আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

সকালে খালি পেটে মৌরি খেলে এক সপ্তাহে যে উপকার পাবেন

অবসরে মুখশুদ্ধি হিসেবে মৌরি খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। বিশেষ করে হোটেল বা রেস্টুরেন্টে আহারের পর মৌরি খেতে দেওয়া হয়। মৌরি দেখে অনেকেই জিরা ভেবে ভুল করেন।

শরীরের জন্য খুবই উপকারী এ ছোট্ট উপাদান। জানেন কি? প্রতি রাতে এক গ্লাস পানিতে এক চামচ মৌরি ভিজিয়ে খেলেই দেখবেন ম্যাজিক। এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনার শরীরের পরিবর্তন টের পাবেন। মৌরিতে থাকা পুষ্টিকর উপাদানগুলো আপনার শরীরের বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি সারাতে পারে।

এজন্য এক চামচ কাঁচা মৌরি ভালো করে ধুয়ে এক গ্লাস পানিতে সারারাত রেখে দিন। পরের দিন সকালে উঠে পানি ছেঁকে নিয়ে খালি পেটে পান করুন। দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে, হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও সারাতে পারে মৌরি। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, মৌরি শরীরের জন্য কতটা উপকারী-

>> যেকোনো সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে মৌরি। এতে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদানসমূহ। নিয়মিত মৌরি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। মৌরিতে থাকা বিভিন্ন উপাদানসমূহ প্যাথজেনের (জীবাণু) আক্রমণ ঠেকায়।

>> হজমের সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য মৌরি এক কার্যকরী দাওয়াই। নিয়মিত মৌরি ভেজানো পানি বা চা পান করলে এ সমস্যা দ্রুত সারবে। মৌরি ভেজানো পানি গ্যাস্ট্রো এনজাইম তৈরি করতে ও নিঃসরণে সাহায্য করে। ফলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমতে শুরু করে।

>> মৌরিতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। যা শরীরকে খারাপ ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস থেকে রক্ষা করে। মৌরিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রক্তের মলিকিউলে পৌঁছে অক্সিডেটিভ ড্যামেজের সঙ্গে লড়াই করে।

>> খারাপ নিশ্বাসের সমস্যায় যারা ভোগেন তাদের জন্য মৌরি অত্যন্ত কার্যকরী। এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানসমূহ থাকায় মৌরি খেলে মুখের ভেতরের প্যাথজেন (জীবাণু) ধ্বংস হয়। যার ফলে দুর্গন্ধও দূর হয়।

>> মৌরিতে প্রচুর পটাশিয়াম রয়েছে, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

>> শরীরের টক্সিন বের করে দেয় মৌরি। রক্ত পরিষ্কারক হিসেবেও কাজ করে মৌরিতে থাকা উপাদানসমূহ। শরীরে তৈরি হওয়া টক্সিন (দূষিত পদার্থ) বের করতেও সাহায্য করে।

>> পিরিয়ডের সময় তলপেটে ও কোমরে অতিরিক্ত ব্যথা অনুভব করেন অনেক নারী। এ সমস্যা থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে অনেকেই ব্যথানাশক ওষুধ খান। যদিও বেশি ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ছাড়াই পিরিয়ডের ব্যথায় মুক্তি পেতে প্রথমদিন থেকেই মৌরি খেতে শুরু করুন।

>> অতিরিক্ত মেদ-ভুড়ি নিয়ে যারা চিন্তিত, তারা নিয়মিত মেথি খেতে পারেন। শরীরের মেটাবলিজম উন্নত করে মৌরি। কাজেই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মৌরি ভেজানো পানি পান করলে কিছুদিনের মধ্যেই অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

যারা মৌরি খাবেন না: গর্ভবতী নারী ও শিশুরা মৌরি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। গাজরে যাদের অ্যালার্জি রয়েছে, তারাও মৌরি খাবেন না। এ ছাড়াও যাদের রক্তে কোনো সমস্যা রয়েছে, তাদের মৌরি খাওয়া উচিত নয়।

দৈনন্দিন

যেভাবে সুতি কাপড়ের যত্ন নিলে দীর্ঘদিন ভালো থাকবে

আরামদায়ক পোশাক পরতে হলে সুতি কাপড়ের বিকল্প নেই। কারণ সুতি হলো প্রাকৃতিক ফেব্রিক। তুলা থেকে তৈরি হয় সুতা। এরপর ওই সুতা থেকে তৈরি হয় সুতির পোশাক। তাই এই ফেব্রিকের বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।

সুতি কাপড় ধোয়া থেকে শুরু করে ভাঁজ করা পর্যন্ত নিয়ম মানা জরুরি। না হলে কাপড়ের আয়ু কমে যায়। এটির বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক সুতি কাপড়ের যত্ন নেবেন কীভাবে?

সুতি কাপড় ধোয়ার উপায়

>> সুতি কাপড়ের ফেব্রিক খুব সহজেই ছিঁড়ে যায়। তাই ঘঁষে ঘঁষে সুতির পোশাক না ধোয়াই ভালো।

>> প্রচণ্ড গরম পানিতেও কখনো ভেজাবেন না সুতির পোশাক। এতে পোশাকের রং নষ্ট হয়ে যাবে।

>> একটি সুতি কাপড় পরিধান করার একমাস পর ধোবেন না। পরার পরপরই ধুয়ে শুকিয়ে ভালোভাবে রেখে দিন।

>> যদি একবার পরেই কাচতে না চান, তবে তাকে রোদে দিতে হবে অবশ্যই। অন্তত এক ঘণ্টা রোদে দেবেন।

>> যদি সুতির পোশাকে কোনো দাগ হয়ে যায়, তবে আগে তা আলাদা করে তুলে নিন। তারপর সম্পূর্ণ জামাটি পরিষ্কার করুন।

>> সুতির পোশাকে আপনি মাড় দিতেই পারেন। তবে মাড় দেওয়ার পরই পানি ঝরিয়ে নিন।

শুকানোর সময় যা করবেন

>> খুব টানটান করে সুতির পোশাক মেলবেন না।

>> পানি ঝরিয়ে নিয়ে সুতির পোশাক মেলুন।

>> চড়া রোদে সুতির পোশাক দেবেন না। হালকা রোদে বা ছায়ায় সুতির পোশাক মেলবেন।

ইস্ত্রি করার সময় করণীয়

>> প্রথমে পোশাক উল্টে নিয়ে ইস্ত্রি করে তারপর সোজা পিঠে করুন।

আলমারিতে রাখার সময় করণীয়

>> পরিধান করার পর ভালোভাবে রোদে না শুকিয়ে বা ধুয়ে সুতির পোশাক কখনো ভাঁজ করে আলমারিতে রাখবেন না।

>> সুতির কাপড় আলমারিতে রাখার পর ওই স্থানে কিছু কালোজিরা দিয়ে রাখবেন। এতে পোশাক ভালো থাকবে। পোকা-মাকড় কাপড়ের ধারে-কাছে আসবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

টাক মাথায় চুল গজাতে পেয়ারা পাতার ব্যবহার!

অকালে চুল পড়ে যাওয়া ঠেকাতে অনেকেই এটা-সেটা ব্যবহার করেন। এসব করেও মাথায় নতুন চুল গজাচ্ছে না। এমন অবস্থায় অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েন। মাথায় যাদের চুল কম বা টাক পড়ে গেছে; এমন মানুষেরা সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকেন।

চুল পড়ার রয়েছে অনেক কারণ। অনিয়মিত জীবন-যাপন, বংশগতভাবে টাক, কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনীর ব্যবহার ইত্যাদি কারণে চুল পড়তে পারে। কিছু ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের কারণেও চুল পড়ার সমস্যাটি বেড়ে যেতে পারে।

এ ছাড়াও দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন রোগে অতিরিক্ত চুল পড়ায় মাথায় টাক পড়তে পারে। তবে চিন্তিত না হয়ে কার্যকরী উপায়ে চুল গজানোর জন্য প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদানে ভরসা রাখুন।

তেমনই একটি উপাদান হলো পেয়ারা পাতা। নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন! পেয়ারা পাতায় আবার কীভাবে চুল গজাবে? প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায় পেয়ারা পাতা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এগুলোয় ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স রয়েছে। যা চুল পড়া ঠেকাতে পারে। একই সঙ্গে এটি চুল গজাতেও সাহায্য করে।

তাই জেনে নিন পেয়ারা পাতা দিয়ে চুল গজানোর সহজ উপায়-

প্রথমে কিছু পেয়ারা পাতা একটি পাত্রে নিয়ে পানিতে সেদ্ধ করে নিন। চুলা থেকে নামিয়ে পানি ঠান্ডা হতে দিন। এবার আপনার মাথার ত্বকে পেয়ারা পাতা সেদ্ধ পানীয় ম্যাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার এ উপায় অনুসরণ করলে ফলাফল কিছুদিনের মধ্যে টের পাবেন।

যদিও অনেক কারণে চুল পড়ে মাথা টাক হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন ধরে যদি চুল পড়তে থাকে আর মাথা টাক হওয়া শুরু হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পাশাপাশি এ টোটকা মেনে চুলের যত্নে পেয়ারা পাতা ব্যবহার করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কালো চা দূর করবে মুখের কালচে দাগ

শারীরিক সুস্থতায় কালো চা পানের বিকল্প নেই। কালো চা আমরা সাধারণত লিকার হিসেবে (রং চা) অথবা দুধ-চিনি মিশিয়ে পান করে থাকি। তবে রং চায়ে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক কম থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কালো চা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। তা ছাড়া নিয়মিত কালো পান করলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। এমনকি যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান; তাদের জন্যও রং চা অনেক কার্যকরী। শুধু শারীরিক সুস্থতা নয় বরং ত্বকের কালো দাগ দূর করতে পারে চা।

কালো চায়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। চায়ের পলিফেনল হচ্ছে ব্যাকটেরিয়ার যম। যেকোনো জীবাণু ধ্বংসে কাজ করে কালো চায়ে থাকা উপাদানসমূহ। ত্বক ও চুলের যত্নে কালো চা ব্যবহারেই দেখবেন ম্যাজিকের মতো ফলাফল। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক রূপচর্চায় কালো চায়ের ব্যবহার-

>> চোখের নিচের বলিরেখা ও কালচে দাগ দূর করতে ব্ল্যাক টি’র ব্যবহৃত ঠান্ডা ব্যাগ চোখের উপর দিয়ে রাখুন।

>> চুলের ঝলমলে ভাব আনতে শ্যাম্পু শেষে ব্ল্যাক টি লিকার দিয়ে ধুয়ে নিন।

>> মেহেদির সঙ্গে কালো চায়ের লিকার মিশিয়ে চুলে লাগালে রঙিন আভা চলে আসবে।

>> ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে ঠান্ডা টি ব্যাগ চেপে চেপে লাগান।

>> চুল লম্বা করতেও কালো চায়ের বিকল্প নেই! এজন্য কয়েকটি কালো চায়ের টি ব্যাগ এক কাপ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন শ্যাম্পু শেষে চুলের গোড়ায় স্প্রে করুন। ১৫ মিনিট চুলে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখুন। এরপর চুল শুকিয়ে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

তামার পাত্রে পানি পানের উপকারিতা

প্রাচীনকাল থেকে উপমহাদেশের মানুষ তামার তৈজসপত্র ব্যবহার করে আসছে। বিশেষ করে পানি পানের জন্য তামার পাত্র প্রায় সব পরিবারেই ব্যবহার করা হত। তামায় আছে একাধিক গুণ, প্রতিদিন তামার পাত্রে পানি পান কীভাবে সুস্থ রাখে শরীর তা জেনে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কী আছে এই সোনার হোটেলে?

এখন বিশ্বব্যাপী আলোচনা হচ্ছে এই সোনার হোটেলটি নিয়ে। কী আছে এই সোনার হোটেলে? দুবাইয়ের ‘বুর্জ আল আরব’ নামের এ হোটেলটি সম্পর্কে জানা যাক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com