আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

শিশু কথা শোনে না? জেনে নিন করণীয়

শিশুকে শাসন করার প্রসঙ্গ এলে মা-বাবা হিসাবে আপনাকে সব রকম উপায় অবলম্বন করতে হবে। কখনো নরম গলায় বা সহজ-সরলভাবে বুঝিয়ে আবার কখনো বা তিরস্কার করে এবং কঠোরভাবে শাসিয়ে, কোনটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে তা পরীক্ষা করার জন্য এমনটা করা হয়।

কিন্তু যখন আপনার সন্তান এসব শাসন বারণ অবহেলার দৃষ্টিতে দেখে বা তাদের কাছে তুচ্ছ ব্যাপার মনে হয়, তখন কী করবেন? যেসব শিশু প্রায় সময়ই বকাঝকা শোনে বা শাস্তি পায়, এক পর্যায়ে নিয়মিত শাস্তি পাওয়াটা তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়। এর ফলে তারা বিরক্ত হয়, রেগে যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ‘যাই হোক না কেন’ বলে আপনাকে উপেক্ষা করবে। এ ধরণের আচরণের ক্ষেত্রে মা-বাবার জন্য কয়েকটি কার্যকরী করণীয় প্রকাশ করছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া।

কার্যকরী উপায়
শাস্তির ধরণ কেমন হবে তা নির্ভর করে একেকটি শিশুর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের ওপর। যেমন- বকাঝকা করা বা রুমে পাঠিয়ে দেয়া হয়তো কারো জন্য বড় ধরণের শাস্তিও হতে পারে। আবার আরেকজনের কাছে এটি বিচ্ছিন্ন ব্যাপার হতে পারে। আপনার শিশুর জন্য কী ধরণের শাস্তি কার্যকরী সেদিকে নজর দিন এবং তা কেবল যখন শিশু অবাধ্য হয়ে যায় তখনই এটি অবলম্বন করুন। তবে এত বেশি কঠোর হবেন না, যা তার পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।

ভাব-প্রকাশের সুযোগ দিন
আপনার শিশুকে ব্যাপারটি বুঝতে দিন। যখন সে কথা বলার সময় খারাপ ব্যবহার বা অমার্জিত আচরণ করে তখন আপনি কেমন বোধ করেন। তার আচার-আচরণ বা কথা-বার্তায় কীভাবে সে মানুষের মনে ব্যথা দিতে পারে সে ব্যাপারে সচেতন করে তুলুন। মাঝে মাঝে মনোবিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে শিশুর আচরণের প্রবণতা বুঝতে পারেন, যা সময়মতো তার আচরণটি সংশোধন করতে সহায়তা করে।

শিশুর সাথে আলোচনা করুন
আপনার শিশু যে ভুল করেছে তা বোঝাতে আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো, বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করা। আপনার শিশুকে কখনোই তর্ক-বিতর্কের যাওয়ার সুযোগ দেবেন না, কারণ এটি আগুনে জ্বালানী হিসেবে কাজ করে। অতি রাগান্বিত হলে থেমে যান আর না হয় আপনার সন্তানের কাছে পরিষ্কার করুন যে, আপনি এ ধরণের আচরণ আশা করেননি। ঝামেলা মিটে গেলে আপনি বিষয়টি নিয়ে আসতে পারেন এবং এ নিয়ে আপনার শিশুর সাথে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন।

প্রশংসা করুন
শিশুর সামনে তাকে নিয়ে প্রশংসা করুন। তবে বেশি প্রশংসা আবার ক্ষতির কারণও হতে পারে। যখন ব্যাপারগুলো সীমা লঙ্ঘন করে এবং অন্য কোনো সমাধান পাওয়া যায় না তখন আপনি কেবল শাস্তির আশ্রয় নেবেন। আপনার শিশুর সাথে কথা বলুন এবং যখনই সে কোনো ভালো কাজ করে তখন তার প্রশংসা করুন। তার আচরণকে সংযত করতে শেখান এবং রাগের সময়ও যেন পিন-পতন নীরব থাকে সেই অভ্যাসও তৈরি করুন।

দৈনন্দিন

বাঁশের যত পুষ্টিগুণ

চীনারা ঠিকই এর মর্ম জানে। তারা বাঁশের কোড়লকে “স্বাস্থ্যকর খাবারের রাজা” বলে জানে। দৈহিক সুস্থতায় এর কোনো জুড়ি নেই

সবচেয়ে লম্বা ঘাস, দ্রুত বর্ধনশীল চিরহরিৎ উদ্ভিদ হলো বাঁশ। গৃহস্থালির কাজে বাঁশের ব্যবহার সবারই জানা। কিন্তু সবার হয়ত জানা নেই যে, এটি অত্যন্ত সুস্বাদু এবং উপকারী খাবারও? বাঁশের কোড়ল পাহাড়ি আদিবাসীদের একটি অতি পরিচিত ও উপাদেয় খাদ্য।

সদ্য অঙ্কুরিত বাঁশের চারাকে কোড়ল বলা হয়। হালকা হলুদ এবং সবুজের মিশ্রণে এটি দেখতেও বেশ। কোড়ল খুব নরম ও আর্দ্র। বাংলাদেশে সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি আদিবাসীরা এটি বেশি খেয়ে থাকেন। তবে ভারতের মেঘালয়, আসাম ও হিমাচল প্রদেশ, নেপাল, ভুটান, চীন, কোরিয়া ও জাপানে বাঁশের কোড়ল খুব জনপ্রিয়।            

কোড়লের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমরা অতটা পরিচিত না হলেও চীনারা ঠিকই এর মর্ম জানে। তারা বাঁশের কোড়লকে “স্বাস্থ্যকর খাবারের রাজা” বলে জানে। দৈহিক সুস্থতায় এর কোনো জুড়ি নেই।

বাঁশের পুষ্টিমান:

পানি: ৮৮ – ৯৩%

প্রোটিন: ১.৪ – ৫%

চিনি: ০.৭৮ – ৫.৮৬%

চর্বি : ০.২৫ – ০.৯৫%

সেলুলোজ: ০.৬০ – ১.৩৪%

খনিজ পদার্থ: ১.১%

এছাড়াও আছে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন।  

বাঁশের কোড়লের উপকারিতা:

হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস: মানবদেহে হৃদরোগের অন্যতম কারণ রক্তে কোলেস্টেরলের অত্যাধিক মাত্রা। তবে নিয়মিত বাঁশের কোড়ল খেলে দেহে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য বজায় থাকে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: কচি বাঁশ দেহে উচ্চরক্তচাপ কমিয়ে আনে। এর পাশাপাশি এটি ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বাঁশের কোড়ল দারুণ কার্যকরী একটি খাবার। যারা এ সমস্যায় ভুগছেন তারা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এটা রাখুন।

এছাড়াও কোড়ল খেলে ডায়াবেটিস, হাঁপানী, মৃগী রোগ, মূর্ছা ও তীব্র জ্বরের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এর কোনো খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন এই উদ্ভিদ।          

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ফল খাওয়ার সঠিক সময়

রাতে খাওয়ার পর ফল না খাওয়াই ভালো

ফল খাওয়া নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলে থাকেন। একেকজনের মত এক্ষেত্রে একেকরকম। অনেকে বলেন, খালি পেটে পানি, আর ভরা পেটে ফল খেতে হয়। অনেকে আবার বলেন, সন্ধ্যার আগেই ফল খেয়ে নেওয়া উচিত। এত মতের মধ্যে কোনটা মানবো আমরা? জেনে নেওয়া যাক পুষ্টিবিদদের পরামর্শ থেকে। 

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের কথায়, ফল হচ্ছে প্রচুর প্রাকৃতিক ভিটামিন, মিনারেল আর ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার। প্লেটের অর্ধেকটা যদি ফল, আর অর্ধেকটা সবজিতে ভরা থাকে তাহলে এমনিতেই পেট ভরবে। তাই ভরা পেটে না খালি পেটে ফল খাবেন সেই দ্বন্দ্বও থাকবে না।

এছাড়া পুষ্টিবিজ্ঞানীদরা দাবি করেন, খাওয়ার আধঘণ্টা আগে যদি কয়েক টুকরো ফল খেয়ে নেওয়া যায় তাহলে বেশি খাওয়ার সমস্যা থেকে আপনি রেহাই পাবেন। বাঁচবেন স্থূলতার সমস্যা থেকেও। তবে যেসব ফলে শর্করা বা চিনির মাত্রা বেশি, সেগুলো দিনের মূল খাবারের সময় গ্রহণ করা উচিৎ নয়। এতে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবসময়েই ফল ও মূল খাবার খাওয়ার মধ্যে কমপক্ষে আধঘণ্টা ব্যবধান রাখা উচিৎ। নাহলে খাবার বা ফল, কোনোটাই হজম হবে না। কারণ, ফল নিজেই একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ খাবার।

পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠে একগ্লাস পানি খাওয়ার পর ফল খেলে শরীর দূষণমুক্ত হবে, হজম ক্ষমতা বাড়বে, আরও বেশি পুষ্টি পাবেন আপনি। তবে সাধারণত, সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাওয়ার মাঝের সময়ে ফল খাওয়া যেতে পারে। সেইসঙ্গে বিকাল বা সন্ধ্যায় স্ন্যাকস হিসেবেও ফল বেছে নেওয়া যেতে পারে। 

এছাড়া খাওয়ার আগে কয়েক টুকরো ফল খেলে পাকস্থলীতে ফাইবার যায়, যা অন্য খাবার হজম করতে সাহায্য করে। আবার পেটও ভর্তি রাখে। বেশি ফাইবারযুক্ত ফল হচ্ছে আপেল, নাশপাতি, কলা।

তবে রাতে খাওয়ার পর ফল না খাওয়াই ভালো। কারণ, ফলের মধ্যে থাকা চিনি শরীরে বাড়তি এনার্জি এনে ঘুমের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ঘণ্টা দুই আগে ফল খেতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

দিনে ৮ ঘণ্টা ঘুমালে কী হয়?

ঘুমানোর সময় আমরা শরীরে লেপটিন নামের একটি হরমোন তৈরি করি

সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত আট ঘণ্টা ঘুমানো আসলে কোনো বিলাসিতা নয়, বরং স্বাস্থ্যকর রুটিনের একটি অপরিহার্য অংশ। অপর্যাপ্ত ঘুম আপনার মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যকে মারাত্বকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। চলুন দেখে নেওয়া যাক আপনি যদি কম ঘুমান তাহলে কী ঘটে থাকে শরীরে। 

দ্রুত শিখতে পারেন নতুন কিছু

পর্যাপ্ত ঘুমের পর সকালে আপনার দেহ ও মন দুটিই বেশ ফুরফুরে থাকে। আপনি যখন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেন তা খুব দ্রুতই আয়ত্ত করতে সক্ষম হন। বিজ্ঞানিরা বলছেন, ঘুমের মধ্যে আমরা নতুন তথ্য প্রক্রিয়া করি। আপনি যদি পর্যাপ্ত না ঘুমান, তাহলে এটি আপনা্র ওপর খুব খারাপ প্রভাব ফেলে। যার কারণে নতুন কোনো দক্ষতায় মনোনিবেশ করতে অথবা নতুন কিছু মনে রাখার ক্ষেত্রে আপানাকে বেশ বেগ পেতে হতে পারে। 

সচেতনতা বৃদ্ধি করে

নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের ফলে আপনার মনোযোগ এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা আরও বেশি সক্রিয়ভাবে কাজ করে। এটি স্পষ্টভাবে কোনো চিন্তা করতে বা দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে। 

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে 

সমীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে, ঘুমানোর সময় আমরা শরীরে লেপটিন নামের একটি হরমোন তৈরি করি। এই হরমোন আমাদের শরীরকে বলে দেয়, এই মূহুর্তে আমাদের কতোটুকু খাবার গ্রহণের প্রয়োজন। আমরা যখন পর্যাপ্ত না ঘুমাই, তখন এই হরমোন তৈরির প্রক্রিয়া ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে এবং আমাদের ক্ষুধা বাড়িয়ে তোলে। ফলে আমরা মাত্রাতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করি এবং আমাদের ওজন বেড়ে যেতে থাকে। 

নিরাপদ ড্রাইভ করা 

দেখা গেছে, চালকদের মধ্যে পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব রয়েছে তারা অ্যালকোহল গ্রহণকারী চালকদের মতো আচরণ করছেন। অপরদিকে যারা আট ঘণ্টা ঘুমিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন, তারা বেশ নিরাপদে রয়েছেন। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

রক্তে চর্বি জমতে দিলেই হয় স্ট্রোক

বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল টেস্ট নামে পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তের চর্বি পরিমাপ করাতে হবে

যুগের সাথে পাল্লা দিয়ে যেন সমান হারে বেড়েই চলছে অসুখ-বিসুখ। তার ওপর আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই তেমন স্বাস্থ্য সচেতন নন। কিন্তু ক্ষতিকর ও ভয়াবহ কিছু রোগে আশঙ্কা থাকে প্রানহানির। এসব রোগের মধ্য অন্যতম স্ট্রোক। 

স্ট্রোকের কারণ হলো রক্তে জমে থাকা চর্বি। আর রক্তে চর্বির পরিমাণ বেড়ে গেলেই তা চিন্তার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। রক্তে চর্বির পরিমাণ বাড়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার গ্রহণ এবং ব্যায়াম না করা। 

চিকিৎসকরা বলেন, রক্তে চর্বি বেশি হলে ধমনীর গায়ে সেগুলো জমা হতে থাকে। ফলে ধমনী ক্রমশঃই সরু হতে থাকে। ধমনী সরু হয়ে গেলে রক্তের সঞ্চালনও সীমিত হতে থাকে। কখনো কখনো রক্ত সঞ্চালন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই বন্ধ হওয়া যদি হার্টের করোনারি ধমনীতে হয় তখন দেখা দেয় হার্ট অ্যাটাক। হার্ট অ্যাটাকের কারণে বিভিন্ন জটিলতাসহ তাৎক্ষণিক মৃত্যুও ঘটতে পারে। আর যদি মস্তিষ্কের মধ্যে এই ঘটনা হয় তবে তাকে বলা হয় স্ট্রোক। যেহেতু চর্বির আধিক্যের কারণেই বিভিন্ন জটিলতা ঘটে তাই চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ এবং শরীরের বাড়তি চর্বির ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

এক্ষেত্রে সমাধান হতে পারে প্রচুর টাটকা ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়া। কমিয়ে দিতে হবে তেলে ভাজা খাবার। বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল টেস্ট নামে পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তের চর্বি পরিমাপ করাতে হবে। 

আমাদের রক্তে বিভিন্ন রকমের চর্বি থাকে। এর মধ্যে আছে ট্রাইগ্লিসারাইড, কোলেস্টেরল, এলডিএল ও এইচডিএল। রক্তে এসবের নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। প্রতি বছর পরীক্ষা করে দেখতে হবে এই মাত্রা স্বাভাবিক আছে কি না। এগুলোর আদর্শ মাত্রা হচ্ছে   ট্রাইগ্লিসারাইড ১৫০ মিলি গ্রামের কম,  কোলেস্টেরল ২০০ মিলি গ্রামের কম, এলডিএল ১০০ মিলি গ্রামের কম এবং এইচডিএল ৪০ মিলিগ্রামের বেশি।

মাত্রাধিক্য দেখা দিলেই স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যানসার, হৃদরাগ, ফ্যাটি লিভারসহ নানারকম রোগ দেখা যায়। তাই সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আবার হোটেল-রেস্টুরেন্টের খাবার, দাওয়াতের খাবারে প্রচুর তেল চর্বি থাকে। এসব বেশি খেলে রক্তের চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়।

এছাড়াও অনেক পরিবারে বংশানুক্রমিকভাবে বাড়তে থাকে চর্বির মাত্রা। মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি খেলেও রক্তে চর্বি বেড়ে যায়। স্ট্রোক এবং হৃদেরাগের হাত থেকে বাঁচতে অবশ্যই চর্বি গ্রহণ কমাতে হবে। তা না হলে দুর্ঘটনার আশংকা বাড়তেই থাকে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ওষুধ ছাড়াই দূর করুন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘন ঘন অ্যাসিড কমানোর ওষুধ খেলে তা আদতে ক্ষতিই করে

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় যারা ভোগেন তারা ভালোই জানেন বিষয়টি কতোটা অস্বিস্তিকর। একটু ভাজাপোড়া অথবা দাওয়াত-পার্টিতে মসলাযু্ক্ত খাবার খেলেই শুরু হয়ে যায় গ্যাসের সমস্যা। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে সবাই হাত বাড়ান ওষুধের দিকে। এতে সাময়িক কিছুটা আরাম পাওয়া যায় বটে। তবে অভ্যাসটি কিন্তু আসলেই ক্ষতিকর।

চিকিৎসকদের মতে, শারীরিক প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘন ঘন অ্যাসিড কমানোর ওষুধ খেলে তা আদতে ক্ষতিই করে। এর প্রভাবে কোনো ভারী খাবার খেলে অ্যাসিডের অভাবে প্রোটিন হজমে বিঘ্ন ঘটে৷ এছাড়া খাবার নিচে নামার প্রক্রিয়া শ্লথ হয়ে-পেট ভার, খাবার গলায় উঠে আসা, বমি ও বদহজমসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। 

তবে সঠিকভাবে জীবন যাপন করলে গ্যাস্ট্রিক ধারে-কাছে ঘেঁষতেই পারে না। এবার জেনে নিন ওষুধ ছাড়া কীভাবে গ্যাসট্রিক দূর করবেন-

শসা: শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

দই: দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়। ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়। 

পেঁপে: পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম, যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা ও কমলা: কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও কলার সল্যুবল ফাইবারের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা পেট পরিষ্কার রাখতে কাজ করে। 

আদা: আদা সব চাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান। দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।

লবঙ্গ: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে লবঙ্গে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর গ্যাসের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। তাই এবার থেকে একটু বেশি মাত্রায় খাবার খাওয়ার পর যদি বুক জ্বালা এবং ঢেকুর ওঠার মতো সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে এক-দুটি লবঙ্গ খেয়ে ফেলতে ভুলবেন না। 

মৌরি: মৌরিতে থাকা বিশেষ এক ধরনের তেল পাকস্থলির কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়ক পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজম এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না।

অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরায় উপস্থিত নানাবিধ খনিজ একদিকে যেমন ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, অ্যালোভেরায় উপস্থিত অ্যাসিড, স্টোমাকে তৈরি হওয়া অ্যাসিডের কর্যকারিতা কমিয়ে দেয়। ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

পুদিনা পাতার পানি: এক কাপ পানিতে পাঁচটা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই। 

মৌরির পানি: মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি খেলে গ্যাস থাকে না।

রসুন: অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে রসুনের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে এক কোয়া রসুন খেয়ে ফেললেই স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ ঠিক হতে শুরু করে। ফলে গ্যাস-অম্বল সংক্রান্ত নানা লক্ষণ ধীরে ধীরে কমে যেতে শুরু করে।

ডাবের পানি: ডাবের পানি খেলে হজম ক্ষমতা বাড়ে এবং সব খাবার সহজেই হজম হয়ে যায়। এছাড়াও গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় নিয়মিত ডাবের পানি খেলে। তাই সম্ভব হলে প্রতিদিন ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। তাহলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com