আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফল

রাঙ্গামাটিতে মৌসুমি ফলের সমাহার

রাঙ্গামাটির বাজারে এখন মৌসুমি ফলের সমাহার। মধুমাস জ্যৈষ্ঠ না আসতেই মৌসুমি ফলে সয়লাব স্থানীয় বাজার। বাজারজাত হয়ে যাচ্ছে জেলার বাইরেও। এরমধ্যে বাজারে এসেছে প্রচুর টসটসে রসালো মিষ্টি আনারস ও কাঁঠাল। আসতে শুরু করেছে লিচু। আসছে পাকা আম। কলা আছে মৌসুমজুড়ে।

স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, ইঞ্জিনচালিত বোটে করে পাহাড়ে উৎপাদিত প্রচুর মৌসুমি ফল পরিবহন করে আনা হচ্ছে সমতাঘাট, পৌর ট্রাক টার্মিনাল ঘাটসহ শহরের বিভিন্ন বাজারঘাটে। এসব ফলের মধ্যে এখন ভরপুর আনারস, কাঁঠাল ও কলা। বোট থেকে নামিয়ে বিক্রি হচ্ছে স্থানীয় বাজারে এবং জেলার বাইরে বাজারজাত করা হচ্ছে ট্রাক-মিনিট্রাক বোঝাই করে। নতুন হিসেবে আনারস ও কাঁঠালের দাম এখনো চড়া। তবে দামে খুশি বাগানচাষিরা।

তারা জানান, শুরুতে এখন দাম ভালো পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় বাজারে বর্তমানে প্রতিটি আনারসের দাম ২০-৩০ টাকা এবং প্রতিটি কাঁঠালের দাম ৮০-২০০ টাকা। তবে পাইকারি দাম কিছুটা কম বলে জানান চাষিরা। পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাজারে আসতে শুরু করেছে টসটসে রসালো লিচু। তবে স্বাদে এখনো পুরোপুরি মিষ্টি হয়নি।

চাষী ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, উপযুক্ত আবহাওয়া ও মাটির উর্বরতার কারণে রাঙ্গামাটির পাহাড়ি এলাকায় আনারস ও কাঁঠালের উচ্চ ফলন হয়েছে। এছাড়া আনারস চাষে এক জাতীয় হরমোন ব্যবহারে উচ্চ ফলনের পাশাপাশি আগাম ফলন পাওয়া যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের সহায়তায় উন্নত প্রযুক্তির চাষাবাদে আশাব্যঞ্জক ফলন পাওয়া যাচ্ছে মৌসুমি ফলের। কিছুদিনের মধ্যে পাকা আম বিক্রি করা যাবে। এরমধ্যে লিচু বিক্রি শুরু হয়েছে। এছাড়া পাহাড়ি এলাকায় বাংলা কলা ও চাঁপা কলার চাষ হয় সব মৌসুমে। এসব কলার ফলন খুব ভালো। তাই মৌসুমজুড়ে বাজারে বিক্রি হয় এখানকার উৎপাদিত কলা।

রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক রমণী কান্তি চাকমা বলেন, ‘পাহাড়ে উপযোগী আবহাওয়া ও মাটির উর্বরাশক্তির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির চাষাবাদ হওয়ায় বর্তমানে আনারস, কাঁঠাল, আম, লিচুসহ মৌসুমি ফলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে। চাষাবাদে প্রশিক্ষণসহ কৃষকদের বিভিন্ন সহায়তা দেয়া হচ্ছে।’

তিনি জানান, এবার মৌসুমে রাঙ্গামাটি জেলায় যথেষ্ট পরিমাণ লিচুর আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে লিচু বাজারে বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে চায়না-৩ ও চায়না-২ জাতের। এছাড়া দেশিজাতের লিচুর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চাষাবাদ হচ্ছে বোম্বে জাতের লিচু। পাহাড়ে মোজাফ্ফরি জাতের লিচুও আবাদ হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে।

ফল

কৃষিবিদ হওয়ার স্বপ্ন থেকে সফল আম চাষি

কৃষিবিদ হওয়ার স্বপ্ন থেকে সফল আম চাষি
কৃষিবিদ হওয়ার স্বপ্ন থেকে সফল আম চাষি

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ড উপজেলায় বেসরকারিভাবে প্রথম আম রফতানি শুরু করেন মালিপাড়া গ্রামের শহিদুর ইসলাম বিপ্লব (২৮)। ছোট থেকেই ভালো কৃষিবিদ হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন বিপ্লব। এরই ধারাবাহিকতায় গত আট বছর আগে তিনি তার পৈত্রিক সম্পত্তির ছয় বিঘা জমিতে বিভিন্ন ধরনের আমের চারা রোপণ করেন। সেখানে তিনি ফজলি, ল্যাংড়া ও আম্রোপালিসহ বিভিন্ন জাতের ৩০০টি চারা রোপণ করেন।

বিপ্লব জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহায়তায় রফতানির সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। গত বছর সকল ব্যয় বাদ দিয়েও তার প্রায় দেড় লাখ টাকা লাভ হয়েছিল। তবে এ বছর আমের দাম কম হওয়ায় তিনি আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।

রফতানি প্রসঙ্গে জানান, গত বছর ৮৫ টাকা কেজি দরে আম রফতানি করছেন এবং ৬৫ টাকা কেজিতে দেশীয় বাজারে আম বিক্রি করেছেন। কিন্তু এ বছর আমের ফলন দ্বিগুন হলেও দাম নিয়ে হতাশ।

বিপ্লবের বাবা ইজান উদ্দিন মণ্ডল জানান, তার ছেলে ডিগ্রি পাস করেছেন। তারপর তিনি গ্রামের ক্লিনিকে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) পদে যোগদান করেন। এরপর তিনি শুরু করেন আমের বাগান। ছেলের আমের বাগানে প্রায় ১০ জন লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরশাদ আলী চৌধুরী জানান, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিপ্লব এগিয়ে যাচ্ছেন। কৃষি অফিস সব সময় অন্যান্য কৃষকের মতো তার পাশেও আছে। তিনি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যসম্মত ফল চাষ করে জেলাসহ সমগ্র দেশে নিজেকে আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

সৌদি আরবের খেজুরের চারা দিয়ে বাগান করলেন লাবলু

সৌদি আরবের খেজুরের চারা দিয়ে বাগান করলেন লাবলু
সৌদি আরবের খেজুরের চারা দিয়ে বাগান করলেন লাবলু

আজওয়া খেজুর চারা উৎপাদন করতে তেমন খরচ হয়নি। তবে ঠিক মতো প্রক্রিয়া জানা থাকলে যে কেউ তৈরি করতে পাবেন। বালি, মাটি আর জৈব সার দিয়ে এই চারা উৎপাদন করা যায়। একটি খেজুর গাছ থেকে ৩ থেকে সাড়ে ৩ বছরে ফল পাওয়া সম্ভব। এমনটাই জানালেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজুর ছোট ভাই মোস্তাক আহমেদ লাবলু। মোস্তাক আহমেদ লাবলু ঢাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেছেন।

মোস্তাক আহমেদ লাবলু জানান, একটি বেসরকারি টেলিভিশনের কৃষি অনুষ্ঠান দেখে এবং ইন্টারনেট থেকে তথ্য নিয়ে আজওয়া খেজুর উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠেন। তাই বিভিন্ন কৃষি ফার্মে আজওয়া খেজুরের চারা খোঁজ করেন কিন্তু পাননি। তবে হাল ছাড়েননি ২০১৭ সালের দিকে সৌদি আরবে বসবাসরত তার এক আত্মীয়ের মাধ্যমে ২৫টি আজওয়া খেজুরের বীজ সংগ্রহ করেন। প্রথম পর্যায়ে সেই বীজ থেকে ১৯টি চারা উৎপাদিত হলেও সেখান থেকে ১২টি চারা বাঁচে। এরপর চলতি বছরের প্রথম দিকে সৌদি আরব থেকে বেশকিছু বীজ সংগ্রহ করেন। এতে প্রায় ১০০টি চারা উৎপাদন হয়েছে। সব মিলিয়ে তিনি প্রায় ১৩০টি চারা উৎপাদন করেন। উপজেলার চাচড়া মাঠে মোস্তাক অ্যান্ড মোস্তাফিজ আজওয়া খেজুর বাগান প্রজেক্ট নামে একটি বাগান তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু করেছেন।

তিনি জানান, নিজে বাগান তৈরির পর চারা উৎপাদন করে কৃষক পর্যায়ে এই আজওয়া খেজুর ছড়িয়ে দিবেন।

মোস্তাক আহমেদ জানান, প্রথমে বীজগুলো টিস্যুর মধ্যে রেখে তারপর মাটির মধ্যে অত্যন্ত যত্নে রেখে বড় করেছেন। বর্তমানে চারাগুলোর বয়স ৩ মাস। আগের উৎপাদিত প্রায় ১২টি চারা তিনি রোপন করেছেন। বাকি ১২০টি চারা দিয়ে তিনি আজওয়া খেজুরের বাগান করবেন।

সৌদি আরবের খেজুরের চারা দিয়ে বাগান করলেন লাবলু
সৌদি আরবের খেজুরের চারা দিয়ে বাগান করলেন লাবলু

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের মানুষ প্রতি বছর রোজার মাসসহ বিভিন্নসময় সৌদি আরবের খেজুর কিনে খান। সবচেয়ে ভালো খেজুর ২ থেকে ৩ হাজার টাকা দরে কিনেন তারা। আর প্রতি কেজি আজওয়া খেজুর বিক্রি হয় ৩ হাজার টাকা। এছাড়াও খেজুরের পুষ্টি গুণের কথা বিবেচনা করে চারা উৎপাদন করে বাগান করেছেন লাবলু।

‘এ আজওয়া খেজুর সম্পর্কে বেশ কিছু হাদিস আছে। সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৫৩৫৬ জুমুআ ইবন আব্দুল্লাহ (রা:) সাদ (রা:) তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলল্লাহ (সা:) বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন তাকে কোনো বিষ ও যাদু ক্ষতি করবে না।’

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ন কবির জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সৌদি আরবের খেজুর চাষ হচ্ছে। অনেক স্থানে কৃষকরা ফলও পেয়েছে। কালীগঞ্জে যে যুবক আজওয়া খেজুরের চারা উৎপাদন করেছে তাকে সাধুবাদ জানাই। তিনি যদি কৃষি অফিসের সহযোগিতা কামনা করেন তা তাকে করা হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

বিষমুক্ত বাউকুল চাষের নতুন সম্ভাবনা

বিষমুক্ত বাউকুল চাষের নতুন সম্ভাবনা
বিষমুক্ত বাউকুল চাষের নতুন সম্ভাবনা

নতুন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে বদলে যাচ্ছে দেশের কৃষি। প্রতিনিয়ত টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে দেশীয় কৃষিতে। এরকমই এক প্রযুক্তি বাউকুলে পলিথিনের ব্যবহার। এতে কুল চাষে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।

এ পদ্ধতিতে ৬-৭টি কুলে এক কেজি ওজন হচ্ছে। দামও পাওয়া যাচ্ছে ভালো। সাধারণভাবে উৎপাদিত বাউকুল প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৩০-৭০ টাকা। আর পলিথিন পদ্ধতিতে উৎপাদিত কুল প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে জেলায় ৩০৮ হেক্টর জমিতে কুল চাষে ৪,২৯৬ মেট্রিক টন কুল উৎপাদন হয়েছে।

বিষমুক্ত বাউকুল চাষের নতুন সম্ভাবনা
বিষমুক্ত বাউকুল চাষের নতুন সম্ভাবনা

জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার রাখালগাছি-চাঁদপাড়ার মাঠে হারুনার রশিদ নামে এক কৃষক বাউকুলে পলিথিন ব্যবহার করে এ সফলতা পেয়েছেন। হারুন কালীগঞ্জ উপজেলার সানবান্ধা গ্রামের মৃত শাহাদত হোসেনের ছেলে। কুলে পলিথিন ব্যবহারের ফলে কোন কীটনাশক দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। ফলে বিষমুক্ত এই কুল সাধারণ বাউকুল থেকে মিষ্টি ও নরম। যে কারণে বাজারে চাহিদাও বেশি।

হারুনার রশিদ বলেন, ‘আমি গত ১০ বছর ধরে বাউকুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির কুল ও পেয়ারার চাষ করে আসছি। এ বছর আমার সাড়ে চার বিঘা জমিতে বাউকুল চাষ করেছি। পেয়ারায় পলিথিন পদ্ধতি ব্যবহার করে যদি ভালো উৎপাদন হয়। তাহলে কুলেও ভালো ফলন হওয়ার কথা। এমন চিন্তা থেকে কুলে পলিথিন পদ্ধতি ব্যবহার করি। কিছুদিনের মধ্যে খুব ভালো ফলাফল লক্ষ্য করি। পলিথিন ব্যবহারে উৎপাদিত কুলের সাইজ দেখে অবাক হচ্ছি।’

বিষমুক্ত বাউকুল চাষের নতুন সম্ভাবনা
বিষমুক্ত বাউকুল চাষের নতুন সম্ভাবনা

তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন বাগান থেকে ৮-১০ মন কুল সংগ্রহ করছি। সেসব কুল ৮০ টাকা কেজি দরে ঢাকার ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করি। প্রথম কয়েকদিন ১০০ টাকা কেজি বিক্রি করেছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণভাবে উৎপাদিত বাউকুল থেকে বছরে প্রতি বিঘা জমিতে ২ লাখ টাকার মতো বিক্রি করা যায়। এতে চারা রোপণ থেকে শুরু করে ফল সংগ্রহ পর্যন্ত খরচ হয় ৩০ হাজার টাক। কিন্তু একই খরচে এ পলিথিন পদ্ধতি ব্যবহার করায় এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে ৩ লাখের বেশি টাকার কুল বিক্রি করা যাবে।’

বিষমুক্ত বাউকুল চাষের নতুন সম্ভাবনা
বিষমুক্ত বাউকুল চাষের নতুন সম্ভাবনা

বিকশিত বাংলাদেশের কর্মী আনোয়ারুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘বিষমুক্ত নিরাপদ ফল উৎপাদনের লক্ষ্যে কুল চাষের জন্য তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪০০ কেজি ভার্মি কম্পোস্ট, ২২টি ফেরেমন ট্রাফ, ফসল সংগ্রহের জন্য প্লাস্টিকের ত্রিপল ও বাস্কেট দেওয়া হয়েছে। এখন তাকে সংগ্রহ করা কুল ঢাকার বাজারে বিক্রির কাজে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বাংলাদেশেই ফলছে মরিয়ম আজওয়া আম্বার

অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছেন দেশের বিজ্ঞানীরা। মধ্যপ্রাচ্যের ফল খেজুর উৎপাদনে প্রাথমিকভাবে সফল হয়েছেন তারা। মেহেরপুরের মুজিবনগর কমেপ্লেক্সে পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি বাগানের ২০টি গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে খেজুর। চলছে সাকারের (কাণ্ড থেকে গজানাে চারা) মাধ্যমে চারা তৈরির প্রক্রিয়া।

 বাংলাদেশেই ফলছে মরিয়ম আজওয়া আম্বার
বাংলাদেশেই ফলছে মরিয়ম আজওয়া আম্বার

সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন প্রয়োজন দেশে একটি খেজুর রিসার্চ সেন্টার। তাহলেই সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি সুমিষ্ট এই ফল।

বাংলাদেশেই ফলছে মরিয়ম আজওয়া আম্বার
বাংলাদেশেই ফলছে মরিয়ম আজওয়া আম্বার

বাগানের ব্যবস্থাপক মহিবুল ইসলাম জানান, ২০১৪ সালে কুষ্টিয়া ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কয়েকজন বিজ্ঞানী মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই থেকে নিয়ে আসেন আজওয়া, আম্বার, মরিয়ম, ডেগলেটনুর, খালাচসহ খেজুরের ১০টি জাত। চারা তৈরি করে আড়াই হাজার গাছ লাগানো হয় মেহেরপুরের মুজিবনগর কমপ্লেক্সে। মাত্র চার বছরের মাথায় আসে ফল। আর্টিফিশিয়াল পরাগায়নের মাধ্যমে বাড়ানো হয় ফল ধারণের ক্ষমতা। পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে নেট দিয়ে আর বৃষ্টির পানি যাতে না পড়ে সেজন্য পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে পুরো থোকা।

বাংলাদেশেই ফলছে মরিয়ম আজওয়া আম্বার
বাংলাদেশেই ফলছে মরিয়ম আজওয়া আম্বার

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান জানান, মধ্যপ্রাচ্যের আবহাওয়ার সঙ্গে এখনকার আবাহাওয়ার মিল না থাকায় খেজুরের এ পর্যায় আসতে অনেক প্রতিকূল পরিবেশ পাড়ি দিতে হয়েছে। তবে ২০টি গাছে পরিপূর্ণ ফল আসায় আমরা খুশি। এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে ফলের মিষ্টতা ধরে রাখার। এটি সফল হলে সাকারের মাধ্যমে চারা তৈরি করে কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া হবে।

 বাংলাদেশেই ফলছে মরিয়ম আজওয়া আম্বার
বাংলাদেশেই ফলছে মরিয়ম আজওয়া আম্বার

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের আরেক ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এস এম শহিদুল্লাহ জানান, খেজুরের এ চাষ ছড়িয়ে দিতে পারলে দেশে খেজুরের চাহিদা মেটানো সম্ভব। তবে মধ্যপ্রচ্যের আবহাওয়া ও এখনকার আবহাওয়া এক না হওয়ায় সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী গবেষণার। তাই এ অঞ্চলে সরকারিভাবে একটি ডেট (খেজুর) রিসার্চ সেন্টার তৈরির দাবি জানান তিনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

এবার আমের উৎপাদন কম, হতাশ চাষিরা

এবার আমের উৎপাদন কম, হতাশ চাষিরা
এবার আমের উৎপাদন কম, হতাশ চাষিরা

আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফলন কম হওয়ায় এ বছর আম উৎপাদন কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমচাষি ও কৃষি বিভাগ বলছে, বিরূপ আবহাওয়ার কারণেই এ বছর আম উৎপাদন কিছুটা কম হবে।

এবার আমের উৎপাদন কম, হতাশ চাষিরা
এবার আমের উৎপাদন কম, হতাশ চাষিরা

জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিতপুরের আমচাষি হাসান আল সাদী পলাশ ও পৌর এলাকার মিজানুর রহমান জানান, মৌসুমের শুরুতে পর্যাপ্ত মুকুল এসেছে। তবে ফেব্রুয়ারি মাসে বৃষ্টির কারণে মুকুল নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তীতে দীর্ঘ কুয়াশা, শীত ও সময়মত বৃষ্টি না হওয়ায় আমের গুটি ঝরে যায়। এছাড়া পরপর কয়েক বছর আমের দাম না পাওয়ায় বাগান পরিচর্যায়ও এক ধরনের অনীহা ছিল আমচাষিদের।

সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি আদেশকে কেন্দ্র করে আমচাষিরা পোকামাকড়ের আক্রমণের পরও ভয়ে আম বাগানে কীটনাশক প্রয়োগ করেননি। শেষ মুহূর্তে শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে অনেক আম নষ্ট হওয়ায় এ বছর আম তুলনামূলক কম হয়েছে।

এবার আমের উৎপাদন কম, হতাশ চাষিরা
এবার আমের উৎপাদন কম, হতাশ চাষিরা

জেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল হুদা জানান, জেলার ৫ উপজেলায় এ বছর ৩১ হাজার ৮২০ হেক্টর আম বাগানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন। গত বছর ২৯ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল ২ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন। এ বছর ২ হাজার ৩১০ হেক্টর আম বাগান বাড়লেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন কম হবে।

এবার আমের উৎপাদন কম, হতাশ চাষিরা
এবার আমের উৎপাদন কম, হতাশ চাষিরা

এদিকে আম পাড়ার সময় বেঁধে না দিলেও প্রাকৃতিক কারণেই আম দেরিতে পাকায় আরও এক সপ্তাহ পরে বাজারে আসবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
নিউইয়র্কে ঝড়ের সময় হাডসন নদীর ওপর বজ্রপাতের দৃশ্য। মাঝখানের সবচেয়ে উঁচু দালানটি ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার।

চলতি সপ্তাহের কিছু ছবি যা নিয়ে আলোচনা চলছে বিশ্বজুড়ে

করোনা ভাইরাস: কোভিড-১৯ রোগের উৎস চীনের উহানকে ঘিরে যেসব প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টাতেই আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৭৯২জন।

করোনা ভাইরাস: আইসোলেশনে থাকলে যে সাতটি কাজ করবেন

জাসিন্ডা আরডার্ন

করোনা ভাইরাস: করোনাভাইরাস ঠেকাতে নিউজিল্যান্ড কীভাবে এত সফল হলো?

সাবেক প্রেসিডেন্টের নামে রাজধানীর নতুন নাম রাখা হয়েছে নুর-সুলতান

‘কাজাখস্তানের “অজানা নিউমোনিয়া” করোনাভাইরাসের চেয়েও প্রাণঘাতী’

করোনা ভাইরাস: ভারত কি বিশ্ব মানচিত্রে পরবর্তী হটস্পট?

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে বড় দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে র‍্যাব।

করোনা ভাইরাস পরীক্ষায় অনিয়ম: বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্নতার আশংকা বাংলাদেশের সামনে?

অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে নানা আকারের ও দামের গরু

অনলাইনে কোরবানির গরু ক্রয়ে ঝুঁকি কতটা?

হাইয়া সোফিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে।

৮৬ বছর পর ইস্তাম্বুলের হাইয়া সোফিয়ায় শোনা গেল আজান ধ্বনি

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট যে হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়ছে, তারা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেয়নি

অস্ত্র ব্যবসা: ব্রিটেন সৌদি আরবের কাছে কী পরিমাণ অস্ত্র বিক্রি করে? কেন এই ব্যবসা নিয়ে বিতর্ক?

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com