আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

শাকসবজি

শীতে টবে যেসব শাক-সবজি চাষ করবেন

শীতে টবে যেসব শাক-সবজি চাষ করবেন
শীতে টবে যেসব শাক-সবজি চাষ করবেন

শহর জীবনেও শীতের স্বাদ উপভোগ করতে পারেন। তার জন্য একটু কাজ তো করতেই হবে। সেজন্য কম পরিশ্রমে বাড়ির ছাদ, বারান্দা, কার্ণিশে বিভিন্ন আকারের টবে শাক-সবজির চাষ করতে পারেন। তাহলে জেনে নিন টবে সবজি চাষের নিয়ম-কানুন-

যা চাষ করবেন: টমেটো, বেগুন, মরিচ, শসা, ঝিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়া, মটরশুটি, কলমি শুটি, কলমি শাক, লাউ, পুঁই শাক, পেঁপে, পুদিনা পাতা, ধনে পাতা, থানকুনি, লেটুস, ব্রোকলি প্রভৃতি।

টবের মাটি: মাটি হতে হবে ঝরঝরে, হালকা এবং পানি ধরে রাখার ক্ষমতাসম্পন্ন। মাটি চালনি দিয়ে চেলে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে। দুই ভাগ বেলে দো-আঁশ মাটির সঙ্গে দুই ভাগ জৈব সার মিলিয়ে বীজতলার মাটি তৈরি করতে হয়। মাটি এঁটেল হলে একভাগ বালি মিশিয়ে হালকা করে নিতে হয়। মাটিকে জীবাণুমুক্ত করে চারাকে রোগবালাই থেকে রক্ষা করতে হয়। সাধারণত ১ লিটার ফরমালডিহাইড শতকরা ৪০ ভাগ ৪০ লিটার পানিতে মিশিয়ে এই দ্রবণের ২৫ লিটার প্রতি ঘন মিটার মাটিতে কয়েক কিস্তিতে ভিজিয়ে দিতে হয়। এরপর দু’দিন চটের কাপড় দিয়ে মাটি ঢেকে রেখে পরে চট উঠিয়ে দিলে মাটি জীবাণুমুক্ত হয়।

বীজ বপন: মাটি হালকা ঝরঝরে করে টবের উপরের ভাগ সমতল করতে হবে। হালকাভাবে বীজ ছিটিয়ে দিতে হবে। এরপর জৈব সার দিয়ে বীজগুলোকে ঢেকে দিতে হবে।

শীতে টবে যেসব শাক-সবজি চাষ করবেন
শীতে টবে যেসব শাক-সবজি চাষ করবেন

সেচ: নিয়মিত ছোট ছোট ছিদ্রযুক্ত ঝাজরি দিয়ে পানি দিতে হবে। পানির ঝাপটায় যাতে বীজের উপর জৈব সারের আবরণ সরে না যায়। আকারে ছোট বীজগুলোর উপর দিয়ে পানি দিলে পানির ধাক্কায় একস্থানে অঙ্কুরোদগমে ব্যঘাত ঘটতে পারে। তাই সব টবের উপর দিয়ে পানি না দিয়ে তলা দিয়ে সেচের ব্যবস্থা করা উচিত।

পরিচর্যা: হেপ্টোক্লোর ৪০ পরিমাণ মত দিয়ে পিঁপড়া ও মাকড়সার আক্রমণ থেকে রক্ষা করা যায়। পাখির হাত থেকে ফসল বাঁচাতে হলে টবের উপর তারের বা নাইলনের জাল দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। টবের মাটিতে বীজ বপনের আগে বিভিন্ন প্রকার আগাছা জন্মাতে পারে। তাই নিড়ানি দিয়ে খুঁচিয়ে তুলে ফেলতে হবে। চারার গোড়ায় যেন আঘাত না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। টবগুলো অবশ্যই আলো-বাতাসযুক্ত জায়গায় রাখতে হবে। অতিরিক্ত ঝড়-বৃষ্টি-রোদ-তাপ থেকে রক্ষার জন্য সাময়িকভাবে টব নিরাপদ স্থানে সরানো যেতে পারে।

শীতে টবে যেসব শাক-সবজি চাষ করবেন
শীতে টবে যেসব শাক-সবজি চাষ করবেন

যোগাযোগ: এ ব্যাপারে সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে ফিস এক্সপার্ট লিমিটেড এর ০১৭১২৭৪২২১৭ নম্বরে।

সবজি সংগ্রহ: সবজি বেশিদিন গাছে না রেখে নরম থাকতেই তুলে খাওয়া ভালো। সবজি গাছ থেকে ছিঁড়ে সংগ্রহ করা যাবে না। আস্তে করে কেটে সংগ্রহ করতে হবে। তাহলে সবজি গাছের কোন ক্ষতি হবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

এগ্রোবিজ

অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য

 অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য
অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য

ফুলকপি-বাঁধাকপি শীত মৌসুমের প্রধান সবজি। কিন্তু দিনাজপুরের বীরগঞ্জে গ্রীষ্ম মৌসুমে এর চাষ শুরু হয়েছে। অসময়ে ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করে বদলে গেছে সাতোর ইউনিয়নের দলুয়া গ্রামের মো. আব্দুল মালেকের ভাগ্য। রমজান মাসে এর ব্যাপক চাহিদা থাকায় আশানুরূপ দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় খরিপ-১ মৌসুমে ১০ একর জমিতে ফুলকপি এবং বাঁধাকপি আবাদ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা দ্বিগুণ। কম সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা রয়েছে। তাই আগামীতে এর পরিধি বাড়তে পারে।

 অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য
অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য

কৃষক মো. আব্দুল মালেক জানান, ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে জমিতে বীজ বপন করা হয়। এরপর মার্চের ২৫ তারিখে বীজতলা থেকে চারা তুলে জমিতে রোপণ করা হয়। অর্ধেক জমিতে ফুলকপি আর বাকি জমিতে বাঁধাকপির চারা রোপণ করা হয়। সাড়ে ৩ একর জমিতে প্রায় ৭৫ হাজার চারা রয়েছে।

চারা রোপণের ৪৫-৫০ দিন পর থেকে ক্ষেতের ফুলকপি-বাঁধাকপি বিক্রি শুরু হয়। পাইকারি প্রতিপিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ১১ টাকা এবং কেজি হিসেবে ৩৫ টাকা দরে এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ফুলকপি এবং ৫০ হাজার টাকার বাঁধাকপি বিক্রি করেছেন তিনি। তবে এর চাষে সর্বসাকুল্যে ব্যয় হয়েছে ২ লাখ টাকা। বাজার দর ভালো থাকলে আরও ১ লাখ টাকার ফুলকপি এবং ৩ লাখ টাকার বাঁধাকপি বিক্রি হবে বলে আশা করেন তিনি।

এ ব্যাপারে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম জানান, গ্রীষ্ম মৌসুমে এর চাষাবাদ বেশ কঠিন। কারণ বৈরী আবহাওয়ায় বেড়ে উঠতে হয়। তাই সঠিক সময়ে সার, বালাইনাশক প্রয়োগ ও অন্যান্য পরিচর্যা না করলে ক্ষতি হতে পারে।

 অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য
অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য

কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মাঝারি উঁচু জমিতে বৃষ্টি ও তাপ সহনশীল জাতের ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করে সাফল্য অর্জন করেছে এলাকার অধিকাংশ কৃষক। তবে এ সময় চাষ বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ অতিবৃষ্টি হলেই ফসল নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

স্কোয়াশ চাষে সাফল্য পেলেন সাতক্ষীরার সোহরাব

স্কোয়াশ চাষে সাফল্য পেলেন সাতক্ষীরার সোহরাব
স্কোয়াশ চাষে সাফল্য পেলেন সাতক্ষীরার সোহরাব: ক্ষেত থেকে স্কোয়াশ তুলছেন সোহরাব।

ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও হার্টের রোগীদের জন্য স্কোয়াশ খুবই উপকারী

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সেনেরগাতিতে প্রথমবারের মতো চাষ হয়েছে বিদেশি সবজি স্কোয়াশ।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার সেনেরগাতির কৃষক সোহরাব হোসেন চলতি মৌসুমে ১০ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে স্কোয়াশ চাষ করেছেন। বর্তমানে দেশের সুপার শপগুলোতে স্কোয়াশ পাওয়া যায়, তবে এর স্থানীয় বাজার মূল্যও ভাল। 

সোহরাব হোসেন জানান, স্কোয়াশ তিন থেকে সাড়ে তিন মাস মেয়াদী শীতকালীন সবজি। যা কুমড়ার চেয়ে সুস্বাধু। ফলনও খুব ভাল হয়। স্কোয়াশ আকারে লম্বাটে এবং ওজনে গড়ে দেড় থেকে দুই কেজি হয়।

তিনি আরও জানান, বেসরকারি সংস্থার উন্নয়ন প্রচেষ্টা থেকে বীজ সংগ্রহ করে তিনি স্কোয়াশ চাষ করেছেন। এতে রোগ-বালাই তুলনামূলক কম হলেও মাছি পোকার উপদ্রব আছে। যা ফেরেমন ফাঁদ ও হলুদ ফাঁদ ব্যবহার করে সহজেই দমন করা যায়। এছাড়া জৈব সার ব্যবহার করলে স্কোয়াশ ভাল হয়। চাষাবাদে সেচও দিতে হয় খুবই কম।

সোহরাব হোসেন বলেন, স্কোয়াশ দ্রুত বর্ধনশীল, যা সপ্তাহে দুই তিন বার বাজারে বিক্রি করা যায়। সবজিটির পাইকারি দাম ৩০ টাকা কেজি, তবে এটি খুচরা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি।

স্কোয়াশের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বেসরকারি সংস্থা উন্নয়ন প্রচেষ্টার কৃষিবিদ নয়ন হোসেন বলেন, স্কোয়াশ সাধারণ কুমড়ার মতো সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এর খাদ্য ও পুষ্টিগুণ কুমড়ার চেয়ে অনেক বেশি।

তিনি বলেন, এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করেডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও হার্টের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। স্কোয়াশে একই সাথে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই ও ভিটামিন বি-৬ এবং নায়াসিন, থায়ামিন, প্যানথোটোমিন এসিড ও ফলিড। এছাড়া স্কোয়াশ ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, খনিজ, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ক্যারোটিনয়েড এবং অন্যান্য অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানে ভরপুর। নিয়মিত স্কোয়াশ খেলে ফ্রি রেডিকেলসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করা সম্ভব।  

তিনি আরও জানান, স্কোয়াশ শরীরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও বিটা ক্যারোটিন সরবরাহ করে। যা আমাদের চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি হাড় গঠন, হাড়ের শক্তি ও ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে পারে। এছাড়া হাইপার টেনশনের রোগীদের জন্য স্কোয়াশ খুবই ভালো। কারণ স্কোয়াশ রক্ত চাপকে কমিয়ে দিতে সাহায্য করে।

তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, “বর্তমানে অনেকেই বাড়ির ছাদে, ফুলের টবে সবজি কিংবা ফল গাছ লাগান। সে ক্ষেত্রে ছাদ, ফুলের টব বা পতিত জায়গায় স্কোয়াশও লাগাতে পারেন। কারণ এতে জায়গা খুবই কম লাগে।”

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

জ্যৈষ্ঠ মাসে শাক-সবজির যত্ন নিন

জ্যৈষ্ঠ মাসে শাক-সবজির যত্ন নিন
জ্যৈষ্ঠ মাসে শাক-সবজির যত্ন নিন

জ্যৈষ্ঠ মাসে শাক-সবজির বিশেষ যত্ন নিতে হয়। এ সময় বৈরী আবহাওয়া শাক-সবজির ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির পরিচর্যা সতর্কতার সঙ্গে করতে হয়। টাটকা ও সতেজ শাক-সবজি পেতে জেনে নিন যত্নের নিয়ম-

১. মাঠ বা বাড়ির আঙিনায় গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির পরিচর্যা সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। এ সময় সারের উপরি প্রয়োগ, আগাছা পরিষ্কার, গোড়ায় বা কেলিতে মাটি তুলে দেওয়া, লতা জাতীয় সবজির জন্য বাউনি বা মাচার ব্যবস্থা করা খুব জরুরি।

২. লতানো সবজির দৈহিক বৃদ্ধি যত বেশি হবে, তার ফুল-ফল ধারণ ক্ষমতা তত কমে যায়। সেজন্য বেশি বৃদ্ধি সমৃদ্ধ লতার বা গাছের ১৫-২০ শতাংশের লতা-পাতা কেটে দিলে তাড়াতাড়ি ফুল ও ফল ধরবে।

৩. কুমড়া জাতীয় সবজিতে হাত পরাগায়ন বা কৃত্রিম পরাগায়ন বেশি ফলনে দারুণভাবে সহায়তা করবে। গাছে ফুল ধরা শুরু হলে প্রতিদিন ভোরবেলা হাত পরাগায়ন নিশ্চিত করলে ফলন অনেক বেড়ে যাবে।

৪. এ মাসে কুমড়া জাতীয় ফসলে মাছি পোকা দারুণভাবে ক্ষতি করে থাকে। এক্ষেত্রে জমিতে খুঁটি বসিয়ে খুঁটির মাথায় বিষটোপ ফাঁদ দিলে বেশ উপকার হয়। এছাড়া সেক্স ফেরোমন ব্যবহার করেও এ পোকার আক্রমণ রোধ করা যায়।

৫. সবজিতে ফল ছিদ্রকারী পোকা, জাব পোকা, বিভিন্ন বিটল পোকা সবুজ পাতা খেয়ে ফেলতে পারে। হাত বাছাই, পোকা ধরার ফাঁদ, ছাই ব্যবহার করে এসব পোকা দমন করা যায়। তাছাড়া আক্রান্ত অংশ কেটে ফেলে এবং সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে।

৬. মাটির জো বুঝে প্রয়োজনে হালকা সেচ দিতে হবে। সেই সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা সতর্কতার সঙ্গে অনুসরণ করতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বারোমাসই চাষ করুন বরবটি

বারোমাসই চাষ করুন বরবটি
বারোমাসই চাষ করুন বরবটি

বরবটি আমিষ সমৃদ্ধ একটি সবজি। প্রায় সারা বছরই এটি ফলে। তাই একে বারোমাসি সবজিও বলা যায়। তবে গ্রীষ্মকালে এর ফলন ভালো হয়। খুব শীতে ফলন ভালো হয় না। আসুন জেনে নেই বরবটি চাষের নিয়ম-কানুন।

মাটি
দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি বরবটি চাষের জন্য উপযোগী।

জাত
কেগরনাটকীই অনেকদিন পর্যন্ত বরবটির একটি উন্নত জাত হিসেবে চাষ হয়ে আসছে। এখন অবশ্য বেশ কয়েকটি জাত চলে এসেছে। লালবেণী, তকি, ১০৭০, বনলতা, ঘৃতসুন্দরী, গ্রীন লং, গ্রীন ফলস এফ-১, সামুরাই এফ-১ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য কয়েকটি জাত।

বারোমাসই চাষ করুন বরবটি
বারোমাসই চাষ করুন বরবটি

চাষের সময়
কেগরনাটকী জাতটি পৌষ-মাঘ মাস ছাড়া সারা বছরই চাষ করা যায়। মধ্য মাঘ থেকে মধ্য আশ্বিনে চাষ করা যায় ঘৃতসুন্দরী ও গ্রীন লং। মধ্য ফাল্গুন থেকে মধ্য আশ্বিন পর্যন্ত চাষ করা যায় ১০৭০ জাতটি। উল্লেখিত জাতগুলোর মধ্যে কেগরনাটকী ও লালবেণী জাতের ফলন সবচেয়ে বেশি। তবে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে সাধারণত বীজ বপন করা হয়। তাছাড়া আশ্বিন-অগ্রহায়ণ মাসেও বীজ বপন করা হয়। অন্যান্য সময়ও বোনা যেতে পারে।

বীজের পরিমাণ
প্রতি শতকে ১০০-১২৫ গ্রাম ও প্রতি হেক্টরে ৮-১০ কেজি।

বারোমাসই চাষ করুন বরবটি
বারোমাসই চাষ করুন বরবটি

জমি তৈরি
৪-৫টি চাষ ও মই দিয়ে ভালোভাবে জমি তৈরি করতে হয়।

সারের মাত্রা
ইউরিয়া প্রতি শতকে ১০০ গ্রাম ও প্রতি হেক্টরে ২৫০ কেজি। টিএসপি প্রতি শতকে ৯০ গ্রাম এবং প্রতি হেক্টরে ২২৫ কেজি। এমওপি প্রতি শতকে ৭৫ গ্রাম ও প্রতি হেক্টরে ১৮৫ কেজি। গোবর প্রতি শতকে ২০ কেজি এবং প্রতি হেক্টরে ৫ টন।

বারোমাসই চাষ করুন বরবটি
বারোমাসই চাষ করুন বরবটি

সার প্রয়োগ পদ্ধতি
গোবর, টিএসপি সম্পূর্ণ পরিমাণ ও অর্ধেক এমওপি সার শেষ চাষের সময় জমিতে প্রয়োগ করতে হয়। পরে বীজ বোনার ২০ দিন পর ১০০ গ্রাম ইউরিয়া ও বাকি অর্ধেক এমওপি সার জমিতে উপরি প্রয়োগ করতে হয়।

বীজ বোনা
২ মিটার দূরত্বে সারি করে ২৫-৩০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে বীজ বুনতে হয়। জাত হিসেবে সারির দূরত্ব ১ মিটার বাড়ানো বা কমানো যায়।

বারোমাসই চাষ করুন বরবটি
বারোমাসই চাষ করুন বরবটি

পরিচর্যা
চারা বড় হলে মাচা বা বাউনি দিতে হবে। জমিতে পানির যাতে অভাব না হয় সেজন্য প্রয়োজন অনুসারে সবসময় সেচ দিতে হবে। আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে। পোকামাকড় ও রোগ ব্যবস্থাপনা অন্যান্য সবজির মতোই। জাব পোকা, ফল ছিদ্রকারী পোকা ও মোজেইক রোগ বরবটি চাষের বড় সমস্যা।

সংগ্রহ ও ফলন
বীজ বোনার ৫০-৬০ দিন পর থেকেই বরবটি সংগ্রহ করা যায়। এতে শতক প্রতি ফলন ৩০-৬০ কেজি এবং হেক্টর প্রতি ১০-১২ টন হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

কুমড়া গাছে লাউ ধরে যেভাবে

 কুমড়া গাছে লাউ ধরে যেভাবে
কুমড়া গাছে লাউ ধরে যেভাবে

কুমড়া গাছে লাউ। শুনতে কেমন লাগছে, তাই না? অবাক হলেও ঘটনাটি সত্যি। কুমড়া গাছে ফলনও ভালোই হয়েছে। কুমড়ার মধ্যে ঝুলে আছে লাউ। এ ঘটনায় চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে এলাকাজুড়ে। ভারতের পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ের বাসিন্দা স্বপন সানার বাড়িতে দেখা গেছে কুমড়ার ভেতরে লাউ ঝুলতে। যা দেখতে স্থানীয়রা ভিড় জমিয়েছেন।

স্বপন সানা জানান, তিনি সাধারণ কুমড়ার চারাই রোপণ করেছিলেন। লতা বড় হয়ে কুমড়াও ধরতে শুরু করে। কিন্তু এর মাঝে হঠাৎ লাউ ঝুলতে দেখেন। খবর পেয়ে জেলার কৃষি গবেষকরাও তার বাড়িতে আসেন। ইতোমধ্যে খবরটি পৌঁছে গেছে স্থানীয় উদ্যানপালন অফিসেও। তবে তারা বিস্মিত হননি।

জেলার সহকারী উদ্যানপালন দফতরের কর্মকর্তা পলাশ সাঁতরা জানান, এমনটি হতেই পারে না। গ্রাফটিং পদ্ধতিতে একই গাছে একাধিক ফসল ফলানো সম্ভব। তবে এমন ঘটনা সম্ভব নয়। বীজ থেকেই যদি কুমড়া চারা হয়ে থাকে তাহলে তাতে লাউ ধরবে কী করে? যেটিকে লাউ ভাবা হচ্ছে, সেটি লাউ না-ও হতে পারে। ওই ফল কেটে পরীক্ষা না করে বলা সম্ভব নয়, আসলে সেটা কী।

পরে তিনি লাউয়ের ছবি দেখে জানান, এটি গাছের জিনঘটিত রোগ। যার নাম অ্যালবিনোজম। আসলে কুমড়া গাছে কুমড়াই হয়েছে। তবে অ্যালবিনোজমের কারণে ফলের রং বদলে যাওয়ায় লাউয়ের মতো দেখাচ্ছে। কাটলে কিন্তু কুমড়াই পাওয়া যাবে, লাউ নয়।

এখন লাউটি কাটার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বপন সানা। কারণ কৃষিবিদরা বলছেন, লাউটি কাটলেই এর আসল রহস্য বের হয়ে আসবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com