আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

মানসিক অশান্তিতে ঈর্ষা

মানসিক অশান্তির একটি উল্লেখযোগ্য কারণ হলো ঈর্ষা; ভালোবাসার সম্পর্ককে বিনষ্ট করতে এর গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। ঈর্ষাপরায়ণতা একটা জটিল নেতিবাচক আবেগীয় প্রতিক্রিয়া, যার প্রকাশ ঘটে কোনো ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে ফেলার ভয় থেকে, বিশেষ করে রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে। কোনো বাস্তব অথবা কাল্পনিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতা থেকে ব্যক্তির মধ্যে এই আবেগীয় প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকে। এর সঙ্গে অন্যান্য আবেগীয় অনুভূতিও দেখা দিয়ে থাকে, যেমন-দুশ্চিন্তা, মন খারাপ, রাগ, ঘৃণা, পরিতাপ, অভিযোগ, তিক্ততা, হিংসা ইত্যাদি। ঈর্ষান্বিত ব্যক্তি নিজেও ভালো থাকে না এবং তার কাছের লোকজনকেও ভালো থাকতে দেয় না।

ঈর্ষা ও হিংসা এই দুটো শব্দকে সমার্থক শব্দ হিসেবে অনেকে ব্যবহার করে থাকে; কারণ এ দুটোর সঙ্গে প্রায় একইভাবে লোকজনের অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে। কিন্তু এ দুটো আবেগীয় প্রতিক্রিয়ার মধ্যে বিশেষ কিছু পার্থক্য আছে।

ঈর্ষা ও হিংসা এই দুটো শব্দকে সমার্থক শব্দ হিসেবে অনেকে ব্যবহার করে থাকে; কারণ এ দুটোর সঙ্গে প্রায় একইভাবে লোকজনের অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে। কিন্তু এ দুটো আবেগীয় প্রতিক্রিয়ার মধ্যে বিশেষ কিছু পার্থক্য আছে। ঈর্ষাপরায়ণতা হলো ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে ফেলার ভয় থেকে অনিশ্চয়তায় ভোগা ও সন্দেহ করা। ঈর্ষার সঙ্গে জড়িত খুব সাধারণ কিছু বিষয় হলো হারিয়ে ফেলার ভয়, অবিশ্বাস ও সন্দেহ করা, রাগান্বিত হওয়া, অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা, নিম্ন আত্মমর্যাদা বোধ হওয়া এবং একাকিত্বে ভোগা। বিজ্ঞাপন

অপর দিকে হিংসা হলো অন্যের সুবিধা বা সফলতা দেখে মন খারাপ করা এবং যা ব্যক্তির নিজের মধ্যে নেই, তা পেতে তীব্র আকাঙ্ক্ষা বোধ করা। হিংসার সঙ্গে জড়িত খুব সাধারণ কিছু বিষয় হলো হীনম্মন্যতা বোধ হওয়া, অপমানিত বোধ করা, উন্নতি করার আগ্রহ পোষণ করা, নিজের মধ্যে আকর্ষণীয় গুণাবলি প্রত্যাশা করা, অন্যের অনুমোদন না পাওয়ার ফলে অসন্তুষ্টিতে ভোগা, অন্যের সফলতায় মন খারাপ করা ইত্যাদি।

ঈর্ষা ঘটে থাকে খুব উল্লেখযোগ্য ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে
ঈর্ষা ঘটে থাকে খুব উল্লেখযোগ্য ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে

ঈর্ষা ঘটে থাকে খুব উল্লেখযোগ্য ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে, যেখানে সাধারণত তিনজন ব্যক্তি সম্পর্কিত থাকে, যেমন-যে ব্যক্তি ঈর্ষান্বিত হচ্ছে, যে ব্যক্তিকে ঘিরে ঈর্ষা হচ্ছে এবং যে ব্যক্তিকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করছে। আর হিংসা ঘটে থাকে সাধারণত দুজন ব্যক্তির মধ্যে বা কোনো ব্যক্তি ও বস্তুর সঙ্গে। ঈর্ষা ও হিংসা বিভিন্ন ক্ষেত্রে হতে পারে যেমন:

রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে: একজন পার্টনারের তুলনায় আরেকজনের বেশি সুবিধা, প্রশংসা, টাকাপয়সা, কাজ ইত্যাদি নিয়ে হিংসা করা। পার্টনারকে হারিয়ে ফেলার ভয়ে অন্য ব্যক্তির প্রতি ঈর্ষান্বিত হওয়া।

কর্মক্ষেত্রে: সহকর্মীদের সঙ্গে কাজের বণ্টন, সম্মান বা পদোন্নতি নিয়ে হিংসা, বসের কাছে নিজের প্রাধান্যতা নিয়ে কাউকে ঈর্ষা।

বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে: সফলতার তুলনা নিয়ে হিংসা, ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে হারিয়ে ফেলার ভয় থেকে তৃতীয় ব্যক্তিকে ঈর্ষা।

পারিবারিক ক্ষেত্রে: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সফলতা বা ক্যারিয়ার নিয়ে হিংসা, ভাইবোনের মধ্যে নানা বিষয়ে হিংসা, ছোট ভাইবোনের প্রতি ঈর্ষা (বাবা-মায়ের কাছ থেকে নিজের আদর-ভালোবাসা কমে যাওয়ার ভয়ে), ছেলের বউয়ের প্রতি শাশুড়ির ঈর্ষা (ছেলের কাছে মায়ের প্রাধান্য কমে যাওয়া বা ছেলেকে হারিয়ে ফেলার ভয়ে)।বিজ্ঞাপন

প্যাথলজিক্যাল জেলাসি

যেকোনো সম্পর্ক বা ভালোবাসার সম্পর্কের সঙ্গে ঈর্ষার একটা স্বাভাবিক সংযোগ থাকতে পারে, কিন্তু যখন তা ব্যক্তির চিন্তা, অনুভূতি ও আচরণকে তীব্রভাবে প্রভাবিত করে ব্যক্তির স্বাভাবিক সম্পর্ক এবং জীবন যাপনকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তখন তা মানসিক অসুস্থতায় পরিণত হয়, যাকে অস্বাভাবিক ঈর্ষা বা প্যাথলজিক্যাল জেলাসি বলা হয়। প্যাথলজিক্যাল জেলাসি আবার মর্বিড জেলাসি, ডিলিউশনাল জেলাসি অথবা ওথেলো সিনড্রোম নামেও পরিচিত। এটা স্বাভাবিক ঈর্ষা থেকে আলাদা এর তীব্রতা এবং যৌক্তিকতার দিক থেকে। কোনো ব্যক্তির মধ্যে স্বাভাবিক ঈর্ষা হতে পারে যখন সত্যিই তার পার্টনারকে অবিশ্বাস করার মতো কিছু ঘটে থাকে। কিন্তু প্যাথলজিক্যাল জেলাসি মানে শুধু অবিশ্বাস করা নয়, তীব্র মাত্রার অবিশ্বাস ও অযৌক্তিক সন্দেহ, যা ব্যক্তির স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করে।

কোনো ব্যক্তির মধ্যে স্বাভাবিক ঈর্ষা হতে পারে যখন সত্যিই তার পার্টনারকে অবিশ্বাস করার মতো কিছু ঘটে থাকে
কোনো ব্যক্তির মধ্যে স্বাভাবিক ঈর্ষা হতে পারে যখন সত্যিই তার পার্টনারকে অবিশ্বাস করার মতো কিছু ঘটে থাকে

প্যাথলজিক্যাল জেলাসি বা ডিলিউশনাল জেলাসির কিছু ধরন আছে। এটা ‘ডিলিউশনাল ডিজঅর্ডার-জেলাস টাইপ’ হিসেবে এককভাবে একটা ডিজঅর্ডার হতে পারে অথবা সাইকোটিক ডিজঅর্ডার যেমন-সিজোফ্রেনিয়া, প্যারানয়েড, সাইকোসিস, পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার ইত্যাদির একটা সিনড্রোম হিসেবেও দেখা দিতে পারে। ডিলিউশনাল জেলাসির বাইরে আরেক ধরনের জেলাসি হলো ‘অবসেসিভ জেলাসি’, যেখানে ব্যক্তি কোনো এক কাল্পনিক প্রতিদ্বন্দ্বীর ভাবনা থেকে তার পার্টনারকে হারিয়ে ফেলার ভয় করে। যদিও পার্টনারকে অবিশ্বাস করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে থাকে না এবং সে নিজেও বুঝতে পারে যে এটা অযৌক্তিক চিন্তা। তবুও সর্বক্ষণ এই চিন্তা নিয়ে সে ব্যস্ত থাকে এবং চাইলেও মন থেকে তা দূর করতে পারে না, যার জন্য ভীষণ রকম অস্বস্তি ও অস্থিরতায় ভোগে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়।

প্যাথলজিক্যাল জেলাসির কিছু লক্ষণ

  • পার্টনারকে সর্বক্ষণ সন্দেহ যেন সে অন্য কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।
  • কোনো রকম প্রমাণ ছাড়াই মিথ্যা অভিযোগ ও অপমান করা এবং ঈর্ষান্বিত আচরণের জন্য অজুহাত খোঁজা।
  • পার্টনারকে অবিশ্বাস করা এবং তার সারা দিনের কার্যকলাপ সম্পর্কে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানতে চাওয়া কোথায় আছে, কার সঙ্গে আছে, কী করছে ইত্যাদি।
  • বিনা অনুমতিতে পার্টনারের মোবাইল, ই–মেইল ইত্যাদি চেক করা এবং যেকোনো ফোন নম্বর থেকে আসা কলের জন্য জবাবদিহি করা।
  • পার্টনারকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে বাধা প্রদান করা (যেমন-ফেসবুক, টুইটার, মেসেঞ্জার ইত্যাদি) এবং তার পরিবার, বন্ধু ও আত্মীয়স্বজন থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখা।
  • পার্টনারকে এবং যাকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করছে তার প্রতি মৌখিক এবং শারীরিকভাবে চড়াও হওয়া।
  • অন্যের অথবা নিজের ক্ষতি করার জন্য হুমকি দেওয়া।
  • নিজের ঈর্ষান্বিত আচরণ অস্বীকার করা।

প্যাথলজিক্যাল জেলাসির কারণ

প্যাথলজিক্যাল জেলাসি সাধারণত অন্য কোনো মানসিক রোগের সঙ্গে জড়িত থাকে
প্যাথলজিক্যাল জেলাসি সাধারণত অন্য কোনো মানসিক রোগের সঙ্গে জড়িত থাকে

প্যাথলজিক্যাল জেলাসি সাধারণত অন্য কোনো মানসিক রোগের সঙ্গে জড়িত থাকে যেমন- সিজোফ্রেনিয়া, অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার, পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার (যেমন-প্যারানয়েড, ডিপেন্ডেন্ট ও বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার) ইত্যাদি। যেকোনো মানসিক রোগের ক্ষেত্রেই ব্যক্তি আগে থেকে নাজুক অবস্থায় থাকে, যা তার শৈশবের অভিজ্ঞতার ফলে হয়ে থাকে। শৈশবে ব্যক্তির প্যারেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে কারও ওপর বিশ্বাস তৈরি না হলে সে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং তার মধ্যে একা হয়ে যাওয়ার ভয় কাজ করে, যা পরবর্তী সময়ে তাকে ঈর্ষান্বিত করতে পারে। এই ব্যক্তিরা হীনম্মন্যতায় ভোগে এবং আত্মবিশ্বাস কম থাকার জন্য তাদের মধ্যে আত্মসম্মানবোধও কম থাকে। সর্বক্ষণ একটা ভয় কাজ করে কাছের মানুষের দূরে চলে যাওয়া নিয়ে। এ ছাড়া কৈশোর বা প্রাপ্তবয়স্কে ভালোবাসার মানুষের চলে যাওয়া বা প্রতারণা থেকে ব্যক্তির মধ্যে অবিশ্বাস ও সন্দেহ তৈরি হতে পারে, আবার অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাজনিত কারণেও এমনটা হতে পারে, যা থেকে ঈর্ষা তৈরি হয়।বিজ্ঞাপন

প্রতিকার ও প্রতিরোধ

ডিলিউশনাল জেলাসি হলো একধরনের সাইকোটিক ডিজঅর্ডার, এর চিকিৎসা হয়ে থাকে মূলত সাইকিয়াট্রিক মেডিসিনের মাধ্যমে এবং অবসেসিভ জেলাসির চিকিৎসা হয়ে থাকে কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি ও সাইকিয়াট্রিক মেডিসিনের মাধ্যমে। এ ছাড়া সাইকিয়াট্রিক মেডিসিনের পাশাপাশি ফ্যামিলি থেরাপি, কাপল থেরাপি ও ইনডিভিজুয়াল থেরাপির মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। সাইকিয়াট্রিস্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ও কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট (মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা) প্যাথলজিক্যাল জেলাসির চিকিৎসা প্রদান করে থাকেন।

প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায়

যে বিষয়টা ব্যক্তিকে ঈর্ষান্বিত করছে সেটাকে শনাক্ত করা এবং তা মোকাবিলা করা ঈর্ষা প্রতিরোধের অন্যতম উপায়
যে বিষয়টা ব্যক্তিকে ঈর্ষান্বিত করছে সেটাকে শনাক্ত করা এবং তা মোকাবিলা করা ঈর্ষা প্রতিরোধের অন্যতম উপায়
  • যে বিষয়টা ব্যক্তিকে ঈর্ষান্বিত করছে সেটাকে শনাক্ত করা এবং তা মোকাবিলা করা।
  • পার্টনারের ওই বিষয়টাকে বোঝার চেষ্টা করা, যা তাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে মনে হয়।
  • ব্যক্তির নিজের আত্মমর্যাদার উন্নতির জন্য কাজ করা এবং নিজেকে পার্টনারের কাছে মূল্যবান করে তোলা।
  • কোনো একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে সন্দেহ না করে পুরো বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করা।
  • যাকে ঘিরে ঈর্ষা তৈরি হচ্ছে, তার কাছে ব্যক্তিগত অনুভূতিগুলো সরাসরি প্রকাশ করা এবং সমস্যার বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা।
  • পারস্পরিক সম্পর্কের প্রতি সৎ থাকা, সম্মান প্রদর্শন করা এবং সন্দেহের কোনো কারণ ঘটে থাকলে সেটার পরীক্ষিত প্রমাণ বের করা।
  • নিজের কাজের প্রতি মনোযোগী হওয়া, নিজের প্রতি ও ভালোবাসার মানুষের প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং উভয়ের স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণ করা।
  • সম্পর্কের মধ্যে কোনো ঘাটতি থাকলে সেটা খুঁজে বের করে তা পূরণ করার মাধ্যমে সম্পর্কের উন্নতি করা।
  • তাৎক্ষণিক কোনো নেতিবাচক আবেগীয় প্রতিক্রিয়া না করে অপেক্ষা করা এবং রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখা।
  • পার্টনারকে তার নিজের বক্তব্য প্রকাশের সুযোগ দেওয়া।
  • সমস্যা বা সন্দেহের বিষয়গুলো বিশ্বস্ত কোনো বন্ধু বা শুভাকাঙ্ক্ষীর সঙ্গে আলোচনা করা।
  • নিজেকে শান্ত এবং স্থির করার জন্য রিলাক্সেশন করা ও মাইন্ডফুলনেস থেরাপিউটিক টেকনিক অনুশীলন করা।
  • প্যাথলজিক্যাল জেলাসির চিকিৎসায় সাইকিয়াট্রিস্ট ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের সহযোগিতা নেওয়া।

দৈনন্দিন

পুষ্টির পাশাপাশি কামরাঙা যখন বিষ

কামরাঙা টক জাতীয় এই ফলে প্রচুর পুষ্টি রয়েছে এবং এতে ক্যালরিও কম। কিন্তু কিছু মানুষের জন্য কামরাঙা বিষ হিসেবে কাজ করতে পারে, তাই সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এ প্রতিবেদনে কামরাঙার উপকারিতা ও অপকারিতা উভয় দিকই তুলে ধরা হলো। রাইজিংবিডি

সুস্থ মানুষেরা পরিমিত পরিমাণে কামরাঙা খেয়ে উপকার পেতে পারেন। কামরাঙার উল্লেখযোগ্য ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পুষ্টিগুলো হলো- ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ফোলেট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফোলেট ও কপার। একাধিক গবেষণার ফলাফলে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী যে, কামরাঙা ক্যানসার এড়াতে সাহায্য করবে। এই ফলের ফাইবার ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে। এতে উপস্থিত উচ্চমাত্রার ফাইবার ওজন কমাতেও সহায়তা করে। এসব ফাইবার বিপাক ও হজম ক্রিয়া উন্নত করে- এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটফাঁপা, পেট কামড়ানি ও ডায়রিয়া থেকে উপশম পাওয়া যায়।

কামরাঙার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সোরিয়াসিস ও ডার্মাটাইটিসের উপসর্গ প্রশমিত করতে পারে। এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে, যা শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদনের মাধ্যমে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হলে কোভিড-১৯ এর মতো ভাইরাস সংক্রমণ সহজেই বিতাড়িত হয়। শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ জনিত গলা ব্যথা কমাতেও ফলটি অবদান রাখতে পারে।

কামরাঙার উচ্চ মাত্রার সোডিয়াম ও পটাশিয়াম শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। এছাড়া স্বাভাবিক হৃদস্পন্দন ও যথাযথ রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করে। এতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমাতে পারে।

কামরাঙাতে বহুবিধ পুষ্টি রয়েছে বলে আমরা সহজেই ধরে নিতে পারি যে, এটি খেলে শরীর উপকৃত হবে। কিন্তু একথা সকলের জন্য প্রযোজ্য নয়, বিশেষত যাদের কিডনি রোগ রয়েছে। গবেষকরা জানান, এই ফলে ক্যারামবক্সিন নামে যে বিষ রয়েছে তা কিডনি রোগকে শোচনীয় করে বিপজ্জনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। সুস্থ কিডনি এই বিষকে শরীর থেকে বের করে দিতে পারে, কিন্তু এই কাজে অসুস্থ কিডনির সক্ষমতা কম।

কিডনি রোগীর শরীরে ক্যারামবক্সিন জমতে থাকে এবং একসময় মস্তিষ্কে চলে আসে। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে এই বিষ বেড়ে গেলে এসব উপসর্গ প্রকাশ পেতে পারে- হেঁচকি, পেশির অসাড়তা, খিঁচুনি, মানসিক বিভ্রান্তি ও দীর্ঘসময় চেতনাহীনতা (কোমা)। অতঃপর মৃত্যু ঘনিয়ে আসে।শরীরে ক্যারামবক্সিনের বিষক্রিয়া হচ্ছে ধারণা করলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা নিতে হবে, অন্যথায় মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়বে।

ব্রাজিলে অবস্থিত পন্টা গ্রোসা স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব মেডিসিনের গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, কিডনি রোগীর পেট খালি থাকলে বেশি কামরাঙা না খেলেও বিষক্রিয়ায় ভুগতে পারেন। কামরাঙা খাওয়ার আগে প্রচুর পানি পান না করলে বিষক্রিয়া আরো বেড়ে যেতে পারে। কিডনি যত বেশি অকার্যকর হবে, বিষক্রিয়া জনিত পরিণতির ঝুঁকিও তত বেশি। তবে শরীরে ক্যারামবক্সিনের মাত্রা কত হলে বিষক্রিয়া হয় তা নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেননি গবেষকরা।

কিডনি রোগের ধরন যেমনই হোক না কেন, সতর্কতাস্বরূপ কামরাঙা পরিহার করাই উত্তম। কিডনি রোগের পাশাপাশি স্নায়ুতাত্ত্বিক সমস্যা থাকলে এই ফল মুখে না নেওয়াটাই নিরাপদ।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, ‘আমার তো কিডনির সমস্যা নাই, তাহলে আমি কি ইচ্ছেমতো কামরাঙা খেতে পারব?’ বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনি হয়তো জানেন না আপনার কিডনিতে কোনো সমস্যা আছে কি না; তাই সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে।

কিডনি রোগ নেই ভেবে ইচ্ছেমত কামরাঙা খেতে যাবেন না, নিশ্চিত হতে চেকআপের প্রয়োজন আছে। এমনকি কিডনি সুস্থ হলেও এই ফল বেশি খাওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ অক্সালেটের প্রভাবে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এছাড়া ক্যারামবক্সিনের প্রভাবে স্নায়ুতাত্ত্বিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে।

কামরাঙা খেতে চাইলে এই তিন পরামর্শ বিবেচনা করুন- খালিপেটে খাবেন না, বেশি পরিমাণে খাবেন না এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

সিদ্ধ করে রাখা ডিম কতক্ষণ পর্যন্ত খাওয়া উচিত

সিদ্ধ করা ডিম সব কিছুরই সঙ্গে খেতে ভালো লাগে। অনেকেই অফিসের টিফিনেও ডিমসিদ্ধ নিয়ে যেতে পছন্দ করেন। কিন্তু সকালে সিদ্ধ করে রাখা ডিম দুপুরবেলায় খাওয়া কি ঠিক? বা সিদ্ধ করা ডিম কতক্ষণ ভালো থাকে?

ঠিক ভাবে রাখতে পারলে সিদ্ধ করা ডিম ফ্রিজে সপ্তাহখানেক ভালো থাকে, কিন্তু তারপরই তা নষ্ট হয়ে যেতে থাকে। আর ডিম যদি ফ্রিজে না রাখেন তাহলে সিদ্ধ করার অন্তত ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে ডিম খেয়ে ফেলা উচিত। কারণ ডিম খুব তাড়াতাড়িই নষ্ট হয়ে যায়। সেই কারণে বিশেষজ্ঞরা বার বার টাটকা ডিমই খেতে পরামর্শ দেন।

সিদ্ধ করা ডিম ভালো রাখার জন্য সবার আগে তাপমাত্রার দিকটা খেয়াল রাখা উচিত। কারণ ডিম সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রা হওয়া জরুরি। এই তাপমাত্রায় রেখে ডিম খোসাসহ ফ্রিজে রেখে দিলে সপ্তাহখানেক ভালো থাকবে। কোনও ভাবেই খোসা ছাড়ানো সিদ্ধ করা ডিম ফ্রিজে রাখবেন না। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

নিয়মিত ঠান্ডা পানি পানে স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে

লেখক

আমাদের মধ্যে অনেকেই সাধারণ তাপমাত্রার পানির থেকে ঠান্ডা পানি পান করতে বেশি পছন্দ করেন। ঠান্ডা পানি পানে স্বাস্থ্যের ওপর যেমন ভাল প্রভাব পড়ে, তেমন বেশ কিছু ক্ষতিকারক প্রভাবও পড়ে। তাহলে জেনে নিন অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করলে স্বাস্থ্যের উপর কেমন প্রভাব পড়ে:হার্ট রেট কমে যেতে পারেঠান্ডা পানি পান করার একটি ক্ষতিকারক দিক হলো, হার্ট রেট কমে যাওয়া। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ঠান্ডা পানি কেবল হৃদস্পন্দনকেই কমায় না, এটি ভ্যাগাস নার্ভকেও উদ্দীপিত করে। নার্ভটি শরীরের অনিচ্ছাকৃত কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। ভ্যাগাস নার্ভের উপর ঠান্ডা পানি সরাসরি প্রভাব ফেলে, ফলে হার্ট রেট কমে যায়।\

শরীরকে শক দিতে পারেকঠোর পরিশ্রমের পর কখনোই ঠান্ডা পানি পান করা উচিত নয়। তবে অনেকেই কঠোর পরিশ্রমের পর ঠান্ডা পানি পান করতে পছন্দ করেন, বিশেষ করে গরমকালে শরীরচর্চা করার পর। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরচর্চার পর ঈষদুষ্ণ পানি পান করা উচিত। কারণ শরীরচর্চার সময় শরীরে প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন হয়। তাই ওই সময় ঠাণ্ডা পানির সেবন, শরীরের তাপমাত্রায় অসামঞ্জস্যতা আনতে পারে। যার ফলে হজমে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। তাছাড়া শরীরচর্চার পরপরই ঠান্ডা পানি পান করলে, দীর্ঘস্থায়ী পেটে ব্যথা হতে পারে, কারণ অত্যন্ত ঠান্ডা পানি আমাদের শরীরে শক দেয়। ফ্যাট ব্রেকডাউনে প্রভাব ফেলেখাবার খাওয়ার পরই ঠান্ডা পানি পান করলে তা শরীরের ফ্যাট ব্রেকডাউনের ক্ষমতাকে হস্তক্ষেপ করে। ঠান্ডা পানি খাবার থেকে আসা ফ্যাটকে শক্ত করে। ফলে শরীর থেকে অবাঞ্ছিত ফ্যাট ব্রেকডাউন কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া, খাবার খাওয়ার পর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করতে চাইলেও কমপক্ষে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর পান করা ভাল। 

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারেহজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখার জন্য ঘরোয়া তাপমাত্রার পানি পান করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তবে ঠান্ডা পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মূল কারণ হল, ঠান্ডা পানি পান করার ফলে খাদ্য শক্ত হয়ে যায় এবং শরীরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া, অন্ত্রও সংকুচিত হয়, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম প্রধান কারণ। হজমে প্রভাব ফেলেঠান্ডা পানি হজমে গুরুতর প্রভাব ফেলে। ঠান্ডা পানি এবং কিছু ঠান্ডা পানীয় রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে এবং হজমেও প্রভাব ফেলে। ঠান্ডা পানি পান করার ফলে, হজমের সময় পুষ্টি শোষণের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাথার চুল বাড়ায় শিউলি ফুল!

লেখক

সকালে শিশির মাখা শিউলি ফুল দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। শিউলি মূলত শরতেরই ফুল। তবে শিউলির শোভা ও সৌরভ হেমন্তেও কিছুটা থাকে।

রূপেগুণে পরিপূর্ণ এই ফুল। সুবাস ছড়ানোর পাশাপাশি নানা রকম ওষুধি গুণে ভরপর এই ফুল। অনেকের কাছে এই ফুলটি খুবই প্রিয়। নানা কাজে শিউলি ফুল ব্যবহার করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক শিউলি ফুলে গুণগুলো।

আর্থারাইটিস ও সাইটিকার ব্যাথা সারাতে: প্রতিদিন সকালে চায়ের মতো এক কাপ পানিতে দুটি শিউলি ফুলের পাতা ও দুটি তুলসী পাতা ফুটিয়ে, ছেঁকে নিয়ে তা পান করুন। এতে আপনার আর্থারাইটিসের ও সাইটিকার ব্যাথা কমবে। নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ খেলে এই ব্যাথা দূর হবে।

ব্রণের সমস্যা সমাধানে: ব্রণ দূর করতে দারুণ কাজ করে শিউলি। কারণ এতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি গুণ। যা আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারি। এটি মুখের ব্রণ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

গলার আওয়াজ: কারণে-অকারণে গলার আওয়াজ বসে যায়? তবে আপনি শিউলি পাতার রস ২ চামচ পরিমিত মাত্রায় গরম করে দিনে দুইবার খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

জ্বর কমাতে: জ্বর কমাতে বেশ সাহায্য করে শিউলি। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর কমাতে শিউলির চা পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

কৃমি ও মেদ সমস্যা সমাধানে: শিউলিফুলের পাতার  রস অল্প গরম করে নিয়মিত কয়েকদিন খান। কৃমি সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। এছাড়া শিউলি গাছের ছালের চূর্ণ সকালে ও বিকালে গরম পানিতে খেলে মেদ কমে।

ম্যালেরিয়ার পর: গবেষণা দেখা গেছে, ম্যালেরিয়ার সময় শিউলি পাতার বাটা খেলে এই রোগের উপসর্গগুলো কমতে শুরু করে। ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলো নষ্ট হয়, রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়ে। 

মাথার চুল বাড়ায়: শিউলি ফুলের পাতা নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে নিন। এরপর পাতা ফেলে দিয়ে তেল সংরক্ষন করুন। এই তেলের ব্যবহারে আপনার মাথার চুল বাড়তে পারে।

শিউলি গাছের নির্যাস প্রাণীদের পাকস্থলিতে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া মানব দেহে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা গবেষণায় পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে শিউলি গাছের যাবতীয় অংশ সেবন করতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

হিজাবিদের চুলে খুশকি, সমস্যার সমাধান কী?

লেখক

হিজাব পরেন এমন অনেকেই প্রায়ই জানতে চান, কীভাবে চুলের যত্ন নিলে এবং কোন প্রোডাক্টগুলো ব্যবহার করলে খুশকিসহ চুলের এমন কমন কিছু সমস্যা থেকে সহজেই পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। তাই আজকে জেনে নেব, কী কী কারণে হিজাবিদের চুলে খুশকি বেড়ে যেতে পারে এবং এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী কিছু সমাধান। হিজাবিদের চুলে খুশকির উপদ্রব সাধারণত বেশি দেখা যায়! কিন্তু কেন? যেকোনো সমস্যা শুরু হওয়ার আগেই যদি তা প্রতিহত করা যায়, এর চেয়ে ভালো সমাধান আর কী হতে পারে? হিজাবিদের কিছু অসচেতনতা এবং লাইফস্টাইলে অসাবধানতার কারণেও কিন্তু দেখা দিতে পারে খুশকিসহ নানান হেয়ার সমস্যা। তাই শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক, হিজাবিদের চুলে খুশকির উপদ্রব কেন বেশি দেখা যায়। 

  • টানা অনেকক্ষণ ধরে হিজাব পরে থাকলে

হিজাবিদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কোনো রকম ব্রেক না দিয়ে সারাদিন লম্বা সময় ধরে হিজাব পরে থাকেন। এর ফলে চুলে এবং চুলের গোঁড়ায় বাতাস স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করতে পারে না। তাই চুলের গোঁড়া তেল চিটচিটে হয়ে খুশকির সৃষ্টি হয়। 

  • তাড়াহুড়া করে চুল না শুকিয়েই হিজাব পরা হলে

কোথাও বের হওয়ার আগে শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে গোসল করে হিজাব পরেই বের হয়ে যাওয়া অনেকের একটি কমন অভ্যাস, যা চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ভেজা অবস্থায় কোনোভাবেই চুলে হিজাব পরবেন না। 

  • খুব টাইট করে চুল বাঁধা হলে

চুল খুলে যাওয়া বা বের হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই খুব টাইট করে চুল বেঁধে রাখেন। এতে চুলের গোঁড়া দ্রুত ঘেমে যায়। আর এই ঘাম থেকেই পরে খুশকির সৃষ্টি হয়। 

  • বাতাস প্রবেশে বাঁধা পায় এমন কাপড়ের হিজাব ব্যবহার করলে

হিজাবের কাপড় বাছাই করার সময় এমন কাপড় বেছে নিতে হবে যা আরামদায়ক এবং যা দিয়ে সহজেই মাথায় বাতাস প্রবেশ করতে পারে। বাতাস প্রবেশ না করার ফলে চুলের গোঁড়ায় ঘাম জমে খুশকি বেড়ে যায়। 

  • হিজাবের কাপড় ব্যবহারের সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে

হিজাবের কাপড় নিয়মিত ভালোভাবে পরিষ্কার করা না হলে, এতে মাথার ত্বকের ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণ বেড়ে যায়। তাই কোনোভাবেই ময়লা হিজাব ব্যবহার করা যাবে না। 

  • সঠিক ভাবে হেয়ার কেয়ার করা না হলে

হিজাবিদের মধ্যে অনেকেই রেগুলার হেয়ার কেয়ারে প্রচণ্ড অনীহা করে থাকেন। অথচ হিজাবিদের সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চার দিন বা প্রয়োজন বুঝে নিয়মিত ভালো মানের শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে।

তাই, যারা হিজাব পরেন তাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে চুলের সুরক্ষার পাশাপাশি চুলকে খুশকিমুক্ত এবং অয়েল ফ্রি রাখতে উপরের কাজগুলো করা থেকে নিজেদের বিরত রাখা ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com