আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোটেক

সৌরশক্তিতে চলে, ক্ষেতে কীটনাশক ছড়ানোর এমন যন্ত্র উদ্ভাবন খড়্গপুর আইআইটি-র

ক্ষেতে কীটনাশক মারতে একটি অভিনব ‘স্প্রেয়ার’ যন্ত্র উদ্ভাবন করলেন খড়্গপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি খড়্গপুর)-র অধ্যাপক, গবেষকরা। যন্ত্রটি চলতে পারে সৌরশক্তিতে। পেট্রোল, ডিজেলের দরকার হয় না। ফলে দূষণ ছড়ানোর সম্ভাবনাও থাকে না।

খড়্গপুর আইআইটি-র একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘এই স্প্রেয়ার চাষের জমিতে সব জায়গায় সম পরিমাণে কীটনাশক ছড়াতে পারবে। অনেক বেশি পরিমাণ জমিতে, অনেক কম সময়ে। আবার ওজনে খুব বেশি ভারী নয়, আর তার চাকাগুলিও সাইকেলের মতো বলে কীটনাশক ছড়ানোর সময় সদ্য পোঁতা বীজ বা ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা ফসলও তার চাপে পিষে গিয়ে নষ্ট হবে না। এর ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকরা খুবই উপকৃত হবেন।

যন্ত্রটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব খ়ড়্গপুর আইআইটি-র কৃষি ও খাদ্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক হিফজুর রহমান তাঁর সহযোগী গবেষকদের।

ছোট ছোট চাষের জমিতে এখন হাতে করে কীটনাশক ছড়ানো হয়। তাতে জমির সর্বত্র সম পরিমাণে কীটনাশক পড়ে না। তাই কীটনাশক ছড়ানোর পরেও বহু ফসল নষ্ট হয়ে যায়।

এই যন্ত্রে রয়েছে একটি প্রোপেলিং ইউনিট। তার সঙ্গে লাগানো রয়েছে একটি তরল কীটনাশক রাখার ট্যাঙ্ক। সেখান থেকে স্প্রে করে জমিতে স্প্রে করে কীটনাশক ফেলার জন্য ডিসি বিদ্যুতে চালানো একটি পাম্পও রয়েছে। সেই পাম্পটিকে চালানোর জন্য রয়েছে দু’টি সৌরশক্তিচালিত ব্যাটারি। গোটা যন্ত্রটিকে বসানো রয়েছে তিন চাকার একটি ট্রলিতে।

‘‘বড় চাষের জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে কীটনাশক ছড়ানো হয়। তার খরচও অনেক। ট্রাক্টর চালানোর জন্য পরিবেশ দূষণও হয়। তার কোনওটাই হবে না ছোট চাষের জমিগুলিতে এই যন্ত্রের মাধ্যমে কীটনাশক ছড়ানো হলে’’, বলছেন যন্ত্রটির উদ্ভাবকদের অন্যতম অধ্যাপক হিফজুর রহমান। তাঁর বক্তব্য, ভারতে মোট কৃষকের ৮২ শতাংশই ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষক। ফলে, ইতিমধ্যেই সরকারি পেটেন্ট করানো এই যন্ত্রের মাধ্যমে অনেক বেশি সংখ্যক কৃষক উপকৃত হবেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোটেক

হবিগঞ্জে কৃষিযন্ত্রে সরকারের ভর্তুকি সোয়া ৮ কোটি

হবিগঞ্জ: প্রায় ৮ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ভর্তুকি দিয়ে হবিগঞ্জে ৫৪টি ধান কাটার যন্ত্র বিতরণ করছে সরকার। সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় এগুলো বিতরণ করা হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ জানায়, হবিগঞ্জে নয়টি উপজেলায় ৪২ জন কৃষকের মধ্যে ৪২টি কম্বাইন হারভেস্টার ও ১২ জনের মধ্যে ১২টি রিপার বিতরণ করা হচ্ছে। প্রতিটি কম্বাইন হারভেস্টার প্রায় ২৮ লাখ ও রিপারের মূল প্রায় ১ লাখ টাকা হিসেবে ৫৪টি যন্ত্রের মূল্য ১১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ হিসেবে ৮ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। বাকি টাকা দেবেন কৃষকরা।

রোববার (১১ এপ্রিল) হবিগঞ্জ সদর ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ১৪টি যন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাখাওয়াত হোসেন রুবেল। এতে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল ও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুকান্ত ধরসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে এমপি আবু জাহির বাংলানিউজকে বলেন, ফসল কাটার মৌসুমে দেশে শ্রমিক সংকট থাকে। ফলে ফসল কাটতে কৃষকের বাড়তি টাকা ব্যয় করতে হয়। এতে ফসলের খরচ বেড়ে যায়। এ সমস্যা সমাধানে কম্বাইন হারভেস্টার ভূমিকা রাখবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তমিজ উদ্দিন খান বাংলানিউজকে বলেন, কম্বাইন হারভেস্টার দ্বারা ধান কাটা ও মাড়াই একসঙ্গে হয়। এতে কৃষকের অনেক সময় বেঁচে যাওয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতির আশঙ্কা কমেছে। ধান কর্তনের মূল্যও কমেছে আগের চেয়ে অনেক। সরকারের এ উদ্যোগের ফলে কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক উন্নতি হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

গ্রিনল্যান্ড টেকনোলজিসের ক্লাস কম্বাইন হারভেস্টার মাঠ প্রদর্শনী

গেটকো গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান গ্রিনল্যান্ড টেকনোলজিস লিমিটেডের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ক্লাস কম্বাইন হারভেস্টারের গম-ভুট্টা কাটা, মাড়াই এবং ঝাড়াইয়ের মাঠ প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার কর্ণাই বাজারে এবং বৃহস্পতি (৮ এপ্রিল) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার কামোড় গ্রামে এ প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন ক্লাস-এর ইঞ্জিনিয়ার বিনোদ রায়, টেকনিশিয়ান রমেশ এবং গ্রীনল্যাণ্ড টেকনোলজিস লিমিটেডের সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো. রাশেদুল ইসলাম (অপি), মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. হাবিবুর রহমান।

আরও উপস্থিত ছিলেন- এরিয়া সেলস ম্যানেজার, রংপুর মো. মনির হোসেন, সিনিয়র টেরিটরি ম্যানেজার,ঠাকুরগাঁও মিন্টু চন্দ্র দাস, এরিয়া সেলস ম্যানেজার, রংপুর মো. আসাফুদ দৌলা (আসিফ), টেরিটরি সেলস ম্যানেজার, রংপুর মো. আব্দুল হাকীম এবং কোম্পানির অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এখন থেকে নিবন্ধন সাপেক্ষে সরকারি ভর্তুকিতে পাওয়া যাবে বিশ্বখ্যাত জার্মান ব্র্যান্ড ক্লাস কম্বাইন হারভেস্টার। এটি অধিক শক্তিশালী ও টেকসই। এর দুটি মডেল পাওয়া যাবে, যার একটি মাল্টি ক্রপ (ক্রপ টাইগার ৪০) যেটি দিয়ে দ্রুত ও সহজে ধান, গম, ভুট্টা, সরিষা, কালোজিরা, মসুর ডাল, মুগ ডাল কাটা, মাড়াই ও ঝাড়াই করা যায়।

অন্যটি হলো ‘ক্রপ টাইগার ৩০’ যা ‘TERRA TRAC’ প্রযুক্তিতে তৈরি। এটি চালানো এবং রক্ষণাবেক্ষণ খুবই সহজ।
গ্রিনল্যান্ড টেকনোল

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবে : কৃষিমন্ত্রী

লেখক

কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক । মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে অনলাইনে ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে কৃষকের মাঝে ‘কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র’ বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কৃষিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বলেন, ১০-১৫ বছর আগেও বাংলাদেশের কৃষি ছিল সনাতন পদ্ধতির। চাষাবাদ, মাড়াইসহ সব কাজ মানুষকে শারীরিকভাবে করতে হতো। লাঙলে চাষ হতো। এখন যন্ত্রের মাধ্যমে জমি চাষ ও ফসল মাড়াই হচ্ছে। কিন্তু ধান কাটা ও রোপণ মানুষকে করতে হচ্ছে। এতে ফসল উৎপাদনে খরচ অনেক বেশি ও সময় সাপেক্ষ। সেজন্য বর্তমান সরকার ২০০৯ সাল থেকে গত ১২ বছর ধরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। 

তিনি আরও বলেন, ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ৫০% ও হাওর-উপকূলীয় এলাকায় ৭০% ভর্তুকিতে কৃষকদেরকে কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষিতে নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিপ্লব ঘটবে। বাংলাদেশের কৃষিও পশ্চিমা বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশের কৃষির মতো উন্নত ও আধুনিক হবে।  

উল্লেখ্য, ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২০ -২১ অর্থবছর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫২ হাজার কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হবে। চলমান ২০২০-২১ অর্থবছরে এ প্রকল্পের অধীনে সারা দেশে ৫০০টি উপজেলায় ১৬১৭টি কম্বাইন হারভেস্টার, ৭০১টি রিপার, ১৮৪টি রাইস ট্রান্সপ্লান্টারসহ মোট ৫ হাজার ৭৭৬টি বিভিন্ন ধরণের কৃষিযন্ত্র কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে হাওরে ধান সফলভাবে কাটার জন্য ৫১০টি  কম্বাইন হারভেস্টার ও ২৩১টি রিপার বিতরণ করা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ: ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বন্ধ

পেঁয়াজ আমদানিতে আইপি বা আমদানির অনুমতি সনদ দেওয়া বন্ধ রাখায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা একেবারে কমে গেছে। এখন যে পেঁয়াজ আসছে সেগুলো গত ডিসেম্বরে অনুমোদিত। মূলত দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ তথা কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে নতুন করে আমদানির অনুমতি বন্ধ রেখেছে সরকার। কৃষি বিভাগ নতুন করে আমদানির অনুমতি না দিলে অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ সনদ নবায়ন না করলে চলতি এপ্রিল মাসের পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা পুরোপুরি বন্ধ হবে।

সরকারের কৃষি বিভাগ চাইছে এই মৌসুমে ভারত থেকে নতুন করে পেঁয়াজ না আসুক। কারণ দেশে উৎপাদিত নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসা শুরু হয়েছে; আর সেগুলো চলবে আগামী আগস্ট পর্যন্ত। তত দিন পর্যন্ত কৃষকরা যাতে ন্যায্য মূল্য পান, তা নিশ্চিত করতে হবে।

তবে রমজানে বাজার অস্থির হওয়ার শঙ্কায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য নতুন করে আবেদন করেছেন ব্যবসায়ীরা; প্রচুর আবেদন পড়েছে সনদ নবায়নের। কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা না থাকায় কৃষি বিভাগ নতুন অনুমোদন দিচ্ছে না।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক রায়হান ট্রেডার্সের মালিক শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ৫০০ টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য আইপি আবেদন করেছি। কিন্তু এখনো অনুমোদন পাইনি। কবে নাগাদ পাব তারও নিশ্চয়তা নেই। ভারত থেকে আমদানি একেবারে কমে যাওয়ায় রমজানের আগেই স্থলবন্দরে দাম বেড়েছে।’ আমদানির পক্ষে জোর দিয়ে তিনি বলেন, সরকার তো কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে শুল্কহার বাড়িয়েছে। সুতরাং আমদানি বন্ধ রাখলে সেই সুযোগে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। তখন ব্যবসায়ীদেরই বদনাম শুনতে হবে।

পেঁয়াজ আমদানির জন্য অনুমতি সনদ নিতে হয় কৃষি বিভাগের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ দপ্তরের। দপ্তরের নতুন পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ডিসেম্বরের পর থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছি না। মেয়াদোত্তীর্ণ আমদানির সনদও নবায়ন করছি না। আগের সনদ দিয়ে সর্বোচ্চ এপ্রিল পর্যন্ত পেঁয়াজ আনা সম্ভব। কারণ একটি অনুমতি সনদের মেয়াদ থাকে চার মাস। এরপর আমরা নবায়ন না করলে এপ্রিলের পর থেকে আমদানি পেঁয়াজ আসার সুযোগ নেই। দেশের কৃষকদের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত।’

আমদানির অনুমতি সনদ নিয়ে ভারত থেকে এসব পেঁয়াজ বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে দেশে পৌঁছায়। এক হিসাবে দেখা যায়, চলতি বছরের ২২ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১৪ কর্মদিবসে মোট ২৮ হাজার ৮৮২ টন পেঁয়াজ দেশে এসেছে। অর্থাৎ দিনে দুই হাজার টনের বেশি পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে।

কৃষি বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বিপুল আইপি জমা পড়েছে, সনদ নবায়নেরও আবেদন জমা পড়েছে। আমরা চাইছি এপ্রিল পর্যন্ত দুই হাজার থেকে তিন হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হোক। তাহলে রমজানে বাজার অস্থির করার সুযোগ পাবে না কেউ। এরপর পরিস্থিতি দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।’

বাজারে এখন ভারতীয় ও দেশি পেঁয়াজ প্রতিযোগিতায় আছে। শবেবরাতের পর এবং করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অঘোষিত লকডাউন শুরুর আগের দিন পেঁয়াজের বাজারে কিছুটা দাম বাড়লেও এখন সেটি কেটে গেছে। খাতুনগঞ্জের বাজারে পাইকারিতে ভারতীয় নাসিক জাতের পেঁয়াজ ২৮ টাকা, খাসখালী জাতের ২৫ টাকা এবং দেশি মেহেরপুরের পেঁয়াজ ২৪ টাকা, ফরিদপুর ও পাবনার পেঁয়াজ ২৮ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে খাতুনগঞ্জের আড়তদার মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি পুরোপুরি বন্ধ থাকলে সেই সুযোগ কিছু ব্যবসায়ী নেবেন। তখন তাঁরা দেশি পেঁয়াজ কিনে গুদামজাত করে বাজারে অস্থিরতা করবেন না তার নিশ্চয়তা কে দেবে? এ জন্য পুরোপুরি বন্ধ না রেখে নিয়ন্ত্রিতভাবে আমদানি সচল রাখা উচিত।

জানা গেছে, প্রতিবছর বাংলাদেশে পেঁয়াজ উৎপাদনের মৌসুমে ভারত সরকার রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়। সেই পেঁয়াজ দেশে আসার পর বাংলাদেশি কৃষকরা উৎপাদিত পেঁয়াজ বিক্রি করতে না পেরে মার খান; পেঁয়াজ উৎপাদনে আগ্রহ হারান। এবারও সেই ধারাবাহিকতা ছিল; কিন্তু সরকার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কৃষকদের সুরক্ষা দিতে এবং পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানো নিশ্চিত করতে একটি সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। সেটি হলো, সরকার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিলেও শুল্ক আরোপ করেছে। এবারই প্রথম ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক এবং ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। এই শর্ত মেনে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম পড়ছিল কেজিতে ৪৭ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছিল ২৮ থেকে ৩২ টাকায়। ফলে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মার্চ মাসে ভারতে পেঁয়াজের কেনা মূল্য কমে যাওয়ায় এবং বাংলাদেশে মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হওয়ার সুযোগে ভারতীয় পেঁয়াজ আবারও আসা শুরু হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

সরকারি ভর্তুকিতে জাপানি ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ

সরকারি ভর্তুকি প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশের কৃষকদের মাঝে ধান কাটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দি করার আধুনিক যন্ত্র জাপানের ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) কৃষিযন্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। অনুষ্ঠানটি একযোগে সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয় যেখানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরিচালকরা। অনুষ্ঠানে দেশের ১৪টি উপজেলায় ৪০টি ইয়ানমার হারভেস্টার ডেলিভারি দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইয়ানমার হারভেস্টারে রয়েছে, অত্যাধুনিক স্মার্ট অ্যাসিস্ট রিমোট সিস্টেম (SA-R), যা দেশের কৃষিতে এক অনন্য সংযোজন। এর মাধ্যমে হারভেস্টারের মালিক ঘরে বসেই হারভেস্টারের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য জানতে পারবেন। এতে যেমন কৃষক উপকৃত হবে সেই সঙ্গে সরকারও ভর্তুকিতে সরবরাহ করা হারভেস্টারের যাবতীয় তথ্য জানতে পারবেন।

বাংলাদেশের জমি ও ফসল উপযোগী অত্যাধুনিক সেন্সরবিশিষ্ট ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার দ্বারা কাঁদা ও শুয়ে পড়া জমির ধান/গম কাটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দি করা যায়। এক একর জমির ধান/গম কাটতে সময় লাগে মাত্র এক ঘণ্টা এবং জ্বালানি খরচ হয় মাত্র ৮-১০ লিটার ডিজেল। প্রতি একরে খরচ বাদে লাভ হয় ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা। এতে খরচ বাঁচে ৬১ শতাংশ এবং শ্রম বাঁচে ৭০ শতাংশ।

এই হারভেস্টার দ্বারা দিনে প্রায় ছয় থেকে সাত একর জমির ধান কাঁটা যায়। এসিআই মটরস সারাদেশে তাদের দক্ষ নেটওয়ার্ক ও লোকবলের মাধ্যমে এর বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই কম্বাইন হারভেস্টার ব্যবহারের ফলে একদিকে যেমন কৃষক উপকৃত হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com