আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

১ মণ ভুট্টার দাম ৬০০ টাকা, চাষে আগ্রহ বেড়েছে

 ১ মণ ভুট্টার দাম ৬০০ টাকা, চাষে আগ্রহ বেড়েছে
১ মণ ভুট্টার দাম ৬০০ টাকা, চাষে আগ্রহ বেড়েছে

নওগাঁয় প্রতিবছর বাড়ছে ভুট্টার আবাদ। গত পাঁচ বছরে জেলায় প্রায় ৩ হাজার ৮৪৫ হেক্টর জমিতে বেড়েছে ভুট্টার আবাদ। ধান, গম ও অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ ও পরিশ্রম কম এবং দাম ভালো পাওয়ায় চাষিরা ভুট্টা আবাদে ঝুঁকেছেন। এ ছাড়া সরকারি প্রণোদনা ও সহযোগিতা দেওয়ায় প্রতিবছরই বাড়ছে ভুট্টার আবাদ। আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো ফলন পাবেন এমনটাই আশা করছেন চাষিরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর জেলায় প্রায় ৭ হাজার ১৪৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টার আবাদ হয়েছে। এ বছর ২৮৫ হেক্টর জমিতে বেশি পরিমাণ আবাদ করা হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ২৫৫ হেক্টর, রানীনগরে ৪২০ হেক্টর, আত্রাইয়ে ৫ হাজার ১৫০ হেক্টর, বদলগাছীতে ৮০ হেক্টর, মহাদেবপুরে ১২০ হেক্টর, পত্নীতলায় ৩৫ হেক্টর, ধামইরহাটে ৩৯০ হেক্টর, সাপাহারে ২০ হেক্টর, পোরশায় ১৫ হেক্টর, মান্দায় ৬১৫ হেক্টর, নিয়ামতপুরে ৪৫ হেক্টর। এ ছাড়া প্রদর্শনী রয়েছে ৩০০টি। উন্নতমানের সুপার সাইন, মিরাক্কেল, ডন, ১১১ জাতের ভুট্টা আবাদ করা হয়েছে।

গতবছর ৬ হাজার ৮৬০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছিল। এ ছাড়া ২০১৮ সালে ৬ হাজার ২২০ হেক্টর, ২০১৭ সালে ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর এবং ২০১৬ সালে ৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছিল। ২০১৬-২০২০ সাল পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৩ হাজার ৮৪৫ হেক্টর জমিতে বেড়েছে ভুট্টার আবাদ।

১ মণ ভুট্টার দাম ৬০০ টাকা, চাষে আগ্রহ বেড়েছে
১ মণ ভুট্টার দাম ৬০০ টাকা, চাষে আগ্রহ বেড়েছে

জেলার বিভিন্ন মাঠে মাঠে লকলকে সবুজ পাতায় স্বপ্ন বুনছেন ভুট্টা চাষিরা। ইতোমধ্যে কোথাও কোথাও গাছে ফুল আসা শুরু করেছে। আবার কোথাও তরতাজা হয়ে গাছ বেরিয়ে আসছে। কোথাও মাঝারি ও বড় গাছ। আর এমন দৃশ্য উপজেলার মাঠজুড়ে। কম সময়ে ও ভূগর্ভস্তরের পানি কম ব্যবহার করতে রবিশস্য আবাদের জন্য কৃষকরা ভুট্টা চাষ করছেন। ভুট্টা চাষে প্রতি বিঘায় হাল, বীজ, সার, ওষুধ ও শ্রমিক দিয়ে প্রায় ৬-৭ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। এ ছাড়া আলুর জমিতে ভুট্টার আবাদ করলে খরচ একটু কম হয়। ভুট্টার পর ওই জমিতে পাটের আবাদও হয়ে থাকে।

প্রতি বিঘায় ভালো মানের ভুট্টা হলে ফলন আসে ৩৫-৪০ মণ। এ ছাড়া কমপক্ষে ২০-২৫ মণের মতো ফলন হয়ে থাকে। যেখানে নতুন ভুট্টা বাজারে দাম পাওয়া যায় ৫০০-৬০০ টাকা মণ। ভুট্টার আবাদে রোগবালাই তেমন নেই। গতবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভুট্টা চাষিরা কিছুটা ক্ষতিতে পড়েছিলেন। এবার সে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বাড়তি আবাদ করেছেন। কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কৃষকরা ভালো ফলন পাবেন বলে আশাবাদী।

অপরদিকে বোরো আবাদ কিছুটা কমিয়ে দিয়ে ওইসব জমিতে ভুট্টা চাষ করা হচ্ছে। ধান লাগানো থেকে শুরু করে সার, ওষুধ, কাটা, মাড়াই পর্যন্ত ঘরে তুলতে উৎপাদন খরচ বড়েছে। এ ছাড়া বাজারে ধানের দাম তুলনামূলক কম। আবার পোকার আক্রমণ হলে নিয়ন্ত্রণ করা অনেকটা কষ্টকর হয়ে ওঠে কৃষকদের পক্ষে। যার কারণে কৃষকরা বিকল্প হিসেবে ভুট্টার আবাদের দিকে আগ্রহী হয়েছেন।

১ মণ ভুট্টার দাম ৬০০ টাকা, চাষে আগ্রহ বেড়েছে
১ মণ ভুট্টার দাম ৬০০ টাকা, চাষে আগ্রহ বেড়েছে

আত্রাই উপজেলার বিপ্রবোয়ালিয়া গ্রামের কৃষক রেজাউল করিম জানান, তিনি এ বছর ৩ বিঘা জমিতে ভুট্টার আবাদ করেছেন। উপজেলার অধিকাংশ জমিতে মূলত দুটি ফসল হয়ে থাকে। ভুট্টার পর সে জমিতে পাটের আবাদ করা হয়। ধানের দাম কম পাওয়ায় বিকল্প হিসেবে ভুট্টার আবাদ করা হচ্ছে। গতবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভুট্টার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

রানীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের সোনাতন প্রামাণিক জানান, দেড় বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন তিনি। অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষে খরচ ও পরিশ্রম কম। দামও ভালো পাওয়া যায়। একটু দেরীতে বিক্রি করলে মণে ৯০০ থেকে হাজার টাকা দাম পাওয়া যায়। এ ছাড়া কৃষি অফিস থেকে সার্বিক পরামর্শ দিয়ে থাকে।

১ মণ ভুট্টার দাম ৬০০ টাকা, চাষে আগ্রহ বেড়েছে
১ মণ ভুট্টার দাম ৬০০ টাকা, চাষে আগ্রহ বেড়েছে

আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম কাওছার হোসেন বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৪০ হেক্টর। সেখানে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে ৫ হাজার ১৫০ হেক্টর। যেখানে আদর্শ প্রকল্পের আওতায় প্রদর্শনী রয়েছে ৫০টি। এ ছাড়া ১ হাজার ৫০ জন কৃষককে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। কৃষকরা কিছু সময় দেরী করে বিক্রি করলে দামও ভালো পাবেন।’

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমাতে কৃষকদের রবিশস্যসহ কম পানি দিয়ে কম সময়ে ফসল চাষের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। কৃষকদের ভুট্টা চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এ ছাড়া কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

এগ্রোবিজ

টিসিবির পণ্যে নতুন চমক

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দাম ভোক্তাদের নাগালে রাখতে সাশ্রয়ী মূল্যে সারাদেশে চারটি পণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এগুলোর মধ্যে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে পেঁয়াজ। ডেইলি বাংলাদেশ

টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, টিসিবির আমদানি করা তুরস্কের পেঁয়াজের চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। ট্রাকসেলে পেঁয়াজের বরাদ্দ বাড়ানো হবে। গাড়ি প্রতি ৭০০ কেজি করে পেঁয়াজ বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে চাহিদা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

সারাদেশে ৪৫০ জন ডিলারের ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে টিসিবির এ বিক্রি কার্যক্রম চলছে। সংস্থাটি জানায়, ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে চিনির পাশাপাশি মসুর ডাল, সয়াবিন তেল ও পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। এ কার্যক্রম ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

টিসিবির ট্রাক থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাওয়া যাবে ৩০ টাকা দরে, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চার কেজি কিনতে পারবেন। এছাড়া সয়াবিন তেল ১০০ টাকা লিটারে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার নিতে পারবেন।

এছাড়া চিনি পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চার কেজি কিনতে পারবেন। আর প্রতি কেজি মসুর ডাল পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি কিনতে পারবেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। এতে ভোক্তা সাধারণের নাভিশ্বাস। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কথা চিন্তা করে টিসিবি ৩০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। টিসিবি জানিয়েছে, তুরস্কের পেঁয়াজের সঙ্গে সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও চিনি বিক্রি চলমান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

হিলিতে কমেছে কাঁচা মরিচের দাম

লেখক

আমদানিকারকরা বলছেন, ভারতের কাঁচা মরিচ বাংলাদেশে প্রবেশ করায় খুব শিগগিরই স্থিতিশীল হবে উঠবে মরিচের বাজার।

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ট্রাকে ট্রাকে প্রবেশ করছে কাঁচা মরিচবাহী ভারতীয় ট্রাক। আমদানিকারকরা জানান, দেশেরে বাজারে চলতি মৌসুমে বন্যার কারণে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশে উৎপাদিত কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমে যায়। এ কারণে দেশীয় বাজারে কাঁচা মরিচের দামও বেড়ে যায়। আর দেশের বাজারে ভারতীয় কাঁচা মরিচের চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরাও ভারত থেকে আমদানি শুরু করেছেন। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, মরিচগুলো ভারতের মধুপুর থেকে আসছে। সময় লাগছে ২ থেকে ৩ দিন। আগে গাড়ি আসতো ২-৪টি করে, তবে এখন ৮-১০টি আসসে। কাঁচা মরিচগুলো ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় যাবে। 


ব্যবসায়ীরা আরও জানান, ভারত থেকে মরিচ আমদানি করে সরকারকে প্রতিকেজি মরিচে ২১ টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। ভারতীয় কাঁচা মরিচ বাংলাদেশের বাজারে আসায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মরিচের বাজার স্থিতিশীল হবে বলে মনে করছেন আমদানিকারকেরা।


হিলি স্থলবন্দরেরে আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন বলেছেন, দেশে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে আমাদের ভারতের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়েছে। এতোমধ্যেই আমরা ব্যাপক পরিমাণে আমদানির প্রস্তুতি নিয়েছি। কাঁচা মরিচ আসা শুরু করেছে এবং এর প্রভাবে দাম কমাও শুরু করেছে।

হিলি কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গেল ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয় ভারত থেকে কাচাঁ মরিচের আমদানি। গেল ৮ কর্মদিবসে ভারতীয় ৪১ ট্রাকে ২৯১ মেট্রিক টন মরিচ আমদানি হলেও শুধু মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) একদিনেই ভারত থেকে ১১ ট্রাক কাঁচা মরিচ এসেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কৃষিখাতে লাভজনক বাণিজ্যিকীকরণের চেষ্টা চলছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

লেখক

ঢাকায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ, বিশ্ববাজারে প্রবেশ সহায়তা, আমদানি ব্যয় ও সময় কমাতে সহায়তা প্রদানের জন্য ‘বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রজেক্ট’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের কৃষি খাতে সহায়তায় প্রকল্প গ্রহণের জন্য মার্কিন সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে সরকার এ খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। কৃষিপণ্যের বাণিজ্য পদ্ধতির আইনি ও কাঠামোগত সংস্কার, পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করণের জন্য পরীক্ষা পদ্ধতির উন্নয়ন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত পণ্য সংরক্ষণে অবকাঠামো তৈরি ও উন্নয়নে বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রজেক্ট সহায়ক হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হবে।



উল্লেখ্য, প্রায় ২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারকে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার ট্রেড ফেসিরিটেশন এগ্রিমেন্ট বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এতে করে বাংলাদেশি পণ্যের বিশ্বের বাজারে প্রবেশে সহায়তা প্রদান এবং আমদানি ব্যয় ও সময় হ্রাস করতে সহায়ক হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এ প্রকল্প আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজতর, স্বয়ংক্রিয়করণ, ঝুঁকিভিত্তিক পণ্য ছাড়করণ প্রক্রিয়া শক্তিশালীকরণ, আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া ও পণ্য প্রবেশ সংশ্লিষ্ট নিয়ম-কানুন অবহিতকরণ ও প্রক্রিয়ার উন্নয়ন, পরীক্ষাগারগুলোর পণ্য পরীক্ষার প্রক্রিয়া ও সক্ষমতা উন্নয়ন এবং পচনশীল পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ সহজ করার জন্য কোল্ড-চেইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করবে।ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ইউএসডিএ এগ্রিকালচারাল এটাসি মিজ মেগান ফ্রানসিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কার্ল আর মিলার, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ, এফবিসিসিআই এর পরিচালক আবুল কাশেম খান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মিকায়েল। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আগাম সবজি আসতে শুরু করলেও দামে ঊর্ধ্বগতি

লেখক

ভোররাত থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় উৎপাদিত সব ধরনের টাটকা সবজি নিয়ে আড়তে আসতে থাকেন কৃষকরা। সকাল থেকে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে জমে ওঠে সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে বড় পাইকারি এই সবজির আড়ত। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা পাইকাররা এই আড়ত থেকে সবজি কিনে নিয়ে খুচরা দামে বিক্রি করেন।আড়তে শীতকালীন টাটকা সবজির মধ্যে আলু বিক্রি হচ্ছে ১২-১৫ টাকায়, কাঁচা মরিচ ১৩০ টাকায়, আদা ৫৫-৬০ টাকায়, ফুলকপি ৬০-৭০ টাকায় এবং পাতা কপি ৫০ টাকায়। 


এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার মধ্যে এ আড়ত। আশপাশের এলাকার প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি এখানে আসে। বর্তমানে শীতকালীন টাটকা সবজি মধ্যে সিমের দাম ৭০ টাকা কেজি, লাউ ১৫-২০ টাকা পিস এবং পেঁপে ৮ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু পেঁয়াজের দামটা একটু বেশি। পেঁয়াজের দাম ৫৬-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে শসার দাম একটু কমেছে। তারা আরও বলেন, শীতকালের সবজি আস্তে আস্তে আসছে; তবে দামটা একটু বেশি। পুরো দমে মৌসুম এলে মূল্য কমে আসবে। আড়তে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। সেই সঙ্গে শীতকালীন আগাম সবজি উঠতে শুরু করলেও দাম কিছুটা বেশি বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
উল্লেখ্য, প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বেচাকেনা চলে এই আড়তে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

হিলিতে বাণিজ্য বন্ধ থাকবে ৬ দিন

লেখক

তবে স্বাভাবিক থাকবে বন্দর অভ্যন্তরে লোড-আনলোডসহ সকল কার্যক্রম।

বাংলাহিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জামিল হোসেন চলন্ত জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামীকাল ১১ অক্টোবর সোমবার থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৬ দিন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। ভারতের হিলি এক্সপোটার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ধীরাজ অধিকারী স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি বাংলাহিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপকে জানিয়েছেন। তারা এই ৬ দিন ব্যবসায়ীদের কোনো প্রকার পণ্য এই বন্দরে আমদানি-রপ্তানি করবে না।

হিলি পানামা পোর্ট লিংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন প্রতাপ মল্লিক জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বন্দর অভ্যন্তরে পণ্য লোড-আনলোড কার্যক্রম সহ সবকিছু স্বাভাবিক থাকবে।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি সেকেন্দার আলী বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাসপোর্ট যাত্রী ফেরত আসা কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com