আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

বুফে খাবারের ১০টি নিয়ম

নাগরিক চিত্তবিনোদনের ক্ষেত্রে খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এখন। বলা চলে, এখন রেস্তোরাঁ এবং খাবারই নাগরিক বিনোদনের মাধ্যম। তারকা হোটেল এবং রেস্তোরাঁয় বুফে কালচার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইতিমধ্যে। তারকা হোটেল তো বটেই, অনেক ভালো মানের রেস্তোরাঁ অনেক সময় বুফে খাবারের অফার দেয়। এ ছাড়া অফিস পার্টি, কনফারেন্স ইত্যাদিতেও এখন বুফে খাবারের প্রচলন হয়েছে।

নাগরিক চিত্তবিনোদনের ক্ষেত্রে খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এখন
নাগরিক চিত্তবিনোদনের ক্ষেত্রে খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এখন

বুফেতে কী খাবেন, কীভাবে খাবেন, এসব নিয়ে পৃথিবীর বিখ্যাত তারকা হোটেল, শেফ বা খাদ্যগবেষকেরা বিভিন্ন নিয়ম বলে গেছেন। সেসব নিয়ম থেকে আমাদের দেশের উপযোগী কিছু নিয়ম রইল পাঠকদের জন্য।বিজ্ঞাপন

বুফে খাবারের আগে

বুফে খাবারের আগে সকালের নাশতায় সহজে হজম হয় তেমন খাবার খেয়ে নেবেন অল্প পরিমাণে। যেমন দই। এরপর বুফেতে যাওয়ার আগে আর কিছু খাবেন না। এতে আপনার পাকস্থলী খাবারের উপযোগী হতে থাকবে।

তারকা হোটেল এবং রেস্তোরাঁয় বুফে কালচার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইতিমধ্যে
তারকা হোটেল এবং রেস্তোরাঁয় বুফে কালচার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইতিমধ্যে

বুফে খাবারের আগে যা খাবেন না

চিনি দিয়ে তৈরি খাবার খাবেন না এবং কার্বোনেটেড পানীয় পান করবেন না। এগুলো আপনার পাকস্থলীকে ভর্তি করে ফেলবে। আপনি আর কিছু খেতে পারবেন না।

বুফেতে যা খাবেন, যেভাবে খাবেন

৫০+২৫+২৫ এই অনুপাত মেনে খাবার নিন প্লেটে। এর অর্থ, ৫০ ভাগ সবজি, ২৫ ভাগ প্রোটিন এবং ২৫ ভাগ অন্যান্য খাবার নিন।

১. নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত হয়ে যান। বুফে খাবারের স্থানে গিয়েই খাবার খেতে শুরু করবেন না। সময় নিন। গল্পগুজব করুন পরিচিতদের সঙ্গে। তাতে খাবারের পরিবেশ তৈরি হবে।

২. সাজিয়ে রাখা খাবার টেবিলের চারদিকে একটা চক্কর দিন। দেখুন টেবিলে কী খাবার সাজানো আছে। তারপর সিদ্ধান্ত নিন আপনি কী খাবেন।

সাজিয়ে রাখা খাবার টেবিলের চারদিকে একটা চক্কর দিন। তারপর সিদ্ধান্ত নিন আপনি কী খাবেন।
সাজিয়ে রাখা খাবার টেবিলের চারদিকে একটা চক্কর দিন। তারপর সিদ্ধান্ত নিন আপনি কী খাবেন।

৩. খাবারের প্লেট নিয়ে লাইনে দাঁড়ান। তবে কারও একেবারে কাছাকাছি দাঁড়াবেন না। তাতে অন্যের পোশাকে আপনার খাবার লেগে যেতে পারে। আর লাইনে দাঁড়িয়ে ঠেলাঠেলি করাটা অভদ্রতা। তাই লাইনে মানুষ কম থাকলে তবেই প্লেট নিয়ে এগিয়ে যান।

৪. ৫০+২৫+২৫ এই অনুপাত মেনে খাবার নিন প্লেটে। এর অর্থ, ৫০ ভাগ সবজি, ২৫ ভাগ প্রোটিন এবং ২৫ ভাগ অন্যান্য খাবার নিন। তবে আপনাকে সব সময় এ অনুপাত মেনে খাবার নিতে হবে বা খেতে হবে, তেমন নয়। আপনার পছন্দমতো খাবার খাবেন আপনি, এটাই স্বাভাবিক।

আমাদের দেশে বুফেতে সাধারণত সালাদ আর মাংস দিয়ে রান্না করা পদ বেশি থাকে
আমাদের দেশে বুফেতে সাধারণত সালাদ আর মাংস দিয়ে রান্না করা পদ বেশি থাকে

৫. আমাদের দেশে বুফেতে সাধারণত সালাদ আর মাংস দিয়ে রান্না করা পদ বেশি থাকে। সালাদ খান বেশি করে। তবে সব মাংস খেতে চাইলে অল্প অল্প করে মাংস নিয়ে খেতে হবে। অর্থাৎ এক পিস এক পিস করে সব মাংসই চেখে দেখুন।বিজ্ঞাপন

৬. যে খাবারগুলো আপনার কাছে নতুন মনে হবে, আগে সেগুলো খেতে পারেন। যেমন সামুদ্রিক খাবার থাকলে সেটা আগে খেতে পারেন।

৭. বুফে মানেই অনেক খাবারের স্বাদ একসঙ্গে গ্রহণ করার সুযোগ। কাজেই অনেক খাবার একেবারে প্লেটে তুলবেন না। অল্প অল্প করে খাবার প্লেটে নিয়ে ধীরে–সুস্থে খাবার উপভোগ করুন।

চাল নাকি আটা দিয়ে বানানো খাবার খাবেন সেটা আগে ভেবে নিন
চাল নাকি আটা দিয়ে বানানো খাবার খাবেন সেটা আগে ভেবে নিন

৮. চাল দিয়ে বানানো খাবার খাবেন, নাকি আটা দিয়ে বানানো খাবার খাবেন, সেটা আগে ঠিক করে নিন। যেমন চাল দিয়ে বানানো ফ্রায়েড রাইস, বিরিয়ানি, পোলাও, তেহারি কিংবা ভাত থাকতে পারে বুফেতে। এগুলোর সঙ্গে খাবার জন্য থাকতে পারে বিভিন্ন পদ। অথবা একই খাবারের একাধিক ধরন থাকতে পারে। যেমন একই সঙ্গে একাধিক স্বাদের পোলাও, বিরিয়ানি কিংবা তেহারি থাকতে পারে। আবার একই সঙ্গে টেবিলে থাকতে পারে নান-চিকেনের কম্বিনেশন। চাল দিয়ে রান্না খাবার খেতে চাইলে রুটির দিকে না এসে শুধু সেগুলোই খাওয়া ভালো। আবার রুটির বেলাতেও তাই। তাতে নির্দিষ্ট খাবারটির স্বাদ ভালোভাবে উপভোগ করতে পারবেন।

এক ডিশের চামচ–টংগস বা চিমটা, হাতা ইত্যাদি অন্য ডিশে রাখবেন না
এক ডিশের চামচ–টংগস বা চিমটা, হাতা ইত্যাদি অন্য ডিশে রাখবেন না

৯. খাবার নেওয়ার জন্য রাখা স্টেনসিল তথা চামচ, টংগস বা চিমটা, হাতা ইত্যাদি নির্দিষ্ট ডিশের বাইরে রাখা যাবে না। অর্থাৎ যে ডিশ থেকে যে হাতা-চামচ-টংগস তুলবেন, সেটা সেখানেই রাখবেন।

১০. প্রতিবার নতুন করে খাবার নেওয়ার আগে নতুন প্লেট নেওয়া উচিত। যাঁরা বুফে আয়োজন করবেন, তাঁদের এ বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি। নতুন প্লেটে খাবার নিলে আগের প্লেটের এঁটো খাবারে পড়ার আশঙ্কা থাকবে। তাতে অন্য মানুষের খাওয়ার রুচি চলেও যেতে পারে। তাই প্রতিবার খাবার নেওয়ার সময় নতুন প্লেট নিয়ে নিন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

নিপাহ্‌ ভাইরাসঃ খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়

নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
খেজুরের রস সংগ্রহের প্রক্রিয়া।

শীতকাল এলেই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে খেজুরের রস খাওয়ার চল বেড়ে যায়। অনেকে গাছ থেকে খেজুরের কলসি নামিয়ে সরাসরি কাঁচা রস খেয়ে থাকেন।

আবার অনেকে এই রস চুলায় ফুটিয়ে সিরাপ, পায়েস বা ক্ষীর বানিয়ে খান। এছাড়া রসের তৈরি ঝোলা গুড়, পাটালি গুড়, নলেন গুড়, ভেলি গুড়, বালুয়া গুড়, মিছরি গুড়সহ নানা ধরণের পিঠার বেশ সুখ্যাতি রয়েছে।

নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক

খেজুর আরব দেশের প্রচলিত ফল হলেও ওইসব দেশে খেজুর, মূলত ফল উৎপাদননির্ভর, যেখানে কিনা বাংলাদেশের খেজুর গাছ রস উৎপাদননির্ভর।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের মতে, বাংলাদেশে সাধারণত কার্তিক থেকে মাঘ অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত খেজুরের রস সংগ্রহ হয়ে থাকে।

দেশটির সবচেয়ে বেশি রস সংগ্রহ হয় যশোর, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুর অঞ্চল থেকে।

মূলত খেজুর গাছের ডালপালা পরিষ্কার করে, ডগার দিকের কাণ্ড চেঁছে তাতে একটা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি চোঙ বসিয়ে দেয়া হয়। চোঙের শেষ প্রান্তে ঝুলিয়ে দেয়া হয় একটি মাটির হাড়ি বা কলসি।

সেই চোঙ দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা রস এসে জমা হতে থাকে মাটির হাড়ি বা কলসিতে। এভাবে একটি গাছ থেকে দৈনিক গড়ে পাঁচ থেকে ছয় লিটার রস সংগ্রহ করা যায় বলে কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানা গিয়েছে।

কিন্তু গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই খেজুরের রস খাওয়ার ক্ষেত্রে নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি – দা এগ্রো নিউজ

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি
কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি

উপকরণ: বাঁধাকপির কুচি ৪ কাপ, কই মাছের টুকরো ৬টি, তেজপাতা ১টি, শুকনো মরিচ ২টি, মেথি অল্প পরিমাণ, মরিচবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, নারকেল কোরানো স্বল্প পরিমাণে, হলুদ পরিমাণমতো ও সরিষার তেল পরিমাণমতো।

প্রণালি: তেলে শুকনো মরিচ ও মেথি ফোড়ন দিতে হবে। ফোড়ন হয়ে এলে হালকা করে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই তেলেই বাঁধাকপির কুচি ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে কষে নিতে হবে। তারপর লবণ, মরিচ ও হলুদবাটা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ বসাতে হবে। সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভাজা মাছগুলো দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে এবং মাছ সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণ নারকেল কোরানো দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ – দা এগ্রো নিউজ

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ
ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ

উপকরণ: বড় শোল মাছ ৫০০ গ্রাম, টমেটো টুকরো আধা কাপ, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, টমেটোবাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেপাতা আধা কাপ, শুকনো মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদ অনুসারে ও কাঁচা মরিচ ৭-৮টি (চেরা)।

প্রণালি: শোল মাছ লবণ, হলুদ ও সরিষার তেল মাখিয়ে ভেজে তুলে রাখতে হবে। আর ওই তেলেই পেঁয়াজ কুচি দিতে হবে। পেঁয়াজ বাদামি রং হলে রসুন, আদা, মরিচের গুঁড়া, হলুদ ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষাতে হবে। টমেটোবাটা দিতে হবে, কিছুক্ষণ কষানোর পর প্রয়োজনমতো গরম পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছগুলো দিতে হবে। ঝোল মাখা-মাখা হলে টমেটোর টুকরো আর ধনেপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ পর নামিয়ে ফেলতে হবে। নামানোর আগে কাঁচা মরিচ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

লাউ টাকি – দা এগ্রো নিউজ

লাউ-টাকি
লাউ-টাকি

উপকরণ: ছোট টুকরো করে কাটা টাকি মাছ ২ কাপ, ডুমো ডুমো করে কাটা লাউ ৪ কাপ, হলুদ সিকি চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ ১ কাপ, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, আদাবাটা আধা চা-চামচ ও রাঁধুনি বাটা সিকি চা-চামচ।

প্রণালি: তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। তারপর একে একে রসুনবাটা, আদাবাটা ও রাধুনি (গুঁড়া সজ) বাটা ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। কষানো হলে লাউ দিতে হবে। লাউ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে আগে থেকে হালকা করে ভেজে রাখা টাকি মাছ দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে কাঁচা মরিচের ফালি ও সবশেষে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি – দা এগ্রো নিউজ

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি
বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি

উপকরণ: চিংড়ি মাছ ২০০ গ্রাম, সয়াবিন তেল পরিমাণমতো, বাঁধাকপি কুচি ১ কাপ, ক্যাপসিকাম কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, পেঁয়াজপাতা কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, ধনেপাতাবাটা ১ চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া পরিমাণমতো, চিলি সস ২ চা-চামচ, টমেটো সস ২ চা-চামচ, বাঁধাকপির ভেতরের পাতা ৪টি, ভিনেগার ২ চা-চামচ, রসুন ১ চা-চামচ ও লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: বাঁধাকপির শক্ত অংশ ফেলে দিন। পাতার ভেতরের অংশ একটু ভাপিয়ে রাখুন। মাছ ধুয়ে ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন। এবার কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম হলে তাতে রসুন কুচি দিয়ে মাছগুলো দিন। একে একে কোঁচানো বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, টমেটো ও পেঁয়াজপাতা দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। এরপর কাঁচা মরিচবাটা, ধনেপাতাবাটা, চিলি সস ও টমেটো সস দিয়ে নেড়ে নিন। পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে বাঁধাকপির পাতায় অল্প করে চিংড়ি মাছ সুতা দিয়ে বেঁধে স্টিমারে ভাপিয়ে নিন। সুতো কেটে পাতা খুলে পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com