আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

মৎস্য

আতিলা বিলে দিনব্যাপী মাছ ধরার উৎসব

‘ঝপ ঝপাঝপ পলো বাও/ মজার মজার মাছ খাও’, ‘এসো ভাই মিলে, মাছ ধরি বিলে’ সমস্বরে এসব নানান স্লোগানে, হইহুল্লোড়ে টাঙ্গাইলের বাসাইলের আতিলা বিলে মাছ ধরার উৎসব হয়েছে।

গতকাল শনিবার দিনব্যাপী বাসাইল উপজেলার কাউলজানী চকপাড়ায় অবস্থিত ওই বিলে এলাকাবাসী এই উৎসবের আয়োজন করেন। এতে বাসাইলসহ আশপাশের কয়েক উপজেলার মৎস্যপ্রেমীরা অংশ নেন।

কাউলজানী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান চৌধুরী জানান, উপজেলার আতিলা, নুন্ধা, নিরাইল, বার্থা, কাতিল, ডুবাইল বিলসহ কয়েকটি বিলে প্রতিবছর মাছ ধরা উৎসব পালন করা হয়। গতকাল শনিবার দিনব্যাপী আতিলা বিলে মাছ ধরার উৎসবে বাসাইল ছাড়াও আশপাশের সখীপুর, কালিহাতী, ময়মনসিংহের ভালুকা, ফুলবাড়িয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার শত শত লোক পলো, জালসহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে দলবদ্ধভাবে হাজির হন। বিভিন্ন ধরনের জারি-সারি গান গেয়ে হইহুল্লোড় করে নানা স্লোগান দিয়ে মাছ শিকারে অংশ নেন তাঁরা। এই উৎসবে অনেকেই বোয়াল, মিনার কার্প, শোলসহ দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন ধরনের মাছ শিকার করেন। বিজ্ঞাপন

সখীপুর উপজেলা শৌখিন মৎস্য শিকারি সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল সরকার আজ রোববার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি শনিবার আমার সমিতির ১১ জন সদস্য নিয়ে ওই বিলে প্রতিবছরের মতো এবারও মাছ ধরতে যাই। আমার দলের সদস্যরা বোয়াল, শোল, রুইসহ বেশ কিছু মাছ ধরেছে। আসলে মাছ বেশি বা কম পাওয়াটা বিষয় নয়। মাছ শিকারে আনন্দটাই অন্য রকম। এটাকে আপনারা একপ্রকার নেশাও বলতে পারেন।’

বাসাইলের রাসরা গ্রামের আবদুর রশিদ বলেন, ‘সবাই মিলে মাছ ধরার মধ্যে একটা আনন্দ রয়েছে। প্রতিবছর এমন উৎসবের জন্য আমরা অপেক্ষায় থাকি। প্রথমে উৎসবের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। পরে হাটবাজারে ঘোষণা করে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হয়। এরপর নির্ধারিত তারিখে সবাই ওই বিলে গিয়ে মাছ ধরার উৎসবে হাজির হন।’

স্থানীয় কাউলজানী গ্রামের বাসিন্দা শাহাদত হোসেন বলেন, ‘প্রতিবছর এই বিলে বাসাইল ছাড়াও সখীপুর, কালিহাতী ও ময়মনসিংহ থেকে বিভিন্ন লোক মাছ ধরতে আসে। আমরা স্থানীয়রাও মাছ ধরা উৎসবে অংশ নিয়ে তাদের উৎসাহিত করি।’

বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলীদ ইসলাম বলেন, মাছ ধরা বাঙালির সংস্কৃতির একটি অংশ। আদিকাল থেকে মানুষ মাছ ধরে আনন্দ পায়। খাল–বিলের পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। এখন বিলগুলোতে মাছ ধরার মোক্ষম সময়। আনন্দের সঙ্গে, হইহুল্লোড় করে মৎস্যপ্রেমীরা বিভিন্ন রকমের জাল নিয়ে মাছ ধরতে বিলে নেমে যান।

বাংলাদেশ

গাংনীতে বিষ দিয়ে এক মাসে ৫০ লাখ টাকার মাছ নিধন

স্বচ্ছলতা ফেরাতে নিজের দেড় বিঘা জমিতে পুকুর কেটে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার যুগির গোফা গ্রামের যুবক আসাদুজ্জামান। প্রায় ৫০ হাজার টাকার মাছের পোনা ছেড়েছিলেন তিনি। পোনাগুলো বেশ বড় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন তিনি দেখেন , পুকুরের মাছ মারা যাচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ভেবেছিলেন আবহাওয়ার কারণে এটা ঘটছে। পরে পুকুরের পানি পরীক্ষা করে দেখেন, বিষ প্রয়োগের ফলে পুকুরের সব মাছ মারা গেছে। এতে অন্তত ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে তার।

ঘটনাটি গেল বছরের ২৫ ডিসেম্বরের। তবে নিরাশ না হয়ে পুকুরের পানি সেচে নতুনভাবে আবারও মাছ চাষ শুরু করেছেন আসাদুজ্জামান। শুধু আসাদুজ্জামান না, গেল এক মাসে গ্রামের ছয়জন মাছচাষির পুকুরে গোপনে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন করা হয়েছে।

যুগির গোফা গ্রামের আব্দুল লতিফ জানান, গত ১৭ ডিসেম্বর সকালে তিনি দেখতে পান, পুকুরের মাছ মরে ভেসে উঠেছে। প্রথমে এটি পানির অক্সিজেন কমে যাওয়ার বিষয়টি মনে করলেও পরে দেখেন, পাঁচদিনের ব্যবধানে পুকুরের সব মাছ মরে গেছে। এতে তার ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৮ লাখ টাকা।

একইভাবে গ্রামের ঠান্ডু মিয়ার ২০ লাখ টাকার, আনিছ ও ইদ্রিসের ৮ লাখ খলিল মেম্বরের ১০ লাখ ও দুলু মিয়ার ৫ লাখ টাকার মাছ বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলা হয়েছে। পুকুরে পাহারা বসানোর পরও অতি গোপনে এ কাজটি করেছে দুর্বৃত্তরা। গ্রামের মাছ চাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

এলাকার মাছচাষিরা জানান, এমনিতেই মাছের পোনা ও খাদ্যের দাম বেশি, এদিকে আবার মাছের দাম পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও মাছ বিক্রি করে কোনো রকমে পুুঁজি বাচানো সম্ভব হতো। অথচ দুর্বৃত্তরা কৌশলে মাছ চাষিদের ক্ষতি করে পথে বসাচ্ছে।

তারা আরও জানান, ইতোপূর্বে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা টহলে আসার কারণে চোর বা দৃর্বৃত্তরা এসব অপকর্ম করতে সাহস পেতো না। এখন টহল না থাকায় তারা সুযোগ পাচ্ছে।

গাংনী উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা হোসেন আহমেদ স্বপন জানান, মাছ চাষ বেশ লাভজনক হওয়ায় গাংনীর যুগির গোফা গ্রামের যুবক ও প্রবাস ফেরতরা মাছ চাষ শুরু করেন। বেশ লাভবানও হয়েছিলেন তারা। সম্প্রতি বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের পর অনেকেরই পথে বসার উপক্রম। বিষয়টি নিয়ে মাছ চাষিদের সাথে বৈঠক করা হয়েছে। সম্মিলিতভাবে পুকুর পাহারার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে দৃর্বৃত্তদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনারও প্রক্রিয়া চলমান।

গাংনী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশ ক্যাম্পকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং টহল জোরদারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে ৫ মণ জাটকা জব্দ, এতিমখানায় বিতরণ

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপকূলে দু’টি মাছ ধরার ট্রলারে অভিযান চালিয়ে ৫ মণ জাটকা ইলিশ জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) সকালে এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলার সহকারী (ভূমি) কমিশনার তানভীর হাসান চৌধুরী।

তিনি জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য উপজেলায় বিশেষ কম্বিং অপারেশন হাতে নেয়া হয়েছে। অপারেশনের অংশ হিসেবে আজ আনোয়ারা উপকূলে দু’টি মাছ ধরার ট্রলারে অভিযান চালানো হয়। ট্রলার দু’টি থেকে পাঁচ মণ জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা এসব জাটকা স্থানীয় পাঁচটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

অভিযানে উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাশিদুল হক ও কোস্ট গার্ড গহিরা স্টেশনের কর্মকর্তা এম শফিকুল ইসলাম এবং নৌ পুলিশের এসপি মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

আড়ৎ থেকে জব্দ করা হলো ৭০ কেজি জাটকা

রাজবাড়ীতে জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচির আলোকে ৭০ কেজি জাটকা জব্দ করা হয়েছে। এ সময় জাটকা বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার সকালে জেলা শহরের সোনাকান্দর মৎস্য আড়ৎ ও রাজবাড়ী পৌরসভার বড় বাজার মৎস্য আড়তে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সময় জাটকা বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং জব্দকৃত মাছ শহরের ৭টি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এনডিসি মো. সাইফুল হুদা।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পালসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

অবশেষে শুরু হচ্ছে ভেনামি চাষ

যশোর বিসিক শিল্প নগরীর এম ইউ সি ফুডস লিমিটেড বর্তমানে বিশ্বের ১৫টি দেশে বছরে প্রায় ১০১ কোটি টাকার হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি করে। রপ্তানি আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি এবার উচ্চফলনশীল জাতের ভেনামি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে জড়িত হয়েছে। আগামী মাসে শুরু হবে ভেনামি চিংড়ির চাষ।

এম ইউ সি ফুডস সূত্রে জানা গেছে, তারা থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, হংকং, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, ভিয়েতনাম, গ্রিস, পর্তুগাল, সাইপ্রাস, স্পেনসহ এশিয়া ও ইউরোপের ১৫টি দেশে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি করে। ২০১৯ সালে দেশের মোট ২ হাজার ৯৯৬ কোটির টাকার হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানির মধ্যে এম ইউ সি ফুডসের হিস্যা হচ্ছে ১০০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

রপ্তানিতে বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্যামল দাসকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে দুই দফায় সিআইপি (বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) ঘোষণা করে পদক দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তিনি ২০১৮ সালে জাতীয় মৎস্য পুরস্কারে রৌপ্যপদক অর্জন করেছেন।বিজ্ঞাপন

দেশে শুরু হচ্ছে উচ্চফলনশীল চিংড়ির চাষ। এই প্রকল্পে জড়িত এম ইউ সি ফুডস বছরে ১০১ কোটি টাকার চিংড়ি রপ্তানি করে।

১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এম ইউ সি ফুডসে নারী-পুরুষ মিলে অন্তত ৩০০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রতিদিন অন্তত ৫০ মেট্রিক টন হিমায়িত চিংড়ি উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এতে ৮০০ মেট্রিক টন হিমায়িত চিংড়ি সংরক্ষণ ও গুদামজাত করার সুবিধা রয়েছে।

দেশ থেকে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শ্যামল দাস প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিবছর দেশে বাগদা চিংড়ির উৎপাদন কমে যাচ্ছে, যে কারণে জাতীয়ভাবে চিংড়ি রপ্তানি কমছে। চিংড়ির অভাবে অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেছে। কিছু কোম্পানি ক্ষয়িষ্ণু অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে উচ্চফলনশীল চিংড়ি চাষ করা ছাড়া আমাদের সামনে বিকল্প নেই।’

দেশে এত দিন উচ্চফলনশীল ভেনামি জাতের বিদেশি চিংড়ির চাষ নিষিদ্ধ ছিল। দেশীয় চিংড়ির উৎপাদনও দিন দিন কমছে। যে কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে সুবিধা করতে পারছে না বাংলাদেশ। তাই সরকার সম্প্রতি পরীক্ষামূলকভাবে ভেনামি জাতের বিদেশি চিংড়ি চাষের অনুমতি দিয়েছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) অধীনে খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় ভেনামি চিংড়ি চাষের একটি পাইলট প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

এই প্রকল্পের ব্যবস্থাপক সুরেন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, ‘পরীক্ষামূলক ভেনামি চিংড়ি চাষ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য থাইল্যান্ডের সিপি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। সে অনুযায়ী কোম্পানিটি ভেনামি চিংড়ি পোনা ও প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করবে। আমাদের প্রকল্প প্রস্তুত রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে পোনা আমদানি করা যায়নি বলে প্রকল্পের কাজ কিছুটা পিছিয়ে গেছে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

৩৭ কেজির বাগাড় মাছটি বিক্রি হলো সাড়ে ৪২ হাজার টাকায়

পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় এবার জেলেদের জালে ৩৭ কেজি ওজনের একটি বড় বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। রোববার ১ হাজার ১৫০ টাকা কেজি দরে বাগাড় মাছটি মোট সাড়ে ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ও স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে পদ্মা-যমুনা নদীর মোহনায় জেলেদের জালে বিশাল আকারের বাগাড় মাছটি ধরা পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, মাছটি প্রায় এক মণ হবে। পরে ওজন দিয়ে দেখা যায় ৩৭ কেজি। রোববার ভোরে মাছটি প্রথমে আরিচা ঘাট বাজারে বিক্রির জন্য তোলা হয়। সেখানে প্রকাশ্য নিলামে তোলা হলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ৯৬০ টাকা কেজি দরে ভাই ভাই মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী মো. মাসুদ মোল্লা ও কয়েকজন মিলে বাগাড় মাছটি কিনে নেন।

মো. মাসুদ মোল্লা বলেন, মাছটি কিনে তাঁরা দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে এনে পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন। পরে ঢাকার কলাবাগান এলাকার এক শিল্পপতির সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে ১ হাজার ১৫০ টাকা কেজি দরে বাগাড় মাছটি মোট ৪২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন।বিজ্ঞাপন

বিশালাকৃতির বাগাড় মাছটি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ঢাকাগামী ব্যক্তিগত গাড়ির চালক জুয়েল সরদার। তিনি বলেন, ‘আমার জীবনে এত বড় বাগাড় মাছ দেখিনি। মাছটি দেখে পরান ভরে গেছে।’

রাজবাড়ী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল বলেন, ইদানীং পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় বড় বড় মাছ ধরা পড়ছে। তবে ৩৭ কেজি ওজনের বিশাল বাগাড় মাছ খুব একটা পাওয়া যায় না। এ ধরনের বড় মাছ সংরক্ষণে অভয়াশ্রম করা দরকার।


এদিকে একই রাতে পদ্মা নদীতে প্রায় ১৯ কেজি ওজনের একটি বোয়াল মাছ ধরা পড়ে। মাছটি ২ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৯ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হয়। এ ছাড়া ২২ কেজি ওজনের একটি পাঙাশ মাছ ধরা পড়ে। পাঙাশটি ২ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে মোট ৫২ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com