আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

শাকসবজি

যশোরে বিপাকে আলু চাষিরা

আলুখেত
আলুখেত

অধিকাংশ খেতের আলু গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে ও গোড়ায় পচন দেখা দিয়েছে। এতে চাষিরা মারাত্মক ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন

যশোরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় এ বছর আলুর ফলনে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন চাষিরা।

৪৫ দিনের ব্যবধানে দুই দফা শৈত্যপ্রবাহ, মধ্যরাতে অসময়ের গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি ও তীব্র ঘন কুয়াশার কারণে আলু খেতে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

লোকসানের আশঙ্কায় অনেক চাষিই এখন অপরিপক্ব আলু তুলে বাজারে নিয়ে বিক্রি করছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে যশোরের ৮ উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে।

চাষের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আলু খেতে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। তবে ফলনের শেষ মুহূর্তে তীব্র ঘন কুয়াশা ও দুই দফা মৃদু বৃষ্টির কারণে আলু খেত লেটব্লাইট রোগে নষ্ট হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

অধিকাংশ খেতের আলু গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে ও গোড়ায় পচন দেখা দিয়েছে। এতে চাষিরা মারাত্মক ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন।

তারা বলেছেন, ডিসেম্বরের শেষ সময়ে খেতে গাছের গোড়ায় যখন আলুর ফলন আসতে শুরু করে ঠিক তখনই যশোরাঞ্চলের ওপর দিয়ে শুরু হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। কয়েকদিনেও আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়ায় রোগের প্রদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

প্রতিটি খেতের আলু গাছ শুকিয়ে হলুদ বর্ণ হতে থাকে, বলেন তারা।

এ অবস্থায় কৃষি বিভাগের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে জমিতে ছত্রাকনাশক স্প্রে করে কিছুটা প্রতিকার পেলেও দুই সপ্তাহ পর আবারও শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়। লেটব্লাইট রোগ ফের দেখা দেওয়ায় অনেকে ভয়ে অপরিপক্ব আলু তুলে বাজারে নিয়ে বিক্রি করছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আর্দ্র অবস্থায় লেটব্লাইট রোগ দেখা দেয় এবং যদি উপযুক্ত ছত্রাকনাশক ব্যবহার না করা হয় তবে প্রথমবার এ রোগ দেখা দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে এটি পুরো উদ্ভিদকে ধ্বংস করতে পারে।

কাণ্ডগুলো প্রায়শই নরম, পচা ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা আক্রান্ত হয় যা দ্রুত পাশের আলুগুলোকে দুর্গন্ধযুক্ত, পচার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে।

যশোর সদর উপজেলার নোঙরপুর মাঠের কয়েকজন কৃষক বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শে জমিতে স্প্রে করা হলেও কাজ হচ্ছে না। কৃষকদের জন্য বিষয়টি উদ্ভট লাগছে।

আলু চাষি হাসমত আলী বলেন, এ বছর ধার-দেনা করে দুই বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছি। শুরুতে গাছও হয়েছে খুব ভালো। কিন্তু এক সপ্তাহ ধরে সেগুলো রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আর ১৫ থেকে ২০ দিন পর এসব আলু তুলে বাজারে নিলে ফলন বেশি হতো। কিন্তু আলুর পচন ধরার ভয়ে আমরা আর খেতে রাখতে চাচ্ছি না।

যশোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক এমদাত শেখ জানান, তারা বিষয়টি অবগত আছেন।

তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আলু খেত পরিদর্শন করেছি। কিছু কিছু খেতে এ ধরনের সমস্যা আছে। তবে এ পরিস্থিতিতে আমরা আলু খেতে ছত্রাকনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছি।”

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

শাকসবজি

১২ টাকার বেগুন ৫০, ১৫ টাকার ফুলকপি ৬০

১২ টাকার বেগুন ৫০, ১৫ টাকার ফুলকপি ৬০
১২ টাকার বেগুন ৫০, ১৫ টাকার ফুলকপি ৬০

বগুড়ার সবচেয়ে বড় সবজি বাজার মহাস্থানহাটে শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে দেশি কাটা পেঁয়াজের মণ ছিল ২৭০০ থেকে ২৮০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজির দাম পড়ে ৭০-৮০ টাকা।

একই পেঁয়াজ পাতাসহ মণ ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি কেজি ৩৫-৩৮ টাকা। খুচরা বাজারে এসব পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কোথাও ১০ টাকা আবার কোথাও কেজিতে ১৫ টাকা বেশি দরে। অর্থাৎ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে। একই সঙ্গে আমদানি করা চায়না পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৭০ টাকা দরে।

সবজির পাইকারি বাজার মহাস্থানহাটে এখন প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি করে কৃষকরা পাচ্ছেন ২৫ টাকা (প্রতি মণ ১০০০ টাকা)। অথচ সেখান থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে বগুড়া শহরের ফতেহ আলী বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের প্রতি কেজি ফুলকপি কিনতে হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে। শহরের বকশীবাজার ও কলোনি বাজারে ৬০ টাকা কেজিতে কিনতে হচ্ছে।

১২ টাকার বেগুন ৫০, ১৫ টাকার ফুলকপি ৬০
১২ টাকার বেগুন ৫০, ১৫ টাকার ফুলকপি ৬০

একইভাবে মহাস্থানহাটে কৃষকরা যেখানে এক কেজি বেগুন বিক্রি করে ১২ টাকা ৫০ পয়সা (প্রতি মণ ৫০০ টাকা) দরে, অথচ সেই বেগুন জেলা শহরের বড় তিনটি কাঁচাবাজারে এক লাফে উঠে যায় ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। সরেজমিনে স্থানীয় কৃষক ও পাইকারি মোকাম থেকে খুচরা বাজারে শীতকালীন অন্যান্য সবজির দামেও বড় পার্থক্যের চিত্র মিলেছে।

সদরের শাঁখারিয়া গ্রামের মুলা চাষি মনির হোসেন বলেন, প্রথম দিকে মুলার ভালো দাম পাওয়া গেছে। এখন মুলা প্রতি মণ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে বিক্রি করতে হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি কেজি মাত্র পাঁচ টাকা। যদিও খুচরা বাজারে মুলা ২০ থেকে ২৫ টাকার নিচে পাওয়া যায় না।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চন্ডিহারা গ্রামের কৃষক খয়বর আলী বলেন, মহাস্থানহাটে ২৫০ টাকা মণ দরে মুলা বিক্রি করেছি। আমার এই মুলা কিনে বগুড়ায় নিয়ে ব্যাপারীরা তিনগুণ দামে বিক্রি করছেন।

১২ টাকার বেগুন ৫০, ১৫ টাকার ফুলকপি ৬০
১২ টাকার বেগুন ৫০, ১৫ টাকার ফুলকপি ৬০

শেখেরকোলা ইউনিয়নের কৃষক লুৎফর রহমান বলেন, মহাস্থানহাটে বড় সাইজের বাঁধাকপির এনেছি ৩০০ পিস। পাইকাররা প্রতি পিস ১৮ টাকা দরে কিনে নেয়। অথচ ১৫ দিন আগেও একই সাইজের প্রতিটি কপি ২৫-২৬ টাকায় বিক্রি করেছি। অথচ বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি কপি ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি কেনা বাড়তি তাই বিক্রিও বাড়তি।

মোকামতলার আবুল মিয়া সোয়া মণ করলা এনে প্রতি মণ এক হাজার টাকা দরে এবং একই গ্রামের নুর আলম বরবটি বিক্রি করেছেন ৯০০ টাকা মন দরে। নাজিরপুর গ্রামের কৃষক আবু তাহের পাঁচ মণ চিচিঙ্গা এনে প্রতি মণ ৮৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন।

১২ টাকার বেগুন ৫০, ১৫ টাকার ফুলকপি ৬০
১২ টাকার বেগুন ৫০, ১৫ টাকার ফুলকপি ৬০

হাটে এখন আগাম জাতের নতুন আলু উঠতে শুরু করেছে। কৃষক আব্দুল মান্নান দুই মণ আলু এনেছিলেন বাজারে। পাইকাড়দের কাছে বিক্রি করেছেন গড়ে ১২৮০ টাকা মণ দরে। একইভাবে হাটে পেঁয়াজ পাতা বিক্রি হয়েছেন ১১০০ টাকা মণ, দেশি পেঁয়াজ ১৬০০-১৭০০ টাকা মণ, টমেটো ২২০০-২৪০০ টাকা মণ, বেগুন ৫০০ টাকা মণ।

হিসাব মেলানোর জন্য বগুড়ার বড় খুচরা বাজার শহরের ফতেহ আলীতে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি লম্বা বেগুন ৫০, গোল বেগুন ৪০, কাঁচা মরিচ ৬০, কচুরমুখি ৪০, মিষ্টি কুমড়া ৪০, ওলকপি ৪০, ফুলকপি ৬০, বাঁধাকপি ৪০, করলা ৬০, পটল ৪০, শিম ১২০, ঝিঙে ৪৫, ঢেঁড়স ৫০, বরবটি ৪০, পেঁপে ২০, কাঁকরোল ৪০ এবং দেশি শসা ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শহরের বকশীবাজার ও কলোনি বাজারে সবজির দাম আরও বেশি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

চরাঞ্চলে এক মণ মরিচ দেড়শ টাকা

চরাঞ্চলে এক মণ মরিচ দেড়শ টাকা
চরাঞ্চলে এক মণ মরিচ দেড়শ টাকা

গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার পুরাতন ফুলছড়িতে প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার হাট বসে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা ট্রাক নিয়ে আসেন ‘চরাঞ্চলের সোনা’ খ্যাত মরিচ ও ভুট্টাসহ বিভিন্ন সবজি পাইকারি কিনতে। এ হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতা মিলে লাখো মানুষ জমে। কিন্তু করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ফুলছড়ি হাটে প্রশাসন নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতার অভাবে পচে যাচ্ছে যমুনা নদীবেষ্টিত সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার অর্ধশত চরে উৎপাদিত কৃষি পণ্য।

বর্তমানে জেলায় কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা প্রতি মণ। টমেটো ৮০ টাকা প্রতি মণ আর বেগুন ৭০ টাকা থেকে ১০০ টাকা প্রতি মণ। এত কম দামে পণ্য বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা লোসকান দিতে হচ্ছে। তবে প্রশাসন বলছে চরাঞ্চলের মরিচ চাষিদের মরিচ শুকানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফুলছড়ি হাট যেন অচেনা রূপ ধারণ করেছে। দুই সপ্তাহ আগেই রাস্তার পাশে হাজারো লোকের ভিড়ে পথ চলা কঠিন ছিল কিন্তু সময়ের ব্যবধানে আজ সবকিছু ফাঁকা। দেড় যুগের ঐতিহ্যবাহী এই হাটের এমন অবস্থা হবে কেউ কখনও ভাবতে পারেনি।

চরাঞ্চলে এক মণ মরিচ দেড়শ টাকা
চরাঞ্চলে এক মণ মরিচ দেড়শ টাকা

কৃষক আবেদুর রহমান বলেন, অনেক কষ্ট করে কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে ফুলছড়ি বাজারে এসে বিপদে পড়েছি। এই হাটে কাঁচামালের দোকান বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এতে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারছি না। বিক্রি করতেও পারছি না। দু’সপ্তাহ আগে মরিচ বিক্রি করা হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি। করোনা ভাইরাসের কারণে এখন ৩ টাকা থেকে ৫ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে।

খাটিয়ামারি গ্রামের কৃষক আব্দুল মালেক জানান, তার উৎপাদিত মরিচ, বেগুন, টমেটো পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা মণ। টমেটো ৮০ টাকা ও বেগুন ৭০ টাকা থেকে ১০০ টাকা মণ। গলায় দড়ি দিয়ে মরণ ছাড়া উপায় নেই তাদের।

আব্দুল কাদির নামের এক মরিচ চাষি জানান, প্রশাসন মরিচ শুকানোর পরামর্শ দিচ্ছে। মরিচ বিক্রি করে চাল, ডাল, লবণ, মশলা কিনতে হয়। মরিচ শুকালে সংসার চলবে কিভাবে। কে নেবে দায়িত্ব?

চরাঞ্চলে এক মণ মরিচ দেড়শ টাকা
চরাঞ্চলে এক মণ মরিচ দেড়শ টাকা

একাধিক কৃষক জানান, সরকারিভাবে যদি ট্রাক লোড করে দেশের বিভিন্ন জেলার চাহিদা অনুযায়ী চরে উৎপাদিত এসব কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ করে দেয়া হয় তাহলে কৃষকরাও ন্যায্য দাম পেতেন, দেশের সব জেলায় সবজির চাহিদাও মিটত।

মরিচ ও সবজি চাষিদের লোকসানের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও মো. আবু রায়হান দোলন জানান, মচির চাষিদের মরিচ শুকানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে শুধু হাটের দিন তথা প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার ফুলছড়ি হাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য ফুলছড়িতে ফুড ব্যাংক খোলা আছে। আমরা নিয়ম অনুযায়ী কাজ করছি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষে সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন কৃষকরা

বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষে সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন কৃষকরা
বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষে সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন কৃষকরা

সারাদেশে করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করায় প্রভাব পড়েছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। অনেকেই ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে হোম কোয়ারেন্টাইনে অলস সময় কাটাচ্ছেন। টানা লকডাউনে অনেকেই বাড়ির আঙিনায়, বাসার ছাদে কৃষিকাজে মনোনিবেশ করেছেন। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে অভাব পড়তে পারে শাকসবজি ও কৃষিখাদ্যের। তাই প্রান্তিক কৃষকরা যেন খাদ্য সংকটে না পড়েন সেজন্য বসতবাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে কৃষি বিভাগ। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে দিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে বসতবাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ কর্মসূচির আওতায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে কমিটি করে এ তালিকা করা হয়েছে। এতে কৃষকের নাম, কৃষকের বাবার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর অথবা মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর সংযুক্ত করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, প্রত্যেক কৃষক স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ ও চারা পাবেন। এছাড়াও জনপ্রতি জৈব ও অজৈব সার বাবদ ৪৩৫ টাকা, শাক-সবজি রক্ষায় বেড়া তৈরির খরচ বাবদ এক হাজার টাকা ও পরিচর্যা বাবদ ৫০০ টাকাসহ নগদ মোট ১৯৩৫ টাকা পাবেন।

এ নগদ অর্থ ব্যাংক হিসাব অথবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ ও নগদ) মাধ্যমে হাতে পাবেন কৃষকরা। এই টাকা মাঠ পর্যায়ের কৃষকের হাতে পৌঁছেছে কিনা কিংবা তালিকায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কিনা তা সরাসরি কৃষি কর্মকর্তারা তদারকি করে নিশ্চিত হবেন।

বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষে সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন কৃষকরা
বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষে সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন কৃষকরা

মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের এ উদ্যোগের ফলে করোনাভাইরাসের এই মহামারির সময় প্রান্তিক কৃষকদের খাদ্য সংকটে পড়তে হবে না। একদিকে যেমন কৃষকরা পুষ্টিকর শাক-সবজি উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা পূরণ করতে পারবেন অন্যদিকে এ মহামারিতে শাক-সবজির জন্য হাট-বাজারে তাদের যেতে হবে না।

এ বিষয়ে কৃষক সুরাবই গ্রামের কৃষক আতাউর রহমান জানান, করোনা সংকটে এটা সরকারের চমৎকার একটি উদ্যোগ। সরকারি সহায়তা পেলে আমাদের শাকসবজি কিনে খেতে হবে না।

এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জের কৃষক সুজাত মিয়া বলেন, আমরা বাসার ছাদে বেশ কিছুদিন ধরে শাকসবজি চাষ করে আসছি, এতে করে আমাদের শাকসবজির চাহিদা অনেকটা মিটে যায়। আর সরকারিভাবে বীজ, সার পেলে আমরা আরো ভালো করে শাকসবজি চাষ করতে পারব।

এ বিষয়ে নুরপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু বকর ছিদ্দিকী বলেন, আজকে আমরা নুরপুর ইউনিয়নের ৩২ জনের তালিকা জমা দিয়েছি।

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুকান্ত ধর জানান, সর্বনিম্ন এক শতক জমিতে কালিকাপুর মডেল অনুসরণ করে বসতবাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়ন থেকে ৩২ জন করে কৃষক স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ ও চারা পাবেন।

২৫ জুন থেকে শায়েস্তাগঞ্জে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এছাড়াও ব্যাংক কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাবেন। যা সার, পরিচর্যা ও সবজি বাগান সুরক্ষা বাবদ খরচ করবেন। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা করোনাকালে শাক-সবজির সংকটে পড়বেন না বলে আশা করা যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!

 ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!
ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি গারো পাহাড়ের পাদদেশ শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলায় এক মেধাবী শিক্ষার্থীর জন্ম। চার ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। সদা হাস্যোজ্জ্বল ছেলেটি ছোটবেলা থেকেই মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন প্রতিটি ক্ষেত্রে। শিক্ষাজীবনে নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডপস’র সহায়তায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ- ৫ পেয়ে তাক লাগিয়ে দেন সবাইকে। মেধার স্বাক্ষর রাখেন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় উত্তীর্ণ হয়ে।

ডপস’র মাধ্যমে নতুন জীবন পেয়ে রাসেল মিয়া এখন দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছেন নিয়মিত। করোনার ছুটিতে ক্যাম্পাস থেকে বাড়িতে এসে কয়েকদিন ঘোরাফেরা করার পর চলে যান শেরপুর শহরে অবস্থিত ডপস’র অফিসে। শুরু করেন কলেজপড়ুয়া ডপস সদস্যদের ক্লাস নেয়া। এভাবেই কাটতে থাকে তার দিনগুলো। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতায় লকডাউন ঘোষণা হলে পুনরায় তাকে ফিরে আসতে হয় বাড়িতে।

ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!
ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!

একদিকে ঘরে অসুস্থ বাবার ঔষধ কেনা ও পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকতে অর্থের চাহিদা, অন্যদিকে এলাকার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উদ্বুদ্ধকরণের চিন্তা। এসব চিন্তায় বসে থাকতে ভালো লাগে না তার। কী করা যায় পরিবারের জন্য, মানুষের জন্য এবং কীভাবে অবসর সময়কে কাজে লাগানো যায় সেটাই ভাবতে থাকেন। করোনা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে স্বাভাবিক মেলামেশা সংকোচিত করে ফেলেন তিনি।

ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!
ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!

সময়কে কাজে লাগানোর চিন্তা করতেই মাথায় দারুণ এক বুদ্ধি আসে। মনস্থির করেন, পাহাড়ের ঢালে সবজি চাষ করবেন। ফোন দেন দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী উন্নয়ন সংস্থা- ডপস’র প্রতিষ্ঠাতা সৈনিক শাহীন মিয়াকে। বলেন, ‘ভাই সবজি চাষ করতে চাই’। শাহীন মিয়া বললেন, ‘তোমাদের তো নিজস্ব কোনো জমি নাই। কোথায় চাষ করবা?’ রাসেল বললেন, ‘ভাই, পাহাড়ের ঢালে ফাঁকা জায়গা আছে অনেক। সেখানে চাষ করব।’ শাহীন মিয়া সায় দিলেন। শুরু হলো তার সবজি চাষের কাজ।

যে ছেলেটি সকালে ঘুম থেকে উঠে নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয় হলের রিডিংরুমে বই নিয়ে পড়াশোনা করতেন, সেই ছেলেটি এখন সাত সকালে উঠে কোমরে গামছা বেঁধে কাঁধে কোদাল নিয়ে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে ছুটে চলেন উঁচু-নিচু পাহাড়ের ঢালে। সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি চলে তার জমি প্রস্তুতকরণের কাজ। দিনশেষে ক্লান্তমনে বাড়ি ফিরে প্রায়ই ফোন করে কাজের অগ্রগতি জানান শাহীন মিয়াকে। চলতে থাকে তার নিরলস পরিশ্রম। বপন করেন বরবটি, কাকরোল, কুমড়া আর ঝিঙার বীজ। পাহাড়ের লাল মাটি ভেদ করে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে থাকে কঁচি সবুজ সতেজ অঙ্কুর। তা দেখে উল্লাসে মাতেন রাসেল মিয়া।

ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!
ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!

কৃষি প্রধান দেশে কৃষিকাজে নেমে প্রকৃতির সাথে মিশে অনেকটা ভুলেই গিয়েছিলেন, তিনি যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের একজন শিক্ষার্থী। মা-মাটির টানে তিনি এখন ব্যস্ত সবজি বাগানের কাজে। গত কয়েকদিন আগে সবজি গাছে সবজি ধরেছে।

ঢাবিতে মেধাতালিকায় চান্স পাওয়ায় জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো-তে ‘রাসেলের স্বপ্ন পূরণ হবে তো!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর তার পরিবার ভূমিহীন কি-না যাচাই করতে তৎকালীন নালিতাবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি মান্নান সোহেল সরেজমিন পরিস্থিতি দেখতে রওনা হন তার বাড়ির দিকে। কিন্তু দুর্গম পাহাড়ে ভূমিহীন রাসেলের ছাপড়াঘর দেখতে যেতে হলে পায়ে হাঁটার বিকল্প নেই। তাই রাস্তায় গাড়ি রেখে পাহাড়ের আঁকাবাঁকা সরু পথ ধরে পায়ে হেঁটে ছুটে যান তাদের বাড়িতে।

ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!
ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!

অন্যের জমিতে একচালা ছাপড়া ঘরে মা-বাবা, ভাই-বোন নিয়ে বসবাস করা মেধাবী রাসেলের পরিবারের অবস্থা নিজের চোখে দেখে ইউএনও নিজেই কেঁদে বার বার রুমাল দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে ভাঙা ঘরে চাঁদের আলো হয়ে জন্ম নেয়া রাসেলকে সাথে নিয়ে যান জেলা প্রশাসকের কাছে। সব শুনে জেলা প্রশাসক বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ভর্তির ব্যাপারে পাঁচ হাজার টাকার সহযোগিতা করেন। পরিবারের করুণ অবস্থার কথা শুনে ভূমিহীন পরিবারটিকে পুনর্বাসনেরও আশ্বাস দেন। কিন্তু ওই আশ্বাস শুধু আশ্বাস-ই রয়ে গেল!

থেমে থাকার পাত্র তো নয় রাসেল। বর্তমানে টিউশনি, উপবৃত্তির টাকা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডপস’র সামান্য সহযোগিতায় চলে তার পড়ালেখা। সরকারিভাবে ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের বিভিন্ন রকমের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রাসেল ও তার পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়নি এখনও। এখনও তারা সেই ছাপড়া ঘরে বসবাস করছে অন্যের জমিতে।

ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!
ঢাবির ভূমিহীন শিক্ষার্থীর সবজি চাষে সাফল্য!

করোনার এই অবসরকালে পাহাড়ের ঢালে ফাঁকা জায়গায় সবজির বাম্পার ফলন ফলিয়েছেন রাসেল। গাছে ধরেছে বরবটি, কাকরোল, কুমড়া আর ঝিঙা। এঁকেবেঁকে বেড়ে উঠেছে পুঁইশাকের গাছ। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাজারজাত করা হবে রাসেলের নিজ হাতে লাগানো সবজিগুলো।

কথায় বলে ‘যে রাঁধতে জানে সে চুলও বাঁধতে জানে’। যার বাস্তব উদাহরণ রাসেল। শিক্ষাজীবনে মেধার স্বাক্ষর রেখে পড়াশোনা করছেন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সবজি বাগান করে আরও একবার প্রমাণ করলেন তিনি অসাধারণ প্রতিভাসম্পন্ন এক মেধাবী।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

নষ্ট অওনের চেয়ে মাইনষে খাউক

নষ্ট অওনের চেয়ে মাইনষে খাউক
নষ্ট অওনের চেয়ে মাইনষে খাউক

বিক্রি না করতে পেরে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত শাক-সবজি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। খেতেই নষ্ট হতে চলেছে স্বপ্নের ফসল। উপযুক্ত ক্রেতার অভাবে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। বারহাট্টা উপজেলার কৃষকরা বরাবরই ধানচাষে আগ্রহী। তবে কৃষি বিভাগের উৎসাহে এ বছর বিস্তর জমিতে শাক-সবজি চাষ করেন। অনুকূল পরিবেশ ও কৃষি বিভাগের নিয়মিত তদারকি থাকায় বাম্পার ফলনও হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে মূল্য কমে যাওয়ায় এখন তারা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

উপজেলার বাসাউড়া প্রামের কৃষক আব্দুল ওয়াহাব বলেন, ৪০ শতক জমিতে বেগুনের চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। দামও ভালো ছিল। এক মাস আগে প্রতি মণ ১ হাজার টাকা দরে বিক্রি শুরু করি। তারপর দাম কমতে থাকে। এখন কেউ কেনেই না। দুইদিন আগে ৪০ মণ বেগুন ১৫০/- টাকা দরে বেইচ্চা দিছি। নষ্ট অওনের চেয়ে মাইনষে খাউক।

‘আজ ৬ মণ বেগুন বিক্রি করছি। দাম দিছে ৪ মণের। ২ মণ ফাউ।’ কষ্ট নিয়ে কথাগুলো উচ্চারণ করলেন নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বারোঘর গ্রামের সবজিচাষি শিশির চৌধুরী।

শিশির চৌধুরী এই উপজেলার সবজি চাষে এক অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। চালকুমড়া, মিস্টিকুমড়া, করলা, লেবু, বেগুন ও ক্যাপসিকাম থেকে শুরু করে মাল্টা, ড্রাগন সবই চাষ করেন। তিনি বলেন, আমি ৬০ শতক জমিতে বেগুন চাষ করছি। ফলন খুব হইছিল। ১৫ দিন আগে এক ট্রাক (৪০ মণ) বেগুন পাঠাইছিলাম ঢাকার কাওরান বাজারে। দাম ধরা ছিল ৩০ হাজার টাকা। তারা ৫ হাজার ১০০ টাকা পাঠাইছে। এখন ক্রেতাই নাই। প্রায় ৮০ মণ বেগুন খেতে নষ্ট অইতাছে। লাভের আশায় বেগুন করছিলাম। অহন খরচ উঠবো না। করোনাভাইরাস আমার ক্ষতি করছে।

বারহাট্টা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাইমিনুর রশিদ বলেন, বারহাট্টার জনসাধারণ সবজির তুলনায় ধান চাষকেই অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। সরকারি নির্দেশে এ বছর সবজিচাষে তাদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। ক্ষেত্র বিশেষে বিনামূল্যে বিজ, সার, কীটনাশক সরবরাহ করা হয়। চলতি বছর উপজেলায় অনেক কৃষক বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষ করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৩৫০ জন কৃষক ১৩০ একর জমিতে বেগুনের চাষ করেন। ফলনও বেশ ভালো হয়। কৃষকরা তাদের খেতের বেগুন ট্রাক বোঝাই করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করতে শুরু করেন। কিন্তু বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে এখন তাদের মাথায় হাত।

অনেক কৃষক জানিয়েছেন, একমাস আগে প্রতি মণ (৪০ কেজি) বেগুন বিক্রি হয়েছে ৭৫০ থেকে ১ হাজার টাকা দরে। এখন সেই বেগুনের মূল্য নেমে এসেছে প্রতি মণ ১৫০ টাকায়। সময়মতো ক্রেতাও পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি আমাদেরও উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com