আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফল

মরুভূমির ত্বিন ফলের চাষ দিনাজপুরে, রপ্তানির স্বপ্ন দেখছেন উদ্যোক্তা

মরুভূমির ত্বিন ফলের চাষ হচ্ছে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল দিনাজপুরে। এতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ফলটি বেশ সুস্বাদু, পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ও উচ্চ ফলনশীল। জানা গেছে, জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার মালারপাড়ায় মতিউল মান্নান নিজের চার বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন ত্বিন ফলের বাগান।

গত অক্টোবরে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা এই বাগানে এরই মধ্যে ফল ধরা শুরু হয়েছে। নবাবগঞ্জ কৃষি বিভাগ বলছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে এটিই প্রথম ত্বীন ফলের বাগান। রোগ-বালাই নাই বললেই চলে। এই ফলচাষে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান এবং অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ত্বিন ফলের উল্লেখ রয়েছে ধর্মগ্রন্থ কুরআন শরিফে। নবাবগঞ্জের মালারপাড়া গ্রামে ত্বীন ফলের বাগান স্থানীয় যুবকদের প্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে ত্বীন গাছের কলম করে বিক্রির কাজও শুরু হয়েছে। আগামী মার্চ-এপ্রিল থেকে কলম বিক্রি হবে।

গাজীপুর থেকে ত্বীন ফলের চারা নিয়ে গত অক্টোবরে নিজের চার বিঘা জমিতে বাগান গড়ে তোলেন মতিউল। ত্বীন গাছে প্রথম তিন মাসের পর থেকেই ফল ধরছে এবং প্রতি বছর দ্বিগুণ হারে ফল ধরবে। বর্তমানে তার প্রতিটি গাছে আড়াই থেকে তিন কেজি ফল ধরেছে। এরপর ছয় কেজি এবং তার পরের বার ১০ কেজি- এভাবে ক্রমেই ফলন বাড়বে। প্রতিটি ত্বীন ফলের ওজন ৭০ থেকে ১১০ গ্রাম হয়। এটি দেশীয় কাকডুমুর থেকে বড়। ত্বীন গাছ ৩ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত বড় হয়। ঘন এবং খসখসে পাতায় ভরপুর থাকে। গাছ কমপক্ষে ১০০ বছর বাঁচে। এক নাগাড়ে ৩৫ বছরের সবসময়ই ফল দেবে। চাষি মতিউলের চার বিঘা জমির বাগানে এক হাজার গাছ রয়েছে। প্রথমবারেই ফল পাওয়া যাবে কমপক্ষে আড়াই টন। ঢাকার বাজারে ১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করলে পাওয়া যাবে ২৫ লাখ টাকা। বিদেশে রপ্তানি করলে আরও লাভবান হওয়া যাবে।

চাষি মতিউল জানান, ত্বীন বাগানে রোগ-বালাই তুলনামূলক কম হয়। তবে নিয়মিত পরিচর্যা করতে হয়। পরিচর্যার জন্য তার বাগানে ৭-৮ জন মানুষ সবসময় কাজ করেন। এ পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে ২০ লাখ টাকা। প্রথম সময়েই খরচ। এরপর তেমন আর খরচ নেই। ত্বীন বাগান ও চাষ পদ্ধতি জানতে চাষি, সাধারণ মানুষ বাগানটি দেখতে ভিড় করছেন এবং এই ফল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। উপকার সম্পর্কে ত্বীন চাষি মতিউল বলেন, এই ফল দিয়ে জ্যাম, জ্যালি, চাটনি ইত্যাদি তৈরি করে খাওয়া যায়। নানাবিধ পুষ্টি গুণের পাশাপাশি বহুবিধ ঔষধি গুণও রয়েছে। পৃথিবীর অনেক দেশে এর চাষাবাদ হয় এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। তিনি আরও জানান, এ ত্বীন ফল দেশে সারা বছর পুষ্টি ও ফলের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব। মতিউল জানান, করোনার সময়ে ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ফিরে এসে অলস ও বেকার সময় কাটান। এ সময় কিছু একটা করার ইচ্ছা থেকে মোবাইলের ইউটিউব ব্যবহারের সময় চোখে পড়ে ত্বীন ফলের ভিডিও। ভিডিওটি দেখতে দেখতে মনে সাজিয়ে নেন বাণিজ্যিকভাবে ত্বীন ফলের চাষ করবেন। 

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

ফল

ভোলায় করোনার মধ্যে তরমুজ বিক্রি করে লাভবান চাষিরা

ভোলায় করোনার মধ্যে তরমুজ বিক্রি করে লাভবান চাষিরা

এ বছর খেতে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় ভোলার চরাঞ্চলে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে হাসি ফুটেছে চাষিদের মূখে। খেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করার সময় লকডাউনের ঘোষণায় চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন চাষিরা। তবে কৃষি বিপণন অধিদফতরের পরামর্শে ভোলাসহ সারাদেশের বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারের তরমুজ বিক্রি করে লাভবান চাষিরা।

সরেজমিনে গিয়ে কৃষকদের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় এ বছর ভোলার চরাঞ্চলে বিভিন্ন জাতের তরমুজের ভালো ফলন হয়েছে। খেতগুলোতে তরমুজ সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন চাষিরা।

কিন্তু গত বছরের মত এ বছরও সারাদেশে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়া গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন করা হয় সারাদেশ। এতে তরমুজ বিক্রি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন চাষিরা। আর ওই সময় ভোলা কৃষি বিপণন অধিদফতরের পরামর্শে চাষিরা তরমুজ পরিবহনের গাড়িগুলো ‘জরুরি কৃষি পণ্য সরবরাহ’ স্টিকার লাগিয়ে ভোলাসহ রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশালসহ সারাদেশের পাইকারি বাজারে তরমুজ বিক্রি করছেন চাষিরা।

ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের তরমুজ চাষি কোহিনুর বেগম ও মো. কামাল হোসেন জানান, এ বছর তিনি দেড় লাখ টাকা খরচ করে দুই কানি অর্থাৎ ৩২০ শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। লকডাউনের মধ্যে খেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ চিন্তিত ছিলাম, তখন ভোলা কৃষি বিপণন অধিদফতর থেকে তরমুজ পাইকারি বিক্রির বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের পরামর্শে আমরা তরমুজ বিক্রি করছি।

তারা আরো জানান, এ পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ টাকার তরমুজ পাইকারি ও খুচরা বাজারে বিক্রি করছেন। এখনও দেড় থেকে দুই লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন।

চরফ্যাশন উপজেলার নুরাবাদ ও দুলারহাট এলাকার তরমুজ চাষি মো. বাবলু ও হারিছ জানান, গত বছর করোনার কারণে বাজারে তরমুজ বিক্রি করেও দাম পাইনি। যার কারণে অনেক লোকসান গুণতে হয়েছে। কিন্তু এ বছর করোনার মধ্যেও বাজারে তরমুজের ভালো দাম পাচ্ছি। তরমুজের শত ২০ থেকে ২৪ হাজার টাকা বিক্রি করছি। এতে আমরা গত বছরের লোকসান পুষিয়ে উঠতে শুরু করেছি।

jagonews24

ভোলার শহরের খাল পাড় এলাকার তরমুজের পাইকারি আড়তদার মো. কামরুল জানান, সারাদেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে তরমুজ পরিবহনের মাধ্যমে বিক্রি করার জন্য কৃষি বিপণন অধিদফতর আমাদের স্টিকার দিয়েছে। তরমুজ পরিবহনে ওই স্টিকার লাগিয়ে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশালসহ সারাদেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে আমরা তরমুজ বিক্রি করছি।


তিনি আরো জানান, তাদের সহযোগীতার কারণে আমরা তরমুজ পাইকারি বিক্রি করে যেমন লাভবান হচ্ছি, তেমনি আমাদের কাছে তরমুজ বিক্রি করে চাষিরা অধিক লাভবান হচ্ছেন।

ভোলা কৃষি বিপণন অধিদফতরের কর্মকর্তা মো. মোস্তফা সোহেল জানান, এ বছর ভোলার সাত উপজেলায় ৫ হাজার ৫৫৬ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। আর হেক্টর প্রতি ৫৫ মেট্রিক টন তরমুজ উৎপাদন হয়েছে। কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহা-পরিচালকের নির্দেশে চাষিদের তরমুজ বিক্রি করার জন্য আমরা সর্বাত্মক সহযোগীতা করেছি। তরমুজ চাষি ও পাইকারি বিক্রেতাদের গাড়িতে আমরা ‘জরুরি কৃষি পণ্য সরবরাহ’ স্টিকার লাগিয়ে দিচ্ছি। এতে চাষি ও পাইকারি আড়তদাররা কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই সারাদেশের বিভিন্ন বাজারে ন্যায্য মূল্যে তরমুজ বিক্রি করতে পারছেন।

তিনি আরো জানান, বাজারের তরমুজের চাহিদা ও মূল্য ভালো থাকায় কৃষকরা ভালো মূল্য পাচ্ছেন। এতে গত বছরের লোকসান পুষিয়ে উঠছেন বলে কৃষকরা আমাদের জানিয়েছেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

কারোনাকালে যেসব ফল বেশি খাবেন

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি এর বিকল্প নেই। একমাত্র শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ন্ত থাকলেই এ সময় কোভিড-১৯ এ আক্রান্তরা বেঁচে ফিরতে পারবে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় জানা গেছে, কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় ভিটামিন সি এর ভূমিকা অনেক।

ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক দাবি করেছেন, ভিটামিন সি গুরুতর করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিত্সায়ও সহায়তা করতে পারে। গবেষণাটি নিউট্রিয়েন্টস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বেশ কিছু গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন সি বিভিন্ন কঠিন রোগ যেমন- নিউমোনিয়া এবং সেপসিসের মতো শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত অসুস্থতা প্রতিরোধ এবং চিকিত্সায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

jagonews24

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন সি তে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-থ্রোমোটিক এবং ইমিউনো-মডুলেটরি থাকায় মারাত্মক শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণের সমস্যা থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং নিউমোনিয়া থেকে দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরমর্শ দেন চিকিৎসকরা।

ভারতীয় পুষ্টিবিদ রূপালী দত্তের মতে, ‘ভিটামিন সি এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যা কোভিড-১৯ এর সময়ে অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।’

jagonews24

এজন্য এ সময় আপনার ডায়েটে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা অতীব জরুরি। মনে রাখবেন, ভিটামিন সি নির্দিষ্ট অনুপাতে প্রতিদিন গ্রহণ করতে হয়। কারণ একদিনে আপনি যত বেশিই ভিটামিন সি গ্রহণ করুন না কেন তা কিন্তু শরীরে থাকে না। এজন্য প্রতিদিনই ভিটামিন সি গ্রহণ করতে হবে। জেনে নিন এ সময় কোন কোন ফলগুলো বেশি করে খাবেন-

>> বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, প্রতিদিন একটি করে লেবু বা কমলা খেলে আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন সি েএর চাহিদা পূরণ হবে।

>> টমেটো এ সময় বাজারে সহজলভ্য। সালাদ বা তরকারিতে টমেটো প্রায় সময়ই খেয়ে থাকেন। এতেও পর্যাপ্ত ভিটামিন সি আছে। নিয়মিত টমেটো খাবারে রাখতে পারেন।

>> সব খাবারের সঙ্গেই আমরা কমবেশি মরিচ খেয়ে থাকি। এ সময় বেল পেপার খেতে পারেন। এতে প্রচুর ভিটামিন সি আছে।

jagonews24

>> পেয়ারা বাজারে সহজলভ্য। পর্যাপ্ত ভিটামিন সি থাতে পেয়ারায়। প্রতিদিন মাঝারি আকৃতির একটি করে পেয়ারা খেতে পারেন এ সময়।

>> একটি পেয়ারার চেয়েও ৭০ গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে আমলকি। ছোট্ট হলেও এর উপকারিতা অনেক। এ সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত আমলকি খেতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

সবুজ আপেলের রয়েছে বিশেষ ১০ স্বাস্থ্য উপকারিতা

প্রতিদিন একটি আপেল খেলে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। কথাটি আসলেই সত্যি। কারণ ডাক্তারদেরও মতামত অনুযায়ী, প্রতিদিন একটি আপেল খেলে আপনাকে খুব একটা ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না। আপেল পুষ্টিগুণে অনন্য একটি ফল। যা খেতেও সুস্বাদু। নারী-পুরুষ সবার জন্যই আপেল খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি।

আপেল সাধারণত দুই প্রকারের হয়ে থাকে, লাল ও সবুজ। লাল আপেলের গুণাবলি সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। কিন্তু সবুজ আপেলের বিশেষ গুণগুলো সম্পর্কে হয়তো অনেকেরই ধারনা নেই। তাই চলুন আজ জেনে নেয়া যাক আমাদের দেহের সুস্থতায় সবুজ আপেলের গুণাবলি সম্পর্কে কিছু তথ্য-

সবুজ আপেলের ফাইবার উপদান আমাদের দেহকে কোলন ক্যান্সার হওয়া থেকে রক্ষা করে।

রোগ প্রতিরোধ করে

সবুজ আপেল রোগ প্রতিরোধক একটি ফল। এটি ডায়রিয়ার সমস্যা রোধ করে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য ও বাতের সমস্যা দূর করে। এটি বদ হজমের সমস্যাও দূর করে।

লিভার ও নালীর সমস্যা রোধ করে

সবুজ আপেল আমাদের দেহের লিভারের যেকোনো সমস্যা দূর করে ও পাশাপাশি খাদ্য নালী, পরিপাক নালী ও অন্যান্য নালীর সমস্যা দূর করে।

প্রচুর পরিমাণ ফাইবার সমৃদ্ধ

সবুজ আপেলের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ উপদান হল ফাইবার, যা সবুজ আপেলে আছে প্রচুর পরিমাণে। সবুজ আপেলের এই ফাইবার উপাদান আমাদের পেটের যেকোনো সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে ও পরিপাক প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হতে সহায়তা করে।

ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নেই

সবুজ আপেল আমাদের পেটের সুস্থতায় অনেক সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া সবুজ আপেলের মধ্যে কোনো ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নেই যা আমাদের দেহের জন্য খারাপ। তাই আপনি নিশ্চিন্তে ডায়েট করতে পারেন সবুজ আপেল খেয়ে।

কোলেস্টেরল মাত্রা খুব কম

বলাই হয়েছে যে সবুজ আপেলে কোনো ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নেই এবং যতটুকু আছে তাও মাত্রায় খুব কম। যেহেতু সবুজ আপেলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার উপাদান আছে তা দেহের কোলেস্টেরল মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে।

সহজেই হজম হয়

আপনি খুব ভারী কোনো খাবার খেয়েছেন, চিন্তা করছেন হজম হবে কিনা ঠিকমত? চিন্তার কোনো কারণ নেই ,আপনি একটি সবুজ আপেল খেয়ে নিন। কারণ সবুজ আপেলে আছে এনজাইম উপাদান যা খুব দ্রুত খাদ্য হজম করতে সাহায্য করে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানে সমৃদ্ধ

সবুজ আপেলে আছে ফ্লেভনয়েড ও পলিফেনল যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। আর এই উপদান দুটি আমাদের দেহের ডিএনএ-এর ক্ষতি রোধ করে এবং ক্যান্সারও রোধ করে।

দেহে শক্তি বৃদ্ধি করে

সবুজ আপেল আমাদের দেহে শক্তি যোগায়। সবুজ আপেলে বিদ্যমান আছে অন্যতম উপাদান কার্বোহাইড্রেট, যা আমাদের দেহের জন্য খুব উপকারি। বিশেষ করে যারা খেলাধুলা করেন, কঠোর পরিশ্রম করেন তারা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবুজ আপেল অবশ্যই রাখুন।

ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে

সবুজ আপেলের জৈব এসিড উপাদান আমাদের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই যদি আপনার বার বার ক্ষুধা লেগে থাকার সমস্যা থেকে থাকে তাহলে সবুজ আপেল খেয়ে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

ঝরছে লিচুর গুটি

লেখক

মৌসুমি ফল হিসেবে বরাবরই লিচু সবার প্রিয় একটি ফল। চলতি মৌসুমে খরা আর অনাবৃষ্টির কারণে অধিকাংশ গাছ থেকে ঝরে যাচ্ছে লিচুর গুটি। ছবিগুলো রোববার বগুড়ার ধুনট উপজেলার সরুগ্রাম থেকে তোলা

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

বাম্পার ফলনেও তরমুজ চাষিদের হাসি ম্লান

দক্ষিণে ‘তরমুজের দেশ’ হিসাবে পরিচিত পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজার দর ভালো থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

তবে ‘লকডাউন’র কারণে কৃষকের হাসি ম্লান হয়ে যাচ্ছে। মৌসুমের শুরুতে চাষিরা তরমুজ বিক্রি করে বেশ আয় করলেও বিলম্বে আবাদ করা চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে সাড়ে পাঁচ হাজার চাষি ৭ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রতি হেক্টরে ৪০ টন হারে উৎপাদন হয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ২০০ টন (৩০ কোটি ৫২ লাখ কেজি)।

কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি কেজি তরমুজ ১০ টাকা দরে হলেও ৩০৫ কোটি ২০ লাখ টাকা বিক্রি হবে বলে আশাবাদী তারা। এদিকে লকডাউনের কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা।

তারা বলছেন, এখনো খেতে প্রচুর তরমুজ। কঠোর লকডাউন হলে তাদের ক্ষতি হবে। তাই চাষিদের দাবি, ওই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারি ব্যবস্থায় তাদের কাছ থেকে তরমুজ ক্রয় করা হোক।

নাটোর থেকে রাঙ্গাবালীর কাউখালী গ্রামে তরমুজ কিনতে আসা পাইকার নুরুল ইসলাম বলেন, ট্রাক আগে যেটা ২৫ হাজর টাকায় ভাড়া করতাম।

লকডাউনের কারণে এখন সেটা ৪০-৪৫ হাজার টাকায় ভাড়া করতে হচ্ছে। ৪০ হাজার টাকার ট্রলারের ভাড়া ৬০-৭০ হাজার। খেতে প্রচুর তরমুজ কেনা। লকডাউন কঠোর হলে চাষি এবং আমাদের অনেক ক্ষতি হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কঠোর লকডাউন আসার আগে বাজার ধরতে উপজেলার বাহেরচর, খালগোড়া, কাজির হাওলা, কাউখালী, কোড়ালিয়া, গহিনখালী, চরইমারশন, চরমোন্তাজ, চালিতাবুনিয়া, বড়বাইশদিয়া ও মৌডুবিসহ বিভিন্ন ঘাটে হাজার হাজার তরমুজ জড়ো করা হচ্ছে। কেউ ট্রলি কিংবা টমটমযোগে খেত থেকে তরমুজ এনে স্তূপ করছে। কেউ আবার সেই তরমুজ ট্রলার, কার্গো ও লঞ্চে তুলছেন। নৌযানযোগে তা আগুনমুখা, রামনাবাদ, দারছিড়া, বুড়াগৌরাঙ্গ নদী হয়ে পটুয়াখালী, বরিশাল, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, চাঁদপুর ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাজারজাত করতে নিয়ে যাচ্ছেন চাষি ও পাইকাররা। উপজেলার কাছিয়াবুনিয়া গ্রামের বক্কর মিয়া ও পশুরবুনিয়া গ্রামের চাষি খলিল মিয়া বলেন, তরমুজ বিক্রি শেষ হতে এখনো প্রায় ১০-১৫ দিন সময় লাগবে। এই মুহূর্তে লকডাউনের বড় ধরনের প্রভাব পড়লে শতকরা ৩০ ভাগ চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তরমুজের এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। গত বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে যেসব চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, এ বছর সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পেরেছেন তারা। লকডাউনের বিষয়ে তিনি বলেন, বেশির ভাগ খেতের তরমুজ বিক্রি শেষ। ৭ দিনের সীমিত লকডাউনে কৃষিজাত পণ্য হিসাবে তরমুজ পরিবহণে কোনো বাধা ছিল না। আশা রাখি, কঠোর লকডাউনে যদি কোনো সমস্যা না হয় তাহলে প্রায় সব কৃষকই লাভবান হবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com