আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

মৎস্য

শোল মাছ চাষ করবেন যেভাবে

শোল মাছ চাষ করবেন যেভাবে
শোল মাছ চাষ করবেন যেভাবে

শোল মাছকে আমরা ‘রাক্ষুসে মাছ’ বলে থাকি। শোল মাছ বাজারের দামি মাছ। এই মাছ দামি হলেও চাষে খরচ খুবই কম। শোল মাছ সব ধরনের দুর্যোগ বা প্রতিকূল পরিস্থিতি সহ্য করতে পারে। মা শোল মাছই নিজেদের মতো করে ডিম নার্সিং ও পোনা লালন করে।

পোনা মজুত
বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে শোল মাছ চাষ না হওয়ায় প্রাকৃতিকভাবে সংগ্রহের ওপর জোর দিতে হবে। বৈশাখ মাস শোল মাছের প্রজনন মৌসুম। বৈশাখ মাসের প্রথম থেকে শোল মাছ বাচ্চা দিতে শুরু করে। বাচ্চাগুলো এক ঝাঁকে থাকে। সেই সময় হাওর-বাঁওড়, পুকুর থেকে সপ্তাহখানেক বয়সের বাচ্চা সংগ্রহ করতে হবে। পোনা পাওয়া না গেলে বড় শোল মাছ সংগ্রহ করে পুকুরে ছেড়ে দিতে হবে। এককভাবে প্রতি শতাংশে ১০টি দেয়া যেতে পারে। মিশ্র পদ্ধতিতে চাষের জন্য প্রতি শতাংশে ৪টি। একটি প্রাপ্তবয়স্ক শোল মাছ লম্বায় ২.৫-৩ ফুট হতে পারে।

শোল মাছ চাষ করবেন যেভাবে
শোল মাছ চাষ করবেন যেভাবে

পুকুর প্রস্তুতি
যেকোনো পুকুরেই শোল মাছ চাষ করা যায়। তবে তাকে উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। যে পুকুরে শোল চাষ হবে সে পুকুরে কচুরিপানা অথবা কলমিলতা থাকলে ভালো হয়। কারণ শোল মাছ আড়ালে থাকতে পছন্দ করে। তবে কচুরিপানায় যেন পুকুর ভরে না যায়। পুকুরের চারদিকে কমপক্ষে ৫ ফুট উচ্চতায় জাল দিয়ে বেড়া দিতে হবে। তা না হলে বর্ষাকালে শোল মাছ লাফিয়ে চলে যাবে।

শোল মাছ চাষ করবেন যেভাবে
শোল মাছ চাষ করবেন যেভাবে

খাদ্য
শোল মাছ সাধারণত খৈল বা কুড়া দিয়ে বানানো খাবার খায় না। ছোট মাছই এর প্রধান খাদ্য। পোনা মাছের প্রিয় খাদ্য শুঁটকির গুঁড়া। সেজন্য পোনা মাছকে খাবার হিসেবে চিংড়ি শুঁটকির গুঁড়া ভালোভাবে পিষে দিতে হবে। এভাবে ১৫ দিন খাওয়ানোর পর পোনাগুলো প্রায় ২/৩ ইঞ্চি হবে। ২/৩ ইঞ্চি পোনা মজুদের পর খাদ্য হিসেবে কার্পজাতীয় মাছের ধানীপোনা দেয়া যেতে পারে; সঙ্গে ছোট ছোট ব্যাঙ বা ব্যাঙাচি দেয়া যেতে পারে। আর বড় মাছের জন্য ছোট ছোট মাছ, তবে মরা টাটকা মাছ খেতে দিলে এরা খুব খায়।

মিশ্র চাষ
আমাদের দেশে শোল মাছের একক চাষের সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ এত কাঁচা মাছ, শুঁটকি, ব্যাঙ বা ব্যাঙাচি জোগান দেয়া সম্ভব নয়। তাই মিশ্র মাছের সঙ্গে শোল মাছের চাষ করা যেতে পারে। ৬ মাসে একেকটি শোল মাছের ওজন ৭০০-১০০০ গ্রাম হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

শোল মাছ চাষ করবেন যেভাবে
শোল মাছ চাষ করবেন যেভাবে

রোগ
শীতকালে শোল মাছে ক্ষত রোগ দেখা দেয়। তাই ওই সময় মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ নিতে পারেন।

মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি বা অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত। না হলে আগামী কয়েক বছর দেশীয় মাছের চিহ্ন খুঁজে পাবে না জনগণ।

বাংলাদেশ

ইলিশ রক্ষায় হেলিকপ্টার থেকে নজরদারি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জানিয়েছেন, মা ইলিশ রক্ষায় এবার রাতের বেলায় আকাশ থেকে নদীতে নজরদারি করবে অন্তত পাঁচটি হেলিকপ্টার।
আজ বুধবার মেঘনা নদীতে ইলিশ রক্ষার অভিযান তদারকিতে গিয়ে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।

আজ বুধবার থেকে আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন মা ইলিশ রক্ষায় নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন ও মজুত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

রেজাউল করিম বলেন, এই সরকারের আমলে দেশে ইলিশসহ মৎস্য উৎপাদন অনেক গুণ বেড়েছে। ইলিশ উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছে। ইলিশের উৎপাদন যেন আরও বৃদ্ধি পায়, এ জন্য জেলেদের প্রয়োজনীয় খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও দেওয়া হবে। তিনি বলেন, একজন জেলেও যেন নদীতে না নামেন, সেই ব্যবস্থা সরকার নিয়েছে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদসচিব রওনক মাহমুদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শামস আফরোজ, নৌ পুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, নৌ পুলিশ সুপার খন্দকার ফরিদুল ইসলাম, মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ কুদ্দুস, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল বাকী।

আজ বুধবার থেকে আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন মা ইলিশ রক্ষায় নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন ও মজুত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেছিলেন, এ বছর বিশ্বে উৎপাদিত মোট ইলিশের ৮০ ভাগের বেশি বাংলাদেশে হয়েছে। ইলিশের আকার ও স্বাদ অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক ভালো। ইলিশ একটা সময় দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাচ্ছিল, নানা প্রচেষ্টায় সেই ইলিশ এখন সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে যাচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

সরকারি পুকুরে ‘মামার’ পরিচয়ে চলছে মাছ চাষ

৩০ লাখ টাকার একটি প্রকল্পের আওতায় পুকুরে পানি শোধনাগার হওয়ার কথা। সে প্রকল্প চলমান অবস্থাতেই দখল করে মাছ চাষ হচ্ছে।

পানি সংরক্ষণ ও নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া গ্রামের সরকারি সদুল্যাপুর পুকুরে নেওয়া হয়েছে ৩০ লাখ টাকার প্রকল্প। প্রকল্পে পুকুর খনন, বাঁধ নির্মাণ, ইটের তৈরি হাঁটার পথ, সংযোগ সড়ক ও বনায়ন রয়েছে। ইতিমধ্যে পুকুরটি খননের কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের কাজও চলমান। এ অবস্থায় পুকুরটিতে মাছ চাষ করছেন দুই ছাত্রলীগ নেতা। পুকুরপাড়ে করছেন কলা ও সবজি চাষ।

ওই দুই ছাত্রলীগ নেতা হলেন যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক সজিব হোসেন ও সদস্যসচিব মুন্না বিশ্বাস। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সজিব হোসেন বলেন, পুকুরটি জেলা পরিষদের। জেলা পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইকবাল হোসেন এবং জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার এম এ মঞ্জুরের কাছ থেকে চেয়ে নিয়ে তিন বছর ধরে মাছ চাষ হচ্ছে। আর জেলা পরিষদের সদস্য ইকবাল হোসেনকে মামা পরিচয় দিয়ে মুন্না বিশ্বাস বলেন, ‘পুকুরগুলো ইকবাল মামার অধীন। পুকুরটিতে পানি শোধনাগার হবে। যখন কাজ শুরু হবে, তখন পুকুরটি ছেড়ে দেব।’

এ প্রসঙ্গে ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আমার নাম ভাঙিয়ে কেউ সেখানে মাছ চাষ করছে। মাছ চাষের জন্য একজন মৌখিকভাবে বলেছিল। কিন্তু কাউকে অনুমতি দেওয়া হয়নি।’ আর জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার এম এ মঞ্জু বলেন, সরকারি পুকুরে মাছ চাষের অনুমতি দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

জেলা পরিষদ সূত্র জানায়, সদর উপজেলার বসুন্দিয়া মৌজায় সদুল্যাপুর পুকুরটি অবস্থিত। পুকুরটিতে পানি সংরক্ষণ এবং এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছে। সে অনুযায়ী ২০১৮ সালে পুকুরটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের যশোর কার্যালয় সূত্র জানায়, ৩০ লাখ ১২ হাজার ৩২৪ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের কাজ করছে যশোরের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২৭ মার্চ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে ঠিকাদার কাজ শেষ করতে পারেননি। ঠিকাদারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পুকুরের চারপাশের সীমানা ঘেঁষে সিমেন্ট, বালু ও লোহার রড দিয়ে তৈরি কংক্রিটের অনেকগুলো পিলার। এর সঙ্গে তার টানিয়ে সীমানাপ্রাচীর তৈরি করা হয়েছে। পুকুর ও রাস্তার মাঝের জায়গায় কলা, মানকচু, বেগুন চাষ করা হচ্ছে। সম্প্রতি লাগানো বেশ কয়েকটি নারকেল ও নিমের চারা চোখে পড়ল। পুকুরটি খনন করা হয়েছে। তবে কাজের কোনো সাইনবোর্ড চোখে পড়েনি।

পুকুরের পানিতে বড় পলিথিন ভিজিয়ে পরিষ্কার করছিলেন বসুন্দিয়া গ্রামের ইলিয়াস হোসেন। তিনি বলেন, পুকুরটি সাত-আট মাস আগে খনন করা হয়েছে। আর সীমানা দেওয়া হয়েছে দুই মাস আগে। খননের আগ থেকেই সজিব ও মুন্না মাছ চাষ করতেন। খননের পর পুকুরটি শুকনা ছিল। শ্যালো মেশিন দিয়ে পুকুরে পানি ভরে সেখানে পুনরায় সজিব ও মুন্না মাছ চাষ করছেন। তাঁরা পুকুরের চারপাশে কলাগাছ ও বিভিন্ন রকমের সবজি লাগিয়েছেন। এলাকাবাসীও এই পুকুরের পানি ব্যবহার করেন।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের যশোর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদ পারভেজ বলেন, ‘পুকুরটিতে মাছ চাষের ব্যাপারে জেনেছি। মাছ থাকায় পুকুরে পানি শোধনাগারের কাজ শুরু করতে সমস্যা হচ্ছে। পুকুর থেকে মাছ তুলে নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা নিতে জেলা পরিষদে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদ এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

বিষখালী-পায়রা-বলেশ্বরে ইলিশের অভয়াশ্রম করার প্রস্তাব

প্রস্তাব দিয়েছে আন্তর্জাতিক মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ফিশ। এরই মধ্যে পানির গুণাগুণ ও খাবার পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • বিষখালীতে অভয়াশ্রমের দৈর্ঘ্য হবে ৩৮ কি.মি। নদীর নিম্নাংশ মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
  • প্রথমবারের মতো এ অঞ্চলের ইলিশ নিয়ে বড় ধরনের অনুসন্ধান হবে।

বরিশাল অঞ্চলের তিনটি প্রধান নদ-নদী বিষখালী, পায়রা ও বলেশ্বরের ইলিশের স্বাদ, পানি ও খাবারের গুণাগুণ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কার্যক্রমের প্রাথমিক অগ্রগতি হিসেবে এই তিন নদ-নদীতে তিনটি পৃথক ইলিশের অভয়াশ্রম করার প্রস্তাব দিয়েছেন আন্তর্জাতিক মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ফিশের ইকোফিশ প্রকল্প-২–এর গবেষকেরা।

সংস্থাটির গবেষকেরা জানান, এরই মধ্যে তিনটি নদীর পানির গুণাগুণ ও কী ধরনের খাবার রয়েছে, তা পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইলিশের জীবনচক্র ও স্বাদের কারণও অনুসন্ধান করবেন তাঁরা। এ জন্য এসব নদ–নদীর পানি, মাছের খাদ্যকণা প্ল্যাঙ্কটন (পানিতে ভাসমান ক্ষুদ্র জীব) ও ইলিশের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্য বিজ্ঞান বিভাগের একজন এবং পানি, খাদ্যকণার গুণাগুণ পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে যুক্ত করা হচ্ছে। পুরো গবেষণাকর্মের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইকোফিশ প্রকল্পের দলনেতা ও মৎস্য বিজ্ঞানী অধ্যাপক আবদুল ওহাব।

সম্প্রতি প্রথম আলোতে ‘বিষখালী নদীতে ইলিশের ভান্ডার’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে বলে জানায় ইকোফিশের গবেষক দল। এরপর বিষখালীসহ সংযুক্ত তিন নদ-নদীর ইলিশের স্বাদ, জীবনচক্র এবং পানির গুণাগুণ ও জীববৈচিত্র্য গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রাথমিক গবেষণার পর এই তিন নদীর ইলিশ সম্প্রসারণ, বিচরণ ও বেড়ে ওঠার বিষয়টি নির্বিঘ্ন করতে আলাদা তিনটি অভয়াশ্রম করার প্রস্তাব তৈরি করে দলটি। অভয়াশ্রমের মানচিত্রও তৈরি করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত মানচিত্র অনুযায়ী বিষখালীর নিম্ন-মধ্য অঞ্চল প্রস্থে বড় এবং স্রোত বেশি। নদীটির মধ্যাঞ্চল মাছ ও চিংড়ির বিচরণক্ষেত্র হওয়ায় অভয়াশ্রম ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর নিম্নাংশ মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। অভয়াশ্রমের দৈর্ঘ্য হবে ৩৮ কিলোমিটার। এর উত্তর-পূর্বে বরগুনার বেতাগী লঞ্চঘাট, উত্তর-পশ্চিমে ঝালকাঠির কচুয়া ফেরিঘাটের দক্ষিণ মাথার বাঁক, দক্ষিণ-পূর্বে বরগুনা সদরের বড়ইতলা ফেরিঘাট ও দক্ষিণ-পশ্চিমে বরগুনার বাইনচটকি ফেরিঘাট।

ইকোফিশের গবেষণার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো এ অঞ্চলের ইলিশ নিয়ে বড় ধরনের অনুসন্ধান হবে।

আনিসুর রহমান, বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক

পায়রা নদীর অভয়াশ্রমের দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এর উত্তর-পূর্বে পটুয়াখালীর পায়রা কুঞ্জ ফেরিঘাট, উত্তর-পশ্চিমে মৃধা বাড়ি রোড ফেরিঘাট, দক্ষিণ-পূর্বে বরগুনার আমতলী ফেরিঘাট ও দক্ষিণ-পশ্চিমে বরগুনা সদরের পুরাঘাটা ফেরিঘাট।

বলেশ্বর নদে জাটকার বিচরণক্ষেত্রের ভিত্তিতে উপরি অংশে অভয়াশ্রম প্রস্তাব করা হয়েছে। এই অভয়াশ্রমের দৈর্ঘ্য হবে ৩০ কিলোমিটার। উত্তর-পূর্বে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ ভিটাবাড়িয়া মসজিদ পয়েন্ট, উত্তর-পশ্চিমে পিরোজপুর সদরের দক্ষিণ গাজীপুর মাদ্রাসা এলাকা, দক্ষিণ-পূর্বে পিরোজপুরে মঠবাড়িয়ার বড় মাছুয়া স্টিমারঘাট ও দক্ষিণ-পশ্চিমে বাগেরহাটের রায়েন্দা শিপইয়ার্ড।

আবদুল ওহাব প্রথম আলোকে বলেন, বিষখালী, পায়রা ও বলেশ্বরের ইলিশ সম্পদ নিয়ে এত দিন ধারণা কম ছিল। সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ ও প্রাথমিক গবেষণায় এই তিন নদ-নদীতে ইলিশের সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেছে।

বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, ইকোফিশের গবেষণার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো এ অঞ্চলের ইলিশ নিয়ে বড় ধরনের অনুসন্ধান হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

ইলিশ ধরা ২২ দিন বন্ধ

মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করার লক্ষ্যে টানা ২২ দিন সাগর, নদ–নদীতে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা বন্ধ হয়। নিষেধাজ্ঞার এই সময় ইলিশ শিকার, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও ক্রয়-বিক্রয় আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

নিষেধাজ্ঞাকালীন সরকারের পক্ষ থেকে জেলেপ্রতি ২০ কেজি করে সরকারি সহায়তার চাল বরাদ্দ দেওয়া হবে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে কঠোর নজরদারি থাকবে প্রশাসনের।

নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগেই তীরে ফিরতে শুরু করেছেন বরিশাল, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, ইলিশ শিকারিরা। অনেক জেলে এর মধ্যে ফিরে এসেছেন, বাকিরা দ্রুতই ফিরে আসবেন বলে জানিয়েছেন জেলা ট্রলার মালিক সমিতির নেতারা।

প্রতি বছরই এ সময় ইলিশ ধরা বন্ধ করা হয়। মা ইলিশের নিরাপদ প্রজননের জন্য এ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

বরিশালের বিভাগীয় মৎস্য কর্মকর্তা আনিসুর রহমান তালুকদার গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, বিভাগের সড়ক, মহাসড়ক ও নদীগুলোতে আজ থেকে প্রশাসন তল্লাশি চালাবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

বিলুপ্তপ্রায় ২৩ প্রজাতির দেশীয় মাছ পুনরুদ্ধার

বিলুপ্তপ্রায় ২৩ প্রজাতির দেশীয় মাছ পুনরুদ্ধার

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com