আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

চিকেন ডে তথ্য
• অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার প্রতিবছর চিকেন ডে পালন করা হয়।
• মুরগির মাংসের বিভিন্ন ধরনের রেসিপি শেয়ার এবং রান্না করে খাওয়া হয় এই দিনে।
• কোনো কারণ ছাড়াই দিনটি পালন করা হয় বলে জানা যায়।
• মুরগির নামে বিভিন্ন ধরনের দিবস প্রচলিত আছে পৃথিবীতে।
• আন্তর্জাতিক মুরগি দিবস পালন করা হয় প্রতিবছর মে মাসের ৬ তারিখ।

অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার, আজ বিশ্ব মুরগি দিবস। পৃথিবীতে বহু দিবসের মধ্যে এটি একটি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, মুরগা দিবস নাই কেন? এ প্রশ্নের কোনো উত্তর জানা নেই। কিন্তু আজ মুরগি দিবস, ওয়ার্ল্ড চিকেন ডে।

এটা ঠিক যে অভিজাত মানুষদের দেশি মুরগির মাংস ছাড়া রুচিতে কুলায় না। আমি ব্যক্তিগতভাবে সব সময় অভিজাত হতে চেয়েছি, কিন্তু বউয়ের জন্য পারিনি। তিনি নাকি দেশি মুরগির শক্তপোক্ত মাংস খেতে পছন্দ করেন না। কী আর করা যাবে, বলেন। অভিজাত হবার বাসনা বাদ দিয়েছি

কিন্তু ছোটবেলায় দেখা রংবেরঙের পালকওয়ালা, লাল ঝুঁটির শক্তপোক্ত গড়নের মুরগার কথা ভুলতে পারি না আজও। কী স্মার্ট মাইরি! মাথা উঁচু করে যখন ভোরবেলা দীর্ঘস্বরে কুক্কুরু কু বলে ঘুম থেকে উঠতে বলত, বিরক্ত হলেও ঘুম থেকে উঠতেই হতো। হেমন্তের বিষণ্ন দুপুরে সেই লাল ঝুঁটি মুরগার দীর্ঘস্বরের ডাকে নিস্তব্ধতা খান খান হয়ে ভেঙে গেলে মনে হতো, চরাচরে জীবনের স্পন্দন আছে। ধীরে ধীরে আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গেল বিষণ্নতা ভোলানো লাল ঝুঁটির দেশি মুরগা। আহা!

যখন বড় হলাম, খুঁজে দেখতে দেখতে পেয়ে গেলাম একদিন। সেই লাল ঝুঁটির স্মার্ট মুরগা আমাদের একেবারে দেশীয় জাতের মুরগা। তার ভালো নাম রেড জঙ্গল ফাউল, সোজা কথায় বনমোরগ। বনে থাকা এই স্বাধীন মুরগা কেন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগা মানুষের পোষ মেনেছিল, সে ভেবে চোখে জল আসে আমার। ঠিক যেভাবে আমার পোষা এক লাল ঝুঁটি মুরগাকে চোখের সামনে অসুখে ভুগে মরে যেতে দেখে বুক ফেটে কান্না এসেছিল।

এই স্মার্ট মুরগার আরেক জাতভাই আছে। প্রায় একই রকম দেখতে হলেও তার ঝুঁটি কিছুটা ভোঁতা আর ঢ্যাঙা ঠ্যাং দুখানা হলুদ হলুদ। এর নাম আচিল বা আসিল। মানে অজ্জিনিয়াল অর্থাৎ খাঁটি বঙ্গদেশীয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানা আর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় এ জাতের মুরগির জন্ম বলে জানা যায়। এখনো পাওয়া যায়।

এই দুই জাতের মুরগি ছাড়াও এক জাতের দেশি মুরগির কথা মনে পড়ে খুব। সে মুরগিকে দেখেই আমরা কোনো কোনো বন্ধুর নাম দিয়েছিলাম ‘গলা ছিলা’। ও মা, পরে দেখি সে মুরগির নামই আসলে ন্যাকেড নেক। পরিষ্কার বাংলা ভাষায় যাকে বলে গলা ছিলা। মাথায় লাল ঝুঁটি থাকলেও এটাকে কেন যেন অতটা ভালো লাগত না। কে জানে, কেন। গলা ছিলা বলেই হয়তো। কিন্তু সেটাও দেশি জাতের মুরগি।

দেশি জাতের মুরগির কথাই যখন বলছি তখন বলে রাখি বেশ স্মার্ট বনমোরগ, কিছুটা স্মার্ট আচিল এবং গলা ছিলা ছাড়াও কয়েক জাতের দেশি মুরগি আছে আমাদের। এগুলো হলো সিলেটের পাহাড়ি এলাকার হিলি, ফ্রিজেল বা উল্টা পালক, কাদাকনাথ বা কালা মাসি। তবে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, কাদাকনাথ বা কালা মাসি মুরগির উৎপত্তি ভারতের মধ্যপ্রদেশে হলেও এ দেশে এর অস্তিত্ব ছিল অতীতে।

একসময় গ্রামবাংলায় মুরগির মাংস বলা হতো না। বলা হতো, মুরগা খাইছি। মুরগি কম খাওয়ার কারণ ছিল সম্ভবত, তা থেকে ডিম ও বাচ্চা উৎপাদন করা। গত শতকের আশি বা নব্বইয়ের দশকে যারা গ্রামে বড় হয়েছে, তারা জানেন, মুরগি ছিল গ্রামীণ অর্থনীতির একটা অংশ। বাড়িতে প্রাকৃতিক পরিবেশে মুরগি পালন করার চল ছিল গ্রামে। সে মুরগি এবং তার ডিম বিক্রি করে আয় করত গ্রামের মানুষ। কিন্তু পোলট্রিশিল্পের অগ্রগতির হাত ধরে ধীরে ধীরে সে অবস্থা হারিয়ে গেছে।

যা–ই হোক, পৃথিবীতে কয়েক শ প্রজাতির মুরগি আছে। তবে ধারণা করা হয়, গৃহপালিত মুরগির পূর্বপুরুষ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় উদ্ভূত লাল বুনো মুরগি। খাদ্যের জন্য শতাব্দীর পর শতাব্দী বন্য বুনো মুরগি শিকারের পর মানুষ সম্ভবত চার হাজার বছরের অনেক আগে মুরগিকে গৃহপালিত করে। সম্ভবত তখন পূর্ব-এশিয়ার মধ্য দিয়ে মুরগি বিস্তার লাভ করে এবং খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় এক হাজার বছর আগে পারস্যে পৌঁছায় (বাংলাপিডিয়া)।

মুরগি নিয়ে কথার কোনো শেষ নাই, মুরগির কথা বলা বৃথা তাই। এখন এই আধুনিক যুগে আমাদের জীবন ফার্মের মুরগিময়। কোনো দিন যদি বিকেলবেলা মুরগি ছাড়া অন্য কোনো মুখরোচক খাবারের খোঁজে বাইরে বের হন, তাহলে হতাশ হতে হবে। পাড়ার গলি থেকে শুরু করে বড় রাস্তার মোড় কিংবা ঝাঁ–চকচকে শপিং মল অথবা বাহারি নামের রেস্তোরাঁ—সবখানেই মুরগি আর মুরগি। রাস্তায় বের হলেই পোড়া মুরগির সুগন্ধ নাকে লাগে। এখন সম্ভবত বাঙালির জাতীয় খাবারই হয়ে গেছে, গ্রিল মুরগির ওপর সস্তার মেয়নেজ দিয়ে তন্দুর রুটি।

যাক গে সেসব কথা। আপনাদের রাজশাহী অঞ্চলের একটি মুরগির মাংসের রেসিপি দিয়ে রাখি। বাড়িতে রান্না করতে পারেন। রেসিপিটি দিয়েছেন নাজমা হুদা এবং এ রান্নার নাম মুরগি–নারকেলের নাড়ু।

দেশি মুরগি ১টি, নারকেল কোরানো ১টি, ময়দা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি পৌনে এক কাপ, লবণ স্বাদমতো, এলাচি ২-৩টি, দারুচিনি ২ টুকরা, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, ধনেবাটা আধা চা-চামচ, মরিচবাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, তেজপাতা ২টি, নাড়ু ভাজার জন্য তেল ২ কাপ।

নারকেল কুরে মিহি করে বেটে নিতে হবে। এবার এতে ময়দা, লবণ ও সামান্য এলাচির গুঁড়া দিয়ে মাখিয়ে চেপে চেপে গোল করে নাড়ু বানাতে হবে। তেল গরম হলে নাড়ু ছেড়ে হালকা বাদামি করে ভেজে নিতে হবে। এবার প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ভেজে সব মসলা দিয়ে ভালোমতো কষাতে হবে। এরপর মুরগি দিয়ে কষাতে হবে, এবার এক কাপ পানি দিয়ে অল্প আঁচে সেদ্ধ করতে হবে। পানি শুকালে আবার ভালো করে কষাতে হবে। আবার ১ কাপ পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করে পানি কমে এলে নাড়ুগুলো ওপর দিয়ে বিছিয়ে দিতে হবে। এরপর ১০ মিনিট দমে রেখে দিতে হবে। তেল ওপরে উঠে এলে এবং অল্প ঝোল থাকতে নামিয়ে নিতে হবে।

শেষ করার আগে, শেষ করার আগে বলে রাখি। যা–ই করুন না কেন, কাউকে মুরগি বানাবেন না। তাতে মুরগির অপমান হয়। তিনি কষ্ট পান।

  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

    মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

    মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

    মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

    মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

    মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

    মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা
  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা
  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা
  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা
  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা
  • মুরগি দিবসের শুভেচ্ছা

দৈনন্দিন

করোনা থেকে বাঁচতে ৬ ফুট দূরত্ব যথেষ্ট নয়

করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির আশেপাশে থাকা অন্যান্যরা বাতাসের মাধ্যমেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) জানিয়েছে, বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে করোনাভাইরাস।

মার্কিন বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, কয়েক ঘন্টা ধরে বাতাসে ভেসে থাকতে পারে এই ভাইরাস। সোমবার সিডিসির সর্বশেষ নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে যে, কম বায়ু চলাচল করতে পারে এমন ঘরে কোনও করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতি ৬ ফুট দূরের অন্য ব্যক্তিদেরকেও সংক্রমিত করতে পারে। তাই এক্ষেত্রে ৬ ফুট দূরত্বে থেকেও করোনা থেকে বাঁচা সম্ভব নয়।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ঘনিষ্ঠ পরিসরে বায়ুর মাধ্যমেই মূলত করোনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাদের দাবি, ভাইরাসের অতি সূক্ষ কণা কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বাতাসে ভেসে থাকতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে অনেক দেশেই লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। যদিও লোকজনকে মাস্ক পরিধান এবং ৬ ফুট সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে বলা হয়েছে। কিন্তু সর্বশেষ এই সতর্কতা মানুষের মধ্যে নতুন করে আরও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

বিশেষ করে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, স্কুল, শপিংমল খোলার যে তোড়জোড় চলছে তা কতটা নিরাপদ হবে তা নিয়েও শঙ্কা কাটছে না। সিডিসি সোমবার তাদের ওয়েবসাইটের তথ্য হালনাগাদ করেছে।

সেখানে বাতাসের মাধ্যমে করোনা ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য নির্দেশিকায় ৬ ফুট সামাজিক দূরত্বের কথা মেনে চলতে বলা হলেও সিডিসি বলছে এই দূরত্বেও সমস্যা থেকে যাচ্ছে।

এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। করোনায় মৃত্যুতেও যুক্তরাষ্ট্রের ধারেকাছে নেই কোনো দেশ। সম্প্রতি দেশটির ৩৪টি অঙ্গরাজ্যে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পরই নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে সিডিসি।

গত এক মাসের তুলনায় গত এক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণ অনেক বেড়ে গেছে। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প ছাড়াও হোয়াইট হাউসের ডজন খানেক কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে স্কুল চালু হয়ে গেছে। এদিকে, ফ্লোরিডায় রেস্টুরেন্ট এবং অন্যান্য ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের ওপর থেকে কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

গাছের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল বিশাল অজগর

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে গাছ থেকে ১১ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার গালা ইউনিয়নের বিনুটিয়া বাঁধের পাশের বাড়ির গাছ থেকে অজগরটি উদ্ধার করা হয়। পরে অজগরটি দ্য বার্ড সেফটি হাউজ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা তাদের হেফাজতে নিয়েছেন।

এলাকাবাসী জানায়, গাছের সঙ্গে বিশাল অজগর সাপ জড়িয়ে থাকতে দেখে তারা শাহজাদপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদিকে ফোন করে বিষয়টি জানান। এসআই মেহেদি দ্য বার্ড সেফটি হাউজের চেয়ারম্যান মামুন বিশ্বাসকে জানালে তিনি এসে সাপটি উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে দ্য বার্ড সেফটি হাউজের চেয়ারম্যান মামুন বিশ্বাস বলেন, খবর পেয়েই আমি ও ইমন অজগর সাপটি উদ্ধার করার জন্য রওনা হই। রাজশাহী বিভাগীয় বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির ও বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিকের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত তথ্য জানাই। পরে দুপুরের দিকে আমরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় সাপটিকে গাছ থেকে উদ্ধার করি। পরে সিরাজগঞ্জের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হৃষীকেস চন্দ্র রায়ের কাছে অজগর সাপটি হস্তান্তর করা হয়।

হৃষীকেস চন্দ্র রায় জানান, সিরাজগঞ্জ বঙ্গবন্ধু ইর্কো পার্কে অজগর সাপটি ছেড়ে দেয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পুকুর থেকে উদ্ধার হলো অজগর সাপ

বাগেরহাটের শরণখোলায় পুকুর থেকে একটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। আট ফুট লম্বা অজগরটির ওজন ৯ কেজি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার উওর রাজাপুর গ্রামের ভোলার-পার এলাকার ইদ্রিস হাওলাদারের বাড়ির পুকুর থেকে সিপিপি টিম লিডার লুৎফর হাওলাদারের নেতৃত্বে সাপটি উদ্ধার করা হয়।

পরে অজগরটি পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর ফরেস্ট স্টেশনের পাশে বনের মধ্যে অবমুক্ত করা হয়।

এ সময় সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মাদ বেলায়েত হোসেন, চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এনামুল হকসহ বনরক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন।

ধানসাগর ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় সিপিপির সদস্যরা অজগরটিকে উদ্ধার করে আমাদের খবর দেয়। পরে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সাপটি বনের মধ্যে অবমুক্ত করেছি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

সাইপ্রাসে বিশ্বসংস্কৃতির শান্তির নীড়

ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ সাইপ্রাসে এক শিল্পী অভিনব প্রকল্প গড়ে তুলেছেন। আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আনা প্রাকৃতিক উপকরণের দৌলতে সেই জগত ধীরে ধীরে বিকশিত হচ্ছে। নির্মাণ শৈলির প্রেরণাও সেই প্রকৃতিই।

সাইপ্রাস দ্বীপে গাছপালার মাঝে যেন রঙিন এক মরুদ্যান। সঙ্গে শিল্পের সমারোহ। জায়গাটিকে যে আসলে জঞ্জালের স্তূপ হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল, তা বোঝা কঠিন। তার বদলে শিল্পী ও ইন্টিরিয়র ডিজাইনার হিসেবে আন্টস মিরিয়ান্টুস পুনর্ব্যবহৃত উপকরণ দিয়ে সেখানে অভিনব এক স্থাপত্য সৃষ্টি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রথমে শুধু সৃষ্টির তাড়না ও নিজের মনোরঞ্জনের জন্য এটা করেছিলাম। তারপর মানুষের চাহিদা মেনে সবার জন্য খুলে দিলাম।’

কারণ আচমকা কৌতূহলী মানুষের ভিড় বাড়তে লাগলো। এমনকি অনেকে প্রাচীর টপকে ব্যক্তিগত এই স্বপ্নের জগত দেখার চেষ্টা করছিল। তাই এখন আগে থেকে অনুরোধ করলে ‘ইউফোরিয়া আর্ট ল্যান্ড’ প্রকল্প ঘুরে দেখা সম্ভব। গোটা বিশ্ব ঘুরে আন্টস সেই কাজের প্রেরণা পেয়েছেন।

সেই উদ্যোগের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষ কীভাবে নিজেদের বাসায় থাকে, তাদের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি নিয়ে আমার আগ্রহ ছিল। যখনই কোথাও গেছি সঙ্গে নানা স্যুভেনির নিয়ে গেছি। এত কিছু সংগ্রহ করি বলে সব মনে নেই। জানতাম না একদিন সেগুলি ব্যবহার করব। হ্যাঁ, আমি প্রায় সবকিছুই ব্যবহার করেছি।’

এখন পর্যন্ত তিনি তিনটি ভিন্ন ভবনের সমষ্টির খসড়া তৈরি করেছেন। প্রত্যেকটির নিজস্ব চরিত্র রয়েছে। কিন্তু দেখলে মনে হবে স্পেনের বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি আন্টোনি গাউডির স্থাপত্যের স্থানীয় সংস্করণ।

আন্টস মিরিয়ান্টুস বলেন, ‘আমি তার দর্শন অনুসরণ করি। মানে আরও অরগ্যানিক আকার আনতে চাই। অর্থাৎ প্রকৃতির মাঝে অস্তিত্ব রয়েছে, এমন কিছু। সেখানে কখনো সরল রেখা বা নিখুঁত গোল আকার দেখা যায় না।’

২০১২ সালে আন্টস নির্মাণের কিছু উপকরণ উপহার হিসেবে পান। সে সময়ে রাষ্ট্র হিসেবে সাইপ্রাসের দেউলিয়া হবার উপক্রম দেখা দিয়েছিল। ফলে অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সেরামিক টাইলসের মতো উপকরণ ফেলে দেবার বদলে কিছু কোম্পানি আন্টসকে সেগুলি উপহার হিসেবে দিয়ে দেয়। প্রকল্পের শুরুতে অনেক স্বেচ্ছাসেবীও সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিলেন।

‘ইউফোরিয়া আর্ট ল্যান্ড’-এ এলে গোটা বিশ্বের নানা প্রান্তের চিহ্ন চোখে পড়বে।

আন্টস জানালেন, ‘আফ্রিকা, বিশেষ করে ইথিওপিয়া থেকে প্রেরণা পেয়েছি, কারণ সেখানকার মানুষ পাথর, ঝিনুকসহ প্রকৃতির নানা সূত্র থেকে রং কাজে লাগায়। যেমন এটা ইউক্যালিপটাস গাছের কাঠ। গাছটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। আমরা আশপাশের পরিবেশ কাজে লাগিয়ে থিমের সঙ্গে মানানসই উপকরণ ব্যবহারের চেষ্টা করি।

তিনি জানান, এটা আমার দাদির ছিল। সেখানে একই রকম কিছু দেখে এটাকে ম্যাচিং মনে হলো। গোটা মেঝেই প্রাকৃতিক পাথরের টুকরো ও আফ্রিকার সব মোটিফ দিয়ে তৈরি।’

সূর্য ডুবে গেলে ইউফোরিয়া আর্ট ল্যান্ডে ভিন্ন ধরনের এক জাদুময় পরিবেশ নেমে আসে।

আন্টস বলেন, ‘এই প্রকল্পের মধ্যে এই মুহূর্তে মাত্র তিনটি ছোট বাড়ি রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে আমরা বিভিন্ন সংস্কৃতির আরও বাড়ি তৈরি করতে চাই।’ ডয়েচে ভেলে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ৫.২৫ মিনিটে দৌড়ালেন ১.৬ কিলোমিটার

তিনি নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। প্রেগন্যান্সির এই সময় নারীরা উদ্বিগ্ন থাকেন তাদের সন্তান ডেলিভারি নিয়ে। এই সময় নারীদের থাকতে হয় সম্পূর্ণ বিশ্রামে।

অথচ অ্যাথলিট মাকেন্না মিলার এর সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। বিশ্রামে থাকা তো দূরের কথা, দেড় কিলোমিটারের বেশি দৌড়িয়েছেন তিনি। তা-ও আবার ৫ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে!

মাত্র ৫ মিনিট ২৫ সেকেন্ড ১.৬ কিলোমিটার দৌড়ে নেট দুনিয়ায় তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের উতাহ অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা অ্যাথলিট মাকেন্না মিলার।

সাধারণত একজন স্বাস্থ্যবান মানুষের যদি নিয়মিত দৌড়ানোর অভ্যাস থাকে, তাহলে তিনি ওই রাস্তা দৌড়াতে পারবেন ৯-১০ মিনিটে। কিন্তু ভারী শরীর নিয়ে মাকেন্না মিলার তা পার করেছেন তার অর্ধেক সময়ে

সংবাদমাধ্যমকে মিলার বলেছেন, আমারও কোনো ধারণা ছিল না যে, এই অবস্থায় ওই সময়ের মধ্যে এতটা দৌড়াতে পারব।

গত কয়েক মাস ধরে এজন্য প্রস্ততি নিয়েছিলেন মিলার। প্রেগন্যান্সি ও করোনার কারণে ট্রেনিং যেন বন্ধ না থাকে সেজন্য আগে থেকেই চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়েছিলেন।

অ্যাথলিট মিলার বলেন, প্রেগন্যান্সির কারণে ট্রেনিংয়ের ধরনই বদলে গিয়েছিল। সপ্তাহে তিনবার কড়া ওয়ার্কআউট করতাম।

গর্ভাবস্থায় ট্রেনিং অব্যাহত রাখলেও সন্তানদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করেছেন ২৮ বছর বয়সী এই দৌড়বিদ। তিনি জানান, ট্রেনিংয়ের কারণে সন্তানের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য চিকিৎসকদের নজরদারিতেই ছিলাম। তাদের অনুমতি মেলার পরই দৌড়ে নামি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রোহিঙ্গা সংকট: রাতের আঁধারে কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলো নিয়ন্ত্রণ করে কারা?

রোহিঙ্গা সংকট: রাতের আঁধারে কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলো নিয়ন্ত্রণ করে কারা?

উত্তর কোরিয়া নতুন ‘বিশাল আকৃতির‘ ক্ষেপণাস্ত্রের কতটা জানা যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া নতুন ‘বিশাল আকৃতির‘ ক্ষেপণাস্ত্রের কতটা জানা যাচ্ছে

উত্তর কোরিয়া নতুন ‘বিশাল আকৃতির‘ ক্ষেপণাস্ত্রের কতটা জানা যাচ্ছে

নাগোর্নো-কারাবাখ যুদ্ধ: আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধে আর্মেনিয়ার 'ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি' হয়েছে, বলছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী

নাগোর্নো-কারাবাখ যুদ্ধ: আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধে আর্মেনিয়ার ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে, বলছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী

নাগোর্নো-কারাবাখ: নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কয়েক মিনিটের মাথায় ভঙ্গ, পরস্পরকে দোষারোপ করছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া

নাগোর্নো-কারাবাখ: নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কয়েক মিনিটের মাথায় ভঙ্গ, পরস্পরকে দোষারোপ করছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া

মা হওয়ার পরে যে কাজগুলো করবেন

মা হওয়ার পরে যে কাজগুলো করবেন

শিশু কথা শোনে না? জেনে নিন করণীয়

শিশু কথা শোনে না? জেনে নিন করণীয়

সরিষার তেলের ৫টি অবিশ্বাস্য উপকারিতা

সরিষার তেলের ৫টি অবিশ্বাস্য উপকারিতা

খাওয়ার পরে টক দই খেলে কী হয়

খাওয়ার পরে টক দই খেলে কী হয়

শেভিং ক্রিমের কিছু অজানা ব্যবহার

শেভিং ক্রিমের কিছু অজানা ব্যবহার

মিষ্টি কুমড়ার খোসা ভর্তার সহজ রেসিপি

মিষ্টি কুমড়ার খোসা ভর্তার সহজ রেসিপি

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com