আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোবিজ

পেঁয়াজের বিক্রি কমেছে, কমেনি দাম

পেঁয়াজের বিক্রি কমেছে, কমেনি দাম

ত সোমবার ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ায় রাতারাতি এ পণ্যটির দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়। আতঙ্কে মঙ্গল ও বুধবার একশ্রেণির ক্রেতা বাড়তি পেঁয়াজ কিনে মজুত করেন। এতে রাজধানীর বাজারগুলোতে পেঁয়াজ কেনার এক ধরনের হিড়িক পড়ে যায়। দু’দিন বাড়তি কেনার পর বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পেঁয়াজ কেনার পরিমাণ কিছুটা কমেছে। ফলে খুচরা বাজারে কমেছে পেঁয়াজ বিক্রি। হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া পেঁয়াজের দাম কমেনি।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, গত বছর ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা হয়েছিল। এ কারণে এবার ভারতের রফতানি বন্ধ এবং পেঁয়াজের দাম বাড়ার সংবাদে মঙ্গলবার পেঁয়াজ কেনার এক ধরনের হিড়িক পড়ে যায়। বুধবারও বাড়তি পেঁয়াজ কেনেন ক্রেতারা। মূলত গত দুদিনেই ভোক্তাদের বড় অংশ পেঁয়াজ কিনে মজুত করেছেন। এ কারণে পেঁয়াজের বিক্রি কমেছে।

তারা বলেন, পেঁয়াজের বিক্রি কমলেও পাইকারি বাজারে দাম কমেনি। যে কারণে খুচরা বাজারেও পেঁয়াজের দাম কমেনি। সহসা পেঁয়াজের দাম কমার সম্ভাবনাও কম। ভারত যদি বাংলাদেশকে পেঁয়াজ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে দাম কিছুটা কমতে পারে। ভারত পেঁয়াজ না দেয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকলে দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকা। আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। অন্যদিকে পাইকারিতে দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা। আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকা।

মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. সেলিম বলেন, দাম বাড়ার সংবাদে মঙ্গলবার ২০ বস্তা পেঁয়াজ কিনেছিলাম। গত দুদিনে ১২ বস্তা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। ক্রেতাদের বেশিরভাগ পাঁচ কেজি করে পেঁয়াজ কিনেছেন। আজ পেঁয়াজের ক্রেতা নেই।’

তিনি বলেন, ‘বেশিরভাগ মানুষ গত দুদিনে বাড়তি পেঁয়াজ কিনে মজুত করেছেন। যে কারণে আজ বিক্রি খুব কম। ৮-১০ দিন পরে আবার পেঁয়াজের চাহিদা বাড়বে। তখন পেঁয়াজের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে। অবশ্য শুনছি । ভারত যদি অনুরোধ রেখে বাংলাদেশকে পেঁয়াজ দেয় তাহলে দাম কিছুটা কমতে পারে।’

একই ধরনের কথা বলেন হাজীপাড়া বৌ-বাজারের ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর। তিনি বলেন, ‘শ্যামবাজারে গিয়ে শুনছি ভারতে পেঁয়াজ বোঝাই অনেক ট্রাক আটকে আছে। টেলিভিশনেও এমন খবর শুনছি। এসব পেঁয়াজ বাংলাদেশে আসার অনুমতি দেয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নাকি অনুরোধ করা হয়েছে। আটকে থাকা পেঁয়াজের ট্রাক বাংলাদেশে আসলে দাম কমবে বলে শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীরা বলাবলি করছেন।’

ভিন্ন কথা বললেন রামপুরার ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম আগামী দু-তিন মাস কমার সম্ভাবনা কম। ভারত পেঁয়াজ দিলে দাম কিছুটা স্থির থাকতে পারে, কিন্তু দাম কমবে বলে মনে হয় না। ভারত পেঁয়াজ না দিলে দাম আরও বেড়ে যাবে। এবার হয়তো গত বছরের মতো হবে না। কারণ পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে এবার আগেভাগেই অভিযান শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযান না চালালে পেঁয়াজের কেজি দেড়শ টাকা হয়ে যেত।’

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান মোস্তফা বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম নতুন করে আরও বাড়ার সম্ভাবনা কম। কারণ পেঁয়াজের বিক্রি অনেক কমে গেছে। আতঙ্কে দুদিনে সাধারণ মানুষ অনেক পেঁয়াজ কিনেছেন। আজ বিক্রি নেই বললেই চলে।’

তিনি বলেন, ‘এবার পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বাড়ার সম্ভাবনা যেমন কম, তেমনি দাম কমার সম্ভাবনাও কম। গতকাল আমরা দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। আজও ৮০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। নতুন পেঁয়াজ না ওঠা পর্যন্ত পেঁয়াজের এই দাম স্থির থাকবে বলে মনে হচ্ছে। আমাদের ধারণা, পেঁয়াজের দাম খুব বেশি ওঠা-নামা করবে না। হয়তো কেজিতে ৫-১০ টাকা কম-বেশি হতে পারে।’

কারওয়ান বাজারের আরেক ব্যবসায়ী গৌতম বাবু বলেন, ‘কারওয়ান বাজার ও শ্যামবাজারে আজ দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। আজ নতুন করে পেঁয়াজের দাম বাড়া বা কমা কোনোটিই হয়নি। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, পেঁয়াজের এই দাম কয়েক দিন স্থির হবে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কৃষি অব্যবস্থাপনাতেই পেঁয়াজের ঝাঁজ

আবারও পেঁয়াজ নিয়ে হৈ চৈ। কথা নেই বার্তা নেই, সকালের বাজারের তুলনায় বিকেলের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে আকাশছোঁয়া। উছিলা কি? ভারত রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে। খুব ভালো কথা ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে না, এটা তো দুদিন পর থেকে বাজারে প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার কথা। দোকানে থাকা পেঁয়াজগুলোর দাম বেড়ে গেলো কেনো? আর মানুষও কোন কারণে হুমড়ি খেয়ে পড়লো বাজারে। যার ঘরে ১০ কেজি পেঁয়াজ লাগে মাসে তিনি একাই কিনে ফেলছেন ৩০ কেজি।

লাইন ধরে পেঁয়াজ কেনার এই অবস্থা কেন? ৩০ কেজি পেঁয়াজ কিনে ঘরে আনলে কি তিনি আগামী মৌসুম পর্যন্ত বাড়তি দামে পেঁয়াজ কেনা থেকে রক্ষা পাবেন? অথচ সরকারি হিসাব মতে আরও কয়েক মাস চলার মতো পেঁয়াজ দেশে মজুত আছে। সেই মজুত শেষ হওয়ার আগেই আবার আমদানি করা পেঁয়াজে দেশে পৌঁছে যাবে।

আসলে পেঁয়াজই শুধু নয় একসময় তেল ও চিনি নিয়ে এমন হতে দেখেছি। পেঁয়াজের ঝাঁজতো প্রতি বছরই বাড়ে। নিত্য ঘটনার মতো। আর আমাদেরও একই দৃশ্য দেখতে হয়। দোকানীরা সুযোগ বুঝে পকেট ভারি করে, ক্রেতারা কামড়াকামড়ি করে। সবচেয়ে বড় কথা, মূল জায়গাটা থাকে অছোঁয়া।

আমরা প্রতিবছরই দেখি পেঁয়াজের চাষীরা সর্বোত চেষ্টা করছেন উৎপাদন বজায় রাখতে। তারা তাদের বুদ্ধি অনুযায়ী উৎপাদন করেন। এখানে সরকারের কৃষি ব্যবস্থাপনা কতটা ভূমিকা রাখছে তা কিন্তু কেউ দেখছে বলে মনে হয় না। দেশের চাহিদা ও উৎপাদন বিশ্লেষণ করে পরবর্তী বছরে কৃষককে উদ্বুদ্ধ করার কোনো প্রচেষ্টা কি আছে আমাদের এখানে? যতদূর জানি নেই। গয়রহ একটা হিসাব দেয়া হয় এত টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। কতটন ঘাটতি আছে সেটাও একটা হিসাব দেওয়া হয়। সরকারি হিসাব অনুযায়ীই গত কয়েক বছর পর্যন্ত পেঁয়াজের উৎপাদন স্থিতিশীল। আর চাহিদাটাও তেমনি। কয়েক বছর ধরে গড়ে পেঁয়াজের উৎপাদন হচ্ছে সাড়ে ১৭ লাখ টন। মতান্তরে ২৫ লাখ টন। এটা এক যুগ আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে সত্যি কথা। কিন্তু চাহিদার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে না। চাহিদা তো ৩২ লাখ টন। সেই হিসাবে চাহিদা বৃদ্ধির তুলনায় উৎপাদন বৃদ্ধি হয়নি। আর এই বিষয়গুলো আমাদের নিয়মিতই দেখতে হচ্ছে।

আমাদের চাষযোগ্য জমির পরিমাণ কম। তাই চাষের শুরুতেই অধিকগুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চালের প্রতি আমাদের নজর দিতে হয়। একসময় সাড়ে ৭ কোটি মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে পারতাম না আমরা। পাকিস্তান আমলে না খেয়ে মানুষকে মরতে হয়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তী সরকারগুলো ওঠেপড়ে লাগে চালের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য।

এক পর্যায়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমাদের চালের উৎপাদন বিশ্বমাত্রায় পৌঁছেছে। আমরা গর্ব করতে পারি চালের উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ে। একসময়ের খাদ্য ঘাটতির দেশটি ধাপে ধাপে বিশ্বের তৃতীয় চাল উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে স্থান করে নিতে পেরেছে। আমাদের দেশের চালের ২ কোটি ৯০ লাখ টন চাহিদার বিপরীতে বিপরীতে ৩ কোটি ৬০ লাখ টন উৎপাদন হয়েছে। কোনো কোনো হিসাবে চাহিদার পরিমাণ ২ কোটি ৭০ লাখ টন। বেশিটাও যদি আমলে নেই আমাদের চালের উদ্বৃত্তের পরিমাণ ৭০ হাজার মেট্রিক টন।

প্রশ্ন হচ্ছে এখানেই। প্রথম চাহিদা হিসেবে আমরা চালের দিকে নজর দিয়েছি। চাল উৎপাদনে আমরা সফল হয়েছিই শুধু নয়, উদ্বৃত্ত উৎপাদনও করতে পেরেছি। এখন আমাদের দ্বিতীয় চাহিদা ( উৎপাদন ও চাহিদার হিসাবে) পেঁয়াজের দিকে নজর দেওয়ার কথা। সেটা করতে গেলে জমিতো অতিরিক্ত পাওয়া যাবে না। আমাদের ধানের জমিতে হাত দিতে হবে। এটা নতুন কিছু নয়। আমরা রবিশস্য চাষ কমিয়েই কিন্তু ধান উৎপাদন বাড়িয়েছি। এমন জায়গাও আছে যেখানে রবিশষ্য আর বর্ষাতি ধান ছাড়া অন্য কোনো ফসল হতো না। এখন সেখানে আমরা রবিশষ্য পুরোটা বন্ধ করে দিয়েছি। রবিশষ্যের জমিতে ধান উৎপাদন করতে গিয়ে চাষী কিন্তু লাভবান হয়নি। বরং একদিক ঢাকতে গিয়ে আরেকদিক উদোম হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে পেঁয়াজ ও মরিচে ঝাঁজ ও ঝাল কমাতে হলে পরিকল্পিতভাবে ধান থেকে কিছু অংশ রবিশষ্যে ফিরে যেতে হবে।

এক্ষেত্রে চাষীর নিরাপত্তা দিতে হবে সরকারকে। ধরা যাক চাষী মরিচ ও পেঁয়াজ চাষ করলো। ফসল ঘরে নেয়ার পথে তার ব্যয় নির্বাহের জন্য ফসল বিক্রি করতে গেলো। দেখো গেলো বাইরের পেঁয়াজ এসে বাজার ভরে গেছে। কৃষকের মাথায় হাত। গত মৌসুমে এমন হয়েছেও। পেঁয়াজ এমন একটা ফসল যা ঘরে রাখা মোটামুটি ঝুঁকিপূর্ণ। সেই অবস্থায় কৃষককে রক্ষা করবে কে? কৃষক যদি উৎপাদন ব্যয় না তুলতে পারে তাহলে সে কেন আবার সেই ফসল করতে যাবে? মূল কথা হচ্ছে- কৃষি ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে যে আমাদের প্রতিবছর পেঁয়াজ কাণ্ড দেখতে হচ্ছে এটা কিন্তু অস্বীকার করা যাবে না।

প্রশ্ন আসতে পারে সিন্ডিকেটের বিষয়। সিন্ডিকেট আছে অবশ্যই। তারা ওৎপেতে থাকে কখন শিকার ধরা যাবে। ভারত যদি একটু এদিক সেদিক করে তাহলেই তারা শিকার ধরার মতো সাধারণ ক্রেতার মাথা চিবিয়ে খায়। কৃষি ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনতে পারলে সহজেই সিন্ডিকেটদেরও দমিয়ে আনা যাবে। এক্ষেত্রে আবারও চালের উদাহরণ দিতে পারি।

দুই বছর আগের একটি পরিসংখ্যানের দিকে তাকাতে পারি। বাংলাদেশ ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ করায় সেবছর ৯ মাসেই তাদের চাল রফতানি ১০.২% কমে যায়। এটা রয়টার পরিবেশিত সংবাদ। তারা সেবছর ৮৪ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন চাল রফতানি করতে পেরেছিল। আমরা ভুলে যাইনি পেঁয়াজের মতো সিন্ডিকেটের নাকানিচুবানী আমরা চালেও খেয়েছি। যেহেতু উৎপাদন বেড়েছে আমদানি হচ্ছে না তাই তাদেরও দৌড়াত্ম্য কমেছে। তাই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন আমাদের কৃষি ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজানো। রবিশস্য মৌসুম আসন্ন। এখনই নজর দেওয়া প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে আমাদের ভারতের উপর নির্ভর করে থাকতে না হয়। আর সিন্ডিকেটের নাকানীচুবানীও না খেতে হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় ১৬৫ ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ

বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় ১৬৫ ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ

গত দুইদিনে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজের ট্রাক ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি। তবে বন্দরের ওপারে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে ১৬৫ ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায়। যেকোনো সময় বাংলাদেশে ঢুকবে ভারতীয় পেঁয়াজের ট্রাকগুলো।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ব্যবসায়ী নেতা মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, যেকোনো মুহূর্তে ১৬৫ ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ বাংলাদেশে ঢুকবে।

ভোমরা বন্দরের ব্যবসায়ীদের সংগঠন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ মাকসুদ খান বলেন, যেসব পেঁয়াজ আগে এলসি করা হয়েছে; সেগুলো যেকোনো সময় বাংলাদেশে আসবে।

ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, ঘোজাডাঙ্গা বন্দরে ১৬৫ ট্রাক পেঁয়াজ আটকা পড়েছে। এগুলো আগে এলসি করা। সোমবার বিকেলে হঠাৎ করে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এ সময় আমদানির অপেক্ষায় থাকা পেঁয়াজভর্তি ট্রাকগুলো আটকে যায়

তিনি বলেন, এতদিন এক টন পেঁয়াজ ৩০০ ডলারে ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছিল। ভারতের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন কম হওয়ায় মূল্য বাড়ানোর জন্য পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করা হয়। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে গেলে দাম নির্ধারণ করে দেয় ন্যাপেট নামে একটি সংস্থা। ন্যাপেট বর্তমানে এক টন পেয়াজের মূল্য নির্ধারণ করেছে ৭০০ ডলার।

ভোমরা স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা মহসিন হোসেন জানান, ওপারে কত ট্রাক পেঁয়াজ দেশে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে তার পরিসংখ্যান আমাদের জানা নেই। ভারত কেন হঠাৎ পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করল সে বিষয়ে লিখিতভাবে কিছু জানায়নি। কবে রফতানি শুরু করবে তাও জানায়নি আমাদের।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পেঁয়াজ রফতানি শুরু করতে ভারতকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি

পেঁয়াজ রফতানি শুরু করতে ভারতকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। দুই প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে বিবেচনায় নেয়ার কথা উল্লেখ করেই বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে পাঠানো চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘পেঁয়াজ রফতানির নীতিমালায় ভারত হঠাৎ করে পরিবর্তন এনে এমন ঘোষণা দেয়ায় বাংলাদেশকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। কারণ এতে বাংলাদেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে সরাসরি প্রভাব পড়েছে।’

এ বছরের ১৫ ও ১৬ জানুয়ারি দুই দেশের বাণিজ্য সচিবদের বৈঠকে বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী রফতানি বন্ধ না করার জন্য ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তখন অনুরোধ করা হয়েছিল যে, যদি কোনো কারণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতেই হয়, তবে তা যেন বাংলাদেশকে আগেভাগে জানানো হয়।

বিষয়টি উল্লেখ করে ভারতকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘হুট করে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের বিষয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত সরকারের আকস্মিক ঘোষণা দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের ২০১৯ ও ২০২০ সালের আলোচনা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সমঝোতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি পুনরায় শুরু করতে ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।’

উল্লেখ্য, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয় ভারত। এরপরই দেশের বাজারে বাড়তে থাকে এ নিত্যপণ্যের দাম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

খাদ্য নিরাপত্তা গড়বে যারা তারাই পৃথিবীকে নেতৃত্ব দেবে

খাদ্য নিরাপত্তা গড়বে যারা তারাই আগামী বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।

তিনি বলেন, দক্ষ এবং সৎ মানুষ দ্বারাই সমাজ পরিচালিত হবে এবং করোনাকাল তা বুঝিয়ে দিচ্ছে।

করোনার প্রভাব এবং আগামীর বিশ্ব নিয়ে জাগো নিউজের কাছে এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এই বিশ্লেষক।

সাবেক এই গভর্নর বলেন, ‘করোনা মহামারি নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে আসছে। মানুষ মরছে। কিন্তু অদৃশ্য এমন কিছু সমস্যা হাজির হবে করোনা পরবর্তী সময়ে, যা মানুষ হয়তো ভাবতে পারছে না। সাতশ কোটি মানুষের মধ্যে অল্পসংখ্যক মানুষ মারা যাবে হয়তো। এই মৃত্যু গাণিতিক হারে ঘটছে। কিন্তু অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে জ্যামিতিক হারে।’

অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হয়তো দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব স্বাভাবিক হতে থাকবে। কিন্তু আগের মতো হবে না। যারা এতদিন পৃথিবীকে বিষিয়ে তুলেছে, মানুষের ক্ষতি করেছে, পৃথিবীর ক্ষতি করেছে তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। আমি একেবারে নিষ্ঠুরভাবে বলছি। খারাপ মানুষ ধ্বংস হয়ে যাবে। যারা মানবিক, যারা সুন্দর পৃথিবীর জন্য বদ্ধপরিকর তারা এগিয়ে আসবে। যদিও আমরা করোনা থেকে এখন পর্যন্ত শিক্ষা নিতে পারিনি।’

এই অর্থনীতিবিদ আরও বলেন, ‘অর্থনীতির জন্য নানা চ্যালেঞ্জ ইতোমধ্যেই সামনে এসেছে। নানা উদ্যোগ নিচ্ছে মানুষ। কিন্তু আমি মনে করি, বিশ্ব হবে দক্ষদের। দুর্বলরা হারিয়ে যাবে নির্মমভাবে। এটি বাংলাদেশ এবং বিশ্বের জন্য বিশেষবার্তা। প্রযুক্তিতে হয়তো আরও উৎকর্ষসাধিত হবে। কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকার জন্য উৎপাদনে আরও উন্নয়ন ঘটবে এবং ঘটাতে হবে। বিশেষ করে খাদ্য উৎপাদন এবং খাদ্য নিরাপত্তায় যারা বিশেষ দক্ষতার পরিচয় দেখাতে পারবে, তারাই বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে। আর এটি যারা দ্রুত বুঝতে পারবে, তারাই প্রস্তুতি নিতে থাকবে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com