আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

সুস্থ সবল জীবনাচরণ

কোভিড-১৯ বদলে দিয়েছে মানুষের জীবনাচরণ। পরিবর্তন এসেছে খাদ্যাভ্যাসে, স্বাস্থ্যভাবনায়। করোনাকালে চাই সুষম ডায়েট, সঠিক জীবনযাপন।

কোভিড-১৯ বদলে দিচ্ছে মানুষের জীবনাচরণ। পরিবর্তন এসেছে খাদ্যাভ্যাসে, স্বাস্থ্যভাবনায়। মানুষের সত্যিই উপলব্ধি করছে, অর্থবিত্ত নয়, সুস্বাস্থ্যই সম্পদ। অদৃশ্য জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়তে তাই স্বাস্থ্যকর জীবনাচরণ চাই। যে জীবনাচরণে বাড়ে ইমিউনিটি বা নিজের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। শরীরের প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্যই কেউ হয়তো সাধারণ জ্বর, কাশি, গলাব্যথা থেকে দিব্যি সুস্থ হয়ে উঠছেন, আবার অনেকে আইসিইউতে মরণপণ লড়াই করছেন।

কয়েক মাস আগেও যাঁদের অতিভোজন বা একেবারেই না খেয়ে থাকা, খাদ্য গ্রহণে সময়সূচি না মেনে চলার মতো অভ্যাস ছিল, তাঁদের অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণে এনেছে কোভিড-১৯। যে বাড়িতে আগে ঝুড়িভর্তি কোমল পানীয় আসত, সে বাড়িতেই আসছে ঝুড়িভর্তি তাজা ফল। যে মানুষ ওজন কমানোর জন্য দিনের বেশির ভাগ সময় না খেয়ে কাটাতেন, তিনিই এখন ঘড়ি ধরে সকালের খাবারসহ অন্য বেলার খাবার খাচ্ছেন। আসলে আমাদের শরীরের বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম–ব্যবস্থা একদিনের ব্যাপার নয়, হাজার হাজার বছর ধরে বিবর্তনের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে এই সিস্টেম। এই স্বাভাবিক বিপাকক্রিয়ার বিপরীতে হাঁটলেই শরীর গড়বড় করে, তার ফলস্বরূপ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমে গলদ দেখা দেয়। তাই বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা জোর দিচ্ছেন সুষম বা ব্যালান্সড খাদ্যব্যবস্থার দিকে। শুধু তা–ই নয়, আমাদের কায়িক শ্রম, ঘুম ও বিশ্রাম এবং আরও নানা দৈনন্দিন অভ্যাসের প্রভাব পড়ে এই ইমিউন সিস্টেমের ওপর। আসুন, জেনে নিই কেমন হওয়া উচিত সেই সুষ্ঠু জীবনাচরণ।

সুষম ডায়েট

সুষম বা ব্যালান্সড ডায়েট হলো সেই খাদ্যব্যবস্থা, যেখানে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের সব কটি উপাদান দরকারি মাত্রায় বিদ্যমান। শরীরের জন্য পরিমিত শর্করা (৪০-৫০ শতাংশ), আমিষ (২০-৩০ শতাংশ), ফ্যাট (১০-২০ শতাংশ), প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, খাদ্য আঁশ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সঠিক সমন্বয় হলো সুষম খাবার। তাই নো কার্ব, লো কার্ব, লো ফ্যাট, হাই প্রোটিন, কিটো, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং ইত্যাদি নানা কিসিমের অভিনব ডায়েটের বদলে বরং সুষম বা ব্যালান্সড ডায়েটে ফিরে যাওয়াই উত্তম। কিন্তু শর্করা, আমিষ বা ফ্যাট–জাতীয় খাবার বাছাইয়ের বেলায় হতে হবে সতর্ক, দরকার হবে সঠিক ও উপকারী উপাদানের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠা। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরামর্শও দিয়েছে।

১. প্রচুর পানি পান করুন। দিনে ৩-৩.৫ (১০ গ্লাসের মতো) লিটার পানি পান করুন। কম মিষ্টি বা টক স্বাদের ফলের রস পান করা যেতে পারে। ডাবের পানি, লেবু পানি, তাজা ফলের রস, লেবু–চাসহ ভেষজ চা পান, স্যুপ ইত্যাদি ভালো। তবে বাজার থেকে কেনা চিনিযুক্ত জুস, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত কফি নয়।

যেসব খাবারে বেশি জলীয় অংশ আছে, সেগুলো গ্রহণের চেষ্টা করতে হবে। যেমন কম চর্বিযুক্ত বা ননিমুক্ত এমন দুধ বা দুগ্ধজাত পণ্য বেছে নিতে পারেন পানীয় হিসেবে।

২. রোজ তাজা অপ্রক্রিয়াজাত খাবার খেতে হবে। রঙিন ফল, শাকসবজি, ডাল-বিচিজাতীয় খাবার (শিম, মসুর, মাষকলাই ইত্যাদি), বাদাম, শস্যদানা—ভুট্টা, জোয়ার, গম, লাল চাল; কাণ্ড বা মূলজাতীয় শ্বেতসারযুক্ত শাকসবজি—কচু, মিষ্টি আলু; প্রাণিজ খাদ্য—মাছ, মাংস, দুধ, ডিম খান প্রতিদিন।

প্রতিদিন কমপক্ষে ২ কাপ ফল, আড়াই কাপ শাকসবজি, ১৮০ গ্রাম শস্য, ১৬০ গ্রাম মাছ, মাংস ও ডালজাতীয় খাদ্য খাবেন। লাল মাংস (গরু, ভেড়া, ছাগল) সপ্তাহে ২-৩ বার, মুরগির মাংস সপ্তাহে ৩-৪ বার এবং ডিম প্রতিদিন খাওয়া যেতে পারে।

হালকা খাবার বা স্ন্যাক্স হিসেবে চিনি-লবণ-চর্বিযুক্ত খাদ্য না খেয়ে তাজা ফল বেছে নিন। শাকসবজি বা ফল অতিরিক্ত রান্না করবেন না। টিনজাত বা শুকনো খাবার বর্জন করুন।

৩. ফ্যাট বা চর্বিজাতীয় খাবার পরিমিত খেতে হবে। অসম্পৃক্ত চর্বি আছে মাছের তেল, অলিভ অয়েল, সয়া, সানফ্লাওয়ার অয়েল, বাদাম—এসবে। চেষ্টা করুন এ ধরনের ফ্যাট খেতে। সম্পৃক্ত চর্বি যেমন ঘি, মাখন, মার্জারিন, ডালডা ও মাংসের সঙ্গে লেগে থাকা চর্বি খারাপ। প্রক্রিয়াজাত মাংসে অতিরিক্ত লবণ থাকে, তাই না খাওয়াই ভালো। ট্রান্স ফ্যাট, যা থাকে বেকারির খাবারে, ফাস্ট ফুড, পিৎজা, ফ্রাই খাবারে—এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

৪. অতিরিক্ত লবণ ও অতিরিক্ত চিনি—দুটিই পরিহারযোগ্য। দৈনিক লবণের পরিমাণ ৫ গ্রামের বেশি হবে না। সয়া সস, কেচাপ বা ফিশ সস ইত্যাদি দিয়ে রান্না করা খাবারে লবণ বেশি থাকে। আবার চিনিযুক্ত খাবার, চকলেট, পেস্ট্রি, কেক, কুকিজ, কোমল পানীয় যত কম খাওয়া যায়, তত ভালো।

৫. বাড়িতে স্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি সতেজ খাবার গ্রহণ করুন। বাইরে খেতে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৬. মাইন্ডফুল ইটিং বা মনোযোগসহকারে খাওয়ার অভ্যাস করুন। অন্তত ৩০ মিনিট ধরে ভালো করে চিবিয়ে একটা খাবার খাবেন। চলতে–ফিরতে খাবেন না, বসে সুন্দর করে সময় নিয়ে খান। খাবার সময় অন্য কাজ, যেমন (টিভি দেখা, ফোনে কথা বলা) করবেন না। আমরা কী খাই, তার মতো কীভাবে খাই, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।

৭. নিরাপদ খাবার গ্রহণ করুন। যেকোনো খাবার তৈরি বা পরিবেশনের আগে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবানপানি দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। ফলমূল ও শাকসবজি ভালো করে চলমান পানিতে পরিষ্কার করবেন। যে বোর্ড, যন্ত্রপাতি দিয়ে কাঁচা মাছ মাংস কাটা হয়, সেগুলো ভালো করে জীবাণুমুক্ত করবেন। যে টেবিলে বা তলে খাবার রাখা হবে বা পরিবেশন করা হবে, সেটা জীবাণুমুক্ত করে পরিষ্কার করুন। খাবার ঠিকভাবে গরম করে খেতে হবে।

চাই ফিটনেস ও কায়িক শ্রম

গবেষণা প্রমাণ করেছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ফিট থাকতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট ব্যায়াম বা কায়িক শ্রম করতে হবে। প্রতিদিন ৩০ মিনিট বরাদ্দ রাখুন এই ব্যায়ামের জন্য। বাইরে যেতে না পারলে বাড়িতে বা ছাদে হাঁটতে পারেন, যন্ত্রপাতির সাহায্যে, ট্রেডমিল বা সাইক্লিং যন্ত্রে বা ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। বাগান করা, ঘরের কাজকর্ম করা ইত্যাদিতে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।

পর্যাপ্ত ঘুম দরকার

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুম দরকার। ঘুম না হওয়া বা রাত জাগার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে। ঘুমের নির্দিষ্ট সময়সূচি (ছুটির দিনেও) মেনে চলুন। ঘুমের আগে চা-কফি পান করবেন না, ইলেকট্রনিক ডিভাইস হাতে ঘুমাতে যাবেন না। ঘুমের সমস্যা হলে ওষুধ না খেয়ে স্লিপ হাইজিন মেনে চলুন বা রিলাক্সেশন, মেডিটেশন ইত্যাদি করুন।

স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমান

স্থূলতা কোভিড-১৯-এর জটিলতা বাড়ায় বলে প্রমাণিত। তাই ওজন ঠিক রাখতে চেষ্টা করুন। তবে এর জন্য চটকদার খাদ্যপ্রণালির দিকে ঝুঁকে যাবেন না। সুষম খাদ্যই আপনাকে রক্ষা করবে; কিটো ডায়েট, নো কার্ব ডায়েট, ফাস্টিং বা এরূপ আরও কিছু বিজ্ঞাপিত খাদ্য ব্যবস্থাপনা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সুষম খাদ্যকাঠামোর মধ্যেই ক্যালরি কমিয়ে নিতে হবে আর শারীরিক শ্রমের মাত্রা বাড়িয়ে ক্যালরি গ্রহণ ও ক্যালরি খরচের মধ্যে একটি ঋণাত্মক সমন্বয় দাঁড় করাতে হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

নিপাহ্‌ ভাইরাসঃ খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়

নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
খেজুরের রস সংগ্রহের প্রক্রিয়া।

শীতকাল এলেই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে খেজুরের রস খাওয়ার চল বেড়ে যায়। অনেকে গাছ থেকে খেজুরের কলসি নামিয়ে সরাসরি কাঁচা রস খেয়ে থাকেন।

আবার অনেকে এই রস চুলায় ফুটিয়ে সিরাপ, পায়েস বা ক্ষীর বানিয়ে খান। এছাড়া রসের তৈরি ঝোলা গুড়, পাটালি গুড়, নলেন গুড়, ভেলি গুড়, বালুয়া গুড়, মিছরি গুড়সহ নানা ধরণের পিঠার বেশ সুখ্যাতি রয়েছে।

নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক

খেজুর আরব দেশের প্রচলিত ফল হলেও ওইসব দেশে খেজুর, মূলত ফল উৎপাদননির্ভর, যেখানে কিনা বাংলাদেশের খেজুর গাছ রস উৎপাদননির্ভর।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের মতে, বাংলাদেশে সাধারণত কার্তিক থেকে মাঘ অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত খেজুরের রস সংগ্রহ হয়ে থাকে।

দেশটির সবচেয়ে বেশি রস সংগ্রহ হয় যশোর, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুর অঞ্চল থেকে।

মূলত খেজুর গাছের ডালপালা পরিষ্কার করে, ডগার দিকের কাণ্ড চেঁছে তাতে একটা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি চোঙ বসিয়ে দেয়া হয়। চোঙের শেষ প্রান্তে ঝুলিয়ে দেয়া হয় একটি মাটির হাড়ি বা কলসি।

সেই চোঙ দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা রস এসে জমা হতে থাকে মাটির হাড়ি বা কলসিতে। এভাবে একটি গাছ থেকে দৈনিক গড়ে পাঁচ থেকে ছয় লিটার রস সংগ্রহ করা যায় বলে কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানা গিয়েছে।

কিন্তু গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই খেজুরের রস খাওয়ার ক্ষেত্রে নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি – দা এগ্রো নিউজ

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি
কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি

উপকরণ: বাঁধাকপির কুচি ৪ কাপ, কই মাছের টুকরো ৬টি, তেজপাতা ১টি, শুকনো মরিচ ২টি, মেথি অল্প পরিমাণ, মরিচবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, নারকেল কোরানো স্বল্প পরিমাণে, হলুদ পরিমাণমতো ও সরিষার তেল পরিমাণমতো।

প্রণালি: তেলে শুকনো মরিচ ও মেথি ফোড়ন দিতে হবে। ফোড়ন হয়ে এলে হালকা করে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই তেলেই বাঁধাকপির কুচি ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে কষে নিতে হবে। তারপর লবণ, মরিচ ও হলুদবাটা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ বসাতে হবে। সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভাজা মাছগুলো দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে এবং মাছ সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণ নারকেল কোরানো দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ – দা এগ্রো নিউজ

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ
ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ

উপকরণ: বড় শোল মাছ ৫০০ গ্রাম, টমেটো টুকরো আধা কাপ, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, টমেটোবাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেপাতা আধা কাপ, শুকনো মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদ অনুসারে ও কাঁচা মরিচ ৭-৮টি (চেরা)।

প্রণালি: শোল মাছ লবণ, হলুদ ও সরিষার তেল মাখিয়ে ভেজে তুলে রাখতে হবে। আর ওই তেলেই পেঁয়াজ কুচি দিতে হবে। পেঁয়াজ বাদামি রং হলে রসুন, আদা, মরিচের গুঁড়া, হলুদ ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষাতে হবে। টমেটোবাটা দিতে হবে, কিছুক্ষণ কষানোর পর প্রয়োজনমতো গরম পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছগুলো দিতে হবে। ঝোল মাখা-মাখা হলে টমেটোর টুকরো আর ধনেপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ পর নামিয়ে ফেলতে হবে। নামানোর আগে কাঁচা মরিচ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

লাউ টাকি – দা এগ্রো নিউজ

লাউ-টাকি
লাউ-টাকি

উপকরণ: ছোট টুকরো করে কাটা টাকি মাছ ২ কাপ, ডুমো ডুমো করে কাটা লাউ ৪ কাপ, হলুদ সিকি চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ ১ কাপ, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, আদাবাটা আধা চা-চামচ ও রাঁধুনি বাটা সিকি চা-চামচ।

প্রণালি: তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। তারপর একে একে রসুনবাটা, আদাবাটা ও রাধুনি (গুঁড়া সজ) বাটা ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। কষানো হলে লাউ দিতে হবে। লাউ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে আগে থেকে হালকা করে ভেজে রাখা টাকি মাছ দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে কাঁচা মরিচের ফালি ও সবশেষে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি – দা এগ্রো নিউজ

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি
বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি

উপকরণ: চিংড়ি মাছ ২০০ গ্রাম, সয়াবিন তেল পরিমাণমতো, বাঁধাকপি কুচি ১ কাপ, ক্যাপসিকাম কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, পেঁয়াজপাতা কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, ধনেপাতাবাটা ১ চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া পরিমাণমতো, চিলি সস ২ চা-চামচ, টমেটো সস ২ চা-চামচ, বাঁধাকপির ভেতরের পাতা ৪টি, ভিনেগার ২ চা-চামচ, রসুন ১ চা-চামচ ও লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: বাঁধাকপির শক্ত অংশ ফেলে দিন। পাতার ভেতরের অংশ একটু ভাপিয়ে রাখুন। মাছ ধুয়ে ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন। এবার কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম হলে তাতে রসুন কুচি দিয়ে মাছগুলো দিন। একে একে কোঁচানো বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, টমেটো ও পেঁয়াজপাতা দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। এরপর কাঁচা মরিচবাটা, ধনেপাতাবাটা, চিলি সস ও টমেটো সস দিয়ে নেড়ে নিন। পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে বাঁধাকপির পাতায় অল্প করে চিংড়ি মাছ সুতা দিয়ে বেঁধে স্টিমারে ভাপিয়ে নিন। সুতো কেটে পাতা খুলে পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com