আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

বয়স বাড়িয়ে দেয় যে খাবার

বয়স বাড়িয়ে দেয় যে খাবার
বয়স বাড়িয়ে দেয় যে খাবার

একেকজনের খাদ্যাভ্যাস একেকরকম। কেউ শাকসবজি খেতে বেশি ভালোবাসেন, কেউ বা মাছ-মাংস। কারো বা আবার ফাস্টফুড ধরনের খাবারের প্রতি আগ্রহ বেশি থাকে। সব খাবারই যে আমাদের শরীরের জন্য উপকারী তা কিন্তু নয়। বরং অনেক খাবার খেতে সুস্বাদু হলেও তা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। কিছু খাবার আছে যা আমাদের বয়সের আগেই বয়স বাড়িয়ে দেয়।

ফ্যাট ও অতিরিক্ত ক্রিমযুক্ত কেক, পেস্ট্রি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ এগুলো আপনাকে দ্রুত বয়স বাড়িয়ে দেয়।

যদি চান চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে, আজই নিয়মিত চিপস ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খাওয়া বন্ধ করুন।

মদ্যপান ও ধূমপান বন্ধ করুন। এগুলো শরীরের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনই দ্রুত আপনার বয়স বাড়িয়ে দেয়।

কোল্ড ড্রিঙ্ক বা মকটেলেও ফ্যাট থাকে, যার ফলে বার্ধক্য তাড়াতাড়ি আসে।

অনেকেরই অভ্যাস থাকে খাবারে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার। চেহারায় বয়সের ছাপ ফেলতে অতিরিক্ত লবণই যথেষ্ট। তাই খাবারে বেশি লবণ খাবেন না।

বার্গার, পিৎজাসহ বিভিন্ন রকমের ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন।

এনার্জি ড্রিঙ্ক খেলে সাময়িক শক্তি পেলেও, বয়সের ছাপ তাড়াতাড়ি আসে।

দৈনন্দিন

হেমন্তের সর্দি-কাশি সারাবে ‘বেসন শিরা’

শীত প্রায় চলেই এলো! দিনে গরম পড়লেও রাত থেকেই তামপাত্রা কমতে শুরু করেছে। ভোরে ঠান্ডা অনুভূতি পেতে শুরু করেছেন নিশ্চয়ই! ঋতু পরিবর্তনের এই সময় সর্দি-কাশি, বুকে কফ জমার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই।

হেমন্তের এই মৌসুমে তাপমাত্রার তারতম্যে সর্দি-কাশির সমস্যা ছোট-বড় সবারই হয় কমবেশি। যদিও অনেকেই সর্দি-কাশির সমস্যকে তেমন গুরুত্ব দিতে চান না। তবে এ সমস্যার সঠিক চিকিৎসা করা না হলে বুকে শ্লেষ্মা বা কফ জমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে শ্বাসযন্ত্রে।

সর্দি-কাশির সমস্যা সারাতে এ সময় ভরসা রাখতে পারেন আয়ুর্বেদিক ওষুধে। আর সেই ওষুধ হলো বেসনের শিরা। যা সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগার সমস্যা নিরাময়ে খুবই কার্যকরী।

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, আদা, কালো গোল মরিচ, হলুদ ও বেসনে উপস্থিত বিভিন্ন গুনাগুন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা উপাদানসমূহ শরীরে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বা অ্যান্টিভাইরাল হিসেবে কাজ করে। বেসন শিরা খেলে মুহূর্তেই সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ ভাব ও গলা ব্যথা সেরে যাবে।

পাঞ্জাবের এই প্রাচীন টোটকা তৈরিতে প্রয়োজন হয় বেসন, ঘি, দুধ, হলুদ ও কালো গোল মরিচ। হলুদ ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, ঘি ও গুড় শরীরকে গরম রাখে।

এই পানীয় গলা ব্যথা ও ফ্লু’র অন্যান্য উপসর্গ থেকে মুক্তি দেয়। চাইলে চিনি ও গুড় যোগ করেও এই পানীয় আরও সুস্বাদু করতে পারেন। ‘বেসন শিরা’ অনেকটা হালুয়ার মতো খেতে।

অসুস্থ ও দুর্বল শরীরকে মুহূর্তেই চাঙা করে তুলতে সাহায্য করে বেসন। এ ছাড়াও বেসনে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা ঠান্ডা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর।

বেসন শিরা তৈরির উপায়

একটি পাত্রে ৩-৪ চামচ ঘি গরম করে সামান্য বেসন ভেজে নিন। বেসনের রং গাঢ় হয়ে এলে এতে দুধ দিয়ে আবারও নাড়তে থাকুন। ৫ মিনিট পর হলুদ ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন।

সবশেষে এর মধ্যে সামান্য গুড় দিয়ে হালকা আঁচে আরও ৫-৭ মিনিট নেড়ে নামিয়ে নিন। স্বাদ বাড়াতে বেসন শিরায় সামান্য বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিতে পারেন। গরম থাকতে থাকতেই খেয়ে নিন বেসন শিরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

যে ৫ সবজি বেশি খেলেই বিপদ!

শরীর সুস্থ রাখতে শাক-সবজি খাওয়ার বিকল্প নেই। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবজি রাখা জরুরি। একেক সবজি থেকে ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টিগুণ মেলে। আর তাই তো স্বাস্থ্য সচেতনরা অবশ্যই খাদ্যতালিকায় সবজি রাখেন।

বর্তমানে অনেকেই ওজন কমাতে কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে পাতে প্রোটিন ও ভিটামিন বেশি রাখেন। তাই অনেকেই এখন ভাত-রুটি কমিয়ে শাক-সবজি বেশি করে খান।

তবে জানেন কি, অতিরিক্ত সবজি খাওয়াও বিপদের কারণ হতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কোন সবজি বেশি খেলে শরীরে খারাপ প্রভাব পড়ে-

>> স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে মাশরুম খুবই প্রিয় এক সবজি। বিশেষ করে বাহারি সব পদে ব্যবহার করা হয় এটি। মাশরুমে ভিটামিন ডি’সহ অনেক পুষ্টিগুণ আছে।

তবে অ্যালার্জির সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের মাশরুম খেলে সমস্যা হতে পারে। তা ছাড়াও এমন কিছু মাশরুম যা এতোটাই বিষাক্ত যে, হাত দিলেও বিপদ!

>> প্রতিদিন পাতে এক টুকরো লেবু না থাকলে খাবারের স্বাদই বাড়ে না। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, তা সবারই জানা। তবে লেবুর অ্যাসিডিক উপাদান বেশি শরীরে গেলেও ক্ষতি হতে পারে।

বিশেষ করে দাঁতের ক্ষয় হয়। আবার অনেকে শরীরের বিপাক হার বাড়াতে খালি পেটে গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খান। তবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় যারা ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এটি বদহজম ও পেট ব্যথার কারণ হতে পারে।

>> বাজারে এখন ফুলকপি উঠেছে। এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অনেক কম। যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য ফুলকপি অনেক উপকারী।

তবে এই সবজিতে এমন এক পদার্থ থাকে, যা বদহজমের কারণ হতে পারে। তাই ফুলকপি বেশি খেলে পেট ভার হয়ে থাকাসহ অ্যাসিডিটির মতো নানা সমস্যা হয়। আবার বর্ষায় বা গরমে ফুলকপি খেলেও অনেকের সমস্যা হয়।

>> লাল টকটকে বিটরুটে অনেক পুষ্টিগুণ থাকে। বিশেষ করে যারা ওজন কমাতে চান, তাদের ডায়েটে বিট থাকবেই। তবে এই সবজিও বেশি খেলে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

>> গাজরে আছে বিটা ক্যারোটিন। যা বেশি পরিমাণে শরীরে গেলে, ত্বকের রং বদলে কমলা হয়ে যেতে পারে।

আবার ভিটামিন সি’তে ভরপুর গাজর খেলে দাঁত, চোখ ভালো থাকে। তবে গাজরও মেপে খাওয়াই ভালো।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

গিঁটে ব্যথা যে মারাত্মক রোগের লক্ষণ

গিঁটে ব্যথায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষ করে মধ্য বয়স্করা এই সমস্যায় বেশি কষ্ট পান। এটি মূলত রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ।

এই রোগে আক্রান্ত রোগীরা হাঁটু, গোড়ালি, পিঠ, কব্জি বা ঘাড়ের জয়েন্টগুলোতে ব্যথার অনুভূত হয়।

রিউমাটয়েড আর্থরাইটিসকে অনেকে শুধু হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা বলেই মনে করেন। তবে এই অসুখ শুধু তা নয়।

এ রোগের কারণে হাড়ে ব্যথার পাশাপাশি আরও বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

jagonews24

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের সমস্যা রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এই রোগের কারণে হাড়ে প্রদাহ ও ব্যথা বাড়ে।

সমস্যাটি অতিরিক্ত পর্যায়ে পৌঁছালে চোখ, ত্বক, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীতেও মারাত্মক প্রভাব পড়ে।

যদিও রাতারাতি এই অসুখ সারানো যায় না। তবে প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি ধরা পড়লে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে। গিঁটে ব্যথা ছাড়াও এ রোগে আরও যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়-

>> অতিরিক্ত ক্লান্তি সব রোগেরই প্রাথমিক লক্ষণ। ঠিক তেমনই রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসও এই অসুখের ইঙ্গিত দেয়।

>> প্রায়ই জ্বর আসছে? তাহলে নিশ্চয়ই শরীরে কোনো রোগ বাসা বাঁধছে। যা জ্বরের মাধ্যমে জানান দেয়। যদি প্রায়ই হঠাৎ করে জ্বর আসে বা শরীরে জ্বরজ্বর ভাব থাক, তাহলে রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ হতে পারে।

jagonews24

>> হঠাৎ করেই হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া এই রোগের আরেকটি লক্ষণ। হাত ও পায়ের জোরও কমে যেতে পারে এ কারণে।

>> যদি হাত-পায়ে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যথা থাকে, তাহলে সতর্ক হওয়া জরুরি। রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস হলে যে প্রচণ্ড ব্যথা হয় তা কিন্তু নয়। শুরুর দিকে এক্ষেত্রে কম ব্যথা থাকে।

>> রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের আরও একটি মারাত্মক লক্ষণ হলো, চোখ লাল হয়ে যাওয়া।

>> এ ছাড়াও ওজন কমতে শুরু করলেও সতর্ক হতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

খাবারের ফরমালিন দূর করবেন যেভাবে

এখন বাংলাদেশে ফরমালিন ছাড়া খাবারজাতীয় কোনো কিছু পাওয়া এককথায় অসম্ভব। ফলে ফরমালিনযুক্ত খাবার খেয়ে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। তবে একেবারে সহজ কিছু উপায় অবলম্বন করে খাদ্য থেকে ফরমালিন দূর করা যায়।


অনেকেরই ধারণা, ১৫ থেকে ২০ মিনিট বিশুদ্ধ পানিতে ডুবিয়ে রাখলে খাদ্যদ্রব্য থেকে ফরমালিন দূর হয় বা কমে যায়। অাসলে কমলেও তা অতটা কার্যকর নয়। তার চেয়ে বরং কাঁচা অবস্থায় খাবার থেকে ফরমালিন অপসারণ করতে চাইলে পানির কল ছেড়ে তার নিচে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। কারণ কাঁচাসবজি ও ফলের ত্বকে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে। অার পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ফরমালিন আরো ভালোভাবে খাবারে মিশে যেতে পারে। তাই পানির কল ছেড়ে তার নিচে নির্দিষ্ট খাবার দ্রব্য বা ফলটি রেখে দিন।ভিনেগার বা লেবুর রসে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখেও ফরমালিন দূর করা যায়। আগুনের তাপে ফরমালিন অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্নার আগে ফরমালিন কমানোর পদ্ধতি ব্যবহার করে রান্না করলে খাবার পুরোপুরি ফরমালিন মুক্ত করা সম্ভব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

অ্যালোভেরার যত গুণ

প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর গুনের কোনো সীমা পরিসীমা নেই। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিন-এ, বি৬ ও বি২ ইত্যাদি, যা স্বাস্থ্যরক্ষার বিভিন্ন কাজে লাগে।

অ্যালোভেরার গুণাগুণ;অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।
অ্যালোভেরায় মিনারেল, অ্যামিনো অ্যাসিডসহ নানা পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। যা হাড় ও মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে।
দেহে ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করলে তা অপসারণ করতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা।

অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ওষুধের কাজ করে। বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায় এটি। অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরার জুস ক্লান্তি দূর করে দেহকে সতেজ করে।

নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে হজম শক্তি বাড়ে। পরিপাক তন্ত্রের নানা জটিলতা সারাতেও সাহায্য করে অ্যালোভেরা।    

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যালোভেরা। এটি দেহে সাদা ব্লাড সেল গঠন করে যা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে।

সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

ওজন কমাতে অ্যালোভেরার জুস অনেক বেশি কার্যকরী। অ্যালোভেরা জুসের অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান শরীরের জমে থাকা মেদ দূর করে এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ওজন কমাতে সাহায্য করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com