আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর ঝোঁক

২০২০ সাল পুরো পৃথিবীর সবার মতো আমার জন্যও ছিল খুব চ্যালেঞ্জিং। পুষ্টিবিদ হিসেবে সবাইকে পরামর্শ দিয়েছি সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ভিটামিন গ্রহণের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করার। এ বছর দুটি বিষয়ে পরামর্শ দিতে হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এক. রোগ প্রতিরোধক্ষমতা (ইমিউনিটি) বাড়ানো দুই. ভিটামিন সি খাওয়াবিষয়ক।

ইমিউনিটি বাড়াতে পারলেই দূরে থাকবে করোনা—এ ধারণা থেকে কেউ গরম পানিতে লেবু মিশিয়ে খেয়েছেন, কেউ আবার খেতে শুরু করেছেন বাজারের যাবতীয় ভিটামিন।

পৃথিবীতে এমন কোনো ওষুধ নেই, যা আজ খেলাম আর কাল থেকে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বেড়ে গেল। এ ভাবনাটাই ভুল। প্রতিটি মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতার খানিকটা জিনগত, আর বাকিটা কর্মফল। অর্থাৎ একজন মানুষের প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপরেই নির্ভর করে যে তাঁর শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কতটা হবে। তাই পরামর্শ নিতে আসা লোকজনকে ইমিউনিটি বাড়াতে খাদ্যতালিকায় রাখার পরামর্শ দিয়েছি নানা রকম খাবার। এই যেমন

  • ভাত-ডাল-মাছের পাশাপাশি ভিটামিন ও মিনারেলের জন্য প্রতিদিন টাটকা সবজি ও ফল খেতে হবে।
  • ভিটামিন সির জন্য যেকোনো ধরনের লেবু বা আমলকী খাওয়া ভালো।
  • খাদ্যতালিকায় দুধ বা দুধের খাবার রাখা প্রয়োজন।
  • প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন আদা, হলুদ, গোলমরিচ এবং অন্যান্য মসলা। এতে ভিটামিন ও মিনারেল থাকে।
  • ফুসফুসের সমস্যা এড়াতে গ্যাস-অম্বল না হয়, এমন খাবার খাওয়া উচিত।
  • গলার সমস্যা কমাতে গরম পানি খান।
  • ঘরে তৈরি টক দই খুবই উপকারী, যাতে প্রোবায়োটিক আছে।

ভিটামিনের তালিকায় এ বছর প্রথম স্থান অধিকার করে ছিল ভিটামিন সি, সেটা তো আগেই বললাম। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে ও সর্দি-কাশি থেকে বাঁচতে ভিটামিন সি গ্রহণের মাত্রা ছিল উল্লেখযোগ্য। রোগীদের বিপুল আগ্রহ ছিল কী কী খাবার খেলে এ ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে পারবে। যাঁদের ইমিউনিটি ভালো নয় এবং মাঝেমধ্যেই রোগে ভুগেছেন, তাঁরা নিয়মিত ভিটামিন সি খেলে কয়েক দিনের মধ্যেই পরিবর্তন বুঝতে পেরেছেন। রোগীদের বলেছি, ভিটামিন সাপ্লিমেন্টের দিকে না গিয়ে রোজকার খাবারে এমন শাকসবজি-ফল রাখুন। যেসব উপকরণ ভিটামিন সিতে ভরপুর, তার দিকে বেশি নজর ছিল আমার পরামর্শে। এ তালিকায় রয়েছে আমড়া, জাম্বুরা, পেয়ারা, আমলকী, কমলালেবু, মাল্টা, আঙুর, স্ট্রবেরি, পালংশাক, ব্রকলি, পাতিলেবু ইত্যাদি। সুস্থ থাকার জন্য শরীরের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান হলো ভিটামিন-সি। এ ভিটামিন শরীরে প্রয়োজনীয় মিনারেল শোষণে সাহায্য করে এবং একই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হিসেবেও ভিটামিন-সি–সমৃদ্ধ ফল অত্যন্ত উপযোগী। শরীরের টক্সিন দূর করতে ও ওজন কমাতেও সাহায্য করে ভিটামিন-সি–সমৃদ্ধ ফল।বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনার পরামর্শ দিয়েছি।

  • এসি চালিয়ে থাকার অভ্যাস বেশি থাকলে মুশকিল। এ অভ্যাস শ্বাসযন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকারক।
  • সিগারেট ও মদ্যপান এড়িয়ে চলা।
  • দিনে অন্তত ৬-৮ ঘণ্টার ঘুমানো দরকারি।
  • নিয়ম করে দিনে কয়েক বার গার্গল করা।
  • নিয়মিত প্রাণায়াম, যোগাসনের মতো শরীরচর্চা করা উচিত। এতে ক্লান্তি দূর হয়ে ভালো ঘুম হবে।
  • মন ভালো রাখার চেষ্টা করুন। অবসাদ থাকলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমবে।
  • ফুসফুস ঠিক রাখতে জোরে শ্বাস নিয়ে নাক দিয়ে আস্তে ছাড়তে হবে।
  • একনিশ্বাসে কত সংখ্যা পর্যন্ত গুনতে পারা যাচ্ছে, তা দেখতে হবে।

এসব বিষয়ে চলতি বছর এত মানুষকে পরামর্শ দিয়েছি যে এখন রোগী এলেই মনে হয় এ বিষয়ে জানতে চাইবে।

দৈনন্দিন

স্মৃতি সাহার রেসিপি

বুটের ডাল

উপকরণ : বুটের ডাল ২৫০ গ্রাম, আদা কুচি ১ চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চামচ, কাঁচামরিচ ৬-৭টি, জিরা, আদা একত্রে বাটা ১ চামচ, তেল, ঘি, তেজপাতা, শুকনা মরিচ ৩টা, লবণ তেল পরিমাণমতো, ঘি ১ চামচ, মৌরি ১ চিমটি, চিনি ১ চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি : ডাল লবণ দিয়ে ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে সিদ্ধ করে নিতে হবে। কড়াইতে তেল দিয়ে শুকনা মরিচ, তেজপাতা, মৌরি, আদাকুচি ফোড়ন দিয়ে কিছু সময় ধরে জাল দিতে হবে। তারপর ডাল দিতে হবে। লবণ, হলুদ পরিমাণ মতো দিয়ে ফুটে উঠলে ১ চামচ মরিচগুঁড়া দিতে হবে। কাঁচামরিচ দিতে হবে। কিছু সময় ঢেকে রেখে আদা-জিরা বাটা দিতে হবে। ঘি ১ চামচ, চিনি ১ চামচ দিয়ে নেড়ে নামিয়ে দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

নারিকেল ও ক্ষীরের সন্দেশ

উপকরণ : নারিকেল বাটা ২ কাপ, ক্ষীর ১ কাপ, চিনি দেড় কাপ, এলাচ গুঁড়া এক চিমটি, ঘি ১ চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি : দুধ ঘন করে তৈরি করে নিতে হবে। নারিকেল বাটা চিনি দিয়ে অল্প আঁচে নেড়ে একটু আঠালো করতে হবে। এবার ক্ষীর মিশিয়ে কড়া পাক করতে হবে। আঠালো হলে ছাঁচে ঘি মেখে ছোট ছোট বল করে হাতের আঙ্গুলের চাপে সন্দেশ তৈরি করতে হবে।

লুচি 

উপকরণ : তেল ভাজার জন্য, নুন হাফ চামচ, চিনি ১ চামচ, বেকিং সোডা হাফ চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি : ময়দা, নুন, চিনি ২ চামচ, তেল, বেকিং পাউডার দিয়ে ঝুরা-ঝুরা হলে অল্প অল্প পানি দিয়ে ডো তৈরি করে নিতে হবে। ছোট ছোট বল করে বেলে নিয়ে ডুবো তেলে ভেজে তুলে নিলেই তৈরি হলো লুচি।

লাবড়া

উপকরণ : লাউ কিউব ১ কাপ, কুমড়ো কিউব ১ কাপ, ফুলকপি ১ কাপ, বাঁধাকপি ১ কাপ, শিমকুচি ১ কাপ, বেগুন পরিমাণমতো, আলু কিউব আধাকাপ, ধনেপাতা কুচি, কাঁচামরিচ ৪-৫টি, তেল ১ কাপ, শুকনা মরিচ ও তেজপাতা।

প্রস্তুত প্রণালি : কড়াইতে তেল দিয়ে শুকনা মরিচ, তেজপাতা, ফোড়ন দিয়ে সমস্ত সবজি দিতে হবে। তারপর নুন-হলুদ দিতে হবে। কাঁচামরিচ চেরা দেওয়া যাবে না। এরপর আধা কাপ জল দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। সবজি নরম হয়ে এলে ১ চামচ ঘি ও ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে লাবড়া।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ফুলদানিতে ফুল দীর্ঘদিন তাজা রাখার কৌশল

ফুল দিয়ে ঘর সাজাতে কে না ভালোবাসে? আর তাইতো ফুলদানিতে ঠাঁই পায় নানা ধরনের ফুল। কিন্তু সেই ফুল কিনে আনার কয়েক ঘণ্টা পরই মিইয়ে যায়। জেনে নিন ফুলদানিতে ফুল দীর্ঘদিন তাজা রাখার কৌশল।

১. বাহারি গোলাপ ফুল দিয়ে ফুলদানি সাজাতে পছন্দ করেন? তাহলে অতি অবশ্যই খেয়াল রাখুন, গোলাপ ফুলের পুরো কাণ্ডটি যেন কোনওভাবেই পানির তলায় ডুবে না থাকে। গোলাপ ফুলের কাণ্ড বেশি ছোট করে কাটবেন না। তাহলে দীর্ঘ দিন তাজা থাকবে।

২) ফুল ভাল রাখতে মাঝেমাঝেই ফুলদানিতে রাখা ফুলের উপর পানি স্প্রে করুন। এতে ফুল দেখতে তাজা লাগবে। সহজে নষ্টও হবে না।

৩) ফুলদানিতে ফুল রাখার সময়ে যে পানি রাখেন, তাতে সামান্য পরিমাণ লবণ মিশিয়ে দিতে পারেন। এতে ফুল ভাল থাকে।

৪) যে ফুলগুলো ফুলদানিতে রাখছেন, সেগুলোর সঙ্গে রাখা পাতাগুলোকে আগেই ছেঁটে ফেলে দিন। পাতা ছাড়া রাখলে ফুল বেশি ভাল থাকে।

৫) ফুলদানির পানি পাল্টানোর অভ্যাস নেই তো? ফুল কিন্তু এইকারণেও শুকিয়ে যেতে পারে। দুইদিন অন্তর ফুলদানির পানি পাল্টে ফেলুন।

৬) ফুল বাছার সময়ে বড় ফোটা ফুল না বেছে, কুঁড়ি বাছুন। তা বেশিদিন থাকবে। আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় ফুলদানি রাখলে ফুল ভাল থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

যেসব ফল খেলে ত্বকের তারুণ্য বজায় থাকে

ত্বকের তারুণ ধরে রাখতে চাইলে সবজির পাশাপাশি ফল খান। কিছু কিছু ফল আছে যেগুলো খেলে তারুণ দীর্ঘদিন বজায় থাকে। জেনে নিন সেসব ফল সম্পর্কে।

আতা

এই ফলে রয়েছে ভিটামিন এ ও সি। যা চামড়াকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।

পেঁপে

এতে রয়েছে এনজাইম। এই ফল চামড়াকে চকচকে রাখতে সাহায্য করে।

অ্যাভোকাডো

চামড়ার নমনীয়তা রক্ষা করে অ্যাভোকাডো

কিউই

এই ফল ভিটামিন সি-তে পূর্ণ। যা চামড়াকে দৃঢ় রাখতে সাহায্য করে।

কলা

এই ফলে রয়েছে পটাসিয়াম। যা চামড়াকে উজ্জ্বল রাখে।

গুজবেরি

পুষ্টিগত গুণের জন্য় পরিচিত এই ফল। চামড়া পরিষ্কার রাখে।

আনারস

এই ফলও চামড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সাহায্য করে।

বেদানা

চামড়ায় ভাঁজ পড়া রোধে সাহায্য করে এই ফল।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাড়িতে খাঁটি ঘি তৈরির সহজ উপায়

ভেজালের ভিড়ে বাজার থেকে খাঁটি ঘি কেনা দুরূহ কাজ! তাই অনেকেই বাড়িতেই ঘি বানানোর উপায় খোঁজেন। ত্বক উজ্জ্বল রাখতে, ইমিউনিটি বাড়াতেও উপকারী ঘি। ভেজাল না খেয়ে বাড়িতেই সহজ কিছু পদ্ধতিতে বানিয়ে ফেলুন খাঁটি ঘি। জেনে নিন খাঁটি ঘি তৈরির সহজ উপায়।

১. প্রায় ২ লিটার দুধ গরম করতে হবে। একটু ফুটলে উপর থেকে ক্রিম আলাদা পাত্রে সরিয়ে রাখতে হবে। টানা চার পাঁচদিন এইভাবে করতে করতে পাত্রটি ভরতে হবে। তবে এই সময় ফাঙ্গাস এড়াতে পাত্রটি ফ্রিজে রাখা প্রয়োজন।

২. পাত্রটি ভরে গেলে ঘরের তাপমাত্রায় আনতে হবে। এরপর দু চামচ দই দিতে হবে। দই দিয়ে সারা রাত রেখে দিতে হবে পাত্রটি।

৩. এরপর মিশ্রণটি ব্লেন্ডারে ঢেলে তাতে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভর্তি করতে হবে। ক্রিম থেকে ফ্যাটের পরিমাণ সরাতেই ঠাণ্ডা পানির ব্যবহার করা হয়। তবে এক্ষেত্রে বরফের কিউবও ব্যবহার করা যেতে পারে। ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে মিশ্রণটি।

৪. এরপর বাটারমিল্ক থেকে ব্লেন্ডারে পড়ে থাকা বাটার আলাদা করে নিতে হবে। মাথায় রাখা দরকার, দুধ পুরোপুরি পরিস্কার করে নিতে হবে।৫. মৃদু আঁচে বাটার গরম করতে হবে। ১৫ মিনিট প্য়ানে টানা নাড়াচাড়া করতে হবে বাটার। তাহলেই তা গলে ঘি তৈরি হয়ে যাবে। আঁচ থেকে নামিয়ে ১ থেকে ২ মিনিট তরল ঠাণ্ডা করতে হবে। এরপর ভালো পাত্রে তা ছেঁকে নিলেই রেডি হোম-মেড ঘি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ত্বক ভালো রাখতে যে ফলগুলো খাবেন

ত্বকের উজ্জ্বলতা ও তারুণ্য ধরে রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারি কিছু ফল

ভালো স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্নরকমের ফল খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এমনকি চিকিৎসকেরাও নিয়মিত ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ফল শরীরে বিভিন্নরকমের ভিটামিনের অভাব পূরণ করে, পাশাপাশি শক্তিও যোগায়।

এমনকি, ত্বকের যত্নেও কিছু ফল কার্যকরী ভূমিকা রাখে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ও তারুণ্য ধরে রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু ফল রাখতে পারি। এগুলো আমাদের ত্বকের যত্নে সহায়তা করবে। 

আমরা জানি, ভিটামিন “সি” সমৃদ্ধ খাবার ও ফলমূল আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। পাশাপাশি ভিটামিন “সি” ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে আমাদের সৌন্দর্য বাড়াতেও সহায়তা করে থাকে।

তাই প্রতিদিন আমাদের কিছু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার ও ফলমূল খাওয়া জরুরি যা আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষার পাশাপাশি সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে। ফলগুলো হলো-

আনারস: আনারসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন “সি” রয়েছে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন “এ” ও “কে”। যা ত্বকের দাগ কমিয়ে ত্বককে ব্রণমুক্ত রাখে।

কমলালেবু: কমলালেবু ত্বকের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে বেশ সহায়তা করে। প্রতিদিন কমলালেবু খেলে ব্রণের সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা কমে যায়। এমনকি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতেও কমলালেবু সহায়তা করে।

আপেল: আপেল খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে ভিটামিন “এ” ও “সি” এর পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এমনকি এতে থাকা ফ্রি রেডিক্যাল থেকে ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতেও আপেলের কোনো জুড়ি নেই।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com