আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

লাইভস্টক

যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

 যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি
যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

চিকিৎসকরা গরু বা খাসির মাংস থেকে দূরে থাকতে বলেন। ফলে বাধ্য হয়ে ঝুঁকতে হয় মুরগির দিকে। কিন্তু প্রতিদিন এতো মুরগি পাওয়াও মুশকিল। তাই কৃত্রিম উপায়ে প্রজনন বাড়িয়ে বাজারে বিক্রি করা হয় ‘ব্রয়লার মুরগি’। এদিকে ভারতীয় কিছু গণমাধ্যমে উঠে এসেছে ব্রয়লার মুরগির ক্ষতিকর দিক। মানুষ তবে খাবে কী?

প্রতিবেদনে বলা হয়, মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ভিটামিন এ, বি ও ডি থাকে। আর এসবের জন্য ব্রয়লার মুরগিকে কম সময়ে মোটা করার জন্য সিনথেটিক হরমোন দেওয়া হয়। যা মানুষের প্রজনন ক্ষমতার ব্যাঘাত ঘটায়। শুধু তা-ই নয়, ব্রয়লার মুরগি রান্না করার সময় তাপমাত্রা বেশি রাখতে হয়, যা কারসিনোজেনিক নামে এক পদার্থ তৈরি করে। এই পদার্থ মানব শরীরে ক্যান্সারের জন্ম দিতে পারে।

সূত্র জানায়, ব্রয়লার মুরগি যাতে সুস্থ থাকে, সে জন্য তাদের শরীরে আর্সেনিক প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু এই রাসায়নিক পদার্থ মানব শরীরের জন্য একেবারেই ঠিক নয়। যার ফলে ডায়াবেটিস, নিউরোলজিক্যাল সমস্যা ও ক্যান্সার হতে পারে।

 যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি
যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

ব্রয়লার মুরগিতে ফাইবার খুবই কম থাকে, কিন্তু ক্যালোরি থাকে প্রচুর পরিমাণে। যে কারণে শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব থাকায় মানুষের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক-রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব কমে যায়।

এসব মুরগিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবায়োটিক থাকায় মানুষের ব্রেনের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। এর ফলে নিউরোলজিক্যাল সমস্যাও হতে পারে।

 যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি
যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

এখন কথা হচ্ছে- শুধু খাওয়ার জন্যই এ ধরনের মুরগি বড় করা হয়। এরা ডিম পাড়ে না। ১০-১২ সপ্তাহের মধ্যেই এরা বেড়ে ওঠে এবং বিক্রি করে দেওয়া হয় পোলট্রি বাজারে। তাহলে এই মুরগি আসলে কতটাই স্বাস্থ্যসম্মত হতে পারে?

  • যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

    যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

  • যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

    যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

  • যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

    যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

  • যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি
  • যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি
  • যেভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে ব্রয়লার মুরগি

বাংলাদেশ

কোরবানির ঈদে কি বাড়ি ফেরা যাবে?

ঈদের সময় রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরবাসী মানুষের গ্রামে ফেরা আমাদের ঐতিহ্যে রূপ নিলেও তাতে বাধ সেধেছে করোনা মহামারি। ঈদুল ফিতরের সময় বন্ধ ছিল গণপরিবহন, চলাচলেও ছিল নিষেধাজ্ঞা। স্বাভাবিকভাবে বাড়ি ফেরার সুযোগ ছিল না কারো। যদিও গত ঈদে ব্যক্তিগত গাড়িতে বাড়ি ফেরার সুযোগ দিয়েছিল সরকার।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলেও গত কয়েক মাসের কড়াকড়ি অবস্থা থেকে বেরিয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে জীবনযাত্রা। তাই নগরে থাকা মানুষের জানতে চাওয়া-তবে কি আগামী ঈদে বাড়ি ফেরা যাবে?

মার্চ মাসের শুরুতে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী প্রথম ধরা পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমাবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী গত ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ছিল। পরে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দেয়া হয়, চালু করা হয় গণপরিবহন। পরে এই ব্যবস্থা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। এখন তা বহাল থাকবে ১ জুলাই থেকে আগামী ৩ আগস্ট পর্যন্ত

তবে কেউ কেউ বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এখন গণপরিবহন চলাচল করলেও ঈদের সময় তা অব্যাহত থাকলে করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ঈদের সময় চলাচলের সুযোগ করে দিলে একসঙ্গে অনেক মানুষ হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব হবে না। সরকারও এত মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান জাগো নিউজকে বলেন, ‘মানুষ নিজেরা যদি সচেতন থাকে তবে ঝুঁকিটা কম। মানুষকে তো আটকানো যায় না, পৃথিবীর কোনে দেশই তা পারেনি। তবে প্রত্যেকে সচেতন থাকলে নিরাপদ থাকা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে যদি সচেতন থাকে তবে মুভ করলেও খুব বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ঈদে বাড়ি ফেরার বিষয়ে হয়তো কিছু নির্দেশনা থাকবে, সেটা ঈদের আগে জানিয়ে দেয়া হবে।’

সচিব আরও বলেন, ‘আমরা প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বলছি। মানুষ নিজেকে বাঁচানোর জন্য যদি সচেতন না হয় তবে আর কবে সচেতন হবে? সচেতনতাই এখন আমাদের একমাত্র বাঁচার উপায়।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান জাগো নিউজকে বলেন, ‘মানুষ নিজেরা যদি সচেতন থাকে তবে ঝুঁকিটা কম। মানুষকে তো আটকানো যায় না, পৃথিবীর কোনে দেশই তা পারেনি। তবে প্রত্যেকে সচেতন থাকলে নিরাপদ থাকা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে যদি সচেতন থাকে তবে মুভ করলেও খুব বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ঈদে বাড়ি ফেরার বিষয়ে হয়তো কিছু নির্দেশনা থাকবে, সেটা ঈদের আগে জানিয়ে দেয়া হবে।’

সচিব আরও বলেন, ‘আমরা প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বলছি। মানুষ নিজেকে বাঁচানোর জন্য যদি সচেতন না হয় তবে আর কবে সচেতন হবে? সচেতনতাই এখন আমাদের একমাত্র বাঁচার উপায়।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

করোনায় কুরবানি করা নিয়ে যা বলল দেওবন্দ

করোনায় কুরবানি করা নিয়ে যা বলল দেওবন্দ
করোনায় কুরবানি করা নিয়ে যা বলল দেওবন্দ

প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের এ সময়ে পবিত্র ঈদুল আজহা সন্নিকটে। করোনায় পশু জবেহ না করে কুরবানির টাকা দান করা যাবে কি? করোনার এ সংকটকালীন সময়ে কুরবানি নিয়ে মতামত জানিয়েছে উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ। দেওবন্দের অনলাইন ফতোয়া সাইট এ বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মী উৎসব ঈদ। ঈদুল ফিতরে মুমিন মুসলমান ফিতরা আদায় করেন। আর ঈদুল আজহায় সামর্থবান কিংবা নিসাব পরিমান সম্পদের মালিকরা পশু কুরবানি করে থাকেন। আর তা সম্পদশালীদের জন্য ওয়াজিব বা আবশ্যক কাজ।

চাঁদ দেখা সপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই কিংবা ১ আগস্ট অনুষ্ঠি হবে এ ঈদ। আর এ দিন মুসলিম উম্মাহ পশু জবেহের মাধ্যমেই পালন করবে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত কুরবানি।

বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবে এ সময়ে কুরবানি না করে এ অর্থ গরিব-অসহায়দের মাঝে দান করার বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ সম্পর্কে দেশ-বিদেশের অনেক ইসলামিক স্কলার তাদের মতামত সুস্পষ্ট করেছেন।

দারুল উলুম দেওবন্দও তাদের অনলাইন ফতোয়া সাইটে মতামত তুলে ধরেছে। কুরবানির পশু জবাই না করে সে অর্থ অন্যদের মাঝে বিতরণ সম্পর্কে তারা জানিয়েছে যে,-
‘পশু কুরবানির বিকল্প নেই৷ কুরবানি না করে তার অর্থ দান করা যাবে না।’

তবে কেউ যদি কুরবানির জন্য নির্ধারিত দিনে কোনো কারণে কুরবানি আদায় করতে সক্ষম না হয় তবে কুরবানির সমপরিমাণ অর্থ গরিব-অসহায়দের মাঝে বিতরণ করতে হবে বলেও জানিয়েছে দারুল উলুম দেওবন্দ।

তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কুরবানি বিধান পালন করতে হবে। কুরবানি পরবর্তী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেছে দারুল উলুম দেওবন্দ।

ঈদের নামাজ পড়া সম্পর্কে দারুল উলুম দেওবন্দ আরও ঘোষণা করে যে, ঈদুল আজহার নামাজও মুসলিমরা বাড়িতেই আদায় করবে। যেভাবে ঈদুল ফিতরের নামাজ ভারতের মুসলিমরা বাড়িতে আদায় করেছিল। দারুল উলুম দেওবন্দের শরিয়াহ কাউন্সিল সবার প্রতি তা পালনে উদ্বাত্ত আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য যে, হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম পশু কুরবানির মাধ্যমে এ ইবাদত চালু করেছিলেন৷ বিশ্বনবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়েও তা যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম কুরবানি আদায়ে কোনো মুমিন মুসলমানেরই বিরত থাকা ঠিক নয়।

কেননা কুরবানি নাম ইবাদতের মাধ্যমে মুমিন মুসলমান মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে থাকে। এ ইবাদতের মাধ্যমেই মুমিন মুসলমানের সঙ্গে মহান আল্লাহর নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়। কেননা কুরবানির পশুর রক্ত, গোশ্ত বা হাড় কোনো কিছুই মহান আল্লাহর কাছে পৌঁছে না; বরং মানুষের কুরবানির করার নিয়ত বা মনের সংকল্পই মহান আল্লাহর কাছে পৌঁছে। তাই এ ইবাদতের মাধ্যমেই বান্দা সহজে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে সক্ষম হয়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুরবানি আদায় করে তার নৈকট্য অর্জনের তাওফিক দান করুন। গরিবদের মাঝে অর্থ সাহায্যের নামে কুরবানি থেকে বিরত থাকা থেকে হেফাজত করুন। কুরবানি করে গোশ্ত ও চামড়ার অর্থ বিতরণ করে গরিব-অসহায়দের মাঝে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

কোরবানির চামড়া প্রক্রিয়াকরণ-পরিবহনে শিশুদের নিযুক্ত নয়

কোরবানির চামড়া প্রক্রিয়াকরণ-পরিবহনে শিশুদের নিযুক্ত নয়
কোরবানির চামড়া প্রক্রিয়াকরণ-পরিবহনে শিশুদের নিযুক্ত নয়

ট্যানারি শিল্পসহ কোরবানির চামড়া প্রক্রিয়াকরণ ও পরিবহনে শিশুদের নিযুক্ত করা যাবে না। এ কাজে যাতে শিশুদের নিযুক্ত করা না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আজহার পর কাঁচা চামড়া বহন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজে শিশুদের নিযুক্ত করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। চামড়া প্রক্রিয়াকরণে এসিডসহ অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার করার কারণে এবং চামড়া শিল্পের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর ও দুর্গন্ধযুক্ত হওয়ায় তা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকাতেও চামড়া শিল্পের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত আছে।

তাই পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্যানারি শিল্পসহ অন্যান্য অন্য কোথাও চামড়া পরিবহন বা প্রক্রিয়াকরণের কাজে যেন শিশুদের ( যাদের বয়স ১৪ বছর বয়স পূর্ণ হয়নি) নিযুক্ত করা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয় চিঠিতে।

জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। এই ঈদে মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করে থাকেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটে গরু কিনলে হাসিল মাফ

ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটে গরু কিনলে হাসিল মাফ
ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটে গরু কিনলে হাসিল মাফ

অনলাইনে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট’ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিত অনলাইন সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এ হাটের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসি ডিজিটাল গরুর হাট থেকে কেবল গরু কেনাই নয়, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে জবাই করে বাসায় পৌঁছেও দেয়া হবে। আমরা এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করলাম। এতে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। অনেক ভুলত্রুটি হতে পারে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে যত্রতত্র গরু বেচাকেনা বন্ধ এবং একটা সিস্টেমে আনা। ফলে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু কেনাবেচা করা যাবে। এছাড়া আধুনিক উপায়ে পশু কোরবানিও দেয়া যাবে।

কোরবানিকৃত পশুর রক্ত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও সুষ্ঠুভাবে করা যাবে। অনলাইনের মাধ্যমে পশু কেনাবেচা ও কোরবানি দেয়া হলে পশুর বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, যেগুলো আমরা ফেলে দিই, সেগুলো রফতানির জন্য সংরক্ষণ করা যাবে। চামড়া সংরক্ষণ আগের চেয়ে সহজ হবে। এটি একটি কম্পোজিট প্রক্রিয়া।

ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটে গরু কিনলে হাসিল মাফ
ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটে গরু কিনলে হাসিল মাফ

মেয়র বলেন, যারা অনলাইন থেকে গরু কিনবেন তাদের হাসিল দিতে হবে না। অনলাইন হাট থেকে কোরবানির দিন ৪০০, পরের দিন এক হাজার এবং তার পরের দিন ৬০০ গরু বিক্রয় করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল গরুর হাটের মাধ্যমে কোরবানি পশু ক্রয়ে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো। করোনার প্রাদুর্ভাব কমে গেলেও ভবিষ্যতে কোরবানি পশু ক্রয়ে এ ধরনের অনলাইন প্লাটফর্মের উপর নির্ভর করা যাবে।

ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সারের সঞ্চালনায় অনলাইন সভায় অন্যান্যের মধ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান এবং এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন

ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন
ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে কোরবানির পশু বিক্রির অনলাইন প্লাটফর্ম ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট’ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে কোরবানির পশু বিক্রির অনলাইন প্লাটফর্ম ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট উদ্বোধনে অনলাইনে এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

এটুআই ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সহযোগিতায় এই ই-হাটের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশেনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।

এছাড়াও যুক্ত ছিলেন সিপিডির সিনিয়র গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

আইসিটি ডিভিশন, মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সহযোগিতায় ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট বাস্তবায়ন করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com