আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

যে অভিশপ্ত প্রাসাদে প্রাণভয়ে আশ্রয় নিয়েছিল ব্রিটিশরা

যে অভিশপ্ত প্রাসাদে প্রাণভয়ে আশ্রয় নিয়েছিল ব্রিটিশরা

বিশ্বের সেরা তিন হোটেলের অন্যতম এই হোটেলটি ‘অভিশপ্ত’ প্রাসাদে হিসেবে পরিচিত। এই প্রাসাদে প্রাণভয়ে আশ্রয় নিয়েছিল ব্রিটিশরা। জেনে নিন এই প্রাসাদটি সম্পর্কে।

দৈনন্দিন

মৌসুমি ফলের দারুণ গুণ

মৌসুমি ফলের দারুণ গুণ

গ্রীষ্মকালে আমাদের দেশে প্রচুর ফল পাওয়া যায়। বৈচিত্র্যপূর্ণ আর রসাল সব মৌসুমি ফলের সমারোহ ঘটে এ সময়। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু ইত্যাদি রসাল ফল শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এগুলো পানি, খাদ্য-আঁশ ও প্রাকৃতিক চিনিরও (সুক্রোজ, গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ) উৎস। সব মিলিয়ে এই ফলগুলো শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও বেশ সহায়ক। কাজেই করোনাভাইরাসের এই সংক্রমণের সময় রোজকার খাদ্যতালিকায় কিছু মৌসুমি ফল অবশ্যই রাখুন। এবার জেনে নেওয়া যাক এ সময়ের কোন ফলের উপকারিতা কতটুকু।

আম:আমে বিদ্যমান ক্যারোটিনয়েডগুলো কোলন ও ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বয়সজনিত চোখের সমস্যা প্রতিরোধ করে। আমের পটাশিয়াম, খাদ্য-আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো উচ্চরক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়। পেকটিন খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। খাদ্য-আঁশ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এক দিন পরপর দৈনিক শর্করার চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আম খেতে পারেন।

জাম: কালো জামের অ্যান্থোসায়ানিন হৃদ্‌রোগ ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। পটাশিয়াম উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে,
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি-রেডিক্যাল কমিয়ে ত্বকের টিস্যুকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে। জামের খনিজ লবণ হাড়কে শক্তিশালী ও মজবুত করতে সাহায্য করে। শর্করা কম থাকায় এবং খাদ্য–আঁশের উপস্থিতির কারণে কালো জাম খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা প্রতিদিনই কালো জাম খেতে পারেন।

কাঁঠাল: রসাল ও সুমিষ্ট স্বাদের ক্যারোটিন সমৃদ্ধ এই ফলে শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম আছে। ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও বি ভিটামিনেরও ভালো উৎস এটি। কাঁঠালের বীজ ও কাঁচা কাঁঠালে রয়েছে যথেষ্ট প্রোটিন, ক্যালরি, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি ও খাদ্য–আঁশ। কাঁঠালের ফাইটোকেমিক্যালসগুলো ফ্রি-রেডিক্যাল দূর করে কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে। ফলে ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এ ছাড়া এর ভিটামিন সি সর্দি-কাশি প্রতিহত করে, খাদ্য-আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

লিচু: মিষ্টি গন্ধ ও স্বাদের রসাল ফল লিচুতে রয়েছে শর্করা, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি। এ ছাড়া এই ফলে বিদ্যমান কপার, আয়রন, ফোলেট লোহিত কণিকা তৈরিতে; বি ভিটামিনগুলো বিপাক ক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে; পটাশিয়াম ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। লিচুর খাদ্য-আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো রোগপ্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ভিটামিন সি ঘরেই আছে

ভিটামিন সি ঘরেই আছে

প্রতিদিনই নির্দিষ্ট পরিমাণে ভিটামিন সি খেতে হয়। যেমন শিশুদের ৩০ থেকে ৩৫ মিলিগ্রাম, প্রাপ্তবয়স্কদের ৪৫ মিলিগ্রাম, গর্ভবতী মায়েদের ৫৫ মিলিগ্রাম ও প্রসূতি মায়েদের ৭০ মিলিগ্রাম।

শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি-এর গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে করোনাভাইরাসের এই মহামারির সময় রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি জরুরি। তাই বলে ভিটামিন সি-এর চাহিদা মেটাতে দোকান থেকে কিনে খেতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি রাখলেই দৈনিক চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।

ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয়। তাই শরীরে সঞ্চিত থাকে না। এই ভিটামিন প্রয়োজনের অতিরিক্ত গ্রহণ করলে তা প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। তাই প্রতিদিনই নির্দিষ্ট পরিমাণে ভিটামিন সি খেতে হয়। যেমন শিশুদের ৩০ থেকে ৩৫ মিলিগ্রাম, প্রাপ্তবয়স্কদের ৪৫ মিলিগ্রাম, গর্ভবতী মায়েদের ৫৫ মিলিগ্রাম ও প্রসূতি মায়েদের ৭০ মিলিগ্রাম।

এবার জেনে নেওয়া যাক, কোন ফল ও শাকসবজিতে (প্রতি ১০০ গ্রামে) কী পরিমাণ ভিটামিন সি (মিলিগ্রাম) পাওয়া যাবে।

ফল: আমলকি (৪৬৩ মিলিগ্রাম), পেয়ারা (২২৮), করমচা (১৩৫), জাম্বুরা (১০৫), আমড়া (৯২), ডেউয়া (৬৬), কাগজি লেবু (৬৩), পাকা পেঁপে (৬২), কালোজাম (৬০), মাল্টা (৫৪), বরই (৫১), মুসাম্বি (৫০), লেবু (৪৭), পাকা আম (৪১), কমলা (৪০), জলপাই (৩৯), আতা (৩৮), পাকা তাল (৩৫), আনারস (৩৪), লিচু (৩১), বেদানা (২৬), বাঙ্গি (২৬), তরমুজ (২৪), জামরুল
(২২) ইত্যাদি।

শাক: শজনেপাতা (২২০ মিলিগ্রাম), নটেশাক (১৭৯), ধনেপাতা (১৩৫), ডাটাশাক (৮৩), গাজরপাতা (৭৯), করলাশাক (৭৮), বিটশাক (৭০), মুলাশাক (৬৯), পুঁইশাক (৬৪), কালো কচুশাক (৬৩), ছোলাশাক (৬১), শর্ষেশাক (৬০), বরবটিপাতা (৫৭), পাটশাক (৫৪), মেথিশাক (৫২), লাউশাক (৪৮), সবুজ কচুশাক (৪৮), হেলেঞ্চাশাক (৪৩), লালশাক (৪৩), বতুয়াশাক (৪১), মিষ্টিকুমড়াশাক (৩৭), কলমিশাক (৩০), পালংশাক (৩০) ইত্যাদি।

সবজি: কাঁচামরিচ (১২৫), উচ্ছে (৯৬), করলা (৯১), কাঁচা আম (৯০), ফুলকপি (৭৩), শজনে (৭০), ওলকপি (৫৩), ডাঁটা (৩৬), মিষ্টি আলু (৩৫), মুলা (৩৪), কাঁচা টমেটো (৩১), চালকুমড়া (৩১), পাকা টমেটো (২৭), পেঁয়াজকলি (২৭), মিষ্টিকুমড়া (২৬), শালগম (২৫), অড়হড় (২৫), ফরাসি শিম (২৪), কাঁচা কলা (২৩), কাঁচা পেঁপে (১৯), আলু (১৯), পটল (১৯), চিচিঙ্গা (১৯), ঢেঁড়স (১৮), মুলা (১৭), কলার মোচা (১৬), বাঁধাকপি (১৬), বিট (১৫), এঁচোড় (১৪), লাল শিম (১২), পুঁই ডাঁটা (১১) ইত্যাদি।

এ ছাড়া শুকনা মরিচ (৪৭), লেবুর খোসা (১২৯), পুদিনাপাতা (২২) ও থানকুনিপাতায়ও (২৪) ভিটামিন সি রয়েছে।

তবে শাকসবজি উচ্চতাপে দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করা যাবে না। ঢাকনা দেওয়া পাত্রে যথাসম্ভব অল্প পানি ব্যবহার করে দ্রুত রান্না করতে হবে। সর্বোচ্চ পরিমাণ ভিটামিন সি ধরে রাখতে ভাপে অথবা প্রেসার কুকারে রান্না করা উত্তম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

নানা উপায়ে খান ভিটামিন সি

নানা উপায়ে খান ভিটামিন সি

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ অসুস্থ হয় গরমকালে। রোদের তেজে শরীর থেকে ঘাম বের হয়ে হাঁসফাঁস অবস্থা। সঙ্গে দেহের শক্তি তো কমতেই থাকে। গরমের সময় প্রকৃতিতে আসা পরিবর্তনের কারণে সাধারণত সর্দি, কাশি, জ্বর, চিকুনগুনিয়া, ডেঙ্গু, গলাব্যথা ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। সেই সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে করোনাভাইরাস মহামারি। এসব রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই অবশ্যই এই সময়ে পুষ্টিকর খাবারের প্রতি মনযোগী হতে হবে। বিশেষ করে ভিটামিন সি জাতীয় খাবার। কারণ শরীর ভালো না থাকলে মন–মেজাজও ভালো থাকে না। গরমে শরীর ও ফিটনেস ঠিক রাখতে কিছু কার্যকরি উপায় রয়েছে, যেগুলো ঠিকমতো খেলে গরমেও থাকা যাবে সতেজ ও প্রাণবন্ত। শরীরকে সতেজ রাখতে ভিটামিন সি–যুক্ত এই সময়ের খুব সহজলভ্য খাবারের মধ্যে আছে লেবু, মাল্টা, আমলকীর মতো ফল।
তবে প্রতিদিন এমন ফলমূল খেতে একঘেয়েমি আসতে পারে। সেই লেবু বা মাল্টা টুকরা করে চিবানো বা শরবত করে খাওয়া। গতানুগতিকভাবে শুধু শরবত নয়, গুণাগুণ ঠিক রেখে এসব ফল খাওয়া যায় আরও নানা উপায়ে। আজ তেমন কিছু উপায় জানাব, যাতে আমাদের রসনায় আসবে তৃপ্তি।

লেবুর রকমফের
লেবুর শরবত খাবার হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তবে প্রতিদিন তো সেই শরবত কারও মুখে ভালো লাগবে না। তাই স্বাদ বদলে লেবু খেতে পারেন উষ্ণ গরম পানিতে মধু আর লেবু দিয়ে। এভাবে বানানো পানি শরীরের মেদ কমাতেও সাহায্য করে। এ ছাড়া লেবু ডিটক্স হিসেবে হরহামেশাই ব্যবহৃত হচ্ছে। নানা ধরনের খাবার বেক করতে লেবু ব্যবহার করা হয়। তাতেও মিলবে ভিটামিন সি। ছোট মাছ চচ্চড়িতে লেবু যুক্ত করে রান্নায় আনতে পারেন ভিন্ন স্বাদ। যেকোনো মাছের ডিম রান্নায়ও লেবুর রস ব্যবহার করা যায়। এমনকি কচুর লতি ও কচুরমুখী (ছড়া) রান্নায় খোসাসহ লেবু কুচি করে দিলে স্বাদ ও গন্ধ দুটোই অতুলনীয় হয়।
লেবুর আচার তৈরি করেও খেতে পারেন। ভিন্ন ভিন্নভাবে লেবু দিয়ে তৈরি আচার আমাদের রসনা আর পুষ্টি দুটোই পূরণে সাহায্য করে।

মাল্টা বা কমলার স্বাদ
মাল্টা অনেকের কাছে প্রিয় একটি ফল। জনপ্রিয় এই ফলটির পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। মাল্টাতে ভিটামিন সি ছাড়াও ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও চর্বিমুক্ত ক্যালরি আছে। শুধু তা–ই নয়, এটির স্বাস্থ্যগুণও কম নয়! সর্দি, নাক বন্ধ থাকা, টনসিলের সমস্যা, গলাব্যথা, জ্বর জ্বর ভাব, হাঁচি-কাশি, মাথাব্যথা, ঠান্ডাজনিত দুর্বলতা—এ জাতীয় সমস্যাগুলো দূর করে মাল্টা। সাধারণত মাল্টা বা কমলা কেটে বা ছিলে টুকরা করে খেতে দেখা যায়। মাল্টা রস করে খাওয়ারও প্রচলন আছে। এর বাইরে কমলা বা মাল্টার জ্যাম-জেলি বাসায় তৈরি করতে পারেন। সকালের নাশতায় পাউরুটির সঙ্গে একটু স্বাদ বদল তো হবেই, সঙ্গে প্রতিদিনের ভিটামিন সিটুকুও পাওয়া যাবে সহজে। মাল্টা বা কমলার রস দিয়ে বিভিন্ন রকম কেক তৈরি করে খেতে পারেন। এতে পরিবারের বাকিদেরও আগ্রহ বাড়বে। এ ছাড়া মাল্টার সস দিয়ে মুরগি ও গরুর মাংস রান্না করে খেতে পারেন।

আমলকীতেও বাড়তি কিছু
সর্দিতে প্রায় নাজেহাল অবস্থা! ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েছেন? প্রতিদিন এক চামচ আমলকীর রস করে তার সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। উপশম হবে, পাবেন ভিটামিন সি। এ ছাড়া আমলকীর রস হজম ক্ষমতা বাড়ায় ও গ্যাসের সমস্যা দূর করে। তাই আমলকী শুধু চিবিয়ে না খেয়ে আচার বা মোরব্বা তৈরি করে খেতে পারেন। মুগ ডাল রান্নার সময় তাতে যোগ করতে পারেন আমলকী। ভাতের সঙ্গে খেতে বসে চেনা স্বাদ বদলে যাবেই। শর্ষে দিয়ে মেখেও খেতে পারেন। ছোট মাছ চচ্চড়িতেও আমলকীর ব্যবহার চোখে পড়ে। এমনকি কাঁচা মরিচ, লবণ দিয়ে চাটনি করেও খাওয়া যায় এই সুস্বাদু ফল। এতে একঘেয়েমি দূর হবে, সঙ্গে পূরণ হবে ভিটামিন সি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ইলিশের স্বাদে ভিন্নতা

ইলিশের স্বাদে ভিন্নতা

>সরিষা মাখা বা তেলে ভাজা। ইলিশ মাছ রান্নায় জনপ্রিয় দুই ধরন। তবে দিন দিন ইলিশের রেসিপিতেও যোগ হচ্ছে নানা উপকরণ। এতে স্বাদেও চলে আসছে নতুনত্ব। তেমনই কিছু রেসিপি দিয়েছেন কল্পনা রহমান

মালটার স্বাদে ইলিশ

উপকরণ: ইলিশ মাছ ৪ টুকরা, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ২ চা-চামচ, কমলার মণ্ডের জন্য ১টি মালটা, সয়াবিন তেল আধা কাপ, কমলার রস আধা কাপ, লাল কাঁচা মরিচ ৪টি, সবুজ কাঁচা মরিচ ৪টি।

প্রণালি: মাছগুলো ভালোভাবে ধুয়ে সামান্য লবণ মেখে রাখতে হবে। একটি পাত্রে তেল গরম করে সব বাটা মসলা ও সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। একটু পর মালটার মণ্ড ও মালটার রস দিয়ে আবার কষান। এবার বাকি কমলার রস, লাল ও সবুজ কাঁচা মরিচ দিতে হবে। ফুটে উঠলে মাছগুলো ভালোভাবে মসলায় মাখিয়ে টিফিন বাটিতে বিছিয়ে দিন। ডাবল বয়লারে ২০ মিনিট থেকে ২৫ মিনিট বেক করে পরিবেশন করুন।

পোস্ত ইলিশ

উপকরণ: ইলিশ ৬ টুকরা, সয়াবিন তেল ৪ টেবিল চামচ, পোস্তবাটা ২ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়া সামান্য, আদাবাটা ১ চা–চামচ, চিনি সামান্য, রসুনবাটা আধা চা–চামচ, কাঁচা মরিচ ৫ থেকে ৬টা, মিষ্টিদই ২ টেবিল চামচ, মরিচের গুড়া সিকি চা–চামচ, ঘি ২ চা–চামচ এবং লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি: প্রথমে ফ্রাই প্যানে তেল দিয়ে তাতে সমস্ত মসলা কষিয়ে অল্প করে পানি দিতে হবে। ফুটে উঠলে মাছগুলো বিছিয়ে দিতে হবে। কাঁচা মরিচ চিড়ে দিতে হবে। ঢাকনা দিয়ে দমে রান্না করুন। ৫ মিনিট পর মাছগুলো উল্টিয়ে দিতে হবে। মিষ্টি দই ভালোভাবে ফেটে ঝোলের সঙ্গে মিশিয়ে দিন। এবার ওপরে ঘি ছড়িয়ে দিেয় ৫ মিনিট দমে রেখে পরিবেশন করুন।

ইলিশ দোলন

উপকরণ: ইলিশ মাছ ৫০০ গ্রাম, আদাবাটা আধা চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, সরিষাবাটা ২ চা-চামচ, জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, পানি ঝরানো টক দই আধা কাপ, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ, চিনির শিরা সিকি কাপ, তেঁতুল টক সিকি কাপ, মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ২–৩টি, কলাপাতা ১টি, লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি: প্রথমে ইলিশ মাছের সঙ্গে আদাবাটা, রসুনবাটা, সরিষাবাটা, জিরাগুঁড়া, টক দই, লবণ, তেল ও মরিচগুঁড়া ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে। এবার তেঁতুলের টক ও চিনির শিরা একসঙ্গে মিশিয়ে আরও সুন্দর করে মেখে নিন। এবার ফ্রাই প্যানে একটি কলাপাতা বিছিয়ে তার ওপর মাছগুলো দিয়ে দমে রান্না করুন। রান্না হয়ে গেলে কাঁচা মরিচ, সরিষার তেল ও চিনির শিরা দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

কচুপাতায় ইলিশের দই মালাই

উপকরণ: ইলিশ মাছ ৫০০ গ্রাম, কচুপাতা কয়েকটি, টক দই ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ২ চা-চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা সিকি কাপ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, মালাই পরিমাণমতো, তেল পরিমাণমতো, জিরাগুঁড়া সামান্য, গুঁড়া দুধ সিকি কাপ, চিনি সামান্য, লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি: প্রথমে ইলিশ মাছের সঙ্গে সব মসলা মেখে নিতে হবে। এবার কচুপাতা পানিতে হালকা রান্না করে নিন। এর ওপর মাছ দিয়ে মুড়িয়ে নিতে হবে। মোড়ানো মাছগুলো অল্প তেলে হালকা ভেজে নিন। এখন ফ্রাই প্যানে তেল গরম করে বাকি মসলাগুলো ভালোভাবে কষাতে হবে। কষানো হলে আধা কাপ গরম দুধ দিয়ে কচুপাতায় ভাজা মাছগুলো বিছিয়ে দিন। অল্প জ্বালে দমে ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিট রান্নার পর মালাই দিয়ে কিছুক্ষণ পর চুলায় রেখে পরিবেশন করুন।

ইলিশ ডিমের মতি পোলাও

উপকরণ ক. ইলিশ মাছ ৪ টুকরা, ইলিশের ডিম ২ টুকরা, ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচকুচি ২ টেবিল চামচ, পাউরুটি ২ টুকরা, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো, লবণ স্বাদমতো।

উপকরণ খ. আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, তরল দুধ ১ কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৪–৫টি, সয়াবিন তেল সিকি কাপ, টক দই ২ টেবিল চামচ, চিনি আধা চা-চামচ।

উপকরণ গ. পোলাওর চাল ২ কাপ, নারকেলের দুধ ১ কাপ, পানি (ইলিশ সিদ্ধ করার জন্য) ২ কাপ, গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ, ঘি সিকি কাপ, এলাচি ২টি, দারুচিনি ২ টুকরা, চিনি ১ চা-চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল চামচ, লবণ প্রয়োজনমতো।

প্রণালি ক. ইলিশ মাছ লবণ ও ৩ কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন। বাকি পানি পোলাওয়ের জন্য রেখে দিতে হবে। এবার ইলিশের ডিম ভালোভাবে চটকে নিন। কাঁটা বাছা মাছ ও বাকি উপকরণগুলো একসঙ্গে পানি দিয়ে ভেজানো পাউরুটির সঙ্গে মাখাতে হবে। এবার হাতে টোস্টের গুঁড়ো লাগিয়ে ছোট ছোট বলের মতো বানিয়ে ডুবো তেলে হালকা বাদামি করে ভেজে নিন।

খ. একটি পাত্রে দুধ বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে ভালোভাবে বেটে চুলায় দিয়ে কষান। মসলায় সুঘ্রাণ এলে দুধ দিয়ে দিন। দুধ ফুটে উঠলে ভাজা মাছের ডিমের মতিগুলো দিতে হবে। একটু পর তেল চকচকে হলে পোলাওর সঙ্গে মিশিয়ে অল্প ঘি ছড়িয়ে ১০ মিনিট দমে রেখে পরিবেশন করুন।

গ. পোলাও: রাইস কুকারে যথারীতি নারকেলের দুধ ও ইলিশ সিদ্ধ পানি দিয়ে পোলাও রান্না করে নিতে হবে। রাইস কুকার ছাড়া চুলাতেও পোলাও রান্না করতে পারবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

শীতের সবজি, শীতের মাছ

শীতের সবজি আর শীতের মাছ—দুটোরই স্বাদ অন্য রকম। এই দুই মিলিয়ে রান্না করতে পারেন এখন।
দেখে নিন শুভাগতা দেবাষীশের রেসিপিগুলো—

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি
উপকরণ: চিংড়ি মাছ ২০০ গ্রাম, সয়াবিন তেল পরিমাণমতো, বাঁধাকপি কুচি ১ কাপ, ক্যাপসিকাম কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, পেঁয়াজপাতা কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, ধনেপাতাবাটা ১ চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া পরিমাণমতো, চিলি সস ২ চা-চামচ, টমেটো সস ২ চা-চামচ, বাঁধাকপির ভেতরের পাতা ৪টি, ভিনেগার ২ চা-চামচ, রসুন ১ চা-চামচ ও লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি: বাঁধাকপির শক্ত অংশ ফেলে দিন। পাতার ভেতরের অংশ একটু ভাপিয়ে রাখুন। মাছ ধুয়ে ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন। এবার কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম হলে তাতে রসুন কুচি দিয়ে মাছগুলো দিন। একে একে কোঁচানো বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, টমেটো ও পেঁয়াজপাতা দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। এরপর কাঁচা মরিচবাটা, ধনেপাতাবাটা, চিলি সস ও টমেটো সস দিয়ে নেড়ে নিন। পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে বাঁধাকপির পাতায় অল্প করে চিংড়ি মাছ সুতা দিয়ে বেঁধে স্টিমারে ভাপিয়ে নিন। সুতো কেটে পাতা খুলে পরিবেশন করুন।

ফুলকপিতে রুই মাছ
উপকরণ: রুই মাছ ৭-৮টি, ফুলকপির ফুল ১০-১১টি, নতুন আলু ৪-৫টি, আস্ত জিরা পরিমাণমতো, তেজপাতা ২-৩টি, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, ধনেবাটা ১ চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া দেড় চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া দেড় চা-চামচ, আস্ত কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, জিরা বা গরম মসলার ফঁাকি ১ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো ও তেল পরিমাণমতো।
প্রণালি: ফুলকপিগুলো একটু হলুদ ও লবণ দিয়ে হালকা ভেজে তুলে রাখতে হবে। কড়াইয়ে তেল দিয়ে আস্ত জিরা, তেজপাতা, শুকনো মরিচ ফোড়ন দিয়ে আলুর টুকরোগুলোকে দিতে হবে। আলু ভাজা-ভাজা হয়ে গেলে একে একে জিরা, ধনে, হলুদ, মরিচ, পেঁয়াজ ও রসুনবাটা দিতে হবে এবং প্রয়োজনমতো লবণ দিতে হবে। ভালো করে কষাতে হবে। মসলা থেকে তেল ছাড়লে প্রয়োজনমতো পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভেজে রাখা ফুলকপি দিতে হবে। কিছুক্ষণ পর ভেজে রাখা মাছগুলো দিতে হবে। ঝোল হয়ে এলে কাঁচা মরিচ, জিরা ও গরম মসলার ফঁাকি দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি
উপকরণ: বাঁধাকপির কুচি ৪ কাপ, কই মাছের টুকরো ৬টি, তেজপাতা ১টি, শুকনো মরিচ ২টি, মেথি অল্প পরিমাণ, মরিচবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, নারকেল কোরানো স্বল্প পরিমাণে, হলুদ পরিমাণমতো ও সরিষার তেল পরিমাণমতো।
প্রণালি: তেলে শুকনো মরিচ ও মেথি ফোড়ন দিতে হবে। ফোড়ন হয়ে এলে হালকা করে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই তেলেই বাঁধাকপির কুচি ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে কষে নিতে হবে। তারপর লবণ, মরিচ ও হলুদবাটা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ বসাতে হবে। সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভাজা মাছগুলো দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে এবং মাছ সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণ নারকেল কোরানো দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

লাউ-টাকি
উপকরণ: ছোট টুকরো করে কাটা টাকি মাছ ২ কাপ, ডুমো ডুমো করে কাটা লাউ ৪ কাপ, হলুদ সিকি চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ ১ কাপ, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, আদাবাটা আধা চা-চামচ ও রাঁধুনি বাটা সিকি চা-চামচ।
প্রণালি: তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। তারপর একে একে রসুনবাটা, আদাবাটা ও রাধুনি (গুঁড়া সজ) বাটা ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। কষানো হলে লাউ দিতে হবে। লাউ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে আগে থেকে হালকা করে ভেজে রাখা টাকি মাছ দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে কাঁচা মরিচের ফালি ও সবশেষে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ
উপকরণ: বড় শোল মাছ ৫০০ গ্রাম, টমেটো টুকরো আধা কাপ, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, টমেটোবাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেপাতা আধা কাপ, শুকনো মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদ অনুসারে ও কাঁচা মরিচ ৭-৮টি (চেরা)।
প্রণালি: শোল মাছ লবণ, হলুদ ও সরিষার তেল মাখিয়ে ভেজে তুলে রাখতে হবে। আর ওই তেলেই পেঁয়াজ কুচি দিতে হবে। পেঁয়াজ বাদামি রং হলে রসুন, আদা, মরিচের গুঁড়া, হলুদ ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষাতে হবে। টমেটোবাটা দিতে হবে, কিছুক্ষণ কষানোর পর প্রয়োজনমতো গরম পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছগুলো দিতে হবে। ঝোল মাখা-মাখা হলে টমেটোর টুকরো আর ধনেপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ পর নামিয়ে ফেলতে হবে। নামানোর আগে কাঁচা মরিচ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com