেই পেয়েছেন তাক লাগানো সাফল্য। এতে উৎসাহিত হচ্ছেন অনেক বেকার ও সাধারণ চাষি।

jagonews24

অপর উদ্যোক্তা শাহাদাত বলেন, তাদের সাফল্যের পেছনে রয়েছে আধুনিক ‘মালচিং’ পদ্ধতির চাষাবাদ। এ পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য বেড় তৈরি করে মাটি এক ধরনের বিশেষ প্লাস্টিক কাগজ দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। নির্দিষ্ট দূরত্বে কাগজ ফুটো করে চারা লাগানো হয়। বিশেষ এ কাগজ মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও গুণগত মান ঠিক রাখে। সেচ কম লাগে। আগাছা জন্মাতে পারে না।

জৈব সারের সক্ষমতা ধরে রাখে এক বছর। ফার্মে রাসয়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার হয় না। সার কীটনাশক সব জৈব। পোকামাকড় মারতে ব্যবহার করেন ফেরোমিন ফাঁদ প্রযুক্তি।

শাহাদতের মতে, তাদের সাফল্যের পেছনে আরেকটি কারণ হল বীজ নির্বাচন। পারপল কিং ও স্থানীয় চুমকি জাতের বেগুন, সামার শট জাতের ঝিংগা, সুপ্রীম প্লাস জাতের শসা, বারমাসী লাউ ময়না, ডায়না ও বারী-৪ জাতের বীজ বপণ করেন। লাউ বীজ মার্চের ১৫ তারিখে বপণ করার পর ২৮ দিনেই ফলন আসতে শুরু করে।

jagonews24

আর ফার্মের যে হলুদ তরমুজ নিয়ে চারদিকে এত হৈচৈ, সেটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত তৃপ্তি জাতের। মার্চের ১০ তারিখে বীজ রোপণ করার পর এপ্রিলের মাঝামাঝি ফল আসতে শুরু করে। মে’র প্রথম সপ্তাহে কাটা হবে ফল। হলুদ তরমুজের জন্য প্রতিদিনই বুকিং হচ্ছে।

তিনি জানান, ‘তাদের সব সবজি ও ফল ফার্ম থেকেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। তারপরও কৃষিতে বড় ‘প্রতিবন্ধকতা পণ্যের বাজার মূল্য’ ও ‘সামাজিক প্রতিবন্ধকতা’। লেখাপড়া জানা মানুষ কৃষিতে আসবে না এ ধারণা পাল্টাতে হবে।

ভবিষ্যতে একটি ‘কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন’ এবং ‘চাকুরির পিছনে না ঘুরে শিক্ষিত কৃষক সমাজ তৈরির স্বপ্ন রয়েছে এই দুই যুবকের।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

সবজি ও ফল চাষের বারো মাসের পঞ্জিকা

আমাদের দেশে সাধারণত ঋতু বা মৌসুম ছ’টি। আর কৃষির মৌসুম তিনটি- খরিফ-১, খরিফ-২ ও রবি। উৎপাদনের ওপর ভিত্তি করে যদিও কৃষি মৌসুমকে তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে, কিন্তু ভৌগোলিক অবস্থান, আবহাওয়া, জলবায়ু এবং আমাদের প্রয়োজনের তাগিদে প্রতি মাসের প্রতিটি দিনই কিছু না কিছু কৃষি কাজ করতে হয়। চাষিরা নিজস্ব চিন্তা ধারা, চাহিদা ও আর্থিক দিক বিবেচনা করে নিজের মত প্রতিদিনের কাজ গুলোকে সাজিয়ে নিবেন ও বাস্তবে রূপ দেবেন।

সে জন্য বলা যায় বছরের প্রতিটি দিনই কৃষির কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে চাষিভাইদের উদ্দেশ্যে সংক্ষেপে বাংলা বারো কৃষি ভুবনে করণীয় কাজগুলোর দিক নির্দেশনা দেয়া হলো মাত্র। চাষি ভাইরা নিজস্ব চিন্তাধারা, চাহিদা ও আর্থিক দিক বিবেচনা করে নিজের মত প্রতিদিনের কাজগুলোকে সাজিয়ে নিবেন ও বাস্তবে রূপ দেবেন। তাহলেই লাভবান হবেন এবং কৃষি ভুবন সমৃদ্ধ হবে।

বৈশাখ (মধ্য এপ্রিল-মধ্য মে):
লালশাক, গিমাকলমি, ডাঁটা, পাতাপেঁয়াজ, পাটশাক, বেগুন, মরিচ, আদা, হলুদ, ঢেঁড়স বীজ বপন এর উত্তম সময় . সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন
টমেটো চারা রোপণ করতে হবে । মিষ্টিকুমড়া, করলা, ধুন্দুল, ঝিঙা, চিচিংগা, চালকুমড়া, শসার মাচা তৈরি, চারা উৎপাদন করতে হবে . কুমড়া জাতীয় সবজির পোকা মাকড় দমন এর ব্যবস্থা ও সেচ প্রদান করতে হবে । খরিফ-১ মৌসুমের সবজির বীজ বপন, চারা রোপণ করতে হবে . ডাঁটা, পুঁইশাক, লালশাক, বরবটি ফসল সংগ্রহ করতে হবে । খরিফ-২ সবজির বেড প্রস্তুত ও চারা তৈরি করতে হবে। কচি সজিনা, তরমুজ, বাঙ্গি সংগ্রহ করতে হবে । ফল চাষের স্থান নির্বাচন, উন্নতজাতের ফলের চারা/কলম সংগ্রহ, পুরানো ফল গাছে সুষম সার প্রয়োগ ও ফলন্ত গাছে সেচ প্রদান করতে হবে।

জ্যৈষ্ঠ (মধ্য মে-মধ্য জুন):
আগে বীজতলায় বপনকৃত খরিফ-২ এর সবজির চারা রোপণ, সেচ ও সার প্রয়োগ, বিভিন্ন পরিচর্যা করতে হবে . সজিনা সংগ্রহ করতে হবে এবং গ্রীষ্মকালীন টম্যাটোর চারা রোপণ ও পরিচর্যা করতে হবে। ঝিঙা, চিচিংগা, ধুন্দুল, পটল, কাঁকরোল সংগ্রহ ও পোকামাকড় দমন এর ব্যবস্থা নিতে হবে। নাবী কুমড়া জাতীয় ফসলের মাচা তৈরি, সেচ ও সার প্রয়োগ করতে হবে . ফলের চারা রোপণের গর্ত প্রস্তুত ও বয়স্ক ফল গাছে সুষম সার প্রয়োগ,ফলন্ত গাছের ফল সংগ্রহ, বাজারজাতকরণ এর ব্যবস্থা করতে হবে ।

আষাঢ় (মধ্য জুন-মধ্য জুলাই):
গ্রীষ্মকালীন বেগুন, টমেটো, কাঁচা মরিচের পরিচর্যা, শিমের বীজ বপন, কুমড়া জাতীয় সবজির পোকামাকড়, রোগবালাই দমন করতে হবে। আগে লাগানো বেগুন, টমেটো ও ঢেঁড়সের বাগান থেকে ফসল সংগ্রহ করতে হবে। খরিফ-২ সবজির চারা রোপণ ও পরিচর্যা, সেচ, সার প্রয়োগ করতে হবে। ফলসহ ওষুধি গাছের চারা/কলম রোপণ, খুঁটি দিয়ে চারা বেঁধে দেয়া, খাঁচা/বেড়া দেয়া ও ফল গাছে সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে .

শ্রাবণ (মধ্য জুলাই-মধ্য আগস্ট):
আগাম রবি সবজি যেমন বাঁধাকপি, ফুলকপি, লাউ, টম্যাটো, বেগুন এর বীজতলা তৈরি, বীজ বপন শুরু করা যেতে পারে। খরিফ-২ এর সবজি উঠানো ও পোকামাকড় দমন করতে হবে। শিমের বীজ বপন, লালশাক ও পালংশাকের বীজ বপন করতে হবে। রোপণকৃত ফলের চারার পরিচর্যা, উন্নত চারা/কলম রোপণ, খুঁটি দেয়া, খাঁচি বা বেড়া দেয়া, ফলন্ত গাছের ফল সংগ্রহ করতে হবে।

ভাদ্র (মধ্য আগস্ট-মধ্য সেপ্টেম্বর):
অধিকাংশ খরিফ-২ সবজির সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও খরিফ-১ এর সবজি বীজ সংরক্ষণ এর ব্যবস্থা করতে হবে। আগাম রবি সবজি বাঁধাকপি, ফুলকপি, ওলকপি, সবুজ ফুলকপি, টম্যাটো, বেগুন, কুমড়া , লাউ-এর জমিতৈরি, চারা রোপণ, সার প্রয়োগ ইত্যাদি করতে হবে। মধ্যম ও নাবী রবি সবজির বীজতলা তৈরি, বীজ বপন করতে হবে । নাবী খরিফ-২ সবজি সংগ্রহ, বীজ সংরক্ষণ করতে হবে। আগে লাগানো ফলের চারার পরিচর্যা সহ ফলের উন্নত চারা/কলম লাগানো, খুঁটি দেয়া, বেড়া দিয়ে চারাগাছ সংরক্ষণ, ফল সংগ্রহের পর গাছের অঙ্গ ছাঁটাই করতে হবে।

আশ্বিন (মধ্য সেপ্টেম্বর – মধ্য অক্টোবর):
আগাম রবি সবজির চারা রোপণ, চারার যত্ন, সেচ, সার প্রয়োগ, বালাই দমন সহ নাবী রবি সবজির বীজতলাতৈরি, বীজ বপন, আগাম টম্যাটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, সবুজ ফুলকপি, ওলকপির আগাছা দমন করতে হবে। শিম, লাউ, বরবটির মাচাতৈরি ও পরিচর্যা করতে হবে। রসুন, পেঁয়াজের বীজ বপন, আলু লাগাতে হবে। ফল গাছের গোড়ায় মাটি দেয়া, আগাছা পরিষ্কার ও সার প্রয়োগ করতে হবে।

কার্তিক (মধ্য অক্টোবর – মধ্য নভেম্বর):
আলুর কেইল বাঁধা ও আগাম রবি সবজির পরিচর্যা ও সংগ্রহ করতে হবে। মধ্যম রবি সবজি পরিচর্যা, সার প্রয়োগ, সেচ প্রদান করতে হবে। নাবী রবি সবজির চারা উৎপাদন, জমিতৈরি/চারা লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে। বাঁধাকপি, ফুলকপি, ওলকপির গোড়া বাঁধা/ আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। মরিচের বীজ বপন/চারা রোপণ করতে হবে। ফল গাছের পরিচর্যা,সার প্রয়োগ না করে থাকলে সার ব্যবহার ও মালচিং করে মাটিতে রস সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে।

অগ্রহায়ণ (মধ্য নভেম্বর – মধ্য ডিসেম্বর):
মিষ্টি আলুর লতা রোপণ, পূর্বে রোপণকৃত লতার পরিচর্যা, পেঁয়াজ, রসুন ও মরিচের চারা রোপণ, আলুর জমিতে সার প্রয়োগ, সেচ প্রদান ইত্যাদি করতে হবে। অন্যান্য রবি ফসল যেমন ফুলকপি, বাঁধাকপি, টম্যাটো, বেগুন ওলকপি, শালগম-এর চারার যত্ন, সার প্রয়োগ, সেচ প্রদান, আগাছা পরিষ্কার ও সবজি সংগ্রহ করতে হবে। ফল গাছের মালচিং এবং পরিমিত সার প্রয়োগ করতে হবে।

পৌষ (মধ্য ডিসেম্বর – মধ্য জানুয়ারি):
আগাম ও মধ্যম রবি সবজির পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন ও সবজি সংগ্রহ করতে হবে। নাবী রবি সবজির পরিচর্যা, ফল গাছের পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন এবং অন্যান্য পরিচর্যা করতে হবে। যারা বাণিজ্যিকভাবে মৌসুমি ফুলে চাষ করতে চান তাদেরকে এ সময় ফুল গাছের বেশি করে যত্ন নিতে হবে বিশেষ করে সারের উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

মাঘ (মধ্য জানুয়ারি – মধ্য ফেব্রুয়ারি):
আলু, পেঁয়াজ, রসুন-এর গোড়ায় মাটি তুলে দেয়া, সেচ, সার প্রয়োগ, টম্যাটোর ডাল ও ফল ছাঁটা, মধ্যম ও নাবী রবি সবজির সেচ, সার, গোড়া বাঁধা, মাচা দেয়া এবং আগাম খরিফ-১ সবজির বীজতলাতৈরি বা মাদা তৈরি বা বীজ বপন করতে হবে। বীজতলায় চারা উৎপাদনে বেশি সচেতন হতে হবে। কেননা সুস্থ-সবল রোগমুক্ত চারা রোপণ করতে পারলে পরবর্তীতে অনায়াসে ভাল ফসল/ফলন আশা করা যায়। ফল গাছের পোকামাকড়, রোগাবালাই দমন ও অন্যান্য পরিচর্যা করতে হবে।

ফাল্গুন (মধ্য ফেব্রুয়ারি – মধ্য মার্চ):
নাবী খরিফ-১ সবজির বীজতলা তৈরি, মাদাতৈরি, বীজ বপন, ঢেঁড়স, ডাঁটা লালশাক এর বীজ বপন করতে হবে। আগাম খরিফ-১ সবজির চারা উৎপাদন ও মূল জমিতৈরি, সার প্রয়োগ ও রোপণ করতে হবে। আলু, মিষ্টি আলু সংগ্রহ, রবি সবজির বীজ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বাগানের অন্যান্য ফসলের পরিচর্যা করতে হবে। আলু সংরক্ষণে বেশি যত্নবান হোন। এক্ষেত্রে জমিতে আলু গাছের বয়স ৯০ দিন হলে মাটির সমান করে সমুদয় গাছ কেটে গর্তে আবর্জনা সার তৈরি করুন। এভাবে মাটির নিচে ১০ দিন আলু রাখার পর অর্থাৎ রোপণের ১০০ দিন পর আলু তুলতে হবে। এতে চামড়া শক্ত হবে ও সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়বে। ফল গাছের গোড়ায় রস কম থাকলে মাঝে মধ্যে সেচ প্রদান, পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করা দরকার।

চৈত্র (মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল):
গ্রীষ্মকালীন বেগুন, টম্যাটো, মরিচ- এর বীজ বপন/চারা রোপণ করা দরকার। নাবী জাতের বীজতলা তৈরি ও বীজ বপন করতে হবে। যে সব সবজির চারা তৈরি হয়েছে সেগুলো মূল জমিতে রোপণ করতে হবে। সবজি ক্ষেতের আগাছা দমন, সেচ ও সার প্রয়োগ, কুমড়া জাতীয় সবজির পোকামাকড় ও রোগ বালাই দমন এর ব্যবস্থা নিতে হবে। নাবী রবি সবজি উঠানো, বীজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। মাটিতে রসের ঘাটতি হলে ফলের গুটি/কড়া ঝরে যায়। তাই প্রয়োজনীয় সেচ প্রদান, পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন জরুরি। ( সংকলিত )

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

করোনাকালে ঘরেই ফলিয়ে নিন দরকারি ভেষজ

করোনাকালে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রাকৃতিক দাওয়াই হিসেবে কাজ করে ভেষজ উপাদান। এগুলো সবসময় ঘরে না-ও থাকতে পারে। তাই প্রায়োজনে হাতের কাছে দরকারি সব ভেষজ রাখতে গড়ে তুলুন ছোট্ট বাগান।

রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি সর্দি-কাশি সারায় এমন কয়েকটি হার্বস আপনার বারান্দায় লাগাতে পারেন। জেনে নিন কীভাবে করবেন হার্ব গার্ডেনিং-

আদা

রান্নায় আদা ব্যবহারের বিকল্প নেই। আদা চা খেতেও কিন্তু দারুন! মাথা ব্যথা করলে অথবা সর্দি-কাশি হলে ঘরোয়া উপায়ে তা সারাতে আদা থাকা চায়। তাই ঘরেই যদি আদা ফলিয়ে নিতে পারেন; তাহলে তো কোনও কথাই নেই!

jagonews24

এজন্য একটি আদার শিকড়কে আলাদা করে মাটি ভরা পাত্রে বুনে দিন। খেয়াল রাখবেন, আদার কুঁড়ি যেন মাটির উপরে থাকে। এক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন কাণ্ড ও শিকড় গজাবে। যা থেকে আবার শিকড় নিয়ে বেশ কয়েকটি আদা গাছ লাগিয়ে ফেলতে পারবেন পাশাপাশি।

রসুন

সবার রান্নাঘরেই এ উপাদনি থাকে। এটি একটি নিত্য প্রয়োজনীয় উপাদান। রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতাও অনেক। সকালে এক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরে হাজারো উপকার মেলে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও রসুন কার্যকরী।

jagonews24

রসুনের একটি কোয়া থেকেই নতুন রসুন গাছ পাওয়া যায়। এজন্য রসুনের একটি শিকড়সহ কোয়া নিয়ে উল্টো করে মাটিতে রোপণ করুন। রসুন গাছ হওয়ার জন্য প্রচুর সূর্যের আলোর প্রয়োজন। নতুন কাণ্ড আসলে মাথা কেটে দিলে সেখান থেকে রসুন হবে।

পুদিনা পাতা

গরমে বিভিন্ন পানীয় তৈরি করতে পুদিনা পাতার বিকল্প নেই। এটি শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। বরফ কুচি দিয়ে পাতিলেবু ও পুদিনার সরবতের স্বাদ সবারই পছন্দের। এ ছাড়াও ঠান্ডা-কাশি বা গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পুদিনা পাতার চা সেরা দাওয়াই!

jagonews24

পুদিনা অন্য অনেক গাছের চেয়ে সহজেই ফলে এবং এক চারা থেকেই এর বংশবৃদ্ধি ঘটে। পুদিনা চারা কিনে পোঁতার সময় নীচের দিকের পাতাগুলো ছাড়িয়ে নিন। পুদিনা গাছ রোপণের জন্য দরকার চার ইঞ্চি লম্বা একটি মূল। পাতা কাঁচি দিয়ে কাটবেন।প্রতিদিন ভুলবেন না। হালকা আলো আছে এমন জায়গায় রাখুন।

ধনেপাতা

ধনেপাতা ব্যবহার সব খাবারকে আরও সুস্বাদু করে তোলে। সে সালাদ হোক আর নিরামিষ। এর স্বাস্থ্য উপকারিতাও অনেক। এ গাছ ফলাতে মূলের নিচের অংশটুকু এক গ্লাস পানিতে ডুবিয়ে জানলার পাশে একটি রেখে দিন।

jagonews24

ভালো সূর্যের আলো প্রয়োজন হবে। শিকড় থেকে যখন কয়েক ইঞ্চি বড় হবে, তখন গাছটিকে সাবধানে মাটির পাত্রে স্থানান্তর করুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই গাছে নতুন ধনেপাতা দেখবেন।

পার্সলে

খুব পরিচিত একটি হার্ব এটি। অনেকেই এর স্বাদ ও গন্ধ পছন্দ করেন। এই গাছ বসন্তের মাঝামাঝি সময়ে লাগাতে হবে। এটি রোপণের পর মাটি যেন কখনওই শুকিয়ে না যায় তা খেয়াল রাখবেন।

jagonews24

কড়া রোদ থাকাকালীন বাইরে বীজ লাগান। এই গাছের চারা খুব আস্তে আস্তে বের হয়। তাই মোটামুটি ছয় সপ্তাহ পরে চারা তৈরি হবে। তারপর সেগুলো তুলে টবের মাঝখানে লাগিয়ে দিন। এরপর আংশিক ছায়া দেখে টবগুলো রেখে দিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

লৌহ সমৃদ্ধ সবজি

দেহে লৌহের অভাব থেকে রক্তশূন্যতা, হৃদরোগসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

শরীরের একটি প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান লৌহ, যা আমিষ-জাতীয় খাবার ছাড়াও উদ্ভিজ্জ খাবার থেকেও পাওয়া সম্ভব।

খাদ্য ও পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে লৌহের চাহিদা পূরণে কার্যকর কয়েকটি সবজির নাম সম্পর্কে জানানো হল। 

সয়াবিন: এক কাপ সয়াবিন ৮.৮ মি.গ্রা. লৌহ ও দৈনিক চাহিদার ৪৯ শতাংশ পূরণ করতে সাহায্য করে। এটা প্রোটিন, ম্যাগ্নেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসগরাসের ভালো উৎস। 

ডাল: প্রতিকাপ ডাল ৬.৬ মি.গ্রা. লৌগ সরবারহ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ডাল খাওয়া দৈনিক লৌহের চাহিদার ৩৭ শতাংশ পূরণ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, এটা প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেইটের চাহিদাও মিটায়।

শাক সবজি: সবুজ শাক সবজি যেমন- পালংশাক, কপি, মেথি ও লেটুস ২.৫ থেকে ৬ মি.গ্রা. লৌহ সরবারহ করে যা দৈনিক চাহিদার ১৪ থেকে ৩৬ শতাংশ পূরণ করে। এসব সবুজ শাক সবজি পটাশিয়াম ও সোডিয়াম সমৃদ্ধ যা শরীরের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ পালন করে। 

আলু: বিশেষজ্ঞদের মতে, খোসাসহ আলুতে ৩.২ মি.গ্রা. লৌহ থাকে এবং খোসাসহ আলু রান্না করা হলে তা খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি পুষ্টি মানও বাড়ায়। খোসা ছাড়াও আলু উচ্চ আঁশ, ভিটামিন সি, বি৬ ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ।

মাশরুম: এক কাপ মাশরুমে ২.৭ মি.গ্রা. লৌহ থাকে। এছাড়া, ঝিনুক ও পোর্টোবেলো মাশরুম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

জলপাই: জলপাই উচ্চ আঁশ, ভিটামিন এ এবং ই সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে লৌহ। ১০০ গ্রাম জলপাইয়ে ৩.৩ মি.গ্রা. লৌহ থাকে যা হৃদযন্ত্রের সুস্থতার জন্য উপকারী।

মালবেরি বা তুঁত ফল: এক কাপ মালবেরিতে ২.৬ মি.গ্রা লৌহ পাওয়া যায়। এছাড়াও, রয়েছে ভিটামিন সি যা শরীরের জন্য উপকারী।

বীজ: নানারকমের বীজ যেমন- মিষ্টি কুমড়া, তিল ও শন ইত্যাদি উচ্চ লৌহ, প্রোটিন ও আঁশ সমৃদ্ধ। এছাড়াও এতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়। এসকল বীজ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ওমেগা-থ্রি এবং ওমেগা-সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ যা শরীর সুস্থ রাখতে সহায়ক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com