আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোটেক

মঙ্গল গ্রহে কি ওয়াইন উৎপাদন করা হবে

মঙ্গল গ্রহে কি ওয়াইন উৎপাদন করা হবে
মঙ্গল গ্রহে কি ওয়াইন উৎপাদন করা হবে

মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসতি তৈরি এখন আর কল্পকাহিনী নয়, বরং তা সময়ের ব্যাপার। অন্য একটি গ্রহে বসবাসের জন্য পৃথিবীর অনেক আরাম-আয়েশকেই ভুলে যেতে হবে বাসিন্দাদের। যেমন, পৃথিবীর মতো বায়ুমণ্ডলের ওপর ওজোন স্তর নেই সেখানে, তাই যখন তখন রোদে বের হওয়া যাবে না। তবে পৃথিবীর একটি বিলাসিতা সেখানেও থাকতে পারে, আর তা হলো ওয়াইন।

ইউরোপীয় দেশ জর্জিয়ায় ৮ হাজার বছর ধরে তৈরি হচ্ছে ওয়াইন। সে দেশের গবেষকরা ইতোমধ্যেই মঙ্গল গ্রহে ওয়াইন তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। এর প্রথম ধাপ হলো, মঙ্গলে আঙ্গুর চাষ বিষয়ক গবেষণা। জর্জিয়ার এই প্রকল্পের নাম নাইন মিলেনিয়াম। তারা কয়েক ধাপে মঙ্গলে কৃষিকাজের অবকাঠামো তৈরি করবে। পৃথিবীর কোন ধরণের আঙ্গুর মঙ্গলের রুক্ষ পরিবেশেও বেঁচে যাবে, তা বের করার চেষ্টায় আছেন তারা। ২০২৪ সাল নাগাদ মঙ্গলে মানুষের স্থায়ী বসতি তৈরি হতে পারে। সে সময়ের মাঝেই তারা মঙ্গলে ওয়াইন তৈরির পন্থা আবিষ্কার করে ফেলার আশায় রয়েছেন।

গবেষণার অংশ হিসেবে জর্জিয়ার রাজধানী তিবলিসিতে একটি ‘ভার্টিক্যাল গ্রিনহাউজ’ তৈরি করা হতে পারে এ বছরেই। ছাদ থেকে মেঝে পর্যন্ত ছোট ছোট পাত্রে মাটি ও বীজ রাখা হবে (আঙ্গুর, স্ট্রবেরি ও আরগুলা) এবং তাদেরকে হাইড্রোপোনিক লাইটের নিচে রাখা হবে। মানুষের তেমন কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়াই এগুলো বাঁচে কিনা, তা দেখা হবে। আগামী কয়েক বছরে তিবলিসির এক গবেষণাগারে মঙ্গলের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করবেন গবেষকরা, আর সেখানে কোন ধরণের আঙ্গুর ভালোভাবে চাষ করা যাবে সেটাও দেখা হবে।

এসব গবেষণার ফল অন্তত ২০২২ সালের আগে পাওয়া যাবে না। তবে গবেষকরা আশা করছেন, মঙ্গল গ্রহের জন্য হোয়াইট ওয়াইন তৈরি করা সম্ভব হবে। কারণ সাদা আঙ্গুরে সহজে ভাইরাস ধরে না, আর মঙ্গল গ্রহের অতিরিক্ত রেডিয়েশনকেও এই আঙ্গুর প্রতিফলিত করতে সক্ষম হবে।

তবে জর্জিয়ার গবেষকরা মঙ্গলে আঙ্গুর চাষ করার উপায়টি বের করে দেবেন শুধু। তা থেকে ওয়াইন তৈরি করার বাকি প্রক্রিয়াটা সেখানে বসতি স্থাপনকারী মানুষদেরই করতে হবে। নাসার গবেষকরা আশা করছেন, তা সম্ভব হবে।

জর্জিয়ার এই গবেষণার আগেও মঙ্গলগ্রহে কৃষিকাজের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (আইএসএস) এর মহাকাশচারীরা ইতোমধ্যেই সেখানে সালাদ তৈরির সবজি চাষ করছেন। অন্যদিকে চীনের চ্যাং’ই-৪ ল্যান্ডার চাঁদে আলু ও রকক্রেস নামের একটি উদ্ভিদ নিয়ে গেছে তা বাঁচে কিনা দেখার জন্য।

মহাকাশে অ্যালকোহলের উপস্থিতিও নতুন নয়। বাডওয়েইজার নামের একটি বিয়ার কোম্পানি তিনবার মহাশুন্যে বার্লি বীজ পাঠিয়েছে ‘ফার্স্ট বিয়ার অন মার্স’ হওয়ার সম্ভাবনায়। অন্যদিকে আইএসএসে তিন বছর ধরে রাখা হয়ে কয়েক বোতল স্কচ হুইস্কি। পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার পর দেখা যায়, মহাশূন্যে থাকার কারণে পানীয়টির স্বাদ ও গন্ধ পাল্টে গেছে।

এগ্রোটেক

আধুনিক মাছ চাষ সহজ করবে ‘পন্ডগার্ড’

আধুনিক মৎস্য চাষকে সহজ করতে ‘পন্ডগার্ড’ নামের একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেছেন চুয়াডাঙ্গার তরুণ উদ্ভাবক আহমেদুল কবীর উপল। এর ফলে দেশের মৎস্যচাষে যান্ত্রিকীকরণ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। কমে আসবে শ্রমিক নির্ভরতা। সাশ্রয় হবে খরচ। সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় যন্ত্রটি মৎস্যচাষিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া গেলে মাছ উৎপাদনে আরও সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশ। 

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের নিভৃত মাঠের একটি পুকুরে স্থাপন করা হয়েছে ‘পন্ডগার্ড’ নামের যন্ত্রটি। সেখানে গিয়ে দেখা যায়- পুকুরের অল্প সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গেই পাহারায় আছে যন্ত্রটি। দিনে রাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছে। উদ্ভাবক আহমেদুল কবীর উপল জানান, আইপি ক্যামেরা, ব্যাটারি, সোলার প্যানেলের সঙ্গে কিছু যন্ত্র আর অ্যাপভিত্তিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে ‘পন্ডগার্ড’। যন্ত্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে সোলার সিস্টেম। যন্ত্রটি নিভৃতপল্লীতে থাকা মাছের খামারের নিরাপত্তায় ব্যবহার করা যাবে। বাড়িতে বসেই দূরের মৎস্য প্রকল্পে করা যাবে নজরদারি। ফলে কমে আসবে শ্রমিক নির্ভরতা। 

উদ্ভাবকের মতে, বর্তমানে যন্ত্রটি কেবল নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর হবে। পরবর্তিতে এটি আরও উন্নয়নের মাধ্যমে সংয়ক্রিয়ভাবে মাছের খাবার প্রদান করবে। একই সঙ্গে পানির গুণগতমান নির্ণয় এবং ব্যবহারকারীকে বার্তা প্রেরণ করবে। যা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সারা দেশের পানি গবেষণায়ও কাজে আসবে। 

চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের বাসিন্দা কনিকা মৎস্য খামারের স্বত্বাধিকারী মো. নূর আলম লিটন ব্যবহার করছেন উপলের উদ্ভাবিত ‘পন্ডগার্ড’ যন্ত্রটি। তিনি জানান, জয়রামপুর গ্রামের নিভৃত মাঠে তাদের মৎস্য প্রকল্পে ‘পন্ডগার্ড’ ব্যবহার করা হয়েছে। পুকুরটি দুর্গম মাঠে হওয়ায় আগে নিয়মিত সেখানে দেখাশোনা করা যেত না। এখন বাড়িতে বসেই সার্বক্ষণিক পুকুরের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে পারছেন। পুকুরে নিরাপত্তার দায়িত্বরত আক্কাস আলী জানান, কনিকা মৎস্য খামারে তারা দু’জন নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

মাছের খাবার সংরক্ষণের সঠিক উপায় জেনে নিন

আমাদের দেশে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। অনেক বেকার যুবক মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। লাভজনক হওয়ায় দিন দিন মাছ চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে মাছ চাষকে আরও বেশি লাভজনক করতে হলে প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি মাছকে অতিরিক্ত সম্পূরক খাদ্য দিতে হবে। আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষে যা খরচ হয় তার প্রায় শতকরা ৬০ ভাগই খরচ হয় খাদ্য ক্রয় করতে।

সম্পূরক খাদ্য হিসাবে আমাদের দেশে সচরাচর যে উপাদানগুলো ব্যবহার করা হয় তা হলো,- চালের কুঁড়া, গমের ভুসি, সরিষার খৈল, তিলের খৈল, ফিশমিল, গরু-ছাগলের রক্ত ও নাড়ি-ভুঁড়ি। এ ছাড়া জলজ উদ্ভিদ যেমন,- কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা ইত্যাদি।

এসব উপাদান প্রয়োজনমতো মিশিয়ে চাষিরা মাছের খাদ্য তৈরি করেন। কারখানায় তৈরি বাণিজ্যিক খাদ্যও মাছের খামারে ব্যবহার করা যায়। যে ধরনের খাদ্যই মাছ চাষের পুকুরে ব্যবহার করা হোক না কেন তার গুণগতমান ভালো হওয়া আবশ্যক।

খাবারের গুণগতমান ভালো না হলে সুস্থসবল পোনা ও মাছ পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে মাছ সহজেই রোগাক্রান্ত হবে এবং মাছের মৃত্যুহার বেড়ে যাবে। আবার মাছের বৃদ্ধিও আশানুরূপ হবে না। খাদ্যের গুণগতমান ভালো রাখার জন্য যথাযথ নিয়মে খাদ্য উপকরণ বা তৈরি খাদ্য সংরক্ষণ ও গুদামজাতকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই নিয়ম মেনে খাদ্য সংরক্ষণ ও গুদামজাতকরণের দিকে নজর দিতে হবে।

মাছের খাদ্যে আর্দ্রতার পরিমাণ ১০% এর বেশি থাকলে ছত্রাক বা পোকা-মাকড় জন্মাতে পারে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৫% এর বেশি থাকলে খাদ্যে ছত্রাক বা পোকামাকড় জন্মাতে পারে। অতিরিক্ত তাপমাত্রায় খাদ্যের পুষ্টিমান নষ্ট হয়। পোকামাকড়সমূহ ২৬-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে। সেই সঙ্গে এরা খাদ্য খেয়ে ফেলে ও তাদের মলমূত্র দ্বারা ব্যাকটোরিয়া ছড়াতে পারে।

সূর্যালোকে খোলা অবস্থায় খাদ্য রাখলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে কিছু কিছু ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়। খোলা অবস্থায় খাদ্য রাখলে বাতাসের অক্সিজেন খাদ্যের রেন্সিডিটি (চর্বির জারণ ক্রিয়া) ঘটাতে পারে যা খাদ্যের গুণগতমানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে । অক্সিজেন ছত্রাক ও পোকা-মাকড় জন্মাতেও সহায়তা করে।

জেনে নিন খাদ্য সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম,-

শুকনো খাদ্য ও খাদ্য উপাদান, খাদ্য বায়ুরোধী পলিথিনের বা চটের অথবা কোনো মুখ বন্ধ পাত্রে ঠান্ডা ও শুষ্ক জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে। মাঝে মাঝে এই খাদ্য পুনরায় রোদে শুকিয়ে নিলে ভালো হয়।

খাদ্য পরিষ্কার, শুকনো, নিরাপদ এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ঘরে রাখতে হবে। গুদাম ঘরে সংরক্ষিত খাদ্য মেঝেতে না রেখে ১২ থেকে ১৫ সে.মি. উপরে কাঠের পাটাতনে রাখতে হবে। পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের জন্য খাদ্যের বস্তার নিচে এবং আশপাশে ছাই ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। খাদ্য তিন মাসের বেশি গুদামে রাখা যাবে না। এর মধ্যেই এটি ব্যবহার করে ফেলা উচিত। ইঁদুর বা অন্যান্য প্রাণীর উপদ্রবমুক্ত স্থানে খাদ্য সংরক্ষণ করতে হবে। খাদ্য কীটনাশক ও অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থের সাথে রাখা যাবে না।

খাদ্য তৈরির জন্য তাজা ছোট মাছ হলে তাৎক্ষণিক খাওয়াতে হবে, অন্যথায় রেফ্রিজারেটরে রেখে দিতে হবে। তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাদ্য কালো রঙের বা অস্বচ্ছ পাত্রে নিম্ন তাপমাত্রায় রেখে দিতে হবে। ভিটামিন ও খনিজ লবণসমূহ বাতাস এবং আলোকবিহীন পাত্রে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিতে হবে। এসব নিয়ম মেনে মাছের খাদ্য সংরক্ষণ করলে খাবার ভালো থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

কৃষিপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে সারা বছরই আম পাওয়া সম্ভব

দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজার দখল করবে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশ শুধু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে না, আমরা সারা বিশ্বে খাদ্য সরবরাহ করতে পারবো।
কৃষিপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই দেশে সারা বছর আম পাওয়া সম্ভব হবে।

রোববার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশের ৫০ বছর: কৃষির রূপান্তর ও অর্জন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দৈনিক বনিক বার্তা ও বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার জার্নালিস্ট ফোরাম যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অনেকটাই খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। সারা পৃথিবীই তা বলছে। এই যে করোনা পরিস্থিতিতেও কেউ না খেয়ে নেই, খাদ্যের সংকট নেই, হাহাকার নেই। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে আমরা পুষ্টিজাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিতে চাই। সেজন্য বাংলাদেশকে আমরা আধুনিক কৃষিতে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশ দানাজাতীয় খাদ্যে অনেক আগেই সফল হয়েছে। সেটাকে যদি আমরা পুষ্টিজাতীয় খাবারে নিয়ে যেতে পারি অর্থাৎ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ইত্যাদিতেও স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সফল হতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা অনেক বেশি ভাত খাই। ভাতের এই কনজাম্পশন (খাওয়া) কমাতে পারি তাহলে আমাদের চালের ব্যবহার অনেক কমে যাবে। আমরা ৪০০ গ্রাম চাল খাই প্রতিদিন, পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষ ২০০ গ্রামের বেশি চাল খায় না। সেজন্য কৃষিপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পুষ্টিজাতীয় শস্য উৎপাদনে আরও উন্নতি করতে হবে।

ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশের মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং এখানে বিশুদ্ধ পানি খুব সহজলভ্য। ২০ থেকে ৩০ ফুট নিচেই বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়, যা অন্য কোনো দেশে পাওয়া যায় না। মাটির উর্বরতা ও পানির সহজলভ্যতার সঠিক ব্যবহারে দেশ কৃষি এগিয়ে যাবে।

দেশে কৃষি এখন সামাজিক মর্যাদা পেয়েছে। শিক্ষিত ছেলে মেয়ে এখন কৃষিকাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এক সময় কৃষিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হতো। চাষা শব্দটা গালি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু এখন শিক্ষিত ছেলে- মেয়েরাও কৃষিতে আসছে। তাদের নিয়ে দেশের কৃষিকে আরও বেশি সমৃদ্ধ করবো।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে ধান গবেষণা ইনস্টিটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের কৃষিতে বিশাল রূপান্তর হয়েছে। ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় তিন থেকে চারগুণ। আজ আমরা বাণিজ্যিক কৃষির কথা ভাবছি।

তিনি আরও বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল এলাকায় নদীর পানি ব্যবহারের মাধ্যমে ধানের আবাদ বাড়ানো সম্ভব। ধানের এই চাষাবাদ বাড়িয়ে ক্রমবর্ধমান খাদ্যচাহিদা পূরণ করেও ২০৫০ সালে ৪৮ লাখ টন উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদন করা সম্ভব।

কৃষিতে বেসরকারি খাতের অবদান অনেক উল্লেখ করে এসিআইএ অ্যাগ্রিকালচারের প্রধান নির্বাহী এফ এইচ আনসারী বলেন, বেসরকারি খাত কৃষির উন্নয়নে সরকারকে সহযোগিতা করছে। এখন ৯৫ ভাগ হাইব্রিড ধানের বীজ, ৯৬ ভাগ সবজি বীজ, ৯৯ ভাগ পাটবীজ প্রাইভেট সেক্টর সরবরাহ করে। বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে সারা বিশ্বে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এফএ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রবার্ট ডি সিম্পসন, ইউএসএআইডির মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন ডেভিস প্রমুখ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে

সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ রপ্তানি থেকে আয় করেছে ৪১৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ২০২০ সালের একই সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৩০১ কোটি ৮০ লাখ ডলার

চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের পর আগস্ট ও সেপ্টেম্বরেও রপ্তানি আয় বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য খুলতে শুরু করেছে। ফলে বাতিল ও স্থগিত হওয়া রপ্তানি আদেশ ফিরতে শুরু করায় রপ্তানি আয় বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ রপ্তানি থেকে আয় করেছে ৪১৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ২০২০ সালের একই সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৩০১ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেপ্টেম্বরে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৮%।নতুন অর্থবছরের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রথম তিন মাসে রপ্তানি আয় হয়েছে এক হাজার ১০২ কোটি ২০ লাখ ডলার। আগের বছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৯৮৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। চলতি অর্থ বছরের প্রথম তিন মাসে (ফার্স্ট কোয়ার্টার) রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১.৩৭%। একক মাস হিসাবে আগস্টে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ২৯৬ কোটি ৭১ লাখ ডলার, যা গত বছরের আগস্ট মাসের চেয়ে ৪.৩২% বেশি।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক ড. জায়েদ বখত বলেন, “একদিকে পুরনো অর্ডার ফিরে এসেছে, অন্যদিকে মহামারি করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়েই কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এর ফলে রপ্তানি আয় বেড়েছে।”

উল্লেখ্য, দেশে রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫% আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। করোনাভাইরাসের কারণে গত মার্চ থেকে এ খাতের রপ্তানি কমতে শুরু করে, এপ্রিলে পোশাক রপ্তানিতে ধস নামে। মে মাসেও তা অব্যাহত থাকে। তবে জুন থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। এর ধারাবাহিকতা জুলাই ও আগস্ট এমনকি সেপ্টেম্বরেও অব্যাহত রয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

কুমিল্লার চান্দিনায় অবৈধ ড্রেজার মেশিন ধ্বংস

লেখক

জেলার চান্দিনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত দু’টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বেলা ১১টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চান্দিনা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আশরাফুন নাহার উপজেলার জামিরাপারা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ড্রেজার মেশিন দুটি ধ্বংস করা হয়। অভিযানের খবরে ড্রেজার মালিকরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।


এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুন নাহার বাসসকে জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ব্যাপারে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যারাই পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করবে, তাদের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com