আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

মুরগি দিয়ে ফাঁদ পেতে ধরা হলো মেছো বাঘ

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে কৃষকের পাতা ফাঁদে একটি মেছো বাঘের শাবক ধরা পড়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের কড়ইকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে উৎসুক জনতা মেছো বাঘটি দেখতে ভিড় করেছে।

স্থানীয়রা জানান, কড়ইকান্দা গ্রামে মাসখানেক ধরেই মেছো বাঘের শাবকটি ঘোরাফেরা করেছে। মেছো বাঘের উপদ্রবে এরই মধ্যে গ্রামের অনেকের হাঁস-মুরগিও নিখোঁজ হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে গ্রামের কৃষক সোহেল মিয়া খাঁচার ভেতর মুরগি ঢুকিয়ে ফাঁদ তৈরি করে বাড়ির পাশে পেতে রাখেন। পরে সোমবার সকালে সেই ফাঁদে মেছো বাঘটি ধরা পড়ে।

সোহেল মিয়া বলেন, মেছো বাঘের শাবকটি এলাকায় ঘোরাফেরা করে মানুষের হাঁস-মুরগি ধরে নিয়ে যেত। তাই তাকে ধরতে ফাঁদ তৈরি করি। ধরা পড়া মেছো বাঘটির শরীরে বাঘের মতো ডোরাকাটা দাগ রয়েছে।

গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মারুফ বলেন, মেছো বাঘের শাবক ধরা পড়ার খবর পেয়েছি। প্রাণিটি উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বন কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।

বন বিভাগের গৌরীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. লুৎফুর রহমান বলেন, মেছো বাঘের শাবকটি উদ্ধার করে বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

বিলীনের পথে সাতছড়ির ত্রিপুরা পল্লী

বিলীনের পথে সাতছড়ির ত্রিপুরা পল্লী

চলতি বছর দফায় দফায় টানা বর্ষণে ছড়ায় পহাড়ি ঢলে ভেঙে গেছে হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন ত্রিপুরা পল্লীর রাস্তা ও বাড়িঘর। পল্লীর বাসিন্দা ২৪টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটিও ভেঙে গেছে।

টিলা ধসে ভেঙে পড়েছে বেশ কয়েকটি বাড়ি। এটি রক্ষায় এখনই উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন পল্লীর বাসিন্দারা। গাইডওয়াল দিয়ে এটি সংস্কার না করলে আগামী বর্ষায় পল্লীর বাড়িঘর বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করছেন তারা।

সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, চলতি বছর বর্ষা মৌসুম শেষেও অঝরে বৃষ্টি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় মুষলধারে বৃষ্টি কারণে পাহাড়ি এলাকায় ঢল নামে। এর ব্যতিক্রম ছিল না পাহাড় টিলা ঘেরা চুনারুঘাট উপজেলাও। প্রবল বর্ষণের কারণে পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ছড়াগুলোতে ভাঙন দেখা দেয়।

পানির তোড়ে উদ্যান সংলগ্ন ত্রিপুরা পল্লীতে বসবাসরত ২৪টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি ভেঙে গেছে। পল্লীতে গাইডওয়াল না থাকায় পাহাড়ি ঢলে টিলা ধসে পল্লীর বেশ কয়েকটি ঘর ভেঙে ছড়ায় বিলীন হয়ে গেছে। এ অবস্থায় চরম কষ্টে দিন পার করছেন পল্লীর বাসিন্দারা।

ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দারা জানান, এবার বর্ষায় তাদের বেশ কয়েকটি বাড়ি ভেঙে ছড়ায় বিলীন হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই তাদের বাপ-দাদার ভিটের আর অস্তিত্ব থাকবে না। তাই তারা গাইডওয়াল দিয়ে পল্লীটি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

পল্লীর বাসিন্দা আশিষ দেববর্মা জানান, প্রতি বছর বর্ষাতেই ছড়ায় বাড়িঘর বিলীন হয়। গত বছর ৩টি বাড়ি বিলীন হয়েছিল। কিন্তু এবার পুরো গ্রামটিই হুমকির মুখে পড়েছে। আমাদের গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

ত্রিপুরা পল্লীর হেডম্যান চিত্ত দেববর্মা জানান, চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় যাতায়াত করতে পারছেন না পল্লীর বাসিন্দারা। তারা বার বার দাবি জানালেও এটি সংস্কারে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না।

সাতছড়ির রেঞ্জার মোতালিব হোসেন জানান, এ বছর প্রবল বর্ষণের কারণে বনের অনেক গাছ পড়েছে। টিলা ধসে গেছে। তেলমাছড়ার মেইন রাস্তাটিও ভেঙে গেছে।

তিনি বলেন, সাতছড়ির ত্রিপুরা পল্লীর বাড়ি ও রাস্তা ভেঙে গেছে। এবারের ভূমিধসে সব মিলিয়ে অন্তত ১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে একটি গাইড ওয়াল নির্মাণ করলে আপাতত ত্রিপুরা পল্লীর টিলা ধস রোধ করা সম্ভব হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

গোয়াল ঘর থেকে অজগর ধরে সুন্দরবনে অবমুক্ত

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ এলাকার লোকালয় থেকে ২০ কেজি ওজনের আরও একটি অজগর উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে শরণখোলা রেঞ্জ সংলগ্ন সুন্দরবনে অজগরটি অবমুক্ত করা হয়। এ নিয়ে চলতি বছর লোকালয়ে চলে আসা ২৬টি অজগর, কিং কোবরা, বন্য শুকর, বার্কিং ডিয়ার ও একটি চিত্রা হরিণসহ ৩৩ বন্যপ্রাণী ধরে আবারও সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হলো।

সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীন জানান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন খুড়িয়াখালী গ্রামের আজিজ শিকদারের বাড়ির গোয়াল ঘরে একটি অজগর দেখতে পায় বাড়ির লোকজন।

খবর পেয়ে বন বিভাগ ও কমিউনিটি পেট্রোলিং গ্রুপ অজগরটি উদ্ধার করে দুপুরে শরণখোলা রেঞ্জ সংলগ্ন বনে অবমুক্ত করে। এই অজগরটির ওজন ২০ কেজি ও দৈর্ঘ্য ১৫ ফুট বরে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এনিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত লোকালয় থেকে উদ্ধার হওয়া ২৬টি অজগর সাপ উদ্ধার করে আবারও সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হলো। এছাড়া ওই সময়ের মধ্যে একটি কিং কোবরা, তিনটি বন্য শুকর, দুইটি বার্কিং ডিয়ার ও একটি চিত্রা হরিণ উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়াও গত ৭ অক্টোবর একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার শরণখোলা উপজেলার পশ্চিম রাজাপুর গ্রামে প্রবেশ করলে বন বিভাগ ও গ্রামবাসী মাইকিং ও বিভিন্ন শব্দ সৃষ্টি করে বনে ফিরিয়ে দেয় সেটিকে।

বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে সুন্দরবনে অজগরসহ বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে তা লোকালয়ে চলে আসছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পাখির বাসা ভাড়া বাবদ ৩ লাখ করে টাকা পাচ্ছেন ৫ বাগান মালিক

পাখির বাসা ভাড়া বাবদ রাজশাহীর বাঘা উপজেলার খোর্দ্দ বাউসা এলাকার পাঁচ আমবাগান মালিকের প্রত্যেককে তিন লাখ ১৩ হাজার টাকা দেয়া হচ্ছে।

শনিবার (২১ নভেম্বর) সকালে বন বিভাগের কর্মকর্তারা বাগান পরিদর্শনে যান। আমবাগানে পাখির বাসায় বাচ্চা রয়েছে, সেসব বাগান মালিককে এ টাকা দেয়া হবে বলে জানানো হয়।

অর্থ বরাদ্দ পাওয়া ওই পাঁচ বাগান মালিক হলেন- খোর্দ্দ বাউসা গ্রামের মঞ্জুর রহমান, সানার উদ্দিন, সাহাদত হোসেন, শফিকুল ইসলাম ও ফারুক আনোয়ার।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১ নভেম্বর পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে বন অধিদফতরকে খোর্দ্দ বাউসা গ্রামের আমবাগানে শামুকখোল পাখির বাসার জন্য আমচাষিদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে এ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে।

শনিবার সকালে আমবাগান পরিদর্শন করে পাখির অবস্থা দেখতে আসেন বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চল ঢাকার বন সংরক্ষক মিহির কুমার, রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) জিল্লুর রহমান, রাজশাহী সামাজিক বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মেহেদীজ্জামান, বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা রাহাত হোসেন, ওয়াইল্ড লাইফ রেঞ্জার হেলিম রায়হান ও বন্য প্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবীর। এ সময় তারা বাগান মালিক ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

কর্মকর্তারা জানান, অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে আমবাগানের মালিকদের এ টাকা দেয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাঘার খোর্দ্দ বাউসা গ্রামের ওই বাগানটিতে চার বছর ধরে শামুকখোল পাখি এসে বাসা বাঁধে। তারা বর্ষা মৌসুমের শেষ দিকে আসে এবং বাসা বেঁধে বাচ্চা ফুটিয়ে শীত শুরু হলে ও তাদের বাচ্চা উড়তে শিখলে চলে যায়। এবারও সেখানে কয়েক লাখ পাখি বাচ্চা ফুটিয়েছে। বাচ্চাগুলো এখনও উড়তে শেখেনি।

এদিকে পাখি বাসা বাঁধায় গত দুই বছর পাখির জন্য বাগান পরিচর্যা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে আমের ফলন কম হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বাগান মালিকরা।

গত বছর একটি গাছের কিছু বাসা ভেঙে দিলে স্থানীয় কিছু পাখিপ্রেমী কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলেন। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসেন। সেখানে ইজারাদার আতাউর রহমান পাখিরা ১৫ দিনের মধ্যে চলে না গেলে তিনি সেগুলো তাড়িয়ে দেবেন বলে ‘আলটিমেটাম’ দেন।

এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে তা আদালতের নজরে এনে প্রয়োজনীয় আদেশ দেয়ার আরজি করেন এক আইনজীবী। আদালত শুনানি শেষে ‘বাগানের পাখির বাসা কোনোভাবে ভাঙা যাবে না’ বলে আদেশ দেন। একই সঙ্গে বাগান মালিকের সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণ করে, তা প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে জেলা প্রশাসক ও ইউএনওকে নির্দেশ দেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

আর কোথাও যেতে হবে না পাখিদের, বাসা ভাড়া দেবে সরকার

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার খোর্দ্দবাউসা গ্রামের সেই আমবাগানে বাসা বাঁধা অতিথি শামুকখোল যতদিন ইচ্ছা থাকবে। তাদের বাসাভাড়া বাবদ বছরে তিন লাখ ১৩ হাজার টাকা দেবে সরকার। এ অর্থ বরাদ্দ চেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে রাজশাহীর জেলা প্রশাসন।

বরাদ্দ পেলেই বাগানের ইজারাদার বা বাগান মালিককে সেই অর্থ দেবে প্রশাসন। এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের আদেশ এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা গ্রামের আম বাগানটি সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। সেখানে মোট ৩৮টি গাছে শামুকখোল পাখি বাসা বেঁধেছে। ওই গাছগুলোতে বছরে কী পরিমাণ আম ধরে এবং তা না হলে কেমন ক্ষতি হবে, তা নিরূপণের চেষ্টা করেছি।

কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, মালিক পক্ষ, ইজারাদার, স্থানীয় মানুষ, আম ব্যবসায়ীসহ সব পক্ষের হিসাব অনুযায়ী পাখির বাসা সেখানে থাকলে বছরে তিন লাখ ১৩ হাজার টাকা ক্ষতি হতে পারে। সেই অনুযায়ী আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন দেই। সেটি সোমবার (১১ নভেম্বর) জেলা প্রশাসক যাচাই করে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। বরাদ্দের অনুমোদন পেলে তা বাগান মালিক ও ইজারাদারদের দেয়া হবে।

এ বিষয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক হামিদুল হক বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা ছিল, সে অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তারা বাগানটিতে জরিপ করে এ হিসাব বের করেছেন। সেটি প্রতিবেদন আকারে আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। আশা করি, দ্রুত বরাদ্দ অনুমোদন হবে, যা ওই বাগান মালিককে দিয়ে আমরা পাখিদের নিরাপদ আবাস গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাঘার খোর্দ্দবাউসা গ্রামের ওই বাগানটি চার বছর ধরে শামুকখোল পাখি এসে বাসা বাঁধে। তারা বর্ষা মৌসুমের শেষ দিকে আসে এবং বাসা বেঁধে বাচ্চা ফুটিয়ে শীত শুরু হলে ও তাদের বাচ্চা উড়তে শিখলে চলে যায়। এবারও সেখানে কয়েক লাখ পাখি বাচ্চা ফুটিয়েছে। বাচ্চাগুলো এখনও উড়তে শেখেনি।

এদিকে, পাখি বাসা বাঁধায় গত দুই বছর পাখির জন্য বাগান পরিচর্যা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে আমের ফলন কম হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বাগান ইজারাদার আতাউর রহমান।

তিনি গত ৩০ অক্টোবর একটি গাছের কিছু বাসা ভেঙেও দেন। তিনি বাগানের সব বাসা ভেঙে গাছ খালি করতে চান। তবে স্থানীয় কিছু পাখিপ্রেমী মানুষ তাকে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলেন। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসেন। সেখানে ইজারাদার আতাউর রহমান পাখিরা ১৫ দিনের মধ্যে চলে না গেলে তিনি সেগুলো তাড়িয়ে দেবেন বলে ‘আল্টিমেটাম’ দেন।

এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে তা আদালতের নজরে এনে প্রয়োজনীয় আদেশ দেয়ার আরজি করেন এক আইনজীবী।

আদালত শুনানি শেষে ‘বাগানের পাখির বাসা কোনোভাবে ভাঙা যাবে না’ বলে আদেশ দেন। একই সঙ্গে বাগান মালিকের সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণ করে, তা প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে জেলা প্রশাসক ও ইউএনওকে নির্দেশ দেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

১৬ ঘণ্টার চেষ্টায় ৫০ ফুট গভীর কুয়া থেকে উদ্ধার করা হল হাতিটিকে

১৬ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে ৫০ ফুট গভীর একটি কূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি হাতিকে। খবর- এনডিটিভি।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের ধর্মপুরী জেলার পাঞ্চাপাল্লি গ্রামে ঘটে এ ঘটনা। আগেরদিন (বৃহস্পতিবার) শস্যক্ষেতের কূপে পড়ে যায় হাতিটি। কূপটির মালিক ভেঙ্কাটাচালাম নামে এক স্থানীয় কৃষক।

স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, ভেঙ্কাটাচালাম নামে ওই কৃষক ক্রমাগত হাতির ডাক শুনে সেটিকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে কূপের ভেতর তাকালে তিনি হাতিটিকে দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানান তিনি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় বন বিভাগের কর্মীরাও। এরপর ক্রেনের সাহায্যে হাতিটিকে টেনে তোলা হয়।

এ সময় ঘটনাস্থলে পশু চিকিৎসক ও অ্যাক্টিভিস্টরাও উপস্থিত ছিলেন।

হাতিটিকে উদ্ধারের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সেখানে দেখা যায়, টেনে তোলার সময় সম্পূর্ণ শান্ত ছিল বিশালাকৃতির প্রাণীটি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com