আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফল

সারা বছর মিলবে সুস্বাদু কাঁঠাল

সারা বছর মিলবে সুস্বাদু কাঁঠাল
সারা বছর মিলবে সুস্বাদু কাঁঠাল

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। এটি মৌসুমি ফল। তাই সব মৌসুমে ফলটির স্বাদ পাওয়া যায় না। এ ছাড়া মৌসুমে এর সংরক্ষণব্যবস্থাও গড়ে ওঠেনি। তাই ফলটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব কমে গেছে। তবে দেশীয় কৃষিবিজ্ঞানীরা নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা রোধ করে কাঁঠালের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়াতে কাজ করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় বারোমাসি কাঁঠালের তিনটি জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বিজ্ঞানীরা।

ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এ ধরনের কাঁঠাল চাষ সম্প্রসারণের কার্যক্রম। এতে নতুন সম্ভাবনা জেগেছে কাঁঠাল চাষ ঘিরে। বারির বিজ্ঞানীরা জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে উচ্চফলনশীল বারোমাসি জাতের কাঁঠাল চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের অধীন ও সাডা নামক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় খাগড়াছড়ির রামগড়, নরসিংদী, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় মাঠপর্যায়ে চলছে এ ধরনের কাঁঠাল চাষ সম্প্রসারণের কাজ। প্রতিটি জেলায় ২৫ জন চাষি ও ৫টি নার্সারির মধ্যে বারি উদ্ভাবিত চারা বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া এ ধরনের কাঁঠাল চাষে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ফল বিভাগ ও উদ্যানতত্ত্ব গবেষণাকেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্যমতে, দেশের সব এলাকাতেই মূলত কাঁঠালের চাষ হয়। তবে ঢাকার উঁচু অঞ্চল, ময়মনসিংহের ভালুকা, ভাওয়াল ও মধুপুরের গড়, সিলেটের পাহাড়ি এলাকা, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে সর্বাধিক পরিমাণে কাঁঠাল উৎপাদিত হয়। তবে কাঁঠাল মৌসুমি ফল হওয়ায় সাধারণত বছরে তিন মাসের বেশি কাঁঠাল পাওয়া যায় না। কাঁঠালের অর্থনৈতিক ও পুষ্টিগুণের কথা বিবেচনা করে দেশীয় কৃষিবিজ্ঞানীরা সারা বছর কাঁঠাল উৎপাদনের লক্ষ্যে তিনটি কাঁঠালের জাত উদ্ভাবন করে অবমুক্ত করেছেন। এর মধ্যে বারি-১ জাতের উচ্চফলনশীল কাঁঠাল পাওয়া যাবে বছরের মে-জুন, উচ্চফলনশীল অমৌসুমি জাত বারি-২ কাঁঠাল পাওয়া যাবে জানুয়ারি-এপ্রিল এবং নিয়মিত ফল দানকারী উচ্চফলনশীল বারোমাসি বারি-৩ পাওয়া যাবে সেপ্টেম্বর-জুন মাস পর্যন্ত।

উদ্ভাবিত এ তিনটি জাত সারা দেশেই আবাদযোগ্য। বারি-৩–এর উৎপাদন হেক্টরপ্রতি ১৩৩ মেট্রিক টন, বারি-১–এর উৎপাদন হেক্টরপ্রতি ১১৮ মেট্রিক টন ও বারি-২–এর উৎপাদন হেক্টরপ্রতি ৫৮ মেট্রিক টন।

দীর্ঘদিন ধরে কাঁঠাল নিয়ে গবেষণা করছেন গাজীপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ফল বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান। তিনি জানান, উদ্ভাবিত তিনটি জাতের মাধ্যমে সারা বছর ধরেই কাঁঠাল পাওয়া যাবে। মৌসুমের বাইরেও অন্যান্য সময় ধরে উৎপাদিত কাঁঠালও হবে খুব সুস্বাদু। এতে যেমন দেশের লোকজন সারা বছর ধরে কাঁঠালের স্বাদ গ্রহণ করতে পারবেন, তেমনি অধিক মূল্যে কাঁঠাল বিক্রি করতে পারবেন। দেশের মানুষের পুষ্টি ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়াবে কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত কাঁঠালের এই তিন জাত। তিনি আরও জানান, দেশে কাঁঠালের অসংখ্য জাত রয়েছে, কিন্তু এর নির্দিষ্ট কোনো নাম নেই। এর মধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য বারোমাসি জাতের কাঁঠাল। এসব কাঁঠালের জাত ধরে রাখার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

দৈনন্দিন

ফল না ফলের রস-কোনটি খাবেন

লেখক

ফল না ফলের রস-কোনটি খাবেন
ফল না ফলের রস-কোনটি খাবেন

ফল বেশি পুষ্টিকর না ফলের রস- এ নিয়ে নানা তর্ক রয়েছে। ব্যায়ামের পর , খেলার সময় কিংবা  খুব বেশি ব্যস্ততা থাকলে অনেকে ফলের রস খেয়ে নেন। তবে পুষ্টিবিদদের মতে,স্বাস্থ্যগুণ বজায় রাখতে রস নয়, অবশ্যই গোটা ফল খাওয়া উচিত। কোনো কোনো ফল খোসাসহ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, এমন অনেক ফল আছে যেগুলোর খোসায় গোটা ফলের চেয়ে পুষ্টিগুণ বেশি। খোসা ছাড়িয়ে রস করে খেলে পুষ্টিগুণ কমে যায় অনেকটাই। জেনে নেওয়া যাক ফল আর ফলের রসে কী ধরনের পুষ্টিগুণের পার্থক্য থাকে।

ফলের খোসা : আপেল, আঙুর, পেয়ারা, শশা, স্ট্রবেরি জাতীয় ফলগুলো খোসাসহই খাওয়া যায়। ফলের খোসা সরাসরি সূর্যের আলো পায়।  এ কারণে এগুলি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। আঙুরের খোসা ক্যানসার প্রতিরোধেও সাহায্য করে। ফলের রস বের করার সময় বেশির ভাগ সময়ই খোসা ফেলে দেওয়া হয়। এ কারণে শরীর খোসার পুষ্টিগুণ থেকে বঞ্চিত হয়।

ফলের শাঁস  : ফলের শাঁসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফাইবার পাওয়া যায়। কমলার শাঁসের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ফ্লাভোনয়েডস রয়েছে। সেই সঙ্গে ভিটামিন সিও থাকে। এই দুটিই শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কমলার রস করার সময় উপকারী ফ্লাভোনয়েডস বেরিয়ে যায়

ফাইবার :  রস বের করে নিলে ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়। যেমন- আপেলের মধ্যে ৩ দশমিক ৭৫ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার থাকে। আট আউন্স আপেলের রস তৈরি করতে লাগে তিন থেকে চারটে আপেল। সেই হিসেবে আপেলের রসে ১২ থেকে ১৫ গ্রাম ফাইবার থাকার কথা। অথচ অ্যাপল জুসে ফাইবার প্রায় থাকে না বললেই চলে।

ক্যালরি : ফলের রস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। ফল খেলে অতটা বাড়ে না। পরীক্ষায় দেখা গেছে ,পরিমাণ মতো আপেল খেলে শরীর ১২০ ক্যালরি শক্তি পায়, সেই পরিমাণ আপেলে ২৪ গ্রাম চিনি থাকে। অন্যদিকে, যে পরিমাণ অ্যাপল জুস থেকে শরীর ১২০ ক্যালরি শক্তি পায়, সে পরিমাণ জুসে চিনির পরিমাণ থাকে প্রায় ৩০ গ্রাম। বাজারেরে অধিকাংশ ফ্রুট জুসেই ফলের রসের পরিমাণ কম থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসব জুসে কৃত্রিম সুইটেনার যোগ করা থাকে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

নাটোরের বাগানে ২০ ও ২১ মে থেকে নামানো হবে আম ও লিচু

নাটোর জেলায় ২০ মে থেকে আম ও ২১ মে থেকে লিচু গাছ থেকে নামানোর দিন নির্ধারণ করেছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কৃষি বিভাগ ও আম ব্যবসায়ীদের সাথে এক বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শাহরিয়াজ।

জেলায় গোপাল ভোগ জাতের আম গাছ থেকে নামানো শুরু হবে ২০ মে । আর সর্বশেষ গাছ থেকে গৌরমতি জাতের আম নামানো শুরু হবে ১৫ আগস্ট। এছাড়া খিরসাপাত ২৮মে, ল্যাংড়া ০৬জুন, লক্ষণ ভোগ ১জুন, ফজলি ৩০জুন এবং আম্রপলি ৩০জন।

চলতি বছর নাটোর জেলায় ৫ হাজার ৫১৯ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। আর আম উৎপাদন হবে ৭৭ হাজার ৩০৫ মেট্রিক টন।

অপরদিকে চায়না-৩জাতের লিচু নামানো শুরু হবে ২১ মে থেকে। চলতি বছর নাটোর জেলা ৯৫৩ হেক্টর জমিতে লিচুর চাষ হয়েছে। আর উৎপাদর হবে ৮হাজার ৩০৭ মেট্রিক টন লিচু।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

আঙিনা কৃষি

রামিন’স ফার্ম: সিডনির বুকে একখণ্ড সবুজ বাংলাদেশ

শৈশবের একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আমি বেড়ে উঠেছিলাম এমন একটি গ্রামে, যেখানে বিদ্যুৎ বা টেলিভিশন ছিলো না। তাই প্রত্যেকটা দিন ছিল প্রকৃতির সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। প্রত্যেক দিন সকালে উঠেই বাড়ির বড়দের সাথে ক্ষেতে চলে যেতাম। তারপর সারাদিন ক্ষেতে কাটিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে আসতাম।

মাটির প্রকার অনুযায়ী বিভিন্ন ক্ষেতে বিভিন্ন রকমের সবজি আবাদ করা হতো। কোনটাতে উচ্ছে বা পটল বা মরিচ আবার কোনটাতে বাঙ্গি বা তরমুজ বা ধুন্দল। প্রত্যেকটা ক্ষেতই ছিল আলাদাভাবে সুন্দর। বীজ থেকে ছোট গাছ তারপর একসময় ফুল সেখান থেকে ফল। বাংগির ক্ষেতে বাংগি পাকা শুরু করলে অনেক দূর থেকেও সেই ঘ্রাণ পাওয়া যেতো। আর পটলের গাছ হতো পটলের শাখা থেকে। সেটা হাট থেকে কিনে নিয়ে এসে বিশেষ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করে মাটিতে লাগানো হতো।

এই প্রত্যেকটা ব্যাপারই ছিলো আমাদের সাদামাটা শৈশবে উত্তেজনার উপকরণ। আর মাঝেমধ্যে আমি নিজে ক্ষেত পাহারা দেওয়া লোকেদের সাথে কুড়ের মধ্যে থাকার বায়না ধরতাম। সেটা ছিল একটা অন্যন্য অভিজ্ঞতা। কুড়ের মধ্যে শুয়ে রুপ কথার গল্প শুনতে শুনতে আর তারা গুণতে গুণতে একসময় গভীর ঘুমে তলিয়ে যেতাম। এরপর একসময় শহরতলিতে বসবাস শুরু করলেও সেইসব স্মৃতি মস্তিষ্ক খুব সযতনে তুলে রেখেছিলো।

তাই যখন নিজে সন্তানের পিতা হলাম তখন স্বাভাবিকভাবেই মাথার মধ্যে এমন একটা চিন্তা কাজ করছিলো যে, ওদেরকেও আমার শৈশবের কিঞ্চিৎ হলে সেই ছোঁয়া দিয়ে বড় করবো। কিন্তু অস্ট্রেলিয়াতে এই ক্ষেত আমি কোথায় পাবো।

আমি যে ক্ষেতের সন্ধান করছি এটা আমার পরিচিত সবাই জানতো। এমনই একজন পরিচিত মানুষ রামিন ফার্মের সন্ধান দিলেন। গিন্নিকে বলার সাথে সাথেই উনি রাজি হয়ে গেলেন। বললেন ভালোই হবে কিছু তরতাজা শাক সবজি কিনে আনা যাবে। যেই ভাবা সেই কাজ। এক শনিবার সকালে তাহিয়া আর রায়ানকে নিয়ে রামিন’স ফার্মে হাজির হলাম। তাহিয়া আর রায়ান খোলা জায়গা পেলেই খুশি হয় তার ওপর এখানে ভাগ ভাগ করে বিভিন্ন প্লটের মধ্যে বিভিন্ন শস্য দেখে খুশিতে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দিলো। আমি পরিচিত হলাম রামিন’স ফার্মের স্বত্তাধীকারি হারুন ভাইয়ের সাথে।

হারুন ভাইয়ের মুখে সারাক্ষণ হাসি লেগে থাকে ঠিক যেমন বাংলাদেশের কৃষকের মুখে হাসি লেগে থাকে সুখে দুঃখে সারাক্ষণ। হারুন ভাই বাংলাদেশের টাংগাইলের মানুষ। অস্ট্রেলিয়া এসে ইউনিভার্সিটি অব ওলোংগং থেকে ম্যানেজমেন্টে অনার্স মাস্টার্স করে পেইন্টার হিসেবে কাজ করেন। শখের বসে ২০১৬ সালে উনি এবং দু’জন বন্ধু মিলে সাড়ে চার একর জমির উপর ফার্মটা শুরু করেন। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন অস্ট্রেলিয়ার খুবই কম মাটি চাষাবাদের উপযোগী বেশিরভাগ মাটিই পাথুরে।

শুরু করার পর একটা বছর তখন পেরিয়ে গেছে কিন্তু লাভের কোন প্রকার দেখা নেই। উল্টো ঘরের থেকে পয়সা খরচ করে ফার্মের দেখাশোনা করতে হয়। তাই সংগত কারণেই উনার সাথের সবাই ফার্মের ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেললেন। কিন্তু হারুন ভাই লেগে থাকলেন। কারণ, উনি ফার্মের সময়টা খুবই উপভোগ করেন। তাই ভাবির কষ্ট হলেও হারুন ভাইয়ের এই ব্যাপারটা মেনে নিলেন। অস্ট্রেলিয়াতে সাপ্তাহিক দিনগুলোতে মানুষ এতই ব্যস্ত থাকে যে, নিশ্বাস ফেলার সময় থাকে না। তাই সবাই সপ্তাহান্তের দিনগুলো পরিবার ও বাচ্চাদের সাথে কাটায়। কিন্তু হারুন ভাই সেটা না করে সেই সাত সকালে ক্ষেতে এসে হাজির হোন। ভাবি দুই বাচ্চা নিয়ে হিমসিম খাওয়া শুরু করলেন তার উপর তখন উনার গর্ভে বেড়ে উঠছে উনাদের তৃতীয় সন্তান। তবুও ভাবি দাঁতে দাঁত চেপে হারুন ভাইয়ের সমস্ত পাগলামি মেনে নিয়েছিলেন। হারুন ভাই সেই সকালে অবার্ন থেকে লেপিংটনে ফার্মের উদ্দেশে রওয়ানা দেন।

অবার্ন থেকে লেপিংটনে যেতে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ড্রাইভ করতে হয় তবুও উনি হার মানার পাত্র নন। ইতোমধ্যেই উনি পাশে পেয়েছেন আরও কিছু বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী যারা বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন যেমন একবার দেশে উনার বাবা অসুস্থ হলে উনাকে বেশ কিছুদিনের জন্য দেশে যেতে হয়েছিল, তখন তারা ক্ষেতে পানি দেয়ার কাজটা করে দিয়েছিল।

তাহিয়াও খুশি হয় কারণ সে আমার সাথে মাঝেমধ্যে ক্ষেতে নামে লাল শাক, পুঁই শাক তুলতে। আমি কেটে দেই আর ও সেটা ওর হাতে ধরা পলিথিনে রাখে। এছাড়াও আমি গ্রামের ছেলে বলে ক্ষেতের মধ্যে আগাছা হিসেবে হওয়া আরো কিছু শাক আবিষ্কার করেছি। যেমন বৈথার শাক, নোনতা শাক ইত্যাদি।

রামিন’স ফার্ম নিয়ে আমাদের উচ্ছ্বাসের শেষ নেই। শনিবার এলেই তাহিয়া জিজ্ঞেস করতে থাকে আমরা আজ রামিন’স ফার্মে যাবো কিনা। এর অন্যতম কারণ, রামিন’স ফার্ম সাধারণত শনিবার সকালের সময়টা খোলা থাকে। আপনিও যদি তরতাজা সবজি একেবারে ক্ষেত থেকে সঠিক দামে পেতে চান তাহলে চলে যান লেপিংটনের রামিন’স ফার্মে। রামিন’স ফার্মে যেয়ে আমি বেশ কিছু মানুষের সাথে পরিচত হয়েছি যারা আমাদের মা-বাবার বয়সী। উনারা এসেই ক্ষেতের মধ্যে বসে পড়েন ধুলো ময়লার পরোয়া না করে। দৃশ্যটার মধ্যে এমন একটা অকৃত্রিমতা আছে যে আমি আর চোখ ফেরাতে পারি না।

তবে রামিন’স ফার্মে গেলে ক্ষেতে ঢোকার আগে হারুন ভাইয়ের অনুমতি নিয়ে নেয়া ভালো কারণ ক্ষেতের মধ্যে আমি বিছুটি গাছ দেখেছি যেটা আপনার গায়ে লাগলে ভয়ংকর চুলকানি শুরু হবে। আর হারুন ভাই বললেন উনি একদিন একটা বড় সাপও দেখেছেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

নানিয়ারচরের আম যাচ্ছে ইতালি-যুক্তরাজ্যে

লেখক

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় এবার আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। করোনার এই সংকটের মধ্যেও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে এ উপজেলার আম বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। খবর বাসসের

‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের’ পরিচালক মো. মেহেদী মাসুদ জানান, নানিয়ারচরের বগাছড়ি থেকে এবার ২ হাজার ৬০০ কেজি ল্যাংড়া, হিমসাগর ও আম্রপালি জাতের আম ইতালিতে এবং ৪০০ কেজি আম যুক্তরাজ্যে রপ্তানি করা হয়েছে। আরও ৮ হাজার ৫০০ কেজি আম রপ্তানির আদেশ পাওয়া গেছে।

এদিকে চীনেও আম রপ্তানির জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এ মৌসুমে প্রায় ৭০-৮০ টন রপ্তানিযোগ্য আম এ উপজেলা থেকে সরবরাহ করা যাবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের’ সহযোগিতায় এ উপজেলায় ল্যাংড়া, হিমসাগর, আম্রপালি, মল্লিকাসহ অন্যান্য জাতের আমের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অথচ, কিছুদিন আগেও এলাকার চাষিরা আমে পোকা-মাকড়ের উপদ্রব, কম ফলন এবং পরিচর্যার অভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় আম চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন।

‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের’ পরিচালক মো. মেহেদী মাসুদ জানান, এ প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় হর্টিকালচার সেন্টার এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট আম চাষিদের বাগানের নিবিড় পরিচর্যা, সার ও বালাইনাশক প্রয়োগসহ অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। এতে এ এলাকার আম বাগানের অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে এবং রপ্তানিযোগ্য আমের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রকল্প এলাকার কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রকল্পের নিজস্ব ট্রাক এর মাধ্যমে আম পরিবহন করা হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প’ এর মাধ্যমে দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

ছোট কাঁঠাল উদ্ভাবনের পরামর্শ দিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী

লেখক

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

অপচয় রোধে ছোট জাতের কাঁঠাল উদ্ভাবনের জন্য বিজ্ঞানী ও গবেষকদের পরামর্শ দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রূপান্তর কৃষিতেই বেশি হয়েছে। ওখান থেকে অন্যান্য ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন উৎপাদন পরবর্তী খাদ্যের অপচয় কীভাবে কমানো যায়, এ বিষয়ে গবেষণা করা উচিত। এ সময় কাঁঠাল ও কচুরীপানা নিয়ে গবেষণা করারও আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহবান জানান মন্ত্রী। অর্থনীতি ও পরিকল্পনায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অনুষ্ঠানে রিসোর্স ডেভলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ পদক দেয়া হয় সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড.শামসুল আলম ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম,এ,রহিমকে। এছাড়া চার শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়। রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (আরডিএফ) এ অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফুল হাসান। আরডিএফের চেয়ারম্যান ড.লুৎফান হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সংস্থাটির কো-চেয়ার লুৎফর রহমান, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.কামাল উদ্দিন আহাম্মদ।

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায়ই ক্ষোভ প্রকাশ করেন, কেন দেশে আরও বেশি গবেষণা হচ্ছে না। গবেষণার জন্য সরকার উন্মুখ হয়ে আছে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে মানসম্মত গবেষণা হয়। এসময় তিনি উপস্থিত গবেষকদের কাছে জানতে চান, কচুরিপানা দিয়ে কিছু করা যায় কি না। কচুরিপানার পাতা। মানুষের খাবার উপযোগি করা যায় কি-না এ নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। সেই সঙ্গে কাঁঠালের আকার ছোট এবং গোল করা যায় কিনা সেটি নিয়েও গবেষণা করতে বলেন। যাতে কাঁঠালের আকার সুন্দর করা যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com