আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

বিশুদ্ধ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা জরুরি

বিশুদ্ধ ও নিরাপদ খাদ্য মানুষের অধিকার। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে খাদ্য প্রধান। জীবন ধারণের জন্য যেমন খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই, তেমনি সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিটি মানুষের প্রয়োজন বিশুদ্ধ ও পুষ্টিকর খাদ্য। আর এ বিশুদ্ধ খাদ্য সুস্থ ও সমৃদ্ধশালী জাতি গঠনে একান্ত অপরিহার্য। যদিও আমাদের দেশের বাস্তবতায় নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্য ব্যবস্থাপনা বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অন্যতম। সবখানে ভেজালের এত বেশি ছড়াছড়ি যে, বহু চেষ্টার পরেও মানুষের বিশুদ্ধ ও নিরাপদ খাদ্যের প্রাপ্যতা আজ বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর জেনেও এক একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী খাবারে মেশাচ্ছে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান। আবার অনেক কৃষক যথাযথ জ্ঞানের অভাবে না জেনেই ব্যবহার করছে মাত্রারিক্ত নানা ধরনের কীটনাশক ও বৃদ্ধি হরমোন, যার প্রভাবে জনস্বাস্থ্য আজ হুমকির মুখে।


শাকসবজি উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতের প্রতিটা পরতে পরতে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকর এবং মাত্রারিক্ত সব রাসায়নিক পদার্থ। দেশের অধিকাংশ কৃষক, অধিক ফলন এবং দ্রুত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়ার আশায় কোন রকম মাত্রা নির্ধারণ ছাড়াই ফসল ও সবজিতে প্রচুর পরিমাণে হরমোন ব্যবহার করে। এছাড়া পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ থেকে ফসলকে রক্ষা করতে অনিয়ন্ত্রিত মাত্রার কীটনাশক অহরহ ব্যবহার করা হয়। কৃষকদের এসব হরমোন ও কীটনাশক ব্যবহারের সঠিক মাত্রা ও সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রশিক্ষণ না থাকায় উৎপাদিত ফসল জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষকের উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করার সময়ও আরেক দফায় সেখানে মেশানো হয় ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান। শাকসবজিকে টাটকা ও সতেজ দেখানোর জন্য দীর্ঘক্ষণ কপার সালফেটের পানিতে (তুঁতে) ডুবিয়ে রেখে তারপরে বাজারে ওঠানো হয়। ফলের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে থাকে। মৌসুমি ফল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে ফলে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান। তরমুজের ভেতর লাল রঙ তৈরির জন্য ভিতরে সিরিঞ্জ দিয়ে দেওয়া হয় তরল পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট। বিভিন্ন ফল পাকানোর সময় ব্যবহৃত হয় ক্যালসিয়াম কার্বাইড। আর দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণের জন্য দেওয়া হয় ফরমালিন। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে শাকসবজি ও ফলমূলের জুড়ি নেই। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, এগুলোতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তো বাড়েই না উপরন্তু এগুলো খাওয়ার মানুষের শরীরে বাসা বাঁধে মারাত্মক সব রোগ।

দুধ সুষম খাদ্য তালিকার অন্যতম একটি উপাদান। কিন্তু বর্তমানে এই সুষম খাবারটি ও বিষে পরিণত হয়ে গেছে। পূর্বে দুধে পানি মিশিয়ে বিক্রির কথা প্রচলিত থাকলেও বর্তমানে দুধে ভেজালের পরিমান বহুগুনে বেড়ে গেছে। যেমন গরুর শরীরে পিটুইটারি ইনজেকশন দিয়ে দুধের পরিমাণ কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হচ্ছে। যেটা মানব স্বাস্থ্যের জন্য বড় রকমের ঝুঁকি। বেশিদিন সংরক্ষণের জন্য দুধে ফরমালিন মেশানো হচ্ছে। কয়েক বছর আগে শোনা গিয়েছিল পাস্তুরিকৃত দুধে মলের জীবাণু পাওয়া গেছে। এসব ক্ষতিকারক দুধ দিয়েই আবার বানানো হচ্ছে বিভিন্ন লোভনীয় খাবার বা মিষ্টি জাতীয় পণ্য। কিন্তু সেখানেও ভেজালের কমতি নেই। মাঝেমধ্যে দেখা যায় টিস্যু পেপার দিয়েও ছানা, রসগোল্লা বানানো হয়েছে। চিনি জাতীয় খাবার শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর। তার উপর মিষ্টি বানানোর সময়ে ভেজাল দুধ ব্যবহার ও তার সাথে নানান অপদ্রব্য মেশানোর পাশাপাশি চিনির পরিবর্তে নিষিদ্ধ ঘন চিনি ব্যবহৃত হচ্ছে। সোডিয়াম সাইক্লামেট নামের মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থটি ঘন চিনির প্রধান উপাদান, যা নির্দ্বিধায় ব্যবহৃত হচ্ছে, মিষ্টি, বেকারি আইটেম, আইসক্রিম, বেভারেজ, জুস, চকোলেট, কন্ডেন্সড মিল্ক প্রভৃতি মিষ্টি জাতীয় খাদ্য দ্রব্যে। চিনির চেয়ে প্রায় পঞ্চাশ গুণ বেশি মিষ্টি এই ঘন চিনি পৃথিবীর অনেক দেশেই নিষিদ্ধ হলেও আমাদের দেশের আসাধু ব্যবসায়ীরা এগুলো বিক্রী করছে। আবার ভেজাল ঘন চিনির সাথে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার মেশানো হচ্ছে। স্বাদহীন এই রাসায়নিক পদার্থটি দামে স্বস্তা এবং দেখতে হুবহু চিনির মতো হওয়ায় ঘন চিনির সাথে মেশালে কোনোভাবেই এর অস্তিত্ব বোঝার উপায় থাকছে না। যেটা বিষের সাথে বিষ মেশানোরই শামিল। দাম কম হওয়ায় অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা কোনরকম আগে পরে চিন্তা না করে এই ভেজাল মিশ্রিত ঘন চিনিই কিনে নিয়ে যাচ্ছে।

দ্রুত বর্ধনশীল অনেক মাছ চাষের সময় সেগুলো বিভিন্ন আবর্জনা খাইয়ে দ্রুত বড় করা হয়। উক্ত আবর্জনার সাথে মিশ্রিত বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মাছের শরীরের সাথে মানব দেহে প্রবেশ করছে। যেগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। মাছ পচার হাত থেকে রক্ষা করতে খুচরা ব্যবসায়ীরা ব্যবহৃত করছে ফরমালিন। মাংসের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। দেশের নিন্ম আয়ের মানুষের ফার্মের মুরগি একটি নিত্ত নৈমত্তিক খাবার। ঢাকা শহর থেকে শুরু করে দেশের সব বিভাগীয় পর্যায় এমন কি গ্রামে বসবাসকারী মানুষের কাছেও দামে সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য হওয়ায় ফার্মের মুরগি বেশ আগে থেকেই সবার জনপ্রিয়। কিন্তু গবেষণায় উঠে এসেছে, ফার্মের মুরগির শরীরে ক্ষতিকর অনেক জীবাণু এবং রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি। দ্রুত বাড়ার জন্য মুরগির দেহে হিউম্যান অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়। এর ফলে মুরগির দ্রুত বাড়তে খুব বেশি খাবার দেয়ার দরকার হয় না। এছাড়া দানাদার যেসব খাবার মুরগিকে দেয়া হয়, তাতেও মিশ্রণ করা হয় নানারকম রাসায়নিক উপাদান। চামড়ার ট্যানারিগুলোতে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার পর চামড়ার উচ্ছিষ্টগুলো দিয়েই খাবার প্রস্তুত করে চলেছে মুরগির খাবার প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলো। তাতে পাওয়া গেছে ভয়াবহ মাত্রার ক্রোমিয়াম। এই ক্রোমিয়াম মানুষের শরীরে প্রবেশ করে মানুষের শরীরের কোষগুলো নষ্ট করে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। মুরগির শরীরে ব্যবহৃত নানা ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোন ও ওষুধে লুকিয়ে আছে মরণঘাতী ব্যাকটেরিয়াসহ মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর মারাত্মক জীবাণু। গরুর মাংসের ক্ষেত্রেও অনুরূপ পদ্ধতি দেখা যায়। দ্রুত বৃদ্ধির জন্য গরুর শরীরে দেওয়া হয় বিভিন্ন গ্রোথ হরমোন। ঈদের সময় কিছু গরুর গোশত বৃদ্ধির জন্য এমন কিছু হরমোন ব্যবহার করা হয়, যাতে ঈদের চার-পাঁচ দিনের মধ্যে গরুটি বিক্রি না হলে সেটি মারা যায়। এ ধরনের গোশত মানুষের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর।

ভাত বাঙালির প্রধান খাদ্য। কিন্তু চাল প্রক্রিয়াজাতকরণে আছে ভেজালের দীর্ঘ ইতিহাস। ক্রেতাদের কাছে চাল অধিক আকর্ষণীয় করতে কয়েকবার সিদ্ধ করে এবং বিভিন্নভাবে চাল ছাঁটাই করা হয়। ফলে চালে থাকা ভিটামিন-বি নষ্ট হয়ে যায়। চাল আকর্ষণীয় করতে রঙের সাথে মেশানো হয় নানা ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য যেমন: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, অ্যারারুট ও পুরানো নষ্ট ময়দা। এছাড়া ও গুঁড়া পাথর, কাঁকর, ইটের গুঁড়া মিশিয়ে চালের ওজন বাড়ানো হয়।

বেকারির অস্বাস্থ্যকর খাদ্যপণ্য, জীবন রক্ষাকারী পানির বোতলে দূষিত পানি, মুড়িতে ইউরিয়া, বিষাক্ত এনার্জি ড্রিংক ও জুস, শিশুখাদ্যে ও ভয়াবহ এবং ক্ষতিকর কেমিক্যাল পণ্য মেশানো হয়। মেশানো হয় মসলায় ইটের গুঁড়া এবং হলুদে লেড ক্রোমেট বা লেড আইয়োডাইড। ভেজালের এই তালিকা এত দীর্ঘ যে, বলে শেষ করা যাবেনা। ক্রেতা এখন খাঁটি জিনিস চড়া মূল্য দিয়েও বাজারে কিনতে পায়না।

পচা বাসি খাবারের চিত্র প্রায় সব রেস্তোরাঁতেই চোখে পড়ে। বাদ যায়না নামীদামী অনেক রেস্তোরাঁও। শিশুদের জন্য তৈরি কৃত বিভিন্ন কোম্পানির জুস, চকলেট, চানাচুর ইত্যাদি উৎপাদনে কোম্পানিগুলো কোনরকম নিয়মের তোয়াক্কা না করে দেদারসে বানিয়ে বাজারজাত করে যাচ্ছে। এছাড়াও রাস্তার পাশে, বিভিন্ন পার্ক বা বিনোদন কেন্দ্রের আশপাশে গড়ে ওটা রেস্তোরাঁ বা খোলা খাবারের দোকানগুলোর কতটা স্বাস্থ্য সম্মত সেটার প্রশ্ন থেকেই যায়। এসবের কিছু কিছু মাঝেমধ্যে মিডিয়ায় আসে আবার অধিকাংশ চাপা পড়ে যায়। মানুষ জেনে অথবা না জেনে খাবারের পরিবর্তে এসব বিষ গ্রহণ করে নিজেদের আরও একধাপ নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
ফরমালিন ব্যবহৃত হয় মৃতদেহ সংরক্ষণের কাজে। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ সেটাকে খাদ্যে ব্যবহার করছে। টেক্সটাইল কারখানায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ডাই বা রঞ্জক (রঙ) পদার্থ মানব দেহে প্রবেশের পরে দেহের প্রতিটা অঙ্গকে ক্ষতি করে। গলবিলে ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য ফরমালিনকে দায়ী করা হয়। ডাই বা রঞ্জক (রঙ) পদার্থ মানব দেহের লিভার, কিডনি, হৃদপিন্ড, অস্থিমজ্জা ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। তরুণদের বেলায় এসব প্রভাব ধীরে দেখা গেলেও শিশু ও বৃদ্ধদের বেলায় দ্রুতই দেখা দেয়। খাদ্যপণ্য ভেজালের কারণেই দেশের মানুষের বিভিন্ন রকমের ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, কিডনি ফেলিউর, হৃদযন্ত্রের অসুখ, হাঁপানি সহ আরও জটিল রোগ দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে রোগীদের লাইন লম্বা থেকে লম্বাতর হচ্ছে। শুধু ভেজাল খাদ্য গ্রহণের ফলে দেশে প্রতি বছর প্রায় ৩ লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজার, কিডনি রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ। এছাড়াও মাতৃ স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিলে দেখা যায় একজন গর্ভবতী মা ভেজাল মুক্ত খাবার পায়না। যার ফলে তাঁর গর্ভের শিশুটিও বেড়ে ওঠার আশানুরূপ পরিবেশ পায়না। এসব কারনে গর্ভপাত এবং বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম এখন অনেকটা নিত্ত নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দেশে চাষযোগ্য কৃষি জমির তুলনায় জনসংখ্যার চাপ অধিক। আর বাড়তি এই জনগণের খাদ্য চাহিদা মেটাতে হাইব্রিড সবজি চাষ, মাংস উৎপাদন অনেকটা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে। সারাবিশ্বে ও এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বহির্বিশ্বে হাইব্রিড সবজি, ফলমূল, মাস, মাংস উৎপাদনের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় যথাযথ হরমোন ব্যবহার করা হয়। সেখানে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাবারের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য, আমাদের দেশে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন নীতিমালা নেই। উপরন্তু দেশের বাজারে এসব হরমোনের বেশ সহজলভ্যতাও রয়েছে। যার ফলে কৃষক সেগুলো সহজে হাতের নাগালে পেয়ে ইচ্ছামত ব্যবহার করছে। কীটনাশকের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এথেকে উত্তরণের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া অতি আবশ্যক হয়ে পড়েছে। যেমন: হাইব্রিড সবজি, মাংস উৎপাদনে কৃষকদের যথাযথ প্রশিক্ষন থাকতে হবে। বিভিন্ন ধরনের গ্রোথ হরমোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকতে হবে। নীতিমালা থাকতে হবে ফসল উৎপাদনে নিয়ন্ত্রিত মাত্রার কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও। উপজেলা পর্যায়ে কৃষি অফিসগুলো নিয়মিতভাবে তদারকি করে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে এ সমস্যার সমাধান করতে পারে। এছাড়া উৎপাদিত খাবারের মান যাচাইয়ের জন্য দেশের সরকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনসমূহ যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারে। আমাদের দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশি আধুনিক না হওয়ায় রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরে সবজি বা ফলমূল পরিবহণে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয় এবং পথিমধ্যে অনেক নষ্ট হওয়ার ভয়ে কৃষক বা মধ্য স্বত্বভোগীরা নানা রকম ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে থাকে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি পূর্বক সেই সাথে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যথাযথ তদারকিই এই সমস্যার সমাধান করতে পারে।

জনগণের স্বদিচ্ছা ছাড়া সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। কেননা, এর সঙ্গে অনেক বিষয়াদি জড়িত। তারপরেও কিছু নিয়ম কানুন এবং যথাযথ আইন প্রয়োগের মাধ্যমে খাদ্যে ভেজাল দেওয়ার লাগাম এখনি টেনে ধরতে না পারলে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের সামনে খুবই খারাপ অবস্থা অপেক্ষা করছে সেটা সহজেই অনুমেয়।

পরিবেশ

ফাঁদ পেতে অবাধে বক শিকার

নীলফামারীতে বক শিকার থেমে নেই। স্থানীয় শিকারীদের ফাঁদে প্রতিদিন শত শত বক মারা পড়ছে। এতে ছানা বকগুলো অকালে প্রাণ হারাচ্ছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পাখি শিকার নিষিদ্ধ হলেও তা মানছে না শিকারীরা।

বুধবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে নীলফামারী জেলা শহরের নিউবাপু পাড়ার মিলন পল্লী মহল্লায় দেখা যায়, কয়েকজন মিলে ধানের ক্ষেতে ফাঁদ পেতে বক শিকার করছে। 

ভাদ্র, আশ্বিন ও কার্তিক মাসে আমন ধানে জমে থাকা পানিতে ছোট মাছসহ পোকাগমাকড় খেতে আসে বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী ও দেশি পাখি। এসব পাখি শিকারে মেতে উঠেছে স্থানীয় শিকারীরা। তারা ফাঁদ পেতে পাখি ধরছে। বিশেষ করে বকের প্রজননকাল হওয়ায় ধরা পড়ছে ছানা বকগুলো। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সঠিক নজরদারি ও জনসচেতনতার অভাবে পাখি শিকার বেড়েছে।

বন বিভাগ সূত্র জানায়, বর্ষার পর নদী-নালা ও খাল-বিলের পানি কমতে থাকে। এ সময় আমন ধানের জমিতে ছোট মাছ ও পোকা-মাকড় খেতে আসে বিভিন্ন প্রজাতির বক। এই সুযোগে শিকারীরা বক শিকার করে স্থানীয় হাটবাজারে ও পাড়া মহল্লায় বিক্রি করছে।

স্থানীয় শিকারী সুজন মিয়া জানান, ‘দেশীয় ফাঁদে বক ধরে বিক্রি করি। এবার করোনা মহামারি ও ভাদ্র-আশ্বিন মাসে হাতে কাজ না থাকায় বক ধরে বিক্রি করছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে আরিফ নামে এক শিকারী বলেন, ‘বাড়িতে বসে না থেকে ভাইয়ার সঙ্গে বক ধরতে এসেছি। দুই ভাই পাখি শিকার করে সংসার চালাই।’

নীলফামারী বন বিভাগ কর্মকর্তা মাহবুবর রহমান জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। মানুষ সচেতন হলে এ ধরনের পাখি শিকার বাড়তো না। সব সময় আইন দিয়ে সবকিছু করা যায় না।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন নাহার জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, পাখি শিকার ও নিধন দণ্ডনীয় অপরাধ। সচেতনতার অভাবে খাল-বিলে ছুটে আসা নানা প্রজাতির বক ধরা পড়ছে। এতে নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। আমরা দ্রুত মাইকিংসহ হাট-বাজারে অভিযানে নামবো।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

কৃষকের ধান খেয়ে যায় প্রভাবশালীদের মহিষ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চর আতাউরে ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে প্রায় ১০০ একর জমির ধান মহিষ দিয়ে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ক্ষতিপূরণ ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরান হোসেনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

জানা গেছে, হাতিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে প্রায় ৩৫ বছর আগে জেগে ওঠা চরআতাউর ভূমিহীনদের মাঝে ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ সালে বন্দোবস্ত দেয় সরকার। ২০২০ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনপ্রতি ১.৫০ একর জমি বুঝিয়ে দেন। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের চাষাবাদ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। ২০২১ সালের জুনে জমি প্রস্তুত করে চাষাবাদ শুরু করেন কৃষকরা।

কৃষক মো. রফিকউদ্দিন (৭৫) বলেন, আমাদের কোনও জমি নেই। তাই আমাদের চাষের জমি বন্দোবস্ত করে দিয়েছে সরকার। চাষাবাদের পর থেকে গরু-মহিষে ফসল নষ্ট করতে থাকে। বিষয়টি তমরদ্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফররুখ আহমেদকে জানিয়েছি। তিনি গরু ও মহিষ মালিক সবাইকে সতর্ক করলেও কেউ তা কানে তোলেননি। গত শনিবার রাতে দুই শতাধিক মহিষ দিয়ে তারা আমাদের জমির সব ধান নষ্ট করে দিয়েছে। এর প্রতিবাদ করলে আমাদেরকে হুমকিও দিয়েছে তারা।

কৃষক নবীর উদ্দিন (৪৬) বলেন, সরকার আমাকে কিছু জমি দিয়েছে। অনেক কষ্ট করে দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থা থেকে ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পাশের উপজেলা মরপুরা থেকে ট্রাকটার ও বিজ এনে চাষাবাদ করি। কিন্ত আমাদের কিছু ক্ষমতাশালী লোক তাদের মহিষ দিয়ে আমার ও আরও কয়েকজন কৃষকের কষ্টের ফসল শেষ করে দিয়েছে। আমরা এখন খাবো কী? আর এই ঋণের টাকা পরিশোধ করবো কীভাবে?

অভিযুক্ত তমরদ্দি ইউপি সমদস্য রাশেদ উদ্দিন বলেন, রাতের বেলা মহিষগুলো জমিতে ঢুকে ধান খেয়ে ফেলেছে। আমরা বসে কৃষকদের ধানের ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেবো।

এ বিষয়ে ইউএনও ইমরান হোসেন বলেন, আমার কাছে কৃষকরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আমি তমরদ্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ অন্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। মহিষ মালিকরা তাদের দোষ স্বীকার করেছেন। কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ধামইরহাটে শত্রুতার বলি হলো আড়াই বিঘা জমির ধান

নওগাঁর ধামইরহাটে প্রতিপক্ষের শত্রুতার বলি হলো কৃষকের আড়াই বিঘা জমির ধান। গামর অবস্থায় থাকা কৃষকের এতগুলো ধান নস্ট হওয়ায় হতাশায় দিনযাপন করছে। ভুক্তভোগী সুবিচারের প্রার্থনায় আইনি সহায়তা চেয়েছেন।


ধামইরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বড়মোল্লা পাড়া (বীরগ্রাম) এলাকার মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে আনিছার রহমান অভিযোগ করেন, বীরগ্রাম মৌজায় তার পৈতৃকভাবে পাওয়া ক্রয়সূত্রে খরিদ করা ১.২৫ একর জমিতে অনেকদিন যাবৎ চাষাবাদ করে আসছিলেন। এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষের লোকজন  চলতি মাসের ৯ সেপ্টেম্বর তার জমিতে রাসায়নিক স্প্রে করে সমস্ত ধান বিনস্ত করার অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগী আনিছার রহমান বলেন, ‘আমার জমিতে আমার নিজ ছোট ভাই  মো. আমিনুল ইসলাম অন্যান্য প্রতিপক্ষ আনোয়ার হোসেন, নাসির উদ্দিন সহ ৪/৫ জন দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা করে আসছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে স্থানীয় জিয়াউর রহমান জমিতে রাসায়নিক স্প্রে করার নিজ এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসতে দেখে আমাকে জানায়, এতে আমার প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি এ বিষয়ে ধামইরহাট থানায় ও মাননীয় সাংসদসহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে অবগত করেছি।’ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানকেও আমিনুল ইসলামকেই দোষী মনে করেন বলে প্রতিবেদককে জানা।


অভিযুক্ত প্রতিপক্ষ আমিনুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, জমিটি আমারই, সেখানে আমিই ধান লোকজন দিয়ে লাগিয়েছেন, আমার প্রতিপক্ষ জোর করে জমিতে ধান খোসা দিয়ে জবর দখলের চেষ্টা করেছিল, আমরা ২ ভাই ৭ বোন, বোনদের অংশ অভিযোগকারী আত্নসাৎ করেছে, আমি কারও ধানে স্প্রে করিনি, বরং সেই আমার ধানে স্প্রে করেছে।’
ধামইরহাট থানার ওসি আবদুল মমিন জানান, আনিছার রহমান ধান স্প্রে করার অভিযোগ করলেও অপর পক্ষ আমিনুল ইসলাম থানায় এজাহার দাখিল করেছেন, প্রকৃত ঘটনা  তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

সীতাকুণ্ড থেকে হালিশহর সাগরপাড়ে গড়ে উঠছে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল

সীতাকুণ্ডের সলিমপুর থেকে চট্টগ্রাম আউটার রিং রোডের পশ্চিম পাশে হালিশহর পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় বন বিভাগ হাতে নিয়েছে নতুন বনায়ন প্রকল্প। যদিও অনেক আগেই জলোচ্ছ্বাস থেকে চট্টগ্রামবাসীকে রক্ষা করতে উপকূলীয় এলাকায় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল গড়ে তোলা হয়েছিল । আর সে সময় লাগানো হয়েছিল গেওয়া, গোয়া, বাইন ইত্যাদি গাছ। এবার নতুনভাবে রোপণ করা হচ্ছে বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী প্রায় ২০ প্রজাতির গাছের চারা।  

আউটার রিংরোড ঘিরে শুরু হয়েছে বনবিভাগের দৃষ্টিনন্দন এ বনায়ন। এক শ্রেণির ভূমিদস্যু বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকার সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তুলেছিল ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থাপনা। সম্প্রতি বেশকিছু স্থাপনা উচ্ছেদের পর উদ্ধারকৃত এসব জমিতে উপকূলীয় বন বিভাগ নতুনভাবে কাজ শুরু করেছে। 

উপকূলীয় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেড়িবাঁধের পশ্চিম পাশে বিশাল জায়গাজুড়ে ছোট ছোট মাটির টিলায় বেড়ে উঠছে নতুন চারাগুলো। সীতাকুণ্ডের সলিমপুর থেকে হালিশহর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ জমিতে রোপণ করা হয়েছে অসংখ্য গাছ। সলিমপুর উপকূলের বেড়িবাঁধ এলাকায় দাঁড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিলেন আহমদ নবী। তিনি বলেন, নতুন চারাগুলো বেড়ে না উঠা পর্যন্ত বাগানে গরু-ছাগল বা অন্যকোন প্রাণী থেকে গাছকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এছাড়া উচ্ছেদকৃত ভূমির অবৈধ দখলদাররা যাতে বনায়নের ক্ষতি করতে না পারে সেটাও দেখছি । 

চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস এম গোলাম মাওলা বলেন, আউটার রিং রোডের উচ্ছেদকৃত এবং খালি জায়গায় নতুনভাবে বনায়ন শুরু হয়েছে। নতুন এ বনায়নে অশোক, রেইনট্রি, শিরীষ, দেবদারু, ইউক্যালিপ্টাসসহ প্রায় ২০ প্রকারের বনজ, ঔষধিগাছ লাগানো হয়েছে। নতুনভাবে রোপণ করা এসব চারা যাতে সযত্নে বড় হতে পারে এজন্য অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে স্থানীয়দেরকে এতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এরমধ্যে স্থানীয়দের উদ্বুদ্ধ করতে বন বিভাগের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বাবলম্বী সমাজ উন্নয়ন সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকরা উপকূলীয় এলাকার স্থানীয় লোকদের উদ্বুদ্ধসহ নতুন বনায়ন রক্ষায় কাজ করবে।

তিনি বলেন, এখনো বনবিভাগের বেশকিছু জায়গা অবৈধ দখলদারদের হাতে রয়ে গেছে। যারমধ্যে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিও রয়ে গেছেন। তবে এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান। বলেন, অবৈধ দখলদাররা যতই শক্তিশালী হোক না কেন, বন বিভাগের জমি থেকে অবশ্যই তাদের বিতাড়িত করা হবে। পর্যায়ক্রমে এসব জমিতেও নতুনভাবে বনায়ন করা হবে। বনবিভাগের এ উদ্যোগ সফল হলে সত্যিই পাল্টে যাবে নগরীর উপকূলীয় এলাকা। স্থানীয় এলাকাবাসীরও আশা আবারো প্রকৃতির নৈসর্গিক পরিবেশ ফিরে পাবে চট্টগ্রাম উপকূল।

উপকূলীয় বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে কি পরিমাণ ভূমিতে বনায়ন করতে হবে সেটা পরিমাপের পর গাছের সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয়। এরপর সারিবদ্ধভাবে নির্দিষ্ট দূরত্বে টিলা তৈরি করে চারা রোপণ করতে হয়। উপকূলীয় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা শামসুল হকের তত্ত্ববধানে ও বনরক্ষী জুলফিকার আলীর প্রচেষ্টায় এরমধ্যে চারা রোপণের কাজ শেষ হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

চৌদ্দগ্রামে পোকা শনাক্তে অতন্ত্র জরিপ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে রোপা আমন ধানের পোকা শনাক্তকরণের লক্ষ্যে অতন্ত্র জরিপ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন পূর্ব ধনমুড়ি এলাকায় মডেল কলেজ সড়কের পাশে ফসলি জমিতে এ জরিপ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুব্রত রায়, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা নাজমুল হাসান মজুমদার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরিফ সোলায়মান মজুমদার, পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড সিআইজি সমিতির কৃষক কাজী আক্তার হোসেন, আব্দুর রউফ, আব্দুল কাদের, রাজা মিয়া, আবুল কালামসহ স্থানীয় কৃষকবৃন্দ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com