আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

বেগুনি রঙের ধান চাষ করে সফল স্কুল শিক্ষক

বেগুনি রঙের ধান চাষ করে সফল স্কুল শিক্ষক
বেগুনি রঙের ধান চাষ করে সফল স্কুল শিক্ষক

ঝিনাইদহে ধান চাষে ভিন্নতা এনেছেন এক কৃষক। সবুজ পাতা নয়, বেগুনি পাতায় মোড়া পুরো ধানের ক্ষেত। এতে ব্যাপক সাড়া পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে। চারপাশে সবুজ ধানের সমারোহ। মাঝখানে বেগুনি রঙের পাতার ধান ক্ষেত। প্রথমবারের মতো এ ধান চাষ করে সফল হয়েছেন হাফিজুর রহমান নামের এক স্কুল শিক্ষক।

তিনি জেলার মহেশপুর উপজেলার আজমপুর ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের রমিজ উদ্দিনের ছেলে। হাফিজ গ্রামের দোবিলা মাঠে এ ধান চাষ করেছেন। ইতোমধ্যে তার জমির ধান কাটা শেষ। ফলনও বেশ ভালো। এতে খুব খুশি হয়েছেন তিনি।

হাফিজুর রহমান বলেন, ‘গত বছর কাছের এক আত্মীয়ের মাধ্যমে ৫শ গ্রাম ধানের চারা তৈরি করে ২৩ শতক জমিতে রোপণ করেন। বীজ থেকে চারা এবং রোপণের ১৪৫-১৫৫ দিনের মধ্যে এ ধান কাটার উপযোগী হয়ে যায়। পূর্ণ বয়সে ধান গাছের কাণ্ড ও পাতা বেগুনি রং ধারণ করে।’

বেগুনি রঙের ধান দেখে মানুষের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল সৃষ্টি হয়। তারা নানা ভাবে জানতে চেষ্টা করেন ধান সম্পর্কে। হাফিজ জানান, দ্রুত ফলন হওয়ায় এ জাতের ধানে রোগ বা পোকা-মাকড়ের আক্রমণ হয় না। গাছ শক্ত হওয়ায় ঝড়-বৃষ্টিতেও হেলে পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস বলেন, ‘বেগুনি রঙের ধান বিদেশি জাত নয়। দেশীয় শুক্রাণু প্রাণরস থেকে উৎপাদিত। এপি উফশি জাতের ধান। একর প্রতি ফলন ও পুষ্টিগুণ অন্য ধানের মতই। তবে বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধান নানা নামে পরিচিত।’

এগ্রোবিজ

নাগালের বাইরে সবজির দাম দিশেহারা মধ্য ও নিম্নআয়ের মানুষরা

শাকসবজির দাম চড়া হওয়ায় কষ্টে নিম্ন আয়ের মানুষ গাজীপুরের সবজির বাজারে বন্যার প্রভাব ছিল আগ থেকেই। এরসঙ্গে সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে আবারো। গত কয়েকদিনে কেজি প্রতি সবজির দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। কোনো কোনো সবজির দাম বেড়েছে আরো বেশী। আর ডিমের দামও বেড়ে গেছে।

[৩] বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে কাঁচা মরিচের দাম চড়া। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ২০০ টাকার ওপরে। সবজির দাম কয়েক সপ্তাহ ধরেই নিন্ম আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে। নতুন করে দাম বাড়ায় চাপে পড়েছে মধ্যম আয়ের মানুষও। করোনা দুর্যোগে মানুষের আয় কমায় বাজার করতে এখন সাধারণ ক্রেতারা হিমশিম খাচ্ছে।

[৪] বাজার ঘুরে ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অন্য বছরগুলোতে এ সময় বাজারে সবজির দাম সাধারণত কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে থাকে। বর্তমানে এসব সবজির দাম দেড় থেকে দুইগুণ বেড়েছে। কোনো কোনো সবজির দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। শীত মৌসুমের সবজি না আসা পর্যন্ত এমন দাম থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা। জয়দেবপুর বাজার, হাড়িনাল বাজার, রথখোলা কাচাবাজার, চৌরাস্তা বাজার ও চৌরাস্তার আড়ৎদাররা বলছেন, করোনার প্রভাব কমলেও উত্তরাঞ্চলে বন্যা থাকায় আড়তে সবজি কম আসছে। এরপর বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক সবজি ক্ষেত। এহেন বন্যা পরিস্থিতিতে সব সবজির দাম বেশি।

[৫] গাজীপুর শহরের সড়কে ও আবাসিক এলাকায় রিক্সাভ্যানে বিক্রেতারা করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, হাইব্রিড করলা ৭০ টাকা, প্রতি কেজি বরবটি ৭০টাকা, চিচিংগা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি করছে। টমেটোর কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, গাঁজর ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং স্থানিয় কৃষকদের ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

[৬] এসব সবজি বাজার ও মান ভেদে গত দুই মাস আগে ২০ টাকা পর্যন্ত কমে পাওয়া গিয়েছিল। কিছুটা কমে পাওয়া যাচ্ছে কচুর মুখি ও তবে পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি। লাউয়ের পিস ৭০ থেকে ৯০ টাকা, চালকুমড়া ৬০ থেকে ৯০ টাকা পিস।

[৭] কাঁচা মরিচের দাম দেড় মাস ধরে ২০০ টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আরেক দফা বেড়ে গড়ে আড়াই’শ টাকায় উঠেছে। এখন কোনো ক্রেতাই একশ থেকে আড়াই শ গ্রামের বেশী কাঁচা মরিচ কিনতে দেখা যায়না। এক কেজি নিলে ২২০ থেকে ২৪০ টাকা দাম রাখা হচ্ছে। আলুর দাম এখনো ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি।

[৮] শহরের বিভিন্ন বাজারে লালশাক, কলমিশাকের পাশাপাশি পাওয়া যাচ্ছে পুঁইশাক। পুঁইশাকের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। আর লালশাক ও কলমিশাকের বিক্রি হচ্ছে প্রায় একই দামে।
একজন গৃহিনী আক্ষেপ করে বলেন, এখন ৫০০ টাকা দিয়ে দুই দিনের কাচা বাজার করা যায়না। গাজীপুর শহরের রথখোলা এলাকার মতিনের হোটেলের মালিক আব্দুল মতিন বলেন, চাল, ডাল, ডিম, তৈল ও সকল প্রকার সবজির দাম বেশী, অথচ কাস্টমাররা আগের মতোই বিল দিতে চায়। খাবার বিল পাঁচ টাকা বেশী হলেই আপত্তি করেন।

[৯] হাড়িনাল এলাকার কৃষি খামারের মালিক শাকিল আহমেদ, বুলবুল আহমেদ বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বারবার সবজি ক্ষেতের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে, সবজির উৎপাদনও কমে গেছে, তাই বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

[১০] গাজীপুর রাজবাড়ি সড়কে রিক্সাভ্যানের সবজি বিক্রেতা লতিফ বলেন, উত্তরবঙ্গের সবজি ক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে। আড়তে কাড়াকাড়ি করে সবজি কিনতে হয়। তাই কিনতে হয় বেশীতে বিক্রিও করতে হয় বেশি দামে।

[১১] এদিকে চড়া সবজির দামের সঙ্গে বাড়ছে ভোজ্য তেল সয়াবিনের দামও। চলতি সপ্তাহে লিটারে দুই থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এখন খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা লিটার। আর বোতলজাত সয়াবিন তৈলের দাম পাঁচ টাকা বেড়ে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

টিসিবির পণ্যে নতুন চমক

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দাম ভোক্তাদের নাগালে রাখতে সাশ্রয়ী মূল্যে সারাদেশে চারটি পণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এগুলোর মধ্যে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে পেঁয়াজ। ডেইলি বাংলাদেশ

টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, টিসিবির আমদানি করা তুরস্কের পেঁয়াজের চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। ট্রাকসেলে পেঁয়াজের বরাদ্দ বাড়ানো হবে। গাড়ি প্রতি ৭০০ কেজি করে পেঁয়াজ বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে চাহিদা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

সারাদেশে ৪৫০ জন ডিলারের ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে টিসিবির এ বিক্রি কার্যক্রম চলছে। সংস্থাটি জানায়, ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে চিনির পাশাপাশি মসুর ডাল, সয়াবিন তেল ও পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। এ কার্যক্রম ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

টিসিবির ট্রাক থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাওয়া যাবে ৩০ টাকা দরে, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চার কেজি কিনতে পারবেন। এছাড়া সয়াবিন তেল ১০০ টাকা লিটারে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার নিতে পারবেন।

এছাড়া চিনি পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চার কেজি কিনতে পারবেন। আর প্রতি কেজি মসুর ডাল পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি কিনতে পারবেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। এতে ভোক্তা সাধারণের নাভিশ্বাস। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কথা চিন্তা করে টিসিবি ৩০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। টিসিবি জানিয়েছে, তুরস্কের পেঁয়াজের সঙ্গে সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও চিনি বিক্রি চলমান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

হিলিতে কমেছে কাঁচা মরিচের দাম

লেখক

আমদানিকারকরা বলছেন, ভারতের কাঁচা মরিচ বাংলাদেশে প্রবেশ করায় খুব শিগগিরই স্থিতিশীল হবে উঠবে মরিচের বাজার।

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ট্রাকে ট্রাকে প্রবেশ করছে কাঁচা মরিচবাহী ভারতীয় ট্রাক। আমদানিকারকরা জানান, দেশেরে বাজারে চলতি মৌসুমে বন্যার কারণে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশে উৎপাদিত কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমে যায়। এ কারণে দেশীয় বাজারে কাঁচা মরিচের দামও বেড়ে যায়। আর দেশের বাজারে ভারতীয় কাঁচা মরিচের চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরাও ভারত থেকে আমদানি শুরু করেছেন। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, মরিচগুলো ভারতের মধুপুর থেকে আসছে। সময় লাগছে ২ থেকে ৩ দিন। আগে গাড়ি আসতো ২-৪টি করে, তবে এখন ৮-১০টি আসসে। কাঁচা মরিচগুলো ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় যাবে। 


ব্যবসায়ীরা আরও জানান, ভারত থেকে মরিচ আমদানি করে সরকারকে প্রতিকেজি মরিচে ২১ টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। ভারতীয় কাঁচা মরিচ বাংলাদেশের বাজারে আসায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মরিচের বাজার স্থিতিশীল হবে বলে মনে করছেন আমদানিকারকেরা।


হিলি স্থলবন্দরেরে আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন বলেছেন, দেশে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে আমাদের ভারতের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়েছে। এতোমধ্যেই আমরা ব্যাপক পরিমাণে আমদানির প্রস্তুতি নিয়েছি। কাঁচা মরিচ আসা শুরু করেছে এবং এর প্রভাবে দাম কমাও শুরু করেছে।

হিলি কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গেল ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয় ভারত থেকে কাচাঁ মরিচের আমদানি। গেল ৮ কর্মদিবসে ভারতীয় ৪১ ট্রাকে ২৯১ মেট্রিক টন মরিচ আমদানি হলেও শুধু মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) একদিনেই ভারত থেকে ১১ ট্রাক কাঁচা মরিচ এসেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কৃষিখাতে লাভজনক বাণিজ্যিকীকরণের চেষ্টা চলছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

লেখক

ঢাকায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ, বিশ্ববাজারে প্রবেশ সহায়তা, আমদানি ব্যয় ও সময় কমাতে সহায়তা প্রদানের জন্য ‘বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রজেক্ট’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের কৃষি খাতে সহায়তায় প্রকল্প গ্রহণের জন্য মার্কিন সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে সরকার এ খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। কৃষিপণ্যের বাণিজ্য পদ্ধতির আইনি ও কাঠামোগত সংস্কার, পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করণের জন্য পরীক্ষা পদ্ধতির উন্নয়ন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত পণ্য সংরক্ষণে অবকাঠামো তৈরি ও উন্নয়নে বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রজেক্ট সহায়ক হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হবে।



উল্লেখ্য, প্রায় ২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারকে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার ট্রেড ফেসিরিটেশন এগ্রিমেন্ট বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এতে করে বাংলাদেশি পণ্যের বিশ্বের বাজারে প্রবেশে সহায়তা প্রদান এবং আমদানি ব্যয় ও সময় হ্রাস করতে সহায়ক হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এ প্রকল্প আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজতর, স্বয়ংক্রিয়করণ, ঝুঁকিভিত্তিক পণ্য ছাড়করণ প্রক্রিয়া শক্তিশালীকরণ, আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া ও পণ্য প্রবেশ সংশ্লিষ্ট নিয়ম-কানুন অবহিতকরণ ও প্রক্রিয়ার উন্নয়ন, পরীক্ষাগারগুলোর পণ্য পরীক্ষার প্রক্রিয়া ও সক্ষমতা উন্নয়ন এবং পচনশীল পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ সহজ করার জন্য কোল্ড-চেইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করবে।ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ইউএসডিএ এগ্রিকালচারাল এটাসি মিজ মেগান ফ্রানসিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কার্ল আর মিলার, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ, এফবিসিসিআই এর পরিচালক আবুল কাশেম খান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মিকায়েল। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আগাম সবজি আসতে শুরু করলেও দামে ঊর্ধ্বগতি

লেখক

ভোররাত থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় উৎপাদিত সব ধরনের টাটকা সবজি নিয়ে আড়তে আসতে থাকেন কৃষকরা। সকাল থেকে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে জমে ওঠে সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে বড় পাইকারি এই সবজির আড়ত। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা পাইকাররা এই আড়ত থেকে সবজি কিনে নিয়ে খুচরা দামে বিক্রি করেন।আড়তে শীতকালীন টাটকা সবজির মধ্যে আলু বিক্রি হচ্ছে ১২-১৫ টাকায়, কাঁচা মরিচ ১৩০ টাকায়, আদা ৫৫-৬০ টাকায়, ফুলকপি ৬০-৭০ টাকায় এবং পাতা কপি ৫০ টাকায়। 


এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার মধ্যে এ আড়ত। আশপাশের এলাকার প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি এখানে আসে। বর্তমানে শীতকালীন টাটকা সবজি মধ্যে সিমের দাম ৭০ টাকা কেজি, লাউ ১৫-২০ টাকা পিস এবং পেঁপে ৮ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু পেঁয়াজের দামটা একটু বেশি। পেঁয়াজের দাম ৫৬-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে শসার দাম একটু কমেছে। তারা আরও বলেন, শীতকালের সবজি আস্তে আস্তে আসছে; তবে দামটা একটু বেশি। পুরো দমে মৌসুম এলে মূল্য কমে আসবে। আড়তে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। সেই সঙ্গে শীতকালীন আগাম সবজি উঠতে শুরু করলেও দাম কিছুটা বেশি বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
উল্লেখ্য, প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বেচাকেনা চলে এই আড়তে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com