আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

লাইভস্টক

আনোয়ারায় সোনালি মুরগি পালনে ঝুঁকছে তরুণরা

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আনোয়ারার তরুণরা ঝুঁকছে সোনালি মুরগি পালনে।

সরেজমিনে উপজেলা জুড়ে দেখা গেছে, ঘরের ছাদে, বসতবাড়ির আঙ্গিনা, পুকুর পাড়সহ খালি জায়গায় গড়ে উঠেছে ফার্ম। উদ্যোক্তা মোহাম্মদ এনাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। তাই বাড়ির আঙ্গিনার খালি জায়গায় সোনালি মুরগির ফার্ম করেছি। এ পর্যন্ত তিন বার বাচ্চা তুলে প্রতিবারেই ৭০-৮০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তরুণেরা বিশেষ করে কলেজ শিক্ষার্থীরা মুরগী পালনে ঝুঁকছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

লাইভস্টক

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গরুর হাল চাষ

কৃষি প্রধান বাংলাদেশে এক সময় লাঙল ও গরুর হাল ছাড়া কৃষি জমি প্রস্তুতের কথা চিন্তাই করা যেত না। কিন্তু কালের পরিক্রমায় হারিয়ে গেলেও বাংলার এ অতীত ঐতিহ্য উত্তরের জেলা দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গ্রামগুলোতে এখনও দেখা যায়।

বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে গরু, লাঙল ও জোয়াল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হালচাষের পরিবর্তে এখন ট্রাক্টর অথবা পাওয়ার টিলার দিয়ে অল্প সময়ে জমি চাষ করা হয়। এক সময় দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে কৃষক গরু, মহিষ পালন করত হালচাষ করার জন্য। অনেকে গবাদিপশু দিয়ে হালচাষকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে ছিলেন। আবার অনেকে ধান,গম, ভুট্টা, সরিষা, আলু প্রভৃতি চাষের জন্য ব্যবহার করতেন। নিজের সামান্য জমির পাশাপাশি অন্যের জমিতে হালচাষ করে তাদের সংসারের ব্যয়ভার বহন করত। হালের গরু দিয়ে দরিদ্র মানুষ জমি চাষ করে ফিরে পেত তাদের পরিবারের সচ্ছলতা।

তেমন এক চিত্র দেখা গেল দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। সরেজমিন দেখা যায় গোবিন্দপুর গ্রামের মেধ্যা পাড়া এলাকার বাবুল ইসলাম প্রতি বিঘা জমি ৫-৬শ টাকা হারে তাঁর দুটি গরুর হাল ও লাঙল দিয়ে চাষ করছেন।

চাষা বাবুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, পূর্ব পুরুষের হাত ধরে প্রায় ২০-২৫ বছর আগে থেকেই এই কাজের সাথে তিনি জড়িত। প্রতি বছর চাষের মৌসুমে প্রতিদিন ১০০০-১২০০ টাকার মত আয় হয়। উপার্জিত এই অর্থ দিয়ে গরুর খাদ্য ও সংসার খরচ হয়। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে আধুনিক যন্ত্রের কারনে গরুর হালের চাপ কমে গেছে। এতে সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বাসুদেব রায় বলেন, গরু-মহিষ, লাঙল ও জোয়াল ছিলো কৃষকের আর্শিবাদ স্বরূপ। গরু-মহিষ, লাঙ্গল ও জোয়াল ছিলো আমাদের ঐতিহ্য ও পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি কৃষি পদ্ধতি। কিন্তু বর্তমান সময়ে কৃষিতে যান্ত্রিকীকরন প্রযুক্তির ব্যবহারে সরকার ৫০% উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করছে। এতে কৃষিতে উৎপাদন খরচ কমবে ও কৃষকরা লাভবান হবে। ফলে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহারে কৃষকরা বেশী আগ্রহী হচ্ছে তবে লাঙল-গরুর হাল চাষ এখনও জনপ্রিয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

দেশে বাড়ছে দামী জাতের পালন, হচ্ছে কবুতরের রেসিং, রয়েছে কবুতরের খামার

বাংলাদেশে বাড়ছে শখের কবুতর পালন এবং এই শখ পূরণ করতে মানুষ এক জোড়া কবুতরের পেছনেই লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করছেন।

এসব শখের কবুতরের কোনটি দেখতে সুন্দর, কোনটি অনেক উঁচুতে উড়তে পারে আবার কোনটি রেসিং করে শত শত কিলোমিটার পথ। আর এই কবুতরেরই কোন কোনটির দাম কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে, কেনা-বেচাও হচ্ছে বিস্তর।

জানা গেল, চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে টেকনাফের নাফ নদী এলাকায় কবুতরের এক রেসিংয়ে অংশ নিয়েছে ৪১২টি কবুতর, যেগুলো প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছিল।

বাংলাদেশ রেসিং পিজিয়ন ফেন্সিয়ার্স ক্লাবের আয়োজনে ওই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছে ক্লাবটির সদস্য মোহাম্মদ রাহাতুল ইসলামের একটি কবুতর, যেটি ৩৩৭ দশমিক ০৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তার ঢাকার মগবাজারের বাজায় ফিরে আসতে সময় নেয় ৪ ঘণ্টা ২১ মিনিট ২ সেকেন্ড।

মিস্টার ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন যে হোমার জাতের এ কবুতরটিকে রেসিংয়ের জন্য তৈরি করেছেন তিনি এবং এ ধরণের প্রায় দুইশো’ কবুতরের মালিক তিনি। আর এগুলোর দাম পাঁচ হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত।

কবুতরের ওড়ার প্রতিযোগিতা হলো রেসিং এবং যেসব কবুতর এ ধরণের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়, কবুতর-প্রেমীরা তাদেরকে রেসার বলে চিহ্নিত করেন।

কবুতর নিয়ে কাজ করেন এমন ব্যক্তিরা বলছেন, রেসারের উপযুক্ত ভালো একটি হোমার জাতের কবুতর তার আড়াই মাস বয়সে একশো’ কিলোমিটার দুরে নিয়ে ছাড়লেও ঠিক উড়ে বাড়ি চলে আসবে।

রেসার কবুতর
কমপক্ষে ৫০ কিলোমিটার দূর থেকে ছাড়লে যেটি বাড়ি বা নিজ ঠিকানায় ফিরে আসতে পারে, সেগুলোই আসলে রেসিংয়ের জন্য উপযুক্ত বা রেসার হিসেবে সফল হতে পারে।

আর এমন যোগ্যতা নিয়ে যেসব কবুতর রেসে অংশ নেয়, সেটাই রেসার কবুতর।

অনেকগুলো জাতের রেসার কবুতর রয়েছে, তবে সব জাত দিয়ে রেসার হয় না।

হোমার কবুতর রেসার হিসেবে জনপ্রিয়। কারণ হিসেবে যেসব বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করা হয় তাহলো – চোখের চারপাশে ঘের না থাকা, পায়ের নখ বড় ও বাকা হওয়া, ঠোঁট বাকা হওয়া, ঠোটের বাকানো অংশ থেকে মাথার কোনা পর্যন্ত সমতল হওয়া ইত্যাদি।

দুটি হোমার পাশাপাশি ছাড়া হলে এরা নিজেরাই পরস্পরের সাথে প্রতিযোগিতা করে নিজ ঠিকানায় ফেরত আসতে পারে।

রাহাতুল ইসলাম বলছেন, বাংলাদেশেও অনেকে রেসার কবুতর পালন বা পরিচর্যা করছেন এবং নিয়মিত রেসিংয়ে অংশ নিচ্ছেন।

কবুতরের তিন ক্যাটাগরি, দুই জাত আর শত প্রজাতি
বাংলাদেশে কৃষি তথ্য সার্ভিসের মতে, পৃথিবীতে মোটি ১২০ প্রজাতির কবুতর আছে এবং এর মধ্যে বাংলাদেশে আছে ২০ প্রজাতির।

কবুতরের মূলত দুইটি জাত বা ধরণ:

১. স্কোয়াব বা মাংস উৎপাদন জাত

২. চিত্তবিনোদন জাত

সাধারণত বাংলাদেশে মাংস খাওয়ার জন্যই বাসাবাড়িতে কবুতর পালন করেন অনেকে, আবার অনেকের খামারও আছে এ ধরণের কবুতরের। খামারিরা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কবুতর বা এর মাংস বিক্রি করেন।

অন্যদিকে চিত্তবিনোদন জাতের মধ্যেই আছে আবার কয়েকটি ক্যাটাগরি। যারা শখে লালন পালন করেন, তাদের কাছে এগুলো বেশি সমাদৃত।

ন্যাশনাল পিজিয়ন অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ বা এনপিএবি-র জয়েন্ট সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন ফয়সাল জানালেন যে শখের কবুতরের আবার তিন মূল ক্যাটাগরি রয়েছে।

১. ফেন্সি বা দেখতে সুন্দর

২. হাইফ্লাইয়ার বা যেগুলো অনেক দূর পর্যন্ত ওড়ে

৩. রেসার – যেগুলো জাত ভেদে ৫০ থেকে ১২ কিলোমিটার বা তার বেশি পথ পাড়ি দিয়ে ঠিকানায় ফিরে আসতে পারে

মিস্টার হোসেন বলেন, দেখতে অসাধারণ সুন্দর অনেক কবুতর বিদেশ থেকে আনা হয়েছে যেগুলোর মূল্য কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

“বাংলাদেশে এ মূহুর্তে প্রায় দশ হাজার ফেন্সি কবুতরের খামার আছে। অনেকে নানা দেশ থেকে কবুতর নিয়ে আসছেন। আমি নিজে পশ্চিম আফ্রিকার মালি থেকে ফ্রেঞ্চ মুন্ডিয়ান কবুতর এনেছি, যার মূল্য প্রায় তিন হাজার মার্কিন ডলার,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

কয়েকটি দামী কবুতর
ন্যাশনাল পিজিয়ন অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের তথ্য বলছে, দেশের বাজারে বেশ কিছু ভালো জাতের কবুতরের এমনিতেই বেশ চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো গিরিবাজ কবুতর। আকাশে ডিগবাজি খাওয়া কিংবা সোজা অনেক দূর আকাশে ওঠার জন্য এটি পরিচিত।

এর বাইরে ম্যাগপাই, বুডারবল, সিলভার সিরাজী, লাল সিরাজী জাতের কবুতরও শৌখিন পালকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এসব কবুতর দুই থেকে দশ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

আট লাখ টাকার ভিক্টোরিয়া ক্রাউন, আর দামী যেসব কবুতর
১. ভিক্টোরিয়া ক্রাউন – আকারে প্রায় ময়ূরের মতো লম্বা এ কবুতর এখন বাংলাদেশে কয়েকজন খামারি লালন-পালন করছেন। এগুলোর এক জোড়ার দাম সাড়ে আট লাখ টাকা। ইসমাইল হোসেন ফয়সাল বলছেন, এক বছরে চারবার একটি করে ডিম দেয় এ কবুতর।

এ কবুতরটির উৎসস্থল মূলত অস্ট্রেলিয়া।

২. মুন্ডিয়ান – দেখতে দারুণ সুন্দর ফরাসি জাতের এ কবুতরটি পাওয়া যায় পশ্চিম আফ্রিকা আর ফ্রান্সে। ইসমাইল হোসেন ফয়সাল জানালেন যে এগুলোর এক জোড়া তিনি এনেছেন মালি থেকে।

মুন্ডিয়ান কবুতরের দাম নির্ভর করে এর রংয়ের ওপর। ভালো জাতের মুন্ডিয়ানের দাম পড়ে তিন হাজার মার্কিন ডলারের মতো।

এক একটি কবুতর এক কেজির মতো হয়। বাচ্চা হওয়ার পর দেড় মাসের মধ্যেই আবার ডিম পাড়ার উপযুক্ত হয়।

৩. নিকোবার – খুবই বিরল এক কবুতরটির আদি বাড়ি আন্দামান-নিকোবর দ্বীপ। ভালো জাতের এই কবুতরের জোড়া প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মতো। আরব দেশগুলোতে এটা এখন ব্যাপকভাবে ব্রিড করা হচ্ছে।

৪. জ্যাকবিন – বিশ্বের পুরনো প্রজাতির কবুতরগুলোর মধ্যে জ্যাকবিন একটি। দৃষ্টিনন্দন এই কবুতরটি সাধারণ কবুতরের মতোই, কিন্তু মাথায় হুড আছে বলে খুব সুন্দর দেখায়। চোখমুখ ঢেকে থাকে। এরা উড়তে পছন্দ করে না। মান ভেদে এই প্রজাতির কবুতরের দাম হয় ১০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত।

৫. ফেন্টেল – সাধারণ কবুতরের মতো হলেও এর বৈশিষ্ট্য হলো এটি ময়ূরের মতো পেখম মেলে থাকে। জোড়া প্রতি দাম হতে পারে দশ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত।

আরও আছে বাংলাদেশের মক্ষী
বাংলাদেশের কবুতরপ্রেমীদের কাছে এই কবুতরের পরিচিতি মক্ষী নামে। টাঙ্গাইলে পাওয়া যায় এমন একটি জাত এটি, যাকে বাংলাদেশের নিজস্ব কবুতর হিসেব দাবি করেন অনেকে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্রিড হয়ে কিছুটা পরিবর্তিত রূপে আসার পর এর চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে বলে জানা গেল।

কবুতর পালকদের নানা ক্লাব থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ জাতের কবুতর এখন তিন হাজার থেকে শুরু করে এর দাম ওঠে লাখ টাকা পর্যন্ত।

কবুতরের গড় দাম
শখের ও বাণিজ্যিক খামারিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, চলতি বছর ‘লঙ ফেস’ প্রজাতির কবুতর সর্বোচ্চ ১৫ হাজার, সিরাজী সর্বোচ্চ তিন হাজার, লাহোরী সিরাজী সর্বোচ্চ ৫ হাজার এবং চীলা সর্বোচ্চ সাড়ে ছয় হাজার টাকা দামে বিক্রি হয়েছে বাংলাদেশে।

এছাড়া, বিউটি হোমা সর্বোচ্চ তিন হাজার, বুদাপেস্ট সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার এবং গিরিবাজ ৬/৭শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে কবুতর বাজারগুলোতে।

ঢাকায় কাপ্তানবাজার, টঙ্গীর কবুতরহাট এবং মিরপুর কবুতর হাট কবুতর বেচাকিনির জন্য বেশ প্রসিদ্ধ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

কেন শাহিওয়াল জাতের গরু পালন করবেন

জাত: শাহিওয়াল
শাহিওয়াল গরু হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সুপরিচিত একটি গরুর জাত, যাদেরকে প্রধানত দুধের জন্য পালন করা হয়। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের শাহিওয়াল জেলায় উৎপত্তি লাভ করে। দক্ষিণ এশিয়ার গরুর জাত গুলোর মধ্যে শাহিওয়াল গরুই সব থেকে বেশি দুধ উৎপাদন করে।এর দুধের কোয়ালিটিও খুবই উন্নত।

মূল নাম:শাহিওয়াল

জন্মস্থান: পাঞ্জাব, পাকিস্তান
বিস্তৃতি: বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, অষ্ট্রেলিয়া
ব্যবহার:দুধ , মাংস উৎপাদন ও কাজ।

গড় ওজন:

গাভী :৩০০-৪৫০কেজি

ষাড়:৪০০-৭৫০ কেজি

গায়ের রং: বাদামী লাল থেকে ধূসর লাল
বাৎসরিক গড় দুধ উৎপাদন:৪০০০-৫০০০ লিটার
ফ্যাট:৫-৬%

শিং: আছে

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈশিষ্ট্য:ধীর ও শান্ত প্রকৃতির, মোটাসোটা ভারী দেহ , ত্বক পাতলা ও শিথি। পা ছোট, শিং ছোট ও পুর, এজাতের গাভীর শিং নড়ে, মাথা চওড়া। ষাঁড়ের চূড়া(চুত/কুজ) অত্যধিক বড়। গলকম্বল বৃহদাকার যা ঝুলে থাকে, লেজ বেশ লম্বা, প্রায় মাটি ছুঁয়ে যায়, লেজের আগায় দর্শনীয় একগোছা কালো লোম থাকে। গাভীর ওলান বড়, চওড়া, নরম ও মেদহীন, বাটগুলো লম্বা, মোটা ও সমান আকৃতি বিশিষ্ট।

দক্ষিণ এশিয়ার জাত হিসেবে আমাদের দেশের পরিবেশের সাথে এ গরু পুরোপুরি মানানসই। এ গরুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অন্যান্য বিদেশি গরুর তুলনায় অনেক বেশি। দুধে ফ্যাটের পরিমাণও সর্বোচ্চদের তালিকায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

যেসব বিষয় না জানলে খরচ হবে কিন্তু মুরগি ভাল হবে না

রোগ নির্ণয় করতে কতগুলো প্রশ্নের উত্তর জানতে হয়। খামারী যদি সঠিক রোগ জানিতে চায় তাহলে অবশ্যই সঠিক তথ্য দিতে হবে ভুল তথ্য দিলে ভুল ডায়াগনোসিস হবে।ভুল চিকিৎসা হবে। খরচ হবে কিন্তু মুরগি ভাল হবে না।
প্রশ্নমালা

১।টাইপ(লেয়ার,ব্রয়লার,সোনালী,টার্কি,কোয়েল,হাস)
২।সংখ্যা
৩।বয়স
৪।কতগুলি অসুস্থ
৫।কতগুলো মারা গেছে,যেগুলো মারা গেছে সেগুলোর ওজন কত।
৬।কতদিন ধরে অসুস্থ
৭।রানিক্ষেতের টিকা ও কৃমিনাশক কবে দেয়া হয়েছে
৮।পায়খানা(সাদা,লাল।কালো,সবুজ,নীল,ফেনা,পাতলা)
৯।শাসকষ্ট (হাচি,কফ,গড়্গড়)দিনে,রাতে,নাকি দিনে ও রাতে
১০।প্যারালাইসিস আছে নাকি নাই

১১।ডিম কত কমছে বা ডিমের কালার,সাইজ,আকাবাক কিনা,খোসা পাতলা বা ছোট কিনা
১২।খাবার কত কমছে,কোন কোম্পানীর খাবার,পানি কত কমছে নাকি বেশি খাচ্ছে।খাবার আগে থেকেই কম খাচ্ছে নাকি হঠাত কমে গেছে।
১৩।চোখে সমস্যা(ফোলা নিচে ,নাকি চারদিকে,অল্প না বেশি।
১৪।ওজন কেমন কম না ভাল,বিভিন্ন সাইজের নাকি সমান
১৫।মুরগি খাচা্‌,মাচায়,না ফ্লোরে

১৬।একই ফার্মে বিভিন্ন বয়সের মুরগি নাকি একই বয়সের
১৭।ফার্ম নতুন না পুরাতন
১৮। খাবার প্রজাতি/জাত অনুযায়ী দিচ্ছে নাকি লেয়ার কে ব্রয়লার খাবার,নাকি সোনালীকে ব্রয়লার খাবার দিচ্ছে।
১৯।ব্রয়লার ও সোনালী কতদিন গ্যাপ দিয়ে তুলা হয়।
২০ কি কি চিকিৎসা দেয়া হয়েছে

২১।আশে পাশে বা এই থানায় কোন সমস্যা আছে কিনা
২২।অনেক দিন ধরে মুরগি শুকিয়ে যাচ্ছে কিনা
২৩।মুরগি কি হঠাত মারা যায় নাকি অসুস্থ হয়ে মারা যায়।
২৪।বাচ্চা কোন কোম্পানীর,বাচ্চা বাসি কিনা।
২৫।ভয় পাইছে কিনা বা ভয় পায় কিনা

২৬।আগে জটিল কোন রোগ হয়েছিল কিনা(কলেরা,এ আই ,রানিক্ষেত,আই বি)
২৭.১৫দিনের মধ্যে কি কি ভ্যাক্সিন করা হয়েছে।
২৮।হঠাত খাবার পরিবর্তন করা হয়েছে কিনা.

২৯।মাস খানেকের মধ্যে পালক পড়েছে কিনা
৩০।মুরগি কি সেডের বিভিন্ন জায়গায় মারা যাচ্ছে নাকি সেডের এক যায়গায় মারা যাচ্ছে।
৩১।লোকেশন
৩২।আবহাওয়া(খুব ঠান্ডা বা খুব গরম কিনা)

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

গরুর খামার করে ৯ বছরে কোটিপতি

গরুর খামার করে ৯ বছরের ব্যবধানে কোটিপতি হয়েছেন কুমিল্লার লাকসাম পৌরসভার ধামৈচা গ্রামের মোঃ মনিরুজ্জামান। একই সঙ্গে তার খামারে কর্মসংস্থান হয়েছে বেশ কয়েকজন যুবকের। বর্তমানে তার খামার থেকে প্রতি মাসে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আয় হয়।

খামারের আয় দিয়ে তৈরি করেছেন বিশাল বাড়ি। দিয়েছেন পুকুর। মেটাচ্ছেন ছেলেমেয়েদের লেখাপড়াসহ সংসারের যাবতীয় খরচ। গরুর খামার বদলে দিয়েছে মনিরুজ্জামানের জীবনচিত্র। তার সফলতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দুই যুবক ওই এলাকার উত্তরকুলে ও সাতবাড়ীয়া আরও দুইটি গরুর খামার গড়ে তুলেছেন।

মনিরুজ্জামান জানান, ২০০৬ সালে একটি এনজিও থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে মাত্র চারটি গাভী কিনে গড়ে তোলেন খামার। বর্তমানে তার খামারে হলেটেল ফ্রিজিয়াম, অস্ট্রেলিয়ান জার্সি, ইন্ডিয়ান হরিয়ানা, সাইওয়াল জাতের ১২টি বাছুরসহ মোট ৩০টি গরু রয়েছে। এর মাঝে ১২টি গাভী থেকে দৈনিক ১৭০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়।

এ দুধ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে লাকসাম দৌলতগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে সরবরাহ করা হয়। বছরে ষাঁড় ও বাছুর বিক্রি করেও কয়েক লাখ টাকা অতিরিক্ত আয় হয়। খামারের আয় দিয়ে একটি বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করেছেন, যা দিয়ে বাড়ি ও খামারের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করা হয়।

এছাড়া গরুর গোবর থেকে মাসে ১০ হাজার টাকা আয় করছেন। তাছাড়া তার খামার থেকে প্রতি বছর বেশ কয়েকটি ষাঁড় গরু কোরবানির হাটে বিক্রি করা হয়। এবারও কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য একটি ষাঁড় গরু রয়েছে। এটির দাম হাঁকা হয়েছে ৪ লাখ টাকা। এরই মধ্যে ওই ষাঁড়টির দাম উঠেছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তিনি আরও জানান, তার খামারে ৩০টি গরুর আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি টাকা।

নাঙ্গলকোট কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর বিভিন্ন ব্যবসা করতে গিয়ে লোকসানের ফলে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ২০০৬ সালে চারটি গাভী দিয়ে বড় মেয়ে প্রীতির নামে প্রীতি ডেইরি ফার্মস নামের একটি গরুর খামার গড়ে তোলেন।

এ খামারের আয় থেকে তিনি ১০৫ শতক সম্পত্তি কেনেন, যার বর্তমান বাজার মূল্য ২ কোটি টাকারও বেশি। মেয়ে লাকসাম নওয়াব ফয়েজুন্নেছা সরকারি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণীতে ও ছেলে একটি হাফিজিয়া মাদরাসায় পড়াশোনা করছে।

লাকসাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হারুন রশিদ চৌধুরী জানান, উপজেলার বেশ কয়েকটি খামারের মধ্যে মনিরুজ্জামানের খামারটি প্রথম সারিতে অবস্থান করছে।

মনিরুজ্জামান উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের মাধ্যমে ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রামের (এনএটিপি) অধীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তার মতো অবশিষ্ট খামারগুলো উন্নতি করতে পারলে এলাকায় দুধ ও আমিষের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা যাবে এবং দেশের অর্থনীতিতে বড় সহায়ক হতে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com