আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফসল

সুপারির গুটি ঝরা রোধে করণীয়

সুপারির গুটি ঝরা রোধে করণীয়
সুপারির গুটি ঝরা রোধে করণীয়

সুপারি চাষ বেশ লাভজনক। তবে সুপারির রোগ সম্পর্কে দেশে তেমন গবেষণা হয়নি। কিছু কিছু রোগের আক্রমণে সুপারির ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সুপারির ‘মুকুল শুকিয়ে যাওয়া বা গুটি ঝরা’ রোগ তার মধ্যে অন্যতম। তাই এ রোগ ও তার দমন পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিন-

কারণ: কোলেটোট্রিকাম গ্লোওস্পোরোয়ডিস নামক ছত্রাকের আক্রমণে এ রোগ হয়ে থাকে।

সুপারির গুটি ঝরা রোধে করণীয়
সুপারির গুটি ঝরা রোধে করণীয়

বিস্তার: রোগটি প্রধানত গ্রীষ্মকালে হয়ে থাকে। শুষ্ক আবহাওয়ায় এ রোগের আক্রমণ বেশি দেখা দেয়।

লক্ষণ
১. প্রথমে পুরুষ ফুলে কালো বা বাদামি দাগের সৃষ্টি হয়, সেখান থেকে গোটা মুকুলে আক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে।
২. রোগের আক্রমণে আক্রান্ত মোচার গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত হলুদ হয়ে যায়।
৩. পরবর্তীতে গাঢ় বাদামি রং ধারণ করে।
৪. পুরো মোচাটি শুকিয়ে যায়।

৫. আক্রান্ত মোচার কুড়িগুলো সহজেই ঝরে পড়ে।
৬. ফল ধারণ একেবারে কমে যায়।
৭. রোগের আক্রমণে গাছের ফলন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

প্রতিকার
১. আক্রান্ত গাছের মোচা কেটে পুড়ে ফেলতে হবে।
২. মুকুল বের হওয়ার সময় ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে।

৩. প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলিলিটার হারে মিশিয়ে একবার দিতে হবে।
৪. তার ২০ দিন পর আরেকবার স্প্রে করতে হবে।
৫. গাছে পর্যাপ্ত কাঠ পোড়ানো ছাই বা পটাশ সার ব্যবহার করলেও উপকার হয়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

ফসল

আদা চাষে করণীয়

মসলা হিসেবে আদার গুরুত্ব কম নয়। মসলা ছাড়াও বিভিন্ন রোগ-ব্যধিতে দারুণ উপকারে আসে এটি। কারণ আদায় ক্যালসিয়াম ও প্রচুর ক্যারোটিন থাকে। এছাড়া আদা চাষ করা যায় সহজেই। আসুন জেনে নেই নিয়ম-কানুন-

মাটি
পানি নিকাশের সুব্যবস্থা আছে এমন উঁচু বেলে-দো-আঁশ ও বেলে মাটি আদা চাষের জন্য উপযোগী।

বীজ
ফাল্গুন থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত লাগানো যায়। সাধারণত ১২-১৫ গ্রাম ওজনের ১-২টি কুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ লাগানো হয়। ৪০-৪৫ সেন্টিমিটার পর পর সারি করে ২০ সেন্টিমিটার দূরে ৫ সেন্টিমিটার গভীরে আদা লাগানো হয়। কন্দ লাগানোর পর ভেলি করে দিতে হয়। প্রতি হেক্টরে ১০০০ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়।

সার
প্রতি হেক্টরে গোবর সার ৪-৬ টন, ইউরিয়া ২০০-২৪০ কেজি, টিএসপি ১৭০-১৯০ কেজি, এমওপি ১৬০-১৮০ কেজি দিতে হয়। জমি প্রস্তুতির সময় সমুদয় গোবর, টিএসপি ও ৮০-৯০ কেজি এমওপি সার দিতে হয়। কন্দ লাগানোর ৫০ দিন পর ১০০-১২০ কেজি হারে ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করা হয়। লাগানোর ৯০ দিন ও ১২০ দিন পর যথাক্রমে ২য় ও ৩য় কিস্তির সার উপরি প্রয়োগ করা হয়। ভেলা সামান্য কুপিয়ে ১ম কিস্তির সার প্রয়োগ করে আবার ভেলা করে দিতে হয়। ২য় ও ৩য় কিস্তির উপরি প্রয়োগের সময় প্রতি হেক্টরে প্রতিবারে ৫০-৬০ কেজি ইউরিয়া ও ৪০-৪৫ কেজি এমওপি সার প্রয়োগ করা হয়। ২য় ও ৩য় কিস্তির সার সারির মাঝে প্রয়োগ করে মাটি কোঁদাল দিয়ে কুপিয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে সামান্য পরিমাণ মাটি ভেলিতে দিতে হয়।

রোগ
পিথিয়াম এফানিডারমেটাম নামক ছত্রাকের কারণে রাইজম রট নামক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। এতে আদা বড় হতে পারে না এবং গাছ দ্রুত মরে যায়। ভেজা ও স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় এ রোগ বেশি হয়। বর্ষাকাল বা জলাবদ্ধতা থাকলে এ রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়।

ব্যবস্থপনা
আদা লাগানোর ২১ দিন আগে মুরগীর অর্ধপচা বিষ্ঠা প্রতি হেক্টরে ১০ টন হারে মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া মাটি হালকা কুপিয়ে ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে।

সংগ্রহ
আদা লাগানোর ৯-১০ মাস পর উঠানোর উপযোগী হয়। গাছের প্রায় সব পাতা শুকিয়ে গেলে আদা তোলা হয়। ফলন প্রতি হেক্টরে ১২-১৩ টন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

ধানের চুঙ্গি পোকা দমনের উপায়

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। তাই এ দেশে প্রচুর ধান জন্মে। ধানের উৎপাদনও বেশ ভালো। তবে ধান উৎপাদনে হঠাৎ করে বিভিন্ন ধরনের পোকা আক্রমণ করে। চুঙ্গি পোকা তার মধ্যে একটি। আসুন জেনে নেই এ পোকা দমনের উপায়-

লক্ষণ
কীড়া ধানের পাতার উপরের অংশ কেটে চুঙ্গি তৈরি করে এবং সবুজ অংশ কুরে কুরে খায়। আক্রান্ত জমিতে গাছের পাতা সাদা দেখায় এবং পাতার উপরের অংশ কাঁটা থাকে। দিনের বেলায় চুঙ্গিগুলো পানিতে ভাসতে থাকে।

প্রতিকার
ধান ক্ষেত তথা আক্রান্ত জমির দাঁড়ানো পানি সরিয়ে দিন এবং মাটি কয়েকদিন শুকিয়ে নিন।

ব্যবস্থাপনা
১. পার্চিং করা বা ডাল পুঁতে দেওয়া।
২. আলোর ফাঁদ ব্যবহার করা।
৩. হাত জাল দিয়ে মথ সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
৪. পরজীবী বা উপকারী পোকার সংরক্ষণ ও সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য কীটনাশক প্রয়োগ যথাসম্ভব পরিহার করা।
৫. বীজতলায় শতকরা ৫০ ভাগ পাতা এবং জমিতে শতকরা ১৫-২০ ভাগ পাতা আক্রান্ত হলে কীটনাশক ব্যবহার করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

ব্রির আরও ৫ ধানের জাত উদ্ভাবন

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বিজ্ঞানীরা আরও পাঁচটি নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন করেছেন। জাতীয় কারিগরি কমিটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে উদ্ভাবিত নতুন জাতগুলো। এগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে ব্রি ধান ৮২, ব্রি ধান ৮৩, ব্রি ধান ৮৪, ব্রি ধান ৮৫ ও ব্রি ধান ৮৬।

ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর জাগো নিউজকে বলেন, নতুন পাঁচটি জাতের মধ্যে তিনটি আউশ ও দুটি বোরো মৌসুমের। আউশ মৌসুমকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এবার এর ওপর জোর দিয়েছি। সদ্য উদ্ভাবিত ব্রি ৮৪-তে আগের বোরো ধানের চেয়ে বেশি জিঙ্ক রয়েছে। ব্রি ৭৪-এ ২৪ শতাংশ জিঙ্ক থাকলেও নতুন জাতে এর পরিমাণ ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ।

উদ্ভাবিত জাতগুলো অল্পদিনে উচ্চফলনশীল হওয়ায় দেশের মোট ধান উৎপাদনে এগুলো উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে মনে করছেন ব্রির বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যে ব্রি ৮৬ জাতটিতে জৈব-প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, বোরো মৌসুমের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধান ব্রি ২৮-এর মতোই জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এ জাত। আর ব্রি ৮২-তে কৃষক পাবেন সবচেয়ে উচ্চফলন, যা উৎপাদিত হবে স্বল্পতম সময়ে।

সদ্য উদ্ভাবিত ব্রি ৮২ রোপা আউশ মৌসুমের স্বল্পকালীন একটি জাত। এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১০৫ দিন। জাতীয় কারিগরি কমিটিতে অনুমোদন পাওয়া এ জাতটির গড় ফলন হেক্টরে সাড়ে ৪ থেকে সাড়ে ৫ টন পর্যন্ত। এর চাল থেকে ভাত হবে ঝরঝরে।

সূত্র জানায়, ব্রি ৮২-র জীবনকাল হবে রোপা আউশ মৌসুমের প্রচলিত জাত ব্রি ৪৮-এর চেয়েও চার থেকে পাঁচ দিন কম। ব্রি ৮৩ বোনা আউশ মৌসুমের একটি জাত। ব্রি ৮৪ বোরো মৌসুমের একটি স্বল্পমেয়াদি জাত। একই সঙ্গে এটি উচ্চফলনশীল জিঙ্ক সমৃদ্ধও। হেক্টরে গড় ফলন ৬ থেকে সাড়ে ৬ টন।

ব্রি ৮৪-এর জীবনকাল বোরো মৌসুমের জনপ্রিয় জাত ব্রি ২৮-এর মতোই। এর জীবনকাল স্বল্প হওয়ায় বোরো মৌসুমের এ ধান আবাদের পর পাট চাষেরও সুযোগ তৈরি হবে। ব্রি ৮৫ রোপা আউশ মৌসুমের নতুন একটি জাত। এ জাতটির গড় ফলন সাড়ে ৪ থেকে সাড়ে ৫ টন পর্যন্ত। জৈব প্রযুক্তি বিভাগ (এন্থার কালচার) ব্যবহারের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো উদ্ভাবন করেছে ‘ব্রি ৮৬’। সদ্য উদ্ভাবিত এ জাতটির গড় ফলন ৬ থেকে সাড়ে ৬ টন পর্যন্ত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ধানের শরীরতাত্ত্বিক পরিবর্তনে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ

ইরি ধানের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়ানোর লক্ষ্যে চলছে নতুন নতুন গবেষণা। এ ফসলের শরীরতাত্ত্বিক পরিবর্তন বিষয়ে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। গবেষণায় ধানের জিনের গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এর সালোকসংশ্লেষণের প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়ানো হবে। ফলে এ ধরনের মৌলিক গবেষণা আগামী প্রজন্মের জন্য আশির্বাদ বয়ে আনবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।

গবেষকরা জানান, ধান গাছ একটি সি৩ ভুক্ত উদ্ভিদ, অন্যদিকে ভুট্টা ও সরগম সি৪ ভুক্ত উদ্ভিদ। সি৪ ফসল অধিক পরিমাণে সূর্যের আলো ও বাতাসের কার্বনডাই অক্সাইড গ্রহণ করে অধিক খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। সি৪ ভুক্ত উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের দক্ষতা বেশি হবার কারণে সরগমের জীন ব্যবহার করে ধানের উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি করার উদ্দেশে এ গবেষণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের একটি সূত্র জানায়, সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (International Rice Research Institute) (ইরি) সফর করেন। সেখানে বিগত ২২ বছরব্যাপী এ গবেষণার ৭ বছরের অগ্রগতি বিষয়ে ল্যাবরেটরিতে বিশদভাবে মন্ত্রীকে অবহিত করেন ইরির বিজ্ঞানী ড. রবার্ট কু। মন্ত্রী এ গবেষণার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের মৌলিক গবেষণা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি আশির্বাদ বয়ে আনবে বলে জানান।

কৃষিমন্ত্রী ইরির এসব মৌলিক ও উন্নত গবেষণায় বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের অধিক হারে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কৃষির সাফল্য সরকারের নানামুখী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। বিশেষ করে ধান উন্নয়নে ইরির মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাই ইরির গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কৃষিবান্ধব সরকার সকল সহযোগিতা প্রদান করছে।

সফরকালে ইরির মহাপরিচালক ড. ম্যাথিউ মোরেলসহ ঊর্ধ্বতন বিজ্ঞানীগণ কৃষিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। সফরে মন্ত্রীকে ধান গবেষণার বিভিন্ন দিক বিশেষ করে বাংলাদেশের উপযোগী জলমগ্নতা, খরা, লবণাক্ততা, তাপমাত্রা সহিষ্ণু; ভিটামিন, জিঙ্ক ও আয়রনসমৃদ্ধ অধিক উৎপাদনশীল ধানের বিষয়ে অবহিত করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

পরীক্ষার অনুমোদন পেল ৬ বিটি-ট্রান্সজেনিক ফসলের বীজ

বিটি (জিনগতভাবে রূপান্তরিত) ও ট্রান্সজেনিক (উন্নত বৈশিষ্ট্যের জন্য বংশগতির রূপান্তর সাধন) ছয়টি ফসলের বীজ ছাড়করণের জন্য গবেষণা ও পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে ন্যাশনাল কমিটি অন বায়োসেফটি (এনসিবি)। এসব ফসলের মধ্যে দুটি ধানের জাত ও চারটি তুলার জাত রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় থেকে তিনটি আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, এনসিবির নবম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফসলের এসব জাতের মধ্যে তুলার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ড, ধান দুটির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিআরআরআই)।

যুক্তরাষ্ট্রের আর্কেডিয়া বায়োসায়েন্স ইনকর্পোরেশন থেকে লবণসহিষ্ণু ট্রান্সজেনিক আইআর৬৪ ধানের বীজ আমদানি করে কয়েকটি শর্তে পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া ফিলিপাইনের আইআরআরআই-তে আইআরএস৪৯৫-২৭৪ ইভেন্টের আয়রন ও জিংক-সমৃদ্ধ ট্রান্সজেনিক ধানের বীজ আমদানির জন্য কয়েকটি শর্ত দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ভারতের জেকে এগ্রি জেনেটিকস লিমিটেড থেকে চারটি হাইব্রিড বিটি তুলার জাতের বীজ আমদানি করে শর্ত সাপেক্ষে পরীক্ষার অনুমতি পেয়েছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড।

আদেশে আরও বলা হয়, বায়োসেপটি গাইডলাইনস অব বাংলাদেশ এবং কার্টাগেনা প্রটোকল অন বায়োসেফটি অনুযায়ী ট্রান্সবাউন্ডারি মুভমেন্ট এবং হ্যান্ডলিং সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া এ জাতের পরীক্ষা শুধু আবদ্ধ অবস্থায় সম্পন্ন করতে হবে।

এসব বীজের ওপর গবেষণা পরিচালনার ক্ষেত্রে আমদানি থেকে শুরু কেরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় কোন কোন পর্যায়ে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে এবং প্রতিটি ধাপে কী কী বায়োসেফটি পদক্ষেপ নেয়া হবে, মনিটরিং পদ্ধতির রূপরেখা এনসিবিসহ সংশ্লিষ্টদের জানাতে হবে।

আবদ্ধ পরীক্ষা চলাকালীন বায়োসেফটি পদক্ষেপ পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণসহ প্রতি ১৫ দিন পর পর সংশ্লিষ্টদের জানানোর কথাও বলা হয়েছে আদেশে।

এই বীজ ও এর কোনো জিনগত রূপান্তরের কোনো বৈশিষ্ট্য যদি পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে সেক্ষেত্রে যেকোনো বিরূপ প্রভাবের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়-দায়িত্ব বহন করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রচলিত আইনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তি বা ক্ষতিপূরণমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com