আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

২০২০ সালে চিকিৎসাক্ষেত্রের যুগান্তকারী ৫ উদ্ভাবন

করোনাভাইরাস এখন পর্যন্ত কোটি কোটি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। তাই ২০২০ সাল সবার জন্যই দুঃখের বছর। কেউ হারিয়েছেন তার প্রিয়জনকে। কেউ বা আত্মীয়কে। ব্যথা-বেদনা মনে নিয়ে নতুন বছরে পা রেখেছে বিশ্ববাসী।

তবে হারানোর ব্যথা যেমন ছিল; তেমনভাবে মহামারির বছরটি বিশ্ববাসীকে শিখিয়েছে নতুন অনেক কিছু। ব্যস্ত জীবনে আমরা আসলে কেউই শারীরিক সুস্থতার দিকে নজর রাখি না। তবে করোনাভাইরাসের কারণে ঠিকই ব্যক্তিগত সুরক্ষা বজায় রাখা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের যত্ন নেওয়ার বিষয়গুলো শিখেছি।

ঠিক তেমনিভাবে মহামারির বছরজুড়ে চিকিৎসাক্ষেত্রেও যুক্ত হয়েছে নতুন সব উদ্ভাবন। দিন-রাত এক করে চিকিৎসক, গবেষক ও বিজ্ঞানীরা করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের নেশায় বুঁদ হয়ে থেকেছেন। একের পর এক মৃত্যুর মিছিল ঠেকাতে অবসরের সময় পাননি বিভিন্ন হাসপাতালের ডাক্তার-নার্সসহ ওয়ার্ডবয়রাও। যদিও পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক নয়। সবাই নিউ নর্মাল লাইফ কাটাচ্ছেন।

২০২০ সালে চিকিৎসাক্ষেত্রে উদ্ভাবিত ৫টি যুগান্তকারী সাফল্য সম্পর্কে অনেকেই হয়তো জানেন না কিংবা নজরে আসেনি। অনকোলজি, জিন থেরাপিসহ হৃদরোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের খুঁটিনাটি অনেক বিষয়ে চমকপ্রদ তথ্য পেয়েছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীদের এসব আবিষ্কার পরবর্তীতে মানুষের জীবন বাঁচানোর ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা পালন করবে।

jagonews24

জেনেটিক কোডের উদ্ভাবন: ২০২০ সালের অক্টোবরে দুই নারী গবেষক এমানুয়েল শারপেন্টার এবং জেনিফার এ ডাউডনা রসায়ন বিভাগে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন। তারা ‘জেনেটিক সিজার্স’ আবিষ্কার করেন। নোবেল কমিটির মতে, এ আবিষ্কার জীববিজ্ঞানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষকরা পশু, গাছপালা এবং মাইক্রোঅর্গানিজম বা উদ্ভিজ্জাণুর ডিএনএ-তে বদল ঘটাতে পারছেন। জীববিজ্ঞানে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটাবে বলে আশাবাদী এ প্রযুক্তি। এমনকি তার প্রভাব নতুন ক্যান্সার চিকিৎসাতেও পড়বে।

নিউ ইয়র্কের ইংল্যান্ডার ইনস্টিটিউট ফর প্রিসিশন মেডিসিনের ডিরেক্টর পিএইচডি অলিভার এলিমেন্টো বলেন, ২০২০ সাল হলো জেনেটিক কোডের বছর। সিআরআইএসপিআর (জেনেটিক কোড) প্রযুক্তির পাশাপাশি জিন থেরাপির আবিষ্কার চিকিৎসাক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে।

হৃদরোগ ও স্ট্রোক গবেষণায় সাফল্য: আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন ২০২০ সালে তাদের নিজস্ব উদ্ভাবনের তালিকা প্রকাশ করেছে। এরমধ্যে হাইপারট্রফিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি (যখন হৃৎপিণ্ডের পেশী ঘন হয়ে যায় এবং শক্ত হতে পারে) এর চিকিৎসায় দারুণ সাফল্য পেয়েছেন গবেষকরা।

jagonews24

এটি নতুন চিকিত্সাগুলোর মধ্যে অন্যতম এক উদ্ভাবন। যা এট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন (এএফআইবি) এর প্রথম সারির চিকিৎসাপদ্ধতি পরিবর্তিত করতে পারে। নতুন চিকিৎসাপদ্ধতির মাধ্যমে স্ট্রোক প্রতিরোধে এবং করোনারি হৃদরোগ প্রাথমিক চিকিৎসাতেই রোগী সুস্থ হবে বলে মত বিশেজ্ঞদের।

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. মিচেল এসভি এলকিন্ড (এমএস, ফ্যান, ফাহা) বলেন, ২০২০ সালটি মেডিসিন বিভাগের জন্য দারুন সাফল্য বয়ে এনেছে। উদাহরণস্বরূপ, আমরা জানতাম না যে ডায়াবেটিস চিকিৎসায় ব্যবহৃত সোডিয়াম গ্লুকোজ ট্রান্সপোর্টার ২ ইনহিবিটর বা এসজিএলটি ২ ইনহিবিটার ওষুধটি হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় কার্যকরী। এমনকি যদি ওই রোগীর ডায়াবেটিস না থাকে তবুও কাজ করে ওষুধটি। এমন খুঁটিনাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু পেয়েছি আমরা।

এলকিন্ড আরও বলেন, কোভিড-১৯ ব্যাধির যেমন কোনো ওষুধ নেই; তেমন আমরা রোগীদের বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ প্রয়োগে তাদের সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করেছি। সবেচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দেশ-জাতি নির্বিশেষে বিশ্বের সব চিকিৎসক কোভিড মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করেছি। যার ফলেই অগ্রগতি ঘটেছে।

অনকোলজি অগ্রগতি: এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গোন হেলথের পার্লমুটার ক্যান্সার সেন্টারের পরিচালক, পিএইচডি এমডি বেনজামিন নীল বলেছেন, ২০২০ সালে সবচেয়ে বেশি ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা চলেছে। তার মতে, রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার প্রাথমিকভাবে শনাক্তকরণ প্রযুক্তির বিকাশ ঘটেছে মহামারির বছরেই।

jagonews24

নীল আরও বলেন, এ ক্ষেত্রে শরীরের টিউমারগুলো রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে ডিএনএ-তে ক্যান্সারের বিষয়টি প্রকাশ করে। এজন্য আমরা টিউমারগুলোকে পর্যবেক্ষণে রেখেছিলাম। টিউমারগুলোর সংবেদনশীলতা পরীক্ষা, ক্যান্সার পুনরাবৃত্তি এবং প্রোটিন-ভিত্তিক পরীক্ষার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে আমরা সফল হয়েছি।

বিগত একবছরের অন্যান্য গবেষণার মধ্যে গবেষকরা জেনেটিক মিউটেশনের জন্য নতুন এক উপায় ‘ড্রাগিং’ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। এ ছাড়াও প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য দায়ী অ্যান্ড্রোজেন রিসেপটরের (যা ক্যান্সার কোষগুলো বাড়ার কারণ) পরিমাণ হ্রাস করতে একটি যৌগ তৈরির কাজ চলমান, বলেন নীল।

চিকিত্সা ব্যবস্থা গণতান্ত্রিকীকরণ: ২০২০ সালেই মানুষ শিখেছে ‘নিউ নর্মাল লাইফ’ এ জীবনধারণ করতে। এ ছাড়াও ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’সহ ঘরে বসেই নিজের চিকিৎসা করার বিষয়েও কিছু কিছু জ্ঞান আহরণ করতে হয়েছে সবাইকে।

জুমে বসে যেমন স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীরাও ক্লাস করেছে অনলাইনে; ঠিক তেমনই চিকিৎসকরাও রোগী দেখেছেন, কখনো আবার নিজেরাও মিটিং করেছেন। মরিস বলেন, যদিও বিষয়টি কোনো উদ্ভাবনের মধ্যে পড়ে না। তবে পরিস্থিতি আমাদের শিখিয়েছে সুস্থ থাকতে কত কী করতে হয়? প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক না কেন, মহামারি না এলে আমরা বোধ হয় কেউই অনলাইনে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতাম না।

তিনি আরও বলেন, পুরো মহামারিতে আমরা চিকিৎসক হিসেবে রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করেছি। তারা কখন কেমন বোধ করছেন এসব বিষয়েও আমরা ভিডিও কলিংয়ের মাধ্যমে জেনেছি এবং তাদের শারীরিক অবস্থাও বোঝার চেষ্টা করেছি। বিষয়গুলো আমাদের ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগবে।

jagonews24

রক্ত পরীক্ষা করে আলঝাইমার প্রকাশ: আলঝাইমার রোগ গবেষণা এবং চিকিৎসার সম্ভাব্য অগ্রগতির একবছর ছিল ২০২০ সাল। খবরটি যুগান্তকারী হলেও এখনো পরীক্ষাধীন রয়েছে।

রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) এর তথ্যমতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ লাখ মানুষ আলঝাইমারে আক্রান্ত। এ সংখ্যা ২০৬০ সালের মধ্যে তিনগুণ হয়ে যাবে।

২০২০ সালকে বিদায় দিয়ে হাজারো বেদনা মনে নিয়ে আমরা ২০২১ সালকে বরণ করে নিয়েছি। নতুন বছরটি নিয়ে বিশেষজ্ঞরাও আশাবাদী।

মরিস বলেন, ২০২০ সাল বিশ্ববাসীর জন্য দুঃখের বছর। বিয়োগান্তক এবং বিপর্যয়ের এ বছর শুধু আমাদের কাঁদায়নি বরং এসব উদ্ভাবন আমাদের খুশিও করেছে। তাই যেমন সময়ই আসুক না কেন, প্রকৃতির কাছে কৃতজ্ঞ থেকে সমস্যার সমাধান করে যেতে হবে।

দৈনন্দিন

সিদ্ধ করে রাখা ডিম কতক্ষণ পর্যন্ত খাওয়া উচিত

সিদ্ধ করা ডিম সব কিছুরই সঙ্গে খেতে ভালো লাগে। অনেকেই অফিসের টিফিনেও ডিমসিদ্ধ নিয়ে যেতে পছন্দ করেন। কিন্তু সকালে সিদ্ধ করে রাখা ডিম দুপুরবেলায় খাওয়া কি ঠিক? বা সিদ্ধ করা ডিম কতক্ষণ ভালো থাকে?

ঠিক ভাবে রাখতে পারলে সিদ্ধ করা ডিম ফ্রিজে সপ্তাহখানেক ভালো থাকে, কিন্তু তারপরই তা নষ্ট হয়ে যেতে থাকে। আর ডিম যদি ফ্রিজে না রাখেন তাহলে সিদ্ধ করার অন্তত ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে ডিম খেয়ে ফেলা উচিত। কারণ ডিম খুব তাড়াতাড়িই নষ্ট হয়ে যায়। সেই কারণে বিশেষজ্ঞরা বার বার টাটকা ডিমই খেতে পরামর্শ দেন।

সিদ্ধ করা ডিম ভালো রাখার জন্য সবার আগে তাপমাত্রার দিকটা খেয়াল রাখা উচিত। কারণ ডিম সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রা হওয়া জরুরি। এই তাপমাত্রায় রেখে ডিম খোসাসহ ফ্রিজে রেখে দিলে সপ্তাহখানেক ভালো থাকবে। কোনও ভাবেই খোসা ছাড়ানো সিদ্ধ করা ডিম ফ্রিজে রাখবেন না। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

নিয়মিত ঠান্ডা পানি পানে স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে

লেখক

আমাদের মধ্যে অনেকেই সাধারণ তাপমাত্রার পানির থেকে ঠান্ডা পানি পান করতে বেশি পছন্দ করেন। ঠান্ডা পানি পানে স্বাস্থ্যের ওপর যেমন ভাল প্রভাব পড়ে, তেমন বেশ কিছু ক্ষতিকারক প্রভাবও পড়ে। তাহলে জেনে নিন অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করলে স্বাস্থ্যের উপর কেমন প্রভাব পড়ে:হার্ট রেট কমে যেতে পারেঠান্ডা পানি পান করার একটি ক্ষতিকারক দিক হলো, হার্ট রেট কমে যাওয়া। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ঠান্ডা পানি কেবল হৃদস্পন্দনকেই কমায় না, এটি ভ্যাগাস নার্ভকেও উদ্দীপিত করে। নার্ভটি শরীরের অনিচ্ছাকৃত কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। ভ্যাগাস নার্ভের উপর ঠান্ডা পানি সরাসরি প্রভাব ফেলে, ফলে হার্ট রেট কমে যায়।\

শরীরকে শক দিতে পারেকঠোর পরিশ্রমের পর কখনোই ঠান্ডা পানি পান করা উচিত নয়। তবে অনেকেই কঠোর পরিশ্রমের পর ঠান্ডা পানি পান করতে পছন্দ করেন, বিশেষ করে গরমকালে শরীরচর্চা করার পর। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরচর্চার পর ঈষদুষ্ণ পানি পান করা উচিত। কারণ শরীরচর্চার সময় শরীরে প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন হয়। তাই ওই সময় ঠাণ্ডা পানির সেবন, শরীরের তাপমাত্রায় অসামঞ্জস্যতা আনতে পারে। যার ফলে হজমে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। তাছাড়া শরীরচর্চার পরপরই ঠান্ডা পানি পান করলে, দীর্ঘস্থায়ী পেটে ব্যথা হতে পারে, কারণ অত্যন্ত ঠান্ডা পানি আমাদের শরীরে শক দেয়। ফ্যাট ব্রেকডাউনে প্রভাব ফেলেখাবার খাওয়ার পরই ঠান্ডা পানি পান করলে তা শরীরের ফ্যাট ব্রেকডাউনের ক্ষমতাকে হস্তক্ষেপ করে। ঠান্ডা পানি খাবার থেকে আসা ফ্যাটকে শক্ত করে। ফলে শরীর থেকে অবাঞ্ছিত ফ্যাট ব্রেকডাউন কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া, খাবার খাওয়ার পর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করতে চাইলেও কমপক্ষে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর পান করা ভাল। 

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারেহজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখার জন্য ঘরোয়া তাপমাত্রার পানি পান করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তবে ঠান্ডা পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মূল কারণ হল, ঠান্ডা পানি পান করার ফলে খাদ্য শক্ত হয়ে যায় এবং শরীরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া, অন্ত্রও সংকুচিত হয়, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম প্রধান কারণ। হজমে প্রভাব ফেলেঠান্ডা পানি হজমে গুরুতর প্রভাব ফেলে। ঠান্ডা পানি এবং কিছু ঠান্ডা পানীয় রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে এবং হজমেও প্রভাব ফেলে। ঠান্ডা পানি পান করার ফলে, হজমের সময় পুষ্টি শোষণের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাথার চুল বাড়ায় শিউলি ফুল!

লেখক

সকালে শিশির মাখা শিউলি ফুল দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। শিউলি মূলত শরতেরই ফুল। তবে শিউলির শোভা ও সৌরভ হেমন্তেও কিছুটা থাকে।

রূপেগুণে পরিপূর্ণ এই ফুল। সুবাস ছড়ানোর পাশাপাশি নানা রকম ওষুধি গুণে ভরপর এই ফুল। অনেকের কাছে এই ফুলটি খুবই প্রিয়। নানা কাজে শিউলি ফুল ব্যবহার করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক শিউলি ফুলে গুণগুলো।

আর্থারাইটিস ও সাইটিকার ব্যাথা সারাতে: প্রতিদিন সকালে চায়ের মতো এক কাপ পানিতে দুটি শিউলি ফুলের পাতা ও দুটি তুলসী পাতা ফুটিয়ে, ছেঁকে নিয়ে তা পান করুন। এতে আপনার আর্থারাইটিসের ও সাইটিকার ব্যাথা কমবে। নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ খেলে এই ব্যাথা দূর হবে।

ব্রণের সমস্যা সমাধানে: ব্রণ দূর করতে দারুণ কাজ করে শিউলি। কারণ এতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি গুণ। যা আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারি। এটি মুখের ব্রণ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

গলার আওয়াজ: কারণে-অকারণে গলার আওয়াজ বসে যায়? তবে আপনি শিউলি পাতার রস ২ চামচ পরিমিত মাত্রায় গরম করে দিনে দুইবার খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

জ্বর কমাতে: জ্বর কমাতে বেশ সাহায্য করে শিউলি। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর কমাতে শিউলির চা পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

কৃমি ও মেদ সমস্যা সমাধানে: শিউলিফুলের পাতার  রস অল্প গরম করে নিয়মিত কয়েকদিন খান। কৃমি সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। এছাড়া শিউলি গাছের ছালের চূর্ণ সকালে ও বিকালে গরম পানিতে খেলে মেদ কমে।

ম্যালেরিয়ার পর: গবেষণা দেখা গেছে, ম্যালেরিয়ার সময় শিউলি পাতার বাটা খেলে এই রোগের উপসর্গগুলো কমতে শুরু করে। ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলো নষ্ট হয়, রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়ে। 

মাথার চুল বাড়ায়: শিউলি ফুলের পাতা নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে নিন। এরপর পাতা ফেলে দিয়ে তেল সংরক্ষন করুন। এই তেলের ব্যবহারে আপনার মাথার চুল বাড়তে পারে।

শিউলি গাছের নির্যাস প্রাণীদের পাকস্থলিতে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া মানব দেহে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা গবেষণায় পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে শিউলি গাছের যাবতীয় অংশ সেবন করতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

হিজাবিদের চুলে খুশকি, সমস্যার সমাধান কী?

লেখক

হিজাব পরেন এমন অনেকেই প্রায়ই জানতে চান, কীভাবে চুলের যত্ন নিলে এবং কোন প্রোডাক্টগুলো ব্যবহার করলে খুশকিসহ চুলের এমন কমন কিছু সমস্যা থেকে সহজেই পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। তাই আজকে জেনে নেব, কী কী কারণে হিজাবিদের চুলে খুশকি বেড়ে যেতে পারে এবং এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী কিছু সমাধান। হিজাবিদের চুলে খুশকির উপদ্রব সাধারণত বেশি দেখা যায়! কিন্তু কেন? যেকোনো সমস্যা শুরু হওয়ার আগেই যদি তা প্রতিহত করা যায়, এর চেয়ে ভালো সমাধান আর কী হতে পারে? হিজাবিদের কিছু অসচেতনতা এবং লাইফস্টাইলে অসাবধানতার কারণেও কিন্তু দেখা দিতে পারে খুশকিসহ নানান হেয়ার সমস্যা। তাই শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক, হিজাবিদের চুলে খুশকির উপদ্রব কেন বেশি দেখা যায়। 

  • টানা অনেকক্ষণ ধরে হিজাব পরে থাকলে

হিজাবিদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কোনো রকম ব্রেক না দিয়ে সারাদিন লম্বা সময় ধরে হিজাব পরে থাকেন। এর ফলে চুলে এবং চুলের গোঁড়ায় বাতাস স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করতে পারে না। তাই চুলের গোঁড়া তেল চিটচিটে হয়ে খুশকির সৃষ্টি হয়। 

  • তাড়াহুড়া করে চুল না শুকিয়েই হিজাব পরা হলে

কোথাও বের হওয়ার আগে শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে গোসল করে হিজাব পরেই বের হয়ে যাওয়া অনেকের একটি কমন অভ্যাস, যা চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ভেজা অবস্থায় কোনোভাবেই চুলে হিজাব পরবেন না। 

  • খুব টাইট করে চুল বাঁধা হলে

চুল খুলে যাওয়া বা বের হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই খুব টাইট করে চুল বেঁধে রাখেন। এতে চুলের গোঁড়া দ্রুত ঘেমে যায়। আর এই ঘাম থেকেই পরে খুশকির সৃষ্টি হয়। 

  • বাতাস প্রবেশে বাঁধা পায় এমন কাপড়ের হিজাব ব্যবহার করলে

হিজাবের কাপড় বাছাই করার সময় এমন কাপড় বেছে নিতে হবে যা আরামদায়ক এবং যা দিয়ে সহজেই মাথায় বাতাস প্রবেশ করতে পারে। বাতাস প্রবেশ না করার ফলে চুলের গোঁড়ায় ঘাম জমে খুশকি বেড়ে যায়। 

  • হিজাবের কাপড় ব্যবহারের সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে

হিজাবের কাপড় নিয়মিত ভালোভাবে পরিষ্কার করা না হলে, এতে মাথার ত্বকের ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণ বেড়ে যায়। তাই কোনোভাবেই ময়লা হিজাব ব্যবহার করা যাবে না। 

  • সঠিক ভাবে হেয়ার কেয়ার করা না হলে

হিজাবিদের মধ্যে অনেকেই রেগুলার হেয়ার কেয়ারে প্রচণ্ড অনীহা করে থাকেন। অথচ হিজাবিদের সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চার দিন বা প্রয়োজন বুঝে নিয়মিত ভালো মানের শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে।

তাই, যারা হিজাব পরেন তাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে চুলের সুরক্ষার পাশাপাশি চুলকে খুশকিমুক্ত এবং অয়েল ফ্রি রাখতে উপরের কাজগুলো করা থেকে নিজেদের বিরত রাখা ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

যেসব পানীয় দ্রুত ওজন কমায়

লেখক

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কেবল খাদ্য নয়, সঠিক পানীয়ের গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ডায়েট অনুসরণ করার সময়, দিনে কী ধরনের এবং কতটা পানীয় গ্রহণ করছেন তার দিকেও সমানভাবে মনোযোগ দেওয়া দরকার। এমন নির্দিষ্ট কিছু পানীয় আছে যেগুলি খেলে, ওজন কমার প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ১) প্যাকেটজাত ফলের রস ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ ফলের রস, স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী।

ফলের রস শরীরের সমস্ত অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলোকে ভালোভাবে সম্পন্ন করতে এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সহায়তা করে। তবে এই সকল উপকারিতাগুলো কেবল তাজা ফলের রসের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কারণ বাজারে কিনতে পাওয়া প্যাকেটজাত ফলের রসে প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং প্রিজারভেটিভ থাকে, যা আমাদের ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ২) মিষ্টি চা গ্রিন টি, হার্বাল টি অথবা কালো চা, এগুলি সবই স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী। তবে শর্ত একটাই, এই চা উপভোগ করার ক্ষেত্রে, চিনি কিংবা কৃত্রিম মিষ্টি ব্যবহার করা যাবে না। মিষ্টি চা আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া বাজারের প্যাকেটজাত মিষ্টি আইস টির সেবনও এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এক বোতল মিষ্টি আইস টি-তে, ২০০ থেকে ৪৫০ ক্যালোরি বর্তমান, যা খুব সহজেই আপনার ডায়েট নষ্ট করে দিতে পারে। 

 ৩) এনার্জি ড্রিংকস শরীরচর্চার পর ক্লান্তি দূর করতে আমরা অনেকেই, এনার্জি ড্রিংকস পান করতে পছন্দ করি। তবে চিনি এবং ফ্লেভার যুক্ত এনার্জি ড্রিংকস কখনই আদর্শ পানীয় নয়। স্পোর্টস ড্রিংকস কিংবা এনার্জি ড্রিংকসে, প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং কৃত্রিম স্বাদ যোগ করা থাকে, যা শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। তাই ডাবের পানি কিংবা তাজা ফলের রস, প্রভৃতি পান করা যেতে পারে। ৪) অ্যালকোহল গ্রহণ ওজন কমানোর ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল গ্রহণের দিকে বিশেষ নজর রাখা অত্যন্ত জরুরি। বেশিরভাগ অ্যালকোহলেই ক্যালোরির পরিমাণ অনেকটাই বেশি থাকে এবং তার সঙ্গে যখন কোল্ড ড্রিকস মেশানো হয়, তখন ক্যালরির মাত্রা আরও বেড়ে যায়। ৫) অপর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার ব্যাপারটা আমরা প্রায়ই অবহেলা করে থাকি। তবে শরীর সুস্থ রাখতে এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। পানি শরীরকে হাইড্রেট রাখে, টক্সিন বের করে দেয় এবং মেটাবলিজম বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন ২ থেকে ৩ লিটার জল পান করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com