আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

শাক চাষ করে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয়

বিশ্বের অনেক দেশে যখন বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। তাই বেকারত্ব দূর করতে কেউ কেউ উদ্যোক্তা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছেন। এবার জেনে নিন যিনি শাক চাষ করে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয় করছেন।

  • ভারতে চেন্নাইয়ের বাইরেও তার ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। প্রতি মাসে তার আয় ৮০ হাজার টাকা!

    ভারতে চেন্নাইয়ের বাইরেও তার ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। প্রতি মাসে তার আয় ৮০ হাজার টাকা!

  • তবে পরে লেটুস, আলফার চাহিদা জেনে অন্য সমস্ত চাষাবাদ ছেড়ে সালাদের উপযোগী এই মাইক্রোগ্রিনস চাষ করতে শুরু করেন তিনি। প্রথম প্রথম প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁয় ১২ কেজি করে শাক সরবরাহ করতে শুরু করেন। এখন ৫০ কেজি করে সরবরাহ করেন।

    তবে পরে লেটুস, আলফার চাহিদা জেনে অন্য সমস্ত চাষাবাদ ছেড়ে সালাদের উপযোগী এই মাইক্রোগ্রিনস চাষ করতে শুরু করেন তিনি। প্রথম প্রথম প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁয় ১২ কেজি করে শাক সরবরাহ করতে শুরু করেন। এখন ৫০ কেজি করে সরবরাহ করেন।

  • সূর্যমুখী, গাজর, বিট, ব্রকোলি, বাঁধাকপি, আলফা এবং সরষের চাষ শুরু করেন তিনি। ২০১৭ সালে এই সমস্ত ফসলের ক্রেতাও পেয়ে যান তিনি। ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সুপারমার্কেটে সরবরাহ করতে শুরু করেন এগুলো।

    সূর্যমুখী, গাজর, বিট, ব্রকোলি, বাঁধাকপি, আলফা এবং সরষের চাষ শুরু করেন তিনি। ২০১৭ সালে এই সমস্ত ফসলের ক্রেতাও পেয়ে যান তিনি। ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সুপারমার্কেটে সরবরাহ করতে শুরু করেন এগুলো।

  • শেষে ২০১৪ সাল নাগাদ তিনি ফের চাষাবাদ নিয়ে কিছু একটা শুরু করার কথা ভাবেন। এবার আর ধান-বাদাম নয়, কোকোপিট-ট্রে কিনে তার মধ্যেই শুরু করেন শাক-পাতা চাষ। এবার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই ১০ ফুট/ ১০ ফুটের একটি ঘরে চাষ শুরু করেন।

    শেষে ২০১৪ সাল নাগাদ তিনি ফের চাষাবাদ নিয়ে কিছু একটা শুরু করার কথা ভাবেন। এবার আর ধান-বাদাম নয়, কোকোপিট-ট্রে কিনে তার মধ্যেই শুরু করেন শাক-পাতা চাষ। এবার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই ১০ ফুট/ ১০ ফুটের একটি ঘরে চাষ শুরু করেন।

  • সেটা ছিল ২০১১ সালের ঘটনা। প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় চাষাবাদই ছেড়ে দেন তিনি। তার বেসরকারি সংস্থাও ভালো চলছিল না। ২০১৩ নাগাদ তিনি এগুলো বন্ধ করে গাড়ির ব্যবসা শুরু করেন। সেটাও তেমন চলেনি।

    সেটা ছিল ২০১১ সালের ঘটনা। প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় চাষাবাদই ছেড়ে দেন তিনি। তার বেসরকারি সংস্থাও ভালো চলছিল না। ২০১৩ নাগাদ তিনি এগুলো বন্ধ করে গাড়ির ব্যবসা শুরু করেন। সেটাও তেমন চলেনি।

  • বছরে ধান চাষ করে মাত্র তিন হাজার এবং বাদাম চাষ করে ২০ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। আর চাষাবাদে যা পরিশ্রম এবং টাকা ইনভেস্ট করেছিলেন, সেগুলো বাদ দিয়ে তার বছরে লাভ হয়েছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা।

    বছরে ধান চাষ করে মাত্র তিন হাজার এবং বাদাম চাষ করে ২০ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। আর চাষাবাদে যা পরিশ্রম এবং টাকা ইনভেস্ট করেছিলেন, সেগুলো বাদ দিয়ে তার বছরে লাভ হয়েছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা।

  • প্রথমে পালা করে বর্ষায় ধান এবং ধান উঠে যাওয়ার পর শীতে বাদাম চাষ করতে শুরু করেন। কিন্তু প্রথম প্রথম হতাশই হয়েছিলেন বিদ্যাধরন। বিষয়টা যতখানি সহজ এবং লাভজনক মনে করেছিলেন, ততটা একেবারেই ছিল না।

    প্রথমে পালা করে বর্ষায় ধান এবং ধান উঠে যাওয়ার পর শীতে বাদাম চাষ করতে শুরু করেন। কিন্তু প্রথম প্রথম হতাশই হয়েছিলেন বিদ্যাধরন। বিষয়টা যতখানি সহজ এবং লাভজনক মনে করেছিলেন, ততটা একেবারেই ছিল না।

  • নিজের সংস্থা চালানোর ফাঁকেই তিনি কেনা জমিতে চাষাবাদও শুরু করেন। সময় করে সপ্তাহে অন্তত একবার ঘুরে আসতেন জমি থেকে। সেখানে কয়েকজন কৃষককে রেখে চাষের কাজ শুরু করেন তিনি।

    নিজের সংস্থা চালানোর ফাঁকেই তিনি কেনা জমিতে চাষাবাদও শুরু করেন। সময় করে সপ্তাহে অন্তত একবার ঘুরে আসতেন জমি থেকে। সেখানে কয়েকজন কৃষককে রেখে চাষের কাজ শুরু করেন তিনি।

  • এর মাঝে আরও একটা কাজ করেছিলেন তিনি। চাকরি ছেড়ে নিজের একটি সংস্থা চালু করেন তিনি। নিজের সংস্থার নাম দেন ‘গ্রাসরুট ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ২০০৩’। এই সংস্থা মূলত শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করত।

    এর মাঝে আরও একটা কাজ করেছিলেন তিনি। চাকরি ছেড়ে নিজের একটি সংস্থা চালু করেন তিনি। নিজের সংস্থার নাম দেন ‘গ্রাসরুট ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ২০০৩’। এই সংস্থা মূলত শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করত।

  • এতদিনে চাকরি থেকে যা উপার্জন করেছিলেন, ২০১৪ সালে সেগুলো দিয়ে প্রথমে চেন্নাই থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে উথিরামেরুরে তিন লাখ টাকা দিয়ে দেড় একর জমি কেনেন।

    এতদিনে চাকরি থেকে যা উপার্জন করেছিলেন, ২০১৪ সালে সেগুলো দিয়ে প্রথমে চেন্নাই থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে উথিরামেরুরে তিন লাখ টাকা দিয়ে দেড় একর জমি কেনেন।

  • চাষাবাদে কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না তার। বাবাও ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। ফলে পরিবারেও যে চাষাবাদের চল ছিল, তেমনটা নয়। কিন্তু চাষাবাদের প্রতি একটা ঝোঁক বরাবরই ছিল বিদ্যাধরনের।

    চাষাবাদে কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না তার। বাবাও ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। ফলে পরিবারেও যে চাষাবাদের চল ছিল, তেমনটা নয়। কিন্তু চাষাবাদের প্রতি একটা ঝোঁক বরাবরই ছিল বিদ্যাধরনের।

  • তারপর তামিলনাডু প্রাইমারি স্কুল ইমপ্রুভমেন্ট ক্যাম্পেইন নামে একটি অসরকারি সংস্থায় যোগ দেন। টানা ১০ বছর এই সংস্থার সঙ্গেই কাজ করেছেন তিনি। এরপর চার বছরের জন্য তামিলনাডুর অন্য একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে

    তারপর তামিলনাডু প্রাইমারি স্কুল ইমপ্রুভমেন্ট ক্যাম্পেইন নামে একটি অসরকারি সংস্থায় যোগ দেন। টানা ১০ বছর এই সংস্থার সঙ্গেই কাজ করেছেন তিনি। এরপর চার বছরের জন্য তামিলনাডুর অন্য একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে

  • খুব বেশি দূর পড়াশোনা করেননি তিনি। সইদাপেট-এর মডেল হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে পাশ করার পর তিনি একটি রুরাল ইনফরমেশন এডুকেশন সেন্টারে ভর্তি হন। সেখানে দুবছর প্রশিক্ষণ নেন।

    খুব বেশি দূর পড়াশোনা করেননি তিনি। সইদাপেট-এর মডেল হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে পাশ করার পর তিনি একটি রুরাল ইনফরমেশন এডুকেশন সেন্টারে ভর্তি হন। সেখানে দুবছর প্রশিক্ষণ নেন।

  • অফিসিয়ালি ২০১৮ সালে এই ব্যবসা শুরু করেন বিদ্যাধরন। কিন্তু তারও আগে, ২০১৪ সাল থেকে তিনি চাষাবাদ করতে শুরু করেছিলেন। সেসময় বিদ্যাধরনের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল।

    অফিসিয়ালি ২০১৮ সালে এই ব্যবসা শুরু করেন বিদ্যাধরন। কিন্তু তারও আগে, ২০১৪ সাল থেকে তিনি চাষাবাদ করতে শুরু করেছিলেন। সেসময় বিদ্যাধরনের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল।

  • ভারতের চেন্নাইয়ের ওই ব্যক্তির নাম বিদ্যাধরন নারায়ন। লেটুস, আলফা-আলফা শাক চাষ করেই এই মূহূর্তে তিনি বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন। তার সংস্থার নাম দিয়েছেন ‘শাখি মাইক্রোগ্রিনস’। কীভাবে এমন চাষের কথা মাথায় এল তার? কীভাবেই বা এত লাভ করছেন তিনি?

    ভারতের চেন্নাইয়ের ওই ব্যক্তির নাম বিদ্যাধরন নারায়ন। লেটুস, আলফা-আলফা শাক চাষ করেই এই মূহূর্তে তিনি বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন। তার সংস্থার নাম দিয়েছেন ‘শাখি মাইক্রোগ্রিনস’। কীভাবে এমন চাষের কথা মাথায় এল তার? কীভাবেই বা এত লাভ করছেন তিনি?

  • সালাদকে এখন আর নিছক ‘সাইড ডিশ’ বলা যায় না। মূল খাবার হিসেবেও স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের সালাদ। তা যেমন সুস্বাদু এবং পুষ্টিকরও। এই সালাদের শাকপাতার উপর ভর করেই খারাপ অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয় করছেন এই ব্যক্তি।

    সালাদকে এখন আর নিছক ‘সাইড ডিশ’ বলা যায় না। মূল খাবার হিসেবেও স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের সালাদ। তা যেমন সুস্বাদু এবং পুষ্টিকরও। এই সালাদের শাকপাতার উপর ভর করেই খারাপ অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয় করছেন এই ব্যক্তি।

  • ভারতে চেন্নাইয়ের বাইরেও তার ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। প্রতি মাসে তার আয় ৮০ হাজার টাকা!
  • তবে পরে লেটুস, আলফার চাহিদা জেনে অন্য সমস্ত চাষাবাদ ছেড়ে সালাদের উপযোগী এই মাইক্রোগ্রিনস চাষ করতে শুরু করেন তিনি। প্রথম প্রথম প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁয় ১২ কেজি করে শাক সরবরাহ করতে শুরু করেন। এখন ৫০ কেজি করে সরবরাহ করেন।
  • সূর্যমুখী, গাজর, বিট, ব্রকোলি, বাঁধাকপি, আলফা এবং সরষের চাষ শুরু করেন তিনি। ২০১৭ সালে এই সমস্ত ফসলের ক্রেতাও পেয়ে যান তিনি। ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সুপারমার্কেটে সরবরাহ করতে শুরু করেন এগুলো।
  • শেষে ২০১৪ সাল নাগাদ তিনি ফের চাষাবাদ নিয়ে কিছু একটা শুরু করার কথা ভাবেন। এবার আর ধান-বাদাম নয়, কোকোপিট-ট্রে কিনে তার মধ্যেই শুরু করেন শাক-পাতা চাষ। এবার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই ১০ ফুট/ ১০ ফুটের একটি ঘরে চাষ শুরু করেন।
  • সেটা ছিল ২০১১ সালের ঘটনা। প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় চাষাবাদই ছেড়ে দেন তিনি। তার বেসরকারি সংস্থাও ভালো চলছিল না। ২০১৩ নাগাদ তিনি এগুলো বন্ধ করে গাড়ির ব্যবসা শুরু করেন। সেটাও তেমন চলেনি।
  • বছরে ধান চাষ করে মাত্র তিন হাজার এবং বাদাম চাষ করে ২০ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। আর চাষাবাদে যা পরিশ্রম এবং টাকা ইনভেস্ট করেছিলেন, সেগুলো বাদ দিয়ে তার বছরে লাভ হয়েছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা।
  • প্রথমে পালা করে বর্ষায় ধান এবং ধান উঠে যাওয়ার পর শীতে বাদাম চাষ করতে শুরু করেন। কিন্তু প্রথম প্রথম হতাশই হয়েছিলেন বিদ্যাধরন। বিষয়টা যতখানি সহজ এবং লাভজনক মনে করেছিলেন, ততটা একেবারেই ছিল না।
  • নিজের সংস্থা চালানোর ফাঁকেই তিনি কেনা জমিতে চাষাবাদও শুরু করেন। সময় করে সপ্তাহে অন্তত একবার ঘুরে আসতেন জমি থেকে। সেখানে কয়েকজন কৃষককে রেখে চাষের কাজ শুরু করেন তিনি।
  • এর মাঝে আরও একটা কাজ করেছিলেন তিনি। চাকরি ছেড়ে নিজের একটি সংস্থা চালু করেন তিনি। নিজের সংস্থার নাম দেন ‘গ্রাসরুট ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ২০০৩’। এই সংস্থা মূলত শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করত।
  • এতদিনে চাকরি থেকে যা উপার্জন করেছিলেন, ২০১৪ সালে সেগুলো দিয়ে প্রথমে চেন্নাই থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে উথিরামেরুরে তিন লাখ টাকা দিয়ে দেড় একর জমি কেনেন।
  • চাষাবাদে কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না তার। বাবাও ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। ফলে পরিবারেও যে চাষাবাদের চল ছিল, তেমনটা নয়। কিন্তু চাষাবাদের প্রতি একটা ঝোঁক বরাবরই ছিল বিদ্যাধরনের।
  • তারপর তামিলনাডু প্রাইমারি স্কুল ইমপ্রুভমেন্ট ক্যাম্পেইন নামে একটি অসরকারি সংস্থায় যোগ দেন। টানা ১০ বছর এই সংস্থার সঙ্গেই কাজ করেছেন তিনি। এরপর চার বছরের জন্য তামিলনাডুর অন্য একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে
  • খুব বেশি দূর পড়াশোনা করেননি তিনি। সইদাপেট-এর মডেল হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে পাশ করার পর তিনি একটি রুরাল ইনফরমেশন এডুকেশন সেন্টারে ভর্তি হন। সেখানে দুবছর প্রশিক্ষণ নেন।
  • অফিসিয়ালি ২০১৮ সালে এই ব্যবসা শুরু করেন বিদ্যাধরন। কিন্তু তারও আগে, ২০১৪ সাল থেকে তিনি চাষাবাদ করতে শুরু করেছিলেন। সেসময় বিদ্যাধরনের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল।
  • ভারতের চেন্নাইয়ের ওই ব্যক্তির নাম বিদ্যাধরন নারায়ন। লেটুস, আলফা-আলফা শাক চাষ করেই এই মূহূর্তে তিনি বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন। তার সংস্থার নাম দিয়েছেন ‘শাখি মাইক্রোগ্রিনস’। কীভাবে এমন চাষের কথা মাথায় এল তার? কীভাবেই বা এত লাভ করছেন তিনি?
  • সালাদকে এখন আর নিছক ‘সাইড ডিশ’ বলা যায় না। মূল খাবার হিসেবেও স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের সালাদ। তা যেমন সুস্বাদু এবং পুষ্টিকরও। এই সালাদের শাকপাতার উপর ভর করেই খারাপ অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয় করছেন এই ব্যক্তি।

এগ্রোবিজ

ভোজ্যতেলের দাম ফের বাড়ছে

প্রতি লিটার বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম ৭ টাকা করে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নিত্যপণ্যের মজুদ পরিস্থিতি, আমদানি ও দাম নির্ধারণ সংক্রান্ত বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়।

বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, ওনাদের (তেল ব্যবসায়ী) প্রস্তাব ছিল বোতলজাত লিটারপ্রতি তেল ১৬৮ টাকা করার। ট্যারিফ কমিশন একাধিকবার বসে অ্যানালাইসিস করে ১৬২ টাকা প্রস্তাব করেছে। এটা ছিল সেপ্টেম্বর মাসের অ্যাভারেজ রিপোর্ট। আজ দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে প্রতি লিটার বোতলজাত তেলের দাম ঠিক করা হয়েছে ১৬০ টাকা, যেটার আগে দাম ছিল ১৫৩ টাকা।

বর্তমানে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি কেজি ১২৯ টাকা। ৭ টাকা দাম বাড়িয়ে ১৩৬ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব জানান, ৫ লিটারের বোতল ৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৬০ এবং পাম তেল ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৯ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এই প্রস্তাব বাণিজ্য সচিবের কাছে উপস্থাপন করা হবে উল্লেখ করে সফিকুজ্জামান বলেন, মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে দাম চূড়ান্ত করে জানিয়ে দেওয়া হবে। পরে তেল ব্যবসায়ীরা তাদের প্যাডে এটি ঘোষণা করবেন।

পেঁয়াজের বাজার অস্থির ছিল উল্লেখ করে অতিরিক্ত সচিব বলেন, গত এক সপ্তাহে আমরা স্পেশাল ফোকাস দিয়েছি। আল্লাহ রহম করেছেন, পেঁয়াজের বাজারটা মোটামুটি ভালো পর্যায়ে নিয়ে আসতে পেরেছি।

চিনির রেগুলেটরি ডিউটি কবে থেকে কার্যকর হচ্ছে তা এসেসমেন্ট করে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ডিমের দাম বাংলাদেশে কারা নির্ধারণ করে এবং কীভাবে?

বাংলাদেশে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে প্রতিদিন সকালে দাম নির্ধারণ করা এমন একটি পণ্য হল ডিম।

অনেকের সকালের নাস্তায় যেমন ডিম থাকে অনিবার্য, তেমনটা ডিমের বাজারে এই ডিম কত টাকায় বিক্রি হবে সেটাও ঠিক হয়ে যায় সকালেই।

ঢাকার অন্যতম বৃহৎ ডিম সমিতি ‘তেজগাঁও ডিম সমিতি’র সদস্য নাহিদ হাসান বলেন “ঢাকায় মানুষ রাতে কেনাকাটা করে। রাতে আমরা বাজারের অবস্থা বুঝতে পারি। সেই অনুযায়ী পরের দিনের দাম নির্ধারণ করা হয়।”

তিনি বলেন সারা বাংলাদেশে যারা ডিমের ব্যবসা করে পাইকারি পর্যায়ে তাদের ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়।

“যখন বাজারে একটু টান পড়ে, তখন আমরাও একটু দাম বাড়িয়ে দিই। চাহিদা বেশি, দাম বেশি। কারণ ডিম তো রাখতে পারবো না। গরমে নষ্ট হয়ে যাবে,” বলেন মি. হাসান।

ডিমের দাম নির্ধারণের আরেকটা বড় জায়গা রাজশাহী।

জামালপুরে ডিম ভাজি করা হচ্ছে
ছবির ক্যাপশান,ডিমের উপকারিতা নির্ভর করে ডিম কীভাবে রান্না করা হচ্ছে তার উপর

চাহিদা হিসাবে মূল্য

রাজশাহীর মোসলেমের মোড়ে ডিম আড়ত সমিতির সভাপতির দোকান রয়েছে।

সভাপতি জয়নাল আবেদিন বিবিসিকে বলেন, ডিমের চাহিদার উপর ডিমের দাম নির্ভর করে। তবে ঢাকার চাহিদা, স্থানীয় মার্কেটের চাহিদা এই সব কিছু হিসেব করে ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয়।

“সকাল আটটার দিকে বোঝা যায় দাম কেমন হবে। তবে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে সব আড়তদারদের কাছে জানিয়ে দেয়া হয়”।

“যেমন গতকাল একশটা ডিমের দাম ছিল ছয়শ’ টাকা ৬০পয়সা। সাধারণ একটা ডিমের দাম ১০ পয়সার মত ওঠানামা করে। আজ শুক্রবার একশটা ডিমের দাম হবে ছয়শ’ টাকা ৮০পয়সা” বলেন তিনি।

রাজশাহীতে বড় আড়তদার আছেন ৩০জন। তারা নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করেন।

ডিমের চাহিদা বেশি নাকি কম সেটা তারা জানান।

মি.আবেদিন বলেন “আমি তখন বাজার বিচার-বিবেচনা করে চাহিদা বেশি থাকলে একশটা ডিমের দাম ২০টাকা বাড়িয়ে দিই। চাহিদা কম থাকলে ২০টাকা কমিয়ে দিই”।

“ধরেন একশটা ডিম ছয়’শ টাকা ৬০ পয়সা করে আমরা আনি খামারিদের কাছ থেকে। এর পর আমরা ২০ পয়সা কমিশন রেখে পার্টির কাছে বেচি।”

তবে খুচরা পর্যায়ে যারা বিক্রি করেন তারা নির্ধারিত দামের সঙ্গে নিজেদের লাভ যোগ করে বিক্রি করেন।

“পুরো রাজশাহী বিভাগে আমি যে রেট ঠিক করে দেব সেই রেটে সবাই খামারিদের কাছ থেকে কিনবে। পরে তাদের যাতায়াত খরচ, অন্যান্য খরচ মিলিয়ে হয়ত ২০,৩০,৪০ পয়সা বেশিতে বিক্রি করবে”।

কিশোরগঞ্জ থেকেও ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয়। কিশোরগঞ্জের ডিম ব্যবসায়ীদের যে সমিতি সেখানকার একজন সদস্য মাহাবুবুর রহমান বলেন, সারা দেশে যেখান থেকে তারা কম দামে ডিম পান সেখান থেকেই ডিম সংগ্রহ করেন।

ডিম খাওয়া ভাল কী ভাল না এনিয়ে বিতর্ক বহুদিনের
ছবির ক্যাপশান,ডিম খাওয়া ভাল কী ভাল না এনিয়ে বিতর্ক বহুদিনের

বাংলাদেশে ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয় ঢাকা, রাজশাহী এবং কিশোরগঞ্জ থেকে।

ডিম ব্যবসায়ী মাহাবুবুর রহমান বলেন, সব জায়গাতেই স্থানীয় পর্যায়ে ডিম সংগ্রহ করেন আড়তদাররা। কিন্তু এই তিনটা স্থানে সবচেয়ে বেশি ডিম সংগ্রহ করা হয় এবং ফলে মার্কেট পর্যালোচনা করা হয় এই তিনটি জায়গাতে।

“ঢাকা, রাজশাহী এবং কিশোরগঞ্জের আড়তদাররা কত টাকায় খামারিদের কাছ থেকে ডিম সংগ্রহ করছেন সেটার একটা মূল্যায়ন করা হয়। আবার বাজারে চাহিদা কেমন আছে সেটাও দেখা হয়। এই দুইটা দিকে দেখে ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয়।”

তবে তিনি বলেন এই দামে গ্রাহকরা ডিম পান না। “কারণ তারা কেনেন খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। খুচরা ব্যবসায়ীরা নিজেদের খরচ রেখে দাম কিছুটা বাড়িয়ে বিক্রি করেন।”

ডিমের উৎপাদন বাড়ছে

এদিকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে গত ১০ বছরে বাংলাদেশে ডিমের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯ সালে বাংলাদেশে ডিমের উৎপাদন ছিল ৫৭৪.২৪ কোটি এবং ২০১৯-২০ সালে এ পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ৭৩৬ কোটিতে।

আজ শুক্রবার বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ডিম উৎপাদনের যে হিসাব দিয়েছে, সেই হিসাব অনুযায়ী ২০৩১ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ডিমের বার্ষিক উৎপাদন দাঁড়াবে প্রায় ৩২৯৪ কোটিতে এবং ২০৪১ সাল নাগাদ ৪৬৪৯ কোটিতে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

রেশম শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে ৩০ জেলায়

সিল্কের হারানো অতীত ফিরিয়ে আনতে দেশের ৩০ জেলার ৪২ উপজেলায় রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ চায় সরকার। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশে রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা (দ্বিতীয় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প নিয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। ৪৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে রেশম উন্নয়ন বোর্ড।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

রেশম শিল্প বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশের প্রায় ছয় লাখ চাষি রেশম শিল্পের সঙ্গে জড়িত, যার মধ্যে এক লাখ রেশম গুটি উৎপাদক।

সরকারি অর্থায়নে হওয়া প্রকল্পটি চলতি বছরের জুলাইয়ে শুরু হয়ে ২০২৪ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক শ্যাম কিশোর রায় জাগো নিউজকে বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে রেশম চাষ ও শিল্পের সম্প্রসারণ এবং উন্নয়নের পাশাপাশি গুণগতমান রেশম গুটি ও রেশম সুতার উৎপাদন বাড়বে।

রেশম শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে ৩০ জেলায়

তিনি বলেন, এ সেক্টরে দক্ষ লোকের অভাব আছে। প্রকল্পের ফলে রেশম চাষ ও শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রেশম সেক্টরে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এছাড়া সুযোগ সৃষ্টি হবে বেকার জনগোষ্ঠী ও নারীর কর্মসংস্থানের। ফলে দারিদ্র্য বিমোচন ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির ওপর চলতি বছরের ২৫ মার্চ প্রকল্প মূল্যায়ন সভা (পিইসি) অনুষ্ঠিত হয়। কিছু শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে পিইসি সভায় সুপারিশ করা হয় প্রকল্পটি অনুমোদনের। গত ৩০ জুন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পিইসি সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকল্প পরিকল্পনা পাঠায় পরিকল্পনা কমিশনে। তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।

রেশম বোর্ড জানায়, বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রায় ৮০টি ছোট ও মাঝারি রেশম কারখানা রয়েছে। এখনো এ শিল্পের কাঁচামালের সিংহভাগ আমদানি করা হয়।

রেশম শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে ৩০ জেলায়

বার্ষিক চাহিদা পূরণের জন্য আমদানি করা হয় প্রায় ৫শ মেট্রিক টন কাঁচা রেশম। স্থানীয়ভাবে পূরণ করা যায় চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশ। রেশম শিল্পের বিপ্লব ঘটাতে স্থানীয়ভাবে রেশমের চাহিদা পূরণের বিকল্প নেই বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগেও রেশম শিল্পের উন্নয়নে একই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর আলোকে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) সূত্রে জানা যায়।

এরই মধ্যে ‘বাংলাদেশে রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পটির সমাপ্তি মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে আইএমইডি।

প্রকল্পটির পরিচালক মৌসুমী জাহান কান্তা জাগো নিউজকে বলেন, প্রকল্পের ডিপিপি হয়েছে। এখন অনুমোদনের অপেক্ষায়।

রেশম শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে ৩০ জেলায়

প্রকল্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, হতদরিদ্র, ভূমিহীন ও নারীদের রেশম চাষে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই প্রকল্পটির মাধ্যমে। এছাড়া প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রেশম চাষে সক্ষমতা বৃদ্ধি, রেশম গুটি ও কাঁচা রেশমের উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে দেশীয় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

দেশে তুঁত চাষ বাড়ানো ও বাণিজ্যিকভিত্তিতে রেশমের উৎপাদন বাড়াতে ফার্মিং পদ্ধতিতে রেশম চাষ সম্প্রসারণ করা প্রকল্পের উদ্দেশ্য বলেও জানান তিনি।

জানা যায, এক সময় রেশম সুতা থেকে শুধু শাড়ি তৈরি হলেও এখন পণ্যের বৈচিত্র্য ও ডিজাইনের বিস্তৃতি ঘটেছে। সব বয়সী ও শ্রেণির মানুষের পরার উপযোগী নানা ধরনের রেশম বস্ত্র তৈরি হচ্ছে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও ও গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানায়। এছাড়া রেশম চাষ পৌঁছে গেছে পার্বত্য চট্টগ্রামেও।

রেশম শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে ৩০ জেলায়

রাজশাহীতেই উৎপাদিত হয় দেশের সিংহভাগ রেশমপণ্য। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদর দপ্তরও সেখানে। রাজশাহী শিল্ক দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী একটি ঐতিহ্যের নাম হয়ে উঠেছে। এই বছরের ২৬ এপ্রিল রাজশাহী সিল্ক বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসে ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য (জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন্স) হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেয়েছে।

প্রকল্পটি নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) শরিফা খান বলেন, প্রকল্পটি রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৩০টি জেলার ৪২টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। চলতি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্তি ও বরাদ্দ প্রস্তাবিত প্রকল্পটি চলতি বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে। এর মাধ্যমে রেশমপণ্য বাজারজাতকরণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশি সিল্কের বাজার পরিধি ও চাহিদা যেমন বাড়বে, তেমনি বিশ্ববাজারে পণ্যটি হয়ে উঠবে ঐতিহ্যের অঙ্গ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

৩০ অক্টোবরের মধ্যেই আমদানির চাল বাজারে ছাড়ার নির্দেশ

সরকার আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যেই আমদানির চাল বাজারে আনার চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছে। আমদানির চাল বাজারে আনার সময় আর না বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) সরকারি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে- বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যেসব আমদানিকারক এলসি খুলেছেন কিন্তু এখনও চাল বাজারজাত করতে পারেননি তাদের এলসিকৃত চাল বাজারজাত করার লক্ষ্যে আগামী ৩০ তারিখ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হলো। এই সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না। 

উল্লেখ্য, চালের বাজারের লাগাম টানতে শুল্ক কমিয়ে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। চাল আমদানিতে শুল্ককর কমানোর অনুরোধ জানিয়ে গত ৬ জুলাই এনবিআরকে চিঠি দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়। এরপর গত ১২ আগস্ট চাল আমদানির শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করে এনবিআর। এ সুবিধা ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বহাল থাকবে।

গত ১৭ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৪১৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৬ লাখ ৯৩ হাজার টন সেদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির অনুমতি দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ লাখ টন চাল আমদানি করা হয়েছে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বিলাসিতা’য় বছরে নষ্ট হয় ৬ লাখ টন চাল

দেশে বছরে ছয় লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন চাল ‘বিলাসিতা’য় নষ্ট হয়। সামাজিক অনুষ্ঠান, গৃহস্থালি পর্যায়ে পরিবেশনসহ বিভিন্নভাবে এ অপচয় হয়। নষ্ট হওয়া এ চাল দিয়ে চার হাজারের বেশি মানুষের সারা বছরের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। একটু সচেতন হলেই বিপুল পরিমাণ এই চাল বিনষ্টের হাত থেকে বাঁচানো যায়। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি সংসদীয় কমিটিতে দেশে চাল উৎপাদন ও ব্যবহার বিষয়ক গবেষণা তথ্যটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে উপস্থাপন করেছে ব্রি।

জানা যায়, চালের চাহিদা নিরূপণে দুটি ভিত্তিকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। এ দুটি হচ্ছে হিউম্যান কনজাম্পশন ও নন-হিউম্যান কনজাম্পশন। জনপ্রতি প্রতিদিনের খাবারসহ (ভাত) হিউম্যান কনজাম্পশন হচ্ছে মোট চাহিদার ৭৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশসহ খাবার চাল ৬৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ, মুড়ি ৫ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ, চিড়া শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ, খই শূন্য দশমিক ৩৬ শতাংশ, পিঠা ও বেকারি পণ্য শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ। অপরদিকে নন-হিউম্যান কনজাম্পশন (বীজ ও পশুখাদ্যসহ বিবিধ ব্যবহার) খাতে চালের প্রয়োজন পড়ে ২৬ দশমিক ২২ শতাংশ। এর মধ্যে বীজ ১ দশমিক ৫২ শতাংশ, ফিড ও অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল খাতে ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ, কর্তনকালীন ক্ষতি ৫ দশমিক ২০ শতাংশ, ফলোনোত্তর ক্ষতি ৭ দশমিক ১০ শতাংশ এবং প্রক্রিয়াজাতে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।

গবেষণায় ব্রি বলেছে, দেশের মানুষ যে চাল খায় (হিউম্যান কনজাম্পশন) তার মধ্যে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ গৃহস্থালি পর্যায়ে অপচয় হয়। অপচয়ের মধ্যে খাদ্য সংগ্রহ ও প্রস্তুতি পর্যায়ে ৩ শতাংশ, পরিবেশন পর্যায়ে ১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং প্লেটে অপচয় ১ দশমিক ১ শতাংশ। গৃহস্থালি পর্যায়ে অপচয়ের প্রধান কারণ অজ্ঞতা ও বিলাসী মানসিকতা বলে ‘ব্রি’ তার গবেষণায় উল্লেখ করেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com