আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
সারাবিশ্বে ৭টি প্রতিষ্ঠান করোনাভাইরাস ভ্যাক্সিন তৈরির কার্যক্রম চালাচ্ছে
সারাবিশ্বে ৭টি প্রতিষ্ঠান করোনাভাইরাস ভ্যাক্সিন তৈরির কার্যক্রম চালাচ্ছে

ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন বাংলাদেশে সরবরাহ করবে ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।

ওই করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের পেটেন্ট নিয়ে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট টিকাটি উৎপাদন করার দায়িত্ব পেয়েছে এবং ভারতীয় এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই বেক্সিমকো একটি চুক্তি করেছে বলে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভ্যাকসিনটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেলে প্রথম যে দেশগুলো ভ্যাকসিন পাবে’ বাংলাদেশ হবে তার মধ্যে একটি।

সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি এই ভ্যাকসিন বাংলাদেশের বাজারে শুধুমাত্র বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসই সরবরাহ করতে পারবে।

সংখ্যার হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিনটি বাদেও করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য আরো দু’টি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল পরিচালনা করছে তারা।

কী বলছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস?

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা বিবিসি বাংলাকে জানান, ভ্যাকসিনের খরচ এবং কত দ্রুত এটি পাওয়া যাবে, এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তারা সেরাম ইনস্টিটিউটের সাথে যোগাযোগ করেন।

মি. রেজা বলেন, “বিশ্বে মোট সাতটি প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন তৈরির কাজ করছে। সেরাম ইনস্টিটিউটের ভ্যাকসিন এই বছরের শেষভাগের মধ্যেই প্রস্তুত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

“আর বিশ্ব বাজারে এই ভ্যাকসিন অনুমোদন পেলে প্রথম দিক থেকেই বাংলাদেশ ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।”

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এই ভ্যাকসিন তৈরিতে সেরাম ইনস্টিটিউটের সাথে ডেভেলপমেন্ট পার্টনার হিসেবে কাজ করছে বলে জানান রাব্বুর রেজা।

তিনি বলেন, “এরই মধ্যে বিশ্বে ৬৭০ কোটি কোভিড ভ্যাকসিন বুক করা হয়ে গেছে। তাই ভ্যাকসিন প্রস্তুত করার জন্য ট্রায়ালগুলো খুব কম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা আর ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা বাড়ানো, এই দু’টি জিনিস প্রয়োজন।”

“আমরা যে তাদের উৎপাদিত ভ্যাকসিন কিনে নিচ্ছি, বিষয়টা সে রকম নয়। সেরাম ইনস্টিটিউট যেন কম সময়ের মধ্যে ভ্যাকসিন বাজারে আনতে পারে, সেই লক্ষ্যে বেক্সিমকো তাদের সহায়তা করছে”, বলেন রাব্বুর রেজা।

করোনাভাইরাস ঠেকাতে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবিত টিকাটি মানব শরীরের জন্য নিরাপদ এবং সেটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উজ্জীবিত করে তুলতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে।
করোনাভাইরাস ঠেকাতে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবিত টিকাটি মানব শরীরের জন্য নিরাপদ এবং সেটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উজ্জীবিত করে তুলতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে।

বিশ্বের ‘সবচেয়ে সস্তা’ ভ্যাকসিন

সেরাম ইনস্টিটিউটের ভ্যাকসিনের জন্য কত খরচ করতে হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও রাব্বুর রেজা জানান যে এই ভ্যাকসিন বিশ্বের ‘সবচেয়ে সস্তা’ ভ্যাকসিনগুলোর একটি হবে।

তিনি বলেন, “কী পরিমাণ ভ্যাকসিন নেয়া হবে, তার ওপর ভ্যাকসিনের দাম অনেকাংশে নির্ভর করছে। আমরা এরই মধ্যে সরকারের সাথেও আলোচনা শুরু করেছি। আমরা চাইবো যত কম খরচে সম্ভব, এই ভ্যাকসিন যেন মানুষকে দেয়া যায়।”

“সেরাম ইনস্টিটিউট আমাদের নিশ্চিত করেছে যে এটি বিশ্বের সবচেয়ে সস্তা ভ্যাকসিন হবে।”

বেক্সিমকো এই ভ্যাকসিন বাংলাদেশের সরকারকে সরবরাহ করার পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও এটি বাজারজাত করবে বলে জানিয়েছেন রাব্বুর রেজা।

বাংলাদেশে এরই মধ্যে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাকের ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে।

দৈনন্দিন

কত রকম চা

>করোনার এ সময়টা লেবু চা, মসলা চাসহ নানা রকম চা পানের পরামর্শ আমরা পাচ্ছি। এক কাপ চা যে নিমেষেই সতেজ করে দিতে পারে, তা তো কমবেশি জানাই। কয়েক রকম সুস্বাদু চায়ের রেসিপি দিয়েছেন ফারাহ্ সুবর্ণা

তুলসী ও মধুর চা

উপকরণ: চা পাতা ১ চা-চামচ অথবা টি ব্যাগ প্রতি কাপে ১টা করে, তুলসী পাতা ১০–১২টা, লেবুর রস স্বাদমতো, মধু স্বাদমতো ও পানি ৫০০ মিলিলিটার।

প্রণালি: ফুটন্ত পানিতে তুলসী পাতা দিয়ে মিনিট পাঁচেক ফুটিয়ে নিন। চা পাতা দিয়ে আরও কয়েক মিনিট ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। স্বাদমতো লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করতে হবে।

কালোজিরা ও গোলমরিচের চা

উপকরণ: চা পাতা ২ চা-চামচ, কালোজিরা আধা চা-চামচ, আস্ত গোলমরিচ আধা চা-চামচ, আদাকুচি এক চা-চামচের তিন ভাগের এক ভাগ, চিনি বা মধু স্বাদমতো ও পানি ৫০০ মিলিলিটার।

প্রণালি: পানি ফুটিয়ে চা, কালোজিরা, আস্ত গোলমরিচ আর আদাকুচি দিয়ে ৫/৭ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। কাপের ওপরে ছাঁকনি রেখে তাতে চা পাতা দিয়ে তার ওপরে ফুটন্ত কালোজিরা, গোলমরিচ ও আদা জ্বাল দেওয়া পানি ধীরে ধীরে ঢেলে ছেঁকে নিয়ে চিনি বা মধু মিশিয়ে নিয়ে গরম থাকা অবস্থাতেই পান করুন।

মাল্টা ও মরিচের চা

উপকরণ: চা পাতা আধা চা-চামচ, মাল্টা ১টি, কাঁচা মরিচ ১টি, চিনি বা চিনির বিকল্প স্বাদমতো ও পানি ৫০০ মিলিলিটার।

প্রণালি: পাত্রে পানি ফুটিয়ে তাতে চা পাতা ও কাঁচা মরিচকুচি দিয়ে ৫/৬ মিনিট ফুটিয়ে নিন। চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে তাতে স্বাদমতো চিনি (কিংবা চিনির বিকল্প), মাল্টার রস ও পাতলা গোল করে কাটা মাল্টা দিয়ে দিন। চামচ দিয়ে চিনি ও মাল্টার রস মিশিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে। ঝাল খেতে না চাইলে কাঁচা মরিচ বাদ দিয়ে শুধু মাল্টা চা-ও তৈরি করা যেতে পারে।

লবঙ্গ চা

উপকরণ: চা পাতা আধা চা-চামচ, লবঙ্গ ১৫টি, চিনি বা মধু স্বাদমতো ও পানি ৭০০ মিলিলিটার।

প্রণালি: পাত্রে পানি দিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। পানি ফুটে উঠলে তাতে লবঙ্গ দিয়ে মাঝারি আঁচে ১০ মিনিট ফোটাতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর চা পাতা দিয়ে আরও ৭–৮ মিনিট জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিন। ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে কাপে বা মগে নিয়ে স্বাদমতো চিনি বা মধু মিশিয়ে গরম গরম পান করতে হবে।

গুড়ের চা

উপকরণ: চা পাতা ৩ চা-চামচ, গুঁড়া দুধ ৩ টেবিল চামচ, খেজুরের গুড় স্বাদমতো, আস্ত এলাচি ৩টি ও পানি ৭৫০ মিলিলিটার।

প্রণালি: পাত্রে পানি হালকা গরম করে তাতে দুধ গুলিয়ে দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। সেই সঙ্গে এলাচিও দিয়ে দিন। দুধ ভালোমতো ফুটে উঠে একটু ঘন হলে চা পাতা দিয়ে আরও বেশ কিছুক্ষণ ফোটাতে হবে। চায়ের সুন্দর রং আর সুঘ্রাণ বের হলে তাতে স্বাদমতো পাতলা করে কোরানো গুড় বা বাসায় ঝোলা গুড় মিশিয়ে দিন। চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাথার ত্বকের নানা সমস্যা

মাথার ত্বক বিশেষ ধরনের। কারণ, এতে হেয়ার ফলিকল, স্বেদগ্রন্থিসহ নানা বাড়তি উপাদান থাকে। এই ত্বকে কিছু বিশেষ ধরনের সমস্যাও হতে পারে।

খুশকি: খুশকি বা ড্যানড্রাফ হলো মাথার ত্বকের একটি বিশেষ সমস্যা। এ সমস্যায় ত্বকের মৃত কোষগুলো সাদা সাদা গুঁড়া অথবা অনেক সময় টুকরার মতো উঠে আসে। ছত্রাকের সংক্রমণ থাকতে পারে এর সঙ্গে। চুলকানি হতে পারে অথবা ত্বক লাল হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শে কিটোকোনাজল শ্যাম্পু ও অন্যান্য চিকিৎসা নিলে ভালো থাকা যায়।

সেবোরিক ডার্মাটাইটিস: খুশকি আরও তীব্র আকার ধারণ করলে, মাথার ত্বক লাল ও ক্ষতের মতো হয়ে গেলে, ত্বক টুকরার মতো উঠে এলে, তাকে সেবোরিক ডার্মাটাইটিস বলে। ভ্রু ও মুখের ত্বকেও এ সমস্যা হতে পারে। এ সমস্যায় তৈলাক্ত ত্বক বা ব্রন বেশি দেখা যায়।

রিং ওয়ার্ম: শিশুদের মাথার ত্বকে ছত্রাকের সংক্রমণ হয়ে ছোট জায়গায় গোল বা ছোপ আকারে চুল উঠে আসতে পারে। লাল রাশের মতো হয়। এটি সংক্রামক। আক্রান্ত ব্যক্তির তোয়ালে, টুপি, হ্যাট ইত্যাদি ব্যবহার করলে অন্যরাও আক্রান্ত হতে পারে। অনেক শিশু পোষা প্রাণী থেকে সংক্রমিত হয়। এ সমস্যা কাটাতে ছত্রাকরোধী মলম ও মুখে খাবার ওষুধ লাগে।

ফলিকুলাইটিস: চুলের গোড়ায় বা হেয়ার ফলিকলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে তাকে ফলিকুলাইটিস বলে। এতে মাথার ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় পুঁজভর্তি ছোট দানা হয়। শেভ বা ওয়াক্স করা থেকে এমনটা হতে পারে। এর চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের দরকার হয়।

সোরিয়াসিস: সোরিয়াসিস শরীরের অন্যান্য স্থানের মতো মাথার ত্বককেও আক্রান্ত করতে পারে। এটি একটি জটিল ও মাল্টিসিস্টেম রোগ। এ সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

উকুন: মাথার ত্বকে উকুন বা লাইস একটি পরিচিত সমস্যা। বিশেষ করে শিশুরা এতে ভোগে বেশি। বড় ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা না হলেও এটি বিরক্তিকর ও বিব্রতকর। পারমিথ্রিন ক্রিম বা শ্যাম্পু, আইভারমেকটিন ইত্যাদি ব্যবহার করে উকুন নিধন করা যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনা শনাক্তে অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন

স্বল্প সময়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ (কোভিড-১৯) শনাক্ত করার জন্য দেশের সব সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল, সরকারি পিসিআর ল্যাব এবং সব স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে অ্যান্টিজেন টেস্ট চালুর অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়ে আজ সোমবার আদেশ জারি করেছে। তবে আদেশে তারিখ দেওয়া হয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর। অবশ্য শর্ত হলো, যাচাই-বাছাইয়ের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রক্রিয়াধীন কোভিড-১৯ ল্যাব সম্প্রসারণ নীতিমালাটি চূড়ান্ত হলে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

অনুমতিপত্রে বলা হয়, সারা দেশে অ্যান্টিজেন টেস্টের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে অতি স্বল্প সময়ে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রস্তাবনা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসরণ করে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের প্রধান সুবিধা হলো ৩০/৪০ মিনিটের মধ্যে টেস্টের ফলাফল পাওয়া যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

প্রয়োজন সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়ন্ত্রিত যাপন

পুষ্টিকর খাবার আর নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সঠিক থাকলে সহজে রোগ ও সংক্রমণ থেকে বাঁচা যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের ভূমিকা কতখানি, সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হলো এসকেএফ জিঙ্ক নিবেদিত ‘এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা’র দ্বিতীয় পর্বে। এবারের বিষয় ছিল ‘রোগ প্রতিরোধে পুষ্টিবিদের পরামর্শ’। ডা. ফাইজা রাহলার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন বিআরবি হাসপাতাল লিমিটেডের পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান। অনুষ্ঠানটি ১৮ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল এবং এসকেএফের ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

খাবার তো আমরা সব সময়ই খাচ্ছি। সব খাবারই যে শরীরের উপকারে আসছে, সে ধারণা ঠিক নয়। সুস্থ থাকতে যেসব পুষ্টি উপাদান দরকার, তা কেবল ‘সঠিক খাবার’ থেকেই আমরা পেয়ে থাকি। শুধু সঠিক খাবার নির্বাচনের মাধ্যমেই আমরা আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারি। আর এটি বৃদ্ধি পেলে যেকোনো রোগ–জীবাণুর বিরুদ্ধের লড়াই করা সম্ভব হবে। তাই শরীরের ‘ফাইটিং মোড’ সচল রাখতে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই কিছু পুষ্টি উপাদান রাখতেই হবে

কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন ও মিনারেলস—এই উপাদানগুলো শরীর সচল ও সুস্থ রেখে থাকে। কিন্তু আমাদের বেশির ভাগ মানুষের খাদ্যাভ্যাস এমন যে দেখা যায় এই পুষ্টি উপাদানগুলোর যেকোনো একটি বেশি গ্রহণ করা হয়ে যায়। তখন শরীরে অন্য পুষ্টি উপাদানের চাহিদা অপূর্ণ থেকে যায়। তাই শরীরে সব পুষ্টি উপাদানের চাহিদা মেটাতে সুষম বা ব্যালেন্স ডায়েট মেনে খাবার খেতে হবে।

খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি জীবনযাপনের পদ্ধতিও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। কারণ, শুধু খাবার খেলেই চলবে না, খাবারটি যাতে শরীরে কাজে লাগে, সে জন্য আমাদের চলাফেরা ও বিশ্রামের দিকে নজর দিতে হবে।

বিশেষজ্ঞের মতে, সন্ধ্যার পর কোনো ভারী খাবার খাওয়া উচিত নয়। কারণ, এ সময়ে শরীরে মেটাবলিজম ধীরগতিতে হয়। সূর্যাস্তের পর খেলে খাবার মেটাবোলাইজড না হয়ে ডিপোজিট হয়, অর্থাৎ জমে যায়। এতে ওজন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের রোগ, টাইপ–টু ডায়বেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ জন্য রাতে হালকা খাবার খেতে হবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের এই সময়ে বেশির ভাগ মানুষ ঘরে বন্দী। এ জন্য আমাদের রুটিন বদলে গেছে। অনেকে রাত জেগে কাজ করছেন বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছেন। আবার সকালে দেরি করে ঘুম থেকে উঠছেন। এ সময়ে লেট নাইট স্ন্যাক হিসেবে ‘স্টোরড ফুড’, যেমন: বিস্কুট, চিপস, ড্রিংকস—এ ধরনের খাবার খেতে মানুষ বেশি পছন্দ করে। এসব খাবারে আছে উচ্চ ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেট। এসব খাবার গ্রহণে শরীরে ফ্যাট ডিপোজিট হয় এবং নানা ধরনের রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

একটি মেশিন বিরামহীনভাবে চলতে থাকলে আস্তে আস্তে সেটার কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। মানুষের শরীরও মেশিনের মতো। শরীরে বিশ্রামের প্রয়োজন আছে এবং সেটি নিতে হবে সঠিক সময়ে অর্থাৎ রাতে ঘুমের মাধ্যমে। এ জন্য এ সময়ে রাত না জেগে সবারই উচিত অন্তত ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো।

এ ছাড়া রন্ধনপ্রক্রিয়ার দিকে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞ। কারণ, সঠিকভাবে খাবার রান্না না করলে অনেক পুষ্টি উপাদান পাতে আসার আগেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। যেমন, বেশির ভাগ সময় আমরা শাকসবজি কেটে তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে থাকি। এতে পানির সঙ্গে মিশে অনেক পুষ্টি উপাদান বের হয়ে যায়। আবার রান্না করার সময়ও কিছু উপাদান নষ্ট হয়। তাই সবারই উচিত সঠিক রন্ধনপ্রক্রিয়া জেনে রান্না করা, যাতে খাবারের পুষ্টিমানের কোনো পরিবর্তন না ঘটে।

আমাদের দেশে মানুষের খাদ্যাভ্যাসের জন্য দেখা যায়, শরীরে কোনো না কোনো পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি থেকেই যায়। এ ঘাটতি পূরণের জন্য ভিটামিন বা মিনারেল সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে। এখন এমন অনেক সাপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়, যাতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই বলে নিজের ইচ্ছেমতো দীর্ঘ সময় ধরে কোনো সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যাবে না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা।

অনুষ্ঠানের শেষ দিকে পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান দর্শকদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা–সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

টিকা পেতে ৫ দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের পথে চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষায় থাকা বিশ্বের নয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঁচটির সঙ্গে সরকারের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, ‘এই টিকাগুলো থেকে সঠিক টিকা, সঠিক সময়ে পেতে চাই আমরা।’

আজ বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আধুনিকায়ন ও উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা এবং শিক্ষা সম্প্রসারণমূলক কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিব বর্ষ’ উদ্‌যাপন উপলক্ষে ছিল এ আয়োজন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের যেকোনো দেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হলে আমরাও বসে থাকব না। এ বিষয়ে আর্থিক ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য সব কার্যক্রম সম্পন্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সব ধরনের নির্দেশনা রয়েছে।’

করোনার ‘সেকেন্ড ওয়েভ’ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী মানুষ করোনাকে অবহেলা করছে। এর ফলে আমেরিকা, ইউরোপসহ অনেক দেশেই করোনায় সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হয়েছে। আমাদের দেশেও শীতকালে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ শুরুর আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হলে তার জন্য কী কী করণীয়, সে ব্যাপারে আমাদের সব প্রস্তুতি এখনই নেওয়া হচ্ছে।’

করোনা মোকাবিলায় দেশের স্বাস্থ্য খাত ইতিমধ্যে সক্ষমতা দেখিয়েছে দাবি করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আক্রান্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার বিশ্বের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হলেও দেশের স্বাস্থ্য খাত এভাবেই মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রয়েছে।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মুহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল) মহিবর রহমান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবনিযুক্ত পরিচালক কর্নেল নাজমুল হক, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ইউছুফ ফকির প্রমুখ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com