আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

জীবনে সফল হতে এই ১২টি কাজ করুন

জীবনে সফল হতে এই ১২টি কাজ করুন
জীবনে সফল হতে এই ১২টি কাজ করুন

আদর্শ জীবন ধারণ অসম্ভব নয়। যে যেভাবে চান সেভাবেই জীবন ধারণ করতে পারেন। আপনি যেভাবে জীবন ধারণ করছেন তা আপনি পছন্দ করেন বা না-ই করেন, রাস্তা কিন্তু আপনিই পছন্দ করেছেন। হয়তো আপনার আদর্শ জীবন ধারণের উপায়গুলো সম্পর্কে জানা ছিল না। বর্তমান জীবন নিয়ে অতিষ্ঠ। চলুন জেনে নেই আদর্শ জীবনযাপনের ১২টি উপায় বা পদ্ধতি।

১. আদর্শ জীবনযাপন সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন: শুরু করার আগে নিজেকে দুটি প্রশ্ন করুন, প্রথমটি ‘আমি আমার জীবনকে কী রকম দেখতে চাই?’ আরেকটি ‘সে জীবনে আমি কার মতো হতে চাই?’ প্রশ্ন দু’টির উত্তর যতটুকু সম্ভব সততা এবং ভালোভাবে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। কারণ উত্তরগুলোর মাধ্যমেই আপনি জানতে পারবেন জীবনে কী চান এবং কী হতে চান? তবে এটা মাথায় রাখবেন, আপনি যে জীবন ধারণের কথা চিন্তা করছেন, তার জন্য আপনার বর্তমান ব্যক্তিত্ব পরিবর্তিত হয়ে নতুন একটি ব্যক্তিত্ব তৈরি হবে। এটি বলার কারণ, অনেকেই পরিবর্তন মেনে নিতে পারেন না। তাই ভালোভাবে ভেবে নেবেন নতুন ব্যক্তিত্বের জন্য আপনার কী কী যোগ্যতা থাকা উচিত।

২. অপ্রয়োজনীয় ব্যাপারগুলো বাদ দিন: এ কাজটি না করলে সামনে এগোতে পারবেন না। কারণ আপনার বর্তমান জীবনে এমন অনেক অপ্রয়োজনীয় ব্যাপার আছে, যা আপনাকে সামনে এগোতে বাধা দিচ্ছে। হতে পারে সেটা কোন মানুষ, চিন্তা, অভ্যাস কিংবা ঘটনা। আপনার আদর্শ জীবনে কী থাকবে আর থাকবে না তার সিদ্ধান্ত আপনি নেবেন।

৩. নিজের সেরাটা খুঁজে বের করুন: যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোনো অপ্রয়োজনীয় ব্যাপার জীবন থেকে বাদ দেবেন; তখন আরেকটি ছোট কাজ করতে হবে, যা আপনার ব্যক্তিত্বের উন্নতি ঘটাবে। খুঁজে বের করতে হবে আপনি কোন কাজে সেরা? তার জন্য আপনাকে বিভিন্ন কাজ করে যেতে হবে। হয়তো ব্যর্থ হবেন অনেকবার। কিন্তু ব্যর্থ না হলে জানতে পারবেন না কোথায় সেরা। পরীক্ষা করতে থাকুন খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে ঘুম, কোন কিছু বাদ দেবেন না। দিনের কোন সময়ে সবচেয়ে বেশি কার্যদীপ্ত থাকেন, তা খুঁজে বের করুন।

জীবনে সফল হতে এই ১২টি কাজ করুন
জীবনে সফল হতে এই ১২টি কাজ করুন

৪. ভালো কিছু অভ্যাস গড়ে তুলুন: দৈনন্দিন কাজে কিছু ভালো অভ্যাস থাকা জরুরি। যেমন খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠা, প্রতিনিয়ত ব্যায়াম করা, সুস্বাদু খাবার খাওয়া এবং মেডিটেশন খুব ভালো অভ্যাস। এসব অভ্যাস গড়লে প্রতিদিন চাঙ্গা থাকবেন। মন থাকবে প্রাণবন্ত। কাজেও ভালো মনোযোগ থাকবে। আরেকটি জরুরি অভ্যাস করতে পারেন, তা হচ্ছে- পরের দিনের সূচি আগের রাতেই তৈরি করে রাখা। তাই দেরি না করে শুরু করে দিন।

৫. খুঁজে বের করুন আপনার প্যাশন: আপনার প্যাশন আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে। হতে পারে সেটা বাগান করা বা কোনো পোষা প্রাণিকে আদর করা, হতে পারে বন্ধুদের সাথে আড্ডা। প্যাশন সেটাই যা করতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করেন। কথা হলো, আপনি শুধু আপনার প্যাশন খুঁজে বের করবেন না, তা জীবনের অংশে পরিণত করবেন। দেখবেন আপনার জীবন আগের চেয়েও ভালো হয়ে যাবে।

৬. প্যাশনকে কাজে পরিণত করুন: যদিও খুব কঠিন কাজ। তবে বাস্তবতা হচ্ছে- আমরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ ও কষ্টে থাকি কর্মপরিবেশ ও কাজ নিয়ে। কারণ যা করছেন, সেটা আপনার প্যাশন নয়। আপনার প্যাশন আপনার কাজ হলে তা ভালোবাসা ও নিষ্ঠা দিয়ে করবেন। কাজ নিয়ে হতাশায় ভুগবেন না। লেখালেখি যদি আপনার প্যাশন হয়, তাহলে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কিছু লিখে ফেলুন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে প্রচারণার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করুন। যদি ঘুরতে ভালোবাসেন, তাহলে কাজের ফাঁকে ঘুরে আসুন। কিংবা বড় কোন ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি নিয়ে ঘুরতে পারেন দেশ-বিদেশ।

৭. কাজের সময় নির্ধারণ করে রাখুন: সফল জীবন পেতে অবশ্যই কাজের সময় নির্ধারণ করে রাখতে হবে। যদিও আমাদের দেশে কাজের সময় বলতে গেলে নির্ধারিত। তবুও দেখতে হবে আপনি সপ্তাহে কতটুকু কাজ করতে পারেন। হতে পারে সেটা দিনে ২ ঘণ্টা কিংবা ৪ ঘণ্টা। অবশ্যই তা হিসাব করে নেবেন।

জীবনে সফল হতে এই ১২টি কাজ করুন
জীবনে সফল হতে এই ১২টি কাজ করুন

৮. ভ্রমণ করুন: কম্পিউটারকে যেমন রিফ্রেস করে চাঙ্গা করা যায়, তেমনই একটু ভ্রমণ আপনার জীবনকে চাঙ্গা করে তোলে। বছরে অন্তত একটি ভ্রমণ অবশ্যই করবেন। এতে জীবনের একঘেয়েমি কেটে যাবে। আপনার জীবন যাতে এক জায়গায় থেমে না যায়, সে জন্যই ভ্রমণ করবেন।

৯. শখ থাকা ভালো: শখ যে কোন কিছুরই হতে পারে। টেলিভিশনে অনুষ্ঠান দেখা, বই পড়া, গাছ লাগানো, ফুলের বাগান করা, ভ্রমণ করা কিংবা কোন সুস্বাদু খাবার খাওয়াও শখ হতে পারে। জীবনে শখ থাকা ভালো।

১০. নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন: মনে রাখবেন, প্রতিটি দিন একটি নতুন দিন। তাই নতুন কিছু শেখার জন্য সবসময় নিজেকে প্রস্তুত রাখবেন। অহংকার ও দাম্ভিকতায় নিজেকে ভাসিয়ে দেবেন না। আপনি জানেন না এমন অনেক কিছুই আছে। নতুন কিছু জানার ও শেখার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকবেন।

জীবনে সফল হতে এই ১২টি কাজ করুন
জীবনে সফল হতে এই ১২টি কাজ করুন

১১. নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন: আপনি যে কাজগুলো করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না, সেগুলো করার চেষ্টা করবেন মাঝে মাঝে। অপরিচিত লোকের সাথে কথা বলা, নতুন কোনো খেলা, নাচানাচি এরকম অনেক কিছু। এতে আপনার ওই বিষয়গুলো সম্পর্কে নতুন নতুন ধারণা হবে।

১২. দান করুন ও কৃতজ্ঞ থাকুন: দান করলে মন পবিত্র হয়। দান বলতে শুধু টাকা-পয়সা, জামা-কাপড় এমন কিন্তু নয়। আপনার জ্ঞান দান করতে পারেন মানুষকে। আবার আমাদের কাছে এমন অনেক বস্তু থাকে, যা আমরা ব্যবহার করি না। সেগুলো দান করে দিতে পারি। দানের পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা প্রকাশে কার্পণ্য করবেন না। সাহায্যকারীকে মন খুলে ধন্যবাদ দিন। আপনার জীবনে যা আছে, তা হয়তো অন্য অনেকের কাছে নেই। সে জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন।

একটি সফল জীবন গড়ে তুলতে হয়তো আপনার একটু সময় লাগবে। কিন্তু তা অসম্ভব নয়। বাস্তবে যে কেউ তার জীবনকে সফল হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে হবে।

দৈনন্দিন

যেভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন প্রতিদিনের বাজার

লেখক

যেভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন প্রতিদিনের বাজার
যেভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন প্রতিদিনের বাজার

দৈনন্দিন কিছু বাজার প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে শাকসবজি, মাছ-মাংস অন্যতম। আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তাতে নানা রকমের রাসায়নিক যেমন- কীটনাশক, ফরমালিন মেশানো থাকে। সেই সঙ্গে থাকে ক্ষতিকারক ধুলাবালি ও ময়লা। এগুলোর সঙ্গে রোগ বহনকারী জীবাণু মিশে থাকে। 

রাসায়নিক (ফরমালিন) বা কীটনাশক ব্যবহারের ফলে কাঁচা শাকসবজি দেখতেও অনেক তরতাজা মনে হয়, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যদিও আমরা স্বাভাবিকভাবে কাঁচা শাকসবজি ও ফলমূল পানি দিয়ে ধুয়ে খাই কিন্তু শুধু পানি দিয়ে ধুয়ে খেলে খাবারের ওপর কঠিনভাবে লেগে থাকা দূষিত উপাদান পুরোপুরি সরে যায় না। এর ফলে নানা রোগের সঙ্গে করোনাভাইরাসেও আক্রান্ত হতে পারি আমরা। 

বাজারে শাকসবজি জীবাণুমুক্ত করতে পাওয়া যাচ্ছে ক্লিনআভা। এটি শাকসবজি ও ফলমূল থেকে রাসায়নিক (ফরমালিন, কীটনাশক ইত্যাদি), ক্ষতিকর পদার্থ (ধুলাবালি ও ময়লা) ও রোগ বহনকারী জীবাণু দূর করে খাবারকে বিশুদ্ধ করে। খাবার নিরাপদ করে। এটি বিসিএসআইআরের উদ্ভাবিত একটি ফর্মুলা। 

ক্লিনআভা দিয়ে আপনার খাবার ভালো করে কচলে ধুয়ে নেবেন। এটি দিয়ে ধোয়ার ফলে খাবারের সারফেস পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে যায়। এটার পদ্ধতি হলো একটি পাত্রে এক লিটার পানিতে ২ মিলি ক্লিনআভা মিশিয়ে দিতে হবে। এতে ১ কেজি সমপরিমাণ শাকসবজি ও ফলমূল ২০-৩০ মিনিট ডুবিয়ে রেখেই জীবাণুমুক্ত করা যাবে। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে আবার ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পানি, ক্লিনআভা, শাকসবজি ও ফলমূল তিনটি ১:২:১ এই অনুপাত রাখতে হবে। 

ক্লিনআভা ছাড়াও শাকসবজি জীবাণুমুক্ত করা যায়। বাজার থেকে শাকসবজি আনার পর একটি বড় পাত্রে পানিতে ভিনেগার দিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে সেই শাকসবজি। ভিনেগার ভেজানো পানি থেকে উঠিয়ে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে সেটা ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনায় অনলাইনে খাবার অর্ডার করা কতটা নিরাপদ?

লেখক

করোনায় অনলাইনে খাবার অর্ডার করা কতটা নিরাপদ?
করোনায় অনলাইনে খাবার অর্ডার করা কতটা নিরাপদ?

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এখনও অনেক কিছু বন্ধ রয়েছে। এ কারণে অনেকেই অনলাইনে খাবারসহ অন্যান্য জিনিসপত্র অর্ডার করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাইরে থেকে আসা জিনিসপত্র থেকে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে। তাই, খাবার অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ হবে কিনা তা নিয়ে অনেকে সংশয়ে আছেন। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনও পর্যন্ত খাবার বা খাবার প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে করোনারভাইরাস সংক্রমণের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কারণ ভালোভাবে রান্না করা হলে এই ভাইরাস বেঁচে থাকে না, তাই অনলাইনে অর্ডার করা খাবার খেতে বাঁধা নেই। তবে ফুড প্যাকেজিংয়ের সংস্পর্শের কারণে সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও সম্ভাবনা আছে। তাই অনলাইন খাবার অর্ডার করলে কিছু বিষয় অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-

১. ডেলিভারির ক্ষেত্রে, ফুড ডেলিভারি দেওয়া ব্যক্তিকে খাবারটি দরজার বাইরে রাখার পরামর্শ দিন। 

২. ডেলিভারি দেওয়া ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। 

৩. খাবারের জন্য আনা ব্যাগটি বাইরেই রেখে দিন। প্যাকেটটি ভিতরে আনার আগে ব্যাগটি ডাস্টবিনে ফেলে দিন। খাবারটি একটি পরিষ্কার পাত্রে ঢালুন, প্যাকেটটি ডাস্টবিনে ফেলে দিন। 

৪. যদি খাবার গরম না থাকে তবে খাওয়ার আগে গরম করুন। হাত দিয়ে না খাওয়ার পরিবর্তে চামচ এবং কাঁটাচামচ ব্যবহার করা উচিত। ৫. ভালো করে হাত ধুয়ে ফেলুন। নিরাপদ থাকতে খাওয়ার  আগে ও পরে ভালোভাবে হাত পরিষ্কার করুন। প্যাকেটে হাত দেওয়ার পরেও  হাত পরিষ্কার করে ফেলুন। 

৬. অনলাইনে পেমেন্ট করুন। ক্যাশ অন ডেলিভারি পদ্ধতি এড়ানোর চেষ্টা করুন। আপনি যদি নগদ অর্থ প্রদান করেন তবে একবারে পুরো টাকা দেওয়ার চেষ্টা করুন, যাতে আপনাকে বিপরীত মানুষটির কাছ থেকে কোনও চেঞ্জ নিতে না হয়। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনা সংক্রমণের মধ্যে বাইরে খাওয়া কতটা নিরাপদ?

লেখক

করোনা সংক্রমণের মধ্যে বাইরে খাওয়া কতটা নিরাপদ?
করোনা সংক্রমণের মধ্যে বাইরে খাওয়া কতটা নিরাপদ?

লকডাউন শেষে অনেক রেস্তোরাঁ, দোকানপাট খুলেছে। যদিও  করোনা সংক্রমণ থামছে না। গত তিন মাস ধরে বাড়ির খাবার খেয়ে অনেকেরই স্বাদ বদলের ইচ্ছে হচ্ছে। অন্যদিকে করোনার ভয়ও আছে। অনেকেরই তাই  প্রশ্ন, এই সময় বাইরের খাবার খাওয়া এখন কি নিরাপদ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার নিয়ে ভয় নেই। কিন্তু খাবার তৈরির সময় কতটা স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে সেটাই প্রশ্ন। তাদের মতে,এ পর্যন্ত খাবার থেকে করোনা সংক্রমণের কোনও প্রমাণ মেলেনি।

অন্যদিকে বাইরে খাবার খেতে গেলে রেস্তোরাঁগুলো আদৌ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে কিনা সেটা দেখা দরকার। যেমন-

১. ক্রেতাদের হাতের সঙ্গে জুতাও স্যানিটাইজ়ড করা প্রয়োজন।

২. সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে বসার ব্যবস্থাপনার প্রতি নজর দিতে হবে। ছয়জনের টেবিলে চার জন, চার জনের জায়গায় তিন জনের বসার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

৩. ফেলে দেওয়া যায় এমন পাত্রে খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

৪. খাবার সরবরাহকারীদের মাস্ক, ফেস শিল্ড, গ্লাভস ব্যবহার করছে কিনা সেটা নিশ্চিত হোন।

৫. বিল মেটানোর জন্য কার্ড ব্যবহার করুন। ব্যবহৃত মেশিনটা বারবার স্যানিটাইজার দিয়ে রেস্তোরঁ কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার করছে কিনা সেটা জেনে নিন।

৬. সর্বোপরি, খাবার তৈরির সময় রেস্তোরাঁটি কতটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে সেটা জানা বেশি জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা সংক্রমণের এই সময় রাস্তার খাবার কোনও ভাবেই খাওয়া ঠিক নয়।  রাস্তায় দাঁড়িয়ে চা খাওয়ার অভ্যাসও এখন ছাড়তে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মনে সন্দেহ বা  ভয় থাকলে এই সময় রেস্তোরাঁয় না যাওয়াই ভালো। অনেকেই অবশ্য এ সময় অনলাইনের মাধ্যমে বাইরে থেকে খাবার আনিয়ে খাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিষ্টি ছাড়া বাইরে থেকে খাবার আনার ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই খেয়ে ফেলা উচিত। খাবারটি গরম থাকতেই খেয়ে ফেলতে হবে। এই খাবার বেশি দিন ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়।।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনা এড়াতে ফ্রোজেন খাবার কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন যেভাবে

লেখক

করোনা এড়াতে ফ্রোজেন খাবার কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন যেভাবে
করোনা এড়াতে ফ্রোজেন খাবার কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন যেভাবে

করোনা সংক্রমণের এই সময় অনেকেই মহল্লার বাজারের ভিড় এড়াতে সুপারশপ বা ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকে খাবার কিনছেন। রান্নার সহজ উপায় হিসেবে নিয়মিত সেখান থেকে রেফ্রিজারেটরে থাকা রেডিমেট খাবারও  কিনছেন কেউ কেউ। 

অনেকেই ভাবছেন, বাড়িতে গিয়ে একটু তেলের মধ্যে ছেড়ে দিলেই রান্নার ঝামেলা শেষ। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের খাবারের প্যাকেট ধরার আগে সতর্ক থাকা উচিত। কারণ এসব প্যাকেট থেকেও শরীরে ঢুকে পড়তে পারে করোনা ভাইরাস। গবেষণায় দেখা গেছে, মাইনাস বিশ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে বেঁচে থাকতে পারে সার্স এর মতো করোনাভাইরাস।

শুধু ফ্রোজেন ফুড প্যাকেটই নয়, সুপারশপের প্যাকেজজাত মাছ, মাংস সবই রেফ্রিজারেটরের মধ্যে থাকে। আবার স্থানীয় বাজারে গিয়েও অনেকে বরফে ঢাকা সামুদ্রিক মাছ নেড়েচেড়ে দেখেন। যেহেতু বাজারে আনার আগে মাছ স্যানিটাইজ করা সম্ভব নয় এ কারণে বরফে ঢাকা মাছে হাত না দিয়ে চোখে দেখেই পছন্দ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, হিমায়িত মাছ কিনলে বাড়িতে এনে হালকা গরম পানিতে প্রথমে পরিষ্কার করা উচিত। তাহলে ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, নাগেটস বা এই ধরনের কিছু প্রক্রিয়াজাত খাবার ঠান্ডায় না রাখলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ কারণে এসব খাবার সুপারশপে কিংবা বাড়িতে রেফ্রিজারেটরেই রাখতে হয়। এসব খাবারের প্যাকেট ধরার আগে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, সুপারশপে যে কোনও জিনিস গ্লাভস পরে ছোঁয়াই ভালো। কোনও জিনিস হাত দিয়ে ধরার পর সেই হাত মুখে যেন না দেওয়া হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে বলছেন তারা। কেনাকাটার সময় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। পাশাপাশি হাতে একটা স্যানিজাইটারও রাখতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

চীনে দ্বিতীয়বার ভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষেত্রে ফ্রোজেন ফুডকেই দায়ী করা হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, বরফে ঢাকা কাঁচা মাছ-মাংসের বাজারের থেকেই আবার সংক্রমণ শুরু হয়েছে। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আমদানি করা মাছ বা প্যাকেজিং থেকে ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াচ্ছে এখনই এমনটা বলা যাবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনা সংক্রমণের সময় উদ্বেগ কমাবে যেসব খাবার

লেখক

করোনা সংক্রমণের সময় উদ্বেগ কমাবে যেসব খাবার
করোনা সংক্রমণের সময় উদ্বেগ কমাবে যেসব খাবার

করোনা সংক্রমণ যত দীর্ঘ স্থায়ী হচ্ছে মানুষের মধ্যে উৎকণ্ঠা ততই বাড়ছে। করোনায় আক্রান্ত হবে কি না, হলে কী হবে? চাকরি থাকবে কিনা, ব্যবসা চলবে কি না, প্রিয় জন সুরক্ষিত কি না, সেই চিন্তায় অনেকেরই রাতের ঘুম কমে যাচ্ছে।  চিন্তা করে সমাধান মিলবে না জানার পরও উদ্বেগ কমছে না৷ এ সময় মনসিক চাপ কমাতে যোগাভ্যাস, মেডিটেশন করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু তাতেও কমছে না উদ্বেগ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উদ্বেগে এমন একটি অনুভূতি এতে মানুষ দিনে দিনে নেতিবাচক হয়ে পড়েন। কেউ কেউ বিশ্বাস করতে শুরু করেন, তার যা হবে, সবই খারাপই হবে৷ ফলে দিন দিন অস্থিরতা বাড়ে। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে অমনোযোগ, দুঃখ, আতঙ্ক, অনিদ্রা।

তখন মস্তিষ্ক আর স্বাভাবিকভাবে কাজ করে না। এ সময় কিছু শারীরিক উপসর্গও দেখা হয়৷ যেমন, গা-বমি ভাব, মাথা ব্যথা, হাত-পা কাঁপা, বুক ধড়ফড় করা, বুকে যন্ত্রণা ইত্যাদি। এ ধরনের সমস্যা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে যাবার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, মহামারির এ সময় মানসিক অস্থিরতা কমাতে প্রাথমিক অবস্থাতেই সতর্ক হতে হবে। এ সময় মানসিক চাপ কমাতে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে কথা বলা কিংবা মেডিটেশনের ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও মানসিক চাপ কমাতে কিছু খাবারের কথাও বলেছেন তারা৷ যেমন-

১. ভিটামিন ই-র অভাব হলে উদ্বেগ ও মন খারাপ বাড়তে পারে৷ এই ভিটামিনের চাহিদা মেটাতে নিয়মিত বাদাম খেতে পারেন৷ এক্ষেত্রে ব্রাজিল নাট ও অ্যামন্ড বেশ উপকারী। ব্রাজিল নাটে  সেলেনিয়াম খনিজ উদ্বেগে শরীরে যে প্রদাহ বাড়ে তা কমাতে পারে৷ তবে দিনে ৩-৪ টার বেশি এই বাদাম খাওয়া ঠিক নয়।

২. গবেষণায় দেখা গেছে যারা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড কম খান, তাদের মুড ডিজঅর্ডার বেশি হয়৷ এ কারণে সপ্তাহে অন্তত দু-বার তৈলাক্ত মাছ খেতে পারেন। সয়াবিন, আখরোট, তিসির বীজ, কড লিভার অয়েলও মানসিক চাপ কমাতে ভূমিকা রাখে।

৩. জার্নাল অফ আফেকটিভ ডিজঅর্ডারে প্রকাশিত প্রবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ভিটামিন ডি-র অভাব হলে অবসাদের আশঙ্কা বাড়ে৷ এ কারণে দিনে ২০-৩০ মিনিট গায়ে রোদ লাগানো জরুরি৷ এর পাশাপাশি তৈলাক্ত মাছ, ডিমের কুসুম, মাশরুম, কড লিভার অয়েল খেতে পারেন৷ চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন ডি’য়ের সাপ্লিমেন্টও গ্রহণ করতে পারেন।

৪. কুমড়ার বীজে পটাশিয়াম ও জিঙ্ক থাকে যা মুড ডিজঅর্ডারের মহৌষধ হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়াও কলায় থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে৷  এছাড়া দিনে ৪০ গ্রাম ডার্ক চকলেট খেলে ফ্ল্যাভেনয়েড, ট্রিপ্টোফান, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদির প্রভাবে মন ভাল থাকে৷

৫. হলুদে থাকা কারকিউমিন প্রদাহের প্রবণতা কমায়৷ এতে মনও শান্ত হয়৷ সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। 

৬. ক্যামোমিল চা খেতে পারেন। এটি মন হালকা করতে ভূমিকা রাখে৷ এতে থাকা জীবাণুনাশক প্রদাহ কমানোর ক্ষমতা বাড়ায়৷

৭. টক দইয়ে  উপকারী উপাদান যেমন- ল্যাক্টোব্যাসিলাস ও বাইফিডোব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়। এটি পেট ভালো রাখার পশাপাশি মস্তিষ্কও সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com