আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

বিশ্বের সবচেয়ে দামী মাছ

পেপারমিন্ট অ্যাঞ্জেলফিস : বিরল প্রজাতির এ মাছটির দাম ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। লাল-সাদা রঙের এ মাছটি ভোজন রসিকদের কাছে অনেক প্রিয়।
প্লাটিনাম আরওয়ানা : এ মাছটির দাম চার লাখ মার্কিন ডলার। এটি হোয়াইট আরওয়ানা নামেও পরিচিত। মাছটি এশিয়া, আফ্রিকা এবং আমেরিকার বিভিন্ন দেশে এটি পাওয়া যায়।
ফ্রেসওয়াটার পোলকা ডট স্ট্রিংয়ে : সুন্দর এই মাছটিকে তাইওয়ানে পাওয়া যায়। এ মাছটির দাম এক লাখ মার্কিন ডলার।
ব্লেডফিন বাসলেট : ছোট্ট সুন্দর মাছটি ক্যারিবিয়ান উপকূলে পাওয়া যায়। এই মাছের দাম দশ হাজার মার্কিন ডলার।
গোল্ডেন বাসলেট : প্রশান্ত মহাসাগরে এই মাছটি পাওয়া যায়। এর দাম ৮ হাজার মার্কিন ডলার।
নেপচুন গ্রুপার : হলুদ, গোলাপী ও কমলা রঙের এই মাছের দাম ৬ হাজার মার্কিন ডলার।
অস্ট্রেলিয়ান ফ্ল্যাটহেড পার্চ : বিরল ট্রল প্রজাতির মাছটি অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়। এই মাছের দাম পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার।
রট আয়রন বাটারফ্লাই ফিস : এটি প্রায় ৬ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। সুদৃশ্য মাছটিকে জাপানে পাওয়া যায়। এর একটি মাছের দাম তিন হাজার মার্কিন ডলার।
ক্ল্যারিয়ঁ অ্যাঞ্জেলফিস : মেক্সিকো উপকূলে এই বিরল প্রজাতির এই মাছ পাওয়া যায়। এই মাছটির দাম আড়াই হাজার মার্কিন ডলার।
ক্যান্ডি বাসলেট : ক্যারিবিয়ান উপকূলে এই মাছটি দেখা য়ায়। এর দাম এক হাজার মার্কিন ডলার।

  • বিশ্বের সবচেয়ে দামী মাছ

    পেপারমিন্ট অ্যাঞ্জেলফিস : বিরল প্রজাতির এ মাছটির দাম ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। লাল-সাদা রঙের এ মাছটি ভোজন রসিকদের কাছে অনেক প্রিয়।

  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ

    প্লাটিনাম আরওয়ানা : এ মাছটির দাম চার লাখ মার্কিন ডলার। এটি হোয়াইট আরওয়ানা নামেও পরিচিত। মাছটি এশিয়া, আফ্রিকা এবং আমেরিকার বিভিন্ন দেশে এটি পাওয়া যায়।

  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ

    ফ্রেসওয়াটার পোলকা ডট স্ট্রিংয়ে : সুন্দর এই মাছটিকে তাইওয়ানে পাওয়া যায়। এ মাছটির দাম এক লাখ মার্কিন ডলার।

  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ

    ব্লেডফিন বাসলেট : ছোট্ট সুন্দর মাছটি ক্যারিবিয়ান উপকূলে পাওয়া যায়। এই মাছের দাম দশ হাজার মার্কিন ডলার।

  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ

    গোল্ডেন বাসলেট : প্রশান্ত মহাসাগরে এই মাছটি পাওয়া যায়। এর দাম ৮ হাজার মার্কিন ডলার।

  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ

    অস্ট্রেলিয়ান ফ্ল্যাটহেড পার্চ : বিরল ট্রল প্রজাতির মাছটি অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়। এই মাছের দাম পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার।

  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ

    রট আয়রন বাটারফ্লাই ফিস : এটি প্রায় ৬ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। সুদৃশ্য মাছটিকে জাপানে পাওয়া যায়। এর একটি মাছের দাম তিন হাজার মার্কিন ডলার।

  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ

    ক্ল্যারিয়ঁ অ্যাঞ্জেলফিস : মেক্সিকো উপকূলে এই বিরল প্রজাতির এই মাছ পাওয়া যায়। এই মাছটির দাম আড়াই হাজার মার্কিন ডলার।

  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ

    ক্যান্ডি বাসলেট : ক্যারিবিয়ান উপকূলে এই মাছটি দেখা য়ায়। এর দাম এক হাজার মার্কিন ডলার।

  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ

    নেপচুন গ্রুপার : হলুদ, গোলাপী ও কমলা রঙের এই মাছের দাম ৬ হাজার মার্কিন ডলার।

  • বিশ্বের সবচেয়ে দামী মাছ
  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ
  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ
  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ
  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ
  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ
  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ
  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ
  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ
  • বিশ্বের-সবচেয়ে-দামী-মাছ
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোবিজ

চীনে রপ্তানি বন্ধ, লোকসানের মুখে কাঁকড়া চাষিরা

পাথরঘাটা (বরগুনা): চীনে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতির কারণে আমদানি বন্ধ থাকায় রপ্তানির অভাবে শুধু বরগুনার পাথরঘাটাতেই ২০ কোটি টাকা ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে কাঁকড়া চাষিদের। এলাকার বেশিরভাগ চাষি ঋণ নিয়ে এ ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তাই লাভের অঙ্কের চেয়ে এখন ব্যাংক আর এনজিওর সুদ নিয়েই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কয়েকশত চাষি।

গত বছর এমন সময়ে যে কাঁকড়া চীন, থাইল্যান্ড, তিউনিশিয়ায় রপ্তানি হয়েছে এবার সে কাঁকড়া পানি থেকে এখনো আলোর মুখ দেখেনি। চাষিরা বলছেন, রপ্তানির আশায় কাঁকড়া চাষ করে চাহিদা না থাকায় লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা।

জানা যায়, গত বছর স্ত্রী কাঁকড়া দুই হাজার ৯৫০ টাকা ও পুরুষ কাঁকড়া এক হাজার ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। সেই কাঁকড়া বর্তমানে স্থানীয় বাজারে ৩০০-৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকেও ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা কেজিও বিক্রি করা হয়েছে।

পাথরঘাটার সবচেয়ে বড় কাঁকড়ার আড়তদার সমির চন্দ্র ব্যাপারি বাংলানিউজকে বলেন, গত বছর চাষিদের কাছে ২৫০০ টাকা কেজিতে কিনেছি। সেই কাঁকড়া এখন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় পাইকাররা বলছে। বর্তমানে চীনে রপ্তানি না থাকায় চাষিদের লোকসান গুণতে হচ্ছে।

স্থানীয় এক কাঁকড়া আড়তদার বলেন, ঢাকার পাইকাররা আমাদের জানিয়েছে, চীনে কাঁকড়া যায় না, তাই তারাও কিনছে না। এজন্য আমরাও চাষিদের থেকে কাঁকড়া কিনছি না। পেইচ প্রকল্পের সহকারী ভ্যালুচেইন ফ্যাসিলিটেটর গোলাম মোর্শেদ রাহাত বলেন, ‘পিকেএসএফ’র সহযোগিতায় স্থানীয় এনজিও সংগ্রামের মাধ্যমে পাথরঘাটা উপজেলার ছোট-বড় মিলিয়ে পাঁচ শতাধিক উদ্যোক্তাদের কাঁকড়া চাষে উদ্বুদ্ধ করি। এতে তারা গত কয়েক বছরে অনেক লাভবান হয়েছে। তবে এ বছর কাঁকড়া বিক্রি করতে না পারায় তাদের প্রায় ২০ কোটি টাকার বেশি লোকসান গুণতে হবে।

পাথরঘাটা উপজেলা কাকড়া আড়তদার সমিতির সভাপতি ও কাঁকড়া চাষি উত্তম মজুমদার এক একর জমিতে নির্মিত ঘেরে আড়াই হাজার টাকা কেজিতে কাঁকড়া চাষ করছেন। তিনি সেখানে প্রতি মাসে চার লাখ টাকার খাবার দিয়ে তিন মাস ধরে পরিচর্যা করে আসছেন।

উত্তম মজুমদার বলেন, সুন্দরবন এলাকা থেকে ২০ লাখ টাকার কাঁকড়া সংগ্রহ করে তিন মাস পরিচর্যা করে খরচ হয়েছে ৩২ লাখ টাকা। অথচ এখন ৩০০ টাকা দরে মূল্য দাঁড়ায় শুন্যের কোটায়। তিনি বলেন, বর্তমানে কাঁকড়ার পেটে ডিম চলে এসেছে তাই বিক্রি না করলে সেগুলো মরে যাচ্ছে।

পাথরঘাটা কাঁকড়া চাষি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোজ বেপারী বলেন, যেখানে কেজি বিক্রি করেছি ২৫০০ টাকা সেখানে এ বছর মাত্র ৩০০-৪০০ টাকা কেজি বলছে পাইকাররা। এতে আমরা প্রচুর  লোকসানে পড়তে যাচ্ছি। সঠিক সময় সঠিক মূল্যে বিক্রি করতে না পারলে এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবোনা।

একই এলাকার নারী উদ্যোক্তা পুতুল রানী ৩৩ শতাংশ জমিতে সাড়ে ৭০০ কেজি কাঁকড়ার চাষ করে লোকসানের মুখে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে উপজেলার মনোজ ব্যাপারি, তপু, কিশোর, মহিন্দ্র, জোৎস্না রানী ও শিল্পী রানীসহ শতাধিক উদ্যোক্তা গোনট পূর্ণাঙ্গ কাঁকড়া বিক্রি করতে না পারায় হতাশ হয়ে পড়েছেন।

তবে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু চাষিদের একটু ধৈর্য ধরে কয়েক দিন অপেক্ষা করতে এবং বাড়তি পরিচর্যা করতে পরামর্শ দিয়েছেন।

বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বাংলানিউজকে বলেন, করোনা ভাইরাসের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে বাজার খারাপ হওয়ার কারণে এর প্রভাব আমাদের দেশে পড়ছে। অতি শিগগিরই একটি সমাধান আসবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পাহাড়ের লেবু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে অন্য জেলায়

জামালপুর: জামালপুরের গাঢ় পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে গাছে ঝুলে রয়েছে লেবু। করোনা ও রমজানে লেবুর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন লেবু চাষিরা। 

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের সাতানিপাড়া এলাকায় দেখা যায়, দিগন্ত জুড়ে লেবুর বাগান। স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালিরা একটু সমতল জায়গা পেলেই রোপণ করছেন লেবুর চারা।

এর কারণ অবশ্যই একটু ভিন্ন। হাতির আক্রমণে যখন পাহাড়ি জনপথ দিশেহারা তখন স্থানীয় জেলা প্রশাসকের পরামর্শে হাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে লেবু চাষে আগ্রহী হয় স্থানীয় জনপদের মানুষ।

বিভিন্ন জায়গা থেকে লেবুর চারা ও কলম সংগ্রহ করে বন্য হাতির বিচরণ ক্ষেত্র ও হাতির চলাচল রাস্তায় এসব লেবু চারা রোপণ করেন তারা। এসব লেবুর চারা রোপণের ফলে একদিক থেকে হাতির আক্রমণ থেকে রক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য ফসল তারা নির্বিঘ্নে ঘরে তুলতে পারছেন। লেবুর চারা বড় হওয়ায় এখন এলাকায় হাতির উপদ্রব অনেকটাই কমে গেছে।

লেবু চাষে আবহাওয়া ও মাটি অনুকূল হওয়ায় এখানে শুধু এলাচি, কাগজি ও বাতাবি লেবুর চাষ করা হয়েছে। অন্যান্য লেবুর চেয়ে গুনগত মান উন্নত হওয়ায় স্থানীয় বাজারে এ লেবুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় উপযুক্ত দামও পাচ্ছেন এসব লেবু চাষিরা।
স্থানীয় বাজারে লেবুর চাহিদা পূরণ করে অন্যান্য জেলাতেও যাচ্ছে এই লেবু।

লেবু গাছ বড় হওয়ায় ভারতীয় বন্যহাতি এখন আর বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকতে পারে না, ফলে জানমাল অনেকটাই নিরাপদ।

এদিকে লেবু চাষের পর এবার পরীক্ষামূলকভাবে মালটার চারাও রোপণ করতে দেখা গেছে এই এলাকার চাষিদের। বেশ কিছু গাছে মালটা ধরেছেও। এগুলো পাকতে আরও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে।
তবে স্থানীয় কৃষি বিভাগের প্রতি অভিযোগ অনেক। সাত্তার, নজরুল ও সর্দার মিয়া জানান, তারা লেবু চাষ করছেন আনুমানের ওপর ভিত্তি করে। এ পর্যন্ত লেবু চারা রোপণ করলেও কোনো ধরনের সার ও কীটনাশক দেওয়া হয়নি। প্রশিক্ষণ নিয়ে সঠিক নিয়ম মোতাবেক লেবু চাষ করলে হয়তো আরও লাভবান হওয়া যেতো।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর আজাদ বাংলানিউজকে জানান, ওখানে লেবু চাষ হয়েছে আমি জানতে পেরেছি। লেবু চাষ নিয়ে বা অন্য কোনো সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসেনি কেউ। যদি আসে তবে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

লোকসানের মুখে নালিম চাষিরা

মাগুরা: লাভের আশায় এ বছর মাগুরায় ১৮২ হেক্টর জমিতে নালিম চাষ করা হয়। কিন্তু লাভের আশায় গুড়ে বালি। করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ না করতে না পারায় চরম লোকসানের মুখে নালিম চাষিরা।

নালিম চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রমজান মাসে ইফতারির সঙ্গে নালিমের চাহিদা থাকে। কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতির ক্রেতা না থাকার কারণে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে নালিম।

জানা যায়, এ বছর শিবরামপুর, আঠারোখাদা, পূর্ববাড়িয়ালা, ইছাখাদা এলাকায় নালিমের বাম্পার ফলন হলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে বাজার অনেকটাই মন্দা যাচ্ছে। ক্রেতা সংকটের কারণে সঠিক দাম পাচ্ছে না চাষিরা। বেড়েছে পরিবহন ব্যয়ও।

হাজরাপুর গ্রামের নালিম চাষি রবিউল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, এ বছর আমি সাড়ে তিন বিঘা জমিতে নালিম চাষ করি। ফলনও ভাল হয়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে বাজারজাত করতে পারছি না। সঠিক সময় নালিম জমি থেকে তুলতে না পারার কারণে ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। রমজান মাসে নালিমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে বিক্রি করতে পারছি না।

একই গ্রামের চাষি জহির শেখ বাংলানিউজকে বলেন, আমি চার বিঘা জমিতে নালিম চাষ করেছি। আরও অন্যের জমি থেকে নালিম কিনেছি। ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারার কারণে ভাল দাম পাচিছ না। বর্তমানে নালিমের দাম রয়েছে ৫-৬ টাকা করে। খরা হলে আর একটু ভাল দাম বেশি পাব বলে মনে হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাহিদুল আমিন বাংলানিউজকে বলেন, যেসব কৃষক ঢাকায় নালিম বিক্রি করতে যাবেন তাদের আমরা একটা প্রত্যায়নপত্র দিচ্ছি যাতে করে পথে কোনো সমস্যা না হয়। তবে জেলায় চলিত বছরে নালিম চাষ হয়েছে ১৮২ হেক্টর জমিতে। ফলন ভাল হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

খুলনায় বাড়ির ছাদে ফুল-ফল-সবজির বাগান

খুলনা: সকাল থেকে রোদ মেঘের খেলা। মাঝে মধ্যে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। বৈশাখের বৃষ্টির ফোটাগুলো বেশ করে গায়ে মাখলো কাগজি ও বাতাবি লেবু। বিন্দু বিন্দু জলের কণায় দুলে দুলে উঠলো তাদের শরীর। এ সৌন্দর্যে বুঁদ হয়ে থাকবে যে কেউ।

খুলনা মহানগরীর খালিশপুরে অবস্থিত খুলনা কর অঞ্চলের কর কমিশনার প্রশান্ত কুমার রায়ের বহুতল ভবনের ছাদ বাগানে এমন মনোমুগ্ধকর পরিবেশের দেখা মেলে। এ বাগানে শুধু কাগজি ও বাতাবি লেবু নয় রয়েছে ঢেড়শ, ডাটা, উচ্ছেসহ নানা রকম সবজি ও বাহারি ফুল।

কর কমিশনার প্রশান্ত কুমার রায় বলেন, বাড়ির ছাদে বাগান করার শখ আমার অনেক দিনের। পরিবারের সদস্যদের বিষমুক্ত খাদ্যর যোগান দিতে এ বাগান তৈরি করা। ছাদ বাগানে কাগজি লেবু,বাতাবি লেবু আর ঢেড়শসহ বিভিন্ন ফল ও ফুলের গাছ রয়েছে। আমি কৃষক পরিবারের ছেলে। তারপর লেখাপড়া করেছি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। কৃষি আমার রক্তে, শিরা উপশিরায়। শখ থেকে বর্তমানে পরিবারের পুষ্টির যোগানও হচ্ছে এই বাগান থেকে।
ভবনের ছাদে ব্যতিক্রমী এ বাগানে প্রচন্ড এ গীষ্মের তাপদহে কোনো গাছে ধরে আছে ফুল, আর কোনো গাছে ধরে আছে বিভিন্ন প্রজাতির ফল। তার বাগান জুড়ে থাকা ফলের হাসি শুধু তাকেই অনুপ্রাণিত করেনি, অনুপ্রাণিত করেছে এলাকার সব শ্রেণিপেশার মানুষকে।

খুলনা মহানগরীর রায়ের মহল এলাকার রায়ের মহল কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শেখ শামসুদ্দীন দোহা। তার বাড়ির ছাদ বাগানে রয়েছে আম, তরমুজ, বেদানা, ডালিম, কাগজি ও বাতাবি লেবুর গাছ। এছাড়া রয়েছে মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন শাক সবজি ও বাহারি সব ফুল গাছ।
তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ছুটির দিন ছাড়াও সময় পেলেই বাগানের পরিচর্যা করি। ১৭শ’ বর্গ ফুটের ছাদ বাগানে প্রায় সব ধরনের শাক সবজি আছে। যা দিয়ে পরিবারের চাহিদা মিটে যায়।

মহানগরীর গোবরচাকা মেইন রোডে ভাড়া বাসায় থেকে ছাদ বাগান গড়ে তুলেছেন সাংবাদিক হেদায়েত হোসেন মোল্লা। তার ছাদ বাগানে রয়েছে, কমলা, মাল্টা, থাই পেয়ারা, কাগজি লেবু, গ্রীষ্মকালীন টমেটো, আছে সরিষা ফুল, বেলী, নীল কণ্ঠমনি,পুদিনাসহ ড্রাগন ও মসলা গাছ।
হেদায়েত হোসেন মোল্লা বলেন, শখ থেকে ছাদে বাগান গড়ে তুলেছি। কাজের ফাঁকে সময় করে বাগান পরিচর্যা করি। আমার এ বাগানে ফলজ, বনজ ও ঔষধী গাছসহ প্রায় ৪৫ প্রজাতির গাছ রয়েছে।

এছাড়া ২০১৫ সাল থেকে খুলনা মহানগরীর নিরালার ৬ নম্বরে রোডের ৬৬ নম্বর বাসভবনের ছাদে শখের বাগান গড়ে পরিচিতি পেয়েছেন মুর্শিদা আক্তার রনি। তিনি খুলনার মাছ ব্যবসায়ী জব্বার মোল্লার স্ত্রী।
মুর্শিদার বাগানে রয়েছে, কলা, লেবু, আতা, পেঁপে, সফেদা, পেয়ারা, ড্রাগনসহ বেশকিছু ফলের গাছ। প্রতিদিনের সবজির জন্য বাগনে রয়েছে লাউ, বেগুন, পটল, উচ্ছে আর ঝিঙ্গা। আরও আছে, আদা, অ্যালোভেরা, পুদিনাসহ বেশকিছু দেশি-বিদেশি প্রজাতির গাছ।

খুলনা মহানগরীতে এদের মতো অনেকেই শখের বসে ছাদ বাগান গড়ে তুলছেন। এসব বাগানে রয়েছে ফুলের মধ্যে- গোলাপ, গাঁদা, ডালিয়া, বেলী, রজনীগন্ধা, নয়নতারা, অফিস ফুল, চন্দ মল্লিকা, জারবেরা, অর্কিড, ক্যাকটাস, রঙ্গল, বিভিন্ন ধরনের বাহারি গাছ। ফলের মধ্যে- আম, পেয়ারা, আমড়া, লেবু, কুল, জামরুল, কমলা, স্ট্রবেরি, ডালিম, মাল্টা, করমচা, বাতাবি লেবু, সফেদা, আঙ্গুর, জামরুল, কামরাঙ্গা ইত্যাদি। শাকসবজির মধ্যে-টমেটো, শিম, কপি, বেগুন, ঝিঙ্গা, মরিচ, কলমী শাক, পুঁই শাক, লেটুস, বাটি শাক, করলা, বরবটি, শশা, ধুন্দল, বিলাতি ধনে ইত্যাদি।
অন্যদিকে যারা ভাড়া বাসায় থাকেন অথবা একটি ফ্লাটের মালিক, ছাদে বাগান করার সুযোগ নেই তারা তাদের বেলকনিতেই ক্ষুদ্র পরিসরে সুন্দর বাগান গড়ে তুলেছেন। করোনার কারণে সৃষ্ট এই পরিস্থিতিতে ঘরে বসে থাকা সময়টুকু অনেকেই ছাদ বাগানের পরিচর্যার কাজে ব্যয় করছেন। আবার অনেকে ছাদ বাগান থেকে পরিবারের ফল ও শাক সবজির যথা সমান্য যোগানের চেষ্টা করছেন।



খুলনা মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তা জেসমিন ফেরদৌস বাংলানিউজকে বলেন, খুলনায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ছাদ বাগান। খুলনা মহানগরীতে ৩৮০টি ছাদ বাগান রয়েছে। নগরীর বাসা-বাড়ির অসংখ্য ছাদ ভরে উঠছে ফুল, ফল ও সবজির বাগানে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বিপণন সংকটে পথে বসার আশঙ্কা ২শ কলাচাষির

মধুপুর(টাঙ্গাইল): দেশের অন্যতম কলা চাষের এলাকা টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়াঞ্চলের হাজার হাজার একর বাগানের কলা গাছেই পেকে যাচ্ছে। করোনার প্রভাবে বিপণন সংকটে দুই শতাধিক চাষি কলার ছড়ি গাছ থেকে কাটতে সাহস পাচ্ছেন না।

দেশের বিভিন্ন স্থানের যে সব পাইকাররা অগ্রিম দর নির্ধারণে চুক্তি করেছিলেন তারাও বাজারে চাহিদা না থাকায় চাষিদের কাছ থেকে কলা নিয়ে ঝুঁকিতে যেতে চাচ্ছেন না। ফলে মধুপুর গড়াঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার একর (৪ হাজার হেক্টর) জমির কলা গাছের ছড়িতেই পেকে হলুদ হয়ে যাচ্ছে।

এতে কৃষকরা কোটি কোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, গড়াঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার একর (৪ হাজার হেক্টর) জমিতে সাগর ও কবরি জাতের কলা চাষ হয়েছে। এই কলা চাষে সার ও কীটনাশকসহ অনেক টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে কলা কাটার সময় হয়েছে। মোটামুটি লাভসহ খরচ তুলতে ছড়া প্রতি গড়ে ২৫০-৩৫০ টাকা করে বিক্রি করতে হবে। এমন দামেই বিক্রি হয় কলা। তবে এবার করোনা ভাইরাসের প্রভাবে এখন এ কলা বাজারজাত করতে বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে চাষিদের।

মধুপুরের কলাচাষি আনিছুর রহমান হীরা। তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি একটি প্রাইভেট ব্যাংক থেকে ৫০ লাখ টাকা কৃষিঋণ নিয়ে বনাঞ্চলের ৫০ একর জমিতে কলা চাষ করেছেন। কলা চাষ করতে গিয়ে তিনি আরও ৪০ লাখ টাকা বাকিতে সার ও কীটনাশক নিয়ে কলা বাগানে ব্যবহার করেছেন। গাছ থেকে কলা কাটার ভরা মৌসুম আসন্ন। ৩৪০ টাকা (ছড়ি) দরে পাইকারের কাছ থেকে তিনি ইতোমধ্যে অগ্রিম টাকা নিয়েছেন। এরই মধ্যে কলা বাগানেই পাকতে শুরু করেছে। এখন পাইকার কলা নিচ্ছেন না। তার ভাষ্য মতে, কম করে হলেও তিনি দেড় কোটি টাকার কলা বিক্রি করতেন। কিন্তু করোনার প্রভাবে কলার চাহিদা একেবারেই নেই।  

তিনি আরও জানান, তার লেয়ার মুরগির খামার রয়েছে, এই মুরগি চাষেও ধস নেমেছে। কি পরিমাণ লোকসান যে হবে এবং বাকি ও ব্যাংক লোন কিভাবে শোধ করবেন এ নিয়ে তিনি খুবই চিন্তায় আছেন।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা বড় ব্যবসায়ী মো. সেলিম উদ্দিন মধুপুরের কলা কিনে চট্টগ্রামের চকোরিয়া, সাতকানিয়া, কক্সবাজার, টেকনাফে সরবারহ করেন বেশ কয়েক বছর ধরে। তিনি এই সংকটে বেকায়দায় পড়েছেন। কলা কেনার জন্য চাষিদের কাছে অগ্রিম টাকা দিয়েছেন।  

তিনি জানান, গাছ থেকে কলা কেটে হয়ত আনা যাবে। কিন্তু ক্রেতা বা ভোক্তা না থাকলে দুর্ভোগ ও লোকসান দুই পরিস্থিতিতে পড়তে হবে।  

তিনি জানান, মধুপুরের কলা চাষিরা বর্তমানে কঠিন অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। মনে হচ্ছে তাদেরও ব্যবসা গুটিয়ে বসে থাকতে হবে।

মধুপুর কলা চাষি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সহ সভাপতি সার্জেন্ট (অব.) গোলাম কিবরিয়া মতি ৩০ বিঘা জমিতে কলা চাষ করেছেন।  

তিনি জানান, তার ১২ হাজার গাছের মধ্যে ইতোমধ্যে ২ হাজার গাছ ভাইরাসে (স্থানীয় নাম ‘পানামা’) নষ্ট  হয়ে গেছে। বাকি ১০ হাজার গাছের কলা কেনার কেউ নাই। গত দুই দিনে ভ্যান-রিকশায় করে কয়েক ছড়ি কলা বাজারে তুলে একদিনে দু’শ টাকা পকেটে তুলেছেন। পরের দিন ১শ টাকা পকেট থেকে ভ্যান ভাড়া দিতে হয়েছেন।  

তিনি আরও জানান, ২/৩ বছর ধরে কলা বাগানে অজানা একটি ভাইরাসের (স্থানীয় নাম-পানামা) আক্রমণ শুরু হয়েছে। কোনো ওষুধে কাজ হয় না। তারপরও কিছুটা লাভের মুখ দেখতেন। কিন্তু এবার করোনার প্রভাবে লাভ তো দূরের কথা মূল টাকা তোলাও অসম্ভব।  

আক্ষেপ করে তিনি আরও বলেন, এখন ভিক্ষায় বের হতে হবে।
মধুপুরে ১২৬ সদস্যের কলা চাষি সমিতির বাইরে আরও ৭০/৮০ জন কলা চাষি রয়েছেন। সবারই একই দশা।  

এ তথ্য দিয়ে সমিতির সভাপতি শীর্ষ কলা চাষি আব্দুর রহিম জানান, অধিকাংশ বন বিভাগের জমিতেই কলা বাগান রয়েছে। ওই জমির ওপর ব্যাংক কোনো লোন দেয় না। মহাজনী লোন আর সার কীটনাশকের দোকান থেকে বাকি নিয়ে সবাই কলাসহ ফসলাদি চাষ করেন। একে তো কলার ভাইরাস মধুপুরের কলা চাষিদের লোকসানে ফেলে দিয়েছে। কৃষি বিভাগের কোনো চেষ্টা কাজে আসেনি। অপরদিকে কীটনাশক কোম্পানিগুলো চটকদার কথা বলে উচ্চ মূল্যে মেডিসিন দিয়ে শুধু টাকাই হাতিয়ে নিয়েছে। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কলা চাষে এমন বিপর্যয়ে নতুন করে করোনা ভাইরাস চাষিদের অস্তিত্বে হানা দিয়েছে।

মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, যেহেতু সংরক্ষণের সুযোগ নেই তাই করোনা প্রভাবে কৃষকদের কলা বিপণন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়া স্বাভাবিক। চিন্তিত চাষিরা তাড়াহুড়ো করে বাজারে যে কলা তুলছেন সেগুলো পাকতে আরও ১৫ দিন লাগবে। আস্তে ধীরে গাছ থেকে কলা কেটে বাজারজাত করলে লোকসান কিছুটা কমবে। দুশ্চিন্তা না করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কলা কাটার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com