আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

শাক চাষ করে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয়

বিশ্বের অনেক দেশে যখন বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। তাই বেকারত্ব দূর করতে কেউ কেউ উদ্যোক্তা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছেন। এবার জেনে নিন যিনি শাক চাষ করে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয় করছেন।

  • ভারতে চেন্নাইয়ের বাইরেও তার ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। প্রতি মাসে তার আয় ৮০ হাজার টাকা!

    ভারতে চেন্নাইয়ের বাইরেও তার ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। প্রতি মাসে তার আয় ৮০ হাজার টাকা!

  • তবে পরে লেটুস, আলফার চাহিদা জেনে অন্য সমস্ত চাষাবাদ ছেড়ে সালাদের উপযোগী এই মাইক্রোগ্রিনস চাষ করতে শুরু করেন তিনি। প্রথম প্রথম প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁয় ১২ কেজি করে শাক সরবরাহ করতে শুরু করেন। এখন ৫০ কেজি করে সরবরাহ করেন।

    তবে পরে লেটুস, আলফার চাহিদা জেনে অন্য সমস্ত চাষাবাদ ছেড়ে সালাদের উপযোগী এই মাইক্রোগ্রিনস চাষ করতে শুরু করেন তিনি। প্রথম প্রথম প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁয় ১২ কেজি করে শাক সরবরাহ করতে শুরু করেন। এখন ৫০ কেজি করে সরবরাহ করেন।

  • সূর্যমুখী, গাজর, বিট, ব্রকোলি, বাঁধাকপি, আলফা এবং সরষের চাষ শুরু করেন তিনি। ২০১৭ সালে এই সমস্ত ফসলের ক্রেতাও পেয়ে যান তিনি। ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সুপারমার্কেটে সরবরাহ করতে শুরু করেন এগুলো।

    সূর্যমুখী, গাজর, বিট, ব্রকোলি, বাঁধাকপি, আলফা এবং সরষের চাষ শুরু করেন তিনি। ২০১৭ সালে এই সমস্ত ফসলের ক্রেতাও পেয়ে যান তিনি। ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সুপারমার্কেটে সরবরাহ করতে শুরু করেন এগুলো।

  • শেষে ২০১৪ সাল নাগাদ তিনি ফের চাষাবাদ নিয়ে কিছু একটা শুরু করার কথা ভাবেন। এবার আর ধান-বাদাম নয়, কোকোপিট-ট্রে কিনে তার মধ্যেই শুরু করেন শাক-পাতা চাষ। এবার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই ১০ ফুট/ ১০ ফুটের একটি ঘরে চাষ শুরু করেন।

    শেষে ২০১৪ সাল নাগাদ তিনি ফের চাষাবাদ নিয়ে কিছু একটা শুরু করার কথা ভাবেন। এবার আর ধান-বাদাম নয়, কোকোপিট-ট্রে কিনে তার মধ্যেই শুরু করেন শাক-পাতা চাষ। এবার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই ১০ ফুট/ ১০ ফুটের একটি ঘরে চাষ শুরু করেন।

  • সেটা ছিল ২০১১ সালের ঘটনা। প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় চাষাবাদই ছেড়ে দেন তিনি। তার বেসরকারি সংস্থাও ভালো চলছিল না। ২০১৩ নাগাদ তিনি এগুলো বন্ধ করে গাড়ির ব্যবসা শুরু করেন। সেটাও তেমন চলেনি।

    সেটা ছিল ২০১১ সালের ঘটনা। প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় চাষাবাদই ছেড়ে দেন তিনি। তার বেসরকারি সংস্থাও ভালো চলছিল না। ২০১৩ নাগাদ তিনি এগুলো বন্ধ করে গাড়ির ব্যবসা শুরু করেন। সেটাও তেমন চলেনি।

  • বছরে ধান চাষ করে মাত্র তিন হাজার এবং বাদাম চাষ করে ২০ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। আর চাষাবাদে যা পরিশ্রম এবং টাকা ইনভেস্ট করেছিলেন, সেগুলো বাদ দিয়ে তার বছরে লাভ হয়েছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা।

    বছরে ধান চাষ করে মাত্র তিন হাজার এবং বাদাম চাষ করে ২০ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। আর চাষাবাদে যা পরিশ্রম এবং টাকা ইনভেস্ট করেছিলেন, সেগুলো বাদ দিয়ে তার বছরে লাভ হয়েছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা।

  • প্রথমে পালা করে বর্ষায় ধান এবং ধান উঠে যাওয়ার পর শীতে বাদাম চাষ করতে শুরু করেন। কিন্তু প্রথম প্রথম হতাশই হয়েছিলেন বিদ্যাধরন। বিষয়টা যতখানি সহজ এবং লাভজনক মনে করেছিলেন, ততটা একেবারেই ছিল না।

    প্রথমে পালা করে বর্ষায় ধান এবং ধান উঠে যাওয়ার পর শীতে বাদাম চাষ করতে শুরু করেন। কিন্তু প্রথম প্রথম হতাশই হয়েছিলেন বিদ্যাধরন। বিষয়টা যতখানি সহজ এবং লাভজনক মনে করেছিলেন, ততটা একেবারেই ছিল না।

  • নিজের সংস্থা চালানোর ফাঁকেই তিনি কেনা জমিতে চাষাবাদও শুরু করেন। সময় করে সপ্তাহে অন্তত একবার ঘুরে আসতেন জমি থেকে। সেখানে কয়েকজন কৃষককে রেখে চাষের কাজ শুরু করেন তিনি।

    নিজের সংস্থা চালানোর ফাঁকেই তিনি কেনা জমিতে চাষাবাদও শুরু করেন। সময় করে সপ্তাহে অন্তত একবার ঘুরে আসতেন জমি থেকে। সেখানে কয়েকজন কৃষককে রেখে চাষের কাজ শুরু করেন তিনি।

  • এর মাঝে আরও একটা কাজ করেছিলেন তিনি। চাকরি ছেড়ে নিজের একটি সংস্থা চালু করেন তিনি। নিজের সংস্থার নাম দেন ‘গ্রাসরুট ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ২০০৩’। এই সংস্থা মূলত শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করত।

    এর মাঝে আরও একটা কাজ করেছিলেন তিনি। চাকরি ছেড়ে নিজের একটি সংস্থা চালু করেন তিনি। নিজের সংস্থার নাম দেন ‘গ্রাসরুট ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ২০০৩’। এই সংস্থা মূলত শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করত।

  • এতদিনে চাকরি থেকে যা উপার্জন করেছিলেন, ২০১৪ সালে সেগুলো দিয়ে প্রথমে চেন্নাই থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে উথিরামেরুরে তিন লাখ টাকা দিয়ে দেড় একর জমি কেনেন।

    এতদিনে চাকরি থেকে যা উপার্জন করেছিলেন, ২০১৪ সালে সেগুলো দিয়ে প্রথমে চেন্নাই থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে উথিরামেরুরে তিন লাখ টাকা দিয়ে দেড় একর জমি কেনেন।

  • চাষাবাদে কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না তার। বাবাও ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। ফলে পরিবারেও যে চাষাবাদের চল ছিল, তেমনটা নয়। কিন্তু চাষাবাদের প্রতি একটা ঝোঁক বরাবরই ছিল বিদ্যাধরনের।

    চাষাবাদে কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না তার। বাবাও ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। ফলে পরিবারেও যে চাষাবাদের চল ছিল, তেমনটা নয়। কিন্তু চাষাবাদের প্রতি একটা ঝোঁক বরাবরই ছিল বিদ্যাধরনের।

  • তারপর তামিলনাডু প্রাইমারি স্কুল ইমপ্রুভমেন্ট ক্যাম্পেইন নামে একটি অসরকারি সংস্থায় যোগ দেন। টানা ১০ বছর এই সংস্থার সঙ্গেই কাজ করেছেন তিনি। এরপর চার বছরের জন্য তামিলনাডুর অন্য একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে

    তারপর তামিলনাডু প্রাইমারি স্কুল ইমপ্রুভমেন্ট ক্যাম্পেইন নামে একটি অসরকারি সংস্থায় যোগ দেন। টানা ১০ বছর এই সংস্থার সঙ্গেই কাজ করেছেন তিনি। এরপর চার বছরের জন্য তামিলনাডুর অন্য একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে

  • খুব বেশি দূর পড়াশোনা করেননি তিনি। সইদাপেট-এর মডেল হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে পাশ করার পর তিনি একটি রুরাল ইনফরমেশন এডুকেশন সেন্টারে ভর্তি হন। সেখানে দুবছর প্রশিক্ষণ নেন।

    খুব বেশি দূর পড়াশোনা করেননি তিনি। সইদাপেট-এর মডেল হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে পাশ করার পর তিনি একটি রুরাল ইনফরমেশন এডুকেশন সেন্টারে ভর্তি হন। সেখানে দুবছর প্রশিক্ষণ নেন।

  • অফিসিয়ালি ২০১৮ সালে এই ব্যবসা শুরু করেন বিদ্যাধরন। কিন্তু তারও আগে, ২০১৪ সাল থেকে তিনি চাষাবাদ করতে শুরু করেছিলেন। সেসময় বিদ্যাধরনের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল।

    অফিসিয়ালি ২০১৮ সালে এই ব্যবসা শুরু করেন বিদ্যাধরন। কিন্তু তারও আগে, ২০১৪ সাল থেকে তিনি চাষাবাদ করতে শুরু করেছিলেন। সেসময় বিদ্যাধরনের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল।

  • ভারতের চেন্নাইয়ের ওই ব্যক্তির নাম বিদ্যাধরন নারায়ন। লেটুস, আলফা-আলফা শাক চাষ করেই এই মূহূর্তে তিনি বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন। তার সংস্থার নাম দিয়েছেন ‘শাখি মাইক্রোগ্রিনস’। কীভাবে এমন চাষের কথা মাথায় এল তার? কীভাবেই বা এত লাভ করছেন তিনি?

    ভারতের চেন্নাইয়ের ওই ব্যক্তির নাম বিদ্যাধরন নারায়ন। লেটুস, আলফা-আলফা শাক চাষ করেই এই মূহূর্তে তিনি বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন। তার সংস্থার নাম দিয়েছেন ‘শাখি মাইক্রোগ্রিনস’। কীভাবে এমন চাষের কথা মাথায় এল তার? কীভাবেই বা এত লাভ করছেন তিনি?

  • সালাদকে এখন আর নিছক ‘সাইড ডিশ’ বলা যায় না। মূল খাবার হিসেবেও স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের সালাদ। তা যেমন সুস্বাদু এবং পুষ্টিকরও। এই সালাদের শাকপাতার উপর ভর করেই খারাপ অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয় করছেন এই ব্যক্তি।

    সালাদকে এখন আর নিছক ‘সাইড ডিশ’ বলা যায় না। মূল খাবার হিসেবেও স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের সালাদ। তা যেমন সুস্বাদু এবং পুষ্টিকরও। এই সালাদের শাকপাতার উপর ভর করেই খারাপ অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয় করছেন এই ব্যক্তি।

  • ভারতে চেন্নাইয়ের বাইরেও তার ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। প্রতি মাসে তার আয় ৮০ হাজার টাকা!
  • তবে পরে লেটুস, আলফার চাহিদা জেনে অন্য সমস্ত চাষাবাদ ছেড়ে সালাদের উপযোগী এই মাইক্রোগ্রিনস চাষ করতে শুরু করেন তিনি। প্রথম প্রথম প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁয় ১২ কেজি করে শাক সরবরাহ করতে শুরু করেন। এখন ৫০ কেজি করে সরবরাহ করেন।
  • সূর্যমুখী, গাজর, বিট, ব্রকোলি, বাঁধাকপি, আলফা এবং সরষের চাষ শুরু করেন তিনি। ২০১৭ সালে এই সমস্ত ফসলের ক্রেতাও পেয়ে যান তিনি। ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সুপারমার্কেটে সরবরাহ করতে শুরু করেন এগুলো।
  • শেষে ২০১৪ সাল নাগাদ তিনি ফের চাষাবাদ নিয়ে কিছু একটা শুরু করার কথা ভাবেন। এবার আর ধান-বাদাম নয়, কোকোপিট-ট্রে কিনে তার মধ্যেই শুরু করেন শাক-পাতা চাষ। এবার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই ১০ ফুট/ ১০ ফুটের একটি ঘরে চাষ শুরু করেন।
  • সেটা ছিল ২০১১ সালের ঘটনা। প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় চাষাবাদই ছেড়ে দেন তিনি। তার বেসরকারি সংস্থাও ভালো চলছিল না। ২০১৩ নাগাদ তিনি এগুলো বন্ধ করে গাড়ির ব্যবসা শুরু করেন। সেটাও তেমন চলেনি।
  • বছরে ধান চাষ করে মাত্র তিন হাজার এবং বাদাম চাষ করে ২০ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। আর চাষাবাদে যা পরিশ্রম এবং টাকা ইনভেস্ট করেছিলেন, সেগুলো বাদ দিয়ে তার বছরে লাভ হয়েছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা।
  • প্রথমে পালা করে বর্ষায় ধান এবং ধান উঠে যাওয়ার পর শীতে বাদাম চাষ করতে শুরু করেন। কিন্তু প্রথম প্রথম হতাশই হয়েছিলেন বিদ্যাধরন। বিষয়টা যতখানি সহজ এবং লাভজনক মনে করেছিলেন, ততটা একেবারেই ছিল না।
  • নিজের সংস্থা চালানোর ফাঁকেই তিনি কেনা জমিতে চাষাবাদও শুরু করেন। সময় করে সপ্তাহে অন্তত একবার ঘুরে আসতেন জমি থেকে। সেখানে কয়েকজন কৃষককে রেখে চাষের কাজ শুরু করেন তিনি।
  • এর মাঝে আরও একটা কাজ করেছিলেন তিনি। চাকরি ছেড়ে নিজের একটি সংস্থা চালু করেন তিনি। নিজের সংস্থার নাম দেন ‘গ্রাসরুট ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ২০০৩’। এই সংস্থা মূলত শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করত।
  • এতদিনে চাকরি থেকে যা উপার্জন করেছিলেন, ২০১৪ সালে সেগুলো দিয়ে প্রথমে চেন্নাই থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে উথিরামেরুরে তিন লাখ টাকা দিয়ে দেড় একর জমি কেনেন।
  • চাষাবাদে কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না তার। বাবাও ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। ফলে পরিবারেও যে চাষাবাদের চল ছিল, তেমনটা নয়। কিন্তু চাষাবাদের প্রতি একটা ঝোঁক বরাবরই ছিল বিদ্যাধরনের।
  • তারপর তামিলনাডু প্রাইমারি স্কুল ইমপ্রুভমেন্ট ক্যাম্পেইন নামে একটি অসরকারি সংস্থায় যোগ দেন। টানা ১০ বছর এই সংস্থার সঙ্গেই কাজ করেছেন তিনি। এরপর চার বছরের জন্য তামিলনাডুর অন্য একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে
  • খুব বেশি দূর পড়াশোনা করেননি তিনি। সইদাপেট-এর মডেল হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে পাশ করার পর তিনি একটি রুরাল ইনফরমেশন এডুকেশন সেন্টারে ভর্তি হন। সেখানে দুবছর প্রশিক্ষণ নেন।
  • অফিসিয়ালি ২০১৮ সালে এই ব্যবসা শুরু করেন বিদ্যাধরন। কিন্তু তারও আগে, ২০১৪ সাল থেকে তিনি চাষাবাদ করতে শুরু করেছিলেন। সেসময় বিদ্যাধরনের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল।
  • ভারতের চেন্নাইয়ের ওই ব্যক্তির নাম বিদ্যাধরন নারায়ন। লেটুস, আলফা-আলফা শাক চাষ করেই এই মূহূর্তে তিনি বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন। তার সংস্থার নাম দিয়েছেন ‘শাখি মাইক্রোগ্রিনস’। কীভাবে এমন চাষের কথা মাথায় এল তার? কীভাবেই বা এত লাভ করছেন তিনি?
  • সালাদকে এখন আর নিছক ‘সাইড ডিশ’ বলা যায় না। মূল খাবার হিসেবেও স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের সালাদ। তা যেমন সুস্বাদু এবং পুষ্টিকরও। এই সালাদের শাকপাতার উপর ভর করেই খারাপ অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয় করছেন এই ব্যক্তি।

এগ্রোবিজ

বিদেশী সবজি চাষে ভাল আয় করেছেন যিনি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কীভাবে কেঁচো সার তৈরি করছেন নারীরা

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

লাউ চাষে হাকিম দেওয়ানের ভাগ্য বদল

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা

 ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা
ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা

গ্রামের ভেতরের গ্রামীণ মেঠোপথ ধরে এগোতে এগোতে হঠাৎ একখণ্ড সবুজের সমারোহ চোখে পড়ার মতো। সেখানে একপা-দু’পা হেঁটেই দেখা গেল তরমুজের ক্ষেত। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তরমুজ। তরমুজ তুলে জড়ো করছেন কৃষক। স্তূপ করে রাখছেন বিক্রির জন্য। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মহাজনেরা তরমুজ কিনতে ক্ষেতে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে দাম কষাকষির মাধ্যমে চূড়ান্ত করছেন। ওই তরমুজ ট্রাক-ট্রলি বোঝাই করে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগে তরমুজ চাষিরা খেত থেকে তরমুজ তুলে বিক্রি করার চেষ্টায় ব্যস্ত রয়েছেন।

এ চিত্র খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের তক্তামারি গ্রামের। স্থানীয়রা বলছেন, এবারই সর্বপ্রথম বেশি পরিমাণে তরমুজ চাষ করা হয়েছে এ উপজেলায়। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়েছে তক্তামারি গ্রামে। কৃষকেরা বলছেন, এ মৌসুমে তরমুজ চাষ লাভজনক হওয়ায় তাদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েছে। তাই তারা প্রতিবছরই তরমুজের চাষ করবেন বলে আশা রাখেন।

সবুজ সোনার আশায়, আমন ধান কাটা শেষ হতে না হতেই শুরু হয়েছে তরমুজ লাগানোর প্রস্তুতি। বার বার চাষ দিয়ে দ্রুত মাটি শুকিয়ে রোপণ করা হয় তরমুজের বীজ। কৃষকরা মনে করেন, আগে লাগালে আগে তরমুজ পাওয়া যায় এবং ভালো দামে বিক্রি করা যায়। এ ধারণা থেকেই উপজেলার কৃষকের মাঝে ব্যাপকভাবে সাড়া পড়েছে। তাই নারী-পুরুষ সবাই মিলে সারাদিন শ্রম দিচ্ছে তরমুজ ক্ষেতে।

 ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা
ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা

ডুমুরিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৪৫০ মেট্রিক টন। বিক্রি হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার মতো। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪২০ মেট্রিক টন। যার মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা।

উপজেলার তক্তামারি গ্রামের সবচেয়ে বড় তরমুজ চাষি কামাল বাওয়ালী (৪০) নিজের ও অন্যের জমি মিলিয়ে মোট সাত বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মৌসুমের আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকার মহাজনেরা তরমুজ নিতে চলে আসেন। ফলনের পর তরমুজ সংগ্রহ করতে এলাকায় অবস্থান করেন। ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে মহাজনদের কাছে প্রায় ৮ লাখ ৫৪ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি।’

 ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা
ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অন্তত ১৪ জন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করতে ব্যয় হয় ১০-১২ হাজার টাকার মতো। ফসল ভালো হলে বিক্রি হয় প্রতিবিঘা ১ লাখ টাকারও বেশি। লাভের আশায় পরিশ্রম করে মাত্র ৬০ দিনের ফসল করছেন তারা। পরিবারের সবাইকে নিয়ে সকাল-সন্ধ্যা কাজ করছেন। পরিশ্রম করতে পারলে অনেক টাকা লাভ হবে।

কৃষি অফিসের হিসাবমতে, তরমুজ চাষে এক হেক্টর জমিতে খরচ হয়েছে ৮০ হাজার টাকার একটু বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তরমুজ উৎপাদন হবে কমপক্ষে ৩০ মেট্রিক টন। সর্বনিম্ন ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলে হবে প্রায় ৯ লাখ টাকা। তাই তরমুজে লাভবান বেশি হওয়ায় কৃষকরা এখন তরমুজ চাষের প্রতি ঝুঁকছেন।

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, ‘এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে। মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি হওয়ায় চাষিদের সেচ খরচ কম হয়েছে। তবে নিচু জমিতে পানি জমে একটু ক্ষতি হলেও ফলন ভালো ও বড় আকারের তরমুজ ফলনে চাষিরা লাভবান হবে। লবণাক্ত এসব জমিতে পাকিজা, সুইট ড্রাগন ও প্রাউন্ড জাতের তরমুজ ভালো হয়। তাই কৃষকরা বীজতলা তৈরি করে এসব জাতের বীজ রোপণ করছেন।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ- শেষ পর্ব

 ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ- শেষ পর্ব
ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ- শেষ পর্ব

জালের খাঁচায় মাছ চাষ একদিন জনপ্রিয় হবে। হবে হাজারও মানুষের কর্মসংস্থান। বাড়বে আমিষের উৎপাদন। শক্ত হবে জাতীয় অর্থনীতি। তাই আসুন জেনে নেই ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষের উপায়। আজ শেষ পর্ব

যে মাছ চাষ করবেন
খাঁচায় সব ধরনের মাছ চাষ করা যায় না। সেক্ষেত্রে বিদেশি ঘাওর, নাইলোটিকা, রাজপুঁটি, কার্প প্রজাতি ও পাঙ্গাস। এসব মাছের গড় উৎপাদন ৪-৫ মাসে প্রতি ঘনমিটার ৫-১৫ কেজি।

পোনার মাপ
পোনা সবসময়ই বড় সাইজের ছাড়া ভালো। তবে ২-৩ ইঞ্চির কম হলে চলবে না।

পোনার পরিমাণ
এর কোনো সুনিদির্ষ্ট নিয়ম নেই। ধরুন আপনি উৎপাদন করবেন প্রতি ঘনমিটারে ১০ কেজি। সেখানে পোনা ছাড়বেন প্রতি ঘনমিটারে ১০০টা + ৫% ধরে নেবেন মারা যাবে। তেমনি আফ্রিকান মাগুর ছাড়তে চাইলে লক্ষ্যমাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ১৫ কেজি এবং প্রতিটা মাছের গড় ওজন ২৫০ গ্রাম। তবে সেখানে পোনা ছাড়তে হবে ৬০টা + ৫% মারা যাবে।

মাছের খাদ্য
অনেক খাল-বিলে কোনো মৌসুমে প্রচুর উদ্ভিদ কণার জন্ম হয় যে, অল্প ঘনত্বে মাছ ছেড়ে খাদ্য ছাড়াই প্রতি ঘনমিটারে ৪-৫ মাসে ৫-৭ কেজি মাছ উৎপাদন করা যায়। তবে সুষম খাদ্য হিসেবে দৈনিক ২-৩ বার খাবার দিতে হয়। এখানে প্রাণিজ আমিষ, যেমন- শুঁটকি মাছ, শামুকের মাংস, গরু-ছাগলের রক্ত, মাংসের ছাটি বা গরু-ছাগলের নাড়ি-ভুঁড়ি ইত্যাদি। দ্বিতীয়ত খৈল। যেকোনো খৈল, যেমন- সরিষা, তিল, নারকেল, বাদাম, সয়াবিন, তিসি, তুলা ইত্যাদি। উচ্ছিষ্ট ভাত। এছাড়া প্রচুর ঘাস খায় নাইলোটিকা, গ্রাস কার্প ও রাজপুঁটি। ঘাসের মধ্যে নরম ঘাস, যেমন- রাইদা, ইছাদল, পোটকা প্রভৃতি। সুষম খাদ্যের জন্য শুঁটকি অথবা যেকোনা প্রাণিজ আমিষ ১০-৩০%, খৈল ২০-৪০%, গমের ভুষি বা মিহি কুঁড়া ২০-৫০%, তার সাথে ৫% চিটাগুড় ও ৫-১০% সস্তা দামের আটা ও ০.৫% ভিটামিন। খাবার তৈরির সময় একটু পানি মেশাবেন যেন খাবারটা মাখতে মাখতে সাবানের মতো শক্ত হয়। মনে রাখতে হবে, তৈরি বল ১৫-২০% মিটার পর্যন্ত পানিতে যেন না গলে। খাদ্য বাঁশের ঝুড়িতে করে খাঁচার মধ্যে পানির ১ হাত নিচে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। মাছ ৫-১০ মিনিটের মধ্যে সব খাদ্য শেষ করে ফেলবে।

খাদ্যের পরিমাণ
সুষম খাদ্য দিয়ে ১ কেজি মাছ উৎপাদন করতে ২-৩ কেজি খাদ্য দরকার হয়। খাবারের সাথে সাথে কাঁচা গোবর, মুরগির বিষ্ঠা ও প্রচুর ঘাস দিলে খরচ অনেক কমে।

খাঁচা তৈরির খরচ
২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি খাঁচা তৈরিতে খরচ হয় প্রায় ১৬ হাজার টাকা, যা চার-পাঁচ বছর স্থায়ী হয়।

উৎপাদন
মাছের আকার ৩০০-৪০০ গ্রাম হলেই বিক্রির উপযোগী হয়, আর এ ক্ষেত্রে সময় লাগে মাত্র ছয় মাস। প্রতি ঘনমিটারে কমপক্ষে ৩০ কেজি মাছ উৎপাদিত হয়ে থাকে। সাধারণত চাষকৃত পোনার ওজন ১০ গ্রাম হয়ে থাকে। তবে এ ক্ষেত্রে আকারে বড় অর্থাৎ ২০-৩০ গ্রাম ওজনের পোনা চাষ করলে সর্বোচ্চ উৎপাদন পাওয়া যায়। সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতি ১০টি খাঁচা থেকে প্রতি ছয় মাসে কমপক্ষে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com