আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

লাইভস্টক

যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

প্লাস্টিক ও সিরামিকের ভিড়ে হারাতে বসেছে মাটির তৈজসপত্র। মৃৎশিল্পীরা দিনরাত পরিশ্রম করে নিপুণ হাতে তৈরি করেন মাটির জিনিস। প্রথমে চাকে মাটি দেওয়া হয়। পরে কাঠের তৈরি মাস্তুল দিয়ে রোদে শুকাতে দেওয়া হয়। এরপর পোড়ানো হয় আগুনে। এভাবেই তৈরি হয় বিভিন্ন আকৃতির তৈজসপত্র। চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাধনপুর রুদ্ধপাড়া এলাকা ঘুরে ছবিগুলো তুলেছেন সৌরভ দাশ

  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

    যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

    যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

    যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

    যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

    যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

    যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

    যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস

  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস
  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস
  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস
  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস
  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস
  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস
  • যেভাবে বানানো হয় মাটির জিনিস
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

বাংলাদেশ

হাঁসের খামারে বছরে ৪ লাখ টাকা আয়

নিজের বেকারত্ব দূর করার চিন্তা থেকে হাঁস পালনের সিদ্ধান্ত নেন যুবক হাসান। প্রথমে ২৫০টি হাঁসের বাচ্চা দিয়ে শুরু করেন। এখন তার প্রতি মাসে আয় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। সেই বেকার যুবক হাসান এখন হাঁসের খামার থেকে বছরে ৪ টাকা আয় করেন। হাঁস পালন করে এখন অনেকেরই ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন করছেন তিনি।

এ কারণে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মো. হাসানের সফলতা এখন সবার মুখে মুখে। সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, করোনার শুরুর দিকে ঘরবন্দি হওয়ার পর অভাব অনটনের দেখা দিলে হ্যাচারি থেকে ২৫০টি হাঁস ক্রয় করে শুরু করেন হাঁস পালন।

অর্থনৈতিক পিছু টানের মধ্যে দিয়েও পিছ পা হননি হাসান। করোনায় দেশব্যাপি বন্ধের সময় হাতে কোনো কাজ না থাকায় নগদ টাকার সংকট দেখা দিয়েছিল পরে ধার দেনা করে হাঁসের খাবার ক্রয় করতে হয়েছিল। টাকা বাকি পড়েছিল ছিল স্থানীয় দোকানেও।

এরপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি, এভাবেই শুরু হয় হাসানের হাঁসের খামারে পথ চলা। এখন হাসানের খামারে প্রায় ৫শ হাঁস আছে। প্রতিদিন হাঁসগুলো গড়ে ১৫০টি ডিম দেয়। প্রতিটি ডিম ১০ টাকা দরে বিক্রি করে আয় করেন ১৫০০ টাকা। এ ছাড়াও ৩ মাস পর তিনি প্রতিটি হাঁস বিক্রি করতে পারেন ৩০০-৩৫০ টাকা করে।

হাসান হ্যাচারি থেকে প্রতিটি হাঁস ক্রয় করেন ২৫-২৮ টাকা দরে। পরিপক্ক হতে খাদ্য ও ঔষধ বাবদ সর্ব সাকুল্যে খরচ হয় ১৫০টাকা। এবার করোনার প্রভাবে হাঁসের ঔষধ ও খাবারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় হাঁস পালন করে তিনি ক্ষতিগ্রস্থও হয়েছেন প্রথম দিকে।

হাসান বলেন, করোনার সময় সংসারে অভাব দেখা দেয়। কোনো কাজও খুঁজে না পেয়ে চিন্তা করে কিছু হাঁস পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। নিজে না খেয়ে সন্তানের মত হাঁসগুলোকে লালন-পালন করেছি। আল্লাহ আমাকে সাহায্য করেছেন। এখন প্রতিদিন টাকার দেখা পাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, হাঁসের খাবারের পিছনে খুব একটা বেশি খরচ করতে হয় না। বিলে হাঁসগুলো ছেড়ে দেই আবার সন্ধ্যার দিকে বিল থেকে নিয়ে আসি। তবে প্রতিদিন ঔষধ দিতে হয়। প্রতি মাসে ডিম ও হাঁস বিক্রি করে খরচ বাদ দিয়ে তার আয় হয় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। এ দিয়েই ভালোভাবে সংসার চলছে হাসানের। তবে খামারের প্রসার ঘটাতে সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা তার।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. ফারুক হোসেন খান বলেন, হাসানের হাঁসের খামারটি দেখতে অনেকেই আসছেন। এটি দেখে কেউ কেউ আবার হাঁসের খামার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাছাড়া আমাদের গ্রামের মানুষের ডিম বা হাঁস কিনতে বাজারে যেতে হয় না।

পাশ্ববর্তী গ্রামের যুবক মো. ফতে আলী বলেন, আমি হাসান ভাইর হাঁসের খামার দেখতে এসেছি। আমার ইচ্ছে আছে এ এরকম একটি খামার করার। স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবু জগৎ জীবন রায় জানান, খোলা বিলে হাঁস পালন করে বেকারত্ব দূর করার পাশাপাশি আর্থিক সংকট দূর করেছেন যুবক হাসান।

এ বিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ্যাড. নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, হাসানের হাঁস খামারটি দ্বারা নিজে স্বাবলম্বী হয়েছেন পাশাপাশি বেকারত্ব দূর করেছেন।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আনওয়ার হোসেন বলেন, এটি একটি ভালো উদ্যোগ। স্বল্প খরচে হাঁস চাষ করে বেকারত্ব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি প্রচুর আয় করা সম্ভব। তিনি আরো বলেন, প্রাণীসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে হাঁস পালনকারীদের পরামর্শ ও সহায়তা দেয়া হয়। ডিম ও হাঁসের ব্যাপক চাহিদা থাকায় লাভবান হচ্ছেন স্থানীয় খামারিরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

গবাদিপশু খামারিদের জন্য ‘খামারি’ প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন

গবাদিপশু খামারিদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্ম ‘খামারি’ উদ্বোধন করেছে আদর্শ প্রাণিসেবা, ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স ও ব্র্যাক ব্যাংক। এই তিন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে গতকাল বুধবার ভার্চ্যুয়াল আয়োজনে প্ল্যাটফর্মটির উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। এ প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে ত্রিপক্ষীয় চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আদর্শ প্রাণিসেবা প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের জন্য টেকসই সমাধান ও বিকাশের লক্ষ্যে কাজ করছে। সব যন্ত্রে ইন্টারনেট (ইন্টারনেট অব থিংস), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং যান্ত্রিক স্বশিক্ষার (মেশিন লার্নিং) প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবাদি প্রাণীর প্রজাতি নির্ধারণ, রেকর্ড সংরক্ষণ, জিনগত বিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, প্রজনন, দুগ্ধ ব্যবস্থাপনা, প্রাথমিক চিকিৎসাসেবাসহ প্রাণিবিমা নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। চুক্তি অনুযায়ী, ব্র্যাক ব্যাংক বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগতভাবে গবাদিপশু পালনের জন্য খামারিদের জন্য সহজ ও ঝামেলামুক্ত ঋণ সহায়তা প্রদান করবে। ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স গবাদি প্রাণীর বিমা সেবা প্রদান করবে।

খামারি প্ল্যাটফর্মের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। প্ল্যাটফর্মটির প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে।বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি প্রত্যন্ত অঞ্চলকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্তর্গত করা প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন। খামারি সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে।

আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিদা হক বলেন, দেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে মোবাইল প্ল্যাটফর্মে প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবাদিপশুর বিমা সেবা প্রদান করা তাদের লক্ষ্য। প্রাণিসেবা প্ল্যাটফর্মটি প্রাণিসম্পদ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রামীণ আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ব্র্যাক ব্যাংক শুরু থেকেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

ফিনিক্স ইনস্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, গবাদিপশুর বিমা আর্থিক ঝুঁকি কমানোর ফলে একদিকে যেমন নতুন খামারি তৈরিতে উৎসাহ প্রদান করবে, অন্যদিকে এ খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়ে বিশাল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা খন্দকার এমদাদুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ গবেষক আওলাদ হোসেন, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এস এম নজরুল ইসলাম, ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই বিভাগের প্রধান সৈয়দ আবদুল মোমেন প্রমুখ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

মিরপুরের কবুতরের হাট

রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরের হজরত শাহ আলী মার্কেটের পেছনে প্রতি শুক্রবার বসে কবুতরের হাট। নানা রঙের দেশি-বিদেশি কবুতর নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শৌখিন ও পেশাদার কবুতর পালকেরা এসে জড়ো হন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে কেনাবেচা। সড়কেই বসে এ হাট। এখানে আসা অনেকেই নিজের সংগ্রহ থেকে বাড়তিগুলো বিক্রি করছেন। আবার অন্যের আনা কবুতর পছন্দ হলে তা কিনে নিজের সংগ্রহ সমৃদ্ধ করছেন। দেশি কবুতরের ভিড়ে বিশেষ আকার আর রঙের কারণে কিছু কবুতর সহজেই নজর কাড়ে। কবুতরের নামগুলোও ভারি সুন্দর। ‘লক্ষা’, ‘চিলা’, ‘হোমার’, ‘জিরাগলা’, ‘লালগলা’ ‘গোল্ডেন সুইট’। কয়েক শ থেকে কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত দামের কবুতর পাওয়া যায় এই হাটে। এই হাটে ঘুরে ছবি তুলেছেন আশরাফুল আলম

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

৬ বছর ধরে পাখির বাসা তৈরি করছেন তারা

৬ বছর ধরে পাখির বাসা তৈরি করছেন তারা

সাজেদুর আবেদীন শান্ত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের বাইগুনী গ্রামের ৭ তরুণ ২০১৪ সালে ‘দূষণমুক্ত সুন্দর সমাজ গড়বই’ স্লোগানে গড়ে তোলেন ‘পরিবেশ উন্নয়ন পরিবার’। তাদের প্রধান কাজ দেশীয় পাখির নিরাপদ কৃত্রিম আবাস তৈরি, প্রাকৃতিক পরিবেশ, জীব-বৈচিত্র রক্ষাসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ। উপজেলার বাইগুনী, মহিমাগঞ্জ, বগুড়ার সোনাতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাখি, প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছেন তারা।

জানা যায়, বর্তমানে সংগঠনের সদস্য ৪০ জন। পাখির প্রতি ভালোবাসা থেকে সংগঠনটি নিজ গ্রামে পাখির বাসা তৈরির মাধ্যমে শুরু করে পাখি সংরক্ষণ কর্মসূচি। সংগঠনটি প্রতিকূল পরিবেশ থেকে পাখিদের রক্ষায় এগিয়ে এসেছে।

ইতোমধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের বাইগুনী গ্রামে এবং পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলা চত্বরে তারা পাখির নিরাপদ আবাস তৈরি করেছেন। নিজস্ব অর্থায়নে এসব গ্রামে পাখির নিরাপদ কৃত্রিম বাসস্থান তৈরির জন্য ২ হাজার কলস স্থাপন করেছেন।

পাখি হত্যা বন্ধ, বাসা নির্মাণ, পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ ছাড়াও সংগঠনটি কিছু সামাজিক কাজ করছে। তারমধ্যে ‘লাইসিয়াম’ নামে পাবলিক লাইব্রেরি স্থাপন, অসহায় মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ ফসল উৎপাদনে পরামর্শ, রক্তদান কর্মসূচি, পানি ও নদীদূষণ রোধে কর্মসূচি, বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভূমিকা পালন, স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ উল্লেখযোগ্য।

শালমারা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আয়ুব আলী বলেন, ‘এ সংগঠন সমাজের ছিন্নমূল মানুষকে সহায়তা, সুবিধাবঞ্চিত ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা উপকরণ এবং পাখির জন্য বাসস্থান দেওয়াসহ বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে। তাই সবাই তাদের পাশে থাকুন। আমি সংগঠনটির সাফল্য কামনা করছি।’

স্থানীয় সমাজসেবক আলী আজম রুবেল বলেন, ‘সংগঠনের সদস্যরা সুন্দরভাবে পরিবেশের উন্নয়নমূলক কাজগুলো করে থাকে। আমি মনে করি, আমাদের এলাকার সবার উচিত সংগঠনের কাজে সহযোগিতা করা।’

সংগঠনের মাধ্যমে উপকৃত মঞ্জু মিয়া বলেন, ‘আমি এ সংগঠনের মাধ্যমে একটি টি-স্টল পেয়েছি। এটার মাধ্যমে আমি এখন খুব সুন্দরভাবে পরিবার নিয়ে চলতে পারছি। আমি সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞ। আশাকরি, সংগঠনটি এগিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সদস্যদের নিয়মিত চাঁদায় কাজগুলো করি। নতুন কাজ করলেও সদস্যদের ভেতরেই টাকা কালেকশন করে কাজগুলো করে থাকি। শুরু থেকে এখনো সে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পরিবেশ উন্নয়ন পরিবার।’

সংগঠনের সভাপতি ইমরান এইচ মন্ডল বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমরা গাছে গাছে কলস লাগিয়ে পাখির কৃত্রিম বাসস্থান তৈরি করেছি। ওষুধি গাছসহ নানা ধরনের বৃক্ষরোপণ করেছি। এছাড়া বাঁশের সাঁকো তৈরি, মেডিকেল ক্যাম্প, শীতে সহায়তা প্রদান ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

যমুনার চরে মহিষের বাথান

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার নিজবলাইল এলাকায় যমুনা নদীসংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। পাশেই বিশাল এলাকাজুড়ে মরিচ, পেঁয়াজ, গম, মিষ্টিকুমড়া, মাষকলাই, ধনে ও ডালের খেত। এর কাছাকাছি বিস্তর বালুচর। সেখানে প্রায় এক মাস আগে শতাধিক মহিষ নিয়ে বাথান গড়ে তুলেছেন চান্দু ব্যাপারী। বাড়ি তাঁর যমুনার চকরথিনাথচরে। দুই বছর আগে যমুনা গিলে ফেলছে চরটি। এখন বাড়িঘর ভেঙে চান্দু ব্যাপারী ঠাঁই নিয়েছেন নিজবলাইলের ভেড়ামারা এলাকায়। সেখানে নতুন করে ঘর বেঁধে বসবাস করছেন।

চান্দু ব্যাপারীর মহিষ দেখাশোনা করেন মেজ ছেলে আন্নু ব্যাপারী। তিনি মহিষের বাথান করে লালন-পালন করছেন।

আন্নু ব্যাপারী প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন মহিষ পালন করে প্রতিটি মহিষের নাম দিয়েছেন। একটির নাম দিয়েছেন মালা। জন্মের পর গলায় মালার মতো ছিল বলেই তার নাম দিয়েছেন মালা। আরেকটি মহিষের লাউফুল। ছোটবেলা থেকে বেশি বেশি লাউফুল খেত বলেই এমন নাম হয়েছে। যমুনার চরের এ মহিষবাথান ঘুরে ছবিগুলো তুলেছেন সোয়েল রানা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com