আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

বেকিংয়ের আনন্দে

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে প্রায়ই দেখা যাচ্ছে ঘরে তৈরি রুটি, কেক–পেস্ট্রির সঙ্গে নিজের হাসিমুখের ছবি। করোনার এই সময়ে অনেকেই বেকিং করছেন বাড়িতে। গবেষণাতেও এসেছে বেকিং আনন্দ দেয়, মনের শক্তি জোগায়। আর বেকিংয়ের পদগুলো পছন্দ করে ছোটবড় সবাই।

বেকিংয়ে কেটে যাবে সময়, ভালো থাকবে মন। করোনাকালে মডেল ইশা বাড়িতে নিয়মিতই তৈরি করেন কেক, রুটির নানা পদ
বেকিংয়ে কেটে যাবে সময়, ভালো থাকবে মন। করোনাকালে মডেল ইশা বাড়িতে নিয়মিতই তৈরি করেন কেক, রুটির নানা পদ

নিজের অভিজ্ঞতা দিয়েই শুরু করা যাক। সাত বছর আগের কথা। অফিস থেকে বের হলাম সূর্য ডোবার পর। চাপা উত্তেজনা চেহারায়। গন্তব্য ঢাকার গুলশান ১ নম্বর বাজার। উদ্দেশ্য খুবই ছোট। বেকিং শুরু করব, দরকারি যন্ত্রপাতির খোঁজেই হানা দিলাম বিভিন্ন দোকানে। সেই সন্ধ্যায় মিয়াকোর ইলেকট্রনিক হ্যান্ড ব্লেন্ডিং মেশিনটি উপহার হিসেবে কিনে দিয়েছিল আমার বান্ধবী। এতদিন পরে যখনই বেকিং করার প্রস্তুতি নেই, প্রথম দিনের মতোই অনুভব করি সেই উত্তেজনা আর ভালোলাগা। কখনো পরিবারের জন্য, কখনো নিজের জন্য সময়ে–অসময়ে চলে যাই ওভেনের সামনে, শুরু হয়ে যায় নতুন কিছু করা।

বেকিংয়ের আনন্দে
বেকিংয়ের আনন্দে

প্রয়োজন থেকেই অনেকে বাড়িতে এখন তৈরি করছেন রুটি, কেক। রান্নাও করছেন স্বাস্থ্যকর খাবার। পরিবারের ছোটবড় সব সদস্যের নিয়ে একসঙ্গে কিছু ক্ষণ কাটানোর জন্যও ভালো বাহানা হতে পারে বেকিং। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে বৈদ্যুতিক, গ্যাস বা মাইক্রোওয়েভ ওভেন থেকে বের করা বাড়িতে তৈরি কেকের ধোঁয়া ওঠা ছবি। হটকেক বাড়িতেই।

মডেল সোনিয়া ইয়াসমিন ইশার কথাই ধরা যাক। িতনি রান্না করেন অনেক আগে থেকেই। তবে এই সময় বাড়িতে থাকার কারণেই রান্নার ছবিগুলো সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরছেন। চুলায় রান্না করা বেশি পছন্দ তাঁর। গরুর মাংস, শর্ষে ইলিশ, বেলে মাছের পাতুরি, পাস্তা, লাজানিয়া ইত্যাদি রাঁধতে ভালো লাগে। মাথায় ঢুকলে হুট করেই শুরু করে দেন রান্না করা। একবার সারা রাত বেকিং করে ক্ষান্ত দিয়েছিলেন ভোর পাঁচটায়।

ছবি : নকশা
ছবি : নকশা

ইশার মা খুব ভালো রান্না করতেন। এখন অসুস্থ থাকায় তেমন আর রান্না করতে পারেন না। মাকে দেখে, কিছুটা ইউটিউব থেকে, আবার কিছুটা বোনদের থেকেও রান্না নামক কাজটি রপ্ত করে নিয়েছেন পুরোপুরি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর রান্না করা পদ দেখলেই বোঝা যায় তিনি এ বিষয়ে বেশ দক্ষ।

বাড়িতেই তৈরি হচ্ছে মজার খাবার
বাড়িতেই তৈরি হচ্ছে মজার খাবার

বেকিং বা রুটি–কেক তৈরি মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। কিছু একটা তৈরি করার আনন্দই সেখানে মুখ্য। ময়দার তাল দলার সময় দুশ্চিন্তগুলোকেও যেন মুক্ত করে দেওয়া যায়। অন্যদের থেকে পাওয়া প্রশংসা বাড়িয়ে দেয় আত্মবিশ্বাস। অনেকের কাছে এটি ধ্যান বা মেডিটেশনের মতোও কাজ করে।

ডিম ফেটানো, মাখন ও চিনি মেলানোর মতো সাধারণ কাজগুলোই মনের মধ্যে কিছুটা জায়গা নিয়ে নেয়, দূর করে নেতিবাচক ভাবনা। পঞ্চেন্দ্রিয়কে প্রসন্ন করার পাশাপাশি অন্যদের মধ্যেও আনন্দ ছড়িয়ে দিতে পারা যায় বেকিং করে।

ঝাল কিংবা মিষ্টি যেকোনো পদই রান্না করা যাবে ওভেনে
ঝাল কিংবা মিষ্টি যেকোনো পদই রান্না করা যাবে ওভেনে

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসি করোনাকালে বেকিং করার হার বেড়ে যাওয়া নিয়ে বেশ কয়েকজনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। একই ধরনের খবর প্রকাশিত হয়েছে আরও বেশ কিছু গণমাধ্যমেও। যাঁরা সাধারনত বেকিং করতেন না, তাঁরাও এখন হাত পাকাচ্ছেন। আর যাঁরা পছন্দ করেন, কোনো ধরনের বাহানার দরকারই হচ্ছে না। প্রয়োজনীয়তা, সময় কাটানো ছাড়াও নিজের অনুভূতি প্রকাশের জন্যও বেকিং বেশ ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে এ সময়টায়।

দুশ্চিন্তা কমানোর জন্য বেকিং যে বেশ ভালো ভূমিকা রাখছে—ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসিও তা তুলে ধরেছে। শিকাগো স্কুল অফ প্রফেশনাল সাইকোলোজির কাউন্সেলিং এডুকেশন বিভাগের মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা অধ্যাপক মাইকেল কোসেট মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, দুশ্চিন্তা ও অজানা আশংঙ্কার এই সময়ে বেকিং কিছু একটা সম্পন্ন করার অনুভূতি দেয়। বেকিং শুরু করা নিয়ে চাপ বোধ করার কিছু নেই। তৈরি করা রুটি যে নিখুঁত হতে হবে, তা নয়। বরং নিজেকে নতুন কিছুর সঙ্গে সম্পৃক্ত করাটাই মূল। আনন্দ পাওয়া, কিছুক্ষণ খারাপ কোনো চিন্তা না আনা, সবশেষে চাইলে সামাজিকমাধ্যমে আপনার খুশি ভাগ করেও নিতে পারেন।

ছবি : নকশা
ছবি : নকশা

যেভাবে বেকিং

বেকিংয়ের কিছু নিয়ম আছে। এক ঝলকে জেনে নেওয়া যাক।

* যেকোনো বেকিং শুরু করার আগে মূল কাজ—পুরো রেসিপি পড়ে বুঝে নেওয়া। উপকরণগুলো হাতের কাছে এনে গুছিয়ে রাখা। প্রণালিও মনে একবার ঝালিয়ে নেওয়া। এতে বেকিং শুরু করার আগে মানসিকভাবেও নিজেকে প্রস্তুত করে নেওয়া যাবে।

* বেকিংয়ের কাজ শুরু করুন ওভেন প্রি-হিট করার মধ্য দিয়ে। প্রতিটি রেসিপির মধ্যেই বলা থাকে কত ডিগ্রিতে দিয়ে প্রি-হিট করা উচিত। প্রি-হিটের জন্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও সময় প্রয়োজন।

* যেকোনো বেকিংয়ের সফলতা নির্ভর করবে পরিমাপের ওপর। রেসিপিতে দেওয়া পরিমাপ অনুযায়ী না বানালে ফলাফল একরকম হবে না।

* চেলে নেওয়া যাবে এমন যে কটি উপকরণ থাকবে, সেগুলো ভালো করে চেলে নিন।

* দরকার লবণহীন মাখন। কিন্তু বাড়িতে আছে লবণযুক্ত মাখন। রেসিপিটি পড়ে বুঝে নিন, অন্য মাখন ব্যবহার করা যাবে কিনা। রেসিপিতে লেখা থাকলেই শুধু একটির বদলে আরেকটি উপকরণ ব্যবহার করা যেতে পারে। ভেজিটেবল তেলের পরিপূরক হিসেবে ক্যানোলা তেল হবে কি না, সেটাও যাচাই করে নিন।

* কেক পুরোপুরি ঠান্ডা হবার পর ফ্রস্টিং (কেকের ওপরে ক্রিম লাগানো) করা উচিত।

* কোনো মিশ্রণকেই দরকারের তুলনায় বেশি বা কম বিট করবেন না।

বেকিংয়ের আনন্দে
বেকিংয়ের আনন্দে

* বেকিং করার সময় শুকনা উপকরণগুলো ছাড়া অন্যান্য উপকরণ তাজা হলেই ভালো। ডিম, ফল, মাখনের মতো  উপকরণ যত তাজা হবে ততই ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। বাজার থেকে আনার পর তিন দিন পর্যন্ত ডিম বেকিংয়ে ব্যবহার করা ভালো। ডিম ভালো আছে কি না, বোঝার জন্য এক বাটি পানিতে ডিম ছেড়ে দিন। ডুবে গেলে ভালো আছে, ভেসে উঠলে নষ্ট হয়ে গেছে।

* মাখন ফ্রিজ থেকে বের করে বাইরে রেখে দিন। ঘরের তাপমাত্রায় নিয়ে আসা জরুরি। তবে যেসব বেকিংয়ে শক্ত ঠান্ডা মাখন লাগে, সেসব জায়গায় সেভাবেই ব্যবহার করুন।

* ওভেনে কেক, রুটি যা–ই বানাতে দিন, ঢোকানোর পর বারবার খুলে না দেখাই ভালো।

* বেকিংয়ের কিছু উপকরণ তৈরির সময় নাক, কান, চোখকে সতর্ক ও সচেতন রাখতে হবে। ক্যারামেল বা ক্রিম অ্যানগ্লেইজ বানানোর সময় প্রতিটি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ। নজর সরেছে তো পুরোই শেষ।

* কেক বের করার আগে লম্বা চিকন কাঠি বা টুথপিক দিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন, কেক পুরোপুরি হয়েছে কি না। যদি কাঠি শুকনো অবস্থায় পুরোপুরি বের হয়ে আসে, তবে কেক তৈরি। কাঠি বের করার সময় কিছু লেগে থাকলে, আরও কিছুক্ষণ ওভেনে রাখতে হবে।

* ময়দার ভিন্নতা কেকের গঠনবিন্যাসেও নিয়ে আসে ভিন্নতা। হালকা, ফাঁকা ধরনের কেকের জন্য সব খাবার বানানোর যে ময়দা আছে (অল পারপাস ফ্লাওয়ার), ব্যবহার করতে হবে সেটা। উল্টোদিকে দৃঢ় আর ঘন কেক তৈরির জন্য আপনার লাগবে রুটি বানানোর ময়দা বা ব্রেড ফ্লাওয়ার।

  • বেকিংয়ের আনন্দে

    বেকিংয়ের আনন্দে

  • ছবি : নকশা

    ছবি : নকশা

  • ঝাল কিংবা মিষ্টি যেকোনো পদই রান্না করা যাবে ওভেনে

    ঝাল কিংবা মিষ্টি যেকোনো পদই রান্না করা যাবে ওভেনে

  • বাড়িতেই তৈরি হচ্ছে মজার খাবার

    বাড়িতেই তৈরি হচ্ছে মজার খাবার

  • ছবি : নকশা

    ছবি : নকশা

  • বেকিংয়ের আনন্দে

    বেকিংয়ের আনন্দে

  • বেকিংয়ে কেটে যাবে সময়, ভালো থাকবে মন। করোনাকালে মডেল ইশা বাড়িতে নিয়মিতই তৈরি করেন কেক, রুটির নানা পদ

    বেকিংয়ে কেটে যাবে সময়, ভালো থাকবে মন। করোনাকালে মডেল ইশা বাড়িতে নিয়মিতই তৈরি করেন কেক, রুটির নানা পদ

  • বেকিংয়ের আনন্দে
  • ছবি : নকশা
  • ঝাল কিংবা মিষ্টি যেকোনো পদই রান্না করা যাবে ওভেনে
  • বাড়িতেই তৈরি হচ্ছে মজার খাবার
  • ছবি : নকশা
  • বেকিংয়ের আনন্দে
  • বেকিংয়ে কেটে যাবে সময়, ভালো থাকবে মন। করোনাকালে মডেল ইশা বাড়িতে নিয়মিতই তৈরি করেন কেক, রুটির নানা পদ

দৈনন্দিন

ফুলদানিতে ফুল দীর্ঘদিন তাজা রাখার কৌশল

ফুল দিয়ে ঘর সাজাতে কে না ভালোবাসে? আর তাইতো ফুলদানিতে ঠাঁই পায় নানা ধরনের ফুল। কিন্তু সেই ফুল কিনে আনার কয়েক ঘণ্টা পরই মিইয়ে যায়। জেনে নিন ফুলদানিতে ফুল দীর্ঘদিন তাজা রাখার কৌশল।

১. বাহারি গোলাপ ফুল দিয়ে ফুলদানি সাজাতে পছন্দ করেন? তাহলে অতি অবশ্যই খেয়াল রাখুন, গোলাপ ফুলের পুরো কাণ্ডটি যেন কোনওভাবেই পানির তলায় ডুবে না থাকে। গোলাপ ফুলের কাণ্ড বেশি ছোট করে কাটবেন না। তাহলে দীর্ঘ দিন তাজা থাকবে।

২) ফুল ভাল রাখতে মাঝেমাঝেই ফুলদানিতে রাখা ফুলের উপর পানি স্প্রে করুন। এতে ফুল দেখতে তাজা লাগবে। সহজে নষ্টও হবে না।

৩) ফুলদানিতে ফুল রাখার সময়ে যে পানি রাখেন, তাতে সামান্য পরিমাণ লবণ মিশিয়ে দিতে পারেন। এতে ফুল ভাল থাকে।

৪) যে ফুলগুলো ফুলদানিতে রাখছেন, সেগুলোর সঙ্গে রাখা পাতাগুলোকে আগেই ছেঁটে ফেলে দিন। পাতা ছাড়া রাখলে ফুল বেশি ভাল থাকে।

৫) ফুলদানির পানি পাল্টানোর অভ্যাস নেই তো? ফুল কিন্তু এইকারণেও শুকিয়ে যেতে পারে। দুইদিন অন্তর ফুলদানির পানি পাল্টে ফেলুন।

৬) ফুল বাছার সময়ে বড় ফোটা ফুল না বেছে, কুঁড়ি বাছুন। তা বেশিদিন থাকবে। আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় ফুলদানি রাখলে ফুল ভাল থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

যেসব ফল খেলে ত্বকের তারুণ্য বজায় থাকে

ত্বকের তারুণ ধরে রাখতে চাইলে সবজির পাশাপাশি ফল খান। কিছু কিছু ফল আছে যেগুলো খেলে তারুণ দীর্ঘদিন বজায় থাকে। জেনে নিন সেসব ফল সম্পর্কে।

আতা

এই ফলে রয়েছে ভিটামিন এ ও সি। যা চামড়াকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।

পেঁপে

এতে রয়েছে এনজাইম। এই ফল চামড়াকে চকচকে রাখতে সাহায্য করে।

অ্যাভোকাডো

চামড়ার নমনীয়তা রক্ষা করে অ্যাভোকাডো

কিউই

এই ফল ভিটামিন সি-তে পূর্ণ। যা চামড়াকে দৃঢ় রাখতে সাহায্য করে।

কলা

এই ফলে রয়েছে পটাসিয়াম। যা চামড়াকে উজ্জ্বল রাখে।

গুজবেরি

পুষ্টিগত গুণের জন্য় পরিচিত এই ফল। চামড়া পরিষ্কার রাখে।

আনারস

এই ফলও চামড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সাহায্য করে।

বেদানা

চামড়ায় ভাঁজ পড়া রোধে সাহায্য করে এই ফল।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাড়িতে খাঁটি ঘি তৈরির সহজ উপায়

ভেজালের ভিড়ে বাজার থেকে খাঁটি ঘি কেনা দুরূহ কাজ! তাই অনেকেই বাড়িতেই ঘি বানানোর উপায় খোঁজেন। ত্বক উজ্জ্বল রাখতে, ইমিউনিটি বাড়াতেও উপকারী ঘি। ভেজাল না খেয়ে বাড়িতেই সহজ কিছু পদ্ধতিতে বানিয়ে ফেলুন খাঁটি ঘি। জেনে নিন খাঁটি ঘি তৈরির সহজ উপায়।

১. প্রায় ২ লিটার দুধ গরম করতে হবে। একটু ফুটলে উপর থেকে ক্রিম আলাদা পাত্রে সরিয়ে রাখতে হবে। টানা চার পাঁচদিন এইভাবে করতে করতে পাত্রটি ভরতে হবে। তবে এই সময় ফাঙ্গাস এড়াতে পাত্রটি ফ্রিজে রাখা প্রয়োজন।

২. পাত্রটি ভরে গেলে ঘরের তাপমাত্রায় আনতে হবে। এরপর দু চামচ দই দিতে হবে। দই দিয়ে সারা রাত রেখে দিতে হবে পাত্রটি।

৩. এরপর মিশ্রণটি ব্লেন্ডারে ঢেলে তাতে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভর্তি করতে হবে। ক্রিম থেকে ফ্যাটের পরিমাণ সরাতেই ঠাণ্ডা পানির ব্যবহার করা হয়। তবে এক্ষেত্রে বরফের কিউবও ব্যবহার করা যেতে পারে। ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে মিশ্রণটি।

৪. এরপর বাটারমিল্ক থেকে ব্লেন্ডারে পড়ে থাকা বাটার আলাদা করে নিতে হবে। মাথায় রাখা দরকার, দুধ পুরোপুরি পরিস্কার করে নিতে হবে।৫. মৃদু আঁচে বাটার গরম করতে হবে। ১৫ মিনিট প্য়ানে টানা নাড়াচাড়া করতে হবে বাটার। তাহলেই তা গলে ঘি তৈরি হয়ে যাবে। আঁচ থেকে নামিয়ে ১ থেকে ২ মিনিট তরল ঠাণ্ডা করতে হবে। এরপর ভালো পাত্রে তা ছেঁকে নিলেই রেডি হোম-মেড ঘি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ত্বক ভালো রাখতে যে ফলগুলো খাবেন

ত্বকের উজ্জ্বলতা ও তারুণ্য ধরে রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারি কিছু ফল

ভালো স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্নরকমের ফল খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এমনকি চিকিৎসকেরাও নিয়মিত ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ফল শরীরে বিভিন্নরকমের ভিটামিনের অভাব পূরণ করে, পাশাপাশি শক্তিও যোগায়।

এমনকি, ত্বকের যত্নেও কিছু ফল কার্যকরী ভূমিকা রাখে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ও তারুণ্য ধরে রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু ফল রাখতে পারি। এগুলো আমাদের ত্বকের যত্নে সহায়তা করবে। 

আমরা জানি, ভিটামিন “সি” সমৃদ্ধ খাবার ও ফলমূল আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। পাশাপাশি ভিটামিন “সি” ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে আমাদের সৌন্দর্য বাড়াতেও সহায়তা করে থাকে।

তাই প্রতিদিন আমাদের কিছু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার ও ফলমূল খাওয়া জরুরি যা আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষার পাশাপাশি সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে। ফলগুলো হলো-

আনারস: আনারসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন “সি” রয়েছে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন “এ” ও “কে”। যা ত্বকের দাগ কমিয়ে ত্বককে ব্রণমুক্ত রাখে।

কমলালেবু: কমলালেবু ত্বকের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে বেশ সহায়তা করে। প্রতিদিন কমলালেবু খেলে ব্রণের সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা কমে যায়। এমনকি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতেও কমলালেবু সহায়তা করে।

আপেল: আপেল খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে ভিটামিন “এ” ও “সি” এর পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এমনকি এতে থাকা ফ্রি রেডিক্যাল থেকে ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতেও আপেলের কোনো জুড়ি নেই।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

শ্বাস নেওয়ার পদ্ধতি

জানেন তো, আমরা যেভাবে নিশ্বাস নিই, তার ওপরেই নির্ভর করে শারীরিক সুস্থতা। নিশ্বাস নেওয়ার সময় আমরা গ্রহণ করি অক্সিজেন।সঙ্গে শরীর থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও টক্সিন দূর হয় নিশ্বাস ছাড়ার সময়।

সঠিকভাবে শ্বাস নেওয়ার অভ্যেস মানসিক স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব ফেলে।  শ্বাস নেওয়ার জন্য আমাদের শরীরও সঠিক পজিশনে থাকতে হবে।

কারণ এর ওপরই নির্ভর করে শ্বাসবায়ুর কার্যকারিতা।
যেমন কুঁজো হয়ে বসেন বা হাঁটার সময়েও পিঠ টানটান রাখেন না, তাদের রক্ত চলাচল ঠিকমতো হয় না, হজম সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয়, ব্যাঘাত ঘটে মনযোগেও।  
 

সঠিকভাবে শ্বাস নেওয়ার নিয়ম জেনে নিন 
চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন অথবা চিত হয়ে শুয়েও পড়তে পারেন। বাঁ হাতটা ভাঁজ করে বুকের ওপর রাখুন, ডান হাত থাকবে পেটের ওপর।  

বুকের ওঠাপড়া হলেই বুঝবেন যে সর্বাধিক অক্সিজেন প্রবেশ করছে না শরীরে। ঠিকঠাক শ্বাস নিলে আপনার পেটটি ওঠা-নামা করবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com