আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

মৎস্য

ভয়ংকর রাক্ষুসে মাছ স্নেকহেড: দেখামাত্রই হত্যার নির্দেশ, যুক্তরাষ্ট্রে সতর্কতা

স্নেকহেড কেবল রাক্ষুসে মাছ নয়, এটি ডাঙাতেও বেঁচে থাকতে পারে।
স্নেকহেড কেবল রাক্ষুসে মাছ নয়, এটি ডাঙাতেও বেঁচে থাকতে পারে।

“যদি দেখেন যে একটি উত্তরাঞ্চলীয় ‘স্নেকহেড’ মাছ আপনার জালে ধরা পড়েছে, এটিকে ছাড়বেন না। পাওয়ামাত্রই এটিকে হত্যা করুন। মনে রাখবেন, এটি ডাঙাতেও বেঁচে থাকতে পারে।”

ঠিক এরকম নির্দেশনাই দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ন্যাচারাল রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট বা প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ।

উত্তরাঞ্চলীয় ‘স্নেকহেড’ মাছ দেখতে লম্বাটে ও চিকন। এর মাথা দেখতে অদ্ভূত রকম চ্যাপ্টা।

এটি উচুঁ মানের শিকারী প্রাণী এবং এর ক্ষুধা অফুরন্ত।

প্রতি বছর দশ হাজার ডিম

এই মাছ অন্যান্য জাতের মাছ থেকে শুরু করে ব্যাঙ, কাঁকড়া সবই সাবাড় করে ফেলে।

স্নেকহেড ৮০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে
স্নেকহেড ৮০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে

এটি দেখতে ৮০ সেন্টিমিটারের মতন লম্বা হতে পারে। এমনকি পানি ছাড়াও এই মাছ নিশ্বাস নিতে পারে এবং চলাফেরা করতে পারে।

আর এ কারণেই এই প্রাণী এক জলাশয় থেকে আরেক জলাশয়ে চলে যেতে পারে।

এই মাছ যদি একবার অন্য আরেক জায়গায় পৌঁছাতে পারে তাহলে এর বিস্তার ঠেকানো মুশকিল। স্নেকহেড মাছের নারী সদস্যরা বছরে দশ হাজার পর্যন্ত ডিম দেয়।

দূর্ঘটনাবশত বিস্তার?

স্নেকহেড মূলত চীন, রাশিয়া ও কোরিয়া অঞ্চলের মাছ। কিন্তু প্রায় এক দশক আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত চার জাতের স্নেকহেডকে অ্যামেরিকায় সনাক্ত করা গেছে।

তবে, শুরুতে মূলত পালনের উদ্দেশ্যেই এই মাছকে যুক্তরাষ্ট্রের জলাশয়ে ছাড়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

অনেকে স্নেকহেড কিনেছিলেন সখ করে পোষার জন্য। কিন্তু এসব মাছ পানিতে ছেড়ে দেয়ার পর এর ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে।
অনেকে স্নেকহেড কিনেছিলেন সখ করে পোষার জন্য। কিন্তু এসব মাছ পানিতে ছেড়ে দেয়ার পর এর ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে।

জর্জিয়া ছাড়াও ফ্লোরিডা, নিউ ইয়র্ক, ভার্জিনিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, ম্যাসাচুসেট্স ও মেরিল্যান্ডে এই মাছ পাওয়া গেছে।

মেরিল্যান্ডেই ২০০২ সালে প্রথমে এই মাছকে সনাক্ত করা হয়।

জনগণের সহায়তা

জর্জিয়াতে স্নেকহেড মাছকে সনাক্ত করার পর অক্টোবরের ৮ তারিখেই সেখানে জনসচেতনতা মূলক একটি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পানি ছাড়াও যে এই মাছ বেঁচে থাকতে পারে সেই কথা উল্লেখ করে ডিপার্টমেন্ট অফ ন্যাচারাল রিসোর্স (ডিএনপি) জনগণের উদ্দেশে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। মৃত স্নেকহেড দেখলেও সেটির ছবি তুলতে এবং সেটিকে ঠিক কোথায় পাওয়া গিয়েছে সেই বিষয়ে নোট নিতে তাগিদ দেয়া হয়েছে সেই নির্দেশনায়।

স্নেকহেড দমনের জন্য মার্কিন কর্তৃপক্ষ জনগণের সহযোগিতা চাইছেন। ফ্লোরিডায় স্নেকহেড মারার চেষ্টা করছেন দুজন জেলে।
স্নেকহেড দমনের জন্য মার্কিন কর্তৃপক্ষ জনগণের সহযোগিতা চাইছেন। ফ্লোরিডায় স্নেকহেড মারার চেষ্টা করছেন দুজন জেলে।

জর্জিয়া ডিএনপির ফিশিং অপারেশন্স ম্যানেজার স্কট রবিনসন বলেছেন, “এটি একটি দুরূহ কাজ হলেও এদের সবগুলোকেই খুঁজে বের করা হবে। এখানে এরা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাবে না।”

পানি ছাড়া এই মাছ বাঁচে কী করে?

ডাঙ্গাতেও কী করে এই মাছ বেঁচে থাকতে পারে সেই বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের এভলিউশনারি ইকোলজি এন্ড একোয়াটিক বাইয়োলোজি বিভাগের অধ্যাপক মার্টিন জেনার।

“এশিয়াতে, তাদের নিজস্ব প্রাকৃতিক পরিমণ্ডলে এই মাছটি সাধারণত কম অক্সিজেনপূর্ণ পরিবেশে যেমন ধানক্ষেতে বা পানিতে অর্ধেক ডুবে থাকা বনাঞ্চলে থাকে”, ব্যাখ্যা করছিলেন মি. জেনার।

স্নেকহেডের শরীরে অক্সিজেন জমিয়ে রাখার ব্যবস্থা আছে। এ কারণে এটি পানির বাইরেও তিনদিন পর্যন্ত বাঁচতে পারে।
স্নেকহেডের শরীরে অক্সিজেন জমিয়ে রাখার ব্যবস্থা আছে। এ কারণে এটি পানির বাইরেও তিনদিন পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

এরকম পরিবেশে থাকার কারণে এই মাছগুলোকে বিভিন্ন ধরনের অভিযোজন কৌশল আয়ত্বে আনতে হয়। মূলত এসব পরিবেশে এই মাছগুলো তাদের অক্সিজেন গ্রহণের পরিমাণকে সর্বোচ্চ বাড়িয়ে নেয়।

বাড়তি বায়ু

জেনার আরো বলছিলেন, এই জাতের মাছের গিল বা ফুলকার পেছনে বাতাসের একটি চেম্বার থাকে। এটিকে বলা হয় সুপ্রাব্রাঞ্চিয়াল চেম্বার।

সাধারণত, মাছেরা তাদের ফুলকার সাহায্যে দম নেয় এবং এর মাধ্যমেই অক্সিজেন আসা-যাওয়া করে।

মাছ পানির উপরিতলে উঠে আসতে এবং যে কোনো দিকে যেতে সক্ষম। তারপর তারা পানির গভীরে চলে যায় এবং অক্সিজেন ব্যবহার করে।

“কিন্তু এই স্নেকহেড মাছগুলো পানির উপরিভাগে উঠে এসে কিছু বায়ু বুকে ভরে নেয় এবং তারা একেবারে জলের গভীর তলানিতে নেমে যেতে পারে। সেখানে প্রয়োজন হলে তারা তাদের চেম্বারের অক্সিজেন ব্যবহার করে,” ব্যাখা করেন মি. জেনার।

ক্রলিং

স্নেকহেড মাছগুলো ডাঙ্গাতেও দম নিতে পারে। যার কারণে তারা আসলে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় স্থানান্তর করতে সক্ষম।

যখন নদী শুকিয়ে যায় তখন স্নেকহেড মাটির ওপর দিয়ে অন্য জলাশয়ের দিকে যেতে পারে।
যখন নদী শুকিয়ে যায় তখন স্নেকহেড মাটির ওপর দিয়ে অন্য জলাশয়ের দিকে যেতে পারে।

ট্রপিক্যাল বা গ্রীষ্মপ্রধান দেশগুলোতে জলাভূমিগুলো প্রায়শই শুকিয়ে যায়। তাই, মাছগুলোকে তখন এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে হয়।

“স্নেকহেড ডাঙায় চলাফেরা করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। এই কাজটি স্নেকহেড খুব কৌশলে করে। মাছগুলো পাখনা ব্যাবহার করে বুকে ভর দিয়ে এগিয়ে চলে। কিন্তু পানির বাইরেও একটা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য তারা বেঁচে থাকতে পারে কারণ তারা ঢোক গেলার মাধ্যমে বায়ু গ্রহণ করে সেটিকে শ্বাসের কাজে লাগাতে পারে।”

তবে, মি জেনার বলছেন, স্নেকহেডই ডাঙ্গাতে বেঁচে থাকা একমাত্র মাছ নয়। ক্যাটফিশের মতন অন্য এমন আরো কিছু প্রজাতির মাছ রয়েছে যারা স্থলেও অক্সিজেন ব্যবহারে সক্ষম।

ক্যাটফিশ হচ্ছে আরেকটি মাছ যেটি ডাঙ্গায় শ্বাস নিতে পারে
ক্যাটফিশ হচ্ছে আরেকটি মাছ যেটি ডাঙ্গায় শ্বাস নিতে পারে

এছাড়া লাংফিশ-ও ডাঙাতে দম নিতে পারে। লাংফিশেরও মানুষের মতন ফুসফুস রয়েছে।

তবে, লাংফিশের ফুসফুস মানুষের মতন দম নেয়া ও দম ছাড়ার কাজ করে না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ফুসফুসের ভেতর হাওয়া ভরে নেয় লাংফিশ এবং পরবর্তীতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে তা ব্যাবহার করে।

গৌরামিস নামে আরেক জাতের মাছেরও ফুসফুসের মতন একটি অঙ্গ রয়েছে। সেটি ফুসফুসের মতই কাজ করে এবং দম নিতে সাহায্য করে। এই মাছগুলোও ডাঙায় স্বল্প দূরত্বে চলাফেরা করতে পারে।

কঠিন প্রতিযোগী

প্রতিকূলতা সহ্য করে টিকে থাকতে পারে স্নেকহেড। তাই, একে মোকাবেলায় তীব্র সতর্ক অবস্থানে জর্জিয়ার কর্তৃপক্ষ। যে সব ব্যক্তি জলাশয়ে ছিল এবং স্নেকহেডের সংস্পর্শে এসেছে তাদের সকল পোশাক-আশাক, যন্ত্রপাতি, নৌকা ও পোষা কুকুরকেও ভালো করে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নেবার তাগিদ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অন্য মাছের তুলনায় স্নেকহেডের অক্সিজেনের চাহিদা কম
অন্য মাছের তুলনায় স্নেকহেডের অক্সিজেনের চাহিদা কম

খাদক প্রকৃতির মাছ স্নেকহেড থাকলে অন্য প্রজাতির খাদ্য-শৃঙ্খলে ব্যাপক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অতি সামান্য অক্সিজেন হলেই স্নেকহেড জলাশয়ে টিকে থাকতে পারে বিধায় অন্যান্য প্রজাতির মাছ যেমন ট্রাউট ও ব্যাসের চেয়ে স্নেকহেড রয়েছে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে।

তাই, এই মাছের ভয়ংকর ‘খ্যাতি’ ছড়িয়ে পড়েছে। এটিকে নিয়ে এমকি ইতোমধ্যেই একটি প্রামাণ্যচিত্র বানিয়েছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক। সেই তথ্যচিত্রের নাম দেয়া হয়েচে ‘ফিশজিলা’।

পরিবেশ

জেলের জালে ধরা পড়েছে ৪ মণ ওজনের ডলফিন

লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নে ধরলা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় চার মণ ওজনের জীবিত একটি ডলফিন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মোগলহাট ইউনিয়নের ভারতীয় সীমান্তের গ্রুপ মণ্ডল এলাকায় ধরলা নদীতে ডলফিনটি জালে ধরা পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা গ্রুপ মণ্ডল এলাকায় ধরলা নদীতে মাছ ধরতে জাল ফেলে স্থানীয় জেলারা। এ সময় জালে আটকা পড়ে বিশাল আকারের একটি ডলফিন। খবর পেয়ে স্থানীয় উৎসুক জনতা ডলফিনটি দেখতে ভিড় জমায়। পরে জেলেরা ডলফিনটিকে ফুলবাড়ি উপজেলার বালারহাটে বিক্রির জন্য নিয়ে যান।

ডলফিনটি দেখতে আসা অ্যাডভোকেট সাব্বির বিথী ফয়সাল জানান, প্রায় চার মণ ওজনের ডলফিনটি দেখতে এসে স্থানীয়রা সবাই মিলে এটি কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জেলারা বালারহাটে তাদের নিজেস্ব ক্রেতা রয়েছে বলে বিক্রি করেননি।

এ বিষয়ে মোগলহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব সত্যতা নিশ্চিত করেন বলেন, ডলফিনটি আটকের পরে জেলেরা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলায় নিয়ে যান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

মাছের আড়তে ইলিশের আধিক্য

মাছের আড়তে ইলিশের আধিক্য
মাছের আড়তে ইলিশের আধিক্য
মাছের আড়তে ইলিশের আধিক্য

ঈদুল আজহার ছুটির রেশ না কাটতেই মাছের আড়তগুলোতে প্রচুর পরিমণে ইলিশের দেখা মিলছে।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার মাছের আড়ত ঘুরে বড় আকৃতির পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি আকারেরও প্রচুর ইলিশ দেখা গেছে।

তবে ইলিশের প্রাচুর্য থাকলেও বড় ও ছোট আকৃতির ইলিশের দামে বেশ পার্থক্য রয়েছে। তবে আড়তদাররা বলছেন, ইলিশের আমদানি বেশি থাকায় এবার দাম কম।

মামুন নামে আড়তের এক মাছ ব্যবসায়ী জানান, ইলিশের আমদানি আছে মোটামুটি। তার কাছে দেড় থেকে ২ কেজি ওজনের ইলিশ রয়েছে। দেড় থেকে দুই কেজি ওজনের ইলিশ প্রতিকেজি ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকা দরে দাম চাচ্ছেন তিনি।

নোমান নামে আরেক ব্যবসায়ী জানান, এই মৌসুমে ইলিশের আমদানি বেশিই থাকে। সাধারণ সময়ে এই ইলিশের (দেড় থেকে ২ কেজি ওজন) দাম ২৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা কেজি থাকে।

তিনি জানান, আমদানি থাকায় মাছের দাম কিছুটা কম। তাই ঈদের ছুটি থাকলেও বাজারে ক্রেতা আছে।

এদিকে, বড় ইলিশের দাম মোটামুটি বেশি হলেও দাম কম ছোট ইলিশের। ৪০০ গ্রাম থেকে শুরু করে কিছু বড় ওজনের ইলিশের প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা দরে।

এ তথ্য জানিয়েছে আলম নামে এক ব্যবসায়ী আরও জানান, বাজারে অন্যান্য মাছ তুলনামূলক কম থাকায় এখন ইলিশের কদর বেশি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

ইলিশের স্বত্ব পেল বাংলাদেশ

ইলিশের স্বত্ব পেল বাংলাদেশ
ইলিশের স্বত্ব পেল বাংলাদেশ

জামদানির পর এবার দেশের দ্বিতীয় ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধন স্বীকৃতি পেয়েছে জাতীয় মাছ ইলিশ। ফলে এখন থেকে ইলিশ বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত হবে।

এরই মধ্যে জিআই পণ্য হিসেবে ইলিশ নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে মৎস্য অধিদফতর কর্তৃপক্ষের কাছে ইলিশের জিআই নিবন্ধনের সনদ তুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদফতর।

জানা গেছে, মৎস্য অধিদফতর রুপালি ইলিশকে জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের জন্য পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদফতরে আবেদন করে। এরপর বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১ জুন গেজেট প্রকাশ করা হয়।

প্রচলিত আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশিত হওয়ার দুই মাসের মধ্যে দেশ বা বিদেশ থেকে এ বিষয়ে আপত্তি জানাতে হয়। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে আপত্তি উত্থাপন করেনি। ফলে ইলিশের স্বত্ব লাভ করেছে বাংলাদেশ।

ওয়ার্ল্ড ফিশের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিশ্বের মোট ইলিশের ৬৫ শতাংশ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে। সেই সঙ্গে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে।

এছাড়া ভারতে ১৫ শতাংশ, মিয়ানমারে ১০ শতাংশ, আরব সাগর তীরবর্তী দেশগুলো এবং প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগর তীরবর্তী দেশগুলোতে বাকি ইলিশ পাওয়া হয়।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন সনদ পায় ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

ইলিশ আহরণে ছাড়াবে রেকর্ড, অপেক্ষা আর দু-একদিন

ইলিশ আহরণে ছাড়াবে রেকর্ড, অপেক্ষা আর দু-একদিন
ইলিশ আহরণে ছাড়াবে রেকর্ড, অপেক্ষা আর দু-একদিন

সমুদ্রে ইলিশ মাছ ধরার ওপর আরোপিত দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে প্রায় এক সপ্তাহ হলো। বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা। দু-একদিনের মধ্যেই ট্রলারভর্তি মাছ নিয়ে ফিরে আসবেন তারা। জেলেদের ফিরে আশার অপেক্ষায় আছেন আড়তদার, মহাজন এবং জেলে পরিবারের লক্ষাধিক সদস্য।

অভিজ্ঞতার আলোকে মৎস্য বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এবার জেলেদের জালে বেশি এবং বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়বে। কারণ এ বছর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে টানা ৬৬ দিন বরিশাল-ঢাকা নৌপথে বন্ধ ছিল লঞ্চ চলাচল। নদীর তীরবর্তী অনেক শিল্পকারখানাও বন্ধ ছিল এ সময়। ফলে বাতাসে দূষণের মাত্রা কমে যায়। যান্ত্রিক নৌযান চলাচল এবং বেশিরভাগ শিল্পকারখানা বন্ধ থাকায় বরিশাল বিভাগের নদ-নদীর পানিও অনেক কম দূষণ হয়। এসব কারণে সাগরেও দূষণ কমে। অনেকটা অবাধে নদ-নদী ও সমুদ্রে বিচরণ করতে পারে ইলিশ। পাশাপাশি বেড়ে ওঠার পর্যাপ্ত সময়ও পায়। তাই এবার ইলিশের বংশবৃদ্ধি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়াবে— এমনটি মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সাগরের আবহাওয়াও এ বছর বেশ ভালো রয়েছে। বৃষ্টি হওয়া এবং তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩৫ ডিগ্রির আশপাশে থাকার মানে হলো, জালে ইলিশ ধরা পড়ার আদর্শ আবহাওয়া। এসব দিক বিবেচনা করে ইলিশ উৎপাদনে আশার আলো দেখছেন বাংলাদেশ মৎস্য অধিদফতর, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং মাছবিষয়ক সংস্থাগুলোর গবেষক ও জেলেরা।

তাদের তথ্য অনুযায়ী, এবার ইলিশের উৎপাদন ছাড়িয়ে যাবে অতীতের সব রেকর্ড।

উপকূলের নদ-নদীতে ইলিশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দেশের আট জেলায় ‘ইকো ফিশ’ নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে মৎস্য অধিদফতর। এর আওতায় ইলিশের বংশবিস্তার, প্রজননকাল নির্ধারণসহ নানা দিক নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। ‘ইকো ফিশ’ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক বলরাম মহালদার বলেন, ‘জেলে, যান্ত্রিক নৌযান ৬৬ দিন বন্ধ এবং লকডাউনের কারণে তখন বায়ুর পাশাপাশি জলও হয়ে উঠেছিল নির্মল। দূষণের মাত্রাও কমে গিয়েছিল। এই দূষণমুক্ত পরিবেশ ইলিশদের বংশ বিস্তারে সহায়ক হয়েছে। নির্বিঘ্নে সাঁতার কেটেছে মাছেদের দল। দূষণ কমেছে সাগরের জলেও। তাই প্রজননের ঋতুতে মিষ্টি ও দূষণহীন জল পেয়ে ইলিশের ঝাঁক বেশি আসবে। গত বছরের চেয়ে এবার বেশি ইলিশ উৎপাদন হবে বলে আশা করছি। তাই, লকডাউন বেশকিছু মানুষের কাছে অভিশাপ হলেও ইলিশ শিকারীদের কাছে আশীর্বাদ হতে পারে।’

ইলিশের এই গবেষক আরও বলেন, এখন নিম্নচাপের কোনো সতর্কবার্তা নেই। সেজন্য মৎস্যজীবীরা গত ২৩ জুলাই গভীর রাত থেকেই সমুদ্রের দিকে যেতে শুরু করেন। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে দু-তিনদিনের মধ্যেই বাজারে চলে আসবে বঙ্গোপসাগরের রুপালি ইলিশ। আমরা আশাবাদী, মৎস্যজীবীরা এবার বড় সাইজের এবং প্রচুর পরিমাণ ইলিশ ধরে ফিরবেন।

ইলিশ আহরণে ছাড়াবে রেকর্ড, অপেক্ষা আর দু-একদিন
ইলিশ আহরণে ছাড়াবে রেকর্ড, অপেক্ষা আর দু-একদিন

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার আলিপুর-মহিপুর বেসরকারী মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের আড়তদার শাহ আলম জানান, সাগরে দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ ছিল। বেকার হয়ে পড়েছিল মৎস্যজীবী ও বন্দরের কয়েক হাজার শ্রমিক। তবে ২৩ জুলাই রাত থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে। ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে সাগরে মাছ শিকারে গেছেন কয়েক হাজার জেলে। এখন তাদের ফেরার অপেক্ষা শুধু।

আড়তদার শাহ আলম জানান, উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত ১০০ আড়ত আছে। লাভের আশায় মৎস্য খাতে লাখ লাখ টাকা লগ্নি করেছেন এখানকার শত শত আড়তদার-মহাজন। পাশাপাশি মৎস্যজীবী ও বন্দরের কয়েক হাজার শ্রমিকের পরিবার তাদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। সবার একটাই আশা, ট্রলারভর্তি করে জেলেরা ইলিশ নিয়ে ফিরবেন।

আড়তদার শাহ আলম বলেন, সাগরে ইলিশ শিকারে যাওয়া কয়েকজন জেলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ সম্ভব হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, দু-তিন ধরে তারা সাগরে জাল ফেলে প্রচুর ইলিশ পাচ্ছেন। ইলিশ নিয়ে দু-একদিনের মধ্যেই তারা ফিরবেন।

মৎস্য অধিদফতরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা (ইলিশ) ড. বিমল চন্দ্র দাস জানান, সাগরে নির্দিষ্ট সময় মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন, অভয়াশ্রমগুলোতে জাটকা ধরা বন্ধ এবং নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ ধরা বন্ধের কারণে ইলিশের উৎপাদন দিনে দিনে বেড়েছে। তবে এবার করোনার কারণে টানা ৬৬ দিন বরিশাল-ঢাকা নৌপথে বন্ধ ছিল লঞ্চ চলাচল। দেশের ছয়টি অভয়াশ্রমের চারটি বরিশাল বিভাগে। ওই সময়ে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় অভয়াশ্রম চারটিসহ বিভাগের বিভিন্ন নদ-নদীতে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অবাধে বিচরণ করতে পেরেছে। পাশাপাশি লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় পানিতে দূষণ কমেছে। সাগরেও দূষণ কমেছে। এতে ইলিশের বংশবিস্তার ও প্রজননসহ সবকিছুই বাড়বে বলে ধারণা করছি।

‘শুধু তাই নয়, হারিয়ে যাওয়া দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছই আবার নতুন করে নদীতে ফিরে এসেছে। অভিজ্ঞতা বলছে, এবার বেশি ইলিশ পাওয়া যাবে। আমাদের ধারণা ইলিশ উৎপাদনে এবার বিগত দিনের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।’

ড. বিমল চন্দ্র দাস জানান, কয়েক বছর ধরেই দেশের মোট ইলিশের ৬৬ ভাগের বেশি আহরিত হচ্ছে বরিশাল বিভাগ থেকে। এ বিভাগ থেকে গতবার আহরিত হয়েছিল তিন লাখ ৩২ হাজার ২৫ মেট্রিক টন। বরিশাল বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইলিশের জোগান দেয় ভোলা, বরগুনা ও পটুয়াখালী। বিভাগে জেলের সংখ্যা তিন লাখ ৫২ হাজার ৭২৪ জন। এর মধ্যে প্রায় দুই লাখ জেলের বসবাস ভোলা, বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলায়। ওই তিন জেলার বেশির ভাগ জেলে সাগর মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর প্রায় ১০ হাজার ইঞ্জিনচালিত নৌযানে সাগরে গেছেন অর্ধ লক্ষাধিক জেলে। এখন তাদের ইলিশ নিয়ে ফেরার পালা। এছাড়া ট্রলারমালিক, শ্রমিক ও পাইকারসহ মৎস্য ব্যবসা সংশ্লিষ্ট কয়েক লাখ মানুষের আয়ের অন্যতম উৎস ইলিশ ঘিরেই। তাই ইলিশ উৎপাদন বেশি হলে এর সুফল পাবেন তারা।

ইলিশ আহরণে ছাড়াবে রেকর্ড, অপেক্ষা আর দু-একদিন
ইলিশ আহরণে ছাড়াবে রেকর্ড, অপেক্ষা আর দু-একদিন

বরিশাল পোর্টরোড আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অজিত কুমার দাস মনু জানান, মোকামে ইলিশের সরবারহ বেড়েছে। দুই সপ্তাহ আগে প্রতিদিন গড়ে ২৫০ মণের মতো ইলিশ আমদানি হতো। সেখানে গত এক সপ্তাহে ইলিশ আমদানি প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত ৪৫০ মণের বেশি ইলিশ আমদানি হয়েছে। তবে সাগরের ইলিশ এখনও আসতে শুরু করেনি। সাগর থেকে জেলেরা ফিরতে শুরু করলে প্রতিদিন হাজার হাজার মণ ইলিশ আমদানির আশা করছি।

তিনি আরও জানান, ইলিশের মৌসুম কেবল শুরু হয়েছে। তবে উজানে নদ-নদীতে প্রচুর স্রোত বইছে সাগরের দিকে। স্রোতের বাধার কারণে ইলিশ নদীতে আসতে পারছে না। এ কারণে নদ-নদীতে ইলিশ তেমন মিলছে না। সাগরের মোহনায় ইলিশ মিলছে। সামনে পূর্ণিমার জো। এরপর থেকে নদ-নদী ও সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশা করছি। তখন দামও কমে যাবে।

দামের বিষয়ে অজিত কুমার দাস মনু জানান, বৃহস্পতিবার পোর্ট রোড মোকামে দেড় কেজি সাইজের ইলিশের মণ বিক্রি হয়েছে ৪৫ হাজার টাকায়। সে হিসাবে প্রতি কেজি ইলিশের পাইকারি দাম পড়ে এক হাজার ১২৫ টাকা। এক কেজি সাইজের ইলিশের মণ বিক্রি হয়েছে ৩৬ হাজার টাকায়। সে হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়েছে ৯০০ টাকা। রফতানিযোগ্য এলসি আকারের (৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম) প্রতি মণ ২৮ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজি ইলিশের পাইকারি দাম পড়ে ৭০০ টাকা। হাফ কেজি বা ভেলকা আকারের (৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম) ২৪ হাজার টাকা। কেজিপ্রতি এই ইলিশের পাইকারি দাম পড়ে ৬০০ টাকা। গোটরা আকারের (২৫০ গ্রাম থেকে ৩৫০ গ্রাম) প্রতি মণ ১৬ হাজার টাকা, কেজিপ্রতি পাইকারি দাম দাঁড়ায় ৪০০ টাকায়। জাটকা প্রতি মণ পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১৪ হাজার টাকায়। সে হিসাবে প্রতি কেজি জাটকার পাইকারি দাম পড়ে মাত্র ৩৫০ টাকা।

মৎস্য অধিদফতর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক আজিজুল হক জানান, নিরাপদ প্রজননে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ায় প্রতি বছরই ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে। দেশে এবার এক লাখ মেট্রিক টন ইলিশ বেশি আহরণের সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগেই ৬০ থেকে ৭০ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ বেশি আহরিত হবে বলে আশা করছি।

সাগর কিংবা নদী, যেখানেই ধরা পড়ুক না কেন, এই মৌসুমে ইলিশ উৎপাদন বাড়বে জানিয়ে আজিজুল হক আরও বলেন, দেশে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট ইলিশ আহরিত হয় পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন। চলতি অর্থবছরে তা আরও বাড়বে। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর ইলিশ উৎপাদনে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। দেশে এবার ছয় লাখ মেট্রিক টনের বেশি ইলিশ আহরিত হবে বলে আশা করছি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

জেলের জালে ৩ কেজি ওজনের রাজা ইলিশ

জেলের জালে ৩ কেজি ওজনের রাজা ইলিশ
জেলের জালে ৩ কেজি ওজনের রাজা ইলিশ

ভোলায় জেলের জালে ধরা পড়েছে তিন কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের রাজা ইলিশ। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা। তবে ওই ইলিশটি মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের জেলে কাদির মাঝি ভালোবেসে তার পছন্দের ব্যক্তি ইউপি চেয়ারম্যান অলি উল্লা কাজলকে উপহার দিয়েছেন।

জেলে কাদের মাঝি জানান, উপজেলার চরনিজাম এলাকার বঙ্গোপসাগর মোহনায় মেঘনা নদীতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে তার জালে অনেকগুলো ইলিশ ধরে পড়ে। তার সঙ্গে উঠে আসে ৩ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের রাজা ইলিশটি। মাছটি পেয়ে অনেক খুশি তিনি।

কাদের মাঝি বলেন, বাজারে মাছটি বিক্রি করলে ১০-১২ হাজার টাকা পেতাম। কিন্তু মাছটি আমি আমার পছন্দের মানুষ দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অলি উল্লা কাজলকে উপহার দিয়েছি।

চেয়ারম্যানকে মাছ উপহার দেয়ার কারণ জানতে চাইলে জেলে কাদের মাঝি বলেন, চেয়ারম্যান অলি উল্লা কাজল একজন সৎ ও ভালো মানুষ। তিনি সব সময় মানুষের উপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। তাই আমি তাকে এ সামান্য উপহার দিয়েছি।

দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান অলি উল্লা কাজল বলেন, মাছটি আমাকে জেলে কাদের মাঝি ভালোবেসে উপহার দিয়েছে। কিন্তু আমি বেশি খুশি হতাম যদি সে মাছটি বাজারে বিক্রি করে লাভবান হতো।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজাহারুল ইসলাম জানান, গত কয়েক দিন ধরে বৃষ্টির কারণে সাগর থেকে বড় বড় ইলিশ ঝাঁকে ঝাঁকে নদীতে ছুটে আসছে। যে কারণে বর্তমানে জেলেরা নদীতে প্রচুর ইলিশ পাচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com