আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

বেশি দামে সার বিক্রি বন্ধে যশোরে কঠোর মনিটরিং

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ বেশি দামে সার বিক্রি বন্ধে যশোরে চলছে কঠোর মনিটরিং। মজুদের মাধ্যমে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি রোধে সারের গুদাম পরিদর্শন করা হচ্ছে। সেই সাথে তদারকি করা হচ্ছে সারের সরকারী বাজার দরও। ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতিতে সারের গুদাম ‘চেক’ ও বাজার তদারকি করছে কৃষি বিপণন অধিদফতর। জেলার চাহিদা মাফিক সারের চালান আসার পর অধিদফতরের যশোর কার্যালয় এই তৎপরতা শুরু করেছে। উদ্দেশ্য চাহিদা অনুযায়ী সারের সরবরাহ ও সরকার নির্ধারিত মূল্য নিশ্চিত করা। জানা গেছে, সারের বাজার স্থিতিশীল ও চাহিদার অনুপাতে সরবরাহ ঠিক রাখতে সরকারের কৃষি বিপণন আইনের প্রয়োগ করবে সংশ্লিষ্টরা। এই আইন বলে সারের দোকান, ডিলার পয়েন্ট ও গুদাম পরিদর্শন চলছে। এক্ষেত্রে মূল্য তালিকা না টাঙ্গানোসহ সরকার নির্ধারিত দামের বেশি নিলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলার কৃষি বিভাগ সূত্র বলছে, সারের সঙ্কট কেটে গেছে। যশোরে ইতিমধ্যে প্রায় ২২ হাজার মেট্রিকটন সারের চালান এসে পৌঁছেছে। তাই সার নিয়ে এখন আর কোন ধরনের সমস্যা নেই। যশোর ও নড়াইল জেলার জন্য ওই পরিমাণ সারের চালান এসেছে। সূত্রমতে, আগস্ট মাসে জেলায় সারের চাহিদা ছিল ৯ হাজার ১৫২ মেট্রিকটন। আর চাহিদার সম্পূর্ণটাই এখানকার বাফার গোডাউনে এসে পৌঁছার পর সেগুলো ডিলার পর্যায়ে উত্তোলনও শেষের পথে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) তালিকাভুক্ত ডিলারারও গুদাম থেকে ৪ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন সার উত্তোলন করেছে। শীঘ্রই আরও ২ হাজার ৪ হাজার মেট্রিক টন সারের চালান আসছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর যশোরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ^াস জানান, জেলায় বর্তমানে সারের কোন সঙ্কট নেই। আগস্ট মাসে যে পরিমাণ সারের চাহিদা ছিল সেই পরিমাণ সার গুদামগুলোয় এসে পৌঁছেছে।

এদিকে ২/৩ সপ্তাহ আগে সারের সঙ্কট থাকায় মাঠ পর্যায়ের বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দেন। চৌগাছায় গত বৃহস্পতিবারও বেশি দামে সার বিক্রির খবর পাওয়া গেছে। সারের সঙ্কটের রাসায়নিক সারের সরবরাহ বৃদ্ধির পর বাজার তদারকি অভিযান জোরদারের পাশাপাশি সারের গুদাম পরিদর্শন শুরু হয়েছে। কৃষি বিপণন অধিদফতর তত্ত্বাবধায়নে এই তদারকি ও গুদাম পরিদর্শন চলছে। এক্ষেত্রে কোন অনিয়ম ধরা পড়লে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত উপস্থিত থাকছে। বৃহস্পতিবার সারের বাজার তদারকিতে নামে কৃষি বিপণন অধিদফতর। সরকারী এই প্রতিষ্ঠানটির যশোরস্থ সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার সদরের পুলেরহাট বাজারে এই তদারকি অভিযান চলে। কিন্তু এ সময় পুলিশের উপস্থিতি দেখে অনেক সার ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে সটকে পড়েন।

এ ছাড়াও যশোরের বাঘারপাড়ার নারকেলবাড়িয়ায়ও এদিন ২টি সারের দোকানসহ ৮টি গুদাম পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে দেখা যায়, ৮টি গুদামের ধারণক্ষমতা ৪৫ থেকে ৫০০ মেট্রিক টন। আর সেখানে সার রয়েছে ২৫০ মেট্রিক টন। আর গুদামে সারের এমন সংগ্রহ বলে দিচ্ছে যশোরের বাজারের এখন সারের আর কোন সঙ্কট নেই।

জেলা বাজার কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খান জানান, বাজার তদারকির পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠান ও গুদাম পরিদর্শন কার্যক্রম চলমান থাকবে। সারের বাজারজাত নিয়ে কোন অনিয়ম নজরে পড়লে ছাড় দেয়া হবে না। কৃষি বিপণন আইন অনুযায়ী তৎক্ষণাৎ জেল বা জরিমানার পাশাপাশি প্রয়োজন বোধে জুডিসিয়াল সার্ভিসে মামলা দায়ের হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোবিজ

ফের বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

ফের প্রতি লিটার ভোজ্যতেলের দাম বাড়ল ৪ টাকা। এই সিদ্ধান্ত সোমবার থেকে কার্যকর হবে।

রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ীদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বাজারে সর্বোচ্চ ১২৯ টাকা দরে বিক্রি হবে। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৩ টাকা। পাঁচ লিটার বোতলের সয়াবিনের সর্বোচ্চ খুচরা দাম হবে ৭২৮ টাকা। প্রতি লিটার খোলা পাম সুপারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৬ টাকা।

এদিকে গত মে মাসে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিনের দাম ১২৯ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ ও জনসাধারণের কথা বিবেচনা করে দাম ৪ টাকা কমিয়ে ১২৫ টাকা দরে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজকের বৈঠকে মে মাসের নির্ধারিত দাম প্রতি লিটার ১২৯ টাকাই পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

১৭৯ কোটি টাকার গম আমদানির সিদ্ধান্ত

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে খাদ্য চাহিদা মেটাতে ৫০ হাজার টন গম আমদানি করা হবে। ১২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রোটিন মাত্রার এ পরিমাণ গম আমদানিতে ব্যয় হবে ১৭৯ কোটি ৫০ লাখ ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা। বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ বিষয়ক একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সামসুল আরেফিন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আরেফিন বলেন, সরকার ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানি করবে। এজন্য আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হলে একটি দরপত্র জমা পড়ে যা রেসপনসিভ হয়। দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশকৃত রেসপনসিভ একমাত্র দরদাতা প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরের এগ্রোকরপ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কাছ থেকে গম কেনা হবে।

তিনি বলেন, প্রতি টন গম ৪২১ দশমিক ৩৮ মার্কিন ডলার হিসেবে সর্বমোট ২ কোটি ১০ লাখ ৬৯ হাজার মার্কিন ডলারে কেনা হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ১৭৯ কোটি ৫০ লাখ ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা। খাদ্যের চাহিদা মেটাইতেই গম আমদানির প্রত্যাশামূলক প্রস্তাবটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

যুক্তরাজ্যে ভিয়েতনামের কফি রফতানি কমেছে

চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) যুক্তরাজ্যে ভিয়েতনামের কফি রফতানি কমেছে। ভোক্তাদের পছন্দ ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে না পারায় রফতানিতে এমন মন্দা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি কভিড-১৯ মহামারীর চতুর্থ ঢেউ দেশটির কফি রফতানি খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। খবর ভিএন এক্সপ্রেস ইন্টারন্যাশনাল।

ভিয়েতনাম বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ কফি উৎপাদক। দেশটি বছরের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাজ্যে ১৬ হাজার ৪০০ টন কফি রফতানি করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এদিকে মূল্যমানের দিক থেকে রফতানি কমেছে ৪৯ দশমিক ৯ শতাংশ। এ সময় যুক্তরাজ্যের কফি বাজারে ভিয়েতনামের হিস্যা কমে ২৭ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে ১৬ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমে যায়। জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত ভিয়েতনাম ও হন্ডুরাস ছাড়া সব সরবরাহকারী দেশ থেকেই কফি আমদানি বাড়িয়েছে যুক্তরাজ্য।

ব্রিটিশরা প্রধানত ইন্সট্যান্ট কফি ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু ভিয়েতনাম যুক্তরাজ্যে অপরিশোধিত ও স্বল্প প্রক্রিয়াজাত কফি রফতানি করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের ভোক্তাদের চাহিদা ও অন্যান্য শর্ত মাথায় রেখে ভিয়েতনামকে রফতানি বৃদ্ধিতে জোর প্রচেষ্টা চালানো উচিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বিপর্যয়ে ব্রাজিলের ভুট্টা উৎপাদন খাত

ব্রাজিলে ভুট্টা উৎপাদন হ্রাসের পূর্বাভাস মিলেছে। দেশটিতে ভুট্টার আবাদ বাড়লেও খরা ও তীব্র তুষারপাতের কারণে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ব্রাজিলের ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল এজেন্সি কোনাব এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ব্রাজিল গত মৌসুমে ১০ কোটি ২৬ লাখ টন ভুট্টা উৎপাদন করেছিল। চলতি মৌসুমে উৎপাদন কমে ৮ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টনে নেমে আসার পূর্বাভাস দেয় কোনাব। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে আগস্টে দেয়া এ পূর্বাভাস আরো কমিয়ে সম্প্রতি ৮ কোটি ৫৭ লাখ ৪৯ হাজার টনে নামিয়ে আনা হয়েছে।

মাসভিত্তিক এক সমীক্ষায় কোনাব জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ভুট্টার বিপণন মৌসুম শুরু হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারিতে মৌসুম শেষ হবে। মৌসুম শেষে খাদ্যশস্যটির উৎপাদন আগস্টে দেয়া পূর্বাভাসের তুলনায় কমবে। ব্রাজিলের ভুট্টা উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ রাজ্যগুলোতে খরার কারণে জমির মাটি শুকিয়ে ভুট্টা গাছ মরে গেছে। খরার ধকল সামলে ওঠার আগেই জুনের শেষ দিকে দেখা দেয় তীব্র তুষারপাত। আবহাওয়ার এমন বিরূপ প্রভাবে দেশটির ভুট্টা উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চলতি মৌসুমে ব্রাজিলে প্রায় ১ কোটি ৪৯ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জামিতে ভুট্টা আবাদ করা হয়েছে। গত মৌসুমের তুলনায় আবাদ বেড়েছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে প্রতি হেক্টর জমির উৎপাদন সক্ষমতা কমেছে ২৭ শতাংশ। বর্তমানে প্রতি হেক্টর জমি থেকে ৩ হাজার ৯৮২ কেজি ভুট্টা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় কোনাব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম বেড়েছে

ফিউচার মার্কেটে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম বেড়েছে। সর্বশেষ কার্যদিবসে পণ্যটির দাম ১ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। এ নিয়ে টানা তিন কার্যদিবসে পাম অয়েলের মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎপাদনে মন্দার আশঙ্কা এবং চলতি মাসের প্রথমার্ধে ঊর্ধ্বমুখী রফতানি দাম বাড়াতে সহায়তা করেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার ও রয়টার্স।

বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে বাজার আদর্শ পাম অয়েলের নভেম্বরে সরবরাহ চুক্তিমূল্য ১ দশমিক ৬১ শতাংশ বা ৭০ রিঙ্গিত বেড়েছে। অধিবেশনের মাঝামাঝি বিরতিতে প্রতি টন পাম অয়েলের দাম উঠেছে ১ হাজার ৬০ ডলার ৮৬ সেন্ট পর্যন্ত।

পণ্যবাহী জাহাজের তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অ্যামসপ্যাক এগ্রি জানায়, ১-১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়া ৮ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৫ টন পাম অয়েল রফতানি করে। গত মাসের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ৫৪ শতাংশ বেড়েছে। এদিকে গত মাসে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল উত্তোলন বাড়লেও দীর্ঘস্থায়ী খরার প্রভাবে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com