আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

সম্প্রসারিত হচ্ছে হাইড্রোপনিক ঘাস উৎপাদন প্রযুক্তি। বিসিএসআইআর এর সহযোগিতায় বিশ্বমানের এমন প্রকল্প গড়ে তুলেছেন নারায়ণগঞ্জের এক উদ্যোক্তা। দেশীয় পদ্ধতি অনুসরণ করে অল্প ব্যয়ে হাউড্রোপনিক ঘাস উৎপাদনের দৃষ্টান্তও গড়েছেন অনেকে।

আমেরিকার ফডারটেক কোম্পানির কারিগরি সহায়তায় ঢাকার সায়েন্স ল্যাবরেটরি গত বছর গড়ে তোলে হাইড্রোপনিক ঘাস উৎপাদনের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত এই প্রকল্প। এখান থেকেই উদ্বুদ্ধ হয়ে এমন প্রকল্প গড়ে তুলেছে নারায়ণগঞ্জের ফরাজিকান্দার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা তৌফিকুজ্জামান আজমান।

প্রকল্পটি ব্যয়বহুল হলেও এর বহুমুখি উপকারি দিক ইতোমধ্যেই ধরা দিয়েছে এই উদ্যোক্তার কাছে।

এদিকে এত ব্যয় না করেও একইরকম ঘাস উৎপাদনে সাফল্য দেখিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের সমন্বিত সৌখিন খামারি হারুণ অর রশীদ। ঘাস উৎপাদনে এমন সাফল্য গড়েছে পিরোজপুরের আলমগীর হোসেন, যশোরের রিয়াজ মেহমুদ খানসহ দেশের অনেকেই।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোবিজ

পাঁচ লাখ টন মজুদ থাকার পরও পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন

দুই সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কাঁপুনি ধরিয়েছে ক্রেতার পকেটে। গত মাসের শেষ দিকে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা থাকা নিত্যপণ্যটি দাম বেড়ে এখন ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এই দাম বৃদ্ধির পেছনে যৌক্তিক কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছে না ক্রেতা। খোদ বাণিজ্যমন্ত্রী বলছেন দেশে পাঁচ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে, যা দিয়ে আগামী তিন মাস চাহিদা মেটানো যাবে।

পেঁয়াজই নয় শুধু, দাম বৃদ্ধির দৌড়ে আছে চাল, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেলসহ আরও কয়েকটি নিত্যপণ্য। অল্প দিনের ব্যবধানেই দফায় দফায় বাড়ছে এসব পণ্যের দাম। খোদ রাষ্ট্রায়ত্ত ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি এক প্রতিবেদনে বলছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম একমাসে প্রায় ১৯.৬৪ শতাংশ বেড়ে গেছে। একমাসের ভেতর দ্রব্যমূল্যের দাম এর আগে কখনোই এতটা বাড়তে দেখা যায়নি বলেও দাবি সংস্থাটির।

প্রশ্ন উঠেছে, তিন মাসের পেঁয়াজ মজুদ থাকার পরও কেন বাড়ছে দাম? যেখানে মধ্য সেপ্টেম্বরেও সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ছিল পেঁয়াজের কেজি সেখানে গত দুই সপ্তাহ ধরে ৭০ থেকে ৮০ টাকা ছাড়া মিলছে না নিত্যপণ্যটি। অবশ্য পেঁয়াজের দাম আপাতত আর বাড়বে না বলেই অভয় দিয়েছেন বাণিজ্য সচিব। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এনবিআরকে পেঁয়াজের ওপর শুল্ক প্রত্যাহারে অনুরোধও জানানো হয়েছে।

সোমবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ, সরবরাহ, আমদানি, মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে এক সভায় নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে এই মুহূর্তে পাঁচ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে, যা দিয়ে আগামী আড়াই থেকে তিন মাস চলতে পারে।’

পেঁয়াজসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সব ধরনের চেষ্টা চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা চারদিক থেকে চেষ্টা করছি যাতে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যতদিন পর্যন্ত আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ না হবো, ততদিন পর্যন্ত কখনো কখনো আমাদের মূল্য নিয়ে ক্রাইসিসে পড়তে হবে।’

যদিও পেঁয়াজের দাম কবে নাগাদ সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে বাণিজ্যমন্ত্রী ও সচিব বলতে পারেননি। অবশ্য আরেক অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক পেঁয়াজের দাম ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে কমে আসবে বলে জানিয়েছেন।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম সত্যিই অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। তাই কথা বলার চেয়ে এগুলো নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা যায় সেদিকে মন দিতে হবে দায়িত্বশীলদের।’

দুদকের সাবেক এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে আমরা বারবার বলে আসছি। বিশেষ করে পেঁয়াজ নিয়ে এমন কিছু হবে এটা অনেকেই আশঙ্কা করেছিল। উচিত ছিল ভারত ছাড়া অন্য উৎসগুলো থেকে আগেভাগে পেঁয়াজ আমদানি নিশ্চিত করা।’

পেঁয়াজ নিয়ে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস প্রতি বছরই ওঠে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ভারত রপ্তানি বন্ধ করায় দেশের পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। দফায় দফায় বেড়ে তখন পণ্যটির দাম কেজি প্রতি ৩০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছয়। তবে বিকল্প উৎস থেকে সরকারি ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে আমদানি করে সেবার পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।

দুই সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার কারণ নিয়ে কৃষিমন্ত্রীর ভাষ্য, পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে সেই এপ্রিল মাসে, এত দিন পর্যন্ত পেঁয়াজ থাকে না। তাই কৃষকেরা সব বিক্রি করে দেন। পেঁয়াজ পচনশীল ও মজুদ রাখার তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। আর একারণে মৌসুমের শেষের দিকে বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়।

গত রবিবার এক অনুষ্ঠানে দাম কমার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন ও আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে আসার পরপরই আগামী ১৫ থেকে ২০ দিন পর দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

অবশ্য বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কিছুটা ভিন্ন কারণ দেখিয়েছেন। তিনি বলছেন, ‘যতদিন পর্যন্ত আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ না হবো, ততদিন পর্যন্ত কখনো কখনো আমাদের মূল্য নিয়ে ক্রাইসিসে পড়তে হবে। এছাড়া বৃষ্টিজনিত কারণে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে।’

পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে সব ধরণের চেষ্টার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারত ছাড়া মিয়ানমার থেকে যদি পেঁয়াজ আনা যায়, তাহলে কিন্তু এত প্রেশার (চাপ) পড়ার কথা না। গত বছরের তুলনায় এবছর অন্তত এক লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন বেশি হয়েছে।’ শুধু পেঁয়াজ নয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে ১৭টি পণ্য রয়েছে সেগুলোর মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি মনিটর করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে পেঁয়াজ উৎপাদন কম হয় জানিয়ে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ জানান, নভেম্বরের মাঝামাঝি বা শেষে বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসবে। ভারতের বেঙ্গালুরুতে অতিবৃষ্টির কারণে সেখানকার বাজারে দাম বেড়ে গেছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, সেটার প্রভাবে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিছু ভারতের দাম বাড়ার জন্য এবং কিছু আশঙ্কা থেকে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তিন মাসের পেঁয়াজ মজুদ থাকার পরও দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা নিয়ে জানতে চাইলে ক্যাব চেয়ারম্যান গোলাম রহমান ঢাকা টাইমসকে বলেন, মন্ত্রী হয়তো ধারণা করে বলেছেন। যে পেঁয়াজ আছে সেটা তো কৃষকের ঘরে। এখন কৃষক কয় টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি করবে সেটা তার বিষয়। এজন্য বিপদের আগেই স্বল্প মেয়াদে একাধিক উৎস থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। দেশে পেঁয়াজের উৎপাদনশীলতাও বাড়াতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ভোজ্যতেলের দাম ফের বাড়ছে

প্রতি লিটার বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম ৭ টাকা করে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নিত্যপণ্যের মজুদ পরিস্থিতি, আমদানি ও দাম নির্ধারণ সংক্রান্ত বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়।

বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, ওনাদের (তেল ব্যবসায়ী) প্রস্তাব ছিল বোতলজাত লিটারপ্রতি তেল ১৬৮ টাকা করার। ট্যারিফ কমিশন একাধিকবার বসে অ্যানালাইসিস করে ১৬২ টাকা প্রস্তাব করেছে। এটা ছিল সেপ্টেম্বর মাসের অ্যাভারেজ রিপোর্ট। আজ দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে প্রতি লিটার বোতলজাত তেলের দাম ঠিক করা হয়েছে ১৬০ টাকা, যেটার আগে দাম ছিল ১৫৩ টাকা।

বর্তমানে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি কেজি ১২৯ টাকা। ৭ টাকা দাম বাড়িয়ে ১৩৬ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব জানান, ৫ লিটারের বোতল ৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৬০ এবং পাম তেল ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৯ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এই প্রস্তাব বাণিজ্য সচিবের কাছে উপস্থাপন করা হবে উল্লেখ করে সফিকুজ্জামান বলেন, মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে দাম চূড়ান্ত করে জানিয়ে দেওয়া হবে। পরে তেল ব্যবসায়ীরা তাদের প্যাডে এটি ঘোষণা করবেন।

পেঁয়াজের বাজার অস্থির ছিল উল্লেখ করে অতিরিক্ত সচিব বলেন, গত এক সপ্তাহে আমরা স্পেশাল ফোকাস দিয়েছি। আল্লাহ রহম করেছেন, পেঁয়াজের বাজারটা মোটামুটি ভালো পর্যায়ে নিয়ে আসতে পেরেছি।

চিনির রেগুলেটরি ডিউটি কবে থেকে কার্যকর হচ্ছে তা এসেসমেন্ট করে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ডিমের দাম বাংলাদেশে কারা নির্ধারণ করে এবং কীভাবে?

বাংলাদেশে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে প্রতিদিন সকালে দাম নির্ধারণ করা এমন একটি পণ্য হল ডিম।

অনেকের সকালের নাস্তায় যেমন ডিম থাকে অনিবার্য, তেমনটা ডিমের বাজারে এই ডিম কত টাকায় বিক্রি হবে সেটাও ঠিক হয়ে যায় সকালেই।

ঢাকার অন্যতম বৃহৎ ডিম সমিতি ‘তেজগাঁও ডিম সমিতি’র সদস্য নাহিদ হাসান বলেন “ঢাকায় মানুষ রাতে কেনাকাটা করে। রাতে আমরা বাজারের অবস্থা বুঝতে পারি। সেই অনুযায়ী পরের দিনের দাম নির্ধারণ করা হয়।”

তিনি বলেন সারা বাংলাদেশে যারা ডিমের ব্যবসা করে পাইকারি পর্যায়ে তাদের ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়।

“যখন বাজারে একটু টান পড়ে, তখন আমরাও একটু দাম বাড়িয়ে দিই। চাহিদা বেশি, দাম বেশি। কারণ ডিম তো রাখতে পারবো না। গরমে নষ্ট হয়ে যাবে,” বলেন মি. হাসান।

ডিমের দাম নির্ধারণের আরেকটা বড় জায়গা রাজশাহী।

জামালপুরে ডিম ভাজি করা হচ্ছে
ছবির ক্যাপশান,ডিমের উপকারিতা নির্ভর করে ডিম কীভাবে রান্না করা হচ্ছে তার উপর

চাহিদা হিসাবে মূল্য

রাজশাহীর মোসলেমের মোড়ে ডিম আড়ত সমিতির সভাপতির দোকান রয়েছে।

সভাপতি জয়নাল আবেদিন বিবিসিকে বলেন, ডিমের চাহিদার উপর ডিমের দাম নির্ভর করে। তবে ঢাকার চাহিদা, স্থানীয় মার্কেটের চাহিদা এই সব কিছু হিসেব করে ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয়।

“সকাল আটটার দিকে বোঝা যায় দাম কেমন হবে। তবে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে সব আড়তদারদের কাছে জানিয়ে দেয়া হয়”।

“যেমন গতকাল একশটা ডিমের দাম ছিল ছয়শ’ টাকা ৬০পয়সা। সাধারণ একটা ডিমের দাম ১০ পয়সার মত ওঠানামা করে। আজ শুক্রবার একশটা ডিমের দাম হবে ছয়শ’ টাকা ৮০পয়সা” বলেন তিনি।

রাজশাহীতে বড় আড়তদার আছেন ৩০জন। তারা নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করেন।

ডিমের চাহিদা বেশি নাকি কম সেটা তারা জানান।

মি.আবেদিন বলেন “আমি তখন বাজার বিচার-বিবেচনা করে চাহিদা বেশি থাকলে একশটা ডিমের দাম ২০টাকা বাড়িয়ে দিই। চাহিদা কম থাকলে ২০টাকা কমিয়ে দিই”।

“ধরেন একশটা ডিম ছয়’শ টাকা ৬০ পয়সা করে আমরা আনি খামারিদের কাছ থেকে। এর পর আমরা ২০ পয়সা কমিশন রেখে পার্টির কাছে বেচি।”

তবে খুচরা পর্যায়ে যারা বিক্রি করেন তারা নির্ধারিত দামের সঙ্গে নিজেদের লাভ যোগ করে বিক্রি করেন।

“পুরো রাজশাহী বিভাগে আমি যে রেট ঠিক করে দেব সেই রেটে সবাই খামারিদের কাছ থেকে কিনবে। পরে তাদের যাতায়াত খরচ, অন্যান্য খরচ মিলিয়ে হয়ত ২০,৩০,৪০ পয়সা বেশিতে বিক্রি করবে”।

কিশোরগঞ্জ থেকেও ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয়। কিশোরগঞ্জের ডিম ব্যবসায়ীদের যে সমিতি সেখানকার একজন সদস্য মাহাবুবুর রহমান বলেন, সারা দেশে যেখান থেকে তারা কম দামে ডিম পান সেখান থেকেই ডিম সংগ্রহ করেন।

ডিম খাওয়া ভাল কী ভাল না এনিয়ে বিতর্ক বহুদিনের
ছবির ক্যাপশান,ডিম খাওয়া ভাল কী ভাল না এনিয়ে বিতর্ক বহুদিনের

বাংলাদেশে ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয় ঢাকা, রাজশাহী এবং কিশোরগঞ্জ থেকে।

ডিম ব্যবসায়ী মাহাবুবুর রহমান বলেন, সব জায়গাতেই স্থানীয় পর্যায়ে ডিম সংগ্রহ করেন আড়তদাররা। কিন্তু এই তিনটা স্থানে সবচেয়ে বেশি ডিম সংগ্রহ করা হয় এবং ফলে মার্কেট পর্যালোচনা করা হয় এই তিনটি জায়গাতে।

“ঢাকা, রাজশাহী এবং কিশোরগঞ্জের আড়তদাররা কত টাকায় খামারিদের কাছ থেকে ডিম সংগ্রহ করছেন সেটার একটা মূল্যায়ন করা হয়। আবার বাজারে চাহিদা কেমন আছে সেটাও দেখা হয়। এই দুইটা দিকে দেখে ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয়।”

তবে তিনি বলেন এই দামে গ্রাহকরা ডিম পান না। “কারণ তারা কেনেন খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। খুচরা ব্যবসায়ীরা নিজেদের খরচ রেখে দাম কিছুটা বাড়িয়ে বিক্রি করেন।”

ডিমের উৎপাদন বাড়ছে

এদিকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে গত ১০ বছরে বাংলাদেশে ডিমের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯ সালে বাংলাদেশে ডিমের উৎপাদন ছিল ৫৭৪.২৪ কোটি এবং ২০১৯-২০ সালে এ পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ৭৩৬ কোটিতে।

আজ শুক্রবার বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ডিম উৎপাদনের যে হিসাব দিয়েছে, সেই হিসাব অনুযায়ী ২০৩১ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ডিমের বার্ষিক উৎপাদন দাঁড়াবে প্রায় ৩২৯৪ কোটিতে এবং ২০৪১ সাল নাগাদ ৪৬৪৯ কোটিতে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

রেশম শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে ৩০ জেলায়

সিল্কের হারানো অতীত ফিরিয়ে আনতে দেশের ৩০ জেলার ৪২ উপজেলায় রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ চায় সরকার। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশে রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা (দ্বিতীয় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প নিয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। ৪৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে রেশম উন্নয়ন বোর্ড।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

রেশম শিল্প বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশের প্রায় ছয় লাখ চাষি রেশম শিল্পের সঙ্গে জড়িত, যার মধ্যে এক লাখ রেশম গুটি উৎপাদক।

সরকারি অর্থায়নে হওয়া প্রকল্পটি চলতি বছরের জুলাইয়ে শুরু হয়ে ২০২৪ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক শ্যাম কিশোর রায় জাগো নিউজকে বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে রেশম চাষ ও শিল্পের সম্প্রসারণ এবং উন্নয়নের পাশাপাশি গুণগতমান রেশম গুটি ও রেশম সুতার উৎপাদন বাড়বে।

রেশম শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে ৩০ জেলায়

তিনি বলেন, এ সেক্টরে দক্ষ লোকের অভাব আছে। প্রকল্পের ফলে রেশম চাষ ও শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রেশম সেক্টরে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এছাড়া সুযোগ সৃষ্টি হবে বেকার জনগোষ্ঠী ও নারীর কর্মসংস্থানের। ফলে দারিদ্র্য বিমোচন ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির ওপর চলতি বছরের ২৫ মার্চ প্রকল্প মূল্যায়ন সভা (পিইসি) অনুষ্ঠিত হয়। কিছু শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে পিইসি সভায় সুপারিশ করা হয় প্রকল্পটি অনুমোদনের। গত ৩০ জুন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পিইসি সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকল্প পরিকল্পনা পাঠায় পরিকল্পনা কমিশনে। তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।

রেশম বোর্ড জানায়, বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রায় ৮০টি ছোট ও মাঝারি রেশম কারখানা রয়েছে। এখনো এ শিল্পের কাঁচামালের সিংহভাগ আমদানি করা হয়।

রেশম শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে ৩০ জেলায়

বার্ষিক চাহিদা পূরণের জন্য আমদানি করা হয় প্রায় ৫শ মেট্রিক টন কাঁচা রেশম। স্থানীয়ভাবে পূরণ করা যায় চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশ। রেশম শিল্পের বিপ্লব ঘটাতে স্থানীয়ভাবে রেশমের চাহিদা পূরণের বিকল্প নেই বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগেও রেশম শিল্পের উন্নয়নে একই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর আলোকে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) সূত্রে জানা যায়।

এরই মধ্যে ‘বাংলাদেশে রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পটির সমাপ্তি মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে আইএমইডি।

প্রকল্পটির পরিচালক মৌসুমী জাহান কান্তা জাগো নিউজকে বলেন, প্রকল্পের ডিপিপি হয়েছে। এখন অনুমোদনের অপেক্ষায়।

রেশম শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে ৩০ জেলায়

প্রকল্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, হতদরিদ্র, ভূমিহীন ও নারীদের রেশম চাষে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই প্রকল্পটির মাধ্যমে। এছাড়া প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রেশম চাষে সক্ষমতা বৃদ্ধি, রেশম গুটি ও কাঁচা রেশমের উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে দেশীয় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

দেশে তুঁত চাষ বাড়ানো ও বাণিজ্যিকভিত্তিতে রেশমের উৎপাদন বাড়াতে ফার্মিং পদ্ধতিতে রেশম চাষ সম্প্রসারণ করা প্রকল্পের উদ্দেশ্য বলেও জানান তিনি।

জানা যায, এক সময় রেশম সুতা থেকে শুধু শাড়ি তৈরি হলেও এখন পণ্যের বৈচিত্র্য ও ডিজাইনের বিস্তৃতি ঘটেছে। সব বয়সী ও শ্রেণির মানুষের পরার উপযোগী নানা ধরনের রেশম বস্ত্র তৈরি হচ্ছে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও ও গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানায়। এছাড়া রেশম চাষ পৌঁছে গেছে পার্বত্য চট্টগ্রামেও।

রেশম শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে ৩০ জেলায়

রাজশাহীতেই উৎপাদিত হয় দেশের সিংহভাগ রেশমপণ্য। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদর দপ্তরও সেখানে। রাজশাহী শিল্ক দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী একটি ঐতিহ্যের নাম হয়ে উঠেছে। এই বছরের ২৬ এপ্রিল রাজশাহী সিল্ক বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসে ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য (জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন্স) হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেয়েছে।

প্রকল্পটি নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) শরিফা খান বলেন, প্রকল্পটি রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৩০টি জেলার ৪২টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। চলতি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্তি ও বরাদ্দ প্রস্তাবিত প্রকল্পটি চলতি বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে। এর মাধ্যমে রেশমপণ্য বাজারজাতকরণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশি সিল্কের বাজার পরিধি ও চাহিদা যেমন বাড়বে, তেমনি বিশ্ববাজারে পণ্যটি হয়ে উঠবে ঐতিহ্যের অঙ্গ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

৩০ অক্টোবরের মধ্যেই আমদানির চাল বাজারে ছাড়ার নির্দেশ

সরকার আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যেই আমদানির চাল বাজারে আনার চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছে। আমদানির চাল বাজারে আনার সময় আর না বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) সরকারি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে- বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যেসব আমদানিকারক এলসি খুলেছেন কিন্তু এখনও চাল বাজারজাত করতে পারেননি তাদের এলসিকৃত চাল বাজারজাত করার লক্ষ্যে আগামী ৩০ তারিখ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হলো। এই সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না। 

উল্লেখ্য, চালের বাজারের লাগাম টানতে শুল্ক কমিয়ে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। চাল আমদানিতে শুল্ককর কমানোর অনুরোধ জানিয়ে গত ৬ জুলাই এনবিআরকে চিঠি দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়। এরপর গত ১২ আগস্ট চাল আমদানির শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করে এনবিআর। এ সুবিধা ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বহাল থাকবে।

গত ১৭ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৪১৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৬ লাখ ৯৩ হাজার টন সেদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির অনুমতি দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ লাখ টন চাল আমদানি করা হয়েছে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com