আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বিচ হোটেল

বিশ্বের নানা প্রান্তের সৌন্দর্য উপভোগ করতে সবারই মন চায়। সে আকাঙক্ষা থেকেই যে যার সাধ্য মতো এসব সৌন্দর্য উপভোগে ব্যাকুল হয়ে থাকেন। বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বিচ হোটেল নিয়ে এবারের অ্যালবাম।

  • সোনিভা ফুশি : মালদ্বীপের এই বিচ হোটেলটি দেখতে সত্যিই বেশ সুন্দর। এটি মালদ্বীপের অন্যতম দর্শনীয় স্থান।

    সোনিভা ফুশি : মালদ্বীপের এই বিচ হোটেলটি দেখতে সত্যিই বেশ সুন্দর। এটি মালদ্বীপের অন্যতম দর্শনীয় স্থান।

  • বেলমোন্ড ভিলা স্যান্ট অ্যান্ড্রিয়া : ইতালির সিসিলিতে অবস্থিত এই বিচ হোটেলগুলো দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

    বেলমোন্ড ভিলা স্যান্ট অ্যান্ড্রিয়া : ইতালির সিসিলিতে অবস্থিত এই বিচ হোটেলগুলো দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

  • ইল নিডো প্যানগুলাসেইন আইল্যান্ড : ফিলিপাইনের পালাউনের বিচ হোটেলগুলো পৃথিবীর অনেক দেশের পর্যটকদের কাছে প্রিয় জায়গা হিসেবে পরিচিত।

    ইল নিডো প্যানগুলাসেইন আইল্যান্ড : ফিলিপাইনের পালাউনের বিচ হোটেলগুলো পৃথিবীর অনেক দেশের পর্যটকদের কাছে প্রিয় জায়গা হিসেবে পরিচিত।

  • ডাব্লিউ বার্সেলোনা : পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ভ্রমণ পিপাসুরা স্পেনের বার্সেলোনার এই অপরূপ সৌন্দর্য ঘেরা দ্বীপটি দেখতে আসেন।

    ডাব্লিউ বার্সেলোনা : পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ভ্রমণ পিপাসুরা স্পেনের বার্সেলোনার এই অপরূপ সৌন্দর্য ঘেরা দ্বীপটি দেখতে আসেন।

  • রকহাউজ হোটেল : জ্যামাইকার ন্যাগরিলে গেলে এটি দেখা যাবে। রকহাউজ হোটেলটি জ্যামাইকার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।

    রকহাউজ হোটেল : জ্যামাইকার ন্যাগরিলে গেলে এটি দেখা যাবে। রকহাউজ হোটেলটি জ্যামাইকার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।

  • ইন্টারকন্টিনেন্টাল ড্যানাংসান প্যানিসোলা রিসোর্ট : দৃষ্টিনন্দন এই বিচ হোটেলগুলো ভিয়েতনামের ড্যানাং-এ অবস্থিত।

    ইন্টারকন্টিনেন্টাল ড্যানাংসান প্যানিসোলা রিসোর্ট : দৃষ্টিনন্দন এই বিচ হোটেলগুলো ভিয়েতনামের ড্যানাং-এ অবস্থিত।

  • ফোর সিজন রিসোর্টস দি বিল্টামোর : আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার এই বিচটি ভ্রমণ করতে প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক এসে ভিড় করে।

    ফোর সিজন রিসোর্টস দি বিল্টামোর : আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার এই বিচটি ভ্রমণ করতে প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক এসে ভিড় করে।

  • হোটেল ডিউ প্যালিয়েস : নজরকাড়া এই বিচটি ফ্রান্সের বিয়ারিটসে গেলে দেখা যাবে।

    হোটেল ডিউ প্যালিয়েস : নজরকাড়া এই বিচটি ফ্রান্সের বিয়ারিটসে গেলে দেখা যাবে।

  • হোটেল ফেসনো : এই বিচটি ব্রাজিল রিওডি জেনিরোতে অবস্থিত।

    হোটেল ফেসনো : এই বিচটি ব্রাজিল রিওডি জেনিরোতে অবস্থিত।

  • লি গুয়ানহানি : বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এই বিচ হোটেলটি আমেরিকার সেইন্ট বার্থিলেমি নামক জায়গায় অবস্থিত।

    লি গুয়ানহানি : বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এই বিচ হোটেলটি আমেরিকার সেইন্ট বার্থিলেমি নামক জায়গায় অবস্থিত।

  • সোনিভা ফুশি : মালদ্বীপের এই বিচ হোটেলটি দেখতে সত্যিই বেশ সুন্দর। এটি মালদ্বীপের অন্যতম দর্শনীয় স্থান।
  • বেলমোন্ড ভিলা স্যান্ট অ্যান্ড্রিয়া : ইতালির সিসিলিতে অবস্থিত এই বিচ হোটেলগুলো দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
  • ইল নিডো প্যানগুলাসেইন আইল্যান্ড : ফিলিপাইনের পালাউনের বিচ হোটেলগুলো পৃথিবীর অনেক দেশের পর্যটকদের কাছে প্রিয় জায়গা হিসেবে পরিচিত।
  • ডাব্লিউ বার্সেলোনা : পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ভ্রমণ পিপাসুরা স্পেনের বার্সেলোনার এই অপরূপ সৌন্দর্য ঘেরা দ্বীপটি দেখতে আসেন।
  • রকহাউজ হোটেল : জ্যামাইকার ন্যাগরিলে গেলে এটি দেখা যাবে। রকহাউজ হোটেলটি জ্যামাইকার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।
  • ইন্টারকন্টিনেন্টাল ড্যানাংসান প্যানিসোলা রিসোর্ট : দৃষ্টিনন্দন এই বিচ হোটেলগুলো ভিয়েতনামের ড্যানাং-এ অবস্থিত।
  • ফোর সিজন রিসোর্টস দি বিল্টামোর : আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার এই বিচটি ভ্রমণ করতে প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক এসে ভিড় করে।
  • হোটেল ডিউ প্যালিয়েস : নজরকাড়া এই বিচটি ফ্রান্সের বিয়ারিটসে গেলে দেখা যাবে।
  • হোটেল ফেসনো : এই বিচটি ব্রাজিল রিওডি জেনিরোতে অবস্থিত।
  • লি গুয়ানহানি : বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এই বিচ হোটেলটি আমেরিকার সেইন্ট বার্থিলেমি নামক জায়গায় অবস্থিত।

দৈনন্দিন

কুকুর কামড়ালে

আচমকা কুকুর আক্রমণ করে বসলে মানুষ আতঙ্কিত ও দিশেহারা হয়ে পড়েন। র‌্যাবিস বা জলাতঙ্কের কথা ভেবে ভীত হওয়ার কারণ কুকুরের আঁচড় বা কামড়। তবে কেবল জলাতঙ্কই নয়, ধনুষ্টঙ্কারসহ বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগও কুকুরের আঁচড় বা কামড় থেকে ছড়াতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে জলাতঙ্ক যেমন প্রাণসংশয়ের কারণ হতে পারে, তেমনই আক্রান্ত স্থানে বিবিধ সংক্রমণ ছড়িয়ে সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তা ছাড়া কুকুরের কামড় বেশ যন্ত্রণাদায়কও বটে। রাস্তাঘাটে তাই আচমকা কুকুরের আক্রমণের শিকার হলে ভয়ে বিহ্বল না হয়ে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা ও জরুরি বিষয় মাথায় রাখা উচিত। সাধারণত রাস্তাঘাটের কুকুরকে নিয়মিত ভ্যাকসিন দেওয়া হয় না। তবে বাসাবাড়ির পোষা কুকুরদের সাধারণত নিয়মিত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। তাই পোষা কুকুর কখনো কামড়ালে বেশি আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

শুরুতেই আক্রান্ত স্থানে ক্ষত ও রক্তপাতের তীব্রতা খেয়াল করতে হবে। কুকুর কামড়ালে প্রথমে ক্ষতস্থান চেপে ধরুন, যাতে তাড়াতাড়ি রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়। এরপর টিউবওয়েল বা চাপকলের পানির ধারায় ন্যূনতম ১০ মিনিট ধরে ক্ষত পরিষ্কার করুন। সম্ভব হলে কোনো অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করতে পারেন ক্ষতটি ভালোভাবে পরিষ্কারের জন্য। এটি ক্ষতের ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে। যতটা সম্ভব আক্রান্ত স্থানকে উঁচু করে রাখার চেষ্টা করুন। ক্ষত পরিষ্কার হয়ে গেলে দেরি না করে ক্ষত–পরবর্তী সংক্রমণের হার কমানোর জন্য নিকটস্থ চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে ক্ষতস্থানে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক মলমের প্রলেপ প্রয়োগ করে একটি জীবাণুমুক্ত গজ কাপড় দিয়ে ব্যান্ডেজ করে ফেলুন। প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পথ্যের পাশাপাশি অবশ্যই প্রতিদিন ক্ষতস্থান পরিষ্কার করতে হবে। কাটা স্থানে ধুলাবালু ও ময়লা যেন না লাগে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। ক্ষতপ্রদাহ শুকিয়ে আসা অবধি এ নিয়ম মেনে চলা উচিত। যদি অনেক বেশি ব্যথা হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্যারাসিটামল বা অন্য ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করতে পারেন।

সম্ভব হলে আক্রমণকারী কুকুরের দিকে লক্ষ রাখুন। কামড়ানোর কিছুদিনের মধ্যে কুকুরটি মারা গেলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এ রকম হলে বিষয়টি অবশ্যই চিকিৎসককে অবগত করুন। তবে এত সময় নষ্ট না করে, বরং যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতাল বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে জলাতঙ্ক ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকা গ্রহণ করা উচিত। জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলে তা কিন্তু শতভাগ প্রাণঘাতী। কুকুরের কামড়ের পর জলাতঙ্কের লক্ষণ প্রকাশ পেতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

জলাতঙ্কের জন্য দুই ধরনের টিকা রয়েছে। ক্ষতের তীব্রতা ও আধিক্যের ওপর ভিত্তি করে কারও ক্ষেত্রে একধরনের, আবার কারও কারও ক্ষেত্রে উভয় ধরনের টিকা প্রয়োগের প্রয়োজন পড়ে। যত তাড়াতাড়ি জলাতঙ্কের এ টিকা গ্রহণ করা যায়, ততই মঙ্গল। জলাতঙ্কের আধুনিক টিকার ছয়টি ডোজ রয়েছে। নাভির চারপাশে চামড়ার নিচে এ টিকা নেওয়া হয়। টিকার সব কটি ডোজ সময়মতো গ্রহণ করে টিকার কোর্স সম্পন্ন করা আবশ্যক। জলাতঙ্কের পাশাপাশি ধনুষ্টঙ্কারের সংক্রমণ ঠেকাতে কুকুরের আক্রমণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ধনুষ্টঙ্কারের টিকা গ্রহণ করা উচিত। কুকুরের আক্রমণের পর আঁচড় বা কামড়জনিত যেকোনো জটিলতায় নিকটস্থ চিকিৎসক বা সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

সাইকেলচালকদের ব্যায়াম

সাইকেল চালানো একটি উৎকৃষ্ট অ্যারোবিক ব্যায়াম। ওজন নিয়ন্ত্রণ, হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্ত সংবহনতন্ত্রের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে, বাতজনিত ব্যথা নিয়ন্ত্রণে এ ব্যায়ামের জুড়ি নেই। তবে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সাইকেল না চালালে তা হতে পারে নানা রকম শারীরিক জটিলতার কারণ। এর মধ্যে কোমর ও পিঠের ব্যথা, ঘাড় ও কাঁধের ব্যথা, ঊরুর ব্যাথা, হাঁটুব্যথা, পায়ের মাংসপেশিতে ব্যথা, হাত ও কবজি অবশ হওয়া ইত্যাদি অন্যতম। কাজেই সাইকেল চালানোর সময় সতর্কতা অবলম্বনের কোনো বিকল্প নেই।

সাইকেলচালকদের করণীয়

  • সাইকেলের আসন, প্যাডেল ইত্যাদি শরীরের গঠন অনুযায়ী সামঞ্জস্য করে নিন।
  • দীর্ঘ সময় টানা সাইকেল চালানো থেকে বিরত থাকুন।
  • সাইকেল চালানোর সময় কাঁধে ব্যাগ বহন করা থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে সাইকেলের সামনের অংশে ঝুড়ি সংযোজন করে নিন।
  • মাথায় হেলমেট এবং হাঁটু, কনুই ও কবজিতে সুরক্ষা প্যাড ব্যবহার করুন।
  • ব্যথা সামান্য হলে পাঁচ-সাত মিনিট বরফ লাগান।
  • ব্যথা দীর্ঘদিন রয়ে গেলে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • প্রতিদিন কমপক্ষে ছয়-আট ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে সাইকেল চালাবেন না।
  • প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

কিছু ব্যায়াম করুন নিয়মিত

ইলিওটিবিয়াল ব্যান্ড স্ট্রেচিং

ঘরের দরজার কাছে প্রথমে সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার ডান পা বাঁ পায়ের ওপর রেখে ক্রস করে দাঁড়ান। বাঁ হাত ওপরের দিকে উঠিয়ে দরজার ডান পাশে ধরার চেষ্টা করুন। এরপর ডান হাত ডান পাশের কোমরের ওপর রেখে কোমর সামান্য বাঁ দিকে বাঁকিয়ে টানটান করে ১০ সেকেন্ড থাকুন। একইভাবে শরীরের অপর পাশেও ব্যায়ামটি করুন। এটি দিনে ২ বেলা ১০ বার করে করতে পারেন।

হাঁটু স্ট্রেচিং

সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে ডান হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের গোড়ালি দিয়ে কোমর স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হাত দিয়ে গোড়ালি ধরে কাজটি করতে পারেন। এ অবস্থানে ৫-১০ সেকেন্ড থাকুন। একইভাবে অন্য পা দিয়েও ব্যায়ামটি করুন।

কোমরের মাংসপেশির স্ট্রেচিং

বিছানায় পাশ ফিরে শুয়ে এক পা আরেক পায়ের ওপরে সোজা করে রাখুন। এবার কোমরের মাংসপেশিতে টান অনুভব না করা পর্যন্ত ওপরের পা ওপর দিকে ওঠান। অন্য পাশ ফিরে অন্য পা দিয়েও একইভাবে ব্যায়ামটি করুন।

ঘাড় স্ট্রেচিং

ঘাড় ডানে-বাঁয়ে সামনে-পেছনে হেলিয়ে টানটান করে পাঁচ সেকেন্ড করে ধরে রাখুন এবং ছেড়ে দিন। এটি ৫-১০ বার করুন।

কবজির ব্যায়াম

দুই হাত সোজা করে শক্ত করে মুষ্টি বন্ধ করুন। পাঁচ সেকেন্ড ধরে রেখে ছেড়ে দিন। এ ব্যায়ামে কবজি ও হাতের আঙুলের ব্যথা উপশম হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ভয় কমেছে, বেড়েছে উদাসীনতা

দেশে করোনা সংক্রমণের শুরুতে মানুষের মধ্যে যে ভীতি ছিল, তা অনেকটাই কমেছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, ভীতি কমলেও বেড়েছে উদাসীনতা। এর ফল মারাত্মক হতে পারে। কারণ, ছয় মাস পরও সংক্রমণের হার কিছুটা কমার দিকে থাকলেও মৃত্যু বড় আকারে কমার লক্ষণ নেই। এখন রোগীদের উপসর্গেও কিছু ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারি হাসপাতালে শয্যা খালি থাকলেও বেসরকারি হাসপাতালের শয্যা পূর্ণ হয়ে গেছে। কিছু হাসপাতাল রোগী ফিরিয়েও দিচ্ছে।
করোনার নমুনা পরীক্ষা ও করোনা রোগীদের চিকিৎসার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রাজধানীর চারটি সরকারি ও দুটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বলেছেন, দেশ থেকে করোনার সংক্রমণ অল্প সময়ের মধ্যে চলে যাবে না। সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ বাড়াতে হবে। এ জন্য নিরবচ্ছিন্ন, সমন্বিত ও স্বচ্ছ তথ্যপ্রবাহও দরকার।
অনেক হাসপাতালেই কোভিড-পরবর্তী সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। ঝুঁকিতে বয়স্ক রোগীরাও।

করোনা সংক্রমণের ২৩ দিনের মাথায় ১ এপ্রিল থেকে করোনার নমুনা পরীক্ষা শুরু করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)। শুরুর দিকে নমুনা দেওয়ার জন্য হাসপাতালটিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অনলাইনের মাধ্যমে সম্ভাব্য রোগীদের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করে।
বিএসএমএমইউর ভাইরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাইফ উল্লাহ মুন্সি মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগের থেকে করোনা নমুনা দেওয়া লোকের সংখ্যা অনেক কমেছে। আবার আগের থেকে সংগৃহীত নমুনার মধ্যে পজিটিভ হওয়ার হার কমেছে। বর্তমানে সংগৃহীত করোনার নমুনার ১২ ভাগ পজিটিভ আসছে। তবে আগে আমাদের হাসপাতালে করোনার নমুনা দেওয়ার জন্য যে ভিড় ছিল, সেই ভিড় এখন অনেক কম।’
পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালেও করোনার নমুনা দেওয়া লোকের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। গত এপ্রিল থেকে করোনার নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করে মিটফোর্ড হাসপাতাল। তখন প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষ হাজির হতেন। বর্তমানে এই সংখ্যা ১০০-র নিচে।
মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী রশিদ-উন-নবী প্রথম আলোকে বলেন, সংগৃহীত নমুনার মধ্যে পজিটিভ হওয়ার হার ১০-এর নিচে রয়েছে।
কিন্তু এই কম হার এমন ইঙ্গিত দেয় না যে করোনা দেশ থেকে দ্রুত চলে যাবে, এমনটাই মনে করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘করোনার সংক্রমণ সহসাই দেশ থেকে চলে যাবে বলে আমার মনে হয় না। দু-একটা দেশে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আমাদের পাশের দেশ ভারতসহ পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোয় কিন্তু সংক্রমণ বাড়ছে। আমাদের দেশেও সংক্রমণ অব্যাহত আছে। প্রতিদিন মৃত্যুও হচ্ছে। তবে অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে মৃত্যুর হার কিছুটা কম।’

৬ সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তির সংখ্যা ৬৪৫। এখন পর্যন্ত এ হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৯২ জন। আর বিএসএমএমইউতে এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ১২৫ জন।
বিএসএমএমইউর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুলফিকার আহমেদ আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘করোনার সংক্রমণ কিন্তু আছে। মানুষও মারা যাচ্ছে। আমাদের হাসপাতালে ২২৫টি শয্যা আছে। প্রায় সবগুলো শয্যায় করোনা রোগী আছে। ঈদুল আজহার পর হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ছে।’
বিএসএমএমইউর শয্যা প্রায় পূর্ণ হলেও ৭ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে কোভিড শয্যাসংখ্যা ১৪ হাজার ৪৭৪। এর মধ্যে রোগী ভর্তি আছে ৩ হাজার ৫৬৩ জন। খালি আছে বাকিগুলো। আর আইসিইউ শয্যার সংখ্যা সাড়ে ৫০০। এর মধ্যে রোগী আছে ৩০৭টিতে।

রাজধানীর বেসরকারি স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউ অ্যান্ড ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের কনসালটেন্ট রায়হান রাব্বানী বলেন, ‘স্কয়ারে কোভিড শয্যাসংখ্যা প্রায় ১০০। গত মে মাসে যখন এখানে রোগী ভর্তি শুরু হয় তখন শয্যা প্রায় পূর্ণ হয়ে যেত। মাঝখানে কম ছিল। কোরবানির ঈদের সপ্তাহখানেক পরই শয্যার ওপর চাপ বাড়তে থাকে। দুই সপ্তাহ পর আরও বাড়তে থাকে। এখন কোনো শয্যা খালি নেই।’
বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালের রেসপাইরেটরি মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক রওশন আরা খানম বলেন, ‘আমাদের কাছে রোগী আসার সংখ্যা আগের চেয়ে কমেছে বলে মনে হয় না।’

রায়হান রাব্বানীর পর্যবেক্ষণ, ঈদের পর যেসব রোগী তিনি পেয়েছেন তাঁদের বেশির ভাগ হয় পশুর হাটে গেছেন, নয়তো ঈদের সময় ঘুরতে গেছেন।
করোনা সংক্রমণের ছয় মাসেও মৃত্যুর মিছিল থামছে না। অথচ দেশের বড় একটা জনগোষ্ঠী কোনো প্রকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। গণপরিবহনগুলোয় (বাস, লঞ্চ, ট্রেন) যাত্রীদের বেশির ভাগ মাস্ক পরেন না, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন না। ঢাকাসহ দেশের বড় শপিং মলগুলোয় ক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সরকারি সংস্থাগুলোর যে নজরদারি ছিল, সেটিও এখন একেবারই অনুপস্থিত।


ইউনাইটেড হাসপাতালের চিকিৎসক রওশন আরা খানম বলছেন, ‘শুরুতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছিল প্রবল। এখন সেটা কেটে গেছে। কমেছে সজাগ থাকার মাত্রা। একটা গা ছাড়া ভাব সর্বত্র দেখছি। এটা আমাদের সবার জন্য মারাত্মক। আমাদের দেশে লক্ষণহীন রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। আমরা যদি সবাই উদাসীন হয়ে যাই, তবে বড় ধরনের বিপদ আসতে পারে।’
জনস্বাস্থ্যবিদ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘করোনার সংক্রমণ দেশ থেকে কমাতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু আমরা স্বাস্থ্যবিধি মানছি না। ফলে করোনার সংক্রমণ সেভাবে কমছেও না। করোনার নমুনা সংগ্রহের পরিমাণ বাড়ানো দরকার।’

কোভিড-পরবর্তী সমস্যা বাড়ছে

সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে বিএসএমএমইউ এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কোভিড-উত্তর রোগীদের জন্য নতুন শাখা খুলেছে। বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতাল পোস্ট-কোভিড কেয়ার প্রোগ্রাম কর্মসূচি নিয়েছে। হাসপাতালটির চিকিৎসক রওশন আরা খানম বলছিলেন, ‘সেরে ওঠা বয়স্ক রোগীদের একটা অংশ ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছে। তাঁরা স্বাভাবিক কাজে ফিরতে পারছেন না। যাঁরা আইসিইউতে ছিলেন, দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ছিলেন, তাঁদের মধ্যে এ সমস্যা বেশি। আমরা এখন এসব রেগীর জন্য ফুসফুসের ব্যায়াম, মানসিক কাউন্সেলিং চালু করেছি। এতে উন্নতিও হচ্ছে।’
স্কয়ারের চিকিৎসক রায়হান রাব্বানীও জানান, কোভিড থেকে সেরে ওঠা রোগীদের মধ্যে ফুসফুসের সমস্যা নিয়ে আবার হাসপাতালে আসার ঘটনা ঘটছে। তাঁরা কোভিডে নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন না বটে। কিন্তু অনেকের সমস্যা থেকে যাচ্ছে

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসটি অনেক দ্রুতগতিতে রূপ পরিবর্তন করছে। বিশ্বে করোনা ভাইরাসের রূপান্তরের হার ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ। আর বাংলাদেশে রূপান্তরের হার ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির এক গবেষক দল এ তথ্য জানিয়েছে। গত রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়।

আক্রান্ত সব বয়সী, কখনো পুরো পরিবার

চিকিৎসকেরা বলছেন, করোনার ঝুঁকিতে আছে সব বয়সী মানুষ। করোনায় সংক্রমিত শিশুদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু আছে ‘শিশু করোনা ইউনিট’। এখন পর্যন্ত হাসপাতালটির করোনা ইউনিটে ২৫ জন শিশু ভর্তি আছে। গত মে মাস থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০ শিশু এই ইউনিটে চিকিৎসা নিয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সাঈদা আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত ১০ থেকে ১২ জন শিশু মারা গেছে, যাদের শারীরিক অন্যান্য জটিল রোগ ছিল। বিশেষ করে ক্যানসার।’

মা-বাবাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের মাধ্যমে শিশুরা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে জানিয়ে অধ্যাপক সাঈদা আনোয়ার বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে শূন্য থেকে ১২ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের করোনার ইউনিটে ভর্তি করা হয়। এসব শিশুর ব্যাপারে অনেক সতর্ক থাকতে হবে। এসব শিশুকে বাইরে নিতে হলে অবশ্যই মাস্ক পরাতে হবে। পরিবারের বয়স্কদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। করোনা থেকে শিশুকে রক্ষা করতে হলে বড়দের সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই।’

ইউনাইটেড হাসপাতালের চিকিৎসক রওশন আরা খানমের কথা, ‘সব বয়সী রোগী পেয়েছি। তরুণেরা অনেকে বেশি বাইরে বের হয়। তাতে সংক্রমণ বাড়ে।’
পুরো পরিবার আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও আছে। আর এতে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি পরিবারে বয়ে যায় এক প্রবল মানসিক টানাপোড়েন। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রায়হান রাব্বানী বলেন, ‘একটি পরিবারের মা-বাবা, দুই মেয়ে সবাই মিলে আমাদের হাসপাতালে সেবা নিয়েছেন। এমন পরিবারের অবস্থা কী হয়, তা বলা বাহুল্য।’
স্কয়ার হাসপাতালে ঢাকার বাইরের জেলাগুলোর মধ্যে অন্য সময় চট্টগ্রাম ও সিলেটের রোগীরা বেশি আসেন বলে জানান ডা. রাব্বানী। এই চিকিৎসক বলেন, কোভিড রোগীদের মধ্যে কোরবানির আগে ঢাকার স্থানীয় রোগী বেশি ছিল। কিন্তু এখন রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী অঞ্চলের রোগীও বাড়ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কর্মসংস্থানের চাহিদা বদলে গেছে

তিন-চার বছর ধরেই চাকরির বাজার খারাপ ছিল। প্রতিবছর স্নাতক পাস করে যত তরুণ-তরুণী চাকরির বাজারে আসেন, তাঁদের অর্ধেকের মতো চাকরি পান। বাকি অর্ধেক বেকার থাকেন। তবে স্নাতক ডিগ্রির কম পড়াশোনা জানা তরুণ-তরুণীরা তুলনামূলক বেশি কাজ পান। কিন্তু করোনার কারণে এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হলো। চাকরির সুযোগ কমেছে। অর্থনীতি চাঙা না হওয়ায় নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছে না।

করোনায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের চাকরির বাজার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। করোনার আগে কারিগরি বা ভোকেশনাল ডিগ্রিধারীদের চাকরির সুযোগ তুলনামূলক বেশি ছিল। করোনায় এই খাতেও প্রভাব পড়েছে। আর্থিক ভিত্তি ভালো থাকায় বড় বড় কোম্পানিতে সেই তুলনায় হয়তো কম প্রভাব পড়েছে। সব মিলিয়ে করোনায় চাকরি বাজারে একধরনের সংকট তৈরি করেছে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে যদি সরকারিভাবে সহায়তা দেওয়া যায়, যাতে তারা ব্যবসা-বাণিজ্য আবার চালু করতে পারে। তাহলে আবারও বিপুলসংখ্যক কর্মীর দরকার হবে। এতে কাজ হারানো লোকগুলোর আবার কর্মসংস্থান হবে।

করোনার মতো বিশেষ পরিস্থিতিতে চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষিত তরুণদের মানসিকতার পরিবর্তনও আনতে হবে। করোনার কারণে এমনিতেই চাকরির বাজারে মন্দাভাব আছে। চাকরিপ্রত্যাশীদের একটু ছাড় দিতে হবে। তাঁদের বুঝতে হবে, বর্তমান সময়টি বেশ চ্যালেঞ্জিং। আগের মতো সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি হবে না। তাঁদের প্রত্যাশা আরেকটু কমাতে হবে। যেকোনো চাকরি করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।

এমনিতে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা চাহিদা অনুযায়ী জনবলের জোগান দিতে পারছে না। বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে দক্ষ জনবল তৈরি হচ্ছে না। করোনা-পরবর্তী চাকরির বাজারের চিত্রও পরিবর্তন হতে পারে। নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা, অনলাইন মার্কেটিংসহ তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর চাকরির সুযোগ বাড়বে। অনলাইনে চাকরির বিজ্ঞাপনপ্রবাহ গত এপ্রিল ও মে মাসে বেশ কমেছে। এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হতে থাকে। তবে কর্মসংস্থানের চাহিদা বদলে গেছে। এখন উৎপাদন, তথ্যপ্রযুক্তি—এসব খাতে চাকরির বিজ্ঞাপন বাড়ছে। করোনার আগে স্বাভাবিক সময়ে সাধারণত পণ্য বা সেবার বাজারজাতকরণে (মার্কেটিং) বেশি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

উদ্যোক্তাদের জন্য ওয়ারেন বাফেটের ১০ পরামর্শ

সর্বকালের সেরা বিনিয়োগকারী কে? উত্তরে সব সময় যাঁর নামটি প্রথমে আসবে তিনি হলেন ওয়ারেন বাফেট। মার্কিন এই ধনকুবেরকে বলা যায় বিশ্বের সব বিনিয়োগকারীদের শিক্ষাগুরু।

একবার ওয়ারেন বাফেটের কাছে জানতে চাওয়া হয়, অর্থোপার্জন এবং নিজের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ তৈরি করার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের জন্য তাঁর পরামর্শ কী, তখন তিনি বলেছিলে, প্রথমেই তাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত তাঁদের বন্ধকি ঋণ পরিশোধ করা। তাঁর মতে, বন্ধকের অতিরিক্ত অর্থ দ্রুত পরিশোধের মানে হলো দুটি। এক. সুদের অর্থ বাঁচানো এবং দুই. বন্ধক থেকে মুক্ত যার মানে এই টাকা জোগাড় করতে প্রতি মাসে এত পরিশ্রম করতে হবে না। এটি এক কথায় একটি নিরাপদ বিনিয়োগ।

সঞ্চয়ের সুরক্ষিত জাল তৈরি করতে হবে—ওয়ারেন বাফেট প্রায়ই এটা বলেন। তাঁর মতে, যথাযথ বিনিয়োগে আসার আগে উদ্যোক্তাকে অবশ্যই কমপক্ষে ছয় মাস আগে থেকে জীবনযাত্রার ব্যয় (কেবলমাত্র বেঁচে থাকার বাজেটের জন্য যা লাগে) কমাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। এর অর্থ হলো যদি হঠাৎ করে আপনার কিছুটা নগদ অর্থের প্রয়োজন পড়ে, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিপদে পড়লে তা সামাল দিতে পারবেন। উদ্যোক্তাদের জন্য এমন নানা পরামর্শ প্রায়ই দিয়ে থাকেন বাফেট।

উদ্যোক্তাদের জন্য বাফেটের ১০ পরামর্শ

১. পড়ুন এবং ভাবুন: বাফেট বলেন, আমি মনে করি প্রতিদিন অবশ্যই কিছু কিছু সময় বসে বসে ভাবা উচিত। যদিও মার্কিন ব্যবসায় এটি খুব অস্বাভাবিক। আমি প্রচুর পড়ি এবং ভাবি। ব্যবসায়ে বেশির ভাগ মানুষের চেয়ে কম প্ররোচিত সিদ্ধান্ত নিই আমি। আমি এটি করি কারণ আমি এই জাতীয় জীবন পছন্দ করি।

২. ব্যবসায়ের মৌলিক বিষয় সব সময় মনে রাখতে হবে: এ বিষয়ে ওয়ারেন বলেন, ‘মূল্য হলো যা তুমি পরিশোধ করছ। মান হলো যা তুমি পাচ্ছ।’

৩. ভাবুন ভাবুন এবং ভাবুন: বাফেটের খুব মূল্যবান একটি পরামর্শ হলো—একটি চমৎকার কোম্পানি ন্যায্যমূল্যে কেনার চেয়ে একটি ন্যায্য কোম্পানি চমৎকার দাম দিয়ে কেনা ভালো।

৪. স্মার্ট ও বাস্তববাদী হতে হবে: বাফেট বলেন, আমি এমন ব্যবসাগুলোর শেয়ার কেনার চেষ্টা করি যা এতই দুর্দান্ত যে একজন নির্বোধও তাদের চালাতে পারবে।

৫. কথার কথা বলবেন না যতক্ষণ না কাজটি করতে পারেন: বাফেট বলেন, স্রোতের টানে কার সব ভেসে গেল তা স্রোত সরে যাওয়ার পরেই বোঝা যায়। তাই কাজ করার আগে অযথা অহমিকা নয়।

৬. মনুষ্যত্ব মানুষ তৈরি করে: মানুষের আত্মিক সততা তার কাজেও প্রতিফলিত হয়। বাফেট বলেন, একজন খারাপ মানুষ হয়ে একটি ভালো চুক্তি আপনি করতে পারবেন না।

৭. সত্যিকারের ভালো মানুষ হন: খুব মূল্যবান একটি মন্তব্য আছে বাফেটের যা বিশ্বের সব সময়ের জন্যই প্রযোজ্য। বাফেট বলেন, সম্মান তৈরি করতে ২০ বছরও লেগে যায়, ভাঙতে ৫ মিনিটও লাগে না। এটা যদি আপনি ভাবেন তাহলে আপনি আলাদাভাবেই জীবন চালাবেন।

৮. কোনটি আসলেই মূল্যবান তা সম্পর্কে জানুন: বাফেট বলেন, স্বাস্থ্যের পরে আমি যে সম্পদটি সবচেয়ে বেশি মূল্যবান বলে মনে করি তা হলো আকর্ষণীয়, বিচিত্র এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্ধু।

৯. কখন গোটাতে হবে জানুন: যদি নিজেকে কোনো গর্তে খুঁজে পান তবে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো খনন বন্ধ করা।

১০. এগিয়ে যাও: কোনো কাজ শুরুর আগে অবশ্যই নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। এমনটায় মনে করেন বাফেট। তিনি বলেন, আমি সব সময় জানতাম আমি বড়লোক হব। এ বিষয়ে কখনো আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ ছিল না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com