আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফল

সারা বছর মিলবে সুস্বাদু কাঁঠাল

সারা বছর মিলবে সুস্বাদু কাঁঠাল
সারা বছর মিলবে সুস্বাদু কাঁঠাল

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। এটি মৌসুমি ফল। তাই সব মৌসুমে ফলটির স্বাদ পাওয়া যায় না। এ ছাড়া মৌসুমে এর সংরক্ষণব্যবস্থাও গড়ে ওঠেনি। তাই ফলটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব কমে গেছে। তবে দেশীয় কৃষিবিজ্ঞানীরা নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা রোধ করে কাঁঠালের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়াতে কাজ করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় বারোমাসি কাঁঠালের তিনটি জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বিজ্ঞানীরা।

ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এ ধরনের কাঁঠাল চাষ সম্প্রসারণের কার্যক্রম। এতে নতুন সম্ভাবনা জেগেছে কাঁঠাল চাষ ঘিরে। বারির বিজ্ঞানীরা জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে উচ্চফলনশীল বারোমাসি জাতের কাঁঠাল চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের অধীন ও সাডা নামক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় খাগড়াছড়ির রামগড়, নরসিংদী, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় মাঠপর্যায়ে চলছে এ ধরনের কাঁঠাল চাষ সম্প্রসারণের কাজ। প্রতিটি জেলায় ২৫ জন চাষি ও ৫টি নার্সারির মধ্যে বারি উদ্ভাবিত চারা বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া এ ধরনের কাঁঠাল চাষে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ফল বিভাগ ও উদ্যানতত্ত্ব গবেষণাকেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্যমতে, দেশের সব এলাকাতেই মূলত কাঁঠালের চাষ হয়। তবে ঢাকার উঁচু অঞ্চল, ময়মনসিংহের ভালুকা, ভাওয়াল ও মধুপুরের গড়, সিলেটের পাহাড়ি এলাকা, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে সর্বাধিক পরিমাণে কাঁঠাল উৎপাদিত হয়। তবে কাঁঠাল মৌসুমি ফল হওয়ায় সাধারণত বছরে তিন মাসের বেশি কাঁঠাল পাওয়া যায় না। কাঁঠালের অর্থনৈতিক ও পুষ্টিগুণের কথা বিবেচনা করে দেশীয় কৃষিবিজ্ঞানীরা সারা বছর কাঁঠাল উৎপাদনের লক্ষ্যে তিনটি কাঁঠালের জাত উদ্ভাবন করে অবমুক্ত করেছেন। এর মধ্যে বারি-১ জাতের উচ্চফলনশীল কাঁঠাল পাওয়া যাবে বছরের মে-জুন, উচ্চফলনশীল অমৌসুমি জাত বারি-২ কাঁঠাল পাওয়া যাবে জানুয়ারি-এপ্রিল এবং নিয়মিত ফল দানকারী উচ্চফলনশীল বারোমাসি বারি-৩ পাওয়া যাবে সেপ্টেম্বর-জুন মাস পর্যন্ত।

উদ্ভাবিত এ তিনটি জাত সারা দেশেই আবাদযোগ্য। বারি-৩–এর উৎপাদন হেক্টরপ্রতি ১৩৩ মেট্রিক টন, বারি-১–এর উৎপাদন হেক্টরপ্রতি ১১৮ মেট্রিক টন ও বারি-২–এর উৎপাদন হেক্টরপ্রতি ৫৮ মেট্রিক টন।

দীর্ঘদিন ধরে কাঁঠাল নিয়ে গবেষণা করছেন গাজীপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ফল বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান। তিনি জানান, উদ্ভাবিত তিনটি জাতের মাধ্যমে সারা বছর ধরেই কাঁঠাল পাওয়া যাবে। মৌসুমের বাইরেও অন্যান্য সময় ধরে উৎপাদিত কাঁঠালও হবে খুব সুস্বাদু। এতে যেমন দেশের লোকজন সারা বছর ধরে কাঁঠালের স্বাদ গ্রহণ করতে পারবেন, তেমনি অধিক মূল্যে কাঁঠাল বিক্রি করতে পারবেন। দেশের মানুষের পুষ্টি ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়াবে কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত কাঁঠালের এই তিন জাত। তিনি আরও জানান, দেশে কাঁঠালের অসংখ্য জাত রয়েছে, কিন্তু এর নির্দিষ্ট কোনো নাম নেই। এর মধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য বারোমাসি জাতের কাঁঠাল। এসব কাঁঠালের জাত ধরে রাখার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

ফল

ধান ছেড়ে তামাক, আম, মাছ চাষ

চট্টগ্রামের পটিয়ায় কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করছেন ইউএনও হাবিবুল হাসান গতকাল দুপুরে
চট্টগ্রামের পটিয়ায় কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করছেন ইউএনও হাবিবুল হাসান গতকাল দুপুরে

উত্তরের জেলাগুলোর মধ্যে রংপুরে বাড়ছে তামাকের চাষ। বগুড়া ও রাজশাহীতে সবজি আর নওগাঁয় আম চাষে ঝুঁকছেন কৃষক। সিরাজগঞ্জের কৃষক ধান চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তাঁরা কৃষিজমি কেটে পুকুর তৈরি করছেন। মাছ চাষে আগ্রহ বাড়ছে সেখানকার মানুষের। গত চার–পাঁচ বছরে দেশের প্রধান ধান উৎপাদনকারী এলাকা উত্তরের জনপদে অনেকটা নীরবে এই পরিবর্তন ঘটে চলেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশের উত্তরাঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে ধানের উৎপাদন কমছে। এ বছর কৃষক ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। নওগাঁয় গত চার বছরে ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ও ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ কমেছে। জেলার ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে এ বছর আম চাষ হয়েছে। রংপুরে আম চাষের জমি ২ হাজার ৯৫০ হেক্টর থেকে বেড়ে ৩ হাজার ১২৫ হেক্টর হয়েছে। বগুড়ায় পাঁচ বছরে ধানের জমি কমেছে ১ হাজার হেক্টর।

অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ জেলায় ছোট-বড় মিলে প্রায় ১৮ হাজার ৮৪৬টি পুকুর রয়েছে। জেলায় রায়পুর ও তাড়াশ উপজেলায় পুকুরের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। প্রতিবছর ২০ থেকে ২৫টি পুকুর খনন করা হচ্ছে। জেলায় মাছের উৎপাদন ২০১১-১২ সালে ছিল ৫৩ হাজার ৯৮০ টন। চলতি বছর তা বেড়ে ৬৮ হাজার ৪০০ টন হবে বলে আশা করছেন মৎস্য কর্মকর্তারা।

উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদনকারী জেলা নওগাঁ। সেখান থেকে এখন কেউ বগুড়া হয়ে নাটোর, পাবনা দিয়ে সিরাজগঞ্জে যাওয়ার সময় ধানের জমিতে ভুট্টা, তিল ও সবজির চাষ দেখতে পাবেন। বিশেষ করে এসব এলাকায় আম, লিচু, ভুট্টা ও মাছের চাষ দ্রুত বাড়ছে। চলনবিলের নিচু জমিতে সারি সারি পুকুরে যে মাছ চাষ হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে তা তিন-চার ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে চলে আসছে। সবজি ও মাছচাষিরা ভালো দামও পাচ্ছেন। তাঁদের উৎপাদিত পণ্য প্রতি রাতে ট্রাকে করে চলে আসছে রাজধানীতে।

ফল ও সবজির উৎপাদন বৃদ্ধিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এতে দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা মিটবে; বিশেষ করে ফলের প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপনে সরকার উৎসাহ দেবে। একই সঙ্গে এসব খাদ্যের গুণগত মান বাড়ানোর ব্যাপারেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, উদ্বৃত্ত চাল রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে ধান রাখার গুদাম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উত্তরাঞ্চলের কৃষির পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করা সংস্থাগুলো বলছে, ধানের দাম না পাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য এই পরিবর্তন (অন্য ফসলের চাষে ঝুঁকে পড়া) আরও বড় ধরনের ঝুঁকি নিয়ে আসতে পারে। এর কারণ হিসেবে তাঁদের যুক্তি, সবজি ও ফল সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা দেশে গড়ে ওঠেনি। এ ছাড়া কোনো বছর উৎপাদন অনেক বেশি হলে কিংবা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে দামের বড় ধরনের পতন ঘটে।

সম্প্রতি বগুড়া, রংপুরসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষকেরা আলু নিয়ে বিপদে পড়েছেন। গত শীতেও সবজিচাষিরা উৎপাদিত সবজি পানির দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। গত বছর আম পাকার মৌসুমে ঝড়ের কবলে পড়ে বিপুল পরিমাণ আম অকালে ঝরে পড়ে। এতে চাষিদের বড় অংশ লোকসানে আম বিক্রি করতে বাধ্য হন। ধান ছাড়া অন্য ফসলের সংরক্ষণের ব্যবস্থা আরও দুর্বল। ধান গোলায় বা বিভিন্ন গুদামে সংরক্ষণ সম্ভব। কিন্তু অন্যান্য ফল ও ফসলগুলো দ্রুত পচনশীল। ফলে তা দ্রুত বিক্রি করতে না পারলে লোকসানের পরিমাণ অনেক বেশি হয়।

ধান–চালের দাম কমে যাওয়ায় ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দেশে ধানের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমে যায়। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) দেশের ১১টি জেলার বোরো ধান চাষ নিয়ে জরিপ চালিয়ে এ তথ্য পায়। ‘খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার ওপর ধানের জমি হ্রাসের কারণ বিশ্লেষণ’ শীর্ষক ওই জরিপে কৃষক কেন ধানের দাম পাচ্ছেন না এবং ধান উৎপাদনে তাঁরা কেন উৎসাহ হারাচ্ছেন—এর একটি বিশ্লেষণ জরিপে উঠে আসে। তাতে তাঁরা কৃষকের ধান চাষে নিরুৎসাহের প্রধান কারণ হিসেবে বিগত বছরগুলোতে বোরো ধানের দাম কমে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। আমন ও আউশ মৌসুমের তুলনায় বোরো মৌসুমে বাজারে ধানের অত্যধিক জোগান থাকায় বাজারদর নিয়ন্ত্রণ কিছুটা কষ্টকর। ফড়িয়া ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের কারণে প্রকৃত কৃষকেরা সরকারের ধার্য করা ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন।

২০১৭ সালে হাওরে ফসলহানির পর মোটা চালের দাম কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। এতে প্রতি মণ ধানের দাম এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত হয়। কিন্তু পরের দুই বছর ধানের উৎপাদন বাড়লে দাম কমে যায়। এ বছর বোরো মৌসুমে ধানের দাম না পাওয়ায় পরের মৌসুমগুলোতে ধান চাষে কৃষকের আগ্রহ ও ক্ষমতা কমে যাবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদেরা।

বাংলাদেশের কৃষি খাত নিয়ে ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ইফপ্রি) করা এক জরিপে দেখা যায়, দেশের ৩৭ শতাংশ কৃষক শুধু নিজের জমিতে চাষ করেন এবং ১৮ শতাংশ কৃষক অন্যের জমি টাকার বিনিময়ে ইজারা নিয়ে চাষ করে থাকেন। সরকারি হিসাবে এ বছর প্রতি কেজি ধানের উৎপাদন খরচ পড়েছে ৩৫ টাকা আর বাজারে প্রতি কেজি ধান বিক্রি হচ্ছে ১২ থেকে ১৪ টাকা।

ইফপ্রির হিসাবে, ধানের দাম কমে যাওয়ায় ভূমিহীন ৩৬ শতাংশ এবং অন্যের জমি অর্থের বিনিময়ে ইজারা নেওয়া ১৮ শতাংশ কৃষক সবচেয়ে বেশি বিপদে আছেন।

ইফপ্রির কান্ট্রি ডিরেক্টর আখতার আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, হতদরিদ্র ও ভূমিহীন যেসব কৃষক এবার ধান চাষ করেছেন, তাঁদেরকে জরুরি ভিত্তিতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সহযোগিতা দিতে হবে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কৃষি অর্থনীতি বাংলাদেশের মতোই, তারা কৃষকের কাছ থেকে পাঁচ–ছয় লাখ টন ধান সংগ্রহ করে। বাংলাদেশে কৃষকের কাছ থেকে কেনা হয় দেড় লাখ টন। সরকার কৃষকের কাছ থেকে যত বেশি ধান সংগ্রহ করবে, গরিব কৃষকের বিপদ তত কমবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

নাশপাতি চাষের অপার সম্ভাবনা

নাশপাতি চাষের অপার সম্ভাবনা for Image
নাশপাতি চাষের অপার সম্ভাবনা

নাশপাতি বিদেশি ফল। এটি সাধারণত শীতপ্রধান অঞ্চলে ব্যাপক ফলে। সাত সাগরের ওপার থেকে এ দেশে নাশপাতি আসে। অন্য ফলের পাশাপাশি নাশপাতি নামটি অনেকের কাছেই পরিচিত। তবে এই আকর্ষণীয় ও স্বাদু ফলটিও বাংলার মাটিতেও যে ফলতে পারে, এ ধারণা এখনো অনেকের নেই। আর তা শুধু শখের বাগানেই নয়, বাণিজ্যিকভাবে এ দেশে নাশপাতির চাষ সম্ভব।

মৌলভীবাজারের আকবরপুরে অবস্থিত আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে নাশপাতির চাষ হয়েছে। তাতে ফল ধরেছে। বাগানের গাছে ঝুলে আছে থোকা থোকা নাশপাতি। ফলের আকার ও স্বাদ ভালো। আমদানি করা নাশপাতির চেয়ে একটু বেশিই মিষ্টি।

আকবরপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, কেন্দ্রের একটি এলাকায় নাশপাতির বাগান। সেখানে অনেকগুলো গাছ। তখন শ্রাবণের রোদে পুড়ছে বাগানটি। নাশপাতি ঝুলে আছে শাখায় শাখায়। রোদ, পোকামাকড় ও কাঠবিড়ালি থেকে নাশপাতি রক্ষা করতে ব্যবহার করা হয়েছে ব্যাগিং প্রযুক্তি। প্রতিটি গাছে সাদা সাদা ব্যাগে মোড়ানো নাশপাতি।

আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, নাশপাতির মাতৃবাগানটি করা হয়েছিল ২০১০ সালে। এতে এখন ৩৫টি গাছ আছে। ফল আসবে কি না, এলেও ফলন কতটা ভালো হবে, স্বাদ হবে কি না—এমন নানা প্রশ্ন ছিল কৃষিবিজ্ঞানীদের মাথায়। সব প্রশ্নের উত্তর দিতে ২০১৭ সাল থেকে নাশপাতিবাগানে ফল আসতে শুরু করেছে। চৈত্র মাসে ফুল আসে। আর শ্রাবণ-ভাদ্রে ফল তোলার উপযোগী হয়ে ওঠে। ফলনও ভালো, ফলের আকারও বড়। প্রতিটি গাছে ৬০ থেকে ৭০টি নাশপাতি ধরছে। প্রতিটি ফলের গড় ওজন ১৩৫ গ্রাম। ফল বাদামি রঙের। ফলের উপরিভাগের ত্বক কিছুটা খসখসে। শাঁস সাদাটে। খেতে কচকচে ও সুস্বাদু। বিদেশ থেকে যেসব নাশপাতি আনা হয়, তার স্বাদ কিছুটা পানসে। কিন্তু আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের নাশপাতির স্বাদ কিছুটা নোনতা ও বেশ মিষ্টি।

আকবরপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরফ উদ্দিন জানিয়েছেন, নাশপাতি মূলত শীতপ্রধান অঞ্চলের ফল। ইউরোপ-অস্ট্রেলিয়ায় এর ব্যাপক চাষ হয়ে থাকে। ইউরোপ-অস্ট্রেলিয়া থেকেই নাশপাতি এ দেশে আমদানি করা হয়। তবে শীতপ্রধান অঞ্চলের হলেও এর কোনো প্রজাতি বা জাত অপেক্ষাকৃত উচ্চ তাপমাত্রায় জন্মাতে ও ফলন হতে পারে। দেশে এই ফলের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বারি নাশপাতি-১ নামের নাশপাতির একটি জাত অবমুক্ত করে। সেই জাতেরই মাতৃবাগান আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে। জাতটি নিয়মিত ফল ধারণে সক্ষম ও উচ্চফলনশীল। নাশপাতির গাছ খাড়া ও অল্প ঝোপ থাকে। পানি নিষ্কাশিত হয়—এমন মাটিতে নাশপাতির চাষ করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে পানিনিষ্কাশনে ভালো সুবিধা ও দোআঁশ মাটি এবং মাটির পিএইচ মান ৫ দশমিক ৫ থেকে ৭ দশমিক ৫ নাশপাতি চাষের জন্য উত্তম। তবে এর চেয়ে কমবেশি হলেও নাশপাতি জন্মাতে ও ফলন দিতে পারে। নাশপাতি চাষের জন্য সূর্যালোক দরকার। শুষ্ক গরম বাতাস নাশপাতির জন্য ক্ষতিকর। অন্যদিকে নাশপাতির গাছ লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে না। সাধারণত শাখা কর্তন এবং গুটি কলমের মাধ্যমে এর বংশবিস্তার হয়ে থাকে। বর্ষাকাল কলম করার উপযুক্ত সময়। ফল সংগ্রহ এবং গাছের ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে করার জন্য গাছের উচ্চতা ৪০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার হলে ভেঙে বা ছেঁটে দিলে ভালো। নাশপাতির খাড়া ডালে নতুন শাখা-প্রশাখা কম হয়ে থাকে। শাখা-প্রশাখা কম হলে ফলন কম আসবে। যে কারণে ভারী কিছু বা দড়ি টানার সাহায্যে ঊর্ধ্বমুখী ডালকে মাটির দিকে নুইয়ে দিলে ভালো হয়। এতে করে ডালের বিভিন্ন স্থানে টান বা হালকা ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে থাকে এবং ওই সব টানের স্থানে নতুন কুঁড়ি বা শাখার সৃষ্টি হয়। এতে ফলন ও ফলের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়। এ ক্ষেত্রে ব্যাগিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলে কড়া রোদে নাশপাতির ত্বক নষ্ট হবে না। ফল সুন্দর থাকবে। পোকামাকড়ও আক্রমণ করতে পারবে না। কাঠবিড়ালি ফসল নষ্ট করতে পারবে না। এ অঞ্চলে কাঠবিড়ালি একটি বড় সমস্যা। কিন্তু ব্যাগিং করা ফল কাঠবিড়ালি নষ্ট করে না। প্রতি হেক্টরে ছয় থেকে সাত টন ফলন হতে পারে। আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে সফল জাতটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের টিলা ও পাহাড়ি এলাকায় চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকায় নাশপাতি হতে পারে নতুন মৌসুমের একটি ফসল। শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে যখন আম-কাঁঠাল, আনারস ফুরিয়ে যাবে, তখন এটি বাজারে আসবে। এই ফলের আমদানিনির্ভরতা কমবে।

ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরফ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, এ দেশে এখনো বাণিজ্যিকভাবে নাশপাতির চাষ শুরু হয়নি। কিন্তু এটি একটি অপার সম্ভাবনাময় ফসল। পোকামাকড়, রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম। বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকাতে নাশপাতির চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া পানি জমে না, এমন মাটিতেও এই ফলের চাষ হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

বিরামপুরে মুকুলে ছেয়ে গেছে আমবাগান

বসন্তের নানা ফুলের সঙ্গে সৌরভ ছড়াচ্ছে গাছে গাছে আমের মুকুল। আর এ মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে প্রকৃতি। মনকে করে তুলছে আরো প্রাণবন্ত।

[৩] বিরামপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আম বাগানের সারি সারি গাছে শোভা পাচ্ছে কেবলই মুকুল। এ যেন হলুদ আর সবুজের মহামিলন। মুকুলে ছেয়ে আছে গাছের প্রতিটি ডালপালা। চারদিকে ছড়াচ্ছে সেই মুকুলের সুবাসিত পাগল করা ঘ্রাণ।
তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন আম বাগানের মালিকরা।

[৪] মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুলে ভরে গেছে বাগানসহ ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছগুলোতে। তবে বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে। সেই মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে বাগান মালিকদের চোখে ভাসছে স্বপ্ন।

[৫] আম্রুপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি অন্যতম। ইতিমধ্যে এসব গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরও কয়েক সপ্তাহ লাগবে বলে জানান বাগান মালিকরা। বাগান মালিক মো. মকবুল হোসেন জানান, এক সপ্তাহ আগে থেকে তাদের বাগানে লাগানো আম গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। বেশিরভাগ গাছ মুকুলে ছেয়ে গেছে।

[৬] তিনি জানান, মুকুল আসার পর থেকেই তিনি গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুল রোগ বালাইয়ের আক্রমন থেকে রক্ষা করতে উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন তিনি। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। এ অবস্থা থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে মনে করছেন বিরামপুরের আমবাগান মালিকরা। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

শীতলক্ষ্যার তীরে হাসছে স্ট্রবেরি

কাপাসিয়া এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর চরে

বিদেশি ফল হিসেবে স্ট্রবেরির প্রচলন থাকলেও প্রান্তিক কৃষকদের কল্যাণে এখন বাংলাদেশেও ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। বাজার চাহিদা, ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় প্রতিনিয়ত গাজীপুরের কৃষকের মাঝে জনপ্রিয় হচ্ছে স্ট্রবেরি চাষ।

স্ট্রবেরি ফলের গন্ধ, বর্ণ ও স্বাদে আকর্ষণীয় এবং রস, জ্যাম, আইসক্রিম, মিল্ক শেকসহ শিল্পায়িত খাদ্য তৈরিতে স্ট্রবেরির সুগন্ধ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ১৭৪০ সালে ফ্রান্সে প্রথম স্ট্রবেরির চাষ শুরু করা হয়। পরবর্তীতে চিলি, আর্জেন্টিনাসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে স্ট্রবেরি চাষ। শীতপ্রধান দেশে ফল স্ট্রবেরি হলেও বর্তমানে বাংলাদেশের যেসব এলাকায় শীত বেশি সেসব এলাকায় বিভিন্ন জাতের স্ট্রবেরি চাষ হচ্ছে। অনেকে বাড়ির ছাদে চাষ করলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে স্ট্রবেরির চাষ শুরু করেছেন গাজীপুরের কাপাসিয়া এলাকায়।

গাজীপুরের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের কাপাসিয়ার সিংহশ্রী ইউনিয়নের একটি গ্রাম কুড়িয়াদী। এ গ্রামের কয়েকজন কৃষক নদীর তীরে জেগে উঠা চরে শীতকালীন ফসলের চাষ করে থাকেন। বর্তমানে কৃষি কাজে ভিন্নতা আনতে চলতি মৌসুমে পাশের শ্রীপুর উপজেলার মৌমিতা ফ্লাওয়ার্সের মালিক দেলোয়ার হোসেনের পরামর্শে গ্রামের কয়েকজন কৃষক ওই সব জমিতে স্ট্রবেরির চাষ শুরু করেন।

কৃষক তোফায়েল আহমেদ জানান, বর্ষায় জমিগুলো পানিতে ডুবে যায় ও বর্ষা শেষে নদীর পানি নেমে যায়। এতে পলিমাটি জমে বেশ উর্ব্বর হয়ে থাকে। এ মাটিতে যে কোনো ফসলের চাষ করলেই ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। তিনি ১ হাজার স্ট্রবেরির চারা ওই জমিতে রোপণ করেন। প্রতিটি চারার দাম ছিল ৩০ টাকা। কয়েকমাস পরিচর্যা করার পর এখন ফল পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিকেজি স্ট্রবেরি ৭’শ থেকে ৮’শত টাকা কেজি বিক্রি করেছেন। এ পর্যন্ত তিনি দেড় লাখ টাকার স্ট্রবেরি বিক্রি করেছেন।

তার পাশাপাশি নদীর চরে স্ট্রবেরির চাষ করেছেন একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাক। তিনি প্রায় ৭ হাজার স্ট্রবেরির চারা রোপণ করেছেন। এছাড়াও হুমায়ুন কবির রোপণ করেছেন ১৩ হাজার স্ট্রবেরির চারা।

কাপাসিয়া উপজেলার কুড়িয়াদী গ্রামের স্ট্রবেরি চাষি হুমায়ুন কবির জানান, অনেক টাকা-1পয়সা খরচ করে একটি পেঁপের বাগান করেছিলাম। গত মৌসুমে শিলাবৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যায়। এতে আমার অনেক লোকসান হয়েছিল। তাই এবার আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি স্ট্রবেরি চাষ করবো। এবার নদীর তীরের পতিত জমিতে স্ট্রবেরি চাষ করে ভালো ফলনও পেয়েছি। এখন আমার স্টবেরি চাষ দেখে এলাকার অনেক কৃষক আগামী মৌসুমে স্ট্রবেরি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

গাজীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মাহবুব আলম বলেন, “স্ট্রবেরি ফলের মধ্যে উচ্চমাত্রায় পুষ্টি রয়েছে। এ ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রোগমুক্তিতেও সহায়তা করে। গাজীপুরে স্ট্রবেরির চাষ হলেও আমরা এর পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারিনি। অনেকে শখে বাসা-বাড়িতে স্ট্রবেরির চাষ করলেও এখন কাপাসিয়ায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে জেগে উঠা চরে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন। এ চাষ লাভজনক বিধায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।”

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

আমলকীর যত উপকারিতা

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ প্রয়োজন। দিনে দু’টি আমলকী খেলে এই চাহিদা পূরণ হয়

আমলকীর ভেষজ গুণ অনেক। এর ফল ও পাতা উভয়ই ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সবাই জানেন আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন ‘‘সি’’ থাকে। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকীতে পেয়ারার ও কাগজিলেবুর তুলনায় যথাক্রমে তিন ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘‘সি’’ রয়েছে। 

এছাড়া, ছোট্ট এই ফলটিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘‘সি’’ রয়েছে। 

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘‘সি’’ প্রয়োজন। দিনে দু’টি আমলকী খেলে এই চাহিদা পূরণ হয়। আমলকী খেলে রুচি বাড়ে। স্কার্ভি ও দাঁতের রোগ সারাতে টাটকা আমলকীর জুড়ি নেই। এছাড়া পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও আমলকী খুবই উপকারী। এটি জন্ডিস রোগে উপকারী। 

আমলকী, হরিতকী ও বহেরাকে একত্রে “ত্রিফলা” বলা হয়। এই মিশ্রণ রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা ছেঁকে নিয়ে খালি পেটে শরবত হিসেবে খেলে পেটের অসুখ ভালো হয়।

এছাড়াও আমলকী খেলে-

গলার ব্যথা কমে

আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত এক গ্লাস আমলকীর রসে পরিমাণমতো আদা এবং মধু মিশিয়ে খেলে গলার ব্যথা তো কমেই, সেইসঙ্গে কফ এবং সর্দি-কাশির প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না। তাই এমন ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় গলার ব্যথা শুরু হলে আমলকীর রস হতে পারে আপনার সহায়ক। 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

আমলিকতে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন “সি” ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলে যে ছোট-বড় কোনো রোগই কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেইসঙ্গে শরীরে থাকা ক্ষতিকর উপাদানও বের করে দেয়।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি

সারাক্ষণ কম্পিউটার-মোবাইল ব্যবহারের ফলে চোখের ক্ষতি পূরণে খাদ্যতালিকায় আমলকী থাকা জরুরি। আমলকী দ্রুত সময়ে দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।

হজমশক্তির উন্নতি

প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় নিয়মিত আমলকী খেলে বদহজমের সমস্যা দূর হয়।

সংক্রমণের আশঙ্কা কমে

ভিটামিন ‘‘সি’’ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই মজবুত করে যে, বেশিরভাগ জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি আবহাওয়া পরিবর্তন হলেও সর্দি-কাশির ভয়ও দূর হয়।

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়

আমলকীতে থাকা কিছু খনিজ এবং উপকারী ভিটামিন ত্বকে পানির ঘাটতি দূর করে। সেইসঙ্গে পুষ্টির চাহিদাও মেটায়। ফলে ধীরে ধীরে ত্বক উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com