আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনা ভাইরাস: ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
হটস্পট শহরগুলোতে হাসপাতালে রোগী উপছে পড়ছে

ভারতের লকডাউন ছিল নি:সন্দেহে বিশ্বে অন্যতম সবচেয়ে কঠোর লকডাউন। মার্চের শেষ দিকে জারি করা লকডাউন প্রায় সপ্তাহ দুয়েক আগে থেকে ভারত শিথিল করতে শুরু করেছে। এবং দেশটিতে কোভিড-১৯এর প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হবার চার মাস পর এখন আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

ভারতে করোনা সঙ্কট নিয়ে উদ্বেগের জায়গাগুলো কোথায়?

শনাক্তের আকস্মিক সংখ্যাবৃদ্ধিতে ভারতের কি উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত?

অনেকে হয়ত বলবেন ভারতের পরিসংখ্যান খুব খারাপ তো নয়।

ভারতে সংক্রমণের সংখ্যা তিন লাখ বিশ হাজারের বেশি। আক্রান্তের বিশ্ব তালিকায় আমেরিকা, ব্রাজিল ও রাশিয়ার পর চতুর্থ স্থানে আছে ভারত। কিন্তু আমেরিকায় কর্নেল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক কৌশিক বসু বলছেন মাথা পিছু সংক্রমণের হিসাবে ভারতের স্থান তালিকায় অনেক নিচে- ১৪৩ নম্বরে।

এছাড়াও রিপ্রোডাকশান হার- যা ‘R’ নম্বর হিসাবে পরিচিত, যেটা দিয়ে এই ভাইরাসের বিস্তার ছড়ানোর ক্ষমতা নিরূপণ করা হয়- ভারতে সেটাও কমেছে। সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে বেশি এবং শনাক্তের হারও বেড়েছে।

কিন্তু ভারতে সংক্রমণের সংখ্যা একটু খতিয়ে দেখলে দেখবেন ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা খুবই ঊর্ধ্বমুখী। এবং হটস্পট শহরগুলো যেমন মুম্বাই, দিল্লি ও আহমেদাবাদে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার এবং মৃত্যুর হারও বেড়েছে। “সংক্রমণ যদি এই হারে বাড়া অব্যাহত থাকে, তাহলে হাসপাতালগুলোকে রোগী সামলাতে নিউ ইয়র্কের মত হিমশিম খেতে হবে, ” বলছেন ভারতের একজন কোভিড চিকিৎসক।

এই শহরগুলোতে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করাতে না পেরে মৃত্যুর ভয়ঙ্কর সব খবর আসছে। একটি ঘটনায় একজন অপেক্ষমান রোগীর টয়লেটে মারা যাবার খবর এসেছে গণমাধ্যমে। ল্যাবগুলোর ওপর চাপের কারণে পরীক্ষার জন্য হয় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে অথবা ফল পেতে অনেক দেরি হচ্ছে।

ভারতের অর্থনীতি মহামারির আগেই কিছুটা ধুঁকতে শুরু করেছিল। কাজেই আবার একটা কঠোর লকডাউনে যাওয়া ভারতের জন্য কঠিন। তাতে ব্যবসাবাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে, আরও মানুষ কর্মহীন হবে। কাজেই ভারতকে এখন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে পুরো মনোযোগ দিতে হবে।

“সংখ্যা নিয়ে আমি রীতিমত উদ্বিগ্ন,” বলছেন হার্ভাড গ্লোবাল হেলথ ইনস্টিটিউটের পরিচালক আশীষ ঝা।

“সংক্রমণ চূড়ায় উঠে আপনাআপনি কমে যায় বিষয়টা তো এমন নয়। পরিবর্তন আনতে আপনাকে পদক্ষেপ নিতে হবে।”

অন্যভাবে বলতে গেলে, ভারতে ৬০% মানুষ আক্রান্ত হলে দেশের জনসংখ্যায় ‘হার্ড ইমিউনিটি’ আসবে এবং ভাইরাস ঠেকানো যাবে এই মনোভাব নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। বলছেন ড. ঝা: “এর অর্থ হবে লাখ লাখ মানুষকে মরতে হবে, সেট তো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”

ভারতে সংক্রমণের গ্রাফের ঊর্ধ্বমুখী লাইন এখনও নেমে আসেনি, একটা স্থায়ী ও নির্দিষ্ট নিম্নমুখী চিত্র দেখা যায়নি, বলছেন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োস্ট্যাটিসটিক্সের অধ্যাপিকা ভ্রমর মুখার্জি।

“আমার মনে হয় দুশ্চিন্তার কারণ আছে, কিন্তু সেটা নিয়ে ত্রাস তৈরি করা ঠিক হবে না,” তিনি বলছেন।

ভারতে কম মত্যুর হার কি বিভ্রান্তিমূলক?

হ্যাঁ এবং না দুটোই। ভারতে কোভিড শনাক্ত রোগীদের মধ্যে আনুপাতিক মৃত্যুর হার প্রায় ২.৮%।

কিন্তু এই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে। যেমন আছে সংক্রমণের বিভিন্ন পরিসংখ্যান নিয়েও। লন্ডনের স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিনের অঙ্কবিদ অ্যাডাম কুচারস্কি বলছেন, এখানে সমস্যা তৈরি হচ্ছে কারণ অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে না বা আক্রান্ত হওয়া থেকে মারা যাবার মধ্যে যে সময়টা, সেটাকে আমলে নেওয়া হচ্ছে না।

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
ভারত এখনও সরকারিভাবে কম্যুনিটি সংক্রমণের কথা অস্বীকার করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন ‘কেস ফেটালিটি রেট বা সিএফআর’ যেটা হল আক্রান্তের মধ্যে মৃতের হার- সেটার গড় পরিসংখ্যান দেখে মহামারির এই পর্যায়ে, ভারত মনে করতে পারে, পরিস্থিতি তেমন ভয়াবহ নয়। দুশ্চিন্তার কারণ নেই।

“সিএফআর এমন একটা বিষয় যেটা বিভ্রম সৃষ্টি করতে পারে,” বলছেন ড. মুখার্জি। “আমি যদি শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এবং মৃতের সংখা সঠিক বলে বিশ্বাস করি এবং মৃতের সংখ্যাকে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা দিয়ে ভাগ করি- যদি অবশ্য রোগীর সুস্থ হওয়ার তথ্য সঠিক হয়, তাহলে কিন্তু মৃতের শতকরা হিসাব অনেক বেশি হবে।”

মাথা পিছু মৃত্যুর হিসাব নির্ধারণ করাও কিন্তু কঠিন। কারণ ভাইরাস, ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় কোথায় কীভাবে ছড়িয়েছে সে তথ্য তো এখনও জোগাড় করা যায়নি।

সবচেয়ে দুশ্চিন্তার বিষয় হল ভারতে কোভিড-১৯য়ে যে নয় হাজারের বেশি মৃত্যুর হিসাব দেয়া হচ্ছে তার তিন চতুর্থাংশ এসেছে তিনটি রাজ্য থেকে – মহারাষ্ট্র, গুজরাত ও দিল্লি। কোন কোন রাজ্য তথ্য নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে তাদের গাফিলতির কারণে সংখ্যা কম করে দেখিয়েছে। যেমন চেন্নাই শহরে আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা সরকারিভাবে দেয়া সংখ্যার দ্বিগুণ। এর কারণ দুটি আলাদা মৃত্যু নথিভুক্ত করার সনদে গরমিল। এছাড়াও কোভিড-১৯এ মৃত্যুর সংজ্ঞা নিয়েও রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিন্নমত।

অর্থনীতিবিদ পার্থ মুখোপাধ্যায় বলছেন ভারতে মৃত্যুর হিসাব, বয়সের বিবেচনায় বিশ্লেষণ করে নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে ভারতে তরুণরা আনুপাতিক হারে বেশি মারা যাচ্ছে।

মহারাষ্ট্রে দেখা যাচ্ছে ৩০শে এপ্রিলের হিসাব অনুযায়ী মৃতের ৪%এর বয়স ৪০ থেকে ৪৯এর মধ্যে। ইতালিতে এই বয়সীদের মধ্যে মৃত্যুর হার ছিল এর দশভাগের এক ভাগ।

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
ভারতে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় পরীক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে কম

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভারতে মৃতের গড় হার সব কিছুর পরেও কমই থাকবে এবং মৃতদের অধিকাংশই হবে বয়স্করা।

ভারতের জন্য কোন্ বিষয় আমলে নেয়া জরুরি?

আটলান্টিক সাময়িকীর বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক এড ইয়ং বলছেন ভারতের উচিত এই সংক্রমণকে তার ভাষায় “প্যাচওয়ার্ক প্যানডেমিক” হিসাবে দেখা। অর্থাৎ এই মহামারি ভারতের একেক অংশে একেকভাবে প্রভাব ফেলেছে- কোথাও কম, কোথাও বেশি, কিছুটা খাপছাড়া ভাবে, যেটাকে তিনি বলছেন প্যাচওয়ার্ক প্যানডেমিক।

মি. ইয়ং বলছেন এই মহামারি কোথায় কতটা ব্যাপক, তা নির্ভর করছে অনেকগুলো বিষয়ের ওপর, যেমন সামাজিক দূরত্ব রক্ষা, টেস্টিংএর সক্ষমতা, জনসংখ্যার ঘনত্ব, বয়সের কাঠামো, আর্থিক স্বচ্ছলতা, সামাজিক গোষ্ঠীবদ্ধতা এবং ভাগ্য এসবের ওপর।

ভারতে এই ভাইরাস ছড়ায় যখন বিশৃঙ্খলভাবে জারি করা একটা লকডাউনের কারণে হঠাৎ কর্মহীন ও কপর্দকহীন হয়ে পড়া লক্ষ লক্ষ শ্রমজীবী মানুষ শহর ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। তারা কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ ভিড়ে ঠাসা ট্রেনে এবং বাসে করে রওনা দেয় তাদের গ্রামের উদ্দেশ্যে। ওড়িশাতে এখন যত মানুষ করোনা আক্রান্ত তাদের ৮০ শতাংশই এই গ্রামে ফেরা শ্রমজীবী মানুষ।

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
৮০০০এর বেশি মানুষ করোনা সংক্রমণের শিকার হয়ে মারা গেছে

“আমার মতে এটাকে ভারতের মহামারি হিসাবে না দেখা উচিত,” বলছেন দিল্লির সার গঙ্গা রাম হাসপাতালের চিকিৎসক অম্বরীশ সাতউইক। “এখানে বলা উচিত দিল্লি মহামারি, মুম্বাই মহামারি, আহমেদাবাদ মহামারি।”

এই শহরগুলোতে প্রতি ১০০টি নমুনার মধ্যে পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা জাতীয় গড়ের চেয়ে ৪/৫ গুণ বেশি।

“এই ভাইরাস যখন ভারতের এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে যাচ্ছে, তখন সেই রাজ্যে সংক্রমণের চূড়াটা দেখা যাচ্ছে, ” বলছেন ড. মুখার্জি। “আর সে কারণে স্বাস্থ্য সেবার সক্ষমতা ভারতকে আসলে বাড়াতে হবে।”

ভারতকে যেটা করতে হবে সেটা হল যেখানে সংক্রমণ কমছে সেখান থেকে স্বাস্থ্য পরিষেবার সক্ষমতা অর্থাৎ ডাক্তার, স্বাস্থ্য কর্মী, সরঞ্জাম, ওষুধপত্র, ভেন্টিলেটার সব কিছু সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে যেখানে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করছে সেখানে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভারত যেটা করতে পারে, যেমন সেনাবাহিনীর যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, যেখানে খুবই দক্ষ ডাক্তার এবং স্বাস্থ্যকর্মী আছে তাদের প্রস্তুত রাখা, যাতে নতুন হটস্পটে দ্রুত তাদের সাহায্যের জন্য নিয়ে যাওয়া যায়।

ভারতের দীর্ঘ লকডাউন কি কাজে এসেছে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভারত ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে বেশ দক্ষতার সঙ্গে প্রথমদিকেই লকডাউন জারি করেছিল- ২৫শে মার্চ তারিখে। “অন্য কোন দেশ এত তাড়াতাড়ি লকডাউন দেয়নি। এতে করে সরকার প্রস্তুতি নেবার সময় পেয়েছিল। এতে ভারত অনেক মৃত্যু ঠেকাতে পেরেছে,” বলছেন ডা. ঝা।

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা যখন শীর্ষে উঠছে তখন মানুষ কাজে ফিরতে শুরু করেছে

কিন্তু এই লকডাউন দেয়া হয় মাত্র চার ঘন্টার নোটিশে এবং বিশৃঙ্খলভাবে এটা কার্যকর করার ফলে শ্রমজীবী মানুষরা শহর ছেড়ে পালাতে শুরু করেন।

অনেকেই প্রশ্ন তুলছে সরকারগুলো হাতে যে প্রস্তুতির সময় পেয়েছিল তা ঠিকমত কাজে লাগিয়ে টেস্টিংএর ব্যবস্থা করতে এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাকে সুসংহত করতে তারা সক্ষম হয়েছিল কিনা। দেখে মনে হয় কোন কোন রাজ্য যেমন কেরালা ও কর্নাটকের প্রস্তুতি গুজরাত, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লির তুলনায় ভাল ছিল।

ভারতের সার্বিক প্রস্তুতি যদি ভাল হতো, তাহলে মুম্বাই, আহমেদাবাদ আর দিল্লিতে শনাক্তের ঊর্ধ্বগতি সামাল দিতে সরকারের এই ব্যর্থতা চোখে পড়ত না বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।

এসব শহরে দেখা যাচ্ছে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অভাব, সরকারি হাসপাতালে উপযুক্ত শয্যা ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব। ফলে আস্থার সংকট ও রোগী সামাল দিতে তাদের হিমশিম অবস্থা। এ কারণে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তির জন্য হুড়োহুড়ি- যদিও এসব বেসরকারি হাসপাতাল কখনই এই জরুরি সেবা দেবার জন্য পুরো প্রস্তুত ছিল না।

আগামীতে কী?

টেস্টিং এখন ভারতের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ। দেশটিতে এখন দিনে প্রায় দেড় লাখ মানুষের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। লকডাউন শুরুর সময় এই সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজার। তারপরেও জনসংখ্যার মাথাপিছু হিসাবে ভারতে টেস্টিংএর হার খুবই কম।

অনেকে মনে করে ভারতে ৩০শে জানুয়ারি প্রথম রোগী শনাক্ত হবার পর পরীক্ষার সুযোগ আরও আগে বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া উচিত ছিল।

“আমরা অনায়াসে এটা করতে পারতাম। আমাদের সুযোগ ছিল, সামর্থ্য ছিল, কিন্তু অগ্রিম পরিকল্পনা ছিল না,” বলছেন অধ্যাপক মুখোপাধ্যায়।

“আমরা আগেভাগে লকডাউন দেয়ার সুযোগের সদ্বব্যবহার করিনি, সময় নষ্ট করেছি “।

এই দীর্ঘসূত্রিতা, সময় নষ্ট করা এবং পরিকল্পনার অভাবের দৃষ্টান্ত হল দিল্লি। সেখানে যে হারে সংক্রমণ বেড়েছে, আর তৈরি হয়েছে হাসপাতালে ভর্তি হবার সমস্যা আর মৃত্যুর ঘটনা, তা পরিস্থিতিকে স্পষ্ট করে দিয়েছে। ।

সামনের কয়েক সপ্তাহে রোগীর ঢল নামার আশংকা থেকে স্থানীয় সরকার বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে তারা যেন কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য শয্যা তৈরি রাখে। শুধু তাই নয়, বিয়ের হল, স্টেডিয়াম এবং হোটেলেও শয্যা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা কিন্তু আস্থা রাখতে পারছেন না।

তারা বলছেন, বিয়ের হল বা স্টেডিয়ামে প্রয়োজন হলে দ্রুত সময়ে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করা কি সম্ভব? ডাক্তার আর নার্স আসবে কোথা থেকে? শহরের প্রতিটা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র যদি ভর্তি হয়ে যায়, তাহলে ব্যাঙ্কোয়েট হলের শয্যায় রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা সেবা কীভাবে দেয়া হবে?

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
লকডাউনের পর কাজ হারানো লক্ষ লক্ষ মানুষ শহর ছেড়ে পালাতে শুরু করেন।

ড. সাতউইক বলছেন, “আপনার দরকার নতুন অবকাঠামো, সক্ষমতা আরও বাড়ানো। রোগীকে সরিয়ে নিয়ে শুধু নতুন কোভিড ওয়ার্ড তৈরি করলেই তো চলবে না।

হঠাৎ পরিকল্পনা আর আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে কোন জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা মোকাবেলা করা সম্ভব নয় বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এর ওপর সরকার যদি সংক্রমণের অব্যাহত ঝুঁকির কথা মানুষকে স্পষ্ট করে জানাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে প্রথম দিকে যে উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলা হচ্ছিল মানুষের সেই উৎসাহেও ভাঁটা পড়বে।

“পরিস্থিতি খুবই কঠিন,” বলছেন ড. ঝা। “মহামারি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছে, এবং এই সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে অন্তত আরও এক বছর বা তার কিছু বেশি সময় লাগবে। প্রশ্ন হল, এই সঙ্কট থেকে উত্তরণের জন্য আগামী ১২ থেকে ১৬ মাস ভারত কি পরিকল্পনা নিচ্ছে?”

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    লকডাউনের পর কাজ হারানো লক্ষ লক্ষ মানুষ শহর ছেড়ে পালাতে শুরু করেন।

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা যখন শীর্ষে উঠছে তখন মানুষ কাজে ফিরতে শুরু করেছে

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    ৮০০০এর বেশি মানুষ করোনা সংক্রমণের শিকার হয়ে মারা গেছে

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    ভারতে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় পরীক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে কম

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    ভারত এখনও সরকারিভাবে কম্যুনিটি সংক্রমণের কথা অস্বীকার করছে।

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    হটস্পট শহরগুলোতে হাসপাতালে রোগী উপছে পড়ছে

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

দৈনন্দিন

নারকেলেও রয়েছে প্রচুর পুষ্টি, এর তৈরি হচ্ছে ওষুধ, জেনে নিন নারকেলের ঔষধি গুণ সম্পর্কে

নারকেল, আমাদের রাজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল প্রচুর উপকারী আমাদের শরীরের জন্য৷ শুধুমাত্র ফল নয়, এই গাছটির সমস্ত অংশই, তা সে পাতাই হোক বা ফলের খোল, ছিবড়েই হোক বা মূল গাছ – সমস্তটাই ব্যবহার্য, যে কারণে এটিকে কল্পবৃক্ষ বা কল্পতরু হিসাবেও অভিহিত করা হয়। ভোজ্য তেল হিসাবেও আমাদের দেশের দক্ষিণের, বিশেষত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে এর ব্যবহার বহুল প্রচলিত। নারকেল গাছকে বলা হয়ে থাকে ট্রি অব লাইফ৷ এর ঔষধি গুনের (Medicinal Benefits of Coconut) জন্যও এর চাহিদা প্রচুর৷ বিশ্বব্যাপী খাবার, পানীয়, ঘর সাজানোর জিনিসপত্র তৈরি, ওষুধ তৈরিতে নারকেল ব্যবহৃত হয়ে থাকে৷

নারকেলের বিজ্ঞানসম্মত নাম Cocos nucifera. এর ভিতরের জল, নরম শাঁস, দুধ, তেল, বাইরের শক্ত আবরণ এ সবকিছুই ব্যবহৃত হয়৷ নারকেলের (Nutritional Value of Coconut) মধ্যে বিদ্যমান বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল আমাদের শরীরকে বহু রোগের হাত থেকে (Benefits of Coconut) রক্ষা করে৷ এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়েই তুলে ধরা হল৷

নারকেলের স্বাস্থ্যগুণ (Health Benefits) – 

নারকেল শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে৷ ফলে বিভিন্ন সমস্যা থেকে হার্ট সুরক্ষিত থাকে৷

নারকেল আমাদের হজম শক্তি বাড়িয়ে তোলে৷ নারকেল খেলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে বলে দাবি করা হয়৷

নারকেলের মধ্যে থাকা মিনারেলস্ আমাদের হাড়ের শক্তি বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয়৷ এতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়কে যেমন মজবুত করে তেমনই দাঁতের ক্ষয় রোধ করে দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করে৷

নিয়মিত নারকেল খেলে ত্বক ভালো থাকে৷ ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি পায়৷ বলিরেখা পড়াকে আটকাতে সাহায্য করে নারকেল৷

নারকেলের তেলেও রয়েছে প্রচুর গুন৷ তাই ঘরে ঘরে নারকেলের তেলের ব্যবহার আজও একইভাবে হয়ে চলেছে৷ এই তেল ব্যবহারে আমাদের শুষ্ক ত্বক যেমন নরম থাকে, তেমনই চুল মজবুত হয়৷ নারকেলের তেল লিভারের সমস্যা হ্রাস করে এবং হজমে সাহায্য করে৷

বিভিন্ন ক্ষত এবং জ্বালা কমাতে নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার৷ শীতকালে আমাদের ত্বককে ফেটে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে নারকেলের তেল৷

ডায়াবেটিস-এর সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য যেমন এটি উপকারী তেমনই অ্যালজাইমার্স-এর হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে এই নারকেল তেল৷

আমাদের শরীরের আভ্যন্তরীণ শক্তি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও নারকেল তেলের ভূমিকা রয়েছে৷

বিভিন্ন সংক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে নারকেলের তেল৷ থাইরয়েড-এর সমস্যা হোক বা স্ট্রেচ মার্ক দূরীকরণ, নারকেলের তেলের ওপর অনেকেই ভরসা করেন৷

তবে নারকেল তেল বেশি ব্যবহার করলে সমস্যা হতে পারে৷ অ্যালার্জি থেকে ডায়েরিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ তাই নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণে নারকেল এবং নারকেল তেলের ব্যবহার আমাদের শরীরকে বহু সমস্যা থেকে রক্ষা করে থাকে৷

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

জেনে নিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে লাল শাক ঠিক কতটা জরুরী

লাল শাক মূলত শাক হিসেবেই গরম ভাতে এটি খাওয়া হয়৷ আবার স্যালাডেও অনেকে এই লাল শাক (Red Spinach) ব্যবহার করে থাকেন৷ বিভিন্ন শাকের মধ্যে এই লাল শাক তার স্বাদে, সৌন্দর্য্যে এবং গুনে নিজের স্বতন্ত্র্য জায়গা করে নিয়েছে বহু আগেই৷

লাল শাক এর গুনের জন্যই এই শাকের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ আবার এর চাষেও খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয় না৷ স্বল্প সময়েই তা খাওয়ার বা বিক্রয়ের উপযুক্ত হয়ে ওঠে৷

আবার বাড়ির বারান্দা বা ছাদেও এর চাষ এতো সহজে হয় যে অনেকেই লাল শাক টবে চাষ করে থাকেন৷ লালচে গোলাপি রঙের এই শাক শুধু শীত নয়, বর্তমানে এই শাক সারা বছরই পাওয়া যায় এবং এর চাষও সারা বছর হয়ে থাকে৷ এবার দেখে নেওয়া যাক যে শাকের এতো চাহিদা তার উপকারিতা সম্পর্কে৷

১০০ গ্রাম লাল শাকে রয়েছে (Nutritional Value of Red Spinach) –

১০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার, ৪.৬ গ্রাম প্রোটিন, ১.৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন এ, ৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ৪২ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৩৪০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ৩৬৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১১১ মিলিগ্রাম ফসফরাস প্রভৃতি৷

লাল শাকের উপকারিতা (Benefits of Red Spinach) –

লাল শাকের বিদ্যমান ফাইবার আমাদের পরিপাকক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান জোগায়৷ এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করে৷

লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, লোহা, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, একত্রে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে প্রতিহত করে বলে দাবি করা হয়৷

লাল শাকে বিদ্যমান লোহা, রক্তাল্পতার সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে৷ রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়৷ সেই সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনাতেও সহায়তা করে৷

লাল শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, কে, লোহা, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম৷ আর এইসব উপাদান আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে৷

এছাড়া হাড় মজবুত করতে এবং কোলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণ করতেও লাল শাকের ভূমিকা অনস্বীকার্য৷ সেই হার্টের সুরক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে লাল শাক৷

ভিটামিন ই আমাদের চোখের জন্য খুব প্রয়োজনীয় এবং লাল শাক থেকে তা প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়৷ এর পাশাপাশি চুল এবং ত্বককেও সুরক্ষা প্রদান করে লাল শাকের মধ্যে উপস্থিত বিভিন্ন উপাদান৷

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ

জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ
জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ

বেনজীর আহমেদ সিদ্দিকী

বাংলাদেশে সাধারণত বর্ষার শেষে এবং শরতের শুরুতে বিল-ঝিল, পুকুরে সন্ধ্যার ঠিক আগমুহূর্ত থেকে ফুটতে শুরু করে মনোমুগ্ধকর জলজ ফুলের রানি ‘পদ্ম’! সারারাত ধরেই একে একে পাল্লা দিয়ে সৌরভ ছড়িয়ে ফুটতে থাকে পদ্মফুল। তাই এক বিল বা পুকুর পদ্ম যেন গভীর সৌন্দর্যের আধার। তবে কালের পরিক্রমায় বাংলাদেশে পদ্ম বিল ও পুকুর অনেক কমে এসেছে।

জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ঘাগুটিয়ার পদ্মের বিল, ফরিদপুরের বিল গজারিয়া ও সদরের ঝিলটুলি এলাকায় সিভিল সার্জনের সরকারি বাসভবনের পুকুর, নরসিংদীর পলাশ উপজেলার রাবান এলাকার বিল, ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার খইলাপুরী বিল, গোপালগঞ্জের করপাড়ার বলাকইর বিল, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জাদুরতাইর ও ঝারাবর্ষা বিল, নাটোরের বড়াই গ্রামের বিল, রাজশাহীর মোহনপুরের সাবাই বিল, নড়াইলের রামগর চরের বিল এবং বরিশালের বিআইডব্লিউটিএ’র পুকুরে বসে পদ্মের মেলা।

জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ
জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ

কমল, শতদল, সহস্রদল, উৎপল, মৃণাল, পঙ্কজ, অব্জ, অম্বুজ, নীরজ, সরোজ, সররুহ, নলিনী, অরবিন্দ, ইন্দিরা, কুমুদ ইত্যাদি সমার্থক নামের পদ্ম সৌন্দর্য, বিশুদ্ধতা ও পবিত্রতার প্রতীক। পদ্মের সৌন্দর্য ও বৈচিত্র মানুষকে প্রবলভাবে আকৃষ্ট করে, তাই বাংলা প্রবাদেও পাওয়া যায় ‘কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন’।

প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে পদ্মের ব্যবহার হয়ে আসছে। উপমহাদেশে পদ্মফুলের একেক স্তরের পাপড়ি ধর্মীয় শিক্ষা বা সংস্কারে বিভিন্ন অর্থ বহন করে। হিন্দু বা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পদ্ম জীবন, উর্বরতা ও পবিত্রতার প্রতীক। হিন্দু ধর্মমতে, নারায়ণের নাভি থেকে নির্গত পদ্ম ব্রহ্মার আসন আর শ্বেতপদ্ম বিদ্যার দেবী সরস্বতীর আসন।

জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ
জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ

হিন্দু ধর্মে বলা হয়, প্রত্যেক মানুষের মাঝেই পদ্মের পবিত্র আত্মা রয়েছে। অনেকে বিশ্বাস করেন, পদ্মফুলের কুঁড়ি যেমন কোমল, ঈশ্বরের স্পর্শ আর দর্শনও সেরকম। পদ্মকে পবিত্র বলে মনে করে বৌদ্ধরাও। পদ্মফুলকে অনেক দেশে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ভাগ্যের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। গোলাপি পদ্ম গৌতম বুদ্ধের কিংবদন্তির ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়।

পদ্মফুল নিয়ে একধরনের মিথ আছে, এর সৌরভে না-কি সাপ চলে আসে এবং পাতার আড়ালে লুকিয়ে ফুলের সৌরভ উপভোগ করে। বিষয়টি মিথ হলেও একেবারেই ফেলনা নয়। আসলে সাপ আসে ইঁদুরের লোভে। পদ্মফুলের গোড়ায় এর বীজ (পদ্ম খোঁচা) হয়। এই বীজ খেতে ইঁদুর আসে। আর তাকে ধরতে মাঝে মাঝে আগমন ঘটে সাপের।

জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ
জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ

পদ্মের বীজ বেশ সুস্বাদু, ফ্যাট, মিনারেল ও ট্রেস উপাদানযুক্ত। যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এ বীজ দ্রুত ক্ষুধা নিবারণ করতে পারে। তাই ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় এ বীজ খেয়ে কয়েকদিন না খেয়ে থাকত গেরিলা এবং সাধারণ মানুষ। এ ছাড়া পদ্মের আছে অনেক ওষুধি গুণাবলী। ভেষজ ও আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে নিম্নোক্ত গুণাগুণ পাওয়া যায়-

১. শ্বেতী বা ভিটিলিগো রোগে পদ্মপাতার নির্যাসের কার্যকারিতা আছে।
২. পদ্মের পাতা শরীরের নানা ধরনের প্রদাহ ও জ্বরের তাপমাত্রা কমাতে প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হতো।
৩. এখনো অনেক গ্রামে গেলে দেখা যায়, জ্বর হলে বাচ্চাদের পদ্মপাতায় শুইয়ে রাখতে।
৪. অর্শ্ব বা গেজ রোগে পদ্মপাতা ও মূল ব্যবহৃত হয়।
৫. পদ্মের পাপড়ির নির্যাস হৃদশূলের (এনজাইনা পেকটোরিস) যন্ত্রণা কমায়।
৬. প্রসবের পর মায়েদের নাড়ি সরে এলে (প্রোলাপ্স অব ইউটেরাস) সারাতে ভূমিকা রাখে।
৭. শুষ্ক কাশি নিরাময়ে বাসক পাতা ও মধুর সাথে পদ্মের মূল ও কেশর ভালো কার্যকারিতা দেয়।

৮. নারীদের অনিয়মিত ঋতুস্রাবে পদ্মের মূল ও বীজ বেশ কাজের।
৯. পদ্মবীজ দেহের ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনে সহায়তা করে।
১০. পদ্মবীজের প্রোটিন ও কার্বহাইড্রেট ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য উপকারী।
১১. পদ্মবীজ দেহের ওজন কমাতে সহায়তা করে।
১২. এর বীজ গ্যাস্ট্রাইটিস ও রক্তপাতজনিত সমস্যা দূর করতে সহায়ক।
১৩. পদ্ম মধু থেকে চোখের ওষুধ তৈরি হয়।
১৪. ত্বক সুন্দর করতে পদ্মপাতা, ফুলের পাপড়ি ও বীজের নানা ভূমিকা আছে।
১৫. ‘সুগন্ধি’ বা ‘অ্যারোমা’ হিসেবে প্রসাধনী শিল্পে পদ্ম ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

একসময় গ্রামবাংলার হাট-বাজারে গুঁড়া মসলা, গুড়, চিনি, লবণ, অন্য জিনিসপত্র এবং বিভিন্ন মেলায় বাতাসা, মোয়া, মুড়ি, মুড়কি, নাড়ু, লাড্ডু ইত্যাদি পদ্মপাতায় সুন্দরভাবে বেঁধে বিক্রি করা হতো। সহজলভ্য ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় এর ব্যবহার ছিল অসাধারণ। এখনো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় প্রথাগত নিয়ম অনুযায়ী পদ্মপাতায় খাবার পরিবেশন করা হয়। দৈনন্দিন নানা কাজে এর পাতা ও ফুল ব্যবহার করা হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

এই সময়ে সুস্থ থাকতে চান? ডায়েটে অবশ্যই রাখুন কিসমিস

আপনি যদি সুস্থ থাকতে চান তবে শীঘ্রই আপনার ডায়েটে কিসমিস অন্তর্ভুক্ত করুন। প্রত্যেকেরই প্রতিদিন সীমিত পরিমাণে কিসমিস খাওয়া উচিত। এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। কিসমিস খাওয়ার ফলে অনেক রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আজ আমরা এই নিবন্ধে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করব।

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে –

কিসমিস খাওয়ার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও দৃঢ় হয়, তাই আপনি যদি ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে চান, তবে প্রতিদিন এটি গ্রহণ করুন।

শরীরে শক্তি যোগান দেয় –

কিসমিসে পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। এই কার্বোহাইড্রেট আর এর মিষ্টত্ব শরীরকে শক্তি জোগায়। এতে কর্মক্ষমতা বাড়ে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী –

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

ডায়াবেটিস রোগীদের কিসমিস খাওয়া উচিত। এটি তাদের জন্য খুব উপকারী। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তবে মনে রাখবেন, ডায়াবেটিক রোগীদের সীমিত পরিমাণে কিসমিস খাওয়া উচিত। যাদের রক্তাল্পতা রয়েছে, সেই সকল মানুষের প্রতিদিন কিসমিস খাওয়া উচিত। এর দ্বারা অ্যানিমিয়া কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন আপনি।

ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি থেকে রক্ষা করতে সহায়ক –

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

প্রতিদিন কিসমিস খেলে ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধি রোধ হয়। আপনি যদি সুস্থ ও ফিট রাখতে চান তবে অবশ্যই আপনার ডায়েটে কিসমিস অন্তর্ভুক্ত করুন। এর প্রতিদিনের গ্রহণ অনেক রোগ প্রতিরোধ করে।

যকৃতের জন্য উপকারী –

কিসমিস লিভারের জন্য খুব উপকারী। এটি লিভারকে সুস্থ রাখে, তাই লিভারের রোগীদের প্রতিদিন কিসমিস খাওয়া উচিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ফুলকপির মজাদার রেসিপি

ফুলকপিতে আছে ওজন কমানো ও হজমশক্তি বাড়ানোর জন্য ফাইবার; আছে কোলাইন, যা স্মৃতিশক্তির জন্য প্রয়োজন। এ ছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানে পূর্ণ এই ফুলকপি। এতে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধী গুণ। ফলে প্রতিদিনের খাবারে শীতকালীন এই সবজির গুরুত্ব আছে অনেক।

বিভিন্নভাবে ফুলকপি খাওয়া যায়। শুধু একটু উদ্ভাবনী চিন্তার প্রয়োগেই ফুলকপি দিয়ে বানানো যায় সুস্বাদু সব খাবার। ফুলকপি দিয়ে বানানো খাবার একই সঙ্গে সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ।

রেসিপি দিয়েছেন জিনাত নাজিয়া, সেলিনা আক্তার ও শুভাগতা গুহরায়।বিজ্ঞাপন

ফুলকপির ভাজা ভাত

উপকরণ

ফুলকপি ১টি (মাঝারি), ডিম ৩টি (তেলে দিয়ে ঝুরি করে নিন), মুরগির বুকের মাংস ১ কাপ (কিউব করে কাটা), বরবটি ১ কাপ, গাজর ১ কাপ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, পেঁয়াজপাতা পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো, তেল/ঘি/বাটার অয়েল ৩ টেবিল চামচ, ম্যাগি সস ২ চা-চামচ।

ফুলকপির ভাজা ভাত
ফুলকপির ভাজা ভাত

প্রণালি

ফুলকপি পরিষ্কার করে ধুয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে মুরগির মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। গাজর ও বরবটি দিতে হবে। সয়া সস, গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে লবণ দিন। ভালো করে মেশাতে হবে। তারপর ব্লেন্ড করা ফুলকপি দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নাড়ুন। ভালো করে মিশিয়ে পেঁয়াজপাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।

বেকড ফুলকপির রোস্ট

উপকরণ

আস্ত ফুলকপি ১টি, মিহি থেঁতলানো রসুন ১ টেবিল চামচ, জলপাইয়ের তেল সিকি কাপ, শর্ষে পেস্ট ২ টেবিল চামচ, লেবুর মিহি খোসা ১ চা-চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, পাপরিকা আধা চা-চামচ, মেশানো হার্বস ১ চা-চামচ, লেবুর রস ২ চা-চামচ, মধু দেড় টেবিল চামচ, গ্রেট করা পনির সিকি কাপ, লবণ সিকি চা-চামচ।

বেকড ফুলকপির রোস্ট
বেকড ফুলকপির রোস্ট

প্রণালি

আস্ত ফুলকপির পাশের ডাঁটাগুলো কেটে ধুয়ে রাখুন। একটি বড় হাঁড়িতে অনেকটা পানি দিয়ে চুলায় বসান। ২ টেবিল চামচ লবণ দিন এবং পানি ফুটে উঠলে আস্ত ফুলকপি দিয়ে দিন। ২ মিনিট রেখে তুলে নিন। কিচেন টাওয়েল দিয়ে খুব ভালো করে মুছে নিন। ওভেন ২২০ ডিগ্রিতে ১০ মিনিটের জন্য প্রিহিটে দিন। একটি বাটিতে থেঁতলানো রসুন, জলপাইয়ের তেল, শর্ষে পেস্ট, গোলমরিচগুঁড়া, মেশানো হার্বস, লেবুর রস, মধু, পাপরিকা, লেবুর খোসা, লবণ একসঙ্গে খুবভালো করে মিশিয়ে ড্রেসিং তৈরি করে নিন। ফুলকপির ওপর ড্রেসিং ব্রাশ করে ১ ঘণ্টা রেখে দিন। এবার ফুলকপির ওপর গ্রেট করা চিজ ছড়িয়ে প্রিহিটেড ওভেনে বেক করুন ৪০ মিনিট। ওভেন থেকে বের করে ওপরে ড্রেসিং ছড়িয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।বিজ্ঞাপন

ফুলকপির ক্রিম স্যুপ

উপকরণ

চিকেন স্টক ৩ কাপ, ফুলকপির টুকরা ২ কাপ, মাশরুমকুচি ২ টেবিল চামচ, রসুনকুচি ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি ৩ টেবিল চামচ, দুধ আধা কাপ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, মাখন ৫০ গ্রাম, কুকিং ক্রিম এক কাপের ৩ ভাগের ১ ভাগ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লেবুর রস সামান্য ও পার্সলেকুচি ১ টেবিল চামচ।

ফুলকপির ক্রিম স্যুপ
ফুলকপির ক্রিম স্যুপ

প্রণালি

প্রথমে চুলায় অর্ধেক মাখন দিয়ে রসুন সামান্য ভেজে নিন। পেঁয়াজকুচি দিয়ে একটু ভেজে ফুলকপির টুকরাগুলো দিয়ে দিতে হবে। ফুলকপি খুব ভালো করে ভেজে নিন। ভালো করে ভাজা হলে ১ কাপ চিকেন স্টক দিয়ে দিন। ফুলকপি নরম হয়ে এলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে ব্লেন্ড করে পেস্ট করে রাখুন। আবার প্যান দিয়ে বাকি মাখন ও মাশরুম দিয়ে একটু ভেজে নিন। ময়দা দিয়ে ভেজে নিন। ময়দার রং পরিবর্তন হলে দুধ দিয়ে খুব ঘন ঘন নাড়তে থাকুন। এরপর একে একে চিকেন স্টক, ফুলকপির পেস্ট দিয়ে দ্রুত নাড়তে থাকুন। ফুটে উঠলে ক্রিম ও গোলমরিচের গুঁড়া দিন। হয়ে এলে নামানোর আগে পার্সলেকুচি ও লেবুর রস দিয়ে নামিয়ে নিন। পরিবেশন করুন গরম-গরম।

মচমচে ফুলকপি

উপকরণ

ফুলকপির ফুল ১০-১২টি, সবুজ ক্যাপসিকাম ১টি, গাজর ১টি, আলু ১টি, ডিম ২টি, কর্নফ্লাওয়ার ও চালের গুঁড়া আধা কাপ করে, গোলমরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, চাট মসলার গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, লবণ, পানি, কাঁচা মরিচকুচি পরিমাণমতো, আদা ও রসুনকুচি ১ চা-চামচ করে, টমেটো, চিলি ও সয়া সস ২ টেবিল চামচ করে, মাখন আধা কাপ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো।

মচমচে ফুলকপি
মচমচে ফুলকপি

প্রণালি

ফুটানো লবণপানিতে ফুলকপিগুলো এক মিনিট ফুটিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একইভাবে লম্বা করে কেটে আলু, ক্যাপসিকাম ও গাজর অল্প সেদ্ধ করে নিন। এবার ফুলকপিতে ডিম, কর্নফ্লাওয়ার, চালের গুঁড়া, গোলমরিচ ও চাট মসলা দিয়ে ভালোভাবে মেখে ডুবোতেলে ফুলগুলো ভেজে তুলে রাখুন। এবার ওই প্যানে মাখন গরম করে আদা ও রসুন ফোড়ন দিয়ে সস ও কাঁচা মরিচকুচি দিয়ে অল্প পানি দিয়ে কষান। কষানো হলে সেদ্ধ সবজি দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে ভাজা ফুলকপি দিয়ে হালকা হাতে নেড়ে নিন। নামিয়ে পরিবেশন করুন।

ফুলকপির পাকোড়া

উপকরণ

ফুলকপি ১টা, চালের গুঁড়া সিকি কাপ, বেসন সিকি কাপ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, গরমমসলার গুঁড়া সিকি চা-চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া সিকি চা-চামচ, ব্রেড ক্রাম্ব ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো ও তেল প্রয়োজনমতো (ডুবোতেলে ভাজার জন্য)।

ফুলকপির পাকোড়া
ফুলকপির পাকোড়া

প্রণালি

ফুলকপির ফুলগুলো একটা একটা করে খুলে নিন এবং লবণপানিতে ভাপিয়ে নিন। একটা চালনিতে ফুলকপির টুকরাগুলো ঢেলে পানি ঝরতে দিন। এবার একটা পাত্রে সব মসলা, চালের গুঁড়া ও বেসন নিয়ে আন্দাজমতো পানি মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। ফুলকপিগুলো চালের মিশ্রণে ভালো করে মেখে নিন। এবার বিস্কুটের গুঁড়া দিয়ে মাখিয়ে নিন। একটা কড়াইয়ে তেল গরম করে ফুলকপির টুকরাগুলো ভাজুন। গাঢ় বাদামি রং হলে তেল থেকে তুলে নিন এবং সসের সঙ্গে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com