আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনা ভাইরাস: ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
হটস্পট শহরগুলোতে হাসপাতালে রোগী উপছে পড়ছে

ভারতের লকডাউন ছিল নি:সন্দেহে বিশ্বে অন্যতম সবচেয়ে কঠোর লকডাউন। মার্চের শেষ দিকে জারি করা লকডাউন প্রায় সপ্তাহ দুয়েক আগে থেকে ভারত শিথিল করতে শুরু করেছে। এবং দেশটিতে কোভিড-১৯এর প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হবার চার মাস পর এখন আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

ভারতে করোনা সঙ্কট নিয়ে উদ্বেগের জায়গাগুলো কোথায়?

শনাক্তের আকস্মিক সংখ্যাবৃদ্ধিতে ভারতের কি উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত?

অনেকে হয়ত বলবেন ভারতের পরিসংখ্যান খুব খারাপ তো নয়।

ভারতে সংক্রমণের সংখ্যা তিন লাখ বিশ হাজারের বেশি। আক্রান্তের বিশ্ব তালিকায় আমেরিকা, ব্রাজিল ও রাশিয়ার পর চতুর্থ স্থানে আছে ভারত। কিন্তু আমেরিকায় কর্নেল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক কৌশিক বসু বলছেন মাথা পিছু সংক্রমণের হিসাবে ভারতের স্থান তালিকায় অনেক নিচে- ১৪৩ নম্বরে।

এছাড়াও রিপ্রোডাকশান হার- যা ‘R’ নম্বর হিসাবে পরিচিত, যেটা দিয়ে এই ভাইরাসের বিস্তার ছড়ানোর ক্ষমতা নিরূপণ করা হয়- ভারতে সেটাও কমেছে। সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে বেশি এবং শনাক্তের হারও বেড়েছে।

কিন্তু ভারতে সংক্রমণের সংখ্যা একটু খতিয়ে দেখলে দেখবেন ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা খুবই ঊর্ধ্বমুখী। এবং হটস্পট শহরগুলো যেমন মুম্বাই, দিল্লি ও আহমেদাবাদে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার এবং মৃত্যুর হারও বেড়েছে। “সংক্রমণ যদি এই হারে বাড়া অব্যাহত থাকে, তাহলে হাসপাতালগুলোকে রোগী সামলাতে নিউ ইয়র্কের মত হিমশিম খেতে হবে, ” বলছেন ভারতের একজন কোভিড চিকিৎসক।

এই শহরগুলোতে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করাতে না পেরে মৃত্যুর ভয়ঙ্কর সব খবর আসছে। একটি ঘটনায় একজন অপেক্ষমান রোগীর টয়লেটে মারা যাবার খবর এসেছে গণমাধ্যমে। ল্যাবগুলোর ওপর চাপের কারণে পরীক্ষার জন্য হয় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে অথবা ফল পেতে অনেক দেরি হচ্ছে।

ভারতের অর্থনীতি মহামারির আগেই কিছুটা ধুঁকতে শুরু করেছিল। কাজেই আবার একটা কঠোর লকডাউনে যাওয়া ভারতের জন্য কঠিন। তাতে ব্যবসাবাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে, আরও মানুষ কর্মহীন হবে। কাজেই ভারতকে এখন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে পুরো মনোযোগ দিতে হবে।

“সংখ্যা নিয়ে আমি রীতিমত উদ্বিগ্ন,” বলছেন হার্ভাড গ্লোবাল হেলথ ইনস্টিটিউটের পরিচালক আশীষ ঝা।

“সংক্রমণ চূড়ায় উঠে আপনাআপনি কমে যায় বিষয়টা তো এমন নয়। পরিবর্তন আনতে আপনাকে পদক্ষেপ নিতে হবে।”

অন্যভাবে বলতে গেলে, ভারতে ৬০% মানুষ আক্রান্ত হলে দেশের জনসংখ্যায় ‘হার্ড ইমিউনিটি’ আসবে এবং ভাইরাস ঠেকানো যাবে এই মনোভাব নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। বলছেন ড. ঝা: “এর অর্থ হবে লাখ লাখ মানুষকে মরতে হবে, সেট তো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”

ভারতে সংক্রমণের গ্রাফের ঊর্ধ্বমুখী লাইন এখনও নেমে আসেনি, একটা স্থায়ী ও নির্দিষ্ট নিম্নমুখী চিত্র দেখা যায়নি, বলছেন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োস্ট্যাটিসটিক্সের অধ্যাপিকা ভ্রমর মুখার্জি।

“আমার মনে হয় দুশ্চিন্তার কারণ আছে, কিন্তু সেটা নিয়ে ত্রাস তৈরি করা ঠিক হবে না,” তিনি বলছেন।

ভারতে কম মত্যুর হার কি বিভ্রান্তিমূলক?

হ্যাঁ এবং না দুটোই। ভারতে কোভিড শনাক্ত রোগীদের মধ্যে আনুপাতিক মৃত্যুর হার প্রায় ২.৮%।

কিন্তু এই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে। যেমন আছে সংক্রমণের বিভিন্ন পরিসংখ্যান নিয়েও। লন্ডনের স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিনের অঙ্কবিদ অ্যাডাম কুচারস্কি বলছেন, এখানে সমস্যা তৈরি হচ্ছে কারণ অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে না বা আক্রান্ত হওয়া থেকে মারা যাবার মধ্যে যে সময়টা, সেটাকে আমলে নেওয়া হচ্ছে না।

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
ভারত এখনও সরকারিভাবে কম্যুনিটি সংক্রমণের কথা অস্বীকার করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন ‘কেস ফেটালিটি রেট বা সিএফআর’ যেটা হল আক্রান্তের মধ্যে মৃতের হার- সেটার গড় পরিসংখ্যান দেখে মহামারির এই পর্যায়ে, ভারত মনে করতে পারে, পরিস্থিতি তেমন ভয়াবহ নয়। দুশ্চিন্তার কারণ নেই।

“সিএফআর এমন একটা বিষয় যেটা বিভ্রম সৃষ্টি করতে পারে,” বলছেন ড. মুখার্জি। “আমি যদি শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এবং মৃতের সংখা সঠিক বলে বিশ্বাস করি এবং মৃতের সংখ্যাকে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা দিয়ে ভাগ করি- যদি অবশ্য রোগীর সুস্থ হওয়ার তথ্য সঠিক হয়, তাহলে কিন্তু মৃতের শতকরা হিসাব অনেক বেশি হবে।”

মাথা পিছু মৃত্যুর হিসাব নির্ধারণ করাও কিন্তু কঠিন। কারণ ভাইরাস, ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় কোথায় কীভাবে ছড়িয়েছে সে তথ্য তো এখনও জোগাড় করা যায়নি।

সবচেয়ে দুশ্চিন্তার বিষয় হল ভারতে কোভিড-১৯য়ে যে নয় হাজারের বেশি মৃত্যুর হিসাব দেয়া হচ্ছে তার তিন চতুর্থাংশ এসেছে তিনটি রাজ্য থেকে – মহারাষ্ট্র, গুজরাত ও দিল্লি। কোন কোন রাজ্য তথ্য নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে তাদের গাফিলতির কারণে সংখ্যা কম করে দেখিয়েছে। যেমন চেন্নাই শহরে আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা সরকারিভাবে দেয়া সংখ্যার দ্বিগুণ। এর কারণ দুটি আলাদা মৃত্যু নথিভুক্ত করার সনদে গরমিল। এছাড়াও কোভিড-১৯এ মৃত্যুর সংজ্ঞা নিয়েও রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিন্নমত।

অর্থনীতিবিদ পার্থ মুখোপাধ্যায় বলছেন ভারতে মৃত্যুর হিসাব, বয়সের বিবেচনায় বিশ্লেষণ করে নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে ভারতে তরুণরা আনুপাতিক হারে বেশি মারা যাচ্ছে।

মহারাষ্ট্রে দেখা যাচ্ছে ৩০শে এপ্রিলের হিসাব অনুযায়ী মৃতের ৪%এর বয়স ৪০ থেকে ৪৯এর মধ্যে। ইতালিতে এই বয়সীদের মধ্যে মৃত্যুর হার ছিল এর দশভাগের এক ভাগ।

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
ভারতে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় পরীক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে কম

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভারতে মৃতের গড় হার সব কিছুর পরেও কমই থাকবে এবং মৃতদের অধিকাংশই হবে বয়স্করা।

ভারতের জন্য কোন্ বিষয় আমলে নেয়া জরুরি?

আটলান্টিক সাময়িকীর বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক এড ইয়ং বলছেন ভারতের উচিত এই সংক্রমণকে তার ভাষায় “প্যাচওয়ার্ক প্যানডেমিক” হিসাবে দেখা। অর্থাৎ এই মহামারি ভারতের একেক অংশে একেকভাবে প্রভাব ফেলেছে- কোথাও কম, কোথাও বেশি, কিছুটা খাপছাড়া ভাবে, যেটাকে তিনি বলছেন প্যাচওয়ার্ক প্যানডেমিক।

মি. ইয়ং বলছেন এই মহামারি কোথায় কতটা ব্যাপক, তা নির্ভর করছে অনেকগুলো বিষয়ের ওপর, যেমন সামাজিক দূরত্ব রক্ষা, টেস্টিংএর সক্ষমতা, জনসংখ্যার ঘনত্ব, বয়সের কাঠামো, আর্থিক স্বচ্ছলতা, সামাজিক গোষ্ঠীবদ্ধতা এবং ভাগ্য এসবের ওপর।

ভারতে এই ভাইরাস ছড়ায় যখন বিশৃঙ্খলভাবে জারি করা একটা লকডাউনের কারণে হঠাৎ কর্মহীন ও কপর্দকহীন হয়ে পড়া লক্ষ লক্ষ শ্রমজীবী মানুষ শহর ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। তারা কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ ভিড়ে ঠাসা ট্রেনে এবং বাসে করে রওনা দেয় তাদের গ্রামের উদ্দেশ্যে। ওড়িশাতে এখন যত মানুষ করোনা আক্রান্ত তাদের ৮০ শতাংশই এই গ্রামে ফেরা শ্রমজীবী মানুষ।

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
৮০০০এর বেশি মানুষ করোনা সংক্রমণের শিকার হয়ে মারা গেছে

“আমার মতে এটাকে ভারতের মহামারি হিসাবে না দেখা উচিত,” বলছেন দিল্লির সার গঙ্গা রাম হাসপাতালের চিকিৎসক অম্বরীশ সাতউইক। “এখানে বলা উচিত দিল্লি মহামারি, মুম্বাই মহামারি, আহমেদাবাদ মহামারি।”

এই শহরগুলোতে প্রতি ১০০টি নমুনার মধ্যে পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা জাতীয় গড়ের চেয়ে ৪/৫ গুণ বেশি।

“এই ভাইরাস যখন ভারতের এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে যাচ্ছে, তখন সেই রাজ্যে সংক্রমণের চূড়াটা দেখা যাচ্ছে, ” বলছেন ড. মুখার্জি। “আর সে কারণে স্বাস্থ্য সেবার সক্ষমতা ভারতকে আসলে বাড়াতে হবে।”

ভারতকে যেটা করতে হবে সেটা হল যেখানে সংক্রমণ কমছে সেখান থেকে স্বাস্থ্য পরিষেবার সক্ষমতা অর্থাৎ ডাক্তার, স্বাস্থ্য কর্মী, সরঞ্জাম, ওষুধপত্র, ভেন্টিলেটার সব কিছু সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে যেখানে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করছে সেখানে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভারত যেটা করতে পারে, যেমন সেনাবাহিনীর যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, যেখানে খুবই দক্ষ ডাক্তার এবং স্বাস্থ্যকর্মী আছে তাদের প্রস্তুত রাখা, যাতে নতুন হটস্পটে দ্রুত তাদের সাহায্যের জন্য নিয়ে যাওয়া যায়।

ভারতের দীর্ঘ লকডাউন কি কাজে এসেছে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভারত ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে বেশ দক্ষতার সঙ্গে প্রথমদিকেই লকডাউন জারি করেছিল- ২৫শে মার্চ তারিখে। “অন্য কোন দেশ এত তাড়াতাড়ি লকডাউন দেয়নি। এতে করে সরকার প্রস্তুতি নেবার সময় পেয়েছিল। এতে ভারত অনেক মৃত্যু ঠেকাতে পেরেছে,” বলছেন ডা. ঝা।

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা যখন শীর্ষে উঠছে তখন মানুষ কাজে ফিরতে শুরু করেছে

কিন্তু এই লকডাউন দেয়া হয় মাত্র চার ঘন্টার নোটিশে এবং বিশৃঙ্খলভাবে এটা কার্যকর করার ফলে শ্রমজীবী মানুষরা শহর ছেড়ে পালাতে শুরু করেন।

অনেকেই প্রশ্ন তুলছে সরকারগুলো হাতে যে প্রস্তুতির সময় পেয়েছিল তা ঠিকমত কাজে লাগিয়ে টেস্টিংএর ব্যবস্থা করতে এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাকে সুসংহত করতে তারা সক্ষম হয়েছিল কিনা। দেখে মনে হয় কোন কোন রাজ্য যেমন কেরালা ও কর্নাটকের প্রস্তুতি গুজরাত, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লির তুলনায় ভাল ছিল।

ভারতের সার্বিক প্রস্তুতি যদি ভাল হতো, তাহলে মুম্বাই, আহমেদাবাদ আর দিল্লিতে শনাক্তের ঊর্ধ্বগতি সামাল দিতে সরকারের এই ব্যর্থতা চোখে পড়ত না বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।

এসব শহরে দেখা যাচ্ছে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অভাব, সরকারি হাসপাতালে উপযুক্ত শয্যা ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব। ফলে আস্থার সংকট ও রোগী সামাল দিতে তাদের হিমশিম অবস্থা। এ কারণে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তির জন্য হুড়োহুড়ি- যদিও এসব বেসরকারি হাসপাতাল কখনই এই জরুরি সেবা দেবার জন্য পুরো প্রস্তুত ছিল না।

আগামীতে কী?

টেস্টিং এখন ভারতের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ। দেশটিতে এখন দিনে প্রায় দেড় লাখ মানুষের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। লকডাউন শুরুর সময় এই সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজার। তারপরেও জনসংখ্যার মাথাপিছু হিসাবে ভারতে টেস্টিংএর হার খুবই কম।

অনেকে মনে করে ভারতে ৩০শে জানুয়ারি প্রথম রোগী শনাক্ত হবার পর পরীক্ষার সুযোগ আরও আগে বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া উচিত ছিল।

“আমরা অনায়াসে এটা করতে পারতাম। আমাদের সুযোগ ছিল, সামর্থ্য ছিল, কিন্তু অগ্রিম পরিকল্পনা ছিল না,” বলছেন অধ্যাপক মুখোপাধ্যায়।

“আমরা আগেভাগে লকডাউন দেয়ার সুযোগের সদ্বব্যবহার করিনি, সময় নষ্ট করেছি “।

এই দীর্ঘসূত্রিতা, সময় নষ্ট করা এবং পরিকল্পনার অভাবের দৃষ্টান্ত হল দিল্লি। সেখানে যে হারে সংক্রমণ বেড়েছে, আর তৈরি হয়েছে হাসপাতালে ভর্তি হবার সমস্যা আর মৃত্যুর ঘটনা, তা পরিস্থিতিকে স্পষ্ট করে দিয়েছে। ।

সামনের কয়েক সপ্তাহে রোগীর ঢল নামার আশংকা থেকে স্থানীয় সরকার বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে তারা যেন কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য শয্যা তৈরি রাখে। শুধু তাই নয়, বিয়ের হল, স্টেডিয়াম এবং হোটেলেও শয্যা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা কিন্তু আস্থা রাখতে পারছেন না।

তারা বলছেন, বিয়ের হল বা স্টেডিয়ামে প্রয়োজন হলে দ্রুত সময়ে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করা কি সম্ভব? ডাক্তার আর নার্স আসবে কোথা থেকে? শহরের প্রতিটা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র যদি ভর্তি হয়ে যায়, তাহলে ব্যাঙ্কোয়েট হলের শয্যায় রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা সেবা কীভাবে দেয়া হবে?

করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
লকডাউনের পর কাজ হারানো লক্ষ লক্ষ মানুষ শহর ছেড়ে পালাতে শুরু করেন।

ড. সাতউইক বলছেন, “আপনার দরকার নতুন অবকাঠামো, সক্ষমতা আরও বাড়ানো। রোগীকে সরিয়ে নিয়ে শুধু নতুন কোভিড ওয়ার্ড তৈরি করলেই তো চলবে না।

হঠাৎ পরিকল্পনা আর আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে কোন জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা মোকাবেলা করা সম্ভব নয় বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এর ওপর সরকার যদি সংক্রমণের অব্যাহত ঝুঁকির কথা মানুষকে স্পষ্ট করে জানাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে প্রথম দিকে যে উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলা হচ্ছিল মানুষের সেই উৎসাহেও ভাঁটা পড়বে।

“পরিস্থিতি খুবই কঠিন,” বলছেন ড. ঝা। “মহামারি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছে, এবং এই সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে অন্তত আরও এক বছর বা তার কিছু বেশি সময় লাগবে। প্রশ্ন হল, এই সঙ্কট থেকে উত্তরণের জন্য আগামী ১২ থেকে ১৬ মাস ভারত কি পরিকল্পনা নিচ্ছে?”

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    লকডাউনের পর কাজ হারানো লক্ষ লক্ষ মানুষ শহর ছেড়ে পালাতে শুরু করেন।

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা যখন শীর্ষে উঠছে তখন মানুষ কাজে ফিরতে শুরু করেছে

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    ৮০০০এর বেশি মানুষ করোনা সংক্রমণের শিকার হয়ে মারা গেছে

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    ভারতে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় পরীক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে কম

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    ভারত এখনও সরকারিভাবে কম্যুনিটি সংক্রমণের কথা অস্বীকার করছে।

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

    হটস্পট শহরগুলোতে হাসপাতালে রোগী উপছে পড়ছে

  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন
  • করোনা ভাইরাস ভারতে দ্রুত বেড়ে চলা কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

দৈনন্দিন

সিদ্ধ করে রাখা ডিম কতক্ষণ পর্যন্ত খাওয়া উচিত

সিদ্ধ করা ডিম সব কিছুরই সঙ্গে খেতে ভালো লাগে। অনেকেই অফিসের টিফিনেও ডিমসিদ্ধ নিয়ে যেতে পছন্দ করেন। কিন্তু সকালে সিদ্ধ করে রাখা ডিম দুপুরবেলায় খাওয়া কি ঠিক? বা সিদ্ধ করা ডিম কতক্ষণ ভালো থাকে?

ঠিক ভাবে রাখতে পারলে সিদ্ধ করা ডিম ফ্রিজে সপ্তাহখানেক ভালো থাকে, কিন্তু তারপরই তা নষ্ট হয়ে যেতে থাকে। আর ডিম যদি ফ্রিজে না রাখেন তাহলে সিদ্ধ করার অন্তত ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে ডিম খেয়ে ফেলা উচিত। কারণ ডিম খুব তাড়াতাড়িই নষ্ট হয়ে যায়। সেই কারণে বিশেষজ্ঞরা বার বার টাটকা ডিমই খেতে পরামর্শ দেন।

সিদ্ধ করা ডিম ভালো রাখার জন্য সবার আগে তাপমাত্রার দিকটা খেয়াল রাখা উচিত। কারণ ডিম সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রা হওয়া জরুরি। এই তাপমাত্রায় রেখে ডিম খোসাসহ ফ্রিজে রেখে দিলে সপ্তাহখানেক ভালো থাকবে। কোনও ভাবেই খোসা ছাড়ানো সিদ্ধ করা ডিম ফ্রিজে রাখবেন না। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

নিয়মিত ঠান্ডা পানি পানে স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে

লেখক

আমাদের মধ্যে অনেকেই সাধারণ তাপমাত্রার পানির থেকে ঠান্ডা পানি পান করতে বেশি পছন্দ করেন। ঠান্ডা পানি পানে স্বাস্থ্যের ওপর যেমন ভাল প্রভাব পড়ে, তেমন বেশ কিছু ক্ষতিকারক প্রভাবও পড়ে। তাহলে জেনে নিন অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করলে স্বাস্থ্যের উপর কেমন প্রভাব পড়ে:হার্ট রেট কমে যেতে পারেঠান্ডা পানি পান করার একটি ক্ষতিকারক দিক হলো, হার্ট রেট কমে যাওয়া। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ঠান্ডা পানি কেবল হৃদস্পন্দনকেই কমায় না, এটি ভ্যাগাস নার্ভকেও উদ্দীপিত করে। নার্ভটি শরীরের অনিচ্ছাকৃত কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। ভ্যাগাস নার্ভের উপর ঠান্ডা পানি সরাসরি প্রভাব ফেলে, ফলে হার্ট রেট কমে যায়।\

শরীরকে শক দিতে পারেকঠোর পরিশ্রমের পর কখনোই ঠান্ডা পানি পান করা উচিত নয়। তবে অনেকেই কঠোর পরিশ্রমের পর ঠান্ডা পানি পান করতে পছন্দ করেন, বিশেষ করে গরমকালে শরীরচর্চা করার পর। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরচর্চার পর ঈষদুষ্ণ পানি পান করা উচিত। কারণ শরীরচর্চার সময় শরীরে প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন হয়। তাই ওই সময় ঠাণ্ডা পানির সেবন, শরীরের তাপমাত্রায় অসামঞ্জস্যতা আনতে পারে। যার ফলে হজমে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। তাছাড়া শরীরচর্চার পরপরই ঠান্ডা পানি পান করলে, দীর্ঘস্থায়ী পেটে ব্যথা হতে পারে, কারণ অত্যন্ত ঠান্ডা পানি আমাদের শরীরে শক দেয়। ফ্যাট ব্রেকডাউনে প্রভাব ফেলেখাবার খাওয়ার পরই ঠান্ডা পানি পান করলে তা শরীরের ফ্যাট ব্রেকডাউনের ক্ষমতাকে হস্তক্ষেপ করে। ঠান্ডা পানি খাবার থেকে আসা ফ্যাটকে শক্ত করে। ফলে শরীর থেকে অবাঞ্ছিত ফ্যাট ব্রেকডাউন কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া, খাবার খাওয়ার পর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করতে চাইলেও কমপক্ষে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর পান করা ভাল। 

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারেহজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখার জন্য ঘরোয়া তাপমাত্রার পানি পান করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তবে ঠান্ডা পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মূল কারণ হল, ঠান্ডা পানি পান করার ফলে খাদ্য শক্ত হয়ে যায় এবং শরীরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া, অন্ত্রও সংকুচিত হয়, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম প্রধান কারণ। হজমে প্রভাব ফেলেঠান্ডা পানি হজমে গুরুতর প্রভাব ফেলে। ঠান্ডা পানি এবং কিছু ঠান্ডা পানীয় রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে এবং হজমেও প্রভাব ফেলে। ঠান্ডা পানি পান করার ফলে, হজমের সময় পুষ্টি শোষণের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাথার চুল বাড়ায় শিউলি ফুল!

লেখক

সকালে শিশির মাখা শিউলি ফুল দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। শিউলি মূলত শরতেরই ফুল। তবে শিউলির শোভা ও সৌরভ হেমন্তেও কিছুটা থাকে।

রূপেগুণে পরিপূর্ণ এই ফুল। সুবাস ছড়ানোর পাশাপাশি নানা রকম ওষুধি গুণে ভরপর এই ফুল। অনেকের কাছে এই ফুলটি খুবই প্রিয়। নানা কাজে শিউলি ফুল ব্যবহার করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক শিউলি ফুলে গুণগুলো।

আর্থারাইটিস ও সাইটিকার ব্যাথা সারাতে: প্রতিদিন সকালে চায়ের মতো এক কাপ পানিতে দুটি শিউলি ফুলের পাতা ও দুটি তুলসী পাতা ফুটিয়ে, ছেঁকে নিয়ে তা পান করুন। এতে আপনার আর্থারাইটিসের ও সাইটিকার ব্যাথা কমবে। নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ খেলে এই ব্যাথা দূর হবে।

ব্রণের সমস্যা সমাধানে: ব্রণ দূর করতে দারুণ কাজ করে শিউলি। কারণ এতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি গুণ। যা আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারি। এটি মুখের ব্রণ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

গলার আওয়াজ: কারণে-অকারণে গলার আওয়াজ বসে যায়? তবে আপনি শিউলি পাতার রস ২ চামচ পরিমিত মাত্রায় গরম করে দিনে দুইবার খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

জ্বর কমাতে: জ্বর কমাতে বেশ সাহায্য করে শিউলি। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর কমাতে শিউলির চা পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

কৃমি ও মেদ সমস্যা সমাধানে: শিউলিফুলের পাতার  রস অল্প গরম করে নিয়মিত কয়েকদিন খান। কৃমি সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। এছাড়া শিউলি গাছের ছালের চূর্ণ সকালে ও বিকালে গরম পানিতে খেলে মেদ কমে।

ম্যালেরিয়ার পর: গবেষণা দেখা গেছে, ম্যালেরিয়ার সময় শিউলি পাতার বাটা খেলে এই রোগের উপসর্গগুলো কমতে শুরু করে। ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলো নষ্ট হয়, রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়ে। 

মাথার চুল বাড়ায়: শিউলি ফুলের পাতা নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে নিন। এরপর পাতা ফেলে দিয়ে তেল সংরক্ষন করুন। এই তেলের ব্যবহারে আপনার মাথার চুল বাড়তে পারে।

শিউলি গাছের নির্যাস প্রাণীদের পাকস্থলিতে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া মানব দেহে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা গবেষণায় পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে শিউলি গাছের যাবতীয় অংশ সেবন করতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

হিজাবিদের চুলে খুশকি, সমস্যার সমাধান কী?

লেখক

হিজাব পরেন এমন অনেকেই প্রায়ই জানতে চান, কীভাবে চুলের যত্ন নিলে এবং কোন প্রোডাক্টগুলো ব্যবহার করলে খুশকিসহ চুলের এমন কমন কিছু সমস্যা থেকে সহজেই পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। তাই আজকে জেনে নেব, কী কী কারণে হিজাবিদের চুলে খুশকি বেড়ে যেতে পারে এবং এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী কিছু সমাধান। হিজাবিদের চুলে খুশকির উপদ্রব সাধারণত বেশি দেখা যায়! কিন্তু কেন? যেকোনো সমস্যা শুরু হওয়ার আগেই যদি তা প্রতিহত করা যায়, এর চেয়ে ভালো সমাধান আর কী হতে পারে? হিজাবিদের কিছু অসচেতনতা এবং লাইফস্টাইলে অসাবধানতার কারণেও কিন্তু দেখা দিতে পারে খুশকিসহ নানান হেয়ার সমস্যা। তাই শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক, হিজাবিদের চুলে খুশকির উপদ্রব কেন বেশি দেখা যায়। 

  • টানা অনেকক্ষণ ধরে হিজাব পরে থাকলে

হিজাবিদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কোনো রকম ব্রেক না দিয়ে সারাদিন লম্বা সময় ধরে হিজাব পরে থাকেন। এর ফলে চুলে এবং চুলের গোঁড়ায় বাতাস স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করতে পারে না। তাই চুলের গোঁড়া তেল চিটচিটে হয়ে খুশকির সৃষ্টি হয়। 

  • তাড়াহুড়া করে চুল না শুকিয়েই হিজাব পরা হলে

কোথাও বের হওয়ার আগে শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে গোসল করে হিজাব পরেই বের হয়ে যাওয়া অনেকের একটি কমন অভ্যাস, যা চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ভেজা অবস্থায় কোনোভাবেই চুলে হিজাব পরবেন না। 

  • খুব টাইট করে চুল বাঁধা হলে

চুল খুলে যাওয়া বা বের হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই খুব টাইট করে চুল বেঁধে রাখেন। এতে চুলের গোঁড়া দ্রুত ঘেমে যায়। আর এই ঘাম থেকেই পরে খুশকির সৃষ্টি হয়। 

  • বাতাস প্রবেশে বাঁধা পায় এমন কাপড়ের হিজাব ব্যবহার করলে

হিজাবের কাপড় বাছাই করার সময় এমন কাপড় বেছে নিতে হবে যা আরামদায়ক এবং যা দিয়ে সহজেই মাথায় বাতাস প্রবেশ করতে পারে। বাতাস প্রবেশ না করার ফলে চুলের গোঁড়ায় ঘাম জমে খুশকি বেড়ে যায়। 

  • হিজাবের কাপড় ব্যবহারের সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে

হিজাবের কাপড় নিয়মিত ভালোভাবে পরিষ্কার করা না হলে, এতে মাথার ত্বকের ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণ বেড়ে যায়। তাই কোনোভাবেই ময়লা হিজাব ব্যবহার করা যাবে না। 

  • সঠিক ভাবে হেয়ার কেয়ার করা না হলে

হিজাবিদের মধ্যে অনেকেই রেগুলার হেয়ার কেয়ারে প্রচণ্ড অনীহা করে থাকেন। অথচ হিজাবিদের সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চার দিন বা প্রয়োজন বুঝে নিয়মিত ভালো মানের শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে।

তাই, যারা হিজাব পরেন তাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে চুলের সুরক্ষার পাশাপাশি চুলকে খুশকিমুক্ত এবং অয়েল ফ্রি রাখতে উপরের কাজগুলো করা থেকে নিজেদের বিরত রাখা ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

হার্ট অ্যাটাকের ১ মাস আগেই দেহ এই ৫টি সিগনাল দেয়!

লেখক

# অস্বাভাবিক রকমের শারীরিক দুর্বলতা: রক্তপ্রবাহ কমে গেলে এবং রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে এমনটা হয়। রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোতে চর্বি জমে বাধা সৃষ্টি করলে এবং মাংসপেশী দুর্বল হয়ে পড়লে হৃদরোগের প্রধানতম এই লক্ষণটি দেখা দেয়।# ঝিমুনি: দেহে রক্তের প্রবাহ কমে গেলে ঝিমুনিও দেখা দেয়। মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ কমে গেলে ঝিমুনির সৃষ্টি হয়।# ঠাণ্ডা ঘাম: রক্তপ্রবাহ কমে গেলে দেহে ঘাম ঝরলে স্যাঁতসেঁতে ও ঠাণ্ডা ভাব অনুভূত হবে।

ব্যথা: বুক, বাহু, পিঠ এবং কাঁধে ব্যথা অনুভূত হলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বুকে ব্যথা এবং সংকোচন হৃদপিণ্ডের অসুস্থতার একটি বড় লক্ষণ।# শ্বাসকষ্ট: ফুসফুসে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন এবং রক্ত সরবরাহ না হলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। হার্টের সমস্যা থাকলে ফুসফুসে রক্ত চলাচল কমে যায়। আর শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস ছোট হয়ে আসার মতো সমস্যা দেখা যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com