আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফুল

বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব
বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে রয়েছে একটি শাপলা ফুলের হাওর। এ হাওরের সাদা ও লাল রঙে ফোটা শাপলা ফুল যে কারো মন ভালো করে দিতে পারে। কোন রকমেরর চাষাবাদ ছাড়াই হাওরে শাপলা ফুলের সমাহার দেখে মুগ্ধ সুনামগঞ্জ তথা বিভিন্ন এলাকার পর্যটকরা।

জানা যায়, তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের কাশতাল গ্রামের বিকিবিল হাওরের প্রায় এক তৃতীয়াংশ জায়গা নিয়ে শাপলা ফুলের বাহার। পানির মধ্যে লাল ও সাদা শাপলা আর ওপারের মেঘালয়ের পাহাড়- সব মিলিয়ে প্রকৃতির এক নয়নাভিরাম চিত্র।

বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব
বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

হাওরে ৬ মাস পানি থাকায় এ সৌন্দর্য উপভোগ করার সময়টাও ৬ মাস। পরে এ জমিতে চাষ হয় বোরো ধান। তাছাড়া শাপলা ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে অবশ্যই সকাল সকাল আসতে হবে। দিন যতোই বাড়তে থাকে; ততোই যেন নিমজ্জিত হয়ে যায়। তাই ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ শাপলার হাওরের সৌন্দর্য মন জুড়াবে পর্যটকদের। অন্যদিকে লাল শাপলাগুলো মানুষ উপভোগ করেন। আর সাদা শাপলাগুলো চলে যায় বাজারে।

স্থানীয়রা জানান, বোরো ধান চাষাবাদের পর বর্ষা মৌসুমে হাওর পানিতে ডুবে যায়। এ পানিতে কোন রকমের চাষাবাদ ছাড়াই জন্মায় শাপলা। স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে এ শাপলার পরিচর্যা করেন। স্থানীয়রা মনে করেন, বিকিবিল হাওরে শাপলা ফুলের সঠিক পরিচর্যা হলে, সেটি হয়ে উঠবে পর্যটকদের অন্যতম দর্শনীয় স্থান।

বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব
বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

কাশতাল গ্রামের ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘হাওরের সৌন্দর্য দেখতে স্থানীয়রা ভিড় জমান। অনেকে এ জায়গা থেকে সাদা শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এটি সুনামগঞ্জের একমাত্র হাওর, যে হাওরে এতো বেশি শাপলা ফুল ফোটে।’

পর্যটক দেবব্রত দাশ বলেন, ‘বিকিবিল হাওরের সঠিক পরিচর্যা হলে সুনামগঞ্জে পর্যটক সংখ্যা বাড়বে। তাছাড়া পর্যটকরা যাতে নৌকা দিয়ে হাওরে কিছু সময় কাটাতে পারে, সে ব্যবস্থা করা হলে আমাদের জন্য ভালো হয়।’

বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব
বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

এ হাওর দেখতে চাইলে প্রথমে আসতে হবে সুনামগঞ্জ। আব্দুর জহুর সেতুর ওপর থেকে সিএনজি বা মোটরসাইকেল পেয়ে যাবেন তাহিরপুর যাওয়ার। তাহিরপুর উপজেলা হয়ে বা যাদুকাটা নদী পার হয়ে বিকিবিলে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তাছাড়া তাহিরপুর সদর থেকে নৌকায়ও হাওরে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

  • বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

    বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

  • বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

    বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

  • বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

    বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

  • বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

    বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

  • বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

    বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

  • বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব
  • বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব
  • বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব
  • বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব
  • বিকিবিল হাওরে লাল শাপলার রাজত্ব

ফুল

বাগান বিলাস ফুল চাষ

বাগান বিলাস ফুল চাষ অন্য ফুল চাষের থেকে অনেকটাই ভিন্ন। বাগান বিলাস ফুল গাছ চাষ করতে তুলনামূলক বেশি সার ব্যবহার করতে হয়। এবং এই গাছটির বৃদ্ধির জন্য তুলনামূলক সূর্যের আলোর প্রয়োজনীয়তা বেশি থাকে। এখানে বাগান ভিলা ফুল গাছের চাষ পদ্ধতির সম্পুর্ন বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো।

বাগান বিলাস ফুল চাষের জন্য মাটি তৈরি
অধিকাংশ মানুষ বাগান বিলাস ফুল গাছ টবে বা ড্রামে লাগিয়ে থাকেন। টবের মাটি তৈরির ক্ষেত্রে অবশ্যই বেশ কিছু নিয়ম ফলো করতে হবে। প্রথম কথা হচ্ছে বাগান বেলা ফুল গাছ এটেল মাটিতে ভালো হয় না এ জন্য মাটি তৈরির সময় বেলে-দোআঁশ অথবা দোআঁশ মাটি সিলেক্ট করতে হবে। এরপর মোট মাটির 50 ভাগ পরিমাণ মাটি নিয়ে এর সাথে 20 ভাগ অর্গানিক কম্পোস্ট এবং 30 ভাগ সিলেট বালি বা লাল বালি ব্যবহার করতে হবে। এরপর এই চারটি উপাদান একত্রে মিশিয়ে মাটি তৈরি করে টব বোঝাই করতে হবে। এসিডিক মাটিতে বাগান গোলাপ ফুল খুব বেশি ফোটে। এজন্য বাগান বিলাস ফুল চাষ করার সময় মাটিতে অল্প পরিমাণ সালফার, বা কফি , বা সাদা ভিনেগার মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এগুলো মাটিকে এসিডিক করে তোলার জন্য ভালো কাজ করে।

বাগান বিলাশ ফুল গাছে সার প্রয়োগ
সব সময় বাগান বিলাস ফোন গাছে প্রচুর পরিমাণ ফুল পেতে চাইলে সার প্রয়োগ অত্যাবশ্যকীয়। অন্ততপক্ষে প্রতি মাসে একবার করে আপনার টবের বাগান বিলাশ ফুল গাছে সার প্রয়োগ করতে হবে। সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে অর্গানিক কম্পোস্ট বা শুকনো গোবর পানিতে ভিজিয়ে রেখে লিকুইড আকারে প্রয়োগ করতে পারেন। রাসায়নিক সারের মধ্যে প্রতি মাসে একবার ইউরিয়া, টিএসপি এবং এম পি ও সার মিলিয়ে 1 চা চামচ পরিমাণ সার পানির সাথে মিশিয়ে টবের চারদিকে দিয়ে দিন। এভাবে সার প্রয়োগ করলে সিজনের সময় সহ সারা বছরই গাছে কমবেশি ফুল পাবেন বলে আশা করা যায়।

বাগান বিলাশ চাষ পানির প্রয়োজনীয়তা
বাগান বিলাস ফুল চাষ এ পানি প্রয়োগের মাত্রা সঠিক থাকা প্রয়োজন। এই গাছ কোন ভাবেই বেশি পানি সহ্য করতে পারে না। এজন্য আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে। শুধুমাত্র গাছের গোড়ার মাটি শুকিয়ে গেলে পানি প্রয়োগ করবেন। অতিরিক্ত পানি প্রয়োগ করার অথবা মাটি একেবারে স্যাঁতসেঁতে করে ভিজিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই। আর টবে বাগান বিলাস ফুল গাছের চাষ করলে অবশ্যই পানি নিষ্কাশনের জন্য ভালো ব্যবস্থা রাখতে হবে।

বাগান বিলাস ফুল চাষে সূর্যের আলোর প্রয়োজনীয়তা

বাগান বিলাস ফুল চাষ করলে যথেষ্ট পরিমাণে সূর্যের আলো গাছকে দিতে হবে। বাড়িতে যদি সূর্যের আলো পড়ে এমন জায়গার অভাব থাকে তবে অন্ততপক্ষে দিনে 5 থেকে 6 ঘন্টা সূর্যের আলো পড়ে এরকম একটা জায়গায় বাগান বিলাস ফুল গাছ রাখতে হবে। সঠিকভাবে সূর্যের আলো না পেলে গাছে আশানুরূপভাবে ফুল আসবে না। এছাড়া বাগান বিলাস ফুল গাছটি জিরো ডিগ্রী তাপমাত্রার নিচে ঠিক ভাবে বাঁচতে পারে না এজন্য তাপমাত্রা যদি খুব কম হয় তবে চেষ্টা করবেন গাছটিকে ঘরে এনে রাখার।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

সহজ উপায়ে যেভাবে বেলি ফুল চাষ করবেন

সুবাসের জন্য বেলি ফুলের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। আমাদের দেশের অধিকাংশ উৎসব অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত ফুলের তোড়া, ফুলের মালায় সুগন্ধী ফুল হিসেবে বেলির বেশ কদর রয়েছে। শুধু সৌন্দর্য বর্ধনই নয়, এটি বর্তমানে একটি অর্থকরী ফুল হিসেবে বিবেচিত। এটি এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন নার্সারিতে।

আমাদের দেশে তিন জাতের বেলি ফুল দেখা যায়। এগুলো হচ্ছে সিঙ্গেল ও অধিক গন্ধযুক্ত, মাঝারি আকার ও ডবল এবং বৃহদাকার ডবল ধরনের।

বেলি ফুল গুটি কলম, দাবা কলম ও ডাল কলম পদ্ধতির মাধ্যমে বংশবিস্তার করা হয়। জমি চাষ ও সার প্রয়োগ বেলে মাটি ও ভারী এঁটেল মাটি ছাড়া সব ধরনের মাটিতে বেলি ফুল চাষ করা যায়। জমিতে পানি সেচ ও পানি নিকাশের ব্যবস্থা থাকা ভালো।

জমি চার-পাঁচবার চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরা সমান করতে হবে। জমি তৈরির সময় জৈব সার, ইউরিয়া, ফসফেট এবং এমপি প্রয়োগ করতে হবে। প্রায় ১ মিটার অন্তর চারা রোপণ করতে হবে। চারা লাগানোর পর ইউরিয়া প্রয়োগ করে পানি সেচ দিতে হবে।

গ্রীষ্মের শেষ হতে বর্ষার শেষ পর্যন্ত বেলি ফুলের কলম বা চারা তৈরি করা যায়। চারা থেকে চারা ও সারি থেকে সারির দূরত্ব ৫০ সেন্টিমিটার হতে হবে। চারা লাগানোর জন্য গর্ত খুঁড়ে গর্তের মাটির রোদ খাইয়ে, জৈব সার ও কাঠের ছাই গর্তের মাটির সাথে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করতে হবে। এরপর প্রতি গর্তে বেলির কলম বসাতে হবে। বর্ষায় বা বর্ষার শেষ দিকে কলম বসানোই ভালো। তবে সেচের ব্যবস্থা ভালো হলে বসন্তকালেও কলম তৈরি করা যায়।

জৈব পদার্থযুক্ত দো-আঁশ মাটিতে ইউরিয়া, টিএসপি ও এমপি সার পরিমাণ মতো মিশিয়ে টবে বেলি ফুলের চাষ করা যায়। টব ঘরের বারান্দা বা ঘরের ছাদে রেখে দেওয়া যায়।

যেভাবে বেলি ফুলের গাছের পরিচর্যা করবেন
বেলি ফুলের চাষে জমিতে সব সময় রস থাকা দরকার। গ্রীষ্মকালে ১০-১২ দিন পরপর শীতকালে ১৫-২০ দিন পর পর ও বর্ষাকালে বৃষ্টি সময়মতো না হলে জমির অবস্থা বুঝে দু-একটি সেচ দেওয়া দরকার।

বেলি ফুলের বাগানে আগাছা দমনের দিকেও নজর দিতে হবে। জমি বা টব থেকে নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। খড় কেটে কুচি করে জমিতে বিছিয়ে রাখলে সেচের প্রয়োজন কম হয় এবং আগাছাও বেশি জন্মাতে পারে না।

অন্যদিকে প্রতি বছরই বেলি ফুলের গাছের ডালপালা ছাঁটাই করা দরকার। শীতের মাঝামাঝি ডাল ছাঁটাই করতে হবে। মাটির উপরের স্তর থেকে ৩০ সেন্টিমিটার উপরে বেলি ফুলের গাছ ছাঁটাই করতে হবে। অঙ্গ ছাঁটাইয়ের কয়েক দিন পর জমিতে বা টবে সার প্রয়োগ করতে হবে।

রোগবালাই দূর করবেন যেভাবে

বেলি ফুল গাছে ক্ষতিকারক কীট-পতঙ্গ তেমন দেখা যায় না। মাকড়ের আক্রমণ হতে পারে। এদের আক্রমণে পাতায় সাদা আস্তরণ পড়ে, আক্রান্ত পাতাগুলো কুঁকড়ে যায় ও গোল হয়ে পাঁকিয়ে যায়।

গন্ধক গুঁড়া বা গন্ধকঘটিত মাকড়নাশক ওষুধ যেমন- সালট্যাফ, কেলথেন পাতায় ছিটিয়ে মাকড় দমন করা যায়। বেলি ফুলের পাতায় হলদে বর্ণের ছিটে ছিটে দাগযুক্ত এক প্রকার ছত্রাক রোগ দেখা যায়। এগ্রোসান বা ট্রেসেল-২ প্রয়োগ করে এ রোগ দমন করা যায়।

ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত গাছে ফুল ফোটে। সাধারণত ৫-৬ বছর পর গাছ কেটে ফেলে নতুন চারা লাগানো হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

আঙিনা কৃষি

ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

 ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা
ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

নানা রঙের ফুল আমরা দেখতে পাই। লাল, নীল, হলুদ, বেগুনি, সাদা- কত রঙের ফুল আছে। এর মধ্যে নীল ফুল মানেই অপরাজিতা। আরও চমকপ্রদ নাম রয়েছে ফুলটির। এর বৈশিষ্ট্যও অনেক। আসুন জেনে নেই অপরাজিতার চাষ সম্পর্কে-

পরিচয়: অপরাজিতা ফুলটি Popilionaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এর ইংরেজি নাম ‘বাটারফ্লাই পি’। গাঢ় নীল বলে একে ‘নীলকণ্ঠ’ নামেও ডাকা হয়। এই ফুল এসেছে মালাক্কা দ্বীপ থেকে। টারনেটি বা মালাক্কা থেকে এসেছে বলে অপরাজিতার বৈজ্ঞানিক নাম ক্লিটোরিয়া টারনেটিকা। ক্লিটোরিয়া অর্থ যোনীপুষ্প। ফুলের ভেতরের আকৃতির জন্যই এ নাম। কেরালায় একে বলে ‘শঙ্খপুষ্পী’।

যত রং: নীল ছাড়াও সাদা এবং হালকা বেগুনি রঙের ফুল হয়ে থাকে। ফুলের ভেতরের দিকটা সাদা বা ঈষৎ হলুদ রঙের হয়ে থাকে।

 ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা
ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

বৈশিষ্ট্য: লতানো এবং সবুজ পাতা বিশিষ্ট গাছে এ ফুল হয়ে থাকে। তবে ফুলে কোনো গন্ধ নেই। তবু রঙের বাহারে ফুলটি অনন্য। হালকা সবুজ রঙের পাতার গড়ন উপবৃত্তাকার। ঝোপজাতীয় গাছে প্রায় সারা বছর ফুল ফোটে। বহুবর্ষজীবী এ লতা ২০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। লতা জাতীয় গাছে এক পাপড়ি ও দুই স্তর পাপড়িতে এই ফুল হয়।

রোপণ: অপরাজিত ফুল গাছের ডাল বর্ষাকালে স্যাঁতস্যাঁতে মাটিতে রোপণ করতে হয়। ছোট ছোট ধূসর ও কালো বর্ণের বিচি রোদে শুকিয়ে নরম মাটিতে রোপণ করতে হয়। বাড়ির আঙিনায়, টবে বা বাগানেও এ গাছ লাগানো যায়। আশেপাশের উঁচু গাছ বেয়ে এটি বেড়ে ওঠে।

 ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা
ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

প্রাপ্তিস্থান: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন, ঢাকায় রমনা পার্ক, শিশু একাডেমির বাগান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল, বলধা গার্ডেন ও কোনো কোনো অফিসের বাগানে এই ফুলের গাছ রয়েছে।

গুণাবলী: অপরাজিতা কেবল সৌন্দর্যে নয়, ওষুধি গুণেও অতুলনীয়। এর ফুল, পাপড়ি, মূল ও গাছের লতা নানা ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। হিন্দুদের কাছে অপরাজিতা পবিত্র উদ্ভিদ। শারদীয় দুর্গোৎসবে ষষ্ঠীতে এবং বিজয়া দশমীর পূজায় এ ফুল ব্যবহার করা হয়।

 ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা
ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

সময়কাল: এই ফুলের বয়স অন্তত ৫ কোটি বছর। নীল অপরাজিতা বারো মাস ফোটে। তবে শীতে কমে যায়। নীল ফুলের গাছ যত তাড়াতাড়ি শাখা-প্রশাখা ছড়ায় সাদা তত তাড়াতাড়ি ছড়ায় না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

শিউলি পাতার অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্যগুণ

শরৎ মানেই শিউলি ফুলের মিষ্টি গন্ধ। যা সহজেই সবাইকে মোহিত করে। আকারে ছোট ও কমলা-সাদা মিশ্রণের এই ফুলের মালা গেঁথে কতজনই তার প্রিয় মানুষটিকে দিয়েছেন তার হিসাব নেই। এর মিষ্টি গন্ধ মনে ভালোবাসার অনুভূতি জাগায়।

কেবল মিষ্টি গন্ধ আর মন ভালো করে দেওয়া রঙের জন্যই শিউলি সবার প্রিয় এমনটা চিন্তা করা ভুল। এর রয়েছে বহু ওষুধি গুণও। যা অনেক কঠিন রোগ থেকে আমাদের মুক্তি দিতে সক্ষম। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক শিউলি ফুলের উপকারিতাগুলো-

>> জ্বর কমাতে সাহায্য করে শিউলি। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর কমাতে শিউলির চা পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

>> গলার আওয়াজ বসে যায় মাঝে মাঝে। এক্ষেত্রে ২ চামচ শিউলি পাতার রস গরম করে দিনে দুইবার কয়েকদিন খেলে উপকার হবে।

>> ম্যালেরিয়ার সময় শিউলি পাতার বাটা খেলে এই রোগের উপসর্গগুলো কমতে শুরু করে। ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলো নষ্ট হয়, রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়ে।

>> খালি পেটে শিউলি গাছের পাতার রস খেলে কফের সমস্যা দূর হবে। যদিও এর রস অত্যন্ত তেতো কিন্তু এটি নিয়মিত খেলে কাশি ও কফ দুটোই দূর হবে।

>> সায়াটিকার ব্যথা কমাতে শিউলির পাতা কার্যকর। কয়েকটি শিউলি পাতা ও কয়েকটি তুলসি পাতা একসঙ্গে পানিতে ফুটিয়ে নিন। এরপর তা ছেঁকে প্রতিদিন ১ চামচ করে সকাল ও সন্ধ্যায় নিয়মিত খান। আপনার সায়াটিকা ব্যথা থাকলে তা কমতে শুরু করবে। নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ খেলে এই ব্যথা দূর হবে।

>> প্রতিদিন সকালে চা এর মতো এক কাপ পানিতে দুইটি শিউলি পাতা ও দুইটি তুলসি পাতা ফুটিয়ে ছেঁকে খেতে হবে। এটি এক ধরনের হার্বাল টি। এর ফলে আর্থারাইটিসের ব্যথা কমবে।

>> আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রেও শিউলির উপকারিতা অনেক। এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ। এটি মুখের ব্রণ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। এছাড়াও শিউলির তেলের ব্যবহার মাথার চুল বাড়ায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

বনের ফুল নীল বনলতা

প্রায় ১৫ বছর আগে মিরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে ফুলটি প্রথম দেখি। উদ্যানের অফিস ঘরের পূর্ব পাশে, অর্কিড হাউসের পেছনে ঝোঁপ-ঝাড়ের ভেতর বেশ জাঁকিয়ে বসেছিল লতাটি। নীলচে-বেগুনি রঙের ফুলগুলো খুব সহজেই নজর কাড়ে। তবে অপেক্ষাকৃত বাসিফুলে গাঢ়-নীলের পোঁচটা থাকে না বললেই চলে। 

টাঙ্গাইলের মধুপুরের টেলকি ছোট একটি বাজার। বাজার ছাড়িয়ে খানিকটা পথ হেঁটে আমরা বনের ভেতর ঢুকে পড়লাম। বিশাল বিশাল পাতার হাড়গজা (স্থানীয় নাম আজবী) চোখে পড়ল। গাছের গায়ে সুদৃশ্য লতায় নীলচে রঙের গুচ্ছবদ্ধ ফুল ঝুলে আছে। স্থানীয় নাম নীলাতা বা নালাতা।  অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা ফুলগুলো যেন কথা গ্রন্থে এ ফুলটির (Thunbergia grandiflora) নাম রেখেছেন নীল বনলতা। ইংরেজি নাম Bengal Clock Vine, Blue Trumpet Vine, Skay Flower ইত্যাদি।  

এ ফুলগাছ আমাদের মধুপুরের শালবনসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়গুলোতে প্রাকৃতিকভাবেই জন্মে। তবে অব্যাহতভাবে প্রাকৃতিক বনভূমি ধ্বংস হতে থাকায় হুমকির মুখে পড়েছে এই লতাগুল্মগুলো। নীল বনলতা মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের গাছ। আমাদের চিরসবুজ বনের গাছপালা এদের প্রিয় আবাস। তবে দেশের বাইরে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় আসামে।

এরা শক্ত লতার গাছ। সাধারণত ৮ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠতে পারে। পাতা প্রতিমুখ, সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত আড়াই থেকে ৪ সে.মি. লম্বা ও কর্কশ, গোড়া তাম্বুলাকার, উভয়পৃষ্ঠ অমসৃণ, করতলাকারে ৫ থেকে ৭টি শিরাল, বোঁটা মোড়ানো ধরনের, আগা চোখা, ১০ সেন্টিমিটারের মতো লম্বা হতে পারে। কিনারে আছে বেশ কয়েকটি লতি। ফুলগুলো লম্বা ঝুলন্ত ডাঁটায় থোকায় থোকায় ঝুলে থাকে। দেখতে অনেকটা ঘণ্টার মতো, দলনল সামান্য বাঁকা, হালকা নীল রঙের অসমান পাপড়ির সংখ্যা ৫টি। পুংকেশর ৪টি, অর্ধসমান, গলদেশের ভেতরের দিক বাঁকানো, পরাগধানী ৫ থেকে ৯ মি.মি. লম্বা ও দীর্ঘায়িত। ফুল ফোটার প্রধান মৌসুম মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত। ফল বেশ শক্তপোক্ত ধরনের, ৩ থেকে ৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।

মালয়েশিয়ায় এ গাছের পাতার ক্বাথ পেটের অসুখে কাজে লাগে। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জনগোষ্ঠীও এ গাছের পাতা নানান কাজে ব্যবহার করেন। বংশবৃদ্ধি বীজ ও কাটিংয়ে। বাগানের বেড়ায় এ ফুলের ঝুলন্ত সমারোহ সত্যিই মনোমুগ্ধকর। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com