আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনা ভাইরাস: মানুষের আয় কমে গেলে চক্রাকারে যা ঘটে

মহামারির কারণে ৬৮ শতাংশ মানুষ কোনও না কোনোভাবে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।
মহামারির কারণে ৬৮ শতাংশ মানুষ কোনও না কোনোভাবে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সেপ্টেম্বর মাসে করা এক জরিপের দেখা গেছে, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দেশে পরিবার প্রতি গড়ে ৪ হাজার টাকা করে আয় কমে গেছে। মহামারির এই সময়ে আয় কমে যাওয়ায় খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমে গেছে ৫২ শতাংশের মত পরিবারের।

বাংলাদেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হলেও আগের পর্যায়ে যেতে পারেননি অনেকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছয়মাসের বেশি সময় ধরে দেশব্যাপী মানুষজনের আয় ও খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ কমে গেলে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে।

যেভাবে আয় কমে গেছে

ঢাকায় পুরুষদের চুল কাটার একটি স্যালনে বসে টেলিভিশনের চ্যানেল বদল করছিলেন এর একজন কর্মী জীবন শর্মা।

ভেতরে চেয়ারগুলো সব খালি পড়ে রয়েছে, কারণ কোন কাস্টমার নেই। তিরিশ বছর যাবত এই পেশায় যুক্ত জীবন শর্মা বলছেন ৬ই অক্টোবর সারাদিনে তার আয় ছিল মোটে ১০০ টাকার মতো। যেখানে করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর আগে তার আয় ছিল দৈনিক দুই হাজার টাকা।

“সব মিলিয়ে সাড়ে তিনমাস আমার দোকানের তালা খোলা হয়নি। দোকান এখনো রানিং হয়নি। দোকান খোলার পর অন্তত আরও দুই মাস আমরা কোন গেস্ট পাইনি। এখনো পর্যন্ত একই অবস্থা। আজকে সকাল থেকে এপর্যন্ত কেউ ঢোকেনি। খাওয়া আছে, থাকা আছে, দোকান ভাড়া আছে, কিন্তু মাত্র একশ টাকা আয় করছি গতকাল।”

হাতে জমানো টাকা সব খরচ করে ফেলেছেন জীবন শর্মা।
হাতে জমানো টাকা সব খরচ করে ফেলেছেন জীবন শর্মা।

জীবন শর্মার যৌথ পরিবারে ১৯ জন সদস্য, কিন্তু উপার্জনকারী দুইজন। তিনি বলছেন, পরিবারে খাওয়া-পরা যেভাবেই হোক যোগাড় করতে হয়েছে।

তিনি বলছেন, “ধার করে হোক বা আগে জমানো কিছু থাকলে সেটা দিয়ে হোক পরিবারের খাওয়া তো বন্ধ থাকে না। আমার পরিবারে মাসের খরচ ৩০ হাজার টাকার উপরে। কিন্তু আমার এমন অবস্থা যে করোনাভাইরাসের কারণে ৩০ টাকাও আয় হয় না। হাতে জমানো যে টাকা ছিল, ডিপিএস ছিল, যা ছিল সব শেষ।”

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ৬ই অক্টোবর যে জরিপের ফল প্রকাশ করেছে তাতে করোনাভাইরাস বাংলাদেশে মানুষের আয়ের উপর কী ধরনের আঘাত হেনেছে তার একটি উদ্বেগজনক চিত্র ফুটে উঠেছে।

তাতে দেখা যাচ্ছে মহামারির কারণে ৬৮ শতাংশ মানুষ কোনও না কোনোভাবে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।

ঢাকার ঐ একই পাড়ার লন্ড্রির দোকানের মালিক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলছেন, “দোকানের ভাড়ার টাকা বাকি জমে গেছে অনেক। আগে দিনে পঞ্চাশ-ষাট পিস কাপড় পাইতাম। এখন সেরকম আসে না। তিরিশ-পঁয়ত্রিশটা হয়ত আসে। বর্তমানে লস দিয়ে চলতেছে। প্রতিমাসে তিন-চার হাজার টাকা লস থাকে। কাজ করতে পারি নাই, তাই দোকান ভাড়া বাকি পরছে। আস্তে আস্তে শোধ করবো।”

দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।
দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

আয় কম, ক্রয় কম

পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরীপে অংশগ্রহণকারীরা যা বলেছেন তাতে দেখা যায়, মার্চ মাসে পরিবার প্রতি যে গড় আয় ছিল, আগস্ট মাস পর্যন্ত তা কুড়ি শতাংশ কমে গিয়েছিল।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন বলছেন আয় কমে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে তার ব্যয়ও কমে যাবে।

যার প্রভাব চক্রাকারে পড়বে সার্বিকভাবে অর্থনীতি ও দেশের প্রবৃদ্ধির উপর।

তার ব্যাখ্যা করে তিনি বলছেন, “যদি মানুষের আয় কমে যায় তাহলে বাজারে গিয়ে সে ব্যয় করতে পারবে না। তার যে দৈনন্দিন চাহিদা সেটা পূরণ হবে না। এতে করে যে উৎপাদন করছে সেও তার বাজার পাবে না। সে বাজারে যে পরিমাণ পণ্য বিক্রি করতো, মানুষ কিনতে পারছে না বলে তাকে উৎপাদনও কমাতে হবে।

সে যদি উৎপাদন কমিয়ে দেয় তাহলে যতগুলি লোক তার অধীনে চাকরি করে তত লোক তার লাগবে না। তখন কিছু লোক কর্মসংস্থান হারাবে। এইভাবে একটা চেইনের মতো কাজ করে আয় কমে যাওয়ার বিষয়টা। পরবর্তীতে সেটা জিডিপি প্রবৃদ্ধির উপরে আঘাত করবে।”

এই চক্রের ভেতরে পড়ে গেছে এমন মানুষ খুঁজতে বেশি দুর যেতে হয়নি। পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরীপে যেমনটা দেখা গেছে ঠিক তেমন একজন কড়াইল বস্তির নাসিমা আক্তার।

আমার প্রতিবেশীর বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতে আসেন। নাসিমা আক্তারের সাথে কথা বলতে চাইলে প্রতিবেশী গৃহকর্ত্রী ঘরের ভেতরে বসার আমন্ত্রণ জানালেন।

নাসিমা আক্তার সাত মাস এই বাড়িতে কাজ করতে পারেননি। কেননা সংক্রমণ এড়াতে খণ্ডকালীন গৃহকর্মী ছাটাই করেছিল অনেক পরিবার।

সাত মাস কাজ ছিল না নাসিমা আক্তারের।
সাত মাস কাজ ছিল না নাসিমা আক্তারের।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেবে মহামারির এই সময়ে আয় কমে যাওয়ায় খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমাতে হয়েছে ৫২ শতাংশের মত পরিবারের। সেরকমই আয় কমে যাওয়ায় পরিবারের খাবার যোগান কমে গেছে নাসিমা আক্তারের।

তার একটি ধারনা দিয়ে তিনি বলছেন, “মনে করেন আগে যখন ইনকাম ভাল ছিল তখন সপ্তাহ পর মুরগির মাংস, ১৫ দিন পর গরুর মাংস খাইতাম। মাসে ডিম ৩০ না হইলেও ২০ টা খাইতাম। কিন্তু সেই কুরবানির সময় যে গরুর মাংস খাইছি এরপর আর খাইনি। মুরগি হয়ত মাসে একটা খাইছি কিনা, আর ডিমও আগের মতো খাওয়া যায় না। যে টাকা দিয়ে হয়ত ডিম কিনতাম সেটা দিয়ে চাল কিনি। মাসে ২০ কেজির যায়গায় ১৫ কেজিতো কিনতেই হয়। একবেলা খাইয়া হইলেও বাঁচতে তো হবে”

বেকারত্ব, অর্থ সংকট ও খাদ্য সংকট

মহামারির শুরুতে অর্ধেক বেতনে তার স্বামীকে রেস্টুরেন্টে কাজ করতে হয়েছে। কিন্তু স্ত্রীর কোন আয় না থাকায় ঢাকায় বেঁচে থাকা দুঃসহ হয়ে পরেছিল তার পরিবারের জন্য।

বস্তিতে ঘর ভাড়া দিতে পারছিলেন না বলে নেত্রকোনায় গ্রামের বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন নাসিমা আক্তার। সাত মাস পর ঢাকায় ফিরে এলে প্রতিবেশীর বাড়িতে এবার যখন তাকে দেখলাম, পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল ওজন কমে গেছে, কুঠুরিতে ঢুকে গেছে চোখ।

মহামারির কারণে আগস্ট মাসে দেশে বেকারত্ব কুড়ি শতাংশে পৌঁছেছিল।
মহামারির কারণে আগস্ট মাসে দেশে বেকারত্ব কুড়ি শতাংশে পৌঁছেছিল।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেবে গত মার্চ মাসে বাংলাদেশে বেকারত্বের হার ছিল ২ দশমিক ৩ শতাংশ। জুলাইয়ে তা বেড়ে হয় ২২ শতাংশের বেশি।

পুষ্টিবিদ সৈয়দা শারমিন আক্তার বলছেন, সমাজে মানুষের আয় কমে যাওয়ার যেমন দীর্ঘ মেয়াদি প্রভাব রয়েছে অর্থনীতিতে, তেমনি আয় কমে যাওয়ার কারণে খাদ্য গ্রহণ কমে গেলে তার স্বাস্থ্যগত সামষ্টিক প্রভাবও যথেষ্ট দীর্ঘ মেয়াদি হতে পারে।

“দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব হল আমাদের চিন্তার ক্ষমতা কমে যাবে। এটা যদি কমে যায় তাহলে কিন্তু মানুষ সামনে এগোতে পারে না। আমাদের কাজের ক্ষমতা কমে যাবে। টানা কাজ করার যে শক্তি সেটা কমে যাবে। নারী-পুরুষের ইনফার্টিলিটি হতে পারে। তাতে কম ওজনের শিশু জন্ম নিতে পারে। বুকের দুধ কমে যেতে পারে।

কম খাবার যদি গ্রহণ করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে। তাহলে খুব অল্পকিছুতেই আমাদের অসুখবিসুখ হবে। স্বাস্থ্য খাতে একটা বড় সমস্যা দেখা দেবে। এই ধরনের সমস্যা আমাদের দিকে খুব বিপজ্জনকভাবে আসতে পারে।”

সমাজে অস্থিতিশীলতা ও সম্পর্কের অবনতি

মহামারির কারণে মাস ছয়েকের মতো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থমকে গেলেও এখন তা আবার ধীরে ধীরে ঘুরে দাড়াতে শুরু করেছে। তবে আগের যায়গায় ফিরে যাওয়া সম্ভব হয়নি এখনো।

চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষিজীবী প্রত্যেকে ভিন্নভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন। করোনাভাইরাসের কারণে বেকারত্ব, গ্রামে ফিরে যাওয়া,আর্থিক সঙ্কট, খাদ্যের অভাব, সমাজে দ্বন্দ্ব ও অস্থিতিশীলতা বাড়িয়ে দিতে পারে, বলছেন নৃবিজ্ঞানী জোবাইদা নাসরিন।

মহামারী সার্বিকভাবে অর্থনীতি ও দেশের প্রবৃদ্ধির উপর প্রভাব ফেলবে।
মহামারী সার্বিকভাবে অর্থনীতি ও দেশের প্রবৃদ্ধির উপর প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলছেন, “ঐতিহাসিকভাবে যুদ্ধ ও মহামারির পর এর নজির নানা সমাজে রয়েছে। করোনাভাইরাসকে বিশ্ব নেতারা যুদ্ধের সাথে তুলনা করেছে। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পরে কিন্তু হানাহানি, চুরি, ছিনতাই, লুটপাট এগুলো কিন্তু বেড়ে গিয়েছিল।

কারণ তখনও মানুষের সম্পদ সীমিত হয়ে গিয়েছিল, টাকার অভাব, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ কমে গিয়েছিল। তখন সবকিছু মিলিয়ে সমাজে অরাজকতা ও অপরাধ বেড়েছিল। তাই এটাও একটা শঙ্কার বিষয় যে করোনাভাইরাসের কারণে পরবর্তীতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ঐতিহাসিকভাবে যুদ্ধ, কনফ্লিক্ট সিচুয়েশন বা মহামারির সময় কিন্তু মানুষ এগুলো করে।”

জোবাইদা নাসরিন বলছেন, সামাজিক সম্পর্কতে বিভেদ দেখা দেয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

“আমাদের দেশ করোনাভাইরাসের কারণে কিন্তু একটি আভ্যন্তরীণর মাইগ্রেশন হয়েছে। যে বিপুল সংখ্যক মানুষ চাকরী হারিয়েছে তাদের অনেকে গ্রামে ফিরে গেছে। এটি কিন্তু গ্রামীণ অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করবে। তাছাড়া কিছু সামাজিক সমস্যা তৈরি করবে। যেমন ফিরে যাওয়ার পর অনেকে হয়ত চাকরি চলে গেছে বলে সামাজিক হেনস্তার শিকার হবেন।

এরপর সমস্যা দেখা দেবে সে কোথায় থাকবে সেনিয়ে। অন্য সময়ে সে ঈদ বা পূজায় বাড়ি যেত, ভাই-বোনের বাড়িতে হয়ত থাকতো, হৈ-হুল্লোড় করতো। কিন্তু এখন যেহেতু যে স্থায়িভাবে থাকছে তার সমস্যা হল সে কোথায় থাকবে। সামাজিক সম্পর্কগুলো টেনশনে পড়বে। আত্মীয় ভাইবোনদের মধ্যে সম্পদকে কেন্দ্র করে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক সংকট তৈরি হতে পারে।”

করনোভাইরাসের কারণে চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষিজীবী প্রত্যেকে ভিন্নভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন।
করনোভাইরাসের কারণে চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষিজীবী প্রত্যেকে ভিন্নভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন।

তবে আপাতত অনেকের উদ্বেগ হল ভালো চাকরি আবার কবে পাবেন, খাবেন কি, বকেয়া বাড়িভাড়া কীভাবে দেবেন, ঋণ কীভাবে শোধ হবে।

ঢাকার যে এলাকায় কর্মসূত্রে প্রতিদিন আমার দীর্ঘসময় কাটে, সেই এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে কাজ করেন যমুনা রানি। মহামারির শুরু থেকে অনেক দিন কাজ ছিল না। বেতনও পাননি।

কাজেই মহামারি শুরুর আগেই তার যে ঋণ হয়েছিল সেটাই পরিশোধ করতে পারেননি। এখন আবার নতুন করে ঋণ নিয়ে সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে, ঘরের খরচ চালাতে হচ্ছে।

দেনার চক্রের ধারনা দিয়ে তিনি বলছেন, “আগে যে আড়াই লাখ টাকা দেনা ছিল, সেইটাই আছে। একটুও দিতে পারিনাই। সুদ দিতে হবে সামনের মাসে। সমিতিতে নাম দিয়ে নতুন করে একটা কিস্তি উঠাবো তারপর সুদ দেবো। লোন কইরা আবার লোনের টাকা শোধ করতাছি।”

যমুনা রানীর মত বহু মানুষ দারিদ্র্যের চক্র থেকে বের হতে হিমশিম খাচ্ছেন। এরপর দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণের আশঙ্কা যেভাবে করা হচ্ছে, তাতে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটি ভাবতেও পারছেন না যমুনা রানী বা জীবন শর্মার মতো মানুষ।

  • করনোভাইরাসের কারণে চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষিজীবী প্রত্যেকে ভিন্নভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন।

    করনোভাইরাসের কারণে চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষিজীবী প্রত্যেকে ভিন্নভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন।

  • মহামারী সার্বিকভাবে অর্থনীতি ও দেশের প্রবৃদ্ধির উপর প্রভাব ফেলবে।

    মহামারী সার্বিকভাবে অর্থনীতি ও দেশের প্রবৃদ্ধির উপর প্রভাব ফেলবে।

  • মহামারির কারণে আগস্ট মাসে দেশে বেকারত্ব কুড়ি শতাংশে পৌঁছেছিল।

    মহামারির কারণে আগস্ট মাসে দেশে বেকারত্ব কুড়ি শতাংশে পৌঁছেছিল।

  • সাত মাস কাজ ছিল না নাসিমা আক্তারের।

    সাত মাস কাজ ছিল না নাসিমা আক্তারের।

  • দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

    দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

  • হাতে জমানো টাকা সব খরচ করে ফেলেছেন জীবন শর্মা।

    হাতে জমানো টাকা সব খরচ করে ফেলেছেন জীবন শর্মা।

  • মহামারির কারণে ৬৮ শতাংশ মানুষ কোনও না কোনোভাবে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।

    মহামারির কারণে ৬৮ শতাংশ মানুষ কোনও না কোনোভাবে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।

  • করনোভাইরাসের কারণে চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষিজীবী প্রত্যেকে ভিন্নভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন।
  • মহামারী সার্বিকভাবে অর্থনীতি ও দেশের প্রবৃদ্ধির উপর প্রভাব ফেলবে।
  • মহামারির কারণে আগস্ট মাসে দেশে বেকারত্ব কুড়ি শতাংশে পৌঁছেছিল।
  • সাত মাস কাজ ছিল না নাসিমা আক্তারের।
  • দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।
  • হাতে জমানো টাকা সব খরচ করে ফেলেছেন জীবন শর্মা।
  • মহামারির কারণে ৬৮ শতাংশ মানুষ কোনও না কোনোভাবে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।

দৈনন্দিন

পরীক্ষায় ভুল ডোজ, জটিলতায় অক্সফোর্ডের টিকা

লেখক

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাভাইরাসের টিকার উৎপাদনে ত্রুটির কথা আগেই স্বীকার করেছিল প্রস্তুতকারক সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা। টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দুটি ডোজ প্রয়োগের পদ্ধতিতে ভুল হওয়ায় এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর ফলে ইউরোপ ও আমেরিকায় শিগগিরই অক্সফোর্ড টিকা অনুমোদন পাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবকদের একাংশকে একটি ডোজ দেওয়ার পর আরেকটি পূর্ণাঙ্গ ডোজ না দিয়ে ভুল করে অর্ধেক ডোজ দেওয়ার পর টিকার সাফল্যের হার ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পাওয়া গেছে। এ তথ্য সামনে আসায় টিকাটির সত্যিকারের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা নিয়ে অনেক বিজ্ঞানীই প্রশ্ন তুলেছেন।

সোমবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওষুধনির্মাতা অ্যাস্ট্রাজেনেকা এক ঘোষণায় অক্সফোর্ডের সঙ্গে যৌথভাবে বানানো তাদের পরীক্ষামূলক কভিড-১৯ টিকার ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যে চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষায় ৬২ থেকে ৯০ শতাংশ সফলতার কথা জানায়। এর মধ্যে বেশিরভাগ স্বেচ্ছাসেবককে দুটি পূর্ণাঙ্গ ডোজ দেওয়া হয়েছিল। তাদের ক্ষেত্রে টিকাটির সাফল্য ৬২ শতাংশ। আর যে খুব ছোট অংশকে ভুল করে দেড় ডোজ দেওয়া হয়েছিল, তাদের ক্ষেত্রে সাফল্যের হার পাওয়া যায় চোখ ধাঁধানো ৯০ শতাংশ।

এই ফলাফল নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। বলা হচ্ছে, যেখানে দুটি পূর্ণাঙ্গ ডোজ দিচ্ছে ৬২ শতাংশ সফলতা, সেখানে ভুল করে যাদের দেড় ডোজ দেওয়া হলো, তাদের সাফল্য কীভাবে ৯০ শতাংশ হয়? ভুল করে যে অর্ধেক ডোজ দেওয়া হয়েছিল, তা কেন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পূর্ণাঙ্গ ডোজের চেয়েও বেশি বাড়িয়ে দেয়? গবেষকরা এজন্য এখন অক্সফোর্ডের টিকার চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষার সম্পূর্ণ তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছেন। বিভ্রান্তি এড়াতে অ্যাস্ট্রাজেনেকাও নতুন পরীক্ষার চিন্তাভাবনা করছে।

তবে এই টিকা তৈরির ভারতীয় সহযোগী সংস্থা সিরাম ইনস্টিটিউট দাবি করেছে, এই টিকা নিরাপদ এবং কার্যকর। সংস্থাটি বলেছে, এই টিকা ন্যুনতম ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ করে। অ্যাস্ট্রাজেনেকার পক্ষ থেকে নানা বয়সের মানুষের মধ্যে এই টিকা পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষার ফল থেকে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বাংলাদেশ সিরাম থেকে টিকা কেনার চুক্তি করেছে। ফেব্রুয়ারিতেই টিকা পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ সরকার।

ভারতে স্পুটনিক টিকা উৎপাদনে রাজি রাশিয়া : ভারতে করোনাভাইরাসের ‘স্পুটনিক-৫’ টিকা উৎপাদনে রাজি হয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার উদ্ভাবিত ‘স্পুটনিক-৫’ টিকার অফিসিয়াল টুইটারে এ বিষয়ে শুক্রবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, রাশিয়ান ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (আরডিআইএফ) ও ভারতের ওষুধ কোম্পানি হেটেরো ২০২১ সালের শুরুর দিকে ভারতে ‘স্পুটনিক-৫’ টিকা উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে। তারা ভারতে বছরে ১০ কোটি ডোজের বেশি করোনার টিকা উৎপাদনে সম্মত হয়েছে। এ টিকা উৎপাদনের পর তা বিশ্ববাজারে সরবরাহ করবে আরডিআইএফ ও হেটেরো। এই লক্ষ্যে তারা কাজ করছে।

গত আগস্টে রাশিয়া প্রথম স্পুটনিক-৫ টিকার অনুমোদন দেয়। এটি রাষ্ট্রীয় অনুমোদন পাওয়া প্রথম করোনার টিকা। অক্টোবরের মাঝামাঝি রাশিয়া করোনার দ্বিতীয় টিকার অনুমোদন দেয়। দেশটি তৃতীয় টিকারও শিগগিরই নিবন্ধন দেবে বলে জানিয়েছে। রাশিয়ার দাবি, তাদের উদ্ভাবিত ‘স্পুটনিক-৫’ টিকাটি ৯৫ শতাংশ কার্যকর। দেশটি বলছে, অন্য দেশের উদ্ভাবিত করোনার টিকার চেয়ে তাদের টিকার দাম অনেক কম পড়বে। তবে পরীক্ষার সব ধাপ শেষ না করেই অনুমোদন দেওয়ায় রাশিয়ার করোনার টিকা নিয়ে পশ্চিমা গবেষকদের মধ্যে সন্দেহ আছে। সূত্র : বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান ও এনডিটিভি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা কমাতে কী করবেন?

লেখক

অনেকেই ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভোগেন। রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এক জটিল সমস্যা। শরীরে এই অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে যায়। এমনকি কিডনি অকেজো হওয়ার মতো সমস্যাও হতে পারে। সাধারণত অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। এ ছাড়া কারও কারও ক্ষেত্রে জিনগত সমস্যার কারণেও এটা হতে পারে।

ইউরিক অ্যাসিড এমন এক ধরণের রাসায়নিক, যা খাবার হজম করার সময় শরীরে উৎপন্ন হয়। ইউরিক অ্যাসিডে ‘পিউরিনস’ নামে এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে যা কিছু কিছু খাবারের মধ্যে পাওয়া যায়। ইউরিক অ্যাসিড রক্তের সঙ্গে মিশে কিডনিতে পরিশোধিত হয়ে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। কিন্তু মাঝেমধ্যে শরীর এত বেশি পরিমাণের ইউরিক অ্যাসিড উৎপাদন করে যে তা ঠিক মতো পরিশোধিত হতে পারে না। তখন নানা সমস্যা দেখা দেয়। শরীরে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ কমাতে বা বাড়াতে কিছু কিছু খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কারণে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাবারের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। সেই সঙ্গে জীবনযাপন পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা জরুরি। যেমন-

১. রান্নায় তেল মসলা কম দিন। এছাড়া বড় মাছ, রেড মিট, দুধ, বেকন, কলিজা, চিনি এড়িয়ে চলুন। ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা হলে সামুদ্রিক মাছও এড়িয়ে চলুন।

২. ফ্যাট ফ্রি দুধ খাওয়া শুরু করুন। এছাড়া পিনাট বাটার, ফল, শাকসবজি বেশি পরিমাণে খান। শস্যদানা, রুটি, আলু খেতে পারেন। এছাড়া দুধ ও চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

৩. অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ থেকে দূরে থাকুন।

৪. নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এ জন্য হাঁটা বা সাঁতার বেছে নিতে পারেন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, হৃদরোগ থাকলে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে সবসময় নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হোন।

৫. বাজারে পাওয়া জুস, কোমল পানীয়, লাচ্ছি খাওয়া একদমই ঠিক নয়। এতে বিপাকে সমস্যা হয়।

৬. চায়ের বদলে কফি খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন তিন থেকে চার কাপ কালো কফি খেলে শরীর ভালো থাকে। তবে এতে যাতে কিডনির সমস্যা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

৭. খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি রাখুন। নিয়মিত লেবু বা ভিটামিন সি-যুক্ত ফল খান। ভিটামিন সি ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে।

৮. প্রোটিন হজমের পর শরীর অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করে। এর থেকেও ইউরিক অ্যাসিড সৃষ্টি হয়। তাই অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ বন্ধ করুন। যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা পরিশ্রমসাধ্য কাজ করেন তারা সামান্য বেশি প্রোটিন খেতে পারেন।

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা কমাতে খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার যোগ করতে পারেন। যেমন-

১. চর্বিহীন মাংস। এক্ষেত্রে ছোট মুরগির মাংস খেতে পারেন। এছাড়া মাছ, কুসুম ছাড়া ডিম পরিমাণ মতো খাওয়া যেতে পারে।

২. বেশি আঁশযুক্ত ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার খেতে পারেন। এর জন্য লেবু চা, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল (পেয়ারা, আমলকী, কমলা, মাল্টা), গ্রিন টি ইত্যাদি খেতে পারেন।

৩. প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

উষ্ণতায় সারাদিন

লেখক

শীত এলেই যেন ত্বকের এক ভিন্ন রূপ দেখা দেয়। শীত মানেই ত্বকে রুক্ষ মলিন ভাব, ত্বক ফেটে যাওয়া, সেই সঙ্গে শুষ্কতা। তাই এই সময়ে নিতে হবে ত্বকের বাড়তি যত্ন।সাধারণত আবহাওয়ার কারণেই ত্বকের এই অবস্থা হয়, তাই শীতে একটু সতর্ক তো হতেই হবে।

মুখের যত্ন

যাদের মুখের ত্বক বেশি রুক্ষ তারা অয়েলবেইজড ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন, আর তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ফোম অথবা জেলবেইজড ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে, যার যার ত্বকের ধরন অনুযায়ী। বেশি রুক্ষ শুষ্ক ত্বকে তেলও ব্যবহার করা যাবে। যেমন অর্গান অয়েল, অলিভ অয়েল, ভিটামিন ই অথবা আলমন্ড (বাদামের তেল)। রুক্ষ ত্বকের জন্য মধুর কোনো জুড়ি নেই। তাই প্রতিদিন ঘরোয়া ফেসপ্যাক হিসেবে খাঁটি মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। শীত এলে সানস্ক্রিনের কথা কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না। অবশ্যই প্রতিদিন বাইরে যাওয়ার ১৫-৩০ মিনিট আগে একটা ভালো সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।

হাত-পায়ের যত্ন

গোসলের সময় ত্বককে শুষ্ক করে ফেলে এমন ক্ষারযুক্ত সাবান না ব্যবহার করাই ভালো। এক্ষেত্রে প্রতিদিন গোসলে ক্ষারবিহীন সাবান বা বডিওয়াশ ব্যবহার করুন। গোসলের পর এবং ঘুমানোর আগে অবশ্যই একটা ভালো ময়েশ্চারাইজারযুক্ত বডিলোশন ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া অলিভ অয়েলও কিন্তু বডিঅয়েল হিসেবে খুবই উপকারী। এখন কিন্তু বাজারে অয়েলমিস্টও পাওয়া যায়। চাইলে সেটাও ব্যবহার করতে পারেন।

ঠোঁটের যত্ন

শীতে ঠোঁট ফাটবে না তা কি হয়? সব কিছুর মধ্যে ঠোঁটের যত্ন নেওয়ার কথা কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না। ঠোঁটের চামড়া উঠলে হাত দিয়ে না টেনে, জিভ দিয়ে না ভিজিয়ে স্ক্র্যাব ব্যবহার করুন। এখন বাজারে ঠোঁটের জন্য ভালো স্ক্র্যাব আছে। যদি না পান তাহলে বাসায় চিনি অথবা চালের গুঁড়া থাকলেও কাজ হয়ে যাবে। এক চামচ চিনি বা চালের গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য নারিকেল তেল বা অলিভঅয়েল মিক্স করে ১-২ মিনিট ঠোঁটে স্ক্র্যাব করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। পার্থক্যটা নিজেই বুঝবেন। ঠোঁটে ভালো পেট্রোলিয়াম জেলি বা লিপ ব্লাম ব্যবহার করুন। ২-৩ ঘণ্টা পর পর যখনই ঠোঁট রুক্ষ লাগবে ব্যবহার করতে পারবেন সুইট আলমন্ড অয়েল বা নারিকেল তেল। এগুলোও কিন্তু ঠোঁটের জন্য ভালো কাজ করে।

খাদ্যাভ্যাস

এতকিছু করে কী হবে যদি খাবারের রুটিন ঠিক না থাকে। আমরা যাই ব্যবহার করি না কেন ত্বক ভেতর থেকে সুন্দর না হলে লাভ কি? শরীর ভেতর থেকে সুস্থ থাকলে ত্বকও থাকবে সুন্দর, উজ্জ্বল আর প্রাণবন্ত। তাই সেই একই কথা- প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। সুপ, ফলের জুস, গরম দুধ, গ্রিন টি মেনুতে রাখুন। ফল আর শাকসবজি তো খেতেই হবে, সঙ্গে প্রোটিন জাতীয় খাবারও। ফল ও সবজি দিয়ে সালাদ তৈরি করে খেতে পারেন। শীতে ত্বকের রুক্ষতা বেড়ে যায়, তাই খাবারে ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে এমন জাতীয় খাবারও খেতে হবে যেমন বাদাম, মাছ। একটা ব্যালান্স ডায়েট মেনে চলুন। সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাউথওয়াশে ৩০ সেকেন্ডেই করোনা ধ্বংস: গবেষণা

লেখক

করোনাভাইরাসের টিকা আবিস্কার নিয়ে চলছে নিরন্তর গবেষণা। কয়েকটি টিকা পরীক্ষামূলক প্রয়োগের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। কভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকার পাশাপাশি বিকল্প উপায় নিয়েও কাজ করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

এ ক্ষেত্রে সাফল্যের খবর দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। তারা বলছেন, মুখের লালায় থাকা করোনাভাইরাসকে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই ধ্বংস করতে পারে মাউথওয়াশ। খবর আল জাজিরার।

গবেষণায় দেখা গেছে, দশমিক ৭ শতাংশ সিটিপাইরিডিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত (সিপিসি) মাউথওয়াশ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। গবেষকরা বলেন, ভাইরাসের সংক্রমণ কমানোর ক্ষেত্রে এই মাউথওয়াশ ‘আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত’ দিয়েছে। তবে এটি তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন।

কার্ডিফের ইউনিভার্সিটি হসপিটাল অব ওয়েলসের রোগীদের ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরুর আগে বিজ্ঞানীরা আরও দেখতে চান, এই মাউথওয়াশ রোগীর লালায় থাকা করোনাভাইরাস কী মাত্রায় ধ্বংস করতে পারে। তারা আশা করছেন, আগামী বছরের শুরুর দিকে তাদের গবেষণা প্রতিবেদন পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকাশিত হবে।

কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেডিভ থমাস বলেন, করোনা ধ্বংসে মাউথওয়াশ ব্যবহারে গবেষণাগারে যে সফলতা পাওয়া গেছে, তা রোগীদের ক্ষেত্রেও পাওয়া সম্ভব কিনা, তা দেখতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনা থেকে ৪৮ ঘণ্টা সুরক্ষা দেবে নাকের স্প্রে

লেখক

গবেষকরা নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন করোনা ঠেকানোর হাতিয়ার তৈরিতে। টিকা ছাড়াও করোনাকে ঘায়েল করতে অন্য উপায়গুলোর মধ্যে বিজ্ঞানীরা জোর দিচ্ছেন মাউথওয়াশ ও নাকের স্প্রের ওপর। এরই মধ্যে কার্যকর নাকের স্প্রে তৈরির কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

তারা জানাচ্ছেন, তাদের তৈরি ন্যাজাল স্প্রে করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখবে। চলতি সপ্তাহেই তারা এই স্প্রের ব্যাপক উৎপাদনে যেতে চান। গবেষণায় তাদের এই স্প্রে ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া গেছে। শিগগিরই যুক্তরাজ্যে সবার হাতের নাগালে চলে আসবে এই স্প্রে।

স্প্রে তৈরিতে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে, তা মানুষের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। মূলত দুটি রাসায়নিকের সংমিশ্রণে স্প্রে তৈরি করা হয়েছে।

এতে ব্যবহার করা হয়েছে ক্যারাজিনান ও জিলান; গবেষণাগারে দেখা গেছে, রাসায়নিক এই স্প্রে মানবদেহের কোষে প্রবেশের আগেই করোনাভাইরাসকে থামিয়ে দিতে সক্ষম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com