আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোটেক

আপনি কি রোবটের বানানো মাংস খাবেন?

 রোবটে বানানো কৃত্রিম মাংস
রোবটে বানানো কৃত্রিম মাংস

আপনি যদি হিয়ারিং এইড বা কানে শোনার যন্ত্র ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার অজান্তেই আপনি থ্রিডি প্রিন্টিংয়ে বিশ্বব্যাপী যে বিপ্লব সাধন হয়েছে, ইতিমধ্যেই তার অংশ হয়ে গেছেন।

পৃথিবীতে এখন যত ধরণের হিয়ারিং এইড তৈরি হয়, তার সবই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে।

থ্রিডি প্রিন্টিংয়ে প্লাস্টিক, মেটাল বা ধাতব পদার্থ বা রেসিনসহ কয়েক স্তরের জিনিস ব্যবহার করা হয়, যা সবগুলোকে জোড়া দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জিনিসের রূপ ধারণ করে।

সনোভা নামে হিয়ারিং এইড প্রস্তুতকারী একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার স্টেফান লনার বলেন, আগে এই হিয়ারিং এইড বানানোর কাজটি হাতে করা হত, যার ফলে অনেক সময় লাগত এবং খরচও বেশি হত।

“কিন্তু এখন অর্ডার পাবার পর একটি পণ্য তৈরি ও সরবারহ করতে কয়েকদিন মাত্র সময় লাগে। আর এটা সম্ভব হচ্ছে থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের কারণে।”

কানে শোনার যন্ত্র বানানো হচ্ছে
কানে শোনার যন্ত্র বানানো হচ্ছে

২০ বছর আগে যখন থ্রিডি প্রিন্টিং শুরু হয়, তখনই অনুমান করা হয়েছিল আরো অনেক ক্ষেত্রে এটি বিপ্লব আনতে সক্ষম হবে, বাস্তবে এবং হয়েছেও তাই।

যে কারণে ২০১৮ সালে বিশ্বব্যাপী ১৪ লাখ থ্রিডি প্রিন্টার বিক্রি হয়েছে, ২০২৭ সাল নাগাদ এই বিক্রির হার বেড়ে দাঁড়াবে ৮০ লাখে।

যেমন দাঁতের চিকিৎসায় বিপ্লব এনেছে এই প্রযুক্তি।

ভাঙ্গা দাঁতের মধ্যে সংযোগ জুড়তে এবং ভাঙ্গা দাঁতের ওপর যে ক্যাপ লাগানো হয় এই দুই ক্ষেত্রেই থ্রিডি প্রিন্টিং দারুণভাবে কাজে লাগে।

আবার বোয়িং মহাকাশযান, বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা বিমানে থ্রিডি প্রিন্ট করা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে।

এমনকি ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে একটি থ্রিডি প্রিন্টার আছে, যা দিয়ে খুচরা যন্ত্রাংশ বানানো হয়।

কিন্তু থ্রিডি প্রিন্টার ব্যবহার করে করা অনেক কাজই এত বড় আকারে হয় না। যেমন ধরুন খাবারও থ্রিডি প্রিন্ট করা হতে পারে।

কৃত্রিম মাংস বানানো হচ্ছে
কৃত্রিম মাংস বানানো হচ্ছে

বার্সেলোনা ভিত্তিক মাংস ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নোভা মিট সম্প্রতি একটি নতুন কারখানা চালু করেছে, যেখানে মটরশুঁটি, চাল, সমুদ্র-শৈবাল এবং অন্যান্য উপাদান ব্যবহার করে মাংস তৈরি করা হয়।

থ্রিডি প্রিন্টিং এর মাধ্যমে উপাদানগুলোকে আড়াআড়িভাবে জোড়া দেয়া হয়, যা আসল মাংসের কোষের মধ্যে থাকা আভ্যন্তরীণ প্রোটিনের মত করে বানিয়ে ফেলতে পারে।

নোভার প্রতিষ্ঠাতা গুইসেপ্পি সিয়ন্তি বলেন, “এর ফলে মাংস চিবানো এবং তার স্বাদ দুটোই অবিকল আসল মাংস ও সামুদ্রিক খাবারের মত করে তৈরি করা সম্ভব।”

সামনের বছর থেকে রেস্তরাঁয় এই মাংস তৈরি করা সম্ভব হবে।

থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের আরেকটি গুরুত্ব পূর্ণ খাত হচ্ছে ওষুধ শিল্প। বেশ কিছুদিন ধরে চিকিৎসকেরা থ্রিডি প্রিন্ট করা প্রস্থেটিকস ব্যবহার করছেন, যা স্বাভাবিক খরচের চেয়ে অনেক কমে উৎপাদন করা সম্ভব।

রোবটে বানানো বাড়ি
রোবটে বানানো বাড়ি

আবার ব্যক্তি নির্দিষ্ট সেবাও দেয়া যায় এর মাধ্যমে। যেমন এ বছরের শুরুতে রাশিয়ায় ফ্রস্টবাইট হয়ে অর্থাৎ বরফে জমে গিয়ে পা হারানো এক বিড়ালের পায়ের মাপে থ্রিডি প্রিন্টিং এর মাধ্যমে টাইটানিয়ামের পা তৈরি করা হয়েছে।

ওষুধও থ্রিডি প্রিন্টেড হতে পারে, ছোট বাচ্চাদের চিকিৎসায় যা বিশেষ করে কাজে লাগতে পারে, যাদেরকে একেবারে অল্প পরিমাণে ওষুধ দিতে হয়।

নিরীক্ষা-ধর্মী ওষুধ গবেষক অধ্যাপক ম্যাথিউ পিক বলেন, “বেশির ভাগ সময় শিশুদের জন্য যে ওষুধ বানানো হয় তা নির্দিষ্ট কোন শিশুর কথা মাথায় রেখে বা গবেষণা চালানো হয়েছে এমন কোন শিশুর জন্য তৈরি করা হয়। কিন্তু থ্রিডি প্রিন্টিং এর মাধ্যমে একেবারে প্রয়োজন অনুসারে ওষুধ বানানো যাবে।”

গত বছর প্রথমবারের মত তার নেতৃত্বাধীন গবেষণা দল এক বাচ্চার জন্য থ্রিডি প্রিন্টেড পিল বানিয়েছিল। অন্যদিকে গবেষকেরা এখন নির্দিষ্ট রোগীর জন্য আলাদা আলাদা ডোজ ও উপসর্গ হিসাব করে ওষুধ বানাচ্ছেন।

তবে এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে থ্রিডি প্রিন্ট করা মানব প্রত্যঙ্গ। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে তারা থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে জীবন্ত চামড়া তৈরি করেছে, যাতে রক্তনালী আছে। আগুনে পুড়ে চামড়া হারানো মানুষের জীবন রক্ষায় বিরাট ভূমিকা রাখবে এ প্রযুক্তি। তবে এখনো এ খাতে বড় বড় বাধা রয়েছে, যেমন এখনো পর্যন্ত পরীক্ষাটি করা হয়েছে ইঁদুরের ওপর। তাছাড়া চামড়া লাগানোর পর সেটি শরীরের অন্য প্রত্যঙ্গের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে কিনা তা এখনো পরীক্ষিত নয়।

এদিকে, এই প্রযুক্তি ব্যবহার ভবন বানানোর মত কাজও শুরু হয়েছে। এ বছরের শুরুতে মাত্র আট দিনে ১৯০০ স্কয়ার-ফুটের একটি বাড়ি বানানো হয়েছে থ্রিডি প্রিন্টিং ব্যবহার করে। এতে একটি রোবট দেয়ালের স্তরগুলো নির্মাণ করেছে। যদিও ঐ বাড়িটির ছাদ নির্মাণ শ্রমিকদের দিয়ে বানাতে হচ্ছে। এর ফলে শ্রমিকের বেতন এবং অন্যান্য উপকরণের দাম বাবদ খরচ অনেক কমে গেছে, বলা হচ্ছে প্রায় ৭০ শতাংশ খরচ বেঁচে গেছে।

এর বাইরে গাড়ী বানাতে থ্রিডি প্রিন্টিং ব্যবহার করা হয়, যেখানে কোন গাড়ীর আদি রূপে বহু সংখ্যায় পুনরুৎপাদন এবং যন্ত্রাংশ বানানোর কাজটি সহজ হয়ে গেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোটেক

কৃষকের অ্যাপ ফসলি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

বায়োফ্লকে মাছের কুটির শিল্প গড়েছেন ইমদাদুল হক

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

এশিয়ার সর্ববৃহৎ কৃষিযন্ত্রের প্রদর্শনী চীনে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

কৃষিযন্ত্র ঘোরাবে কৃষির চাকা

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

করোনাভাইরাস: রোবট কি মানুষের কাজের ক্ষেত্র দখল করে নেবে?

 বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোবট হয়তো ভবিষ্যতে মানুষের কাজের ক্ষেত্র দখল করে নেবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোবট হয়তো ভবিষ্যতে মানুষের কাজের ক্ষেত্র দখল করে নেবে।

বিশ্বজুড়ে যখন মহামারি চলছে, তখন মানব জীবনের আরেক হুমকি সম্পর্কে যদি মানুষ ভুলে যায় তাহলে তা ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে দেখাই যায়। আর সেটি হলও রোবটের উত্থান।

ভাল বা খারাপ যাই বলি না কেন, বিশ্লেষকরা বলছেন যে রোবট মানুষের অনেক কাজের ক্ষেত্র দখল করে নেবে। আর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এই প্রক্রিয়াকে আরো বেশি বেগবান করেছে।

“মানুষ সাধারণত বলে যে, তারা তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ বা মিথষ্ক্রিয়ার জন্য মানবিক ছোঁয়া চান। কিন্তু কোভিড-১৯ সেই ধারণাকে বদলে দিয়েছে,” বলেন মার্টিন ফোর্ড। তিনি একজন ফিউচারিস্ট যিনি আসছে দশকগুলোতে অর্থনীতিতে রোবটকে কিভাবে সংযুক্ত করা হবে সে বিষয়ে লেখালেখি করে থাকেন।

“কোভিড-১৯ ভোক্তাদের পছন্দের ধরণকে পাল্টে দিতে যাচ্ছে এবং এটি স্বয়ংক্রিয়তা বা অটোমেশনের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে।”

ছোট বা বড়- নানা ধরণের প্রতিষ্ঠান সামাজিক দূরত্ব বাড়াতে রোবটের ব্যবহার বাড়াচ্ছে এবং পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে আসতে হয় এমন কাজের কর্মী কমাচ্ছে। এছাড়া কর্মীরা যেসব কাজ বাড়িতে থেকে করতে পারবে না এমন কাজ করতেও রোবট ব্যবহার করা হচ্ছে।

আমেরিকার সবচেয়ে বড় রিটেইলার ওয়ালমার্ট মেঝে পরিষ্কার করতে রোবট ব্যবহার করছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় তাপমাত্রা পরিমাপ করতে এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করতে রোবট ব্যবহার করছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা হুশিয়ার করেছেন যে, ২০২১ সাল পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হতে পারে। এমন অবস্থায় রোবট কর্মীর চাহিদা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউভিডি-রোবটস নামে একটি প্রতিষ্ঠান যারা পরিষ্কার করার কাজে রোবট তৈরি করে, কোভিড-১৯ শুরু হওয়ার তারা হাসপাতালগুলোর কাছ থেকে শত শত অর্ডার পেয়েছে।
ইউভিডি-রোবটস নামে একটি প্রতিষ্ঠান যারা পরিষ্কার করার কাজে রোবট তৈরি করে, কোভিড-১৯ শুরু হওয়ার তারা হাসপাতালগুলোর কাছ থেকে শত শত অর্ডার পেয়েছে।

পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে রোবটের চাহিদা বাড়ছে

যেসব কোম্পানি পরিষ্কার এবং জীবাণুনাশক পণ্য তৈরি করে তাদের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে গেছে।

ইউভিডি রোবটস নামে একটি ডেনিশ কোম্পানি যেটি আল্ট্রাভায়োলেট-লাইট-ডিসইনফেকশন রোবট তৈরি করে তারা চীন এবং ইউরোপের হাসপাতালগুলো শত শত মেশিন সরবরাহ করেছিল।

যেসব মুদি দোকান কিংবা রেস্তোরা টেকঅ্যাওয়ে বা খাবার কিনে নিয়ে যাওয়ার সুবিধা দিয়ে থাকে সেগুলোতে এসব রোবটের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যত বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলবে, আশা করা হচ্ছে যে এসব প্রযুক্তির ব্যবহারও তত বাড়বে- হয়তো দেখা যাবে যে স্কুল কিংবা অফিস পরিষ্কার করছে রোবট।

“ভোক্তারা এখন তাদের নিজেদের নিরাপত্তা এবং কর্মীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার বিষয়টিকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়,” বলেন ব্লেক মরগান যিনি কাস্টমার অব দ্য ফিউচার নামে একটি বই লিখেছেন।

“অটোমেশনের দিকে ঝোঁকাটাই তাদের সবাইকে সুস্থ রাখতে এবং ভোক্তারাও একে সমর্থন দেবেন।”

তবে এখনো কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। মিস মরগান বলেন, যদিও মুদি দোকানগুলোতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ব্যবহার মানুষের সাথে মানুষের মিথষ্ক্রিয়া কমিয়ে দেয়।

তারপরও সেগুলো যেহেতু খুব ভাল কাজ করে না এবং তেমন টেকসইও নয়, তাই ক্রেতারা সেগুলো এড়িয়ে ক্যাশিয়ার হিসেবে যেসব কর্মী কাজ করেন তাদের কাছেই যায়।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করে

খাবার সরবরাহ হচ্ছে আরেকটি খাত যেখানে স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ থাকার কারণে রোবটের ব্যবহার বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

ম্যাকডোনাল্ডসের মতো ফাস্ট-ফুড চেইনগুলো খাবার প্রস্তুত ও সরবরাহতে পরীক্ষামূলকভাবে রোবট ব্যবহার করছে।

আমাজন এবং ওয়ালমার্টের মতো প্রতিষ্ঠানের গুদামে কর্মদক্ষতা বাড়ানোর জন্য রোবট এরইমধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।

কোভিড-১৯ এর মহামারির পর এই দুটি কোম্পানিই বাছাই, শিপিং এবং প্যাকেটজাত করার জন্য রোবটের ব্যবহার আরো বাড়ানোর চিন্তা করছে।

 আমাজনের মতো প্রতিষ্ঠান তাদের গুদামে রোবট ব্যবহার করে থাকে।
আমাজনের মতো প্রতিষ্ঠান তাদের গুদামে রোবট ব্যবহার করে থাকে।

এর ফলে হয়তো গুদামে কাজ করা কর্মীদের অভিযোগ কমে যাবে। এসব কর্মীরা অভিযোগ করেন যে, বর্তমান অবস্থায় তারা সহকর্মীদের কাছ থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারছে না।

কিন্তু প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এর ফলে এসব কর্মীদের অনেকেই বেকার হয়ে পড়বে।

একবার যদি কোন একটি কোম্পানি নির্দিষ্ট কোন কাজের জন্য কর্মীর পরিবর্তে রোবটে বিনিয়োগ করে তাহলে সেটি আবার একই কাজের জন্য কর্মী নিয়োগ দেবে- এমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

রোবট তৈরি করা এবং সেগুলো ব্যবসায়ে নিয়োগ করাটা বেশ ব্যয় সাপেক্ষ। কিন্তু একবার যদি সেগুলোকে সচল করা যায় তাহলে সাধারণত তা কর্মীদের তুলনায় সস্তা।

এ বিষয়ে ফিউচারিস্ট মার্টিন ফোর্ড বলেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্বে রোবটের ব্যবহার চালু হলে তা বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি করবে।

“মানুষ সেসব স্থানেই যেতে চাইবে যেখানে মানুষের আনাগোনা কম থাকে এবং এ কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিও কম হয়,” তিনি বলেন।

রোবট মানুষের মতোই দক্ষ

যেসব ক্ষেত্রে কোন ধরণের শিক্ষা বা সেবার জন্য ব্যক্তির প্রয়োজন হয় সেখানে কিভাবে রোবটগুলো কাজ করবে?

এর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটানো হচ্ছে যা স্কুলের শিক্ষক, শরীরচর্চার প্রশিক্ষক এবং ব্যবসায়িক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করতে পারবে।

বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়াচ্ছে। ফেসবুক এবং গুগলও আপত্তিকর পোস্টগুলো সরিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে থাকে।

তবে রোবট নিয়ে সংশয়বাদীরা বলছেন, এসব কাজের ক্ষেত্রে কোন না কোনভাবে মানুষ জড়িত থাকবে।

২০১৭ সালের নিজের এক গবেষণায় গ্লোবাল কনসালটেন্ট ম্যাককিনজি বলেছিলেন যে, ২০৩০ সালের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়তা এবং রোবটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এক তৃতীয়াংশ কর্মী কাজ হারাবে। কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে যে মহামারির মতো ঘটনা সব ধরণের সময় সীমার ধারণাকে পরিবর্তিত করে দেবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তিকে মানুষ কিভাবে বিশ্বে সংযুক্ত করতে চায় তা নির্ভর করবে মানুষের সিদ্ধান্তের উপর।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com