আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

শাহজাদপুরে সংকটে তাঁতশিল্প

শাহজাদপুরের তাঁতশিল্প সংকটে পড়েছে। তাঁতিরা পড়েছেন বিপাকে। এ বছরেও অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যয়ের শঙ্কা করছেন তাঁতিরা। সারা দেশে লকডাউন থাকায় হাটে বিক্রির জন্য কাপড় আনতে পারছেন না তারা। নতুন করে কাপড় বোনাও হচ্ছে না।

পুঠিয়া গ্রামের চাঁদ মিয়া, গাড়াদহ গ্রামের শফিকুল ইসলাম, উল্লাপাড়ার নেওয়ার গাছা গ্রামের সেরাজুল ইসলাম, মহেষপুর গ্রামের বাবলু মিয়া ও হাসান জানান, অনেকেরই ১৫ থেকে ২০ খানা তাঁত ছিল। এখন কমতে কমতে কারো দুই খানা কারো আবার পাঁচ খানায় ঠেকেছে। পৌর এলাকার তাঁত শ্রমিক স্বপন বলেন, ‘অনেক মহাজন তাঁত বন্ধ করে বসে আছেন।’

পরিবেশ

কৃষির উন্নয়ন হয়েছে কৃষকের হয়নি

বাংলাদেশের শহুরে নিম্নবিত্তের আয়ের প্রায় শতভাগই খাদ্যসংক্রান্ত খাতে ব্যয় হয়ে যায়। মধ্যবিত্তের সিংহভাগ উপার্জনও বাসা ভাড়া ও খাদ্যপণ্য ক্রয়ে ব্যয় হয়।জলাশয়ের পানির স্বল্পতা, ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের উচ্চ খরচ কিংবা দুষ্প্রাপ্যতা, ঋতু পরিবর্তন, খরা, রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জঞ্জাল, উচ্চ সুদের কৃষিঋণ এবং কৃষি উপকরণের কোম্পানিনির্ভরতার প্রত্যক্ষ কারণে দিন দিন বাড়ছে কৃষি উৎপাদন ব্যয়। মূল্যবৃদ্ধির কিছু পরোক্ষ কারণও রয়েছে।

চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন বাম্পার ফলন
বাংলাদেশে বিশেষ এলাকায় বিশেষ ফলন বেশি হয়। সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় বাম্পার ফলন হলেই দাম পড়ে যায়, ক্ষতিগ্রস্ত হন কৃষক। উৎপাদনমূল্যের বিপরীতে বাজারমূল্য কম হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়টি স্বাধীনতার ৫০ বছরেও চালু করতে পারেনি বাংলাদেশ।

সারে সরকারের দেওয়া ভর্তুকিতেও পদ্ধতিগত ত্রুটি আছে। জমির পরিমাণ ও ফসলের চাহিদামাফিক সারের ডিজিটাল সরবরাহব্যবস্থা নেই, ফলে নিবন্ধনের বিপরীতে মোবাইল পের মাধ্যমে ভর্তুকি দেওয়া যা না। শেষপর্যন্ত লাভবান হয় দলীয় ডিলার। সরকার–নির্ধারিত মূল্যে কখনোই সার বিক্রি করে না ডিলার, কৃষকের কাছ থেকে আদায় করে ঘুষ ও অতিরিক্ত মূল্য। কৃষিভর্তুকির আমূল ডিজিটাল সংস্কার জরুরি। জাতীয় পরিচয়পত্র, চাষাবাদের জমি ও পেশাভিত্তিক ফলন নিবন্ধন, সার সরবরাহ, ঋণ-প্রণোদনা-ভর্তুকি প্রদানের ডিজিটাল ব্যবস্থায় যেতে হবে। দালালদের পাশ কাটিয়ে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় সরাসরি কৃষক থেকে ধান কেনার মডেলে যেতে হবে।

বৈচিত্র্যহীন চাষের একচেটিয়া মডেলে একটি এলাকায় সবাই ধান করলে চাইলেও অন্য ফলন করা যায় না। ফলন বৈচিত্র্য ও বাজার চাহিদামাফিক নিবন্ধন কৃষি প্রশাসনের কাজ। দেশীয় জাতের ফলন থেকে চাষি একবার বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়া বিশেষ জাত দু-তিন বছরে নাই হয়ে যায়। কৃষক জিএমও বীজ ও চারা নির্ভর হয়ে ওঠে। অনেক ক্ষেত্রেই এরা রোগবালাই এবং পতঙ্গ–প্রতিরোধী নয় বলে অতিরিক্ত সার, কীট-ছত্রাক ব্যবহার করতে হয়। এগুলোর ব্যবহারে উপকারী পোকার প্রজাতি নষ্ট হচ্ছে, শক্তিশালী হয়ে উঠছে ক্ষতিকারক পোকামাকড়-ছত্রাক। ক্রমবর্ধমান রাসায়নিক নির্ভরতার বিপরীতে জৈব-রাসায়নিক সমন্বিত চাষাবাদের দীর্ঘমেয়াদি রূপকল্প বানানো দরকার।

এক দিকে মুলা, ফুলকপির অতিরিক্ত ফলন হচ্ছে অথচ অন্য ফসলের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও উৎপাদনই হচ্ছে না। প্রতিবছর আদা, পেঁয়াজ, রসুন, মসুর ডাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

খরুচে এবং নিরানন্দ কৃষিশ্রম
উপজেলা কিংবা ইউনিয়ন কৃষি অফিসগুলোকে আধুনিক কৃষি সরঞ্জাম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা গেলে কৃষক সস্তায় আধুনিক যন্ত্রপাতি ভাড়া নিতে পারতেন। কায়িক শ্রম, উচ্চ মূল্য থেকে মুক্তি পেলে শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা কৃষিকে পেশা হিসেবে নিতে উৎসাহিত হবেন। কৃষি সরঞ্জাম ক্রয়ে সরকার ভর্তুকি দেয়, কিন্তু নষ্ট যন্ত্র মেরামত ও সংরক্ষণের কারিগরি সেবা নেই বলে এই ভর্তুকি কাজে আসে না।

পাইকারি বাজারে কৃষকের অধিকার
কারওয়ান বাজারসহ কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক বাজারগুলো পাইকারদের দখলে থাকে, দালালদের মাধ্যমে প্রভাবশালীরা বাজারসংলগ্ন রাস্তা পর্যন্ত ভাড়া দেয়। ব্যক্তি কৃষকের এখানে ফসল নিয়ে আসার সুযোগ নেই। এতে কৃষিপণ্য উৎপাদনের পেছনে যে মান, পরিশ্রম, পরিবেশ ও বৈচিত্র্যগত বহু গল্প থাকে, ক্রেতার তা অজানাই থাকে। নেই মূল কৃষক ও দালালদের মধ্যে মূল্য প্রতিযোগিতাও।

মানহীন কৃষিপণ্য পরিবহন
শাকসবজি, ফল, খাদ্যশস্য, মাছ প্রায় সবই খোলা ট্রাকে, বাসের ছাদে কিংবা বাক্সে অত্যন্ত গরমের মধ্যে, অত্যধিক বাতাসে, রোদে পরিবহন করা হয়। শ্রেণীকৃত, হিমায়িত, তাপানুকূল ‘ফুডগ্রেড’ পরিবহন ব্যবস্থা নেই। মহাসড়কের পাশে, ফেরিঘাটে, যানজটে মাইলের পর মাইল দাঁড়িয়ে থাকে কৃষি পণ্যবাহী ট্রাক। এতে শ্রমঘণ্টা নষ্ট হয়, জ্বালানি খরচ বাড়ে, পণ্য নষ্ট হয়, দামও বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ১৫ শতাংশ পণ্য শুধু পরিবহনে নষ্ট হয়।

দাম বাড়াচ্ছে চাঁদাবাজি
রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের মহাস্থান হাট থেকে ঢাকা বা চট্টগ্রামে আসতেই সব ধরনের সবজির দর বেড়ে যাচ্ছে ১০ থেকে ২০ গুণ পর্যন্ত। পথে পথে চাঁদাবাজি। পণ্যবাহী ১০ টনের একটি ট্রাককে চাঁদা দিতে হয় প্রায় সাড়ে ২২ হাজার টাকা। হাইওয়ে পুলিশের পণ্য পরিবহনে সব ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া কথা, অথচ তারাই বেশি চাঁদাবাজি করে। যেখানে রাষ্ট্রীয় বাহিনীই চাঁদাবাজি করে, সেখানে কৃষিপণ্যের দাম কীভাবে কমবে। এর সঙ্গে যোগ হয় স্থানীয় সমিতির চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক চাঁদাবাজি, পাইকারি বাজারের স্থান ও দালালের খরচ। দালালেরা স্থানীয় বাজারে সিন্ডিকেট নির্ধারিত পাইকারি মূল্যে পণ্য বিক্রিতে কৃষককে বাধ্য করে। কৃষিপণ্যের জন্য বিশেষ সুবিধার সড়ক পরিবহনের চিন্তা সরকারের নেই। দেশের সবজি ও কৃষি উৎপাদনের আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোকে বিভাগীয় শহরের সঙ্গে ট্রেন সংযুক্ত করার কাজ এখনো বাকি। বগুড়া-সিরাজগঞ্জের মতো দরকারি কৃষি রেল রুট কিংবা কৃষিপণ্য পরিবহনবান্ধব বিশেষ রেল কোচ এখনো চালু করা যায়নি। কৃষি হাবগুলো থেকে মহানগরে পণ্য পরিবহনের জন্য শ্রেণীকৃত তাপানুকূল, হিমায়িত ট্রেন কোচ বা বিশেষ সড়ক পরিবহনের ব্যবস্থা থাকলে বহুস্তরের চাঁদাবাজির লাগাম টানা যেত। তরমুজের দাম বাড়ার পর জেলা প্রশাসনকে কম দামে তরমুজ বিক্রি করতে দেখা গেছে। এ ধরনের লোকদেখানো সস্তা কাজ না করে পুলিশের উচিত বহুস্তরের চাঁদাবাজি থামানো। বাজারব্যবস্থায় অযাচিত হস্তক্ষেপের ফলে দালাল ও পাইকার গোষ্ঠী সাময়িকভাবে ক্রয় বন্ধ করে পচনশীল কৃষিপণ্যের সমূহ ক্ষতি করতে সক্ষম।

চাই টেকসই স্টোরেজ অবকাঠামো
ঋণের কারণে ফসল সংরক্ষণ করতে পারেন না কৃষক, উৎপাদনের অব্যবহিত পরেই বিক্রি করে ঋণের কিস্তি কিংবা দেনা শোধ করতে হয়। তার ওপর উচ্চ আর্দ্রতার এবং উচ্চ তাপমাত্রায় পচনশীল সবজিজাতীয় কৃষিপণ্য সংরক্ষণের কোনো উপায়ই দেশে নেই, নেই অঞ্চল ও পণ্যভিত্তিক অবকাঠামো। ভিন্ন ভিন্ন ফসলের চাহিদা মোতাবেক আমাদের কোল্ডস্টোরেজ শ্রেণীকৃত নয়, দেখা যায় পুরোটাই আলুর উপযোগী! ফলে কৃষকেরা অ্যান্টি ক্লোরিনেটেড ওয়াটার, কার্বাইড কিংবা ফরমালিন ব্যবহার করছেন! উৎপাদিত পচনশীল শাকসবজি, ফল-ফুল সংরক্ষণের ব্যবস্থা না–থাকায় মৌসুমের বাইরে ফলনের কোনো বাজার নেই। এতে কৃষক বেশি উৎপাদিত পণ্য মৌসুমেই কম দামে বাজারে ছাড়াতে বাধ্য হন। ভিন্ন ভিন্ন জাতের আম পাড়ার মধ্যে ফারাক তিন-চার সপ্তাহ, লিচুর মাত্র দুই সপ্তাহ, কাঁঠালের তিন-চার সপ্তাহ, সবজি ও ফুলের ক্ষেত্রেও দু-তিন সপ্তাহ। সংরক্ষণব্যবস্থা না থাকায় এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই কৃষককে বাজারজাত করতে হয়। তাই সমন্বিত বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার অভাবে বাড়তি পচনশীল পণ্য পানির দরে বিক্রি হয়। অথচ মৌসুমের পরেই কিন্তু বাজারে এগুলোর ভালো দাম থাকে। এতে বিষ মিশিয়ে সংরক্ষণের প্রবণতা বাড়ে। উপরন্তু বাংলাদেশের কৃষিপণ্য বিক্রির বড় কোন আন্তর্জাতিক বাজারও তৈরি হয়নি। এর প্রধান কারণ হতে পারে, মানসম্পন্ন বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, ফুডগ্রেড সংরক্ষণ, মানসম্পন্ন প্যাকেজিং এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থায় সংযুক্ত হওয়ার বিপণন ব্যর্থতা।

স্বাধীনতার পাঁচ দশকে বাংলাদেশের যত অর্জন, তার মধ্যে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশ পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম কৃষি উৎপাদনকারী দেশ। এই অর্জনকে নিবন্ধন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের অবকাঠামোগত উৎকর্ষে সঞ্চারিত করে প্রকৃত কৃষকদের ধনী করা গেলে সেটাই হবে টেকসই উন্নয়ন।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব টেকসই উন্নয়নবিষয়ক লেখক। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও বাংলাদেশ, বাংলাদেশ: অর্থনীতির ৫০ বছর বইয়ের লেখক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ভারত সীমান্ত বন্ধ থাকবে আরও ১৪ দিন

ভারতে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় দেশটির সঙ্গে স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ আরও ১৪ দিন বেড়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্র জানায়, প্রথম দফার মতো এবারও বাংলাদেশের যে নাগরিকরা চিকিৎসার জন্য ভারতে আছেন এবং যাদের ভিসার মেয়াদ ১৫ দিনের কম রয়েছে, শুধু তারাই বেনাপোল, আখাউড়া ও বুড়িমারি বন্দর দিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে দেশে ফিরতে আগ্রহী বাংলাদেশের নাগরিকদের দিল্লি, কলকাতা ও আগরতলার বাংলাদেশ মিশনের অনাপত্তিপত্র নিতে হবে। তবে সীমান্ত এলাকায় কোয়ারেন্টাইনের জায়গা সীমিত হয়ে পড়ায় ঈদের ছুটির আগে ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন অনাপত্তিপত্র দেয়ার বিষয়ে কিছুটা কড়াকড়ি মেনে চলবে।

এর আগে যশোরে ভারতফেরত দুই বাংলাদেশির শরীরে করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্ট (ধরন) শনাক্ত হয়েছে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে নমুনা সিকুয়েন্সিং করে শনিবার (৮ মে) দুপুরে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

যবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং যবিপ্রবি জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক ও অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

যবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ভারতফেরত করোনার রোগীর নমুনায় ভারতীয় ভেরিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। ল্যাবে কিছু সিকোয়েন্স করে এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এখন পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্স করার প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি আমরা আইইডিসিআরকে (রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট) জানিয়েছি। পাশাপাশি যশোর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি অবহিত করেছি।

যবিপ্রবি জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক ও অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদ জানান, যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল থেকে ভারতফেরত ১৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছে। এদের মধ্যে দুজনের শরীরে করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্টের (বি-১.৬১৭.২) অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে এটি ডাবল মিউটেশন নয়। যেহেতু একটি এসেছে, ফলে ডাবল মিউটেশন বা অন্য ভেরিয়েন্টও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পবিত্র শবে কদর আজ

লেখক

পবিত্র শবে কদর (লাইলাতুল কদর) আজ। আজ সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হবে শবে কদরের রজনী।
এ রাত ‘হাজার মাসের চেয়েও উত্তম’। কারণ, পবিত্র আল-কোরআন লাইলাতুল কদরে নাযিল হয়। তাই মুসলিম উম্মাহর কাছে শবে কদরের গুরুত্ব খুবই তাৎপযপূর্ণ। এই রাত হাজার মাসের চেয়েও বেশি ইবাদতের নেকী-লাভের সুযোগ এনে দেয় ।


এ রাতে ঝিকির-আজগার, ইবাদত-বন্দেগী ও কোরআন তেলওয়াতের মধ্যদিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনা করে থাকেন। পবিত্র শবে কদর উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

চাষের মাধ্যমে দেশে নতুন করে সবুজ বিপ্লব ঘটবে : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আমাদের বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি ব্রি-৮১, ব্রি-৮৯, ব্রি-৯২, মুজিববর্ষে ব্রি-১০০সহ অনেকগুলো উন্নত জাতের ধান উদ্ভাবিত হয়েছে। ব্রি-৮১, ব্রি-৮৯ ও ব্রি-৯২ জাতের ধানের ফলন অনেক বেশি। প্রতি বিঘায় ২৫-৩০ মণ, প্রতি শতকে প্রায় ১ মণ। এ জাতগুলো চাষের মাধ্যমে দেশে নতুন করে সবুজ বিপ্লব ঘটবে। দেশে খাদ্য উৎপাদন অনেকগুণ বাড়বে ও ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট হবে না।

শনিবার (৮ মে) টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি কামারপাড়ায় ‘ব্রি-৮৯ ও ৯২ জাতের ধান কর্তন ও কৃষক সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

jagonews24

মন্ত্রী বলেন, ব্রি-৮৯ ও ব্রি-৯২ চাষের মাধ্যমে উন্নত শস্য বিন্যাসে বোরো ধান ও আমন ধান চাষ করে পতিত সময়ে সরিষা করা যাবে। প্রতি বছর আমাদেরকে বিদেশ থেকে ১৫-২০ হাজার কোটি টাকার বিপুল পরিমাণ ভোজ্যতেল আমদানি করতে হয়। এ জাত দুটি চাষ করলে অতিরিক্ত ফসল হিসেবে সরিষা উৎপাদন করা যাবে। ফলে সরিষার উৎপাদন বাড়বে ও তেল আমদানির পরিমাণ কমবে।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, বারির মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম, বিনার ডিজি ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গণি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ব্রির তথ্য মতে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে রোপণ করা ব্রি ধান ৮৯ ও ব্রি ধান ৯২ আজ কাটা হয়। আগে এই এলাকায় ব্রি ধান ২৮ এবং ব্রি ধান ২৯ আবাদ করা হত, যেখানে ব্রি ধান ২৮ ও ব্রি ধান ২৯-এর ফলন ছিল বিঘাপ্রতি ১৮ থেকে ২০ মন, সেখানে ব্রি ধান ৮৯ ও ব্রি ধান ৯২ ধানের ফলন পাওয়া যায় বিঘাপ্রতি ২৫-৩০ মন। এছাড়াও ব্রি ধান ২৯-এর চেয়ে পাঁচ থেকে সাত দিন পূর্বেই এই দুটি জাতের ধান কাটা যায়।

jagonews24

ব্রির তথ্যে জানা যায়, বোরো-পতিত-রোপা আমন বাংলাদেশের একটি প্রধান শস্যবিন্যাস, যা সারাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির প্রায় ২৭ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ করা হয়। এই দ্বিফসলি শস্যবিন্যাসে নানাভাবে উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে- বিশেষ করে উঁচু এবং মধ্যম উঁচু জমিতে।

এ শস্যবিন্যাসের উন্নয়নের জন্য প্রথমত বোরো এবং রোপা আমন ধানের মধ্যবর্তী সময়ে সরিষা চাষ করা হয়। ভোজ্যতেলের জন্য বোরো-পতিত-রোপা আমন শস্যবিন্যাসে সরিষা অন্তর্ভুক্তি করতে পারলে ২ দশমিক ৬০ মিলিয়ন টন সরিষা উৎপাদন সম্ভব, যা থেকে বছরে ১ দশমিক শূন্য ৪ মিলিয়ন টন সরিষা তৈল পাওয়া যেতে পারে।

এর আগে সকালে মন্ত্রী মধুপুরের গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৩১ হাজার ১৮৭টি পরিবারকে ৪৫০ টাকা করে মোট এক কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার ভিজিএফ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।


এ সময় মন্ত্রী বলেন, দেশে খাদ্যের কোনো সংকট নেই। এখন সারাদেশে বোরো ধান কাটা চলছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ উপলক্ষে এই উপহার দিচ্ছেন, যাতে কোনোক্রমেই একটি মানুষকেও যেন ঈদে খাদ্যের জন্য কষ্ট করতে না হয়। ঈদের আনন্দ যাতে ম্লান না হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

বিশ্ব মা দিবস আজ

বিশ্ব মা দিবস আজ। জন্মদাত্রী মা, যার কল্যাণে পৃথিবীতে আলোর মুখ দেখা হয় সন্তানের। সেই মায়ের স্মরণে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার ‘বিশ্ব মা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। যদিও মাকে ভালোবাসা-শ্রদ্ধা জানানোর কোনো দিনক্ষণ ঠিক করে হয় না, তবুও মাকে গভীর মমতায় স্মরণ করার দিন আজ।

প্রাচীন গ্রিসে বিশ্ব মা দিবসের পালন করা হলেও আধুনিককালে এর প্রবর্তন করেন এক মার্কিন নারী। ১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আনা জারভিস নামের নারী মারা গেলে তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য সচেষ্ট হন।

ওই বছর তিনি তার সান ডে স্কুলে প্রথম এ দিনটি মাতৃদিবস হিসেবে পালন করেন। ১৯০৭ সালের এক রোববার আনা মারিয়া স্কুলের বক্তব্যে মায়ের জন্য একটি দিবসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।

১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘মা’ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এভাবেই শুরু হয় মা দিবসের যাত্রা। এরই ধারাবাহিকতায় আমেরিকার পাশাপাশি মা দিবস এখন বাংলাদেশসহ অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া ও জার্মানসহ শতাধিক দেশে মর্যাদার সঙ্গে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

যদিও করোনার কারণে গত বছরের মতো এবারও দিবসটিতে কোনো আনুষ্ঠানিকতা দেখা যাবে না। তাই বলে ঘরে ঘরে মায়ের ভালোবাসা কুড়াতে কার্পণ্য করবে না সুসন্তান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com