আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

মাছ বিক্রিও করতে পারছেন না, খাবারও দিতে পারছেন না চাষীরা

ময়মনসিংহ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা দিলীপ কুমার সাহার তথ্যমতে, সারাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৪২ লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। এর মধ্যে ময়মনসিংহ অঞ্চলে প্রতি বছর উৎপাদন হয় প্রায় পাঁচ লাখ মেট্রিক টন। অর্থাৎ দেশের প্রায় ১০ ভাগের একভাগ মাছ উৎপাদন হয় ময়মনসিংহে।

করোনা সংক্রমণের পর থেকে ময়মনসিংহ অঞ্চলের মাছ চাষীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে হাইব্রিড উপায়ে পাঙ্গাশ, কৈ, তেলাপিয়া, শিং, মাগুর, টেংড়াসহ নানা জাতের মাছ উৎপাদনকারীরা। সেই সঙ্গে মাছের হ্যাচারির মালিকরাও পড়েছেন সঙ্কটে। দেশি জাতের মাছ উৎপাদনকারীরাও এর বাইরে নয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাঙ্গাশ, কৈ, তেলাপিয়া, শিং, মাগুরসহ নানা জাতের হাইব্রিড মাছ চাষীরা অর্থের অভাবে মাছের খাবার দিতে পারছেন না। স্বাভাবিক সময়ে ১০-২০ শতাংশ নগদ অর্থ দিলে মাছের সব খাবার দিতেন ডিলাররা। এখন নগদ অর্থ ছাড়া মাছের খাদ্য দিচ্ছেন না তারা। অন্যদিকে ব্যাংক কিংবা অন্য কারও কাছ থেকে ঋণও পাচ্ছেন। ফলে অনেক চাষী মাছের খাদ্য দিতে পারছেন না।

সাধারণ সময়ে ময়মনসিংহ থেকে কৈ, পাঙ্গাশসহ অন্যান্য মাছ ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ সারাদেশে বিক্রি হতো। লকডাউনের পর থেকে কোনো পাইকার কিংবা চাষী ময়মনসিংহের বাইরে মাছ বিক্রির জন্য নিয়ে যেতে পারছেন না। ফলে মাছের দামও পাচ্ছেন না তারা। পাঙ্গাশ, তেলাপিয়া, কৈ মাছের দাম মণ প্রতি প্রায় ১ হাজার টাকা কমে গেছে। তবে এ অবস্থা চলতে থাকলে মাছের দাম আরও কমতে পারে। দাম না পাওয়ায় ইতোমধ্যে অনেকে মাছ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন। আবার মধ্যস্বত্বভোগীরা চাষীদের কাছ থেকে একেবারে কম দামে মাছ কেনার চেষ্টা করছেন। এছাড়া এসব হাইব্রিড মাছ খেলে করোনা হতে পারে– এমন গুজবও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে চাষীদের।

সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার যে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে, তার মধ্যে মাছ চাষীরাও রয়েছেন। তাদের প্রণোদনা দেয়া হবে। তবে কী উপায়ে দেয়া হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। অন্যদিকে মাছ পরিবহন লকডাউনের আওতামুক্ত রয়েছে। কোথাও মাছের গাড়ি সমস্যায় পড়লে তারা সেটার সমাধান করে দিচ্ছেন। তবে মাছ চাষীরা কীভাবে খাদ্য কিনবেন, সেটার কোনো সমাধান দেখছেন না।

সোমবার (২০ এপ্রিল) ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলা এবং ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাসমূহের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে ৯৫ হাজার ৬১৯ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছি, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। কৃষি খাতে আরও বেশি। মাত্র ৪ শতাংশ সুদে আমরা কৃষি ঋণ দিচ্ছি। কৃষি মানে শুধু ধান ফলানো নয়। মৎস্য পোল্ট্রি, ডেইরি থেকে শুরু করে ফলমূল, ফুল যা যা আছে – সবকিছু মিলেই এই প্যাকেজ।’

এই করোনা সঙ্কটে মাছ চাষী, খাদ্যের ডিলার ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কী ভাবছেন, কী ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন, বিস্তারিত তুলে ধরা হলো –

যা বলছেন মাছ চাষীরা
ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি ১১০ শতাংশ জমির পুকুরে প্রায় তিন লাখ কৈ মাছের পোনা ছাড়েন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, তার মাছের এই চালান তুলতে প্রায় ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা লাগবে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এক মাসের মধ্যে মাছগুলো বিক্রির উপযোগী হবে। এই সময় প্রায় ৮-৯ লাখ টাকার খাদ্যের প্রয়োজন হবে। কিন্তু গত ১৩ দিনে কোনো খাদ্য দিতে পারেননি। কারণ, ডিলার এখন আর নগদ টাকা ছাড়া মাছের খাদ্য দিচ্ছেন না।

রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আগে ১০-২০ শতাংশ টাকা দিলে মাছের খাদ্য দিত ডিলাররা। কিন্তু করোনার কারণে নগদ টাকা ছাড়া কোনো খাদ্য দিচ্ছে না। টাকার জোগাড় করতে না পারায় ১৩ দিন ধরে মাছকে খাবার দিতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘কৈ মাছকে খাবার না দিতে পারার আরেকটা সমস্যা আছে। বড় কৈ ছোট কৈ খেয়ে ফেলে। ফলে মাছ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে খাবার দিতে না পারায় মাছের বৃদ্ধিও কমে গেছে। ’

একই উপজেলার রাজাবাড়ী গ্রামের শ্রীবাস চন্দ্র দাস চাষ করেছেন তেলাপিয়া মাছ। তার প্রায় ৭০-৮০ মণ তেলাপিয়া করোনা সংক্রমণের শুরু সময়ই বিক্রির উপযোগী হয়েছে। কিন্তু তেলাপিয়াসহ কৈ, শিং, মাগুর– হাইব্রিড জাতের এসব মাছ খেলে করোনা হয়, এমন গুজবের কারণে এতদিন মাছ কেনেননি পাইকাররা (মধ্যস্বত্বভোগী)। আড়তে নিলেও ফিরিয়ে আনতে হয়েছে তাকে। তবে পাইকাররা তেলাপিয়া মাছ বাজারে তুলতে বললে রোববার (১৯ এপ্রিল) বিক্রির জন্য মাছ তোলেন তিনি।

শ্রীবাস চন্দ্র দাস বলেন, ‘হাইব্রিড পাঙ্গাশ, তেলাপিয়া, কৈ, শিং– এ জাতীয় মাছ খেলে করোনা হয়, এটা ছড়িয়ে গেছে। কয়েক দিন বাজারে তেলাপিয়া বিক্রি করতে গেছিলাম। কিন্তু পাইকাররা নেয়নি। তিন সপ্তাহ পর আজকে বাজার থেকে খবর দিছে, এখন পাঠালাম।’

তিনি বলেন, ‘প্রায় ৭০-৮০ মণ তেলাপিয়া হবে আমাদের। যে বাজার ছিল ১৩০ টাকা কেজি, সেটা এখন ১০০-১০২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। যেটা ৪৮০০-৫০০০ টাকা মণ বিক্রি হতো, এখন সেটা ৩৫০০-৩৭০০ টাকা মণে হচ্ছে। পাঙ্গাশের আগে বাজার ছিল ৩৭০০-৩৯০০ টাকা মণ। এখন ২৫০০-২৭০০ টাকা মণ। অর্থাৎ তেলাপিয়া, পাঙ্গাশে মণপ্রতি প্রায় ১২০০-১৫০০ টাকা কমে গেছে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দিন দিন মাছের দাম আরও কমতে থাকবে।’

‘আগে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাছ যেত, এখন সেটা বন্ধ হয়ে গেছে। এক থেকে দেড় লাখ টাকার মাছ নিয়ে কেউ রিস্কে যেতে চায় না। তাই ময়মনসিংহের ভেতরেই কম দামে মাছ বিক্রি করতে হচ্ছে’, যোগ করেন শ্রীবাস।

আলমগীর হোসেন নামের আরেক মাছ চাষী বলেন, ‘মাছ বিক্রির সময় করোনার প্রভাব পড়বেই। দূরে কোথাও মাছ নিয়ে বিক্রি করা যায় না। দূরে না নিয়ে গেলে দাম পাওয়া যায় না। তবে কী হয় বলা যাচ্ছে না। এ জন্যই বাকি খাদ্য দিচ্ছে না ডিলার। করোনায় কেউ মারা গেলে টাকা পাবে না। নানা কারণ।’

তিনি বলেন, ‘যত টাকার খাদ্য লাগে, তত টাকা তো একজন চাষীর পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। নতুন করে তো ঋণ পাওয়ারও সুযোগ নেই। এটা একটা বড় সমস্যা।’

কেন নগদ ছাড়া খাদ্য দিচ্ছেন না ডিলার?

মুক্তগাছা উপজেলার কালীবাড়ি বাজারের মাছের খাদ্যের ডিলার জয়নাল জাগো নিউজকে বলেন, ‘চাষীদের কাছে যে টাকা-পয়সা ছাড়ছি, তারা তো মাছ বিক্রি করতে পারতেছে না। পার্টি মাছ নেয় না, বাজার খুব খারাপ, বাজারে মাছ খাচ্ছে না। বিক্রি না করতে পারার জন্য আমার কাছে ক্যাশ আসছে না। আমার কাছে যা ক্যাশ ছিল, সব শেষ করে ফেলছি। চাষীরাও কিছু কিছু দিছে, ওইটাও শেষ করছি। এখন আর টাকা নাই। অন্যদিকে কোম্পানি ক্যাশ ছাড়া খাদ্য দিচ্ছে না। তাই এখন আমিও চাষীদের নগদ টাকা ছাড়া খাদ্য দিতে পারতেছি না।’

বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত কথা হয় ময়মনসিংহের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা দিলীপ কুমার সাহার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সরকার একটা প্রণোদনা দিচ্ছে মাছ চাষীদের। ছোট, মাঝারি চাষী। তবে এটার ক্রাইটেরিয়াগুলো কী হবে, মন্ত্রণালয় থেকে এখনও সেই ধরনের কোনো নির্দেশনা পাইনি। কত একর পর্যন্ত মাছ চাষ করলে সে ছোট চাষী, কত একর হলে মাঝারি চাষী হবে ইত্যাদি। তাছাড়া আমাদের তো বিভিন্ন সমস্যা আছে। কেউ একটা পুকুর নিয়ে মাছ চাষ করছে, তার একটা ক্ষতিই বড় ক্ষতি। আবার দেখা যাচ্ছে, কারও ৩০টা পুকুর আছে, তার ক্ষতিটাও অনেক বড়। মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের একটা নীতিমালা করে দেবে, আমরা ছোট ও মাঝারি ক্যাটাগরির কথা বলেছি। হ্যাচারির নাম্বারগুলো আমরা ঠিক করে দিচ্ছি, নার্সারিগুলোর কাছ থেকে নিচ্ছি। পরে কৃষকদের কাছ থেকে নেব। গ্রাম পর্যায় থেকে তাদের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের পর প্রণোদনা দেয়া হবে।’

লকডাউন থাকলেও সারাদেশে মাছ সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা নেই। এক জেলা থেকে আরেক জেলায় মাছ নিয়ে যাওয়ার সময় কোনো সমস্যায় পড়লে তা তারা সমাধান করেন বলেও জানিয়েছেন ময়মনসিংহের এই মৎস্য কর্মকর্তা।

দিলীপ কুমার সাহা বলেন, ‘লকডাউনের মধ্যে আমরা সুনামগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় মাছ পাঠিয়েছি। ঢাকা অফিসের একটা হটলাইন নম্বর আছে। সমস্যা হলে আমাদের জানালে ময়মনসিংহের ভেতরে হলে আমরা নিজেরাই তা সমাধান করছি। কিন্তু যখন জেলার বাইরে যাচ্ছে হ্যাচারি বা মাছের চালান, তখন আমাদের কিছু নম্বর আছে, তা উপজেলা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেই তারা দিয়ে দেবে। কোথাও আটকা পড়লে আমাদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেই ওই উপজেলার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টার সমাধান করতে পারব।’

তবে কৈ, পাঙ্গাশ, তেলাপিয়া চাষীরা যে টাকার অভাবে মাছের খাদ্য দিতে পারছেন না, এ বিষয়ে কোনো সমাধান দিতে পারেননি ময়মনসিংহ জেলার মৎস্য কর্মকর্তা।

এগ্রোবিজ

মৌসুমি ফল অনলাইনে বিক্রি

মৌসুমি ফল অনলাইনে বিক্রি
মৌসুমি ফল অনলাইনে বিক্রি

কৃষকের বাগান ও খেতে পেকে ওঠা আম–লিচু ও তরমুজ যাতে নষ্ট না হয়, ফলগুলো যাতে দ্রুত ভোক্তাদের কাছে পৌঁছায়, সে জন্য বিপণনের নতুন এক কৌশল নিচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়। ভোক্তা ও চাষিদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে প্রথমত হাটবাজারগুলোকে কাজে লাগানো হবে। সেই সঙ্গে এবার এ কাজে অনলাইন পণ্য বিপণনের প্ল্যাটফর্ম ও সুপারশপগুলোকে কাজে লাগানো হবে।

সম্মিলিত এ উদ্যোগ নিয়ে গতকাল শনিবার এক ব্যতিক্রমী সভার আয়োজন করে কৃষি মন্ত্রণালয়। সভায় সরকারের চারজন মন্ত্রী, ১৭ জন সাংসদ, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, দেশের শীর্ষস্থানীয় ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানি, পরিবহনমালিক ও শ্রমিকনেতারা উপস্থিত ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জুমে অনুষ্ঠিত ওই সভায় প্রত্যেকেই কৃষক ও ভোক্তার মধ্যে সংযোগ স্থাপনে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও তরুণদের উদ্যোগে তৈরি হওয়া পণ্য বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

সভার শুরুতে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রভাবে বাংলাদেশের শাকসবজি ও মৌসুমি ফলসহ কৃষিপণ্যের পরিবহন এবং বাজারজাতকরণে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কৃষকেরা তাঁদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রি করতে পারছেন না। বড় শহরের বাজারে ক্রেতার আগমন প্রায় না থাকায় ও জনগণের আয় কমে যাওয়ায় বাজারে কৃষিপণ্যের চাহিদা হ্রাস পেয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কৃষিপণ্যের বিপণন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পাঠাও, চালডালের মতো পণ্য বিপণন প্রতিষ্ঠান, স্বপ্ন ও আগোরার মতো সুপারশপগুলোকে কাজে লাগানো হবে।

সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ট্রাকসহ অন্যান্য পরিবহনের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার উদ্যোগ নিতে হবে। ট্রাকের জ্বালানির ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেওয়া যেতে পারে, যাতে ট্রাকের ভাড়া কম হয়। পুলিশ ব্যারাক, সেনাবাহিনীর ব্যারাক, হাসপাতাল, জেলখানাসহ বিভিন্ন সরকারি অফিসে কৃষকের কাছ থেকে আম কিনে সরবরাহ করা গেলে আমের বাজারজাতকরণে কোনো সমস্যা হবে না বলেও মনে করেন তিনি।

আম–লিচু নিয়ে চাষি ও ভোক্তার মধ্যে সংযোগ ঘটাবে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম।
পাঠাও, চালডাল, স্বপ্ন ও আগোরাকে কাজে লাগানো হবে।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, বিদেশি ফল যেমন আপেল, আঙুর প্রভৃতি আমদানি কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, গত কয়েক বছরে আমের ভালো দাম না পাওয়ায় রাজশাহীতে আম চাষ কমে যাচ্ছে। ব্যবসায়ী ও ফড়িয়াদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে পরিচয়পত্র ইস্যু, তাঁদের যাতায়াতে হয়রানি কমানো, ব্যাংকের লেনদেনের সময়সীমা বাড়াতে হবে।

সভায় জানানো হয়, এ বছর ১ লাখ ৮৯ হাজার হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে এবং প্রত্যাশিত উৎপাদন ২২ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন ধরা হয়েছে। লিচুর আবাদ হয়েছে প্রায় ৩২ হাজার হে

ক্টর জমিতে এবং প্রত্যাশিত উৎপাদন ২ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন।

সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংস্থাপ্রধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, দিনাজপুর ও সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, দেশের শাকসবজি ও ফলমূল রপ্তানিকারক সমিতি, সুপারশপ মালিক সমিতি, আম-লিচু চাষি, ব্যবসায়ী ও আড়তদার এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা সংযুক্ত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

একমাত্র কৃষিই দুর্ভিক্ষ থেকে বাঁচাতে পারে: শেখ হাসিনা

একমাত্র কৃষিই দুর্ভিক্ষ থেকে বাঁচাতে পারে: শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাসের পর বিশ্বব্যাপী দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে বলে আন্তর্জাতিক সংস্থগুলো বলছে। তাই দুর্ভিক্ষের মহামারি যেন আমরা মোকাবিলা করতে পারি। 

এজন্য নিজে উদ্যেক্তা হয়ে যে যতটুকু পারেন চাষাবাদ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ যেন একখণ্ড জমি ফেলে না রাখে। খাদ্য একমাত্র সমাধান, কৃষিই একমাত্র বাঁচাতে পারে।

আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোর করোনা মোকাবিলার প্রস্তুতি ও সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের যেন কোনো খাদ্য সমস্যা না হয় এজন্য ধান কাটার পর আমরা কোনো ফসল ফলাতে পারি সেটা দেখতে হবে। কেউ যেন একখণ্ড জমিও ফেলে না রাখে। তরকারি ফলমূল যা হোক উৎপাদন করা ও বাড়ির আঙিনায় যেখানেই পারেন চাষ করবেন। এজন্য করোনা মহামারির পর যে দুর্ভিক্ষের মহামারি দেখা দেবে তা যেন আমরা মোকাবিলা করতে পারি।

তিনি বলেন, এখন সবাই ঘরে বসে আছি, কাজেই একটু বাগান করা ও গাছ লাগাতে পারেন সবাই। আর রোদে করোনাভাইরাস বেশিক্ষণ টিকতে পারে না, এজন্য এটা স্বাস্থ্য রক্ষাও করবে। শুধু এখানে না অন্য দেশেও খাদ্য চাহিদা থাকলে আমরা যেন সরবরাহ করতে পারি।

তিনি আরো বলেন, এজন্য একমাত্র খাদ্য মানুষকে বাঁচাতে পারবে। খাদ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যারা পোল্ট্রি-ডায়েরির ব্যবসা করেন, তারা এখন এসব বিক্রি করতে পারছেন না। এজন্য কম দামে বিক্রি করুন, ফেলে না দিয়ে দান করুন।

কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ তোলার আভাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এখন কিছু কিছু ফসল উঠছে, এরপর ফসল লাগাতে হবে। কিছু কিছু জীবন যাপন আমাদের আস্তে আস্তে উন্মুক্ত করতে হবে। সেখানেও সবাই নিজেকে সুরক্ষিত রেখেই কাজ করবেন, সেটাই আমরা অনুরোধ করব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

বাজারে নতুন চাল

রাজধানীর পাইকারি বাজারগুলোতে বোরো মৌসুমের চাল আসতে শুরু করেছে। নতুন এই চালের দাম তুলনামূলক কম। ফলে পুরোনো চালের দামও কমেছে।

খুচরা দোকানে এখন পুরোনো সরু মিনিকেট চাল ৫৬–৫৮ টাকা এবং বিআর আটাশ চাল ৪৬–৪৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পরে মানুষ আতঙ্কে কেনাকাটা শুরু করে। ফলে সরু মিনিকেট চাল ৬০–৬৪ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হয়েছে, যা গত নভেম্বরেও ৪৬ টাকার আশপাশে ছিল।

তখন মাঝারি বিআর আটাশ ও সমজাতীয় চালের দাম উঠেছিল ৫০–৫৪ টাকায়। ৩২-৩৪ টাকার মোটা চাল উঠে যায় ৪০–৪২ টাকায়।

এখন খুচরা বাজারের তুলনায় মিল পর্যায়ে ও পাইকারি বাজারে দাম বেশি কমেছে। ঢাকার বাবুবাজার-বাদামতলী, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও মিরপুর ১ নম্বর সেকশনের চালের আড়তে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, নতুন মিনিকেট চাল ৪৯–৫২ টাকা, পুরোনো মিনিকেট ৫৩–৫৫ টাকা ও বিআর আটাশ ৪০–৪১ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

জানতে চাইলে মিরপুর ১ নম্বর সেকশনের চিশতিয়া রাইস এজেন্সির নুরুল ইসলাম বলেন, মানুষ আগে থেকেই অনেক চাল কিনে রেখেছে। নতুন চাল এসে গেছে। চাহিদাও তেমন নেই। তাই দাম কমছে।

বাজারে চাহিদা বেশি হওয়ায় এবং সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ হিসেবে বিতরণ করায় মোটা চালের দাম অবশ্য কমেনি। পাইকারি বাজারে মোটা চালের কেজি ৩৯–৪০ টাকা।

জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের বরিশাল রাইস এজেন্সির বিক্রেতা মহিউদ্দিন রাজা বলেন, সপ্তাহখানেক পর থেকেই নতুন চালের সরবরাহ অনেকটা বাড়বে।

তি বছর বোরো মৌসুমে বিপুল চাল উৎপাদিত হয়। সেটা বাজারে আসতে শুরু করলে দামও কমতে থাকে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর বোরোতে দুই কোটি টনের বেশি চাল উৎপাদিত হবে, যা মোট চাহিদার ৫৫ শতাংশের বেশি। আউস ও আমন মিলে দেশে সাড়ে তিন কোটি টনের বেশি চাল উৎপাদিত হয়। হাওরে নতুন মৌসুমের ধান কাটা এখন শেষের পথে। তবে উত্তরবঙ্গের কোনো কোনো জায়গায় ধান কাটা শুরু হয়েছে।

পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম অনেকটাই কমেছে
এখন আবার সবজির দাম চড়া

এদিকে বাজারে গত এক সপ্তাহে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ভোজ্যতেল, ছোলা ও চিনির দাম কমেছে। এর মধ্যে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৪৫ টাকা, চীনা রসুন ১৮০ থেকে ১৪০-১৬০ টাকা ও চীনা আদা ২০০ থেকে ১৬০ টাকায় নেমেছে। গত ১৫ দিনে আদার দাম অবশ্য কেজিতে প্রায় ২০০ টাকা কমল।

এ ছাড়া বাজারে প্রতি কেজি ছোলা ৫ টাকা কমে ৭০ ও ৭৫ টাকা হয়েছে। ৭০ টাকা কেজির চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩–৫ টাকা কমে ৯০ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে। দুটি কোম্পানির বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমেছে। তাদের এক লিটারের বোতলের দাম এখন ১০৫ টাকা।

এ সপ্তাহে আবার সবজির দাম বেশ চড়া। মিরপুর ১ নম্বর সেকশনের পাইকারি বাজারে ভালো মানের লম্বা বেগুন ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কাজীপাড়া, মিরপুর ১০ নম্বর সেকশন ও সেনপাড়া এলাকার ছোট বাজার এবং ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের ভ্যানে বিভিন্ন সবজি ৪০–৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে দেখা যায়।

মুরগির দামও বেশ কম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকার আশপাশে ও কক মুরগি ২২০ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। অবশ্য দেশি মুরগি ও গরুর মাংসের দাম চড়া। প্রতি কেজি দেশি মুরগি ৫০০ টাকা ও গরুর মাংস ৫৮০ টাকা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

মুরগির সরবরাহে টান, দাম লাফাচ্ছে

মুরগির সরবরাহে টান, দাম লাফাচ্ছে

রাজধানীর বাজারে যে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১১০ টাকায় নেমেছিল, সেটা এখন ১৬০ টাকায় উঠেছে। হঠাৎ করে লাফিয়ে লাফিয়ে মূল্যবৃদ্ধির কারণ সরবরাহ–সংকট।

সাধারণ ছুটির শুরুর দিকে, অর্থাৎ মার্চ মাসের শেষ ও এপ্রিলের শুরুর দিকে খামারের মালিকেরা চাহিদা না থাকায় মুরগি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছিলেন। হ্যাচারির মালিকেরা এক দিনের বাচ্চা বিক্রি করতে না পেরে মেরে ফেলেছিলেন। এখন তৈরি হয়েছে ঘাটতি।

গাজীপুর এলাকার খামার পর্যায়েই ব্রয়লার মুরগির কেজিপ্রতি দর ১৩০ টাকা। এটা হাতবদল হয়ে ভোক্তার কাছে পৌঁছাচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে বাজারে এখন ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা। এক মাসে দাম বেড়েছে ৪৩ শতাংশ।

পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের সভাপতি ও গাজীপুরের শ্রীপুরের খামারি খন্দকার মো. মহসিন প্রথম আলোকে বলেন, খামারিরা লোকসান ও মুরগি বিক্রি করতে না পারায় নতুন বাচ্চা ওঠাতে পারেননি। সে কারণেই এখন ঘাটতি। এটা সাময়িক।

বাজারে কক মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২২০ টাকা। এ ক্ষেত্রে দামের তেমন কোনো হেরফের হয়নি। আর দেশি মুরগির কেজিপ্রতি দর ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। এ দামটি অনেক দিন ধরেই চড়া।

গরুর মাংসের দামও আর কমেনি। বাজারে এখন গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৫৭০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ব্যবসায়ীরা পাইকারি পর্যায়ে গরমমসলার সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ করে দিয়েছে। পাইকারি পর্যায়ে জিরা (ভারত) প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা, দারুচিনি (চীন) কেজি ৩১০ থেকে ৩৩০ টাকা, দারুচিনি (ভিয়েতনাম) কেজি ৩৫০ থেকে ৩৭০ টাকা, লবঙ্গ কেজি ৬৮০ থেকে ৭২০ টাকা, এলাচি কেজি ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা, গোলমরিচ (সাদা) ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা এবং গোলমরিচ (কালো) ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকা দরে কেনাবেচা হবে।


  • সাধারণ ছুটির শুরুর দিকে মুরগির দাম তলানিতে নেমেছিল
  • ক্রেতা না থাকায় বাচ্চা ফেলে দিতে হয়

ঢাকার কাজীপাড়া, পীরেরবাগ ও মিরপুর-১ নম্বর সেকশন বাজার এবং দুটি জনপ্রিয় অনলাইন পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠানে দেখা গেছে, বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে বেশি দামেই মসলাজাতীয় পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ পাইকারি গরমমসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘যে দরটি নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটা আগে থেকেই কার্যকর। আগে থেকেই আমরা এ দামে বিক্রি করছি।’

খুচরা বাজারে দাম এত বেশি কেন, জানতে চাইলে এনায়েত উল্লাহ বলেন, খুচরা দোকানে মসলা বিক্রি হয় অল্প অল্প করে। পাইকারি বাজার থেকে কিনে নিতেও পরিবহন খরচ আছে।

পেঁয়াজের দাম আরও কিছুটা কমেছে। কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা দরে। দেশি রসুনের কেজি ১০০ থেকে ১১০ টাকা। আর চীনা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজিতে। এক মাস আগে যে আদা ৩০০ টাকা কেজির বেশি ছিল, সেটা ১৫০ থেকে ১৬০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে।

বাজারে বেশির ভাগ পণ্যের দাম কমতির দিকে। কিন্তু সমস্যা হলো চাহিদা ও মানুষের আয় কমে গেছে। কাজীপাড়া বাজারে কেনাকাটা করতে যাওয়া শামসুজ্জামান  বলেন, ‘ব্যবসা-বাণিজ্য নেই। বেশির ভাগ মানুষের হাতে টাকা নেই। অনেকে বোনাস পাবেন না। এ সময় দাম কমলেও কিনবে কতজন।’ 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কাতলের কেজি ৯৮০ টাকা!

কাতলের কেজি ৯৮০ টাকা!
কাতলের কেজি ৯৮০ টাকা!

রাজশাহী নগরীর সাহেববাজারে একটি ৩০ কেজি ওজনের বিশাল কাতল মাছ বিক্রি হয়েছে। শনিবার রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে মাছটি ধরেন স্থানীয় জেলেরা। মাছটি ৯৮০ টাকা কেজি দরে ২৯ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়।

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, অনেক দিন পরে এত বড় কাতল মাছ বাজারে উঠেছে। ৩০ কেজি ওজনের কাতল মাছ বাজারে নিয়ে আসেন তাজিম নামে এক মাছ ব্যবসায়ী। তিনি কেজিতে এক হাজার টাকা করে দরে হাঁকান। ওই সময় মাছটি ঘিরে ক্রেতাসহ আশপাশের জনতার ভিড় জমে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে ৬ জন ক্রেতা ৯০০ টাকা কেজি দরে মাছটি কিনতে চান। পরে একজন ক্রেতা ৯৮০ টাকা কেজি দরে ২৯ হাজার ৪০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন।

কাতলের কেজি ৯৮০ টাকা!
কাতলের কেজি ৯৮০ টাকা!

সাহেববাজারের মাছ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জানান, গত বছর ২৫ কেজি ওজনের একটি মাছ পাওয়া গিয়েছিল। প্রতি বছর আমাদের কাছে এমন বড় ওজনের মাছ আসে। এমন বড় মাছ পাওয়া গেলে সাধারণত ঢাকায় চলে যায়। তবে মাঝে মাঝে আমাদের এখানেও বোয়াল, বাগাড়সহ কার্প জাতীয় মাছ নিয়ে আসেন বিক্রেতারা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com