আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বিশ্ব

ভেঙে পড়া বিদ্যুতের খুঁটি না সরানোয় চাষাবাদ ব্যাহত

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বন্যার পানির তোড়ে পল্লী বিদ্যুতের নবনির্মিত লাইনের অন্তত ১৫টি খুঁটি রাস্তার পাশে আবাদি জমির ওপর পড়ে যায়। প্রায় সাড়ে তিন মাস পরও খুঁটিগুলো না সরানোয় আবাদ করা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

মির্জাপুর পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় সূত্র মতে, প্রায় এক বছর আগে ঢাকার ধামরাই থেকে মির্জাপুরে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ৩৩ হাজার ভোল্টের সঞ্চালনলাইন স্থাপনের কাজ শুরু হয়। এ জন্য মির্জাপুর-ওয়ার্শী-বালিয়া সড়কসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন এলাকায় খুঁটি স্থাপন ও তার টাঙানোর কাজ করেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। এরই মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কারণে গত আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহের দিকে সড়কটির রোয়াইল এলাকায় প্রথমে রাস্তার ওপর বিদ্যুতের একটি খুঁটি পড়ে যায়। এতে ওই রাস্তায় জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এরপর পর্যায়ক্রমে রাস্তার পাশে ও এর পাশে থাকা জমিতে ওই এলাকার অন্তত ১৫টি খুঁটি একেবারেই পড়ে যায়। আর হেলে পড়ে আরও কয়েকটি খুঁটি।বিজ্ঞাপন

গত শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তাটির পূর্ব পাশে খুঁটিগুলো পড়ে আছে, যার অধিকাংশই আবাদি জমির ওপর রয়েছে। জমিগুলো থেকে এরই মধ্যে পানি নেমে গেছে। আগে স্থানীয় ব্যক্তিরা ওই জমিতে চলতি মৌসুমের সময় শর্ষেসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ করতেন। কিন্তু যেসব জমিতে খুঁটি পড়ে আছে, সেখানে কৃষকেরা আবাদের জন্য জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না।

রুয়াইল গ্রামের হারান মিয়া বলেন, ‘খাম্বিগুলা (খুঁটি) কত দিন ধইর্যা পইরা রইছে কোনো লোক অ্যায়া দ্যাহে না। জমিগুনা বুনার সময় শ্যাষ অয়্যা যাইতাছে, তা–ও খাম্বি সরাইত্যাছে না।’

মুঠোফোনে টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুতের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহীনুর রহমান বলেন, খুঁটিগুলো প্রতিস্থাপন করার জন্য ঠিকাদারকে চাপ দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই কাজটি শেষ হবে।

এগ্রোটেক

কৃষিযন্ত্রের বাজার বাড়ছে

কৃষিযন্ত্রের বাজার বাড়ছে

একসময় ভারী কৃষিযন্ত্র বলতে শুধু ট্রাক্টরকেই চিনত দেশের কৃষক। সেটাও খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। কিন্তু এখন কৃষিতে ডজনখানেক বড় যন্ত্রের ব্যবহার করছেন কৃষকরা। চাষাবাদ থেকে শুরু করে ঘরে তোলা পর্যন্ত সবখানেই যন্ত্র তাদের সাহায্য করছে। এসব ক্ষেত্রে ৮০-৯৫ শতাংশ পর্যন্ত যান্ত্রিকীকরণ হয়েছে দেশের কৃষিখাত।

কৃষিখাত যান্ত্রিকীকরণ হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই বেড়েছে কৃষিযন্ত্রের বাজারও। সরকার সংশ্লিষ্ট কৃষিযন্ত্রের আমদানিকারক ও স্থানীয় প্রস্তুতকারকদের হিসাবে বর্তমানে এ বাজার ১০-১২ হাজার কোটি টাকার। যার মধ্যে স্থানীয় প্রস্তুতকারীরা প্রায় পাঁচশ কোটি টাকার যন্ত্রপাতির জোগান দিচ্ছেন। বাকিটা আমদানিনির্ভর। সরকারি হিসাবে এ বাজার ১০ শতাংশ হারে বাড়ছে।

দেশের বড় কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান কৃষিযন্ত্র তৈরির পাশাপাশি আমদানিও করছে। দেশে জাপানি ও চীনা কৃষিযন্ত্র বাজারজাত করছে চার-পাঁচটি কোম্পানি। পাশাপাশি দেশে কৃষিযন্ত্র তৈরির কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে কয়েকটি বিদেশি কোম্পানিও। এর মধ্যে জাপানের ইয়ানমার ও ভারতের মাহিন্দ্র অ্যান্ড মাহিন্দ্র লিমিটেড শিগগিরই কারখানার কাজ শুরু করবে বলে জানা গেছে।

দেশে কৃষিযন্ত্র প্রস্তুতকারীদের সংগঠন এগ্রিকালচার মেশিনারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির তথ্যমতে, বেসরকারি পর্যায়ে ছোট বড় মিলে দেশে প্রায় ৭০ প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিকভাবে কৃষিযন্ত্র তৈরি ও সংযোজনের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে মাঝারি ও বড় কারখানা ১০-১২টি।

সংগঠনের সভাপতি আলীমুল এহছান চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ‘সরকারের ভর্তুকি ও কৃষকের হাতে টাকা থাকায় এ বাজার বড় হচ্ছে। ইতিমধ্যে কৃষি উদ্যোক্তা অথবা কৃষক সমিতি হারভেস্টর কেনার ক্ষেত্রে অর্ধেক ভর্তুকি ঘোষণা করেছে সরকার। হাওরে এটা ৭০ শতাংশ। অন্যান্য এলাকায়ও ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। ফলে বাজার আরও বাড়ছে।

জানা গেছে, ঘোষিত ভর্তুকির আওতায় একটি কম্বাইন্ড হারভেস্টর ২৮ লাখ টাকা দিয়ে কিনলে সরকার দেবে ১৪ লাখ টাকা। হাওরে ৭০ শতাংশ হারে কৃষকরা ভর্তুকি হিসেবে পাবেন ১৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

আলীমুল এহছান চৌধুরী আরও বলেন, ‘কৃষি ভর্তুকি বড় যন্ত্রের ক্ষেত্রে। যেসব যন্ত্র দেশে উৎপাদন হচ্ছে এমন বড় যন্ত্রে ভর্তুকি না দেয়া ভালো। কারণ তাতে দেশি শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের এক তথ্যে দেখা গেছে, কৃষিযন্ত্রের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে ফসল লাগানোর আগে জমি তৈরির ক্ষেত্রে। এ ক্ষেত্রে পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টর ব্যবহার হচ্ছে ৯০-৯৫ শতাংশ জমিতে। শস্য রোপণে যন্ত্রের ব্যবহার এখনও কম। কারণ এ যন্ত্রটি দামি ও ভারী। ফলে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় আনা-নেয়া বড় সমস্যা। এছাড়া ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ বা প্রচুর ওয়ার্কশপ না থাকা, দক্ষ চালক না পাওয়া এ যন্ত্রের প্রসারে বড় সমস্যা।

এছাড়া সব ধরনের ফসল চাষে জমি প্রস্তুত, বীজ লাগানো বা রোপণ, পাকা ফসল মাড়াই-ঝাড়াইয়ের নানা ধাপে কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার হচ্ছে। পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টরের বাইরে ভারী যন্ত্র বলতে মাড়াইয়ের কাজে বিভিন্ন ধরনের থ্রেশারের ব্যবহার বাড়ছে।

তথ্য বলছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সারাদেশে ৮৮৩টি থ্রেশার বিক্রি হয়েছিল, যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এক হাজার ৪৫টিতে ঠেকেছে। ধান কাটার যন্ত্র রিপার ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিক্রি হয়েছিল ৩৪৮টি, যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এক হাজার ৭৬৯টিতে দাঁড়িয়েছে। ধান কাটা, মাড়াই, ঝাড়া ও বস্তাবন্দির জন্য ব্যবহার হয় কম্বাইন্ড হার্ভেস্টার, যার ব্যবহার মূলত শুরু হয় ২০১৬-১৭ তে। শুরুর বছরে কম্বাইন্ড হার্ভেস্টার বিক্রি হয়েছিল ৭৮টি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সারাদেশে কম্বাইন্ড হার্ভেস্টার বিক্রি হয় ৭৬৯টি। গত অর্থবছরের শেষে করোনার প্রভাবে এটির বিক্রি অনেক বেড়েছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য না পাওয়া গেলেও শেষ বছরের প্রায় দেড়গুণ হবে বলে জানান বিক্রেতারা।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইউ) কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের এক গবেষণা বলছে, চাষ, সেচ, নিড়ানি, কীটনাশক প্রয়োগে ৮০-৯৫ শতাংশ যান্ত্রিকীকরণ হয়েছে। যদিও ফসল রোপণ, সার দেয়া, কাটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও শুকানোর ক্ষেত্রে যন্ত্রের ব্যবহার এক শতাংশের কম।

এদিকে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত কৃষি যন্ত্রপাতি মাঠ পর্যায়ে প্রচুর জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মো. মঞ্জুরুল আলমের এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলোর পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে ছোট-বড় প্রায় ৮০০ কারখানা এখন বারি ও ব্রির মডেলে কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরি করছে। এছাড়া ৭০টি ফাউন্ডারি, প্রায় দেড় হাজার যন্ত্রাংশ তৈরি কারখানা ও প্রায় ২০ হাজার মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কারখানা এ কাজে জড়িত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

ভারতের পেঁয়াজ আসছে শনিবার

লেখক

ভারত সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও পেঁয়াজ আমদানি শুরু হচ্ছে। শনিবার থেকে দেশে পেঁয়াজ ঢুকবে বলে বন্দরের আমদানিকারকরা জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে তারা কয়েকটি ব্যাংকে ৫-৬ হাজার টনের এলসি করেছেন। 

এদিকে ভারতের পেঁয়াজ বাজারে আসার খবরে কেজিতে অন্তত ৭-৮ টাকা কমে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা জানান, গেল বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে। এর ফলে বাংলাদেশে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিসর, তুরস্ক ও চীন থেকে বিপুল পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করেন। এ অবস্থায় বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করে। তখন প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৫০-৬০ টাকার মধ্যে।

বাংলাহিলি বাজারের খুচরা বিক্রেতা মঈনুল ইসলাম, শাকিল হোসেন জানান, তারা শুনেছেন ভারত থেকে আজ শনিবার দেশে পেঁয়াজ আসছে। এই খবর বাজারে পৌঁছলে প্রতি কেজিতে ৭-৮ টাকা করে কমে গেছে। গতকাল শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ৩০-৩২ টাকায়। গত বুধবার এই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৬-৪০ টাকায়।

হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল ভারত সরকার তা গত ২৮ ডিসেম্বর তুলে নিয়েছে। ফলে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা ভারত থেকে নতুন করে ৫-৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নিতে উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রে আবেদন করেছেন। আজ-কালের মধ্যে তাদের অনুমোদন দেওয়া হতে পারে।

এদিকে হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ জানান, ভারতের পেঁয়াজ বাজারে এলে ২০-২৫ টাকার মধ্যে পাইকারি বিক্রি হবে। তবে চাহিদার ওপর নির্ভর করে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

ফের ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু

লেখক

প্রায় ৪ মাস ধরে বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হয়েছে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি। শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভারত থেকে পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক দেশে আসার মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়। এর ফলে বন্দরে কর্মচাঞ্চল্যতা ফিরে এসেছে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ জানান, শনিবার দেশে ভারতীয় পেঁয়াজের প্রথম চালান এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারত সরকার কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ রেখেছিল। তারা পেঁয়াজের উপর থেকে গত ২৮ ডিসেম্বর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। শনিবার পর্যন্ত আমরা প্রায় ৬ হাজার টনের মত এলসি করেছি। আশা করছি, আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ দেশের বাজারে চলে আসলে ২২-২৫ টাকায় বিক্রি হবে। এতে করে ক্রেতারা কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।

এদিকে হিলি স্থলবন্দরের আড়তদাররা জানান, শনিবার ভারত থেকে পেঁয়াজ আসায় দেশি পেঁয়াজ মানভেদে ৩০-৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুইদিন আগেও যেখানে ৩৬-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। আমদানি খবরে কেজিতে ৬-৮ টাকা করে কমে গেছে দেশি পেঁয়াজের দাম। আরও দাম কমে আসবে।

প্রসঙ্গত, গেল বছরের ১৪ সেপ্টেবম্বর কোনা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভারত সরকার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক ও চীন থেকে বিপুল পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করেন। এরপরও পেঁয়াজের দাম ছিল তুলনামূলক বেশি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

নিজের উৎপাদিত সবজি আমিরাতে রপ্তানি করছেন ধোনি

লেখক

সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে তার ক্ষেতে উৎপাদিত সবজি রপ্তানি করছেন। রানচিতে তার ৪৩ একরের একটি ফার্ম হাউজ আছে। সেখানেই উৎপাদিত হয়েছে এই সবজি। যা ঝাড়খান্ড কৃষি বিভাগের মাধ্যমে যাচ্ছে আরব আমিরাতে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, সবজি রপ্তানির এই প্রক্রিয়া প্রায় শেষ ধাপে। ‘অল সিজন ফার্ম ফ্রেশ’ রপ্তানি কারক প্রতিষ্ঠান ধোনির থেকে কিনে সরাসরি মরুর দেশটিতে রপ্তানি করবে এই সবজি।

ধোনির ক্ষেতে উৎপাদিত সবজির মধ্যে রপ্তানি করা হচ্ছে-স্ট্রবেরি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, মটরশুটি এবং পেঁপে। ধোনির ৪৩ একরের মধ্যে ১০ একর জমিতে চাষ হয়েছে এই জাতের সবজি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইপিএল খেলতে যাওয়ার আগে করোনার লকডাউনের মধ্যে কৃষিতে বেশ মনোযোগী হয়ে ওঠেন ভারতকে বিশ্বকাপ (৫০ ওভারের), টি-২০ বিশ্বকাপ এবং আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতানো অধিনায়ক ধোনি। ওই সময় ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করার একটি ছবিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন তিনি।

সে সময় তিনি জানান যে, অল্পদিনে পেঁপে চাষের পর ২০ দিনের মধ্যে খাওয়ার উপযোগী হয় এমন তরমুজ চাষ সম্পর্কে ধারণা নিয়েছেন তিনি। করোনার মধ্যে তার ফার্ম হাউজের ম্যানেজার ও বাল্যবন্ধু মিহির দিবাকর সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছিলেন, তাদের টিমে থাকা কয়েকজন শস্য বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানী বিশেষ ধরনের সার নিয়ে গবেষণা করছেন। নতুন ওই সার বাজারে আসতে তিন মাসের মতো লাগবে।

ধোনি এর আগে তার কৃষি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে কালো মুরগি চাষ শুরু করেন। যার মাংস খুব সুস্বাদু, দামি এবং শরীরের জন্য উপকারী। ধোনির দেখা দেখি অনেকে ওই মুরগি চাষে আগ্রহী হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়। এবার ধোনির সবজি রপ্তানি নতুন ব্র্যান্ড হিসেবে দাঁড়াবে এবং অন্যদের চাষে উদ্বুদ্ধ করবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক আরোপ হচ্ছে

লেখক

কৃষকের কথা বিবেচনা করে চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক বসাতে চায় কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির জন্য খোলা ঋণপত্রের আওতায় আনা পেঁয়াজ শুল্কের আওতার বাইরে রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

রোববার বিকেলে কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকে শুল্ক আরোপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনআরবি) কাছে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। একটি সূত্র জানায়, আগের মতো ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

পেঁয়াজের নতুন মৌসুম শুরু হলে ভারত এতদিন ধরে চলতে থাকা রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা গত সপ্তাহে তুলে নেয়। গত দু’দিন ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসাও শুরু হয়। আমদানির প্রভাব দেশের বাজারেও পড়তে শুরু করে। মোকামগুলোতে প্রতি কেজি নতুন পেঁয়াজের দাম ১২ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমে ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়। অন্যদিকে ২১ থেকে ২৪ টাকা কেজি দরে ভারত থেকে আসছে পেঁয়াজ। হিলি স্থলবন্দরে  রোববার পাইকারি দর ছিল ২৭ থেকে ৩০ টাকা। অন্যদিকে রাজধানীর বাজারে খুচরায় প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও আমদানি পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির কারণে দ্রুত দাম কমে যাওয়ায় প্রেক্ষাপটে মৌসুমের এ সময় কৃষকের ন্যায্য দর পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার বিষয়টি সামনে চলে আসে। এমন পরিস্থিতিতে রোববার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি শুল্ক আরোপের ইঙ্গিত দেন। পরে বিকেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠকে বসেন সংশ্নিষ্টরা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান সমকালকে বলেন, বৈঠকে পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক আরোপের বিষয়ে সিদ্ধান্তের পর এনবিআরকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। শুল্কের হার আগে যেটা ছিল সেটা বিবেচনা করতে পারে এনবিআর।

তিনি আরও জানান, প্রস্তাবে প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকে শুল্ক কার্যকরের কথা বলা হয়েছে। তবে যেসব ব্যবসায়ী আগে এলসি খুলেছেন তারা শুল্ক থেকে অব্যাহতি পাবেন। এ ছাড়া বৈঠকে পেঁয়াজ উৎপাদনের বিষয়াদি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।

আন্তঃমন্ত্রণালয় এ বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত নিজেদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে কখনও পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে, কখনও খুলে দেয়। এখন তারা খুলে দিয়েছে। আমরা আমাদের কৃষকের স্বার্থটা আগে দেখব। পাশাপাশি ভোক্তাদেরও দেখব। আমাদের আশা, আগামী তিন বছরের মধ্যে পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো।

টিপু মুনশি আরও বলেন, সবার আগে কৃষকের ক্ষতির বিষয়টি ভাবতে হবে। তারা যেন মার না খান, তা ভেবে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাদের সহায়তা না দিলে আমাদের খারাপ অবস্থা হবে। এখন বিকল্প দেশ থেকে আমদানি করা মজুদের পাশাপাশি পর্যাপ্ত দেশি পেঁয়াজ রয়েছে। টিসিবির আমদানি করা দেড় লাখ টন পেঁয়াজও বাজারে আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের সংকটের কারণে আমদানি হবে এমনটা নয়, নিয়মিত আমদানি হয়। আমাদের দেশে এ মুহূর্তে যে পরিমাণ পেঁয়াজ ভারত বাদে অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি হচ্ছে, পাশাপাশি মুরি কাটা পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে তাতে কোনো সমস্যা নেই। আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকবে। সে পর্যন্ত কোনো সমস্যা হবে না। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। প্রয়োজনে আমদানি করা হবে।

মৌসুমের সময় আমদানি করলে কৃষক দাম পাবেন না উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এক কেজি পেঁয়াজ উৎপাদনে কৃষকের খরচ পড়ে ১৮ টাকা। তা যদি ২৫ টাকা দরে বিক্রি না হয় তাহলে তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলবেন। তিনি আরও বলেন, দেশে সাধারণত ঘাটতি থাকে আট থেকে নয় লাখ টন। গত বছর উৎপাদন এক লাখ টন বেড়েছে। এ বছর তিন লাখ টন বাড়বে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com