আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফসল

যশোরে ফুলের রাজ্যে করোনার হানা, বিপর্যয়ের মুখে ফুলচাষিরা

আজিজুর সরদার সাড়ে পাঁচ বিঘা জমিতে ফুল এবং দেড় বিঘা জমিতে ঝাউয়ের নার্সারি করেছিলেন। মাসে গড়ে তাঁর ফুল ও চারা বিক্রি হতো দেড় লাখ টাকার বেশি। গত বছর করোনার প্রকোপের সময় পাঁচ মাসে তাঁর ফুল ও চারা বিক্রি হয়নি বললেই চলে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে তাঁর দেড় বিঘা জমির জারবেরা ও চায়না গোলাপের দুটি পলিশেড উড়ে যায়। এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে একটি শেড মেরামত করেন। গত বছর আগস্ট থেকে ঘুরে দাঁড়ায় ফুলের বাজার। করোনা-আম্পানের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে থাকেন তিনি। এরই মধ্যে গত এপ্রিলে আছড়ে পড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। বন্ধ হয়ে যায় ফুল বিক্রি। আবার বিপাকে পড়েন ফুলচাষি আজিজুর সরদার।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা গ্রামে আজিজুর সরদারের বাড়ি। তিনি বলেন, ‘ব্যাংক ও এনজিও থেকে ১৩ লাখ টাকার ঋণ নিয়ে ফুল চাষ করেছি। ফুল বিক্রি না হওয়ায় আড়াই বিঘা জমির ফুলখেত ভেঙে মরিচ ও টমেটো লাগিয়েছি। সংসার আর চলছে না। না পারছি অন্যের কাছে হাত পাততে, না পারছি অন্যের খেতে কাজ করতে।’বিজ্ঞাপন

আজিজুর সরদারের মতো বিপাকে পড়েছেন ফুলের রাজ্য হিসেবে পরিচিত যশোরের গদখালী এলাকার প্রায় সাড়ে ছয় হাজার ফুলচাষি।

পটুয়াপাড়া গ্রামের সাহিদা বেগমের ফুল আছে ১০ বিঘা জমিতে। অন্যের জমি লিজ নিয়ে তিনি ফুলের চাষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘গত বছর করোনার পর ফুলের দাম ভালো ছিল। গত এপ্রিল থেকে ফুল বিক্রি নেই। টাকার অভাবে খেত পরিচর্যা করছি না। খেতেই ফুল নষ্ট হচ্ছে। দুই বিঘা জমিতে ধান করেছিলাম। তাই দিয়ে কোনোরকমে সংসার চালাচ্ছি।’

পানিসারা গ্রামের ফুলচাষি শফিকুল ইসলাম ঢালীর দুই বিঘা জমিতে জারবেরার চাষ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘করোনার পর ফুলের ভালো দাম পেয়েছিলাম। এখন আবার ফুল বিক্রি বন্ধ। মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। দেড় বিঘা জমি বিক্রি করে দিয়েছি। বর্তমানে জমি বিক্রির টাকা ভেঙে খাচ্ছি। ওই টাকা দিয়ে চিকিৎসা নিয়েছি, ব্যাংকঋণ শোধ করেছি এবং কিছু টাকা দিয়ে ফুলের খেত পরিচর্যা করছি। বিদেশ থেকে প্লাস্টিকের ফুল আমদানি করা হচ্ছে। এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’

চার বিঘা জমিতে জারবেরা ও সাড়ে পাঁচ বিঘা জমিতে গ্লাডিওলাস ও রজনীগন্ধা রয়েছে উপজেলার গদখালী গ্রামের ফুলচাষি আশরাফুল ইসলামের। তিনি বলেন, ‘খুবই খারাপ অবস্থা। না পারছি ফুল চাষ ছেড়ে দিতে, না পারছি ধরে রাখতে। ১৫ লাখ টাকার মতো দেনা হয়েছি। এই টাকা দিয়ে সংসার চালাচ্ছি, পাশাপাশি ফুলখেত কোনোরকমে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছি।’

১৯৮২ সালে ছোট্ট একটি নার্সারির মাধ্যমে ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা এলাকায় ফুলের চাষ শুরু করেন শের আলী সরদার। তিনি এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত। শের আলী সরদার বলেন, ‘গত বছর করোনা ও আম্পানের পর চাষিরা নিজ উদ্যোগে আবার ফুল চাষ শুরু করেছিলেন। এর মধ্যে আবার লকডাউনে সব শেষ। ৪২ বছরের ফুল চাষের জীবনে এমন ঘটনা আমি আগে কখনো দেখিনি। গদখালীর ফুলের চাষ উঠে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে।’

ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন বলেন, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের প্রায় ৬২৫ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে দেশি-বিদেশি নানা জাতের ফুলের চাষ হচ্ছে। ফুল চাষের সঙ্গে এখানকার প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কৃষক এবং প্রায় এক লাখ শ্রমিক সম্পৃক্ত রয়েছেন। করোনার কারণে ফুলের বাজার বন্ধ রয়েছে। খেতে ফুল নষ্ট হচ্ছে। ফুলচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

মাসুদ হোসেন আরও বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত ৬০ জন ফুলচাষিকে ৩০০ কেজি আউশ ধানের বীজ এবং ১০০ জনকে ৩০ হাজার টমেটোর চারা দিয়েছি।’

ঝিকরগাছার গদখালী এবং এর আশপাশের পানিসারা, নাভারণ এলাকায় ৭৫টি গ্রামের একরের পর একর জমিতে বছরজুড়ে উৎপাদিত হচ্ছে দেশি-বিদেশি নানা জাতের ফুল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রজনীগন্ধা, গোলাপ, চায়না গোলাপ, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, জারবেরা, রথস্টিক, জিপসি, ক্যালেন্ডুলা, চন্দ্রমল্লিকা প্রভৃতি। এসব ফুল সারা দেশের চাহিদা মেটাচ্ছে। রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও।

এলাকায় উৎপাদিত ফুল বিক্রির জন্য গদখালীতে যশোর রোডের দুই ধারে রয়েছে ফুলের বাজার। যশোর শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার পশ্চিমে ‘যশোর রোড’ নামে পরিচিত যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশে দেশের বৃহত্তম ফুলের বাজার গদখালী।

বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আবদুর রহিম বলেন, দেশের চাহিদার শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ ফুল যশোর থেকে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। করোনার কারণে গত বছর ৫ মাস এবং এ বছরের ৩ মাসে ফুল বিক্রির সুযোগ না থাকায় প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ফুল নষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে শুধু যশোর অঞ্চলে অন্তত ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩০০ জন চাষিকে ২ কোটি টাকার মতো ঋণ দেওয়া হয়েছে। বেশিসংখ্যক ফুলচাষিকে ঋণ দেওয়া না গেলে এই খাত বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়বে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

ফসল

ব্লাস্ট-প্রতিরোধী গমের নতুন জাত

ব্লাস্ট-প্রতিরোধী গমের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই)। ইতিমধ্যে জাতীয় বীজ বোর্ড জাতটি অনুমোদন দিয়েছে। এর নামকরণ করা হয়েছে ‘ডব্লিউএমআরআই গম-৩’। আগামী বছর থেকে চাষের জন্য এই জাতের গমবীজ কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ করা হবে।

ডব্লিউএমআরআইয়ের গম গবেষকেরা বলছেন, জাতীয় বীজ বোর্ড এ পর্যন্ত গমের ‘ব্লাস্ট রোগপ্রতিরোধী’ দুটি জাতের অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) ব্লাস্ট রোগপ্রতিরোধী গমের একটি জাত উদ্ভাবন করে। ২০১৭ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড ব্লাস্ট রোগপ্রতিরোধী জাত হিসেবে ‘বারি গম-৩৩’ নামে জাতটিকে অনুমোদন দেয়। এই জাত ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধে সক্ষম। আর নতুন উদ্ভাবিত ডব্লিউএমআরআই গম-৩ জাতটি ৯৯ দশমিক ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ব্লাস্ট রোগপ্রতিরোধী।বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সদস্য পরিচালক (বীজ ও উদ্যান) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জাতীয় বীজ বোর্ডেরও সদস্য। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ডব্লিউএমআরআই গম-৩ জাতটি ব্লাস্ট রোগপ্রতিরোধী জাত হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর থেকে জাতটি কৃষক পর্যায়ে আসবে।

বিডব্লিউএমআরআইয়ের গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক গম ও ভুট্টা উন্নয়ন কেন্দ্রের (সিমিট) চারটি জাতের সঙ্গে সংকরায়ণের মাধ্যমে উচ্চফলনশীল গমের এই জাত পাওয়া গেছে। এটি গমের ব্লাস্ট রোগ, পাতার দাগ রোগ ও মরিচা রোগপ্রতিরোধী এবং তাপসহিষ্ণু। জাতটি প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল। এর জীবনকাল ১০৮-১১৪ দিন। জাতটির গাছ শক্ত, শিষ লম্বা এবং প্রতি শিষে দানার সংখ্যা ৪৮-৫৪টি। দানার আকার মাঝারি, রং সাদা চকচকে এবং হাজার দানার ওজন ৪২-৪৬ গ্রাম। গাছের রং গাঢ় সবুজ। উপযুক্ত পরিবেশে হেক্টরপ্রতি ফলন চার থেকে পাঁচ মেট্রিক টন।বিজ্ঞাপন

জাতটি ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বপনের উপযুক্ত সময়। তবে মধ্যম মাত্রার তাপ সহনশীল হওয়ায় এটি ৫ থেকে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে বপন করলে অন্য জাতের তুলনায় বেশি ফলন পাওয়া যায়। ২০১৪ সালে জাতটি নিয়ে গবেষণা শুরু হয়। রবি মৌসুমে দেশের ১৩টি স্থানে জাতটির মাঠপর্যায়ে গবেষণা হয়। গমের এ জাতের চূড়ান্ত মাঠ পরীক্ষা হয় বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্রে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষা হয় বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় দিনাজপুর এবং বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি গাজীপুরে। এরপর গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় বীজ বোর্ডের ১০৩তম সভায় ‘ডব্লিউএমআরআই গম-৩’ নামে গমের এই জাতকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

* গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় বীজ বোর্ডের ১০৩তম সভায় ‘ডব্লিউএমআরআই গম-৩’ নামের এই জাতকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। * এ বছর ভিত্তি বীজ উৎপাদনের জন্য বিএডিসিকে ব্রিডার সিড দেওয়া হবে। আবাদের জন্য আগামী বছর বীজ কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ করা হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যশোর, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল ও ভোলায় গমে ব্লাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ৭টি জেলার প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির গম এ রোগের আক্রমণের শিকার হয়। এতে গমের উৎপাদন এক–তৃতীয়াংশ কমে যায়। কৃষকেরা মূলত বারি গম-২৬ জাতটি বেশি পরিমাণে চাষ করেন। ওই জাতের গমে ব্লাস্ট ব্যাপক আকারে আক্রমণ করে।

কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গমের ব্লাস্ট একটি ক্ষতিকর ছত্রাকজনিত রোগ। গমের শিষ বের হওয়া থেকে ফুল ফোটার সময়ে তুলনামূলক গরম ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া থাকলে এ রোগের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। প্রধানত গমের শিষে ছত্রাকের আক্রমণ হয়। শিষের আক্রান্ত স্থানে কালো দাগ পড়ে। আক্রান্ত স্থানের ওপরের অংশ সাদা হয়ে যায়। তবে শিষের গোড়ায় আক্রমণ হলে পুরো শিষ শুকিয়ে সাদা হয়ে যায়। আক্রান্ত শিষের দানা অপুষ্ট হয় ও কুঁচকে যায়। দানা ধূসর বর্ণের হয়ে যায়। গমের পাতায়ও এ রোগের আক্রমণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে পাতায় চোখের মতো ধূসর বর্ণের ছোট ছোট দাগ পড়ে।

যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৬ সালে প্রথম দেখা দেওয়ার সময় গমের ব্লাস্ট রোগটি আমাদের দেশে ছিল একেবারেই নতুন। গমে এই রোগ দেখা দেওয়ার পর গবেষণা শুরু হয়। এরপর বারি গম-৩৩ নামে নতুন ব্লাস্ট রোগপ্রতিরোধী একটি জাত উদ্ভাবন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গমের ব্লাস্ট রোগপ্রতিরোধী ডব্লিউএমআরআই গম-৩ জাতটি উদ্ভাবন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আবদুল হাকিম বলেন, নতুন উদ্ভাবিত জাতটি জাতীয় বীজ বোর্ড ‘ব্লাস্ট রোগপ্রতিরোধী’ জাত হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। এ বছর ভিত্তি বীজ উৎপাদনের জন্য বিএডিসিকে ব্রিডার সিড দেওয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৩৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ

লেখক

চলতি মৌসুমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় ১লাখ ৬৬হাজার ৩শ’৩৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।আবাদকৃত জমিতে ২০লাখ ৮৫হাজার ৯১০ বেল পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।গত বছর পাটের দাম ভালো পাওয়ায় এবছর বেশি জমিতে কৃষকরা পাটের আবাদ করেছেন বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলা হচ্ছে-যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর ।


যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় মোট ১লাখ ৬৬হাজার ৩শ’৩৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।এর মধ্যে যশোর জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২৬হাজার ১শ’২৫হেক্টর জমিতে,ঝিনাইদহ জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২২হাজার ৮শ’৬০ হেক্টর জমিতে, মাগুরা জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ৩৫হাজার ৮শ’২০ হেক্টর জমিতে, কুষ্টিয়া জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ৪০হাজার ৯শ’৬৬ হেক্টর জমিতে, চুয়াডাঙ্গা জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২০হাজার ৫শ’২৭ হেক্টর জমিতে এবং মেহেরপুর জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২০হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,যশোর সদর উপজেলার, বাঘারপাড়া উপজেলার,ঝিকরগাছা উপজেলার,চৌগাছা উপজেলার এবং মাগুরা জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠের পর মাঠ জুড়ে পাটের পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণ-কৃষাণীরা।


যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদুল আমিন জানান,কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে পাট চাষেিদর উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক পাট চাষে সহজশর্তে কৃষকদের লোন প্রদান করছে। গত কয়েক বছর যাবত পাটের দাম ভালো থাকায় এ অঞ্চলের জেলাগুলোতে পাটের আবাদ দিন দিন বাড়ছে বলে তিনি জানান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

জয়পুরহাটে ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

লেখক

খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে চলতি ২০২১-২০২২ মৌসুমে ৬৯ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। ইতোমধ্যে রোপা আমনের চারার জন্য বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় চলতি ২০২১-২২ মৌসুমে ৬৯ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ ফলনশীল জাতের ৬৩ হাজার ৬০০ হেক্টর, হাইব্রিড জাতের ৫ হাজার ৩৬০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের রয়েছে এক হাজার ৭০০ হেক্টর।

এতে চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ মেট্রিক টন চাল। চলতি আষাঢ় মাসে বৃষ্টিপাত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে ফলে রোপা আমন চাষে এবার কোন সমস্যা হবেনা। চলতি জুলাই দ্বিতীয় সপ্তাহের পর থেকে আমনের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স ম মেফতাহুল বারি।
কৃষি বিভাগ জানায়, জয়পুরহাটে চলতি ২০২১-২২ মৌসুমে রোপা আমন চাষ সফল করতে ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগের হিসেব মতে জেলায় এবার বোরো চাল উৎপাদন হয়েছে সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে জেলায় শতভাগ বোরো ধান কাটা মাড়াই শেষ হয়েছে। কৃষকরা বর্তমানে রোপা আমন চাষের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

আঙিনা কৃষি

নড়াইলে বাড়ির আঙিনাতে মিশ্র ফলবাগান করে লাখোপতি কৃষক বাবুল হোসেন

লেখক

বাড়ির আঙিনাতে মিশ্র ফলবাগান করে লাখোপতি হয়েছেন নড়াইলের এক কৃষক। পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন নার্সারি ও সবজি ক্ষেত। মিশ্র এ ফলবাগানে রয়েছে হরেক রকম ফলমূল। কোনো প্রকার কীটনাশক ছাড়া জৈব সার ও বালাইনাশক ব্যবহার করে বিভিন্ন জাতের ফল এবং শাক-সবজি বাজারজাত করছেন কৃষক বাবুল হোসেন (৪৮)। তার বাড়ি নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গোবিন্দনগর এলাকায়। খরচ বাদে বছরে আয় করেন লক্ষাধিক টাকা। বসত বাড়ির আঙিনাসহ পাশের এক একর জমিতে ব্যতিক্রমী এ বাগানটি ২০১০ সালে গড়ে তোলেন তিনি। বাবুল হোসেনের এ ব্যতিক্রমী বাগান দেখে অনুপ্রাণিত এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাবুল হোসেনের মিশ্র ফল বাগানে থোকায় থোকায় ঝুলছে বিভিন্ন জাতের মাল্টা, কমলা লেবু, আনারস, ড্রাগন, ডালিম, আম, পেয়ারা, আমড়া, কলা, পেঁপেসহ হরেক রকম দেশি-বিদেশি ফলমূল। সেই সঙ্গে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজিসহ নার্সারি ক্ষেত রয়েছে। এছাড়া রয়েছে দুর্লভ ট্যাং ও স্ট্রবেরি ফলের চাষাবাদ।


বাবুল হোসেন বাসসকে জানান, প্রথমদিকে বসতবাড়ির আঙিনায় ৬০ শতক জমিতে নার্সারির আবাদ শুরু করেন তিনি। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় দুই বছর পর ২০১০ নার্সারির মধ্যেই শুরু করেন মিশ্র ফলবাগান। এদিকে প্রায় আট মাস আগে আরো ৪০ শতক জমিতে আরেকটি মিশ্র ফলবাগান শুরু করেন তিনি। মোট এক একর জমিতে ১৩০ প্রজাতির ফলজ ও নার্সারির চারা রয়েছে এখানে। বাগান পরিচর্যায় তাকে সহযোগিতা করেন স্ত্রী ও দুই সন্তান। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে নার্সারিসহ মিশ্র ফলবাগানের পরিধি আরো বাড়াবেন বলে জানিয়েছেন বাবুল হোসেন।


এদিকে, বাবুল হোসেনের ব্যতিক্রমী ফলবাগান দেখে অনুপ্রাণিত এলাকাবাসী। কালিয়া উপজেলার খাশিয়াল ইউনিয়নের শুড়িগাতী গ্রামের খাইরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বাবুল হোসেনের ব্যতিক্রমী বাগানে হরেক রকম ফল রয়েছে। পাশাপাশি নার্সারি রয়েছে। তার বাগান দেখে অনেক ভালো লেগেছে। আমাদের বসতবাড়ির আশেপাশে এমন একটি বাগান করার শখ হয়েছে।
কালিয়া পৌরসভার মেয়র ওয়াহিদুজ্জামান হীরা বলেন, পৌর এলাকায় বাবুল হোসেনের ব্যতিক্রমী ফলবাগান ও নার্সারি মুগ্ধ করবে সবাইকে। পতিত জমি বা বসতবাড়ির আশেপাশে যাদের বাগান করার সুযোগ রয়েছে, তাদের উচিত এ ধরণের মিশ্র ফলবাগান গড়ে তোলা। তাহলে পারিবারিক ভাবে যেমন দেশি-বিদেশি ফলের চাহিদা পূরণ হবে, তেমনি আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন তারা।
কালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, বসতবাড়ির আঙিনায় বাবুল হোসেনের মিশ্র ফলবাগানটি যেমন ব্যতিক্রম, তেমনি তাকে এনে দিয়েছে আর্থিক স্বচ্ছলতা। ব্যতিক্রমী এ বাগান দেখে অনুপ্রাণিত অন্যরাও। তার বাগানের পরিধি ও সমৃদ্ধি অর্জনে আমাদের সুদৃষ্টি রয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

ভোলায় সার্জন পদ্ধতিতে সবজি চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে

লেখক

জেলায় পতিত জমি ব্যবহার করে সার্জর পদ্ধতিতে সবজি চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরে ৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে এ পদ্ধতিতে সবজি ও মাছ চাষ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে দুই হাজার ৭’শ ৪৩ হেক্টর জমি বেশি। ফলে সবজির পাশাপাশি মাছ চাষ করে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছেন কৃষকরা। এ পদ্ধতিতে রাসয়নিক সারমুক্ত নিরাপদ প্রচুর সবজি উৎপাদন করা সম্ভব। এসব সবজির মধ্যে রয়েছে লাউ, শসা, বরবটি, করোল্লা, মিষ্টি কুমর রেখা, দুন্দল ইত্যাদি। এছাড়া মাছের মধ্যে স্বল্প সময়ে বড় হওয়া গ্লাস কার্প, রুই, মৃগেল, তেলাপিয়া, পাঙ্গাস, চাইনিজ পুটি, স্বরপুটি রয়েছে।


প্রতি খন্ডকালীন ৩-৪ মাস পর পর এখানে সবজির মৌসুম হিসেবে চাষ হয়। একেকটি মৌসুমে প্রায় এক লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিকটন সবজি উৎপাদন হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। এছাড়া বেশ কিছু ফল বাগান সার্জন পদ্ধতির আওতায় আনা হয়েছে। এতে করে বর্ষার প্রায় ৬ মাস পতিত জমিতে মাছ চাষে করে কৃষকরা বাড়তি লাভবান হচ্ছে। তাই অনেকেই এ পদ্ধতির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে।
চরফ্যাসন উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের চর ফকিরা গ্রামে ৪০ জন কৃষকের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল ৭০ একর জমিতে সম্মিলিতভাবে সার্জন পদ্ধতিতে সবজির চাষ করছেন। এ দলের কৃষক মো: সোলায়মান, মো: কামাল, আইয়ুব আলী, লোকমান, মফিজুল ইসলাম জানান, তারা ২০১৬ সালে মাত্র ৯ একর জমিতে সার্জন পদ্ধতিতে সবজি চাষ শুরু করেন। যা বর্তমানে ৭০ একর জমিতে পৌঁছেছে। তাদের একর প্রতি সবজি চাষে খরচ হয় ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা। আর লাভ হয় ২ লাখ ৩০ থেকে আড়াই লাখ টাকা। আর মাছ চাষে একর প্রতি আয় হয় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা।

এ  দলের অপর কৃষক মো: জসিম উদ্দিন বলেন, বর্ষাকালের এ ৬ মাসে ৫০ গ্রাম ওজনের গ্লাস কার্প মাছ ছাড়লে তা ২ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়। রুই ও মৃগেল ৫০ গ্রাম ছাড়লে সাড়ে ৪’শ গ্রাম হয়। এছাড়া তেলাপিয়া ও পুটি মাছ বিক্রির উপযোগী হয় ৬ মাসে। এসব জলাশয়ে মাছের সাধারণত খাবার দিতে হয়না। বিশেষ সবজি বা ঘাসের পচা অংশ, শামুক, ছোট পোকা ইত্যাদি প্রাকৃতিক খাবারই এরা বেশি খায়। বৃষ্টির নতুন পানিও মাছকে বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
সদর উপজেলার শীবপুর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের কৃষক মো: শাহেদ আলী জানান, এ পদ্ধতিতে পরিত্যক্ত বা নিচু জমির সঠিক ব্যবহার হয়। ৭ থেকে ৮ ফুট প্রস্ততায় ও ৩ থেকে ৪ ফুট গভীরে মাটি কেটে দুই পাড় উঁচু করতে হয়। এমনি করে পাশাপাশি একাধিক প্লট তৈরি করে গর্তে মাছ চাষ ও পাড়ে সবজির চাষ করা হয়। জলাশয়ের উপরে জাল বিছিয়ে মাঁচা তৈরি করে দিতে হয়, যাতে সবজির লতা বেয়ে উঠতে পারে। পাড়ের নতুন মাটিতে উর্বর শক্তি বেশি থাকায় উৎপাদন ভালো হয়।


একই এলাকার কৃষক আমানত আলী বলেন, শুুস্ক মৌসুমে যখন জলাধারে পানি থাকেনা, তখন প্রচুর ঘাস জন্মায়। যা গবাদি পশুর খাদ্য চাহিদা মেটায়। তাই এ প্রকল্পে কোন লস নাই। অনেকেই আগ্রহ দেখাচ্ছে সার্জনের প্রতি।
কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার ৭ উপজেলার মধ্যে সবচে বেশি সার্জন পদ্ধতি অনুসরণ হচ্ছে চরফ্যাসন উপজেলায়। এ উপজেলায় ৬ হাজার হেক্টর জমি এ পদ্ধতির আওতায় এসেছে। একইভাবে সদর উপজেলায় ১৪৩ হেক্টর, দৌলতখানে ১৫০, বোরহানউদ্দিনে ৩৫০, লালমোহনে ৫০০, তজুমদ্দিনে ৭৫ ও মনপুরায় ২৫ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: রিয়াজউদ্দিন বলেন, ভোলায় সাধারণত জোয়ারে পানি উঠে এবং ভাটায় নেমে যায়। যাকে বলে জোয়ার ভাটার এলাকা। আর সবজি ফসল স্থায়ীভাবে পানি সহ্য করতে পারেনা। এজন্য সার্জনের মাধ্যমে সবজি লাগানোর স্থান উঁচু করে নেওয়া হয়। পানি বেশি বা বৃষ্টি হলেও গাছের গোড়ায় পানি জমেনা। সার্জনে ১২ মাস সবজি আবাদ করতে কোন সমস্যা হয়না। ধান বা অনান্য ফসলের চেয়ে সবজিতে লাভ বেশি। সদর উপজেলার মধ্যে শীবপুর ইউনিয়ন, রাজাপুর, চরসামাইয়া ও ভেলুমিয়া ইউনিয়নে এ পদ্ধতি বেশি হয় বলে জানান তিনি।

লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এফ এম শাহাবুদ্দিন বলেন, তার উপজেলায় সার্জন পদ্ধতিতে সবজি চাষে কৃষকদের  আগ্রহী করা হচ্ছে। চলতি বছর বেশ কিছু আম ও মাল্টা বাগান সার্জনের আওতায় আনা হয়েছে। ্এতে করে ফলের পাশাপাশি মাছ ও সবজি বিক্রি করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে।


জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আবু মো: এনায়েতউল্লাহ বাসস’কে জানান, সার্জন পদ্ধতি কৃষি জমির অসাধারণ ব্যবহার। বিশেষ করে শীতের সময় সবজির বেশি দাম না পাওয়া গেলেও বর্ষার সময়টাতে সবজির ভালো দাম পাওয়া যায়। সামনের কোরবানীর ঈদে প্রচুর শসার চাহিদা থাকবে। মাছকে তেমন খাবার দিতে হয়না, সবজিতেও রাসয়নিক সার দিতে হয়না। তাই খরচ কম হয়। প্রায় ১০ হাজার পরিবার সার্জনের সাথে জড়িত।
তিনি অরো বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে কৃষক প্রশিক্ষণসহ সব ধরনের পরামর্শ সেবা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। এ অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে জলবদ্ধ জমির পরিমান বেশি, এ জমিকে শতভাগ কাজে লাগিয়ে আগামীতে এ প্রকল্প আরো সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনার কথা বলেন তিনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com