আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আঙিনা কৃষি

২১ গ্রামে বিষমুক্ত সবজি

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার নিমসারের আশপাশের অন্তত ২১টি গ্রামে বিষমুক্ত ও কীটনাশকমুক্ত নিরাপদ সবজি উত্পাদিত হচ্ছে। পরিবেশ দূষণমুক্ত রেখে ক্ষতিকর পোকা ও রোগবালাইমুক্ত এই সবজি এখন বিক্রি চলছে।

কুমিল্লার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার পিকেএসএফের সহযোগিতায় এই সবজি উত্পাদন করছে।

উপজেলার সৈয়দপুর, জাঙ্গালিয়া, নিমসার, কেদারপুর, শাহদ্বীপের বাগ, মনশাসন, হালগাঁও, পাঁচকিত্তা, কেমতলী, কালীরবাজার, কাকিয়ারচর, চারগাঁও, চানগাছা, চিকুটিয়া, কৃষ্ণপুর, কোরপাই, হরিহলপাড়া, লোহারচর, মিথনমা, কাবিলা ও গোবিন্দপুর এলাকায় নিরাপদ এই সবজি উত্পাদন করা হচ্ছে।

গতকাল সোমবার সকালে এই এলাকার আটটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে সবুজের মধ্যে নানা প্রজাতির সবজি। কোনোটি হলুদ, কোনটি সবুজ। প্রান্তিক কৃষক কেউ চিংড়া (দেখতে চালকুমড়ার মতো, কিন্তু হলুদ রং, এটি সালাদ ও সবজি হিসেবে খাওয়া যায়) কাটছেন। কেউ বরবটি তুলছেন। কেউ পুঁইশাক, ডাঁটা লালশাক, লাউ কিংবা ঝিঙা তুলছেন।

পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের কৃষি কর্মকর্তা দীন মোহাম্মদ বলেন, চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত ১ হাজার ৭০৫ শতক জমিতে ১ লাখ ৪০ হাজার ৫০ কেজি সবজি উত্পাদিত হয়। এর বাজারমূল্য ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ২৫০ টাকা। এ ছাড়া ১৪৫ শতক জমিতে ব্রকলি, রেড ক্যাবেজ, শালগম, গাজর, বেবি তরমুজ ও ক্যাপসিকাম উত্পাদন করা হয়। এতে ১২ হাজার ৪৬০ কেজি সবজি উত্পাদিত হয়। ৪ লাখ ৫ হাজার ৭০০ টাকায় এই সবজি বিক্রি করা হয়। পরে সেগুলো মোকাম কৃষিপণ্য বিপণনকেন্দ্রে তোলা হয়। সেখান থেকে পাইকারেরা এসে নিয়ে যান।

কোরপাই গ্রামের আবদুস সালাম বলেন, ‘আমার এখানে গাজর ভালো হয়েছে।’ গোবিন্দপুর গ্রামের আইয়ুব আলী বলেন, ‘আমার এখানে চিংড়ার ভালো ফলন হয়েছে।’

পেইজের নির্বাহী পরিচালক লোকমান হাকিম বলেন, সবজি চাষে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার, ভার্মি কম্পোস্ট উত্পাদন ও ব্যবহার করে নিরাপদ সবজি চাষ করা হয়। ভালো সাড়া পাওয়া গেছে।

পেইজের কৃষি বিভাগের উপপরিচালক মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ‘২০১৪ সালের জুলাই মাসে আমরা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী ও বাগমারা এলাকায় সবজি চাষ শুরু করি। গত বছর থেকে এ পর্যন্ত ৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এরপর ২৩২টি প্রদর্শনী করেছি। ৪৫ দিনের মধ্যে সবজি চলে আসে। লাভ বেশি।’

জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর বলেন, ‘নিরাপদ বিষমুক্ত সবজি কুমিল্লা নগরবাসীও খেতে পারবেন। পেইজের উত্পাদিত সবজি কুমিল্লা নগরে কৃষি বিপণন কেন্দ্র করে বিক্রির জন্য বলা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

আঙিনা কৃষি

বস্তায় আদা চাষ করার সহজ উপায়

আদা দৈনন্দিন জীবনে নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু। বর্তমানে বাজারে এর দামও প্রচুর। তাই একটু চেষ্টা করলে বাড়ির ছাদে বা ঘরের আশেপাশে ফাঁকা জায়গায় আদা চাষ করা যায়। আর সে জন্য সহজ পদ্ধতি হচ্ছে বস্তায় চাষ করা। আসুন তাহলে বস্তায় আদা চাষের সহজ উপায় সম্পর্কে জেনে নেই-

মিশ্রণ: প্রথমে একটি বস্তায় ৩ ঝুড়ি মাটি, ১ ঝুড়ি বালি, ১ ঝুড়ি গোবর সার ও দানাদার কীটনাশক ফুরাডান ৫জি ২৫ গ্রাম নিতে হবে। মাটির সঙ্গে গোবর, বালি ও ফুরাডান ভালোভাবে মিশিয়ে সিনথেটিক বস্তায় ভরে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। সম্ভব হলে ১ চা চামচ পটাশ সার মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

চারা তৈরি: এবার একটি বালিভর্তি টবে তিন টুকরো অঙ্কুরিত আদা পুঁতে দিতে হবে। আদার কন্দ লাগানোর আগে ছত্রাকনাশক অটোস্টিন ২ গ্রাম বা লিটার পানিতে দিয়ে শোধন করে নিতে হবে। অন্য ছত্রাকনাশকও ব্যবহার করা যাবে। যা হোক, শোধনের পর কন্দগুলো আধাঘণ্টা ছায়ায় রেখে শুকিয়ে নিতে হবে।

চারা রোপণ: ২০-২৫ দিন পর বপনকৃত আদা থেকে গাছ বের হবে। তখন আদার চারা সাবধানে তুলে বস্তার মুখে ৩ জায়গায় বসিয়ে দিতে হবে। দিনের বেশিরভাগ সময় রোদ পায় এমন স্থানে বস্তাটি রাখতে হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আদা গাছ বড় হতে থাকবে।

সার প্রয়োগ: চারা লাগানোর দু’মাস পরে ৪ চা চামচ সরিষার খোল ও আধা চামচ ইউরিয়া মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। বস্তার মাটি মাঝে মাঝে খুঁড়ে একটু আলগা করে দিতে হবে।

উত্তোলন: জুন-জুলাই মাসে আদা লাগালে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে তোলা যায়। একেকটি বস্তায় ৩টি গাছ থেকে এক-দেড় কেজি পর্যন্ত আদা পাওয়া যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

আঙিনা কৃষি

টবে বোম্বাই মরিচ চাষ করবেন যেভাবে

বোম্বাই মরিচ মূলত প্রচণ্ড ঝালের কারণে সর্বাধিক পরিচিত। সবার প্রিয়ও বলা চলে। একটু চেষ্টা করলেই ১ মাসে ফলাতে পারবেন বোম্বাই মরিচ। বাসার ছাদে, বারান্দায়, ভবনের চারপাশে টবে বোম্বাই মরিচের ফলন ভালো হয়। তাই আজ থেকেই চেষ্টা করে দেখুন। চাষের নিয়ম-কানুন জেনে নিন এখনই-

বীজ বা চারা: যেকোনো বাজারে বীজ কিনতে পাওয়া যায়। তবে নতুনদের জন্য চারা কেনাই ভালো। নার্সারি, হর্টিকালচার সেন্টার বা গ্রামের হাট-বাজার থেকেও বোম্বাই মরিচের চারা কেনা যায়। তবে জাত ও চারার মান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এছাড়া বীজ থেকেও চারা উৎপাদন করে রোপণ করা যায়।

চাষের নিয়ম: চারা টবে লাগানোর আগে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। প্রতিটি ১০ ইঞ্চি টবের জন্য ২ ভাগ মাটি, ১ ভাগ গোবর, ২ চিমটি টিএসপি, ১ চিমটি ইউরিয়া, ১ চিমটি পটাশ সার, অল্প সরিষার খৈল দিয়ে ৪-৫ দিন মাটি রোদে শুকাতে হবে। তারপর এ মাটিতে চারা লাগাতে হবে।

যত্ন: চারা সবল না হলে দিনে ২-৩ বার ইউরিয়া মিশ্রিত পানি স্প্রে করতে হবে। সপ্তাহে ১ দিন মাটি আলগা করে দিতে হবে। আগাছা সরিয়ে দিতে হবে। ২০-২৫ দিনের মধ্যেই গাছে ফুল আসবে। সেই ফুল থেকে ধরবে বোম্বাই বা নাগা মরিচ।

পোকা দমন: মরিচ গাছে পোকা আক্রমণ করতে পারে। তবে ২-৪টা গাছ হলে পোকা-মাকড় হাতেই মেরে দমন করা যায়। গাছ বেশি হলে কীটনাশক ব্যবহার করা যায়। তবে শাক-সবজিতে কীটনাশক ব্যবহার না করাই ভালো।

ফলন: মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে; তত বেশি ঝাল হবে। নিচের শাখাগুলো কেটে ফেলতে হবে। না হলে মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টি গাছ অনেক দিন ফল দেবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

আঙিনা কৃষি

যুক্তরাষ্ট্রে জাহানারা আলম সোমার আঙিনা কৃষি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

আঙিনা কৃষি

ঢাকার এলেনবাড়িতে সরকারি আবাসনে আঙিনা কৃষি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com